Explore International

Explore International Airlines Ticketing-Visa Assistance-Hotel Reservation-Holidays Package

ডায়নামিক প্রাইসিং কি?এয়ারলাইন্সে ভাড়ার ব্যাপারটা সাধারন যাত্রীদের কাছে সব সময়েই একটা বিতর্কের বিষয় হয়ে দাড়ায়। এটা নিয়ে অ...
06/01/2020

ডায়নামিক প্রাইসিং কি?

এয়ারলাইন্সে ভাড়ার ব্যাপারটা সাধারন যাত্রীদের কাছে সব সময়েই একটা বিতর্কের বিষয় হয়ে দাড়ায়। এটা নিয়ে অনেকের অভিযোগের শেষ থাকেনা। অবশ্য টিকিট ক্রেতাদের অভিযোগের যথেষ্ট ভিত্তি আছে। কারন আন্তর্জাতিক বা ডোমেস্টিক, সব ধরনের বিমানের ভাড়া ক্রমাগত পরিবর্তিত হতে থাকে। এই সপ্তাহে আপনি যে ভাড়ায় কক্সবাজার বা কুয়ালালামপুর গেলেন, এর ২ সপ্তাহ পরে এই দামে বিমান টিকিট নাও পেতে পারেন। কম বেশী হতেই পারে। একটু ঝামেলার মনে হলেও এই ভাড়ার ব্যাপার গুলো এভাবেই নিয়ন্ত্রন করে থাকে বিমান সংস্থাগুলো।

এর কারন হল এয়ার লাইন্স ইন্ডাস্ট্রিতে বহুল প্রচলিত ডায়নামিক প্রাইসিং মেথড। এই মেথড অনুযায়ি একটা বিমানের সব আসনের ভাড়া কখনই সমান হবে না। এমন কি সব ইকোনমি ক্লাসের সিট বা বিজনেস ক্লাসের সিটের ভাড়াও এক হবে না।

এর কারন বুঝতে হলে আমাদের সবার আগে জানতে হবে ডায়নামিক প্রাইসিং কি? এটি এমন একটি প্রাইসিং মেথড যা পরিবর্তনশীল। এবং এই ভাড়া পরিবর্তনের ব্যাপারটা সম্পূর্ণরূপে এয়ারলাইন্স সংস্থার আওতাধীন। প্রতিটি ফ্লাইটের যাত্রী সংখ্যা, খালি আসন সংখ্যা, ফ্লাইটের চাহিদা, ডিপারচার টাইম, গন্তব্য, বছরের বিশেষ সিজন, টিকেট ক্যান্সেলেশন সংখ্যা ইত্যাদি কিছু ফ্যাক্টরের ডাটা অ্যানালাইসিস এর মাধ্যমে এয়ারলাইন্স সংস্থা এই সিদ্ধান্ত গুলো নিয়ে থাকে। ডাইনামিক প্রাইসিং কে সারজ প্রাইসিং, ডিমান্ড প্রাইসিং ও টাইম বেসড প্রাইসিংও বলা হয়ে থাকে। ডায়নামিক প্রাইসিং এর অতি পরিচিত একটি উদাহরন হল রাইড শেয়ারিং কোম্পানী গুলো যেমন উবার, পাঠাও ইত্যাদি। খেয়াল করে দেখবেন পিক আওয়ার এ ভাড়া বেশ বেশী থাকে, আবার অফ পিকে ভাড়া কমে আসে।


ডায়নামিক প্রাইসিং কি এবং কিভাবে কাজ করে

এই প্রাইসিং মেথোড শুরু হয় ১৯৮০ সালের দিকে, আমেরিকাতে। এর মূল কারন ছিল তেলের দাম বেড়ে যাওয়াতে এয়ারলাইন্স ইন্ডাস্ট্রিতে প্রফিট বাড়ানোর একটা প্রয়োজনীয়তা। একটা এয়ারলাইন্সের একমাত্র লক্ষ্য থাকে যেকোন একটা ফ্লাইটের সর্বচ্চ সংখ্যক সীট সর্বচ্চ মুল্যে বিক্রি করা। ফ্লাইটকে লাভ জনক করতে হলে এটাই এক্ মাত্র উপায়। যদি বেশী দামে কম সংখ্যক সিট বিক্রি হয়ে থাকে অথবা কম দামে বেশী সংখ্যক সিট বিক্রি হয়ে থাকে, এর কোন টাই এয়ারলাইন্সের জন্য সুখবর না। তাই তারা সব সবয় চেষ্টা করে একটা ব্যালান্সড পন্থায় ব্যাপারটার সমাধান করতে।

এই ব্যালান্স পাবার জন্য এয়ারলাইন্স সংস্থা গুলো কিছু অ্যানালিটিকাল স্টাডি করে থাকে। প্রথমত তারা তাদের কাস্টমারকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলে –

১। ক্যাজুয়াল বা সাধারন ট্রাভেলার

২। বিজনেস ট্রাভেলার।

সাধারন ট্রাভেলাররা ভাড়া নিয়ে অনেক সচেতন থাকে। তারা সব সময় কম ভাড়া চায়। তাই তারা ভ্রমণের বেশ আগে থেকেই টিকিট করে ফেলে। এজন্য এয়ারলাইন্স কোম্পানীগুলো তাদের কাছে কম দামে টিকিট সেল করার একটা সুযোগ পায়। টিকিট কম দামে পেতে চাইলে এটা একটা বিশেষ ট্রিক বটে। আপনি যদি মাস ২-৩ আগে ভ্রমণ পরিকল্পনা করে ফেলতে পারেন তাহলে টিকিটের দাম আপনি বেশ কমেই পেয়ে যাবেন।

আর বিজনেস ট্রাভেলারের ব্যাপারটা অবশ্যই আলাদা। তাঁরা সাধারণত একটু বেশী ফ্লেক্সিবল থাকেন এবং ভ্রমণের ৩-৫দিন আগে টিকিট করে থাকেন। আবার অনেক সময় আর্জেন্ট মিটিং বা ট্যুর এসে গেলে সেক্ষেত্রে অনেকে যাত্রা আগের দিনও টিকিট করে থাকেন। এছাড়া বিজনেস ট্রাভেলারদের টিকিট সাধারণত তাদের কোম্পানি থেকেই দেয়া হয়, তাই ভাড়া নিয়ে যাত্রীর খুব একটা চিন্তাও থাকেনা। ফলস্বরূপ তাঁরা ভ্রমণের অল্প কিছু আগেই টিকিট বুক করে থাকে। ফ্লাইট এর তারিখের যত কাছাকাছি সময়ে টিকিট বুক করা হবে, ভাড়া তত বেশী হবে। যত আগে বুক করা হবে, ভাড়া তত কম থা্কার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এটা একটা লিখিত নিয়ম, যা এয়ারলাইন্স সংস্থা গুলো মেনে চলে।

air fare data
এয়ার টিকেট ভাড়া বৃদ্ধির একটি সম্যক ধারণা
এতক্ষন পড়ে আপনার মনে হতেই পারে যে, তাহলে আর দেরি করে টিকেট বুক করতে যাব কেন। ট্রাভেল যেরকমই হোক, মাস তিন আগে বুক করে ফেলব আর ভাড়াও কম পাব। না প্রিয় পাঠক, ব্যাপারটা এতটা সরলও না।

এয়ারলাইন্স সংস্থা বেশ ভাল করেই জানে যে যাত্রীরা আগে ভাগেই টিকেট বুক করে ফেলতে চাইবে এবং এতে করে তাদের কম রেটে অনেক বেশী সিট সেল হয়ে যাবে, যা এয়ারলাইন্সের জন্য মোটেও লাভ জনক হবে না। তাই তারা বিশেষ এই পলিসি অবলম্বন করে থাকে।



এয়ারলাইন্সের পলিসি

মনে করেন, একটি এয়ার ক্রাফটে ৫০ টি ইকোনমি ক্লাস সিট রয়েছে। এখন এয়ারলাইন্স সংস্থা এই ৫০ টি সিটের সবগুলোই কম প্রাইসে অথবা বেশী প্রাইসে সেল করতে চাইবে না। কারন কম প্রাইসে সেল করলে এয়ারলাইন্সের লস, আবার বেশী প্রাইস দিলে সেক্ষেত্রে টিকিট সেলই কমে যাবে। এজন্য তারা একটা মধ্যম পন্থা অবলম্বন করে। ৫০ ইকোনমি ক্লাস সিট কে তারা সাধারণত ৩ টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে থাকে। এগুলোকে ‘ফেয়ার বাকেট’ বা ‘ক্লাস’ বলা হয়। ধরুন প্রথম অর্থাৎ ফেয়ার বাকেট ১ এ এয়ারলাইন্স ৫-৭ টি সীট রাখলো। এগুলোর টিকিট প্রাইস হবে সব চাইতে কম। ভাগ্য ভাল হলে এর যেকোন একটা পেয়ে গেলে আপনি যাত্রী হিসেবে লাভবান হবেন। তবে এসব সিটের সুবিধাদিও কম থাকে, যেমন লাগেজ এলাউন্স সহ অন্যান্য সুবিধা কম পাবেন।

কোন ফেয়ার বাকেটে কয়টি সিট থাকবে তার কোন ধরা বাঁধা নিয়ম নেই। এটা একান্তই এয়ারলাইন্সের সিদ্ধান্ত।

ফেয়ার বাকেট ১ এর সেই ৫-৭ টি সিট বুক হয়ে যাবার পর ফেয়ার বাকেটটি ক্লোজ করে দেয়া হয়। এর পর ওই কম প্রাইসে আর কেউ টিকিট বুক করতে পারবে না। বুক করতে চাইলে তাকে যেতে হবে ফেয়ার বাকেট ২ তে। সেখানে হয়ত ১৫ থেকে ২০ টা সিট থাকতে পারে। সেগুলোর ভাড়া অবশই ফেয়ার বাকেট ১ এর চাইতে বেশী হবে। যথারীতি ব্যাগ এলাউন্স সহ অন্যান্য সুবিধাও আরেকটু বেশী পাওয়া যাবে। ঠিক সেভাবেই ফেয়ার বাকেট ৩ এর টিকিট প্রাইস এবং সুযোগ সুবিধা বেশী হবে। এক্ষেত্রে আসলে সুযোগ সুবিধার খুব একটা তারতম্য হয় না সাধারণ এয়ারলাইন্স গুলোতে।



ব্যাতিক্রম

তবে এ নিয়মটাও একেবারে সোজা সাপ্টা না। ভাড়া বৃদ্ধির গ্রাফটা যে সোজা উপরে উঠতে থাকবে আর ভাড়া বাড়তেই থাকবে, সেটা সব সময় নাও হতে পারে। অনেক সময় অঘোষিত ভাবে হুট হাট ভাড়া কমে যেতে পারেই। এটা পুরোপুরি নির্ভর করে টিকিটের চাহিদার উপর। যেমন ফেয়ার বাকেট ১ এর টিকিট শেষ হয়ে গেলে এয়ারলাইন্স যদি দেখে যে ফেয়ার বাকেট ২ এর টিকিট চাহিদা কম, তখন তারা সেখানকার কিছু সীট ফেয়ার বাকেট ১ এর প্রাইসে সেল করা শুরু করে।

আবার যদি পিক সিজনে কোন ফ্লাইটের টিকিট দ্রুত বিক্রি হতে শুরু করে তখন এয়ারলাইন্স কোম্পানি এটাকে রেভেনিউ বাড়ানোর একটা সুযোগ হিসেবে দেখে এবং বেশিরভাগ টিকিট ফেয়ার বাকেট ১ থেকে সরিয়ে ফেয়ার বাকেট ২ বা ফেয়ার বাকেট ৩ তে নিয়ে সেল করা শুরু করবে। এমনকি তারা কিছু সিট রিজার্ভ করেও রাখে শেষ মুহূর্তে টিকিট কাটতে আসা স্পেশাল বিজনেস ট্রাভেলারদের জন্য, যারা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে টিকিট নিতে দ্বিধা করবে না। ফলস্বরূপ এয়ারলাইন্সের রেভেনিউ বেড়ে যাবে। নীচের চার্টটি লক্ষ্য করুন। এয়ার টিকিট ভাড়া অনেকটা এভাবেই উঠা নামা করতে থাকে।

airfare change
এয়ার টিকিট ভাড়া বৃদ্ধির/ পরিবর্তনের বিষয়টা আসলে যেভাবে কাজ করে থাকে
তাহলে বিষয়টা দাড়াল এই যে, অ্যাডভান্স বুকিং (ভ্রমনের বেশ আগেই টিকিট বুক করে ফেলা) আর ফেয়ার বাকেটের পরিবর্তন, মুলত এই দুটো ফ্যাক্টরই বিমান ভাড়া নির্ধারণে বড় ভুমিকা রাখে।

অন্যান্য ফ্যাক্টর
আরো কিছু ফ্যাক্টর আছে যেগুলো টিকেট ভাড়ার ব্যাপারে ভুমিকা রাখতে পারে। যেমন কোন কারনে ফুয়েলের দাম বেড়ে গেলে এয়ারলাইন্স কোম্পানি সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনেক সময় ভাড়া বাড়িয়ে দিবে। আবার বিশেষ সিজনে, যেমন শীত কালে অনেক মানুষ গ্রীষ্মের অনুভুতি পেতে নির্দিষ্ট কিছু গন্তব্যে বেশী ভ্রমণ করে থাকে। এই ব্যাপারগুলোতে এয়ারলাইন্স কঠিন নজর রাখে এবং টিকেট চাহিদা বাড়ার কারনে দাম বাড়িয়ে দেয়। আবার এর উল্টোটাও হতে পারে। কোন প্রতিযোগী বিমান সংস্থা যদি কোন নির্দিষ্ট রুটে নতুন ফ্লাইট চালু করে বা ডিস্কাউন্ট প্রদান করে, সেক্ষেত্রে অন্যান্য এয়ারলাইন্সও বাধ্য হয় তাদের ভাড়া কমাতে।

আগামী ১০ই জানুয়ারি হতে টাইমটেবিল ৫২ কার্যকর হতে যাচ্ছে, বেশ কিছু ট্রেনের টাইম পরিবর্তন হচ্ছে, প্রয়োজনীয় আপডেট নোট করে নি...
05/01/2020

আগামী ১০ই জানুয়ারি হতে টাইমটেবিল ৫২ কার্যকর হতে যাচ্ছে, বেশ কিছু ট্রেনের টাইম পরিবর্তন হচ্ছে, প্রয়োজনীয় আপডেট নোট করে নিতে পারেন।

24/12/2019

About E Passport

বাংলার প্রাচীন রাজধানী গৌড়ের খানিক ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থানগুলো .....বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত গৌ...
11/12/2019

বাংলার প্রাচীন রাজধানী গৌড়ের খানিক ইতিহাস ও দর্শনীয় স্থানগুলো .....

বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত গৌড় নগর ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যযুগীয় অন্যতম বৃহৎ নগরী। এটি বাংলার প্রাচীন রাজধানী। আনুমানিক ১৪৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এটি বাংলার রাজধানী ছিল। প্রাচীন এই গৌড় নগর লক্ষণাবতী নামেও পরিচিত।
প্রাচীন এই দুর্গনগরীর অধিকাংশ পড়েছে বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদা জেলায় এবং এর কিছু অংশ পড়েছে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। শহরটির অবস্থান ছিল গঙ্গানদীর পূর্ব পাড়ে, রাজমহল থেকে ৪০ কিলোমিটার ভাটিতে এবং মালদার ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে।প্রাচীনত্ব; source: heritageinbangladesh.blogspot.comগৌড় নগরের সাথে জড়িয়ে আছে প্রাচীন বহু ইতিহাস। তবে এর বেশিরভাগ অংশই ভারতে। আর বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে যে অংশটুকু পড়ে আছে এই নগরীর ,তার পুরোটাই প্রকৃতপক্ষে ধ্বংসাবশেষ। নকশার ভিত্তিতে বর্ণিত চতুর্দশ শতকের কোতোয়ালী ফটক ব্যতীত ১৩-১৪ শতকে নির্মিত স্থাপত্য শিল্পের অন্য কোনো নিদর্শন বর্তমানে নেই।
তবে জায়গাটি ঘিরে আছে পর্যটকদের আগ্রহ। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ দেখতেও অনেকে ছুটে যায় জায়গাটিতে। তাছাড়া বেশ কিছু পুরনো নিদর্শন ও দর্শনীয় স্থান রয়েছে, যা ঘুরে ঘুরে দেখতে পারেন প্রাচীন এই নগরী ভ্রমণকালে।

কি ভাবে করবেন থাইভিসা Iথাইল্যান্ড সারা বিশ্বেই অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমান বন্দরে নামলেই ...
10/12/2019

কি ভাবে করবেন থাইভিসা I

থাইল্যান্ড সারা বিশ্বেই অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমান বন্দরে নামলেই এর সত্যতা বুঝতে পারবেন। সারা পৃথিবী থেকে পর্যটকরা এসে ভিড় করে থাইল্যান্ডে। আমাদের দেশে থাইল্যান্ডের পর্যটনের নেতিবাচক দিকগুলোই বেশি আলোচিত হয়, অথচ পরিবার পরিজন নিয়েও ঘোরার জন্য সাদা হাতির দেশ নামে খ্যাত এ দেশটিতে পর্যটন গন্তব্যের অভাব নেই। ফুকেট, ক্র‌্যাবি, কোহ সা মুইয়ের মতো জায়গাগুলোতে মধুচন্দ্রিমা বা পরিবার নিয়ে অবকাশে আসা পর্যটকের ভিড় লেগেই থাকে। ঢাকা থেকে বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্স ব্যাংককের সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করে। তার মধ্যে রয়েছে থাই এয়ারওয়েজ, বিমান বাংলাদেশ, রিজেন্ট, ইউএসবাংলা। আগে থেকে টিকেট কাটলে ২০-২২ হাজার টাকাতেও টিকেট কাটা সম্ভব হয়। তবে থাইল্যান্ড যাবার জন্য বাংলাদেশিদের অবশ্যই ভিসা করে যেতে হয়।আবেদন করতে হবে ভিএফএসের মাধ্যমে-ছবি লেখকভিসা নেবার পদ্ধতি খুব জটিল না, তবে প্রথমবার যারা আবেদন করেন তাদের কাছে কঠিন মনে হতে পারে। বাংলাদেশে অবস্থিত থাই দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করতে হয় ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে। আপনি চাইলে তাদের মাধ্যমে সরাসরি আবেদন করতে পারেন অথবা কোনো ট্রাভেল এজেন্টকে দিয়েও করতে পারেন ভিসা। আমি সবসময় থাই ভিসা ভিএফএসে সরাসরি জমা দিয়েছি। ভিসার আবেদনপত্র অনলাইনেই পূরণ করা যায়। এছাড়া ডাউনলোড করেও প্রিন্ট করে হাতে লিখে জমা দিতে পারেন। আবেদনপত্রটি পাবেন এই লিংকে। ভিএফএসের অফিসের ঠিকানা হচ্ছে:
১. এজে হেইটস (নীচতলা), ৭২/১/ডি, প্রগতি স্মরণী, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা।
২. চেম্বার হাউজ (৫ম তলা), আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, চট্টগ্রাম।
৩. নির্ভানা ইন, ৮ম তলা, মির্জা জাঙাল রোড, রামের দীঘির পাড়, সিলেট।
আবেদনপত্র পূরণ করার পদ্ধতি খুব সহজ, এক পাতার আবেদপত্রে না বোঝার মত একটা মাত্র লাইন আছে সেটা হচ্ছে আপনার পাসপোর্ট কোন কোন দেশের জন্য বৈধ। এটার উত্তর আসলে পাসপোর্টেই লেখা আছে, “ইসরাইল ব্যতিত পৃথিবীর সব দেশ”। এছাড়া আপনার বুকিং করা বিমান টিকেটে উল্লেখিত ফ্লাইট নাম্বার দিতে হবে। থাইল্যান্ডে কোথায় থাকবেন, সে জায়গার কোনো হোটেলের নাম ও ঠিকানা দেবেন। আবেদন পত্র পূরণ হয়ে গেলে প্রিন্ট নিয়ে চলে যাবেন ভিএফএসে। মনে রাখবেন আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয় সকাল ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত, এ সময়ের মধ্যে আপনাকে ভিএফএসে পৌঁছাতে হবে। আবেদনপত্র অনলাইনে ট্রেক করতে পারবেন। সাধারণত ৫ কর্মদিবসের মধ্যেই পাসপোর্ট ফেরত পেয়ে যাবেন, ভিসা দেয়া হয়েছে কিনা সেটা পাসপোর্ট পেলে বুঝতে পারবেন। সিংগেল এন্ট্রি ভিসা ফি ২,৯০০ টাকা। এর সাথে ভিএফএস এর সার্ভিস ও ব্যাংক ফি রয়েছে ৫৪০ টাকা, অর্থ্যাৎ সর্বমোট ৩,৪৪০ টাকা জমা দিতে হবে।

09/12/2019

Comic Book Cafe
South Korea

07/12/2019
১২ দিন পর থেকেই কার্যক্রম শুরু হবে ই- পাসপোর্ট।
06/12/2019

১২ দিন পর থেকেই কার্যক্রম শুরু হবে ই- পাসপোর্ট।

— EXPLORE BD WITH US-BANGLA —
06/12/2019

— EXPLORE BD WITH US-BANGLA —

বিদেশ ভ্রমণ: সহজ ও কম খরচে বিদেশ ভ্রমণের কিছু টিপস----------------------------------------অগ্রিম বুকিং:ট্রাভেল তারিখের ক...
04/12/2019

বিদেশ ভ্রমণ: সহজ ও কম খরচে বিদেশ ভ্রমণের কিছু টিপস
----------------------------------------অগ্রিম বুকিং:
ট্রাভেল তারিখের কমপক্ষে কয়েক মাস আগে টিকেট বুকিং করুন। বিমান, হোটেল কিংবা ট্রান্সপোর্ট যেটাই হোক না কেন আগে টিকেট কাটলে খরচ অনেক কম হয়। মাঝে মধ্যে বিভিন্ন এয়ারলাইনের অফার থাকে, চেষ্টা করবেন অফারগুলো নিতে। তবে কোন কারনে ট্রাভেল তারিখ পরির্বতন হলে কিংবা বাতিল হলে রিফান্ড পাওয়া যায় না। সুতরাং, ভালো করে প্ল্যান করে নিন।

স্থানীয় ভাষা:
যেই দেশে যাবেন সেই দেশের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ২৫-৩০ টি বাক্য শিখে নিন। এই সংক্রান্ত অনেক ভিডিও ইউটিউবে পাবেন। উন্নত দেশগুলো তাদের নিজ নিজ ভাষা ব্যবহার করায়, অনেক দেশে ইংরেজির প্রচলন নেই বললেই চলে। সেসব দেশে কাজ চালানোর মতো কিছু বেসিক বাক্য শিখে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ক্রেডিট কার্ড:
যাদের ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড নেই কিংবা যারা ক্রেডিট কার্ডের ঝামে লায় যেতে চান না, তাদের জন্য সমাধান হচ্ছে ডুয়াল কারেন্সি প্রি-পেইড কার্ড, মাত্র ৫০০ টাকা আর ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকলেই আপনি করে নিতে পারেন একটি একুয়া কার্ড। এই কার্ডে যেই টাকা রিচার্জ করবেন, সেটাই ব্যবহার করতে পারবেন। আর এই কার্ড দিয়ে আপনি অনলাইনে একদিনে সর্বোচ্চ ৩০০ ডলার পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন করতে পারবেন। এই কার্ড দিয়ে দেশের বাইরে হোটেল বুকিং, প্রডাক্ট কেনা, দেশের বাইরের ট্রান্সপোর্ট বুকিং এর মতো কাজগুলো করতে পারবেন।

পূর্ব পরিকল্পনা:
ট্রাভেলের আগে খুব ভালো করে পরিকল্পনা করে নিন। প্রয়োজনে যেসব যায়গায় যাবেন সেসব যায়গা সম্পর্কে ইন্টারনেটে আগে থেকেই খোঁজ করে নিন। বিশেষ করে খোলা-বন্ধের সময়, সাপ্তাহিক ছুটির দিন, টিকেটের মূল্য এগুলো সম্পর্কে আগে খোঁজ নিতে পারেন। অনেক প্রডাক্ট কিংবা বিভিন্ন যায়গার টিকেট অনলাইন থেকে ডিসকাউন্টে অগ্রিম কেনা কিংবা প্রি-অর্ডার করা যায়।

স্থানীয় কারেন্সি:
ট্রাভেলের সময় আমরা সাধারনত ডলার কিংবা ইউরোতে কারেন্সি কনভার্ট করে নিয়ে যাই। ডলার/ইউরোরর পাশাপাশি, যে দেশে ঘুরতে যাবেন সেই দেশের কিছু কারেন্সিও সাথে নিয়ে নিবেন। অন্য দেশের এয়ারপোর্ট গুলোতে ডলার/ইউরোর রেট কম ধরে, এজন্য যদি আগে থেকেই কিছু স্থানীয় কারেন্সি সাথে রাখেন, তাহলে এয়ারপোর্টে নেমেই জরুরী কেনাকাটা (খাবার /ট্রান্সপোর্ট /সিমকার্ড) করে নিতে পারবেন।

পাবলিক ট্রান্সপোর্ট:
যেই দেশে ট্রাভেল করবেন, চেষ্টা করবেন সেই দেশের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করতে। এতে আপনার ট্রান্সপোর্ট খরচ অনেক কমে যাবে। বিভিন্ন দেশে ট্রাভেলারদের জন্য ট্রাভেলার্স পাস পাওয়া যায় যেটায় ট্রান্সপোর্ট + বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের টিকেট যুক্ত থাকে, সেগুলো ব্যবহার করলে বিভিন্ন রকম ডিসকাউন্ট পাবেন। এছাড়াও সরাসরি ট্যাক্সি না নিয়ে Uber, Grab এর মতো রাইড শেয়ারিং এপস গুলো ব্যবহার করতে পারেন। একেক দেশে একেক নামে রাইড শেয়ারিং কোম্পানি রয়েছে। ট্রাভেলের আগে একটু খোঁজ নিয়ে এপস মোবাইলে নামিয়ে রাখতে পারেন।

উন্নত দেশগুলোতে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের জন্য বান্ডেল অফারযুক্ত কার্ড পাওয়া যায়। একই কার্ড বাস, ট্রেন, সাবওয়েতে ব্যবহার করা যায়। ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে কনভেনিয়েন্ট স্টোরগুলো থেকে রিচার্জ করা যায়। এই কার্ড থাকলে বারবার টিকেট কেনার ঝামেলায় পড়তে হয় না। ট্রাভেলের সময় এক স্থান থেকে আরেক স্থানে যেতে সুবিধার জন্য বিভিন্ন এপস ব্যবহার করতে পারেন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ঘুরতে ২ টি জনপ্রিয় এপস রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে: Flixbus, GoEuro. Flixbus দিয়ে ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক ডেস্টিনেশনে কম খরচে বাস ট্রাভেল করা যায়। GoEuro দিয়ে একাধারে বাস, ট্রেইন ও বিমানের টিকেট কাটা যায়।

ডিসকাউন্ট:
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সময়ে অনেক দর্শনীয় স্থানে প্রবেশের উপর ডিসকাউন্ট কিংবা ফ্রি এন্ট্রি থাকে, এইসব ব্যপারে আগে থেকে একটু খোঁজ খবর রাখলে ট্রাভেল এক্সপেন্স কমাতে পারবেন। এছাড়াও অনেক শহরে ফ্রি বাস সার্ভিস রয়েছে। আবার কোন কোন শহরে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারের কিছু টিপস ও ট্রিকস আছে, যেগুলো জানা থাকলে ট্রাভেলিং আরো সহজ হয়।

ছোট গ্রুপ:
সবসময় চেষ্টা করবেন ছোট গ্রুপ করে ট্রাভেল করতে। গ্রুপের সাইজ হবে ২ থেকে ৪ জন। বেশি হলে কিন্তু আবার অন্য সমস্যা হবে। ছোট গ্রুপে কয়েকজন মিলে একসাথে ঘুরলে: থাকা, খাওয়া আর ট্রান্সপোর্ট খরচ কমে যায়। এছাড়াও বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম টাউট বাটপার থাকে, গ্রুপে একসাথে কয়েকজন থাকলে এসব টাউট বাটপার সহজে সামনে আসে না।

আবহাওয়া:
যেই দেশে ট্রাভেল করতে যাচ্ছেন, সেই দেশের বর্তমান আবহাওয়া সম্পর্কে আগে থেকে ধারনা নিয়ে নিবেন এবং সেই অনুযায়ী পোষাক নিতে ভুলবেন না যেন। এতে হটাৎ করে আবহাওয়া পরিবর্তনে সমস্যায় পড়বেন না।

পানির বোতল:
ট্রাভেলের সময় ছোট খালি পানির বোতল সাথে রাখুন। বাইরের দেশগুলোতে মোটামুটি সর্বত্রই বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়। পানি শেষ হয়ে গেলে রিফিল করে নিন। তবে এয়ারপোর্টে একটু খেয়াল রাখতে হবে যে, ইমিগ্রেশন এর সময় যেন বোতল খালি থাকে। কারন, ইমিগ্রেশনে আপনাকে ১০০ মি.লি. এর বেশি কোন তরল পদার্থ বহন করতে দিবে না। পানির বোতল থাকলে তা ফেলে দিতে হবে। তাই ইমিগ্রেশনের আগেই বোতল খালি করে নিবেন, প্রয়োজনে আবার বিমানের ভিতরে রিফিল করে নিতে পারবেন।

ট্রাভেল এপস:
ট্রাভেল প্ল্যানিং এর বেশ কিছু সাইট ও এপস আছে। যেমন Google Trips। এই এপসে ডেট আর ডেস্টিনেশন দিয়ে দিলে অটোমেটিক ট্রাভেল প্ল্যান বানিয়ে দেয়। চাইলে আপনি প্ল্যান এডিটও করতে পারবেন।

জিপিএস:
যেখানেই ঘুরতে যান না কেন, GPS আপনার ব্যপক কাজে আসবে। ট্রাভেল শুরু করার আগে মোবাইলে গুগল ম্যাপ খুলে নিন, এরপর যে জায়গায় যাচ্ছেন তার এরিয়া সিলেক্ট করে অফলাইন ম্যাপ ডাউনলোড করে নিন। জরুরি সময়ে ইন্টারনেট না থাকলেও GPS সিগন্যাল দিয়ে সহজেই আপনার ডেস্টিনেশনে পৌছাতে পারবেন। একইভাবে গুগল ট্রান্সলেট খুলে গন্তব্য দেশের ভাষা ডাউনলোড় করে নিতে পারেন।

ব্যাকআপ:
আপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল যেগুলো ট্রাভেলিং এর সময় নিয়মিত দরকার লাগে, সেগুলোকে ক্লাউডে আপলোড করে রাখুন। যে কোন প্রয়োজনে সাথে সাথে ব্যবহার করতে পারবেন। আর পাসপোর্ট, ছবি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টের একাধিক কপি সবসময় সাথে রাখবেন।

প্রয়োজনীয় ওষুধ:
দেশের বাইরে চাইলেই দোকান থেকে ওষুধ কিনতে পারবেন না। আর আমাদের দেশের মতো সব দেশে ফার্মেসিও নাই। আর থাকলেও প্রেস্ক্রিপশন ছাড়া ওষুধ দিবে না। সুতরাং, দেশের বাইরে ঘুরতে গেলে অবশ্যই ফার্স্ট এইড মেডিকেল কিট সাথে রাখবেন।

ইলেকট্রনিক ডিভাইস:
ট্রাভেলিং এর সময় যেসব ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন: ক্যামেরা, মোবাইল, ল্যাপটপ ইত্যাদি) সাথে নিবেন, সাথে সাথে সেগুলোর চার্জারও নিবেন। সম্ভব হলে এক্সট্রা ব্যাটারি ও পাওয়ার ব্যাংক (অবশ্যই হ্যান্ড লাগেজ কিংবা ব্যাকপ্যাকে এবং কোনমতেই ২০,০০০ মিলিএম্পিয়ারের বেশি নয়) সাথে নিয়ে নিবেন।

Address

Haroon Bhaban (1st Floor), 2598 Abdus Sattar Lane, Sk. Mujib Road, Agrabad C/A
Chittagong

Telephone

+8801823310133

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Explore International posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Explore International:

Share

Category