26/11/2025
ঢাকা থেকে নদী ও সাগর পথে জাহাজ এ হাতিয়া দ্বীপ হয়ে কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন দ্বীপে এ্যাডভেঞ্চার ট্রিপ!
শুধুমাত্র এ্যাডভেঞ্চার প্রেমীদের জন্যই আমাদের এই আয়োজন।
যাত্রা তারিখ ও সময়: ২৮ নভেম্বর, শুক্রবার সকাল ৭.০০ মিনিট।
যাত্রা শেষ: সেন্টমার্টিন ঘুরে এসে কক্সবাজার ঘাট এ ৩০ নভেম্বর, রবি বার, রাত আনুমানিক রাত ১০টা থেকে ১১ টা)।
*** যারা কক্সবাজার ২য় দিন নেমে যাবেন তারা ২৯ ডিসেম্বর, শনি বার রাত ৭-৯ টায় কক্সবাজার ঘাট এ পৌছাবেন।
জাহাজ:
এম ভি বে ক্রুজার ১ (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্যাটামেরান জাহাজ)
এল সিটি কাজল (সমুদ্র গামী নন এসি ল্যান্ডিং ক্রাফট জাহাজ)
জাহাজ ছাড়ার স্থান:
এম ভি বে ক্রুজার ১ ছাড়বে, পূর্বাচল ৩০০ ফিট শিমুলিয়া ঘাট থেকে।
এল সিটি কাজল জাহাজ ছাড়বে, মেরি এন্ডারসন ভি আই পি জেটি, পাগলা (ঢাকা - নারায়ণগঞ্জ পুরাতন রোড) থেকে।
আনুমানিক প্ল্যান:
১ম দিন: সকাল ৭ টায় সংশ্লিষ্ট ঘাট থেকে যাত্রা শুরু। দিনের আলোয় বুড়িগঙ্গা /শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী, মেঘনা নদী ভ্রমন শেষ এ রাতে হাতিয়া দ্বীপ এ কোন হোটেল/রেস্ট হাউজ এ শেয়ারিং ব্যাসিস থাকা।
২য় দিন: ভোর সকালে নাস্তা শেষ এ কক্সবাজার এর উদ্দেশ্যে সাগর পথে যাত্রা শুরু, পথি মধ্যে সাগর পথের সৌন্দর্য অবলোকন। রাতের মধ্যে কক্সবাজার নুনিয়াছড়া ঘাট এ পৌছা। রাতে হোটেল কক্সবাজার এ হোটেল এ শেয়ারিং এ থাকা।
৩য় দিন (অপশনাল): সকাল ৬ টায় কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। দুপুর ১২ টায় সেন্টমার্টিন এ পৌছা। সেন্টমার্টিন দ্বীপ ঘুরে। বিকেল ৪ টায় কক্সবাজার এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু এবং রাত এ কক্সবাজার পৌছে ট্রিপ শেষ ।
*** ২য় দিন রাতে কক্সবাজার এ জাহাজ থেকে নেমে ট্রিপ শেষ করার সুযোগ আছে। যারা এখানে ট্রিপ শেষ করবেন তারা সেভাবেও বুকিং করতে পারেন।
** প্যাকেজ প্রাইস এম ভি বে ক্রুজার জাহাজ:
ঢাকা - হাতিয়া - কক্সবাজার - সেন্টমার্টিন - কক্সবাজার : জনপ্রতি ১৫০০০/-
ঢাকা - হাতিয়া - কক্সবাজার: জনপ্রতি ১২০০০/-
** প্যাকেজ এল সিটি কাজল জাহাজ:
ঢাকা - হাতিয়া - কক্সবাজার - সেন্টমার্টিন : জনপ্রতি ১৩০০০/-
ঢাকা - হাতিয়া - কক্সবাজার: জনপ্রতি ১১০০০/-
** আনুমানিক খাবার মেন্যু:
১ম দিন:
সকাল: ভুনা খিচুরী, ডিম, সালাদ, পানি, চা (প্যাকেট)
দুপুর: মোরগ পোলাও, ফিস ফ্রাই অথবা ডিম কোর্মা, সালাদ, পানি। (প্যাকেট)
বিকাল: মুড়ি মাখানো, পানি, চা।
রাত: সাদা ভাত, ভর্তা, মাছ অথবা মুরগী, সালাদ, পানি। (হাতিয়া তে স্থানীয় হোটেল/রেস্টুরেন্টে)
২য় দিন:
সকাল: পরোটা, ডিম ওমলেট, ভাজি/ডাল, পানি, চা।
দুপুর: ফ্রাইড রাইস, চিকেন ফ্রাই, ফিস ফ্রাই, সালাদ, পানি।
বিকাল: বিস্কিট/কেক, কলা, পানি, চা।
রাত: সাদা ভাত, ভর্তা, মাছ অথবা মুরগী, সালাদ, পানি। (কক্সবাজার এ তে স্থানীয় হোটেল/রেস্টুরেন্টে)
৩য় দিন:
সেন্টমার্টিন এ যাওয়ার সময় সকাল ও দুপুরের খাবার থাকবে। মেন্যু প্রাপ্যতা সাপেক্ষে ডিপেন্ডেবল।
বিশেষ দ্রস্টব্য:
১। এটি শুধু মাত্র এ্যাডভেঞ্চার প্রেমীদের জন্য বিশেষ একটি ট্যুর। এখানে জোয়ার ভাটা, ঘন কুয়াশা, যান্ত্রিক সমস্যা, পরিবেশ পরিস্থিতি বা অনান্য কারনে যাতায়াত এর সময়, খাবার মেন্যু ইত্যাদি ভিন্ন হতে পারে।
২। জাহাজ এ কোন কেবিন এর ব্যাবস্থা নেই। নন এসি জাহাজ এ নন এসি সিট, এসি জাহাজ এ এসি সিট থাকবে।
৩। হাতিয়া দ্বীপ এ জাহাজ থেকে নামা ও উঠার সময়ে জোয়ার ভাটার কারনে জাহাজ ঘাটে নাও ভীড়তে পারে, সে ক্ষেত্রে স্থানীয় নৌকায় করে জাহাজ থেকে নামতে ও উঠতে হতে পারে।
৪। জাহাজ চলাকালীন সময়ে প্যাকেট খাবার থাকবে, যা পূর্বেই জাহাজ এ উঠানো হবে। স্থানীয় রেস্টুরেন্টে খাবার এর মান খুব বেশী ভালো আশা করা যাবে না। স্থানীয় হোটেল গুলো খুব বেশী ভালো হবে এমন আশা করা যাবে না। তবে আমাদের চেস্টা থাকবে বেস্ট টাই করার।
৫। জাহাজ দুটিই সমুদ্র উপকূল গামী কোস্টাল (সি ক্লাস) জাহাজ, তাই নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ এর অবকাশ নেই। আমাদের জাহাজ পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট আছে। অত্যাধুনিক নেভিগেশন যন্ত্রপাতি (রাডার, জি পি এস, ইকো সাউন্ডার) রয়েছে৷ জরুরী পরিস্থিতিতে বন্দর, কোস্ট গার্ড, নৌ বাহিনী এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ এর জন্য রয়েছে ভি এইচ এফ।
৬। সকলের জরুরী মেডিসিন, শীতের কাপড়, হালকা নাস্তা সাথে রাখতে পারেন।
৭। ১ম বারের মত আমরা এই আয়োজন করতেছি শুধু মাত্র এ্যাডভেঞ্চার প্রেমী দের জন্য, তাই আমাদের সীমাবদ্ধতা গুলো ধৈর্যের সাথে ট্যাকেল করার অনুরোধ রইলো। আমি আবারো বলছি এটি কোন লাক্সারী ট্রিপ নয়।
বুকিং মানি - ৮০০০/- (অফেরতযোগ্য)। ডিউ টাকা জাহাজ এ আরোহন করে ক্যাশ পেমেন্ট করতে হবে।
ভ্রমন তথ্য ও রিজার্ভেশন এর জন্য যোগাযোগ করুন
📞01886798736
📞09611798736