Rahmania Travels & Hajj Group

Rahmania Travels & Hajj Group রহমানিয়া ট্রাভেলস এন্ড হজ্ব গ্রুপ এ আপনাকে স্বাগতম।

আসসালামু আলাইকুম রহমানিয়া ট্রাভেলস চলমান ওমরা গ্রুপ সমূহ*জানুয়ারী ট্রানজিট গ্রুপ :**গ্রুপ ১-এয়ার এরাবিয়াযাওয়া ✈️ ০৮ জান...
13/12/2025

আসসালামু আলাইকুম
রহমানিয়া ট্রাভেলস চলমান ওমরা গ্রুপ সমূহ

*জানুয়ারী ট্রানজিট গ্রুপ :*
*গ্রুপ ১-এয়ার এরাবিয়া
যাওয়া ✈️ ০৮ জানুয়ারি
চট্রগ্রাম-শারজা-মদিনা (৩ ঘন্টা)
আসা ✈️ ২১ জানুয়ারি
জেদ্দ-শারজা-চট্রগ্রাম (৫ ঘন্টা ২০মিনিট)
*(বুফে লাউঞ্জ আছে)

*বিমান বাংলাদেশ গ্রুপ
*গ্রুপ ০২: শবে বরাত মক্কা শরিফে পালন
যাওয়া ✈️ ২৪ জানুয়ারি
চট্টগ্রাম -ঢাকা -মদিনা
ফিরতি ✈️ ০৬ ফেব্রুয়ারি
জিদ্দা -চট্টগ্রাম
*গ্রুপ ০৩: রমজান ৪টি রোজা
যাওয়া ✈️ ১১ ফেব্রুয়ারী
চট্টগ্রাম-ঢাকা -জিদ্দা
ফিরতি ✈️ ২৩ ফেব্রুয়ারী
মদিনা -চট্টগ্রাম
*গ্রুপ ০৪: মাহে রামাদ্বান শুরু গ্রুপ
যাওয়া ✈️ ১৯ ফেব্রুয়ারী
চট্টগ্রাম -মদিনা
ফিরতি ✈️ ০৪ মার্চ
জিদ্দা -চট্টগ্রাম
*গ্রুপ ০৫: মাহে রামাদ্বান শেষ দশ দিন মক্কায়
যাওয়া ✈️ ০৮ মার্চ
চট্টগ্রাম -জিদ্দা
ফিরতি ✈️ ২৩ মার্চ
মদিনা-চট্টগ্রাম

👇সাথে আছে👇
*বিমান টিকেট
*ওমরাহ ভিসা
*প্রতি গ্রুপে অভিজ্ঞ মোয়াল্লিম
*সম্পুর্ন ট্রান্সপোর্ট
*মানসম্মত ষ্টার মানের হোটেল
*তিন বেলা দেশীয় খাবার
*রিয়াজুল জান্নায় প্রবেশের অনুমতি

সাশ্রয়ী মূল্যে প্যাকেজ / নন প্যাকেজ ওমরা ভিসা ও টিকেট করা হয়।

যোগাযোগ
01823-380284
01818-799424

13/12/2025

Masjid Al Haram, Makkah Al Mokarramah

🌿 মসজিদে নববীর নির্মাণের গল্পমদিনার মাটিতে ভোরের আলো ফুটছে। হিজরতের পর নবীজি ﷺ এবং সাহাবীরা ক্লান্ত, কিন্তু হৃদয়ে অদ্ভু...
07/12/2025

🌿 মসজিদে নববীর নির্মাণের গল্প

মদিনার মাটিতে ভোরের আলো ফুটছে। হিজরতের পর নবীজি ﷺ এবং সাহাবীরা ক্লান্ত, কিন্তু হৃদয়ে অদ্ভুত আনন্দ—কারণ আজ শুরু হবে এমন একটি ঘর নির্মাণ, যেখানে নামাজ হবে, কোরআন পড়া হবে, উম্মাহর সিদ্ধান্ত হবে, আর আল্লাহর নূর ছড়াবে সারা দুনিয়ায়।

🕌 একটি জমি, দুই অনাথ ছেলে

মদিনায় একটি জমি ছিল—দুই অনাথ ছেলের। জমিটি ছিল খেজুর শুকানোর স্থান। নবীজি ﷺ সেই জমি কিনলেন তাদের কাছ থেকে। জমিটা ছিল অমসৃণ, সেখানে ছিল কিছু পুরোনো খেজুর গাছ, ভাঙা ইট–পাথর।

নবীজি ﷺ বললেন—
“এটাই হবে আল্লাহর ঘর। এখান থেকেই উঠবে ইসলামের আলো।”

🌿 নির্মাণ শুরু — সবাই মজদুর

নির্মাণের দিন নবীজি ﷺ নিজে ইট তুলতেন। সাহাবীরা বলতেন,
“ইয়া রাসুলাল্লাহ, আপনি বিশ্রাম নিন।”
কিন্তু নবীজি ﷺ হাসতেন এবং বলতেন—
“আমি তোমাদের সঙ্গে আছি। আল্লাহর ঘরের কাজ সবাই মিলে করাই উত্তম।”

কেউ মাটি কাটছে, কেউ বাঁশ এনে দিচ্ছে, কেউ কাদা মিশাচ্ছে, আর কেউ খেজুর গাছের কাণ্ড দাঁড় করিয়ে দেয়াল তুলছে।

হ্যাঁ, মসজিদে নববীর প্রথম নির্মাণে ছাদ ছিল খেজুর পাতার, স্তম্ভ ছিল খেজুর গাছের, আর মাটির দেয়াল থেকে বের হতো ঈমানের সুবাস।

🌙 এক সাহাবীর কবিতা

নির্মাণের সময় সাহাবীরা কাজ করতে করতে কবিতা করতেন—

“اللهم إن الأجر أجر الآخرة
فارحم الأنصار والمهاجرة”
“হে আল্লাহ! প্রকৃত পুরস্কার তো আখিরাতের,
অতএব আনসার ও মুহাজিরদের প্রতি রহম করুন।”

এই কবিতা শুনে নবীজি ﷺ মুখে হাসি আনতেন, হাতে ইট নিতেন, আর আরো দ্রুত কাজ করতেন।

🕌 প্রথম আযান, প্রথম জামাআত

যখন মসজিদ দাঁড়িয়ে গেল, তখনই এর প্রথম ব্যবহার শুরু।
কিবা সুন্দর মুহূর্ত—

বিলাল (রা.) দাঁড়ালেন ছাদে।
মদিনার আকাশে প্রথমবারের মতো ধ্বনিত হলো—

“Allahu Akbar… Allahu Akbar…”

সেদিন পুরো মদিনা থমকে গিয়েছিল। মানুষ কেঁদেছিল। তাদের চোখে ছিল আল্লাহর ঘরের নির্মাণ, আর হৃদয়ে ছিল নবীজির ভালবাসা।

🌿 আজকের মসজিদে নববী

সেই ছোট ঘর আজ পরিণত হয়েছে সাদা মার্বেলের বিশাল মসজিদে। তবুও তার প্রথম নির্মাণের সরলতা, খেজুর কাঠের ঘ্রাণ, নবীজির হাতে তোলা ইট—এই স্মৃতি মদিনার বাতাসে আজও ভাসে।

মদিনার এক শান্ত সকাল। শনিবারের ফজর নামাজের ঠিক পরপরই আকাশে হালকা সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়ছিল। কুবা মসজিদের চারপাশে সেই আলো যে...
06/12/2025

মদিনার এক শান্ত সকাল।

শনিবারের ফজর নামাজের ঠিক পরপরই আকাশে হালকা সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়ছিল। কুবা মসজিদের চারপাশে সেই আলো যেন আরও বরকত হয়ে নেমে আসছিল।

হাসান নামে এক তরুণ মদিনায় নতুন এসেছিল। সে বহুবার শুনেছে—যে কেউ কুবা মসজিদে এসে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলে তার জন্য এক গ্রহণযোগ্য ওমরার সওয়াব লেখা হয়। বিশেষ করে শনিবারের ফজরের পর আসার একটি বিশেষ আমল মদিনার মানুষদের মধ্যে প্রচলিত ছিল।

সে ভাবলো, “আজ আমি নিজের চোখে দেখবো, নিজের হৃদয়ে অনুভব করবো।”

ফজরের জামাত শেষ হতে না হতে হাজিররা ধীরে ধীরে কুবা মসজিদের দিকে যেতে শুরু করলো। হাসানও তাদের সাথে রওনা হলো। ঠাণ্ডা সকালের বাতাস, রাস্তার দু’পাশে খেজুর গাছ, আর দূরে দেখা যাচ্ছে কুবা মসজিদের সাদা গম্বুজ—সব কিছুই তাকে অন্য রকম শান্তি দিচ্ছিল।

মসজিদে ঢুকেই তার মনে হলো—এ যেন ইতিহাসের ভিতরে ঢুকে পড়েছে। যেখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজ হাতে প্রথম মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।

হাসান দুই রাকাত নফল নামাজের নিয়ত করলো।
প্রথম সেজদাতে গিয়ে তার হৃদয় নরম হয়ে গেল। সে ভাবলো—
“রাসূলুল্লাহ ﷺ এখানেই দাঁড়িয়েছেন… এখানেই নামাজ পড়েছেন… আর আজ আমার মতো ক্ষুদ্র এক বান্দাকেও আল্লাহ এই জায়গায় দাঁড়ানোর তাওফিক দিলেন। সত্যিই কি আমি একটি ওমরার সওয়াব পেতে যাচ্ছি?”

নামাজ শেষ করে কাঁপা কণ্ঠে দোয়া করলো। চোখ থেকে কয়েক ফোঁটা পানি গড়িয়ে পড়লো।

মসজিদ থেকে বের হতে হতে একজন বৃদ্ধ তাকে বললেন,
“বেটা, এ নামাজ শুধু সওয়াবের জন্যই নয়, বরকতের অনুভূতির জন্যও। যিনি এখানে আসে, তার নিয়তের ওপর আল্লাহ দুনিয়া-আখেরাতে অনেক খুশি হন।”

হাসান মৃদু হাসলো।
তার মনে শান্তির ঢেউ বইতে লাগলো।

ফজরের সোনালি আলোয় কুবা মসজিদ তখন ঝলমল করছে। আর হাসান বুঝে গেল—
এই দুই রাকাত শুধু সালাত নয়… বরং ভালোবাসা, ইতিহাস, আর নবি ﷺ–এর সঙ্গে হৃদয়ের বিশেষ এক সংযোগ।

এভাবেই প্রতি শনিবার ফজরের পর কুবা মসজিদে যারা আসে, তারা শুধু নামাজই পড়ে না—বরং একটি গ্রহণযোগ্য ওমরার সওয়াবের আশায় নিজেদের অন্তর আল্লাহর দরবারে হাজির করে।

Beautiful Door in World 🌎🌎🌎
05/12/2025

Beautiful Door in World 🌎🌎🌎

29/11/2025

Holy Kaaba Sharif, Makkah Al Mokarrama.

Address

Cda Avenue
Chittagong
4212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rahmania Travels & Hajj Group posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category