20/05/2026
বুকটা ফেটে যাচ্ছে। 😭😭😭
যদি পারতাম এতার মাথাটা আলাধা করতে। 😤😤
এই সেই জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী৷ যারা কি না ছোট্ট রামিসার জীবন কেড়ে নিয়েছে৷
স্কুলে যাওয়ার জন্যে সাত বছরের রামিসাকে মা ডাকাডাকি করে৷ কিন্তু কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তার মা এদিক সেদিক খুঁজতে থাকে৷ পরে পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে তার মা দেখে দরজার সামনে রামিসার জুতা পড়ে আছে।
রামিসার মা অনেক ধাক্কাধাক্কি করলেও কেউ ভেতর থেকে দরজা খোলেনি৷ মূলত জাকির ও তার স্ত্রী তখনই এমন নির্মম ঘটনা চালাতে থাকে৷ রামিসাকে অনেক আগ থেকেই টার্গেট করে রাখে জাকির৷ এরপর সুযোগ বুঝে রামিসাকে জোর করে নিয়ে যায় তার বাসায়৷
জাকির ছোট রামিসার সাথে যা করছে সেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতন না৷ যখন দেখলো রামিসা চিৎকার করছে, তখন সে নিকৃষ্ট এক সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর নিজের কাজ আড়াল করতে আরও বিভৎস পথে এগোয়। ছোট্ট রামিসার পুতুলের মতো মিষ্টি মুখটা মনে পড়লেই বুকটা ভার হয়ে আসে।
রামিসার মায়ের দরজায় ধাক্কাধাক্কিতে বাকি কাজ করতে পারে না৷ তখন জাকির বাসার গ্রীল কেটে পালায়৷ যতক্ষন না পালায় ততক্ষন তার স্ত্রী স্বপ্না দরজা খোলেনি৷
ঘটনা গুলো লিখতে গিয়ে হাতটা কাপছিল আমার৷ এরা কি আসলে মানুষ? প্রতিদিনই এমন ঘটনা ঘটে যাচ্ছে৷ কয়টার সঠিক বিচার হচ্ছে৷
এই জাকিরের নামে নাটোরে আগেও একটা মামলা ছিলো৷ জাকির জানে এই দেশে তার বাল্ডাও হবে না৷ সে জানে এ দেশে সঠিক বিচার নাই৷ সে জানে দুদিন পর সে বের হয়ে আসবে৷ তারপর অন্য কোনো রামিসাকে টার্গেট করবে৷ লজ্জা থাকা উচিত এ রাষ্ট্রের।