Moghadia Zaminder Bari | মঘাদিয়া জমিদার বাড়ি

Moghadia Zaminder Bari | মঘাদিয়া জমিদার বাড়ি Moghadia Zaminder Bari | মঘাদিয়া জমিদার বাড়ি, Nurul Abser Chowdhury (Kenu Miya) | নুরুল আফসার চৌধুরী (কেনু মিয়া)

Moghadia Zaminder Bari | মঘাদিয়া জমিদার বাড়ি
Nurul Abser Chowdhury (Kenu Miya) | নুরুল আফসার চৌধুরী (কেনু মিয়া)

12/07/2025
মিরসরাইয়ে অযত্ন-অবহেলায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে জমিদার প্রাসাদচট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামে...
04/02/2023

মিরসরাইয়ে অযত্ন-অবহেলায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে জমিদার প্রাসাদ

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জমিদার প্রাসাদ। অট্টালিকার গায়ে জমিদারি বেশভূষা থাকলেও এটি অনেকটাই অরক্ষিত। জানালা ও দরজার ফ্রেম থাকলেও নেই কোনো কপাট। প্রবেশমুখে নেই কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থা। অট্টালিকার ইট, দরজা-জানালা ও অনেক প্রতœতাত্ত্বিক সম্পদ কিছুই নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দূর থেকে দেখে মনে হবে- মনোরম পরিবেশে সবুজে ঘেরা যেন এক বাগানবাড়ি। কাছে গিয়ে দেখা গেল বিশালাকৃতির ভগ্নপ্রায় দ্বিতল অট্টালিকা। পুরনো ইটের দেয়ালে রকমারি আগাছা, থরে থরে সাজানো ঝুঁকিপূর্ণ ঘরের ভেতর ঝোপঝাড়। আর সেখানটার পুরোটাই এখন পাখি ও পোকামাকড়ের দখলে। একসময়কার প্রভাবশালী জমিদার শেখ ওয়াসিল চৌধুরীর নির্মিত প্রাসাদটি এখন প্রায় জরাজীর্ণ ও বিলুপ্তির পথে। জমিদারহীন এ জমিদার প্রাসাদটির ভেতরের পরিবেশ অনেকটাই ভুতুড়ে।

অষ্টাদশ শতকের আগে তৈরি করা জমিদার বাড়ি নির্মাণ করতে এর ছাদে ব্যবহার করা হয়েছে লোহার গার্ডার। দেখে মনে হবে- কয়েক বছর আগেই বুঝি এসব দেয়াল তোলা হয়েছে। ইট, সুরকি আর রড দিয়ে নিপুণ শৈলীর গাঁথুনির এ দ্বিতল ভবন কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রতিটি ঘরের ভেতর ও ছাদে রয়েছে প্রাচীন ঐতিহ্যের অনেক নিদর্শন। বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দেখতে আসেন এ জমিদার বাড়ি। তবে এ এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিরা বলছেন- জমিদার বাড়িটি এখন আর আগের মতো নেই, বাড়িটি তার রূপ ও জৌলুস দুটোই হারিয়ে ফেলেছে। আর এটি সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই কোনো মাথাব্যথা। ফলে বাড়িটির প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন খুব কম সময়ের মধ্যে বিলুপ্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

জানা গেছে, শেখ ওয়াসিল চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার দুই সন্তান অলি আহমেদ চৌধুরী ও মকবুল আহমেদ চৌধুরী জমিদারির দায়িত্ব ভার নেন। তাদের মৃত্যুর পরবর্তী সময় তাদের সন্তানেরা জমিদারির দায়িত্ব নিলেও একে অন্যের উপর বিভিন্ন অভিযোগ আনলে নিজেদের মাঝে বিভাজন শুরু হয়। এতে করে জমিদারির পতন হতে শুরু করে।

খবর নিয়ে জানা গেছে, জমিদার বংশধররা ছিলেন ইসলাম ধর্মালম্বী। এই জমিদার বংশের সবচেয়ে পরিচিত জমিদার ছিলেন নুরুল আবছার চৌধুরী। তিনি ১৮৯৫ সনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন এই জমিদার বংশের শেষ জমিদার। তিনি খুব অল্প বয়সেই জমিদারীর দায়িত্ব পান। কারণ নুরুল আবছার চৌধুরীর পিতা জমিদার অলি আহমেদ চৌধুরী মারা যাওয়ার পর তার বড় ভাই জমিদার আবদুল হাই চৌধুরী জমিদারি দেখাশুনা করতেন। কিন্তু তিনি মাত্র ৩৩ বছর বয়সে মারা যান। এতেই নুরুল আবছার চৌধুরীর উপর এই জমিদারির দায়িত্ব এসে পড়ে। তবে তিনি দয়ালু, সততা ও ন্যায়ের সাথে জমিদারি পরিচালনা করাতে প্রজাদের কাছে অতি তাড়াতাড়ি পরিচিত হয়ে উঠেন। তিনি অনেক জনকল্যাণমূলক কাজ করেছেন। তিনি তার মায়ের নামে প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিজের নামে উচ্চ বিদ্যালয়, শান্তিরহাট নামে শান্তিরহাট বাজার। এ ছাড়াও অসংখ্য এতিমখানা তৈরি করেছিলেন। তিনি তৎকালীন সময়ে রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বাংলার মুখ্য মন্ত্রী শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের সাথে রাজনীতি করেছেন এবং তার একজন ভালো বন্ধু ছিলেন।

শেখ ওয়াসিল চৌধুরীর বংশধর শোয়েব আহমদ চৌধুরী বলেন, আমাদের বাপ-দাদারা এখানে বসে জমিদারি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। ১৯৬২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৯৬৩ সালে মাওলানা ভাসানীসহ অসংখ্য গুণী লোক আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন। সরকারিভাবে উদ্যোগ নিয়ে ভবনটি সংস্কার করলে এখানে পর্যটন স্থাপনা গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘুরতে আসা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান- এটি একটি ঐতিহাসিক ভবন, এটি রক্ষণাবেক্ষণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব। ভবনটি সংস্কার করা হলে এখানের ইতিহাস-ঐতিহ্য জানতে এবং দেখতে অনেক পর্যটক ছুটে আসবে। মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন বলেন, জমিদারবাড়ি মিরসরাইয়ের ঐতিহ্য ও ইতিহাস বহন করে। মঘাদিয়া জমিদারবাড়ির বিষয়ে কিছু জানা নেই, তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বিষয়ে জেনে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের সাথে ভবনটি সংস্কারের বিষয়ে কথা বলব। তবে যেহেতু জমিদারের বংশধর বেঁচে আছে, তাই তাদেরও উচিত ঐতিহ্য-ইতিহাসের ভবনটা রক্ষণাবেক্ষণ করা।

https://www.dailynayadiganta.com/more-news/725311/ND

মঘাদিয়া জামে মসজিদ / মঘাদিয়া জমিদার বাড়ি মসজিদ l
29/04/2022

মঘাদিয়া জামে মসজিদ / মঘাদিয়া জমিদার বাড়ি মসজিদ l

16/07/2021

Watch 2:25.

13/06/2021

মঘাদিয়া জমিদার বাড়ি ।।
ইতিহাস, ঐতিহ্য, দর্শনীয় স্থান
মীরসরাই, চট্টগ্রাম
https://fb.watch/65Xbp4i0s1/

ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন। এই ঐতিহাসিক নিদর্শনের মধ্যে একটি হচ্ছে জমিদার বাড়ি। যা ...
17/03/2021

ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন। এই ঐতিহাসিক নিদর্শনের মধ্যে একটি হচ্ছে জমিদার বাড়ি। যা বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে রয়েছে। এর সাথে এক-একটা জমিদার বাড়ির আছে এক একরকম ইতিহাস।
ভারত উপমহাদেশে মুঘলদের শাসনামল থেকে ব্রিটিশদের শাসনামল পর্যন্ত জমিদারি প্রথা চালু ছিল। তবে ব্রিটিশ শাসনামলের পূর্বে এই জমিদারী প্রথাকে "জায়গীরদারি" প্রথা বলা হতো। ব্রিটিশদের শাসনামলে ভারত উপমহাদেশে জমিদারীর প্রথা চালু হয় অন্যরকম আধুনিকভাবে। কারণ ব্রিটিশরা এই জমিদারী প্রথা দিয়ে ভারত উপমহাদেশকে আরো সহজভাবে শাসন করার জন্য একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। যা তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ "চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত" নামে ১৭৯৩ সালে জায়গিরদারি প্রথা বিলুপ্ত করে জমিদারী প্রথা চালু করেন। যার ফলে এটি "জায়গিরদারি" প্রথা থেকে "জমিদারী" প্রথায় রূপ নেয়। কর্নওয়ালিশ নিজেও ব্রিটিনের একজন জমিদার পরিবারের সদস্য ছিলেন। তার এই জমিদারী প্রথা চালু করার পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল পুরো ভারতবর্ষ থেকে সহজে সরকারি রাজস্ব আদায় করা। এছাড়াও সহজে ভারতবর্ষের মানুষকে তাদের শাসনকার্যের আওতায় রাখা। মধ্যযুগীয় বা মুঘল শাসনামলের জমিদারী প্রথা এই জমিদারী প্রথার সাথে একদম আলাদা ছিল।
তখনকার সময় ব্রিটিশদের কাছ থেকে যারা জমিদারী ক্রয় করে প্রজাদের উপর তাদের শাসনকার্য চালানোর জন্য একটি নির্ধারিত স্থানে প্রাসাদ তৈরি করে বিচারকার্য পরিচালনা করতেন এবং বসবাস করতেন, ঐ জমিদারদের তৈরি করা ঐ বাড়িকেই জমিদার বাড়ি বলা হয়। জমিদাররা প্রজাদের উপর তাদের শাসনকার্য চালাতেন এই বাড়ি থেকেই। তাই জমিদারদের এই বাড়িগুলো প্রজাদের কাছে অর্থাৎ সাধারণ মানুষের কাছে জামিদার বাড়ি নামেই পরিচিতি পায়। তখনকার সময় জমিদাররা ছিলেন অনেক ধন-সম্পদের মালিক। তাই তারা তাদের বাড়িগুলো বানাতেন অপূর্ব কারুকাজ ও বিভিন্ন ধরনের সুন্দর সুন্দর নকশা করে। যা বিভিন্ন জমিদার বাড়ি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়।

চট্টগ্রাম-এ অবস্থিত রাজবাড়ি, জমিদার বাড়ি, নবাব বাড়ি, বাবুর বাড়ি ও কুঠি বাড়িগুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা :

গুপ্ত জমিদার বাড়ি লোহাগাড়া চট্টগ্রাম
প্রসন্ন কুমার জমিদার বাড়ি আনোয়ারা চট্টগ্রাম
পরৈকোড়া জমিদার বাড়ি আনোয়ারা চট্টগ্রাম
রামধন জমিদার বাড়ি রাউজান চট্টগ্রাম
যদুনাথ চৌধুরীর জমিদার বাড়ি রাউজান চট্টগ্রাম
ভৈরব সওদাগরের জমিদার বাড়ি রাউজান চট্টগ্রাম
চাকমা রাজবাড়ি রাঙ্গুনিয়া চট্টগ্রাম
মঘাদিয়া জমিদার বাড়ি মীরসরাই চট্টগ্রাম
ভুজপুর জমিদার বাড়ি ফটিকছড়ি চট্টগ্রাম
মং রাজবাড়ি মানিকছড়ি খাগড়াছড়ি
হোচ্ছাম হায়দার চৌধুরীর বাড়ি দক্ষিণ চর্থা

তথ্য সুত্র: বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়া

Address

AbuTorab, BoroTakia, Mirershorai
Chittagong
4040

Telephone

01768595970

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Moghadia Zaminder Bari | মঘাদিয়া জমিদার বাড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category