20/01/2019
বান্দরবান টুর প্লান : ১
দুইদিন তিন রাত
যদি আপনার কাছে খুব কম সময় থাকে আর বান্দরবান টুর প্লান করেন তাহলে যে যায়গায় গুলো আপনি ঘুরে আসতে পারেন পরিবার অথবা বন্ধু,বান্ধবী,কলিগ নিয়ে কম সময় কম খরচে।
# নীলগিরি
# নীল আচল
# চিম্বুক
# শৈল প্রপাত
# মেঘালয়
# স্বর্ণমন্দির
# জমিদার বাড়ী
প্রতি দিন সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে অনেক পরিবহন বান্দরবান উদেশ্য ছেড়ে যায় এসি/নন এসি
#শ্যামলী পরিবহন (এসি/ নন এসি ) ভাড়া ৬২০/১২০০ টাকা
#হানিফ পরিবহন (নন এসি) ভাড়া ৬২০ টাকা
#এস আলম (নন এসি) ভাড়া ৬২০ টাকা
#ইউনিক পরিবহন ( নন এসি) ভাড়া ৬২০ টাকা
#সেন্ট মার্টিন পরিবহন (এসি) ভাড়া ১২০০ টাকা
#ডলফিন পরিবহন ( নন এসি) ভাড়া ৬২০ টাকা
#শান্তি পরিবহন ( নন এসি) ভাড়া ৬২০ টাকা
এছাড়া আপনি যদি ট্রেনে করে যেতে চান :
ঢাকার কমলাপুর হইতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিদিন চট্রগ্রামের উদেশ্য ট্রেন ছেড়ে যায়।।
# সুবর্ন এক্সপ্রেস (ভাড়া ৩৫৫/৬৭৩)
# সোনার বাংলা (ভাড়া ৬০০/১০০০/১১০০)
# মহানগর এক্সপ্রেস (৩৪৫/৪৫৫/৭৫৬)
# মহানগর গোধূলী (৩৪৫/৪৫৫/৭৫৬)
# মহানগর প্রভাতী (৩৪৫/৪৫৫/৭৫৬)
# তূর্না এক্সপ্রেস (৩২০/৭৩১/১০৯৩)
# চট্রগ্রাম মেইল (১০০/১৫০০)
চট্রগ্রাম থেকে অনেক পরিবহন বান্দরবান উদেশ্য ছেড়ে যায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্য়ন্ত # ভাড়া পরবে ১৫০/২০০ টাকা
বান্দরবান গিয়ে সকাল সকাল পৌছাবেন ভালো ভালো হোটেল এবং রিসোর্টের আছে!! আপনার সুবিধা মতো বেছে নিবেন।।
# সাইড়ু হিল রিসোর্ট
# পর্যটন মোটেল
# হোটেল হিল ভিউ
# হলি ডে ইন
# ভেনাস রিসোর্ট
# সাকুরা হিল রিসোর্ট
# হিলসাইড রিসোর্ট
# হোটেল প্লাজা
# হোটেল ফোর স্টার
# হোটেল থ্রী স্টার
ভাড়া টা একটু দাম কসাকসি করে নিবে।।
১০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত পাবেন
এক সাথে গুরুপ করে থাকতে পারবেন।
প্রথম দিন :
হোটেলে উঠে নিজের মতো করে তৌরি হয়ে নিবেন সারা দিন এর মতো করে।।
সকালের নাস্তা করে করে একটা জিপ ভাড়া করবেন সারাদিন এর জন্য। ভাড়া ৫০০০/৫৫০০ টাকা
প্রথমে নীল গিরির উদেশ্যে যাবেন এরপর লীল আচল দেখবেন দুটি যায়গায় আপনি দেখতে পাবেন পাহাড়ের ভাজে ভাজে মেঘের খেলা সারাদিন থাকার ইচ্ছা জাগবে আপনার।। যদিও হাতে সময় কম তাই ফিরতে হবে চিম্বুক পাহাড়ের দিকে, চিম্বুক দেখা শেষ করে আসবেন শৈল প্রপাত ঝরনায়,ঘুরে আসতে আসতে বিকাল হয়ে যাবে, ঝরনা দেখার পাশাপাশি আপনি কিছু কেনাকাটা করে নিতে পারবেন আদিবাসী দের হাতে বুনান অনেক কিছু কিনতে পারবেন যা আপনার মনের খোরাগ যোগাবে।
সময় করে দুপুরের খাবার খেয়ে নিতে ভূল করবেন না।
রাতের খাবার সেরে নিজের মত করে সমায় কাটাবেন অথবা বান্দরবান শহর রিকশা নিয়ে ঘুরে দেখতে পারেন।
খুবই নিরাপদ শহর কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না।
অথবা হোটেলে এসে ঘুমিয়ে পরবেন।। ২ য় দিন যাতে ভালো করে ঘুরতে পারেন তার জন্য প্রিপারেশন নিয়েতে পারেন।।
২য় দিন :
সকালের খাবার খেয়ে অটোরিকশায় রিকশা ভাড়া করবেন,স্বর্ণমন্দির এর উদেশ্যে,ভাড়া টা দর কসাকসি করে নিবেন।
স্বর্ণমন্দির এর কাছাকাছি গিয়ে অটোরিকশায় রিকশা ছেড়ে দিবেন, পায় হেটে পাহাড়ের চূড়ায় উঠবেন স্বর্ণমন্দির ঢোকার সময় ২০ টাকা দিয়ে টিকিট কিনে ঢুকতে হবে। স্বর্ণমন্দির দেখা শেষ করে শহরে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে নিবেন। একটু বিরতি দিয়ে মেঘালয় যাবার জন্যে সিএনজি অটোরিকশায় ভাড়া নিবেন। মেঘালয় ঘোরার জন্যে আপনাকে টিকিট কিনেতে হবে। যা দেখবেন ঝুলান্ত ব্রিজ,মিনি চিড়িয়াখানা ইত্যাদি । মেঘালয় ঘোরা শেষ করে চলে আসবেন শহরের জমিদার বাড়িতে।।
এরপর নিজের জন্য পরিবারের জন্যে ইচ্ছা মতো কেনাকাটা করে হোটেলে ফিরে আসবেন।
রাতের খাবার সেরে ব্যাগ গুছিয়ে বাসের কাউন্টার যাবেন।
বাসে উঠে সকালে ইনশাআল্লাহ ঢাকায় থাকবেন।
খাবার ম্যানু :
সকালে একটু ভারি খাবার খেয়ে নিবেন যাতে করে সারাদিন এর শক্তি এনার্জি থাকে।
সকালের নাস্তা :
পরাটা,সবজি,ডাল,ডিম,খিচুড়ি ইত্যাদি।
দুপুরের খাবার:
একটু চেস্টা করবেন হাল্কা খেতে।
সাদা ভাত এর সাথে সাক,সবজি,ভর্তা ডাল ইত্যাদি।
রাতে:
অবশ্যই ভারি খাবার খাবেন।
সাদা ভাত এর সাথে পাহাড়ের দেশী মুরগী ভূনা,সবজি,ডাল অথবা ভূনা খিচুড়ি সাথে পাহাড়ের দেশী মুরগী।
যা যা সাথে রাখবেন :
# খাবার পানি
# শুকনো খাবার
সতর্কীকরন :
# পাহাড়ে উঠার সময় খুব সাবধানতা সাথে উঠতে হবে যাতে করে পা সিলিভ না করে।
# পাহাড়ের উঠে খুব পাসে গিয়ে দাড়াবেন না।
# পাহাড়ে উঠতে কস্ট হলে দম নিয়ে বিরতি দিয়ে উঠবেন।
# যেখানেই যাবেন নিয়ম মেনে ঘুরবেন।
# চকলেট,বিস্কুট,চিপস,পানির বোতল ইত্যাদি যেখানে সেখানে ফেলেবেন না প্লিজ।
অনুরোধ :
ঘুরতে গেলে যে কোন ধরনের পরামর্শ প্রেযোজন হলে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের এই পেইজে।
।।। ধন্যবাদ ।।।