02/07/2026
ইউনূস বলছে, সংখ্যাটা কিন্তু ১৫০০ !
ইউএন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং আরও একশ কমিয়ে জুলাই শহীদের সংখ্যা নির্ধারণ করেছে ১৪০০ !
বাংলাদেশ সরকারের গেজেট অনুযায়ী , সেই সংখ্যা আরো প্রায় ৬০০ কমে ৮৪৪ জন !
বাংলাদেশের শীর্ষ স্থানীয় মিডিয়া প্রথম আলোর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই মৃতের সংখ্যা আরও ৩০০ জন কমে ৫৪৩ জন।
৬ আগষ্ট শেখ হাসিনা ভারতে ছিলেন। তাহলে ৬ আগষ্টের ১০৭ জন বাদ দিলে ( ৫৪৪- ১০৭) = ৪৩৭ জন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ আগষ্ট ২ টা ২৫ মিনিটে বাংলাদেশ ছেড়েছেন। ৫ আগষ্ট বাংলাদেশের অধিকাংশ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তাদের এলাকা ছেড়েছেন। তাহলে ৫ আগষ্ট নিহত ১০৮ জন বাদ দিলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় (৪৩৭-১০৮) = ৩২৯ জন।
এই ৩২৯ জনের মধ্যে সরকারের গেজেট অনুযায়ী, ৪৪ জন হচ্ছেন নিহত পুলিশ কর্মকর্তা। তাই (৩২৯-৪৪) = ২৮৫ জন হচ্ছেন ৩৬ দিনের আন্দোলনে নিহতদের আনুমানিক একটা সঠিক সংখ্যা।
👉 বিবেকের আয়নার দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করুন, এই ২৮৫ জনের মধ্যে কতজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছিলেন?
প্রথম আলোর ১ জুলাই থেকে ৬ আগষ্ট পর্যন্ত অনুসন্ধানী রিপোর্ট বলছে, "এই নিহতদের মধ্যে ৮৭ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছিলেন। তাহলে (২৮৫- ৮৭) = ১৯৮ জন।
👉 এই ১৯৮ জনের মধ্যে কতজন শিশু ছিলেন ❓❓❓
প্রথম আলো সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সঠিক অনুসন্ধানী রিপোর্ট নিয়ে পরিস্কার ভাষায় বলেছে, "জুলাই আন্দোলনের নিহতদের মধ্যে ১৩৩ জন হচ্ছেন শিশু।" তাই ( ১৯৮ - ১৩৩ ) = ৬৫ জন।
“জুলাই আন্দোলনে বিএনপি ও জামায়াতের সব মিলিয়ে মাত্র ৬৫ জন নিহত হয়েছেন। অপরদিকে আওয়ামী লীগের নিহত হয়েছেন ৮৭ জন।”
এই জুলাইয়ে নিহত অধিকাংশ বিভিন্ন জ-ঙ্গীদের গুলিতে নিহত হয়েছে। এটাই সত্য এবং সুন্দর।
জুলাই আন্দোলনের নেতা এবং "মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু" বইয়ের লেখক আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া গণমাধ্যমের কাছে স্পষ্ট করে বলেছেন, "তাদের যোদ্ধাদের অস্ত্রের ট্রেনিং ছিল এবং তারা সশস্ত্র যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিলেন।
বাংলাদেশের ৪০ টি সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন এই তথাকথিত জুলাই ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল।
যার উপহার হিসেবে ৫ আগষ্টের পর ৭০০ সাজাপ্রাপ্ত জ-ঙ্গীকে জেল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের আন্ডারগ্রাউন্ডে পালিয়ে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এই জুলাই ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল। এজন্য উপহার হিসেবে বাংলাদেশের সাজাপ্রাপ্ত সকল শীর্ষ সন্ত্রাসীকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি প্রশিক্ষিত জঙ্গি ইউনিট এই জুলাই ষড়যন্ত্রে সম্পৃক্ত ছিল। মেজর জিয়াদের কথা ভুলে যাননি নিশ্চয়ই।।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ আগষ্টের সরকার পতনের মাত্র এক মাসের মাথায় ক্লিনটন ইনিশিয়েটিভের সভায় উপদেষ্টা ইউনূস নিজ মুখেই স্বীকার করেছেন, “জুলাই একটি মেটিকুলাস ডিজাইন ছিলো।”
প্রাক্তন মার্কিন কর্মকর্তা মাইক বেঞ্জ আমেরিকার জনপ্রিয় গণমাধ্যম টকশো ( The Tucker Carlson Show) তে স্পষ্ট করে বলেছেন , "বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তন জন্য মার্কিন ডিপস্টেট সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর জন্য ২৯ মিলিয়ন ডলার ইউএসএইড দিয়েছে।”
পরবর্তীতে এই ইউএসএইড এর কথা খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ মুখে মিডিয়ার সামনে স্বীকার করেছেন।
জুলাই কোন জনযুদ্ধ ও বিপ্লব ছিলো না।
মাত্র ৩৬ দিনের আন্দোলনে পৃথিবীর কোথাও কোন বিপ্লব হয়নি। বিপ্লব গাছে ধরা আপেল নয়। গালগপ্প করলেই বিপ্লব হয়ে যাবে ! জুলাই ছিল লুঙ্গির তলায় ঢুকে "গুপ্ত শিবির" এর ক্ষমতার গদি দখলের যুদ্ধ। জুলাইয়ে নিহত প্রথম ব্যক্তি আবু সাইদ ছাত্র শিবিরের প্রশিক্ষিত সদস্য ছিলো। প্রথমে অস্বীকার করলেও গদি দখলের পর তারা তা স্বীকার করেছে। শুরু হয়েছে আবু সাঈদ দিয়ে, কিন্তু গুজব আসমানে উঠতে উঠতে সংখ্যাটা একটা হাস্যকর সংখ্যা ১৫০০ বানিয়ে দিয়েছে। মূলত এই জুলাই ছিল মুক্তিযুদ্ধকে ধ্বংস করার একটি মার্কিন ডিপস্টেট ও পাকিস্তানের আইএসআই এর দীর্ঘমেয়াদী ষড়যন্ত্র।
এই ষড়যন্ত্রের শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে শেখ হাসিনা পতনের জন্য আমেরিকার "অপারেশন বিডি" ৫ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট দিয়ে।
জুলাই পরবর্তী চিত্র দেখলে সবকিছু আয়নার মতো সবার কাছে পরিস্কার হয়ে যাবে।
মুক্তিযুদ্ধ ➡️ জুলাই যুদ্ধ
মুক্তিযোদ্ধা ➡️ জুলাই যোদ্ধা
স্বাধীনতা ➡️ আজাদি
মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান "পিন্ডি না ঢাকা"➡️ দিল্লী না ঢাকা !
মুক্তিযোদ্ধা গণহত্যা ➡️ জুলাই গণহত্যা
মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর ➡️ জুলাই যাদুঘর
মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন ➡️ জুলাই ফাউন্ডেশন
মুক্তিযোদ্ধা কোটা ➡️ জুলাই কোটা
মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র ➡️ জুলাই ঘোষণাপত্র
এরপরও কি বলবেন, এসব বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিলো না ❓
জুলাই ছিল একটি মুখোশধারী আন্দোলন।
এজন্য "কোটা না মেধা" কে রঙ দেওয়া হয়েছে সরকার পতনের আন্দোলনে।
যেখানে জুলাই আন্দোলন হয়েছে সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলের একজন শিক্ষার্থী মারা গিয়েছে এই প্রমাণ কেউ দেখাতে পারতেন না।অথচ এই জুলাই বিপ্লবীরা ভয়ঙ্করভাবে মিথ্যা গুজব ছড়িয়েছিল - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহত্যা চলছে ‼️জুলাই ছিল পুরোটাই গুজবের আন্দোলন।
এজন্য সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে ঢাকা শহরের মূল আন্দোলনের বাইরে উত্তরা ও যাত্রাবাড়ীতে।
জুলাই আন্দোলনে চট্রগ্রামে ২০ জন মারা গেছে এই প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবেন না।
রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, কুমিল্লা ও রংপুর বিভাগে কয়জন মারা গেছে?
আপনাদের নিজ নিজ উপজেলায় একজনও জুলাই শহীদ মারা গেছে, এই প্রমাণ অধিকাংশ বাংলাদেশের মানুষ দেখাতে পারবেন না। নিজেদের উপজেলা থেকে লাশের হিসাব করা শুরু করুন এখনি। জুলাই ষড়যন্ত্রের সকল মুখোশ বাংলাদেশের সকল মানুষের কাছে পরিস্কার হয়ে যাবে।
জুলাই ছিল মার্কিন ডিপস্টেটের ষড়যন্ত্রের ফসল। ইহুদি জর্জ সোরসের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশন, হিলারীর ক্লিনটন ফাউন্ডেশন ও ইউনূসের গ্রামীণ ফাউন্ডেশন ছিল এই জুলাই মেটিকুলাস ডিজাইনের মাস্টারমাইন্ড।
মুক্তিযুদ্ধের বিপরীতে জুলাইকে দাঁড় করানোর জন্য ক্ষমতার গদি দখল করে ইউনূস মুক্তিযুদ্ধকে রিসেট বাটনে পুশ করতে চেয়েছেন।
আজকে দুই বছরের অধিক সময় হয়ে গেলে এখনও জুলাইয়ে নিহতদের ছবি সহ সঠিক পরিসংখ্যান আপনি/ আপনারা কেউ দেখাতে পারবেন ⁉️
বাংলাদেশে প্রতিদিন শুধুমাত্র মশার কামড়ে ২৫৩০ থেকে ৩,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়। মাত্র ৮৪৪ জনের একটা জুলাই তালিকা দিতে ইউনূস সরকারের ৬ মাস লেগে গেল 😁 তারপরও সঠিক তালিকা জাতির সামনে আজ পর্যন্ত উপস্থাপন করতে পারেনি, কোনদিনও পারবে না।
৩৬ দিনের জুলাই আন্দোলন হিসেব করলে দৈনিক গড়ে ২৪ জন মানুষ মারা যাওয়ার কথা ! ইউনূসের এই জুলাই গেজেট সম্পূর্ণ ভূয়া।
সত্য হচ্ছে ১ লা জুলাই থেকে ৪ আগষ্ট পর্যন্ত জুলাইয়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ও পুলিশ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ১১১।। এর মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন আওয়ামী লীগ ও পুলিশের নেতাকর্মী। জুলাই মুক্তিযোদ্ধের মতো জুলাই শহীদ সম্পূর্ণরূপে প্রশ্নবিদ্ধ। এখানে কোন যদি,, কিন্তু এর অবকাশ নাই। এজন্য মুখোশধারীরা স্লোগান নকল করেছে, গুজব ছড়িয়েছে। মনে আছে কি 👇
[] ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান " তুমি কে? আমি কে? বাঙালি বাঙালি
[] ২০২৪ এর জুলাই স্লোগান
" আমি কে? তুমি কে? রাজাকার রাজাকার
😁😁😁😁
"চোরদের কীর্তি আমার সকাল সন্ধ্যা শুধুই হাসি পায় 😁"
সত্য সবসময় সুন্দর।
লুসিড ড্রিম
১ জুলাই, ২০২৬