বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পেইজটি ফলো করে লাইক দিয়ে রাখুন।

মাটির ঘর-নওগাঁ
09/07/2025

মাটির ঘর-নওগাঁ

মিয়া বাড়ি জামে মসজিদ -বরিশাল
05/07/2025

মিয়া বাড়ি জামে মসজিদ -বরিশাল

২০১ গম্বুজ মসজিদ-টাঙ্গাইল২০১ গম্বুজ মসজিদ হলো বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথ...
21/06/2025

২০১ গম্বুজ মসজিদ-টাঙ্গাইল

২০১ গম্বুজ মসজিদ হলো বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে অবস্থিত একটি মসজিদ।[১] এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি গম্বুজ এবং দ্বিতীয় উচ্চতম মিনার বিশিষ্ট মসজিদ হিসাবে স্বীকৃত।[২] মসজিদটির নকশা করা হয়েছে ২০১টি গম্বুজ ও ৯টি মিনার দিয়ে সজ্জিত একটি পূর্ণাঙ্গ মসজিদ কমপ্লেক্স হিসেবে। মসজিদটি নির্মাণাধীন রয়েছে।

ধারণক্ষমতা
৩,০০
দৈর্ঘ্য
১৪৪ ফুট (৪৪ মিটার)
প্রস্থ
১৪৪ ফুট (৪৪ মিটার)
গম্বুজ
২০১
গম্বুজের ব্যাস (বাহ্যিক)
৮১ ফুট (২৫ মিটার) (মূল গম্বুজ)
১৭ ফুট (৫.২ মিটার) (অন্যান্য গম্বুজ)
মিনার

মিনারের উচ্চতা
৪৫১ ফুট (১৩৭ মিটার) (মূল)
১০১ ফুট (৩১ মিটার) (চার কোণ)
৮১ ফুট (২৫ মিটার) (অভ্যন্তরীণ চার মিনার)

২০১৩ সালের জানুয়ারি এই মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়।[৩] মসজিদটি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মা রিজিয়া খাতুন।[৩] মসজিদ নির্মাণে ব্যয় হবে আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা। নির্মাণ শেষ হলে মসজিদ আল হারামের ইমাম এসে নামাযের ইমামতি করে মসজিদটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।[৪][৫]

স্থাপত্যশৈলী
মসজিদটির ছাদে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি গম্বুজ রয়েছে।[৪] এই বড় গম্বুজের চারপাশে ছোট ছোট গম্বুজ আছে ২০০টি।[৫] প্রত্যেকের উচ্চতা ১৭ ফুট। মূল মসজিদের চার কোণায় রয়েছে ৪টি মিনার।[৬] প্রত্যেকের উচ্চতা ১০১ ফুট। পাশাপশি ৮১ ফুট উচ্চতার আরও চারটি মিনার আছে। সবচেয়ে উঁচু মিনারটি মসজিদের পাশে অবস্থিত, যার উচ্চতা ৪৫১ ফুট। মসজিদটি দৈর্ঘ্যে ১৪৪ ফুট ও প্রস্থে ১৪৪ ফুট। মসজিদটিতে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন।[৭] মসজিদের দেয়ালের টাইলসে পূর্ণ কোরআন শরিফ অঙ্কিত রয়েছে। মসজিদের প্রধান দরজা নির্মাণে ব্যবহার করা হবে ৫০ মণ পিতল। আজান দেওয়ার জন্য মসজিদের সবচেয়ে উঁচু মিনারে বানানো হবে। মসজিদটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলেও এতে সহস্রাধিক বৈদ্যুতিক পাখা যুক্ত করা হবে।

মসজিদ কমপ্লেক্স
১৫ বিঘা জমির ওপর বিশাল মসজিদ ও মসজিদ কমপ্লেক্স অবস্থিত।[৭] মিহরাবের পাশে মৃতদেহ রাখার জন্য হিমাগার তৈরি করা হবে। এছাড়া মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে আলাদা ভবন, যেখানে থাকবে দুঃস্থ নারীদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা।

নয় গম্বুজ মসজিদ-বাগেরহাটনয়গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের একটি প্রত্নতাত্ত্...
19/06/2025

নয় গম্বুজ মসজিদ-বাগেরহাট

নয়গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।

অবস্থান
ঠাকুর দিঘি বা খাঞ্জেলী দিঘীর পশ্চিম পাড়ে, বাগেরহাট সদর উপজেলা, বাগেরহাট।

নির্মানশৈলী
ঠাকুর দিঘি বা খাঞ্জেলী দিঘীর পশ্চিম পাড়ে নয়গম্বুজ মসজিদ অবস্থিত। ১৬.৪৫ মিঃX১৬.১৫মিঃ ভূমি পরিকল্পনায় নির্মিত মসজিদের দেয়াল ২.৫৯মিটার পুরু। মসজিদের অভ্যন্তরে দুই সারি পাথরের পিলার দিয়ে মোট নয়টি চারকোনা খণ্ডে বিভক্ত করা হয়েছে।এই নয়টি খণ্ডের উপর মসজিদের নয়টি গম্বুজ অবস্থিত। ছাদের উপর তিন সারিতে নয়টি গম্বুজ অবস্থিত। গম্বুজ গুলো পরস্পর থেকে সমান দূরত্বে অবস্থিত। পশ্চিম দেয়ালে নির্দিষ্ট দূরত্বে তিনটি মেহরাব রয়েছে।[১] মসজিদের ভেতরে এবং বাইরে ইটের নকশা ও পোড়ামাটির কারুকাজ রয়েছে। মসজিদে প্রবেশের জন্য সামনের অংশে একটি প্রধান ও সমদূরত্বে দুটি পার্শ্ব দরজা আছে।

সংগৃহীত

খনিয়াদিঘি মসজিদ-শিবগঞ্জ-চাপাইনবাবগঞ্জএই মসজিদটি রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।[৩] চাঁপাই...
18/06/2025

খনিয়াদিঘি মসজিদ-শিবগঞ্জ-চাপাইনবাবগঞ্জ

এই মসজিদটি রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।[৩] চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.।

খনিয়াদিঘি মসজিদ বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য যার অবস্থান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ছোট সোনা মসজিদের সন্নিকটে। এটি আনুমানিক ১৫'দশ শতকে নির্মিত হয়েছিলো, যা গৌড়ের প্রাচীন কৃতিগুলোর অন্যতম মনে করা হয়। ধারণা করা হয় ১৪৮০ খ্রিষ্টাব্দে কোন এক রাজবিবি মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটি দেখতে প্রায় মালদার চামকাটি মসজিদের মত। এটি স্থানীয়ভাবে চামচিকা মসজিদ এবং রাজবিবি মসজিদ নামেও পরিচিত।[১]
অবস্থান

ইতিহাস
১৪৫০ থেকে ১৫৬৫ খ্রিষ্টাব্দ অবধি গৌড় ছিল তৎকালীন বাংলার রাজধানী; এ সময়ই এ মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল। এই মসজিদের পাশে বিশাল এক দিঘি রয়েছে যার নাম খনিয়া দিঘী নামে পরিচিত। কাছাকাছি আরেকটি মসজিদের নাম দারাসবাড়ি মসজিদ। মসজিদটি দীর্ঘকাল আগে পরিত্যক্ত হয়েছে। পরিচর্যার অভাবে এ মসজিদটি বিলীয়মান।
সংগৃহীত

উত্তরা গণভবন - নাটোরদিঘাপাতিয়া রাজবাড়ি বা উত্তরা গণভবন আঠারো শতকে নির্মিত দিঘাপতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান। এটি বাংলাদেশ...
17/06/2025

উত্তরা গণভবন - নাটোর

দিঘাপাতিয়া রাজবাড়ি বা উত্তরা গণভবন আঠারো শতকে নির্মিত দিঘাপতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান। এটি বাংলাদেশের নাটোর শহরে অবস্থিত। নাটোর শহর থেকে প্রায় ২.৪ কিমি দূরে প্রাসাদটি অবস্থিত।[১] বর্তমানে এটি উত্তরা গণভবন বা উত্তরাঞ্চলের গভর্মেন্ট হাউস নামে পরিচিত। ১৯৭২ সনের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়ীকে উত্তরা গণভবন নামকরণ করেন।

উত্তরা গণভবনে সংস্কার কাজ চলছে, ১৯৭৫ সাল।
দিঘাপতিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা রাজা দয়ারাম রায় নাটোর রাজ্যের রাজা রাম জীবনের দেওয়ান ছিলেন। দিঘাপতিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা দয়ারাম রায় (১৬৮০-১৭৬০) ১৭৩৪ সালে প্রায় ৪৩ একর জমির উপর দিঘাপতিয়া প্রাসাদের মূল অংশ ও এর সংলগ্ন কিছু ভবন নির্মাণ করেন। রাজবংশের ষষ্ঠ রাজা প্রমদানাথ রায়ের আমলে ১৮৯৭ সালের ১০ জুন নাটোরের ডোমপাড়া মাঠে তিনদিনব্যাপী বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসের এক অধিবেশন আয়োজন করেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অনেক বরেণ্য ব্যক্তি এ অধিবেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দেন। তবে শেষ দিন ১৮৯৭ সালের ১২ জুন প্রায় ১৮ মিনিটব্যাপী এক প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে রাজপ্রাসাদটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাজা প্রমোদনাথ রায় সম্পূর্ণ প্রাসাদ কমপ্লেক্সটি পুনর্নির্মাণ করেন। রাজা প্রমোদনাথ রায় চারদিকে সীমানা প্রাচীর দিয়ে বেষ্টিত রাজবাড়ির ভেতরে বিশেষ কারুকার্য খচিত মূল ভবনসহ ছোট-বড় মোট ১২টি ভবন নির্মাণ করেন। তিনি ১৮৯৭ সাল থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত ১১ বছর সময় ধরে বিদেশি বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী ও চিত্রকর আর দেশি মিস্ত্রিদের সহায়তায় সাড়ে ৪১ একর জমির উপর এই রাজবাড়িটি পুনর্নির্মাণ করেন। তিনি মোগল ও প্রাশ্চাত্য রীতির মিশ্রণে কারুকার্যময় নান্দনিক এই ভবনটিকে এক বিরল রাজ ভবন হিসেবে গড়ে তোলেন।[৩][৪]

নামকরণ
১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর দিঘাপতিয়া রাজা দেশত্যাগ করে ভারতে চলে যান। ১৯৫০ সালে জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর দিঘাপতিয়ার রাজ প্রাসাদটির রক্ষণাবেক্ষণে বেশ সমস্যা দেখা দেয়। সমস্যা সমাধানে দিঘাপতিয়ার মহারাজাদের এই বাসস্থানকে ১৯৬৭ সালের ২৪শে জুলাই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খান গভর্নরের বাসভবন হিসেবে উদ্বোধন করেন। পরে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে ১৯৭২ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান এক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে উত্তরা গণভবন ঘোষণা করেন। তিনি ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এই ভবনের মূল প্রাসাদের ভিতর মন্ত্রিসভার বৈঠক আহ্বান করেন। সেই থেকে ভবনটি ‘উত্তরা গণভবনে'র প্রকৃত মর্যাদা লাভ করে।

প্রাসাদের পিছন দিকে রয়েছে ফোয়ারাসহ একটি সুদৃশ্য বাগান। বাগানের এক কোণে রয়েছে প্রমাণ আকৃতির মার্বেল পাথরের তৈরি একটি নারীমূর্তি। ১৯৪৭ সালের পর অবশ্য এ ভবনে আর কেউ বসবাস করেনি। বর্তমানে এটি দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় নাটোরের জেলা প্রশাসকের অনুমতিসাপেক্ষে উন্মুক্ত রয়েছে।

সংগৃহীত

নয়াবাদ মসজিদ - কাহারোল - দিনাজপুর। নয়াবাদ মসজিদ ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান বাংলাদেশের দিনাজপুর শহর হতে প্রায় ২০ কিলোমিট...
16/06/2025

নয়াবাদ মসজিদ - কাহারোল - দিনাজপুর।

নয়াবাদ মসজিদ ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান বাংলাদেশের দিনাজপুর শহর হতে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে কাহারোল উপজেলার নয়াবাদ গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটির পাশ দিয়ে চলে গেছে ঢেপা নদী। ১.১৫ বিঘা জমির উপর এই মসজিদটি তৈরি করা হয়েছে।মসজিদটিতে মোট ৪টি গম্বুজ রয়েছে। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।[১] এটি ইট, টেরাকোটা, টাইল দিয়ে নির্মিত।

ইতিহাস

প্রবেশ দরজার উপরের ফলক
মসজিদের প্রবেশের প্রধান দরজার উপর স্থাপিত ফলক হতে জানা যায় এটি সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের রাজত্ব কালে ২ জৈষ্ঠ্য, ১২০০ বঙ্গাব্দে(ইংরেজি ১৭৯৩ সালে) নির্মাণ করা হয়। সেসময় জমিদার ছিলেন রাজা বৈদ্যনাথ। যিনি ছিলেন দিনাজপুর রাজ পরিবারের সর্বশেষ বংশধর। এলাকার অধিবাসীদের থেকে জানা যায় যে, ১৮ শতকের মাঝামাঝিতে কান্তনগর মন্দির তৈরির কাজে আগত মুসলমান স্থপতি ও কর্মীরা এই মসজিদটি তৈরি করেন। তারা পশ্চিমের কোন দেশ থেকে এসে নয়াবাদে বসবাস শুরু করে এবং তাদের নিজেদের ব্যবহারের জন্য এই মসজিদটি তৈরি করে।

বৈশিষ্ট্য
তিন গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের চার কোনে ১২.৪৫মিটার x ৫.৫মিটার আকারের চারটি অষ্টভুজ মিনার রয়েছে। দেয়ালগুলির পুরুত্ব ১.১০ মিটার। উত্তর ও দক্ষিণের দেয়ালে একটি করে জানালা রয়েছে। পশ্চিম পাশের দেয়ালে মোট তিনটি মিম্বার রয়েছে যেগুলি মসজিদের তিনটি প্রবেশ দরজা বরাবর তৈরি করা হয়েছে। মাঝের মিম্বারটি আকারে বড়(উচ্চতা ২৩০ মিটার এবং প্রস্থ্য ১.০৮ মিটার) এবং অপর দুটি মিম্বার একই আকারের।[৩]

মসজিদটা তৈরির সময় যে সকল টেরাকেটা বা পোড়ামাটির কারুকার্য ব্যবহার করা হয়েছিল তার অধিকাশংই এখন নেই এবং যেগুলি রয়েছে সেগুলিও সম্পূর্ণ অক্ষত নেই। এখানে বর্তমান মোট ১০৪টি টেরাকোটা অবশিষ্ট রয়েছে। এগুলি আয়তক্ষেত্রাকার এবং আকার ০.৪০মিটার x০.৩০ মিটার।

মসজিদের পাশের কবর
মসজিদটির পাশে একটি কবর রয়েছে। তবে কবর বা মসজিদে কোন অংশেই এটি সম্পর্কিত কোন তথ্য দেয়া নেই। তবে কথিত আছে যে এটি মসজিদের কোন নির্মাণ শ্রমিকের কবর।

মাঘা শাহী মসজিদ- বাঘা - রাজশাহী বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত ...
15/06/2025

মাঘা শাহী মসজিদ- বাঘা - রাজশাহী
বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। সুলতান নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ ১৫২৩ খ্রিষ্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।

অবস্থান
বাংলাদেশ বাঘা, রাজশাহী

ইতিহাস
মসজিদটি ১৫২৩-১৫২৪ সালে (৯৩০ হিজরি) হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন শাহের পুত্র সুলতান নুসরাত শাহ নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এই মসজিদের সংস্কার করা হয় এবং মসজিদের গম্বুজগুলো ভেঙ্গে গেলে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদে নতুন করে ছাদ দেয়া হয় ১৮৯৭ সালে।[৪]

স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য
মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে। উত্তর পাশের ফটকের ওপরের স্তম্ভ ও কারুকাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। মসজিদটিতে ১০টি গম্বুজ আছে । আর ভেতরে রয়েছে ৬টি স্তম্ভ। মসজিদটিতে ৪টি মেহরাব রয়েছে যা অত্যন্ত কারুকার্য খচিত। দৈর্ঘ্য ৭৫ ফুট প্রস্থ ৪২ ফুট, উচ্চতা ২৪ ফুট ৬ ইঞ্চি। দেয়াল চওড়া ৮ ফুট গম্বুজের ব্যাস ৪২ ফুট, উচ্চতা ১২ ফুট। চৌচালা গম্বুজের ব্যাস ২০ ফুট উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। মাঝখানের দরজার ওপর ফার্সি ভাষায় লেখা একটি শিলালিপি রয়েছে। মসজিদটির গাঁথুনি চুন-সুরকি দিয়ে। ভেতরে এবং বাইরের দেয়ালে মেহরাব ও স্তম্ভ রয়েছে। বাঘা মসজিদের দৈর্ঘ্য ২২.৯২ মিটার, প্রস্থ ১২.১৮ মিটার এবং উচ্চতা ২৪ ফুট ৬ ইঞ্চি। এর দেয়াল ২.২২ মিটার পুরু। মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা বর্তমান। মসজিদের পাশে অবস্থিত বিশাল দিঘীও একটি দর্শনীয় স্থান।
বাঘা শাহী দিঘির উত্তর দিক থেকে সম্পূর্ণ দিঘির দৃশ্য।
উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বাঘা মসজিদ সংলগ্ন শাহী দিঘি।
চাঁদের আলোয় রাতের বাঘা শাহী দিঘির দৃশ্য।
এছাড়া বাঘা মসজিদের পাশেই রয়েছে একটি মাজার শরীফ।

বাঘা মসজিদ এর টেরাকোটা
বিবরণ
সম্পাদনা
বাঘা মসজিদটির গাঁথুনি চুন এবং সুরকি দিয়ে। মসজিদের ভেতরে এবং বাইরের দেয়ালে সুন্দর মেহরাব ও স্তম্ভ রয়েছে। এছাড়া আছে পোড়ামাটির অসংখ্য কারুকাজ যার ভেতরে রয়েছে আমগাছ, শাপলা ফুল, লতাপাতাসহ ফার্সি খোদাই শিল্পে ব্যবহৃত হাজার রকম কারুকাজ। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণের উত্তর পাশেই রয়েছে হজরত শাহদৌলা ও তার পাঁচ সঙ্গীর মাজার। বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হুসাইন শাহর পুত্র নাসিরউদ্দীন নসরত শাহ জনকল্যাণার্থে মসজিদের সামনেই একটি দিঘী খনন করেন। শাহী মসজিদ সংলগ্ন এ দিঘিটি ৫২ বিঘা জমির ওপর রয়েছে। এই দিঘির চারপাশে রয়েছে সারিবদ্ধ নারিকেল গাছ। প্রতিবছর শীতের সময় এ দিঘিতে অসংখ্য অতিথি পাখির কলতানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।[৪] বর্তমানে দিঘিটির চারটি বাঁধানো পাড় নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া এ মসজিদ সংলগ্ন জহর খাকী পীরের মাজার রয়েছে। মূল মাজারের উত্তর পাশে রয়েছে তার কবর। এ ছাড়া মসজিদ সংলগ্ন মাটির নিচ থেকে মহল পুকুর আবিষ্কৃত হয়। ১৯৯৭ সালে মাজারের পশ্চিম পাশে খনন কাজের ফলে ৩০ ফুট বাই ২০ ফুট আয়তনের একটি বাঁধানো মহল পুকুরের সন্ধান মেলেছে। এই পুকুরটি একটি সুড়ঙ্গপথ দিয়ে অন্দরমহলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তিন দিক থেকে বাঁধানো সিঁড়ির ভেতরে নেমে গেছে। মসজিদের ভেতরে ও বাইরে রয়েছে প্রচুর পোড়ামাটির ফলক। মসজিদের ভেতরে উত্তর-পশ্চিম কোণে একটু উঁচুতে নির্মিত একটি বিশেষ নামাজের কক্ষ আছে। এ মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় প্রতিবছর ঈদুল ফিতরের দিন থেকে ৩ দিন পর্যন্ত 'বাঘার মেলা'র আয়োজন করা হয়। এ মেলাটি ৫০০ বছরের ঐতিহ্য।
সংগৃহীত : Rejaul karim vlog

হাসন রাজা মিউজিয়াম - সুনামগঞ্জসুনামগঞ্জ ও সিলেটে হাসন রাজার জমিদারি ছিলো। তার পরিচিতি একজন মরমি কবি হিসেবে। সমাদৃত হয়েছে...
14/06/2025

হাসন রাজা মিউজিয়াম - সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জ ও সিলেটে হাসন রাজার জমিদারি ছিলো। তার পরিচিতি একজন মরমি কবি হিসেবে। সমাদৃত হয়েছেন দেশ বিদেশে। রবীন্দ্রনাথ থাকুর পর্যন্ত তাঁর গানের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। সেই মরমি কবি হাসন রাজার বাড়ি এখন জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়েছে। হাসন রাজার জাদুঘর সুনামগঞ্জ শহরের সুরমা নদীর পাড়ে অবস্থিত। সুনামগঞ্জের লক্ষণশ্রীর বিখ্যাত জমিদার দেওয়ান পরিবারে ১৮৫৪ সালে হাসন রাজার জন্ম।
জাদুঘরে ঢুকতে প্রথমেই চোখে পড়বে লালন ফকিরের ছবি। কলকাতার একটি ফটো স্টুডিওতে তোলা হাসন রাজার একমাত্র আলোকচিত্রটি এখানে সংরক্ষিত আছে। তবে অনেক শিল্পীর হাতে আঁকা আরো কিছু হাসন রাজার ছবি এখানে দেখতে পাবেন। তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এখানে প্রথম মেলা হয় ১৯৬২ সালে। এরপর থেকে এই বাড়ি ও সংগ্রহশালা দেখতে দেশের নানান প্রান্ত থেকে হাছন রাজার ভক্তরা এখানে ভিড় জমান। স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে শেখ মুজিব হাছন রাজা একাডেমিকে নগদ ২৫ হাজার টাকা অনুদান দেন। যা দিয়ে হাসন রাজা মিউজিয়াম গড়ে উঠে।
হাসন রাজা মিউজিয়াম
হাসন রাজা মিউজিয়ামে তার ব্যবহৃত বহু মূল্যবান জিনিসপত্র সংরক্ষিত আছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- রঙিন আলখাল্লা। সাধারণত তিনি ধুতি পাঞ্জাবি পরতেন। তবে নওয়াবদের সাথে সাক্ষাতের সময় এই আলখাল্লাটি পরিধান করতেন। পানি শোধনের পাত্র অর্থাৎ পানির ফিল্টার। উইলিয়াম লিটল নামের এক ইংরেজ নায়েব তাকে সেই আমলে অস্ট্রিয়া থেকে এনে এই উপহারটি দিয়েছিলেন। তার একটি বাহারি তলোয়ার ছিলো। এটি তাদের পারিবারিক। বংশানুক্রমে এটি তার হাতে এসে পৌছেছিল। এগুলো ছাড়াও হাসনের ব্যবহৃত চেয়ার টেবিল, খড়ম, মোমদানি সহ ইংরেজ আমলের বহু জিনিস মিউজিয়ামে আছে। এমনকি হাসন রাজার নিজের হাতে লেখা গানের কপিও এখানে সংরক্ষিত আছে।

কিভাবে যাবেন
হাসন রাজার বাড়ি যেতে হলে প্রথমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সুনামগঞ্জ শহরে আসতে হবে। ঢাকার সায়েদাবাদ, মহাখালী ও ফকিরাপুল থেকে প্রতিদিন মামুন পরিবহন, এনা পরিবহন ও শ্যামলী পরিবহনের বাস সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বাস ভাড়া জনপ্রতি ৫৫০ টাকা। যেতে সময় লাগে প্রায় ৬ ঘন্টা। সুনামগঞ্জ নেমে রিকশা বা অটোরিকশা নিয়ে সুরমা পাড়ের হাসন রাজা জাদুঘর এ যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন
সুনামগঞ্জ থাকার মোটামোটি মানের কিছু হোটেল রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি হলো- নুরানী হোটেল, সুরমা ভ্যালি রেসিডেন্সিয়াল রিসোর্ট, হোটেল মিজান, হোটেল সারপিনিয়া, হোটেল প্যালেস, হোটেল গুলবাগ ও সুনামগঞ্জ রেস্ট হাউজ উল্লেখযোগ্য।

ষাট গম্বুজ মসজিদ- বাগেরহাটকিভাবে যাওয়া যায়বাগেরহাট সদর, বাগেরহাট ।বিস্তারিতহযরত খানজাহান (রঃ) কর্তৃক নির্মিত অপূর্ব কারম...
12/06/2025

ষাট গম্বুজ মসজিদ- বাগেরহাট

কিভাবে যাওয়া যায়
বাগেরহাট সদর, বাগেরহাট ।

বিস্তারিত
হযরত খানজাহান (রঃ) কর্তৃক নির্মিত অপূর্ব কারম্নকার্য খচিত পাঁচ শতাব্দীরও অধিক কালের পুরাতন বিশালায়তন এ মসজিদটি তাঁর দরগাহ হতে প্রায় দেড় কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। স্থাপত্য কৌশলে ও লাল পোড়া মাটির উপর লতাপাতার অলংকরণে মধ্য যুগীয় স্থাপত্য শিল্পে এ মসজিদ এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। যদিও ইহা ষাটগম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে চতুস্কোনের বুরম্নজের উপর চারটি গম্বু^জসহ এতে মোট ৭৪টি গুম্বজ আছে এবং মধ্যের সারির বাংলা চালের অনুরূপ ৭টি চৌচালা গম্বু^জসহ এতে মোট ৮১টি গম্বু^জ আছে। বিশেষভাবে লক্ষনীয় যে, এর প্রার্থনা কক্ষের চৌচালা ছাদ ও গম্বু^জগুলি ইট ও পাথরের ষাটটি খাম্বার দ্বারা সমর্থিত খিলানের উপর নির্মিত।

জনশ্রুতি আছে যে, হযরত খানজাহান (রঃ) ষাটগম্বু^জ মসজিদ নির্মাণের জন্য সমুদয় পাথর সুদুর চট্রগ্রাম, মতামত্মরে ভারতের উড়িষ্যার রাজমহল থেকে তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা বলে জলপথে ভাসিয়ে এনেছিলেন। ইমারতটির গঠন বৈচিত্রে তুঘলক স্থাপত্যের বিশেষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। এ বিশাল মসজিদের চতুর্দিকে প্রাচীর ৮ফুট চওড়া, এর চার কোনে চারটি মিনার আছে। দক্ষিণ দিকের মিনারের শীর্ষে কুঠিরের নাম রোশনাই কুঠির এবং এ মিনারে উপরে উঠার সিড়ি আছে। মসজিদটি ছোট ইট দিয়ে তৈরী, এর দৈর্ঘ্য ১৬০ফুট, প্রস্থ ১০৮ ফুট, উচ্চতা ২২ফুট। মসজিদের সম্মুখ দিকের মধ্যস্থলে একটি বড় খিলান এবং তার দুই পাশে পাঁচটি করে ছোট খিলান আছে। মসজিদের পশ্চিম দিকে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি দরজাসহ মোট ২৬টি দরজা আছে। সরকারের প্রত্নতত্ত্ব ও যাদুঘর বিভাগ পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণের জন্য এ ঐতিহাসিক মসজিদ এবং খানজাহান (রঃ) এর মাজার শরীফের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে । ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অমত্মর্ভূক্ত করেছে।

Address

Bauphal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category