Heritage Walk Dhaka

Heritage Walk Dhaka Heritage Walk Dhaka is a research consultancy firm with a guided tour agency.
(1)

Sabrina Apu, Daniel and Nabil have become very close to us within 2 days. SABRINA Apu just shared her experience on Trip...
29/07/2026

Sabrina Apu, Daniel and Nabil have become very close to us within 2 days.

SABRINA Apu just shared her experience on Tripadvisor .

We are literally overwhelmed.

Thanks for trusting and joining the Heritage Walk Dhaka on 24 July, 2026
25/07/2026

Thanks for trusting and joining the Heritage Walk Dhaka on 24 July, 2026

হেরিটেজ ওয়াক ঢাকা: স্মৃতির পাতা থেকে যৌথ পথচলা'হেরিটেজ ওয়াক ঢাকা' কেবল একটি উদ্যোগ নয়; এটি আমাদের দুজনের যৌথ স্বপ্ন, ভাল...
25/07/2026

হেরিটেজ ওয়াক ঢাকা: স্মৃতির পাতা থেকে যৌথ পথচলা

'হেরিটেজ ওয়াক ঢাকা' কেবল একটি উদ্যোগ নয়; এটি আমাদের দুজনের যৌথ স্বপ্ন, ভালোবাসা এবং শত শত গল্প ও পরিশ্রমের ফসল।

এই পেছনের গল্পের হিসাব কষে শেষ করা যাবে না। স্টার হোটেলের কোণায় নির্দিষ্ট সেই টেবিলে বসে কত শত ঘণ্টা যে আড্ডায় কেটেছে, তার কোনো ইয়ত্তা নেই! একসময় আমরা ৯০০ কাপ চা খাওয়ার হিসাব রেখেছিলাম, তারপরের আর কোনো হিসাব নেই। শীতের আমেজ, বর্ষার রিমঝিম, গ্রীষ্মের দাবদাহ কিংবা রাজনীতির উত্তপ্ত দিন, কোনো কিছুই আমাদের আলোচনা আর পরিকল্পনাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি।

কত পথ আমরা হেঁটেছি দুজন একসাথে! আমার আর রুবেল শাহ্ (‌Ahmed Abu) ভাইয়ের জমানো এমন হাজারো গল্প ছড়িয়ে আছে এই শহরের অলিতে-গলিতে। তবে হেরিটেজের পেছনের এই মানুষটি বরাবরই নিজেকে আড়ালে রাখতে পছন্দ করেছেন। আজ তিনি অনেক দিন হলো দেশের বাইরে...

আমাদের এই পথচলায় বিষাদের গল্পও কম নেই, তবে সেগুলো আমরা আর প্রকাশ না-ই বা করলাম। সহযোগিতা যেমন পেয়েছি, তেমনি ভীষণ অসহযোগিতাও পেয়েছি; সেসব কথা নাইবা বললাম, তা শুধুই আমাদের দুজনের মধ্যে গোপন স্মৃতি হয়ে থাকুক।

তবে হেরিটেজ ওয়াক ঢাকা কেবল কোনো হাঁটার আয়োজন নয়; এর পেছনে রয়েছে আমাদের এক গভীর শিক্ষামূলক ও গবেষণাধর্মী উদ্দেশ্য। ঢাকার অলিগলি, প্রতিটি পুরোনো ইটের ভাঁজে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস এবং কালজয়ী গল্পগুলোকে ধরে রাখা, নথিভুক্ত করা এবং আপনাদের স্মরণে ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল ব্রত, যাতে সময়ের স্রোতে এই অমূল্য স্মৃতিগুলো কখনো হারিয়ে না যায়।

রুবেল শাহ্ ভাইয়ের ভাবনার পরিধিটা বড্ড বড়! তিনি স্বপ্ন দেখেন, নানান প্রান্ত থেকে মানুষ আসবে কাঁদা মাটির এই দেশে। আতিথেয়তা নেবে, স্বাদ নেবে নানান অঞ্চলের রান্না করা দেশীয় খাবারের এবং দেশীয় নানান ফলের, আর হারিয়ে যাবে এ দেশের চিরচেনা বৃষ্টির ভালোবাসায়। এমন আরও কত শত অনন্য ভাবনায় তিনি সমৃদ্ধ করেছেন হেরিটেজকে।

হেরিটেজ ওয়াক ঢাকা আজ এক দশকের এক পরিণত মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। এই বিশেষ মুহূর্তে আমরা, সজীব এবংরুবেল শাহ্ (‌Ahmed Abu), হেরিটেজের সহ-প্রতিষ্ঠাতা (Co-Founders), শুরু থেকেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই উদ্যোগটিকে গড়ে তুলেছি এবং ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা ও ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাব।

আপনাদের ভালোবাসা, আস্থা এবং নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতাই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের পাশে থাকার জন্য।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাসহ,

রুবেল শাহ্ Ahmed Abu ও সজীব বর্মণ Shajib Borman
সহ-প্রতিষ্ঠাতা (Co-Founders), Heritage Walk Dhaka

Heritage Walk Dhaka: A Shared Journey, Written in Memory

'Heritage Walk Dhaka' is not just an initiative; it is a shared dream, a labor of love, and the fruit of countless stories and hard work between the two of us.

The stories behind this journey are simply beyond count. Sitting at our fixed table in the corner of Star Hotel, we spent endless hours in conversation! At one point, we kept track until we hit 900 cups of tea, after that, we lost count entirely. Neither the chill of winter, the rhythmic pitter-patter of monsoon rain, the scorching summer heat, nor the tension of turbulent political days could ever stall our discussions and plans.

What a journey we've walked together! Thousands of memories gathered by Rubel Bhai (Ahmed Abu) and me lie scattered across the nooks and crannies of this city. Yet, the person behind Heritage has always preferred to stay out of the spotlight. Today, he has been abroad for quite some time...

Our journey has had its share of heartbreaks too, but we choose not to dwell on them. Just as we received support, we also faced immense non-cooperation; let us leave those unspoken, keeping them as quiet memories strictly between the two of us.

However, Heritage Walk Dhaka is far more than just a walking event. At its core lies a deep educational and research-driven purpose. Our primary mission is to capture, document, and bring back to your memory the history and timeless stories hidden within the alleys and every aged brick of Dhaka, so these priceless memories are never lost to the sands of time.

Rubel Bhai's vision is vast! He dreams of people arriving from all corners of the world to this fertile land. They will experience our hospitality, savor regional home-cooked delicacies alongside local seasonal fruits, and lose themselves in the comforting embrace of our familiar rains. He has enriched Heritage with hundreds of such unique ideas.

Today, Heritage Walk Dhaka stands at a mature milestone of a decade. At this special moment, we, Shajib and Abu, Co-Founders of Heritage, have built this initiative shoulder to shoulder from the very beginning, and we will continue to drive it forward with the same dedication and passion in the days ahead.

Your love, trust, and unwavering support are what keep us going.

Thank you, everyone, for standing by our side.

With respect and love,

Rubel Shah Ahmed Abu & Shajib Borman
Co-Founders, Heritage Walk Dhaka

Thanks for your kind words!
25/07/2026

Thanks for your kind words!

আগামীকাল এর ইভেন্ট The Merchants Trail: Along the Banks of Burigangaএ যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - সবাইকে মেইল পাঠিয়ে দেয়া...
23/07/2026

আগামীকাল এর ইভেন্ট The Merchants Trail: Along the Banks of Buriganga

এ যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - সবাইকে মেইল পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

আমাদের উপর আস্থা রাখায় কৃতজ্ঞতা

নর্থব্রুক হল (স্থানীয়ভাবে লালকুঠি নামে পরিচিত) ঢাকার অন্যতম প্রাচীন ও সৌন্দর্যময় স্থাপত্যিক একটি নিদর্শন। ১৮৭৪ সালে ভা...
22/07/2026

নর্থব্রুক হল (স্থানীয়ভাবে লালকুঠি নামে পরিচিত) ঢাকার অন্যতম প্রাচীন ও সৌন্দর্যময় স্থাপত্যিক একটি নিদর্শন। ১৮৭৪ সালে ভারতের গভর্নর জেনারেল জর্জ ব্যরিং নর্থব্রুক ঢাকা সফরে এলে এ সফরকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এই ভবনটি টাউন হল হিসেবে নির্মাণ করা হয়।

নর্থব্রুক হল ভবনটি মোঘল নির্মাণশৈলী ও কৌশল অবলম্বনে নানাবিধ সুবিধার কথা বিবেচনা করে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ওয়াইজঘাট এলাকায় এক বিঘা জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল।চমকা লালে রাঙা এ ভবনের দুই পাশে দুটি করে মোট চারটি সুশোভিত মিনার আছে। অষ্টভুজাকৃতির মিনারগুলো বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ও কারুকার্যখচিত। ভবনের উত্তর দিকে রয়েছে প্রবেশ দরজা। সবগুলো দরজাই অশ্বখুরাকৃতি ও অর্ধ-বৃত্তাকার। মুসলিম ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে এ ভবনের চূড়া বেশ উঁচু। চূড়া থেকে অনেক নিচে নকশামণ্ডিত, অলঙ্কারিক নিচু পাঁচিলের অবস্থান। তখনকার দিনে ভবনটি দক্ষিণ দিক থেকে দেখতে একরকম এবং উত্তর দিক থেকে দেখতে ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম। ফলে নতুন কোনো দর্শনার্থী হঠাৎ ভবনটি দেখে ঠিক বুঝে উঠতে পারতো না। বুড়িগঙ্গা নদীর তীর থেকে পরিদৃষ্ট হয় ভবনটির একধাপবিশিষ্ট গায় লাল রঙের বিশাল গম্বুজ, সুউচ্চ চূড়া ও নিচু পাঁচিল। ভবনের বুড়িগঙ্গার পাশের অংশটি দেখতে ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয়। তবে বর্তমানে হলঘরটির দক্ষিণ দিকে নানাবিধ দোকানপাট গড়ে ওঠায় বুড়িগঙ্গা দিয়ে চলার সময় এখন আর ভবনটি দৃষ্টিগোচর হয় না।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

আগামী শুক্রবারের ওয়াকে দেখা হবে এই স্থাপনাটিও

ইতিহাস আর ঐতিহ্যের এক মহাতীর্থ এই শাঁখারী বাঁজার। শাঁখারীদের নামানুসারেই এলাকাটির নামকরণ করা হয়েছে শাঁখারীবাজার। ঢাকা শহ...
22/07/2026

ইতিহাস আর ঐতিহ্যের এক মহাতীর্থ এই শাঁখারী বাঁজার। শাঁখারীদের নামানুসারেই এলাকাটির নামকরণ করা হয়েছে শাঁখারীবাজার। ঢাকা শহরের পত্তনের সময় থেকেই শাঁখারীরা বসবাস করছে এখানে। আজও তেমনি অপ্রতিহত গতিতে শাঁখারীরা তাদের শাঁখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

আগেই বলেছি, পুরান ঢাকার শাঁখারী বাঁজার মানেই ইতিহাস, ঐতিহ্য আর হস্তশিল্পের কেন্দ্র। ব্রিটিশ আমলের সাক্ষী পোগোজ স্কুলের পাশ দিয়ে গলির ভেতর ঢুকলেই কানে ভেসে আসবে বাদ্যযন্ত্রের টুংটাং সুর। তাকালেই দেখা যাবে 'যতিন এন্ড কোং', 'বুদ্ধ এন্ড কোং'-এর মতো ঢাকার সেরা বাদ্যযন্ত্রের দোকানগুলো এখানেই স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে। সংগীতপিপাসুদের জন্য এই দোকান এক দর্শনীয় স্থান। একসময় এই দোকানে নিয়মিত গানের জলসার আয়োজন হতো।

আছে কাঁসার দোকান, শাঁখাপলা, টিপসহ মিষ্টির দোকান। এদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পরপর কয়েকটি পূজামণ্ডপ। ভক্তরা দু-হাত এক করে ঠাকুরের কাছে আরজি জানাচ্ছেন। কেউ কেউ হয়তো রাস্তার একধারে বসে একমনে পুজোর ফুল গাঁথছেন।

রাস্তার দুধারে এসব দৃশ্য দেখতে দেখতেই হাতের ডানে পড়বে কল্পনা বোর্ডিং ও হোটেলের সাইনবোর্ড।

সূত্রঃ দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

গঙ্গাবুড়ির শহরেযার তীরে ভিড়েছে দূর দূরান্তের বহু বাণিজ্যতরী। সাত সাগর তেরো নদী পেরিয়েও আসেনি কে বলতে পারে? গোটা বুড়িগঙ্গ...
22/07/2026

গঙ্গাবুড়ির শহরে
যার তীরে ভিড়েছে দূর দূরান্তের বহু বাণিজ্যতরী। সাত সাগর তেরো নদী পেরিয়েও আসেনি কে বলতে পারে? গোটা বুড়িগঙ্গার পার ধরে দেশের প্রথিতযশা জমিদারদের বাণিজ্য কুঠি ছিল। গুদাম ঘরের পাশাপাশি থাকার জন্যে গড়ে উঠলো Grand Residential Area । ঢাকাইয়া বুলিতে যাকে আমরা বলি গেন্ডারিয়া।
ক্রমেই স্কুল , হাসপাতাল, পঞ্চায়েত, সিনেমা হল, হাট বাজার। বাড়লো জনসংখ্যা। বাড়ির ফাঁকে ফাঁকে হলো মধ্যম ও সরু গলি। হয়ে গেল ৫২ বাজার, ৫৩ গলির শহর।
খুশবুবর্জিত এই শহরে তখন ছিল কেবল নানা বাগান, গুলশান, গুলিস্তান, বনানী।
নদীর পাশে হওয়ায় বেরিয়ে গেল একেবেকে খাল। তারই পাশে লোকসমাগমের পাশেই হলো ভিনদেশী দুর্ভাগা মানুষদের শেষ আশ্রয় নারিন্দা খ্রিষ্টান কবরস্থান। পাশেই শ্মশান। একই খালের জলে সুবেহ সাদিকের ক্ষণে ধোয়া হতো জামদানির সুতা। খালের নামটাই হয়ে গেল ধোলাইখাল। তারই একধারে গড়ে উঠলো চিনি টিকরির প্রথম মসজিদ। যার পাশে এখনো সরবে বেচাকিনি চলে আগা বাকেরের স্ত্রী খনি বেগমের জন্যে করা বাকরখানির কারবার। পথে পথে ছড়ানো এমন অজস্র গল্প। গল্পের মত করে এই শহরকে চেনার রয়েছে কত শত উপাদান। .
গাইডেড ট্যুরের এই আয়োজনে আপনাদের আমন্ত্রণ। আগামী শুক্রবার সকাল ৮.৩০ থেকেই।

আর মাত্র ৫ জন অংশ নিতে পারবেন এবারের ওয়াকে...

'সত্যাৎ নাস্তি পরো ধর্ম্ম জ্ঞানাৎ মুক্তি'সংস্কৃত এই লাইনের পরেই এপিটাফে আরো সহজ করে কিছু শব্দের মেলা বসানো আছে ইংরেজিতে।...
22/07/2026

'সত্যাৎ নাস্তি পরো ধর্ম্ম জ্ঞানাৎ মুক্তি'
সংস্কৃত এই লাইনের পরেই এপিটাফে আরো সহজ করে কিছু শব্দের মেলা বসানো আছে ইংরেজিতে।
লেখাটার নিচ লাইনে গিয়ে পথচারীদের একটা ছোট অনুরোধ। ছোট্ট আকুতি, একটা ফুলের আকুতি! তখন ঠিক মনে পড়ে যায়, হুমায়ুন আজাদের কবিতার লাইনের মত, "আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্য মারা যাবো"
ঠিক কৈশোরের সময় থেকেই বলধা গার্ডেনে যাওয়া আসা। মাঝে মাঝেই যেতাম , গাছ দেখার জন্য কেবল। শাপলা আর কয়েক জাতের কচুরিপানা সারাবছরই ফুল দিতো তখন। শাহবাগের ফুলের দোকানের বাইরে নাগেশ্বর ফুল দেখতে পেতাম।
২০১০ অব্দি বলধা গার্ডেনে যাচ্ছে শুনলে মানুষ একটু অন্যভাবে তাকাতো, আসলেই সত্যি। পুরান ঢাকার এক নিষিদ্ধ নাম ছিল, বাজে ব্যবস্থাপনা, ও উটকো লোকের জ্বালাতনে। এখন অবস্থা খুবই পরিপাটি। ছোট্ট একটু জায়গা , কিন্তু ছিমছাপ পরিপাটি। সকাল সকাল এলাকাবাসী হাঁটা ও ব্যায়ামের জন্যে আসেন। সিনিয়র সিটিজেনদের চমৎকার আড্ডা দেখতে পাবেন শুক্র শনি গেলে।
আমরা তাই এখন প্রায় অধিকাংশ ওয়াক কিংবা প্রাইভেট ট্যুর বলধা গার্ডেন থেকেই শুরু করি। এপাড়ের প্রথম বোটানিক্যাল গার্ডেন দেখা উচিত সবার। বাকি ফরেন ট্যুর এজেন্সিগুলোও এখন নাকি বিদেশীদের নিয়ে আসেন। টিকেট বিক্রেতা দাদা গতকালই জানালেন ডেকে নিয়ে। এটাই আমাদের পরম পাওয়া।

এপিটাফে ফেরত আসি। সেই ২০১০ সাল থেকে দেখে আসছি এই সমাধিক্ষেত্রের দেয়ালে প্রতিদিন ফুল দেয়া থাকে। ছবিতেও দেখতে পাচ্ছেন। এই ছবিটা ২০২৩ এর অক্টোবর মাসে তোলা। জুলাই, ২৩ এর পরে আর ফুল দেখা যায় না। একজন মহিলা প্রতিদিন সকালে এসে ফুল দিয়ে যেতেন হাঁটতে এসে। অনেকদিন দেখা হয়েছে সকাল বেলা।
পরিণতিটা বুঝতেই পারছেন, লিখতে চাইছি না।
আমরা কমার্শিয়াল হতে চাই না কখনোই। শুধু কেবল এই গল্পগুলোই বরাবরের মত বলতে চাই আড্ডা দেয়ার ছলে।

পরবর্তী আয়োজনের ইভেন্ট লিংক কমেন্টে

The things that are silent but vibrant. When you are enjoying the surrounding lively little things. The arches, angles, ...
22/07/2026

The things that are silent but vibrant. When you are enjoying the surrounding lively little things. The arches, angles, rectangular verandahs, cast iron designed motifs, and the people have their own way of telling their stories.

To hear the stories, you may join us this Friday morning.

The event link is in the comment box.

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Heritage Walk Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Heritage Walk Dhaka:

Shortcuts

Share

Category