Sabr Hajj and Umrah- Cumilla

Sabr Hajj and Umrah- Cumilla Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sabr Hajj and Umrah- Cumilla, Travel Company, Jhawtola, Cumilla.

আগামীকাল ইনশা-আল্লাহ
17/06/2026

আগামীকাল ইনশা-আল্লাহ

14/06/2026

“স্ত্রীর সম্পদের মধ্যে রয়েছে রোগমুক্তি!”

এক ব্যক্তি আলী ইবনু আবী ত্বলিব (রা.)-এর কাছে এসে বলল, আমার পেটে তীব্র ব্যথা হচ্ছে। তখন আলী (রা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি স্ত্রী আছে? সে বলল, হ্যাঁ। আলী (রা.) বললেন, যাও, তার কাছে গিয়ে তার সন্তুষ্টচিত্তে কিছু টাকা চেয়ে নাও। তারপর তা দিয়ে মধু কেনো এবং তার সাথে বৃষ্টির পানি মিশিয়ে পান করো।
কারণ মহান আল্লাহ তাঁর কিতাবে স্ত্রীর সম্পদের ব্যাপারে বলেন,

"আর তারা (স্ত্রীরা) যদি স্বতঃস্ফূর্ত মনে তোমাদেরকে তার (সম্পদের) কিছু অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা স্বাচ্ছন্দ ও তৃপ্তির সঙ্গে গ্রহণ করো।"
(সূরা আন-নিসা: ৪)

আর মধু সম্পর্কে বলেছেন:
"তার (মৌমাছির) পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় বের হয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে আরোগ্য।"
(সূরা আন-নাহল: ৬৯)

এবং বৃষ্টির পানি সম্পর্কে বলেছেন:
"আর আমি (আল্লাহ) আকাশ থেকে বরকতময় পানি বর্ষণ করেছি।" (সূরা ক্বাফ: ৯)

সুতরাং, যখন একাধারে বরকত, আরোগ্য এবং স্বাচ্ছন্দ্য ও তৃপ্তি একসাথে তোমার মধ্যে জমা হবে, তখন ইনশাআল্লাহ তুমি অবশ্যই অসুস্থতা থেকে আরোগ্য লাভ করবে।

(বর্ণনাকারী বলেন) অত:পর লোকটি গিয়ে তাই করল, এবং আল্লাহর ইচ্ছায় সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেল।
أن رجلاً جاء إلى علي رضي الله عنه: فقال: إن في بطني وجعاً، فقال له عليٌّ: ألك زوجة؟ قال: نعم،
‏قال: اذهب فاستوهب منها شيئاً من مالها طيِّبة به نفسُها، ثم اشتر به عسلاً، ثم اسكبْ عليه من ماء السماء، ثم اشربْه، فإن الله تعالى يقول في كتابه
‏في مال الزوجة: ‏{فإن طبن لكم عن شيء منه نفسا فكلوه هنيئا مريئا}
ويقول في العسل: {يخرج من بطونها شراب مختلف ألوانه فيه شفاء للناس}
ويقول في المطر:‏ {ونزلنا من السماء ماء مباركا}
فإذا اجتمعت البركة والشفاء والهنيِّ والمريِّ شُفيتَ إن شاء الله. فذهب الرجل ففعل ذلك فشُفي

📚 তাফসীরে রুহুল মা'আনি - ইমাম আলুসী (৪/২০০ পৃষ্ঠা)

সীরাতে ইবনে হিশাম' পড়ে কেঁদেছিলাম। আংটি পড়ে যাওয়ার অজুহাতে একজন সাহাবী রাসুল ﷺ এর কবরে দ্বিতীয়বার নেমেছিলেন। সর্বশেষ...
07/06/2026

সীরাতে ইবনে হিশাম' পড়ে কেঁদেছিলাম। আংটি পড়ে যাওয়ার অজুহাতে একজন সাহাবী রাসুল ﷺ এর কবরে দ্বিতীয়বার নেমেছিলেন। সর্বশেষ বিদায় নিয়েছিলেন তাঁর কাছ থেকে। এই ঘটনা পড়ে কেঁদেছিলাম।
একদিন মা আয়েশা (রাঃ) রাসূল ﷺ এর সাথে ছিলেন। রাসূল ﷺ কে বেশ উৎফুল্ল দেখে হযরত আয়েশা (রাঃ) বললেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।'
রাসূল ﷺ আয়েশা রা.-এর জন্য দোয়া করলেন। "হে আল্লাহ! আয়েশাকে মাফ করে দাও। তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দাও, তার আগামীর গুনাহ মাফ করে দাও, তার গোপনে করা গুনাহ মাফ করে দাও, তার প্রকাশ্যে করা গুনাহও মাফ করে দাও।"
রাসূল ﷺ এর দোয়া শুনে হযরত আয়েশা (রাঃ) হাসলেন। রাসূল ﷺ আয়েশাকে জিজ্ঞেস করলেন, 'আমার এই দোয়া কি তোমাকে আনন্দিত করেছে?'
হযরত আয়েশা রা. বললেন, 'কি করে এমন দোয়া কাউকে সন্তুষ্ট করতে না পারে!'
আমাদের প্রিয় নবী হযরত আয়েশা রা.কে বললেন, 'আল্লাহর কসম! আমি আমার উম্মতের জন্য আমার প্রতিটি নামাজে এই একই দোয়া করি।'
যে দোয়া রাসূল ﷺ উনার প্রিয়তম স্ত্রীর জন্য করেছেন, সেই একই দোয়া প্রতি নামাজে তিনি তাঁর উম্মতের জন্য করেছেন, আপনার জন্য, আমার জন্য করেছেন। তিনি আমাদের রাসূল ﷺ।
একদিন চলার পথে রাসূল ﷺ কেঁদে উঠলেন। সাহাবারা কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, 'আমি আমার ভাইদের জন্য কাঁদছি।' সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই?'
রাসূল ﷺ বললেন, 'তোমরা তো আমার সাথী। আমার ভাই হল তারা, যারা আমার পরে আসবে আর আমাকে না দেখেই আমার উপর ঈমান আনবে।'
রাসূল ﷺ আমার জন্য আপনার জন্য কেঁদেছেন, আমাদেরকে মিস করেছেন, আমরা এই দুনিয়াতে আসার আগেই। আমরা কতোটুকু মিস করি প্রিয় নবীজীকে? কেঁদেছি ক'ফোটা চোখের জল ফেলে? যে নবী আমাদের জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজে দোয়া করতেন, সেই নবীর নামে আমরা দিনে ক'বার দরুদ পড়ি? ভালোবেসে তার সুন্নাহ নিজের জীবনে কতোটা পালন করি?
রাসূল ﷺ একটি গাছে হেলান দিয়ে খুতবাহ দিতেন, তখনও মিম্বার তৈরি হয়নি। মিম্বর তৈরি হলে পরের সপ্তাহে রাসূল ﷺ যখন মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিচ্ছিলেন, সাহাবারা বলেন, গাছের ভেতর থেকে শিশুর মত অঝোরে কান্না তারা শুনতে পেয়েছেন। একটি গাছও রাসূল ﷺ কে মিস করেছে, তার জন্য চোখের পানি ফেলেছে।
রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আর আযান দিতে পারেন নি। এরপর একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মদীনা ছেড়েই চলে গিয়েছিলেন। একদিন তিনি রাসূল ﷺ কে স্বপ্নে দেখলেন।
রাসূল ﷺ হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলছেন, "এতদিনেও কি তোমার সময় হয়নি আমার রওজায় আসার?"
ছয় বছর পর কোন একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মদীনায় সবাই আযান দিতে অনুরোধ করলেন। কিন্তু তিনি মনঃস্থির করেছেন, রাসূলের জন্য যে আযান দিতেন তা আর কোনদিন কারো জন্য দিবেন না। শেষে হযরত উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর অনুরোধে হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আযান দেওয়া শুরু করলেন। সেই আযান, সেই মধুময় সময়, রাসূলুল্লাহর স্মৃতি সব একসাথে ভেসে আসা শুরু করল। কিছুক্ষণের জন্য মানুষ মনে করল, রাসূল ﷺ আবার ফিরে এসেছেন, মদীনার ঘর থেকে সবাই বেরিয়ে আসা শুরু করল, হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আযানে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহর জায়গায় এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন, পুরো মদীনা জুড়ে হু হু কান্নার শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যায়নি।
শেষ কবে আমরা আমাদের প্রিয় নবীজীর জন্য কেঁদেছি?
কবে? কবে?? কবে???

লেখা : শায়খ মুখতার আহমেদ

#সীরাহ

কুয়েট সেন্ট্রাল মসজিদের খতিব মাগরিবের নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার সময় আটকে গেলেন। “مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ” বলার পর আর আগাতে...
07/06/2026

কুয়েট সেন্ট্রাল মসজিদের খতিব মাগরিবের নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার সময় আটকে গেলেন। “مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ” বলার পর আর আগাতে পারছেন না। তার কান্নার দমক থামছে না।
হঠাৎ সুফিয়ান আস সাওরী (রহঃ) এর কথা মনে পড়ল। তাঁর ও একই অবস্থা হয়েছিল। কোন এক মাগরিবের নামাযে তিনি إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ বলার পর আর আগাতে পারছিলেন না। “আমরা কেবল তোমার ইবাদত করি, আর তোমার সাহায্য প্রার্থনা করি”- নামাযে বলা এই লাইনটার সাথে তিনি তাঁর বাস্তব জীবনকে মিলাতে পারছিলেন না। আমি কোন আম-জনতার কথা বলছি না। বলছি সুফিয়ান আস সাওরী(রহঃ) এর কথা ! যিনি যদি কারো সামনে হক্ক কথা বলতে না পারতেন, তবে তার যন্ত্রণায় রক্ত-প্রসাব করতেন।
সূরা ফাতিহা তো আমিও পড়ি। কম করে হলেও দিনে ১৭ বার। ২২ বছর হয়ে গেল। কই কোনদিন তো চোখে পানি আসেনি, কান্নার দমকে থমকে যাইনি । প্রথমে ভাবতাম আরবী না জানার কারণে হয়তো এমনটা হয়েছে। এখন তো ছোট ছোট সূরার আরবী বললে সরাসরি বুঝতে পারি। তাও তো সেই আগের মতই অবস্থা!
কে জানি বলল “পড়ো” বইটাতে খুব সুন্দর করে সূরা ফাতিহার অর্থ বুঝানো হয়েছে। মন দিয়ে পড়লাম। কিন্তু অবস্থার উন্নতি নেই। অথচ আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুর’আনে বলে দিয়েছেন,
“যদি আমি এই কোরআন পাহাড়ের উপর অবতীর্ণ করতাম, তবে তুমি দেখতে যে, পাহাড় বিনীত হয়ে আল্লাহ তা’আলার ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গেছে।”[৫৯;২১]
যে কুর’আনের ভয়ে পাহাড় বিদীর্ণ হয়ে যেত, সেই একই কুর’আন আমাদের হৃদয়কে একটুও নাড়া দেয় না। একটিবারের জন্যও থমকে যাই না। অন্তরটা কি পাহাড়ের চেয়েও শক্ত হয়ে গেছে?
কিন্তু কেন?
উত্তরটা দিয়েছেন ইমাম ইবনুল কায়্যিম আল জাওযিয়্যাহ (রহঃ), তাঁর বিখ্যাত পত্র “আল জওয়াব আল-কাফি” তে। আর আমার ধারণা একটু চিন্তা করলে আমরা নিজেরাও এর উত্তর পাব। জানেন এটা কিসের ফলাফল?
এটা আমাদের পাপের ফলাফল।
“বরং তাদের অন্তরে রন ( পাপ ও কুকর্মের কারণে আস্তরণ) পড়েছে তাদের কৃতকর্মের ফলস্বরূপ”। [৮৩;১৪]

© Shihab Ahmed Tuhin

মদিনার হারীজ মার্কেটে সেকেন্ড হ্যান্ড জিনিসপত্র 💵🇸🇦
03/06/2026

মদিনার হারীজ মার্কেটে সেকেন্ড হ্যান্ড জিনিসপত্র 💵🇸🇦

01/06/2026

হাতীমকে বলো: “আবার দেখা হবে”, “এটাই বিদায়” বলো না।
কারণ বিদায়ের সঙ্গে থাকে এমন অশ্রু, যা লুকানো যায় না;
আর থাকে এমন আকুলতা, যা কখনো শেষ হয় না।

বলো: “আমি আবার ফিরে আসব—তাওয়াফকারী ও তালবিয়া পাঠকারী হয়ে।”
কারণ এই ঘরের কাছে হৃদয় বন্দী হয়ে থাকে এক অবিরাম আকাঙ্ক্ষায়,
আর এমন এক আত্মা, যা এর প্রাঙ্গণের সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে যায় যে বিচ্ছেদ সহ্য করতে পারে না।

দেখো, হাজীরা এখন বিদায়ী তাওয়াফ আদায় করছেন—
এটি হজের শেষ আমল, আর হৃদয়ের জন্য সবচেয়ে ভারী মুহূর্ত।

তারা কাবাঘরকে কেন্দ্র করে তাওয়াফ করছেন এমন পায়ে, যা ফিরে যাওয়ার পথে;
কিন্তু এমন হৃদয় নিয়ে, যা এখানেই রয়ে যেতে চায়।
তাদের চোখ অশ্রুসজল, এই আশায় যে আবার খুব শিগগিরই সাক্ষাৎ হবে।

হে আল্লাহ!
এটিকে যেন আপনার পবিত্র ঘরের সঙ্গে তাদের শেষ সাক্ষাৎ না বানান।
তাদের জন্য বারবার ফিরে আসার সৌভাগ্য লিখে দিন, বহু বছর ধরে।

তাদের হজে বরকত দান করুন,
একে হজে মাবরুর (কবুলকৃত হজ) বানিয়ে দিন,
তাদের সাঈকে মাশকুর (গৃহীত) করুন,
তাদের গুনাহ ক্ষমা করুন,
এবং তাদের জন্য এমন এক ব্যবসা দান করুন, যা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

হে আল্লাহ!
আমাদেরকেও এবং তাদেরকেও বারবার আপনার পবিত্র ঘরে ফিরে আসার তাওফিক দিন।
আর আপনার ঘরের প্রতি এই আকুলতাকে এমন এক পথ বানিয়ে দিন,
যা আমাদেরকে আপনার রহমত ও সন্তুষ্টির দিকে পৌঁছে দেয়।

েতনতা
#হজের_আদব
#হজে_মাবরুর

31/05/2026

Safa - Marowa

এক সুদানি হাজি সাহেব বলেন, হজ্জের সময় একদিন প্রচণ্ড গরম পড়েছিল। আমি শয়তানকে পাথর মারতে গিয়ে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। অদ...
30/05/2026

এক সুদানি হাজি সাহেব বলেন, হজ্জের সময় একদিন প্রচণ্ড গরম পড়েছিল। আমি শয়তানকে পাথর মারতে গিয়ে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।

অদূরেই একটা ঘর দেখতে পেলাম যেটা থেকে ঠান্ডা বাতাস বের হচ্ছিলো; সমস্যা হলো ঘরটিকে পুলিশ পাহারা দিচ্ছিল।

আমি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘরটিতে ঢুকে পড়ি। দেখি, আরও কিছু হাজী ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। আমিও তাদের সঙ্গে শুয়ে পড়লাম; আর মুহুর্তের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়লাম।

ঘণ্টা দুই পর ঠাণ্ডায় আমার ঘুম ভেঙে গেলে বাইরে বের হলাম।

কিন্তু আমাকে দেখে পাহারায় থাকা একজন পুলিশ আশ্চর্য হয়ে দৌড় দিলো। আমি আরও বেশি আশ্চর্য হয়ে হয়ে ভাবছিলাম পুলিশটা আমাকে দেখে দৌড় দিলো কেন!

তারপর অনুসন্ধিৎসু মনে বিশ্রাম নেওয়ার ঘরটির দিকে তাকিয়ে দেখি, সেখানে লেখা—
“মৃতদেহ সংরক্ষণের হিমাগার (মর্গ)”।

এটা দেখে আমিও ভয় পেয়ে দ্রুত সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে এলাম।

(সংগৃহিত, রেফারেন্স জানা নেই, তবে শিক্ষণীয়। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের মনের অবস্থানের কারণেই কিছু বিষয় মানুষের কাছে ভীতিকর বা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়, কিন্তু মেনে নিতে পারলে, বা ভয় না পেলে সেখানে আসলে ভয়ের কিছু নেই)

হজ মকবুল (কবুল হওয়া হজ) হয়েছে কিনা—এর নিশ্চিত খবর আল্লাহই ভালো জানেন। তবে ইসলামী আলেমরা কুরআন-হাদিসের আলোকে কিছু লক্ষণ...
29/05/2026

হজ মকবুল (কবুল হওয়া হজ) হয়েছে কিনা—এর নিশ্চিত খবর আল্লাহই ভালো জানেন। তবে ইসলামী আলেমরা কুরআন-হাদিসের আলোকে কিছু লক্ষণের কথা বলেছেন, যেগুলো একজন হাজির জীবনে দেখা গেলে আশা করা যায় যে তার হজ কবুল হয়েছে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো—
নামাজ, কুরআন ও ইবাদতের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাওয়া
আগে যেটা কষ্ট মনে হতো, এখন সেটা শান্তি লাগে। ফরজ ইবাদতে যত্ন বাড়ে।
গুনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা
মিথ্যা, গীবত, হারাম উপার্জন, অন্যায় সম্পর্ক—এসব থেকে অন্তরে ভয় তৈরি হয়।
আখলাক বা চরিত্রের উন্নতি
রাগ কমে, ধৈর্য বাড়ে, মানুষকে ক্ষমা করতে পারে, অহংকার কমে যায়।
মানুষের হক আদায়ে সচেতন হওয়া
পরিবার, প্রতিবেশী, কর্মচারী—সবার সাথে আচরণ ভালো হয়।
দুনিয়ার চেয়ে আখিরাতের চিন্তা বৃদ্ধি
মৃত্যু, হিসাব, জান্নাত-জাহান্নামের কথা বেশি মনে আসে।
নেক কাজের ধারাবাহিকতা
হজের পর কিছুদিন নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে ভালো আমল চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা থাকে।
খারাপ সঙ্গ ও পরিবেশ এড়িয়ে চলা
আল্লাহভীরু মানুষদের সঙ্গ পছন্দ হতে থাকে।
হাদিসে এসেছে, কবুল হজের প্রতিদান জান্নাত। আর মকবুল হজের অন্যতম আলামত হলো—মানুষ হজ থেকে ফিরে আগের চেয়ে ভালো মানুষ হয়ে যায়।
তবে একটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ:
হজ করে এসে যদি কেউ মনে করে “আমার হজ নিশ্চিত কবুল”—এমন আত্মতুষ্টি ঠিক নয়। আবার “আমার কিছুই হয়নি” বলে হতাশ হওয়াও ঠিক নয়। একজন মুমিন আশা ও ভয়ের মাঝামাঝি থাকে—আল্লাহর রহমতের আশা করে, আবার নিজের আমল নিয়ে বিনয়ী থাকে।
আল্লাহ তাআলা সবাইকে হজ মকবুল নসিব করুন।

29/05/2026

ইয়া রব্বি, বারবার তোমার ঘরে আসতে চাই।

Address

Jhawtola
Cumilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sabr Hajj and Umrah- Cumilla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category