Alokito Alo

Alokito Alo Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alokito Alo, Travel Agency, Cox's Bazar, Cox's Bazar.

আলোকিত আলো — ভ্রমণ, অনুপ্রেরণা ও গল্পের একসাথে মেলবন্ধন। 🌴
এখানে পাবেন Cox’s Bazar – Teknaf – Saint Martin ভ্রমণ সেবা, বাংলা স্টোরিটেলিং, অনুপ্রেরণামূলক পোস্ট ও ডিজিটাল সার্ভিসের সংযোগ।
ভ্রমণ হোক নিরাপদ, গল্প হোক জীবনের আলো। ✨

মাঝেমধ্যে ভাবি, আল্লাহ কেন কুকুর সৃষ্টি করলেন?কুকুর খাওয়া যায় না, বিনা কারণে পালাও নিষেধ। নামাযের সামনে দিয়ে গেলে নামায ...
01/06/2026

মাঝেমধ্যে ভাবি, আল্লাহ কেন কুকুর সৃষ্টি করলেন?

কুকুর খাওয়া যায় না, বিনা কারণে পালাও নিষেধ। নামাযের সামনে দিয়ে গেলে নামায ভেঙে যায়। খাবার পাত্রে মুখ দিলে সাত সাতবার ধুতে হয়। শেষে মাটি দিয়ে আবারও ঘষতে হয়। চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করা যায় না। মাংস-দুধ খাওয়া যায় না।

এরপরও আল্লাহ কেন কুকুর সৃষ্টি করলেন?

আল্লাহর কোন সৃষ্টিই হিকমতের বাইরে নয়। আমরা দেখি আসহাবে কাহফের সঙ্গী হয়েছে একটি কুকুর। একটি তেজস্বী কালো ঘোড়া, বলবান মহিষ কিংবা বনের রাজা সিংহও তো তাঁদের সঙ্গী হতে পারতো। হলো না। কেন?

সম্প্রতি জনাব সাদেক মিয়ানমারের একটি গ্রাম থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তার সাথের পোষা কুকুরটিও না খেয়ে দীর্ঘ পথ মাড়িয়ে এসেছে।

বার্মার বর্বর সৈন্যরা যখন তাদের আক্রমন করে, সাদেকের পাহারাদার কুকুরটি তেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু গুলির সামনে একটি কুকুর কিই বা করতে পারে। নাফ নদীর পারে তারা পাঁচদিন বসে ছিল। এতটুকু পখ কুকুরটি তাদের সাথেই হেঁটে হেঁটে এসেছে। ট্রলারে উঠে তারা যখন শাহপরীর দ্বীপ রওনা হয়েছেন, কুকুরটি পাড়ে ডাকাডাকি শুরু করেছে। অবশেষে নদীর স্রোত ঠেলে একাই সাঁতড়ানো শুরু করেছে। শেষে ট্রলার ঘুরিয়ে এনে বাড়তি একজন যাত্রীর ভাড়া দেয়ার শর্তে ‍কুকুরটিকে দেশে নিয়ে আসা হয়েছে। আমার আসহাবে কাহফের কুকুরটির কথা খুব মনে পড়ছে। মাওলানা রুমি বলেছেন,

شد سر شیران عالم جمله پست ** چون سگ اصحاب را دادند دست‌‌

বিশ্বে যখন বাঘ-সিংহের মাথা হেঁট হলো, তখন আসহাবে কুকুর ভাগ্যে এগিয়ে গেলো

ঘৃণ্য আকৃতির জন্য আসহাবে কাহফের কুকুরের আর কি ক্ষতি, যখন তার আত্মা ডুবে আছে নুরের সমুদ্রে।

হাচিকো নামের একটি কুকুর ছিল জাপানের এক প্রফেসরের। একদিন প্রেন স্টেশনে হাচিকোকে বিদায় জানিয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি। আসলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে হার্ট এটাক করে মারা গিয়েছিলেন। পরবর্তী নয়টি বছর ঝড়বৃষ্টি সব উপেক্ষা করে হাচিকো তার মালিকের অপেক্ষা করেছে- শিবুয়া স্টেশনে। একদিন সেখানেই প্রাণত্যাগ করেছে।

আরেকটি কুকুর ছিল অস্ট্রেলিয়ার রেড ডগ। তার মালিক মারা যাওয়ার পর তার খোঁজে সে পুরো অস্ট্রেলিয়ার উপকূল চষে ফেলেছিল। এমন উদাহরণ ভুরি ভুরি আছে। আমরা কতটুকু শিক্ষা নেই, সেটাই হলো কথা।

শিবলিকে বলা হয়েছিল, আপনি তাসাউফ শিখলেন কিভাবে? তিনি বললেন, আমি এক রাতে দেখেছিলাম একটি কুকুর মনিবের দরজার সামনে বসে আছে। মনিব বারবার তাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে। সে আবারও এসে বসছে। আমি বললাম, কুকুরকি কি নির্লজ্জ। তখন কুকুরটি বলে উঠল, আমি কোথায় যাবো? সে যে আমার মনিব!’

আশ্চর্যের বিষয় হলো যুন-নূন তাসাউফের সংজ্ঞায় বলেছেন, আল ইনাখাতু ইলা বাবিল হাবিব, ওয়া ইন তুরিদা আনহু অর্থাৎ তাড়িয়ে দেয়া হলেও প্রেমাষ্পদের দরজায় পড়ে থাকা। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ ছাড়া বর্তমানে কুকুর ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় কি?

আসলে আল্লাহ যা বানিয়েছেন, সবকিছুতেই বিরাট প্রজ্ঞা আছে, আমরা বুঝি আর না বুঝি।

ছবি: শরণার্থীদের সাথে আসা সেই কুকুরটি।

#উক্তি #মানবতা #শিক্ষা #ভালোবাসা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,  আমরা কার্ড নিয়ে কি করব যদি জীবনের নিরাপত্তা না থাকে।  স্বাভাবিক চলাচলে চাদাবাজদের চাদা দিতে হবে...
30/05/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

আমরা কার্ড নিয়ে কি করব যদি জীবনের নিরাপত্তা না থাকে।
স্বাভাবিক চলাচলে চাদাবাজদের চাদা দিতে হবে।
আপনি লক্ষ্য করুন — আপনার মন্ত্রিসভার সবচেয়ে দামি ব্যক্তিও এখন ভুয়া স্লোগান শুনছে।
মাত্র ৫ মাসে এই অবস্থা হলে ৫ বছরে কীভাবে দেশ চালাবেন?

#নিরাপত্তাপ্রথমে #জবাবদিহিতা #শোভানয়_দায়িত্ব

২০০১ সালে ঢাকার নয়া বাজার কুরবানির পশুর হাটে এই গরুটির দাম হাঁকানো হয় এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা, কিন্তু দু:খ জনক ভাবে গরু...
27/05/2026

২০০১ সালে ঢাকার নয়া বাজার কুরবানির পশুর হাটে এই গরুটির দাম হাঁকানো হয় এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা, কিন্তু দু:খ জনক ভাবে গরুটি বিক্রি হয়নি!



কারন এতো দামে এই গরু কেউ কিনতে পারেনি।

ঠিক ২৫ বছর পর ২০২৬ সালে এসে মানুষ ৩০- ৫০ লাখ টাকা দামের গরুও কুরবানী দিচ্ছে।

তাহলে কি মানুষ এই ২৫-বছরে ব্যাপক স্বাবলম্বি হয়েছে?

ব্যাপক উন্নতি করেছে?

আমি বলবো না!!

এই ২৫ বছরে কিছু মানুষ বিবেক ও সততাকে বিসর্জন দিয়েছে, শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি অংশ প্রতারনা করছে।

রাজনীতি দুর্নীতিবাজদের হাতে চলে গেছে।

শিক্ষক সমাজ শিক্ষার নামে ব্যবসায় নেমেছে।

অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনের প্রবনতা বেড়ে গেছে,

চিকিৎসক দের অধিকাংশই অমানবিক ধান্ধাবাজ হয়ে গেছে। অপারেশন থিয়েটারে রুগী ডুকিয়ে বাহিরে অপেক্ষায় থাকা রুগীর আত্মীয় স্বজনদের ভয়ভিতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

২৫ বছর আগে মানুষ সৎ ছিলো তাই দেড় লাখ টাকা দামের গরু কুরবানি দিতে পারেনি!

আর এখন ৩০ লাখ টাকা দামের গরু লোক দেখানো জবাই! কিন্তু গরীবের কপালে আধা কেজি মাংস জুটে না 💔

অমৃত বানী -
26/05/2026

অমৃত বানী -

দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলোর একটি – Cox’s Bazarঅনেকে ভাবে এখানে গাইডের দরকার নেই। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন— শুধু সুগন...
21/05/2026

দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলোর একটি – Cox’s Bazar

অনেকে ভাবে এখানে গাইডের দরকার নেই। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন—

শুধু সুগন্ধা আর কলাতলি দেখে কি আপনি সত্যিই Cox’s Bazar-এর আসল স্বাদ পেয়েছেন?

অটো ভাড়া আর অচেনা হোটেলের কারণে কত টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে, অথচ আনন্দটা পাচ্ছেন না?

✅ কেন আমার সাথে ভ্রমণ করবেন?
🚗 পার্সোনাল কার সার্ভিস: Cox থেকে Teknaf পর্যন্ত পুরো ভ্রমণ আমি নিজে করাবো।

🏨 হোটেল বুকিং নিশ্চয়তা: বাজেট অনুযায়ী সেরা হোটেল/রিসোর্ট আমি ঠিক করে দেবো।

🌍 ফুল প্যাকেজ ট্যুর: গাড়ির টেনশন নেই, হোটেলের ঝামেলা নেই—সব একসাথে এক প্যাকেজে।

👨‍👩‍👧‍👦 Solo বা ছোট পরিবার: সবার জন্য কাস্টমাইজড প্ল্যান।

💡 Cox’s Bazar শুধু সমুদ্র নয়, পাহাড়, মেরিন ড্রাইভ, ইনানী, হিমছড়ি থেকে শুরু করে Teknaf পর্যন্ত বিস্তৃত এক অভিজ্ঞতা। আর সেই অভিজ্ঞতাকে আমি করে দেবো নির্ঝঞ্ঝাট ও স্মরণীয়।

📩 আজই যোগাযোগ করুন, আপনার ভ্রমণকে করুন একদম Authentic এবং আনন্দময়।

নয় মাসের ছোট্ট গ্রেট মিলার ৭ নভেম্বর ১৯১৭ সালে কেন্টাকির অ্যাপালাচিয়ান পাহাড়ের এক নির্জন কাঠের কেবিনে তার মায়ের নিথর...
21/05/2026

নয় মাসের ছোট্ট গ্রেট মিলার ৭ নভেম্বর ১৯১৭ সালে কেন্টাকির অ্যাপালাচিয়ান পাহাড়ের এক নির্জন কাঠের কেবিনে তার মায়ের নিথর দেহের পাশে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।

গ্রেট টানা তিন দিন তার মায়ের মৃতদেহের সঙ্গে একা ছিল—তিন দিন ধরে সে বারবার তার মৃত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ার চেষ্টা করেছিল, কাঁদতে কাঁদতে তার গলা বসে গিয়েছিল, আর শেষে চুপ করে মায়ের ঠান্ডা শরীর জড়িয়ে শুয়ে পড়েছিল… যেন মৃত্যুর অপেক্ষায়।

যখন এক প্রতিবেশী পরিবারের খোঁজ নিতে এসে পৌঁছান, তিনি দেখেন গ্রেট তার মায়ের নিথর দেহের সঙ্গে লেগে আছে—ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণায় দুর্বল, কিন্তু এখনও জীবিত। পরে সেই প্রতিবেশী বলেন, জীবনে দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ দৃশ্য ছিল সেটি। যখন তিনি শিশুটিকে কোলে তোলেন, সে কাঁদতেও পারেনি—শুধু একটুকরো ক্ষীণ গোঙানি বেরিয়েছিল, যেন আহত কোনো প্রাণীর শব্দ… এমন এক শিশুর কণ্ঠ, যার অশ্রু আর আশা—দুটোই যেন শেষ হয়ে গেছে।

গ্রেটের মা র‍্যাচেল মিলার মাত্র উনিশ বছরের ছিলেন। তিনিও ছিলেন এক বাল্যবধূ—তেরো বছর বয়সে তার বিয়ে হয়েছিল। স্বামী তাকে গর্ভবতী অবস্থায় ছেড়ে চলে গিয়েছিল, আর তিনি সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী থেকে ষোলো মাইল দূরের এক কেবিনে একাই থাকতেন।

৪ নভেম্বর ১৯১৭ সালে গর্ভপাতজনিত জটিলতায় র‍্যাচেলের মৃত্যু হয়। কেবিনে তিনি একাই ছিলেন—ত্রিশ মাইলের মধ্যে কোনো ডাক্তার ছিল না। তার নয় মাসের মেয়ে গ্রেট তার চোখের সামনে মাকে রক্তক্ষরণে মারা যেতে দেখছিল।
মরার আগে র‍্যাচেল শেষবারের মতো নিজের মেয়েকে দুধ খাইয়েছিলেন। মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও তিনি নিজের শিশুকে বুকে আগলে রেখেছিলেন এবং যা কিছু তার কাছে অবশিষ্ট ছিল, সবটুকুই তাকে দিয়ে গিয়েছিলেন।

মায়ের মৃত্যুর পর গ্রেট তিন দিন তার মৃতদেহের পাশে শুয়ে ছিল—বারবার দুধ খাওয়ার চেষ্টা করত, কাঁদত, বুঝতে পারত না কেন মা উঠছে না, কেন তাকে কোলে নিচ্ছে না।

যে প্রতিবেশী গ্রেটকে খুঁজে পান, তার নাম ছিল থমাস ওয়েব। তিনি শিশুটিকে তুলে নেন—সে এতটাই দুর্বল ছিল যে ঠিকমতো কাঁদতেও পারছিল না। থমাস তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। তার স্ত্রী মার্থা তাকে স্নান করান, পানি পান করান এবং খেতে দেন। গ্রেট পানি এমনভাবে পান করেছিল যেন তৃষ্ণায় মরতে বসেছে—আর সত্যিই সে মৃত্যুর খুব কাছাকাছি ছিল। এরপর সে টানা ষোল ঘণ্টা ঘুমিয়েছিল।

থমাস ও মার্থা ওয়েব গ্রেটকে লালন-পালন করেন। গ্রেট ২০০৩ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন এবং ৮৬ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।
সেই ঘটনার কোনো স্মৃতি তার ছিল না—সে তখন খুব ছোট ছিল। কিন্তু সম্প্রদায়ে তার গল্প বারবার বলা হতো—নয় মাসের এক শিশু, যে তিন দিন ধরে নিজের মৃত মায়ের পাশে পড়ে ছিল।

১৯৮৫ সালে, যখন গ্রেটের বয়স ৬৮, এক ইতিহাসবিদ তার সাক্ষাৎকার নেন। তিনি বলেন: “আমি আমার মাকে মনে করতে পারি না। আমি নয় মাসের ছিলাম যখন তিনি মারা যান। মানুষ আমাকে বলে, আমি তিন দিন তার মৃতদেহের পাশে পড়ে ছিলাম, দুধ খাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। মানুষ বলে, আমার বেঁচে যাওয়া এক অলৌকিক ঘটনা। কিন্তু আমি বেঁচে গিয়েছিলাম কারণ আমার মা মারা যাওয়ার আগে শেষবার আমাকে দুধ খাইয়েছিলেন। তিনি তার সবকিছু আমাকে দিয়ে গিয়েছিলেন।

আমার মা উনিশ বছরের ছিলেন। তিনি একা মারা গিয়েছিলেন। রক্তক্ষরণ চলছিল। তার শেষ চিন্তা ছিল তার শিশুকে খাওয়ানো।

আমি ছিয়াশি বছর বেঁচে ছিলাম—কারণ আমার মায়ের শেষ কাজ ছিল আমাকে দুধ খাওয়ানো। আমার জীবনের প্রতিটি দিন আমার মায়ের শেষ নিঃশ্বাসের উপহার।

আমি তাকে কখনও চিনিনি। কিন্তু আমি জানি তিনি আমার জন্য কী করেছিলেন। এটাই ভালোবাসা। এটাই মায়ের প্রেম—যখন মৃত্যু সামনে দাঁড়িয়ে, আর দেওয়ার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই… তবু নিজের শিশুকে শেষবারের মতো খাইয়ে দেওয়া।”

#রহস্যময়_কাহিনি #মায়ের_ভালোবাসা #উক্তি

শিশুদের নিরাপত্তা বনাম কার্ডের রাজনীতিআমরা বারবার দেখছি—কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, নানা ধরনের কার্ডের রাজনীতি। অথচ সবচে...
20/05/2026

শিশুদের নিরাপত্তা বনাম কার্ডের রাজনীতি

আমরা বারবার দেখছি—কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, নানা ধরনের কার্ডের রাজনীতি। অথচ সবচেয়ে জরুরি বিষয়, আমাদের সন্তানের নিরাপত্তা, থেকে যাচ্ছে উপেক্ষিত।

শিশুরা আজ মাদক আর ধর্ষণের ভয়ঙ্কর ছায়ায় বড় হচ্ছে। অপরাধীরা ধরা পড়লেও, জামিনের নাটক চলতেই থাকে। প্রশ্ন জাগে—যদি অপরাধীকে আবার ছেড়ে দিতে হয়, তবে ধরার মানে কী?

এই সমাজে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা। মাদক ও ধর্ষণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে, আমাদের আগামী প্রজন্ম ধ্বংসের পথে যাবে।

জনগণের দাবি
শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

ধর্ষণ ও মাদকের আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তি

জামিনের নাটক বন্ধ করা

অপরাধীদের প্রতি শূন্য সহনশীলতা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমরা কার্ডের রাজনীতি চাই না। আমরা চাই আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা।
এটাই জনগণের দাবি, এটাই মানবতার আহ্বান।

#শিশুরনিরাপত্তা #মাদকমুক্তসমাজ #জনচাপ #মানবতা #কঠোর_ব্যবস্থা #উক্তি #গণতন্ত্র

একজন মাকে হত্যা করা মানে মানবতার মৃত্যু।স্বৈরাচার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে, কিন্তু সহিংসতা সরাসরি মানুষের জীবন কেড়ে নেয়।আজ...
17/05/2026

একজন মাকে হত্যা করা মানে মানবতার মৃত্যু।

স্বৈরাচার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে, কিন্তু সহিংসতা সরাসরি মানুষের জীবন কেড়ে নেয়।
আজ উখিয়ায় একজন মা ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন—এটা কোনো দলের জয় নয়, এটা আমাদের সমাজের পরাজয়।

যারা একজন মাকে মেরে ফেলে তারা কখনোই ভালো নয়।
মানবতার মৃত্যু কোনো রাজনৈতিক যুক্তি দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না।
গণতন্ত্র হারালে স্বাধীনতা হারাই, কিন্তু মানবিকতা হারালে মানুষ হওয়ার অধিকারই হারাই।

প্রশ্ন: যে দল মানুষ মারে তারা ভালো, নাকি যারা স্বৈরাচারী শাসক তারা ভালো?

শেষ লাইন:
আমরা হলাম হতভাগা বাঙালি—আমাদের সামনে থাকে শুধু দুইটা বিকল্প: একটা মানুষ মারার দল, আরেকটা স্বৈরাচারী শাসক।

#মানবতা #গণতন্ত্র #সহিংসতা #বাংলাদেশ #শিক্ষা

15/05/2026

"স্বপ্নে খোঁজা মানুষ সবসময় কাছে আসে না। কিন্তু জীবনের পাঠ শেখায়—যে আছে তাকেই ভালোবাসতে হয়।"

#হারানোস্বপ্ন #বাস্তবতারপাঠ #ভালোবাসাযাকেপাওয়াযায় #শূন্যতারশিক্ষা #জীবনেরসত্য #মানুষখোঁজেমানুষ #ভালোবাসাশিখি #বাস্তবতা_গ্রহণ #উক্তি

নেপালের বালেন শাহ বয়স মাত্র ত্রিশের কোঠায়। কিন্তু সাহসটা দেখেন, সেটা বয়স মানে না।ভারতের মতো আঞ্চলিক পরাশক্তি যে দেশকে অন...
12/05/2026

নেপালের বালেন শাহ বয়স মাত্র ত্রিশের কোঠায়। কিন্তু সাহসটা দেখেন, সেটা বয়স মানে না।

ভারতের মতো আঞ্চলিক পরাশক্তি যে দেশকে অনেকেই সমীহ করে কথা বলে- সেই দেশের সামনেই বিন্দুমাত্র দ্বিধা না রেখে ‘না’ বলতে পেরেছেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব কাঠমান্ডুতে এলেন, কিন্তু বৈঠক না করেই ফিরে যেতে হলো। কারণ বালেন শাহ স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন, “ ভারতের কোন সচিব পর্যায়ের প্রতিনিধির সাথে আলোচনা আমার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রধানমন্ত্রী-টু-প্রধানমন্ত্রী কথা হবে। আলোচনা করতে চাইলে নরেন্দ্র মোদীকেই আসতে হবে।”

আর এখানে বাংলাদেশ হলে, সরকার থেকে শুরু করে সবাই পা/গ/ল হয়ে যেত সচিবের সাথে দেখা করতে,,,

এটা শুধু একটি ‘না’ নয়। এটা একটি দৃঢ় অবস্থান। একটি ছোট দেশ, কিন্তু আত্মসম্মানে বড়। এটাই দেখিয়ে দিল নেপাল।

যে নেপালকে একসময় চাপে ফেলে হাটু গেড়ে বসানো যেত, আজ সেই নেপাল চোখে চোখ রেখে বলে “সম্মান দিলে সম্মান পাবেন, নয়তো নয়।”

#উক্তি

Address

Cox's Bazar
Cox's Bazar
4761

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alokito Alo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category