Trip Buzz - Travels Group

Trip Buzz - Travels Group Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Trip Buzz - Travels Group, Travel Company, Dhaka.

সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণাসংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণার স্থানীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা। জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ভারতের সীমান্তে অবস্থিত মায়াবী...
24/08/2023

সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণার স্থানীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা। জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ভারতের সীমান্তে অবস্থিত মায়াবী ঝর্ণাতে যেতে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে। বিএসএফের প্রহরায় বাংলাদেশীরা সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা (Songrampunji Waterfall) দেখতে যেতে পারে। পাহাড়ের গা বেয়ে ঝরনার জল জমে পুকুরের মতো সৃষ্টি হয়েছে। এই ঝর্ণার রয়েছে মোট তিনটি ধাপ। ভ্রমণ পাগল মানুষদের জন্য আদর্শ অ্যাডভেঞ্চারের জায়গা হল সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা। ঝর্ণার তৃতীয় ধাপে রয়েছে একটি সুড়ঙ্গ, আর সুড়ঙ্গ পথের শেষ এখন পর্যন্ত অজানা। পিচ্ছিল পাথুরে পথ পেরিয়ে ঝর্ণার সবগুলো ধাপ দেখতে চাইলে অবশ্যই সাহস এবং বাড়তি সতর্কতা জরুরী।

সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা যাবার সময়
সাধারণত বর্ষাকালে বাংলাদেশের সকল ঝর্ণাতে বেশি পানির দেখা মিলে, তাই বর্ষাকালই সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা দেখার উপযুক্ত সময়। জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসে এই ঝর্ণায় অনেক পানি থাকে, তবে শীত আসার সাথে সাথে পানি কমতে শুরু করে। অর্থাৎ মায়াবী ঝর্ণা দেখতে যাবার ভাল সময় হল বর্ষাকাল ও পরবর্তী কয়েক মাস।

সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা কিভাবে যাবেন
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা দেখতে আপনাকে চায়ের দেশ সিলেটের জাফলং আসতে হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা উপায়ে সিলেট যাওয়া যায়। আর ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন কিংবা আকাশপথে সিলেট পৌঁছাতে পারবেন।

ঢাকা থেকে সিলেট
ঢাকার ফকিরাপুল, গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সিলেটগামী গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, ইউনিক, হানিফ ও এনা পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস চলাচল করে। সকাল, দুপুর ও রাত সব সময় সিলেট যাওয়া বাস পাওয়া যায়। ঢাকা থেকে সিলেটের দূরত্ব ২৪০ কিলোমিটার, সিলেট পৌঁছাতে সময় লাগে ৬-৭ ঘন্টা।

ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারেন। ট্রেনে সিলেট যেতে সময় লাগে ৭-৮ ঘন্টা।

ঢাকা থেকে দ্রুত সময় ও সাচ্ছন্দে সিলেট যেতে আকাশ পথকে বেছে নিতে পারেন। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ, নভো এয়ার এবং ইউএস বাংলা এয়ারের বিমান প্রতিদিন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

সিলেট থেকে জাফলং
সিলেটে থেকে প্রায় সকল প্রকার যানবাহনেই জাফলং যাওয়া যায়। লোকাল বাসে যেতে আপনাকে শহরের শিবগঞ্জে যেতে হবে সেখান থেকে জনপ্রতি ভাড়া লাগে ৮০+ টাকা। সিএনজি বা অটোরিকশায় ১২০০ থেকে ২০০০ টাকায় জাফলং যেতে পারবেন। মাইক্রোবাস যাওয়া-আসার জন্য রিজার্ভ নিলে সারাদিনের জন্যে ভাড়া লাগবে ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। সিলেট নগরীর যে কোন অটোরিকশা বা সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে জাফলং যাতে পারবেন। দলগত ভাবে গেলে মাইক্রোবাস রিজার্ভ করে গেলেই ভালো, তাহলে আশেপাশের অন্যান্য জায়গা নেমে ঘুরে দেখতে পারবেন। গাড়ি ঠিক করার আগে ভাল মত দরদাম করে নিন এবং কি কি দেখতে চান তা চালকের সাথে আলোচনা করে নির্ধারণ করে নিন।

জাফলং থেকে সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা
জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে মায়াবী ঝর্ণায় যেতে নৌকা দিয়ে নদী পাড় হয়ে ১০ মিনিট পায়ে হেঁটে যেতে হবে। বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে ঝর্ণার বেশ কাছে যাওয়া যায়। নৌকায় নদী পাড় হতে শীতকালে জনপ্রতি ১০-২০ টাকা লাগবে। বর্ষায় ঝর্ণার কাছে যেতে জনপ্রতি নৌকা ভাড়া লাগবে ৩০-৫০ টাকা।

কোথায় থাকবেন
রাতে থাকার প্রয়োজন হলে সিলেট শহরে থাকা ভাল হবে। সিলেট থেকে অন্যান্য ভ্রমণস্থানে যাওয়া সুবিধাজনক। বেশিরভাগ হোটেলগুলো শাহ জালাল মাজারের আশেপাশকে ঘিরে অবস্থিত। দরগা গেট হতে আম্বরখানা, তালতলা, লামাবাজার, কদমতলী পর্যন্ত বিভিন্ন মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।

আর জফলং যদি থাকতেই হয় তাহলে মামার বাজার এলাকায় জাফলং ইন হোটেল ও হোটেল প্যারিস সহ আরো কিছু রেস্ট হাউজ আছে। সরকারী রেস্ট হাউজে থাকতে পূর্ব অনুমতির প্রয়োজন হয়। এছাড়া জাফলংয়ের কাছে সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ ভিউ সহ জৈন্তিয়া হিল রিসোর্টে যোগাযোগ করতে পারেন।

কি খাবেন
জাফলংয়ে অবস্থিত রেস্টুরেন্টের মধ্যে জাফলং ভিউ রেস্টুরেন্ট, সীমান্ত ভিউ রেস্টুরেন্ট এবং জাফলং পর্যটক রেস্টুরেন্ট উল্লেখযোগ্য। সিলেট শহরে খেতে চাইলে জিন্দাবাজার এলাকায় অবস্থিত পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্টুরেন্টের সুলভ মূল্যে পছন্দমত খাবার খেতে পারবেন।

সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই Trip Buzz - Travels Group প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন।

অপরুপ সৌন্দর্যময় মেঘালয়ের পাহাড় গুলো
21/08/2023

অপরুপ সৌন্দর্যময় মেঘালয়ের পাহাড় গুলো

এমন জাগায় কে কে ফুটবল খেলতে চান। শৈশবের কথা মনে পরে 😊
20/08/2023

এমন জাগায় কে কে ফুটবল খেলতে চান। শৈশবের কথা মনে পরে 😊

18/08/2023

নৌকা ভ্রমণের বিরতির মাঝে বটবৃক্ষের নিচে গান আড্ডা। চারদিকে থৈ থৈ পানি, পানির মাঝে বটগাছ, আর সেই বটগাছে আড্ডা দেওয়ার মজা এবং অনুভূতি বলে বোঝানো সম্ভব না।

যেকোনো ধরনের নৌকা ভ্রমণের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা Trip Buzz আপনাদের সাথে সব সময় আছি।

Song: Dilona Dilona Nilo Mon Dilona
Lyrics & Tune: Shah Alam Sarkar

কার সাথে ঘুরতে চান এখানে ? 😍🥰
17/08/2023

কার সাথে ঘুরতে চান এখানে ? 😍🥰

নীলাদ্রি লেক | তাহিরপুর | সুনামগঞ্জ 📽️ Ismail Evan
09/08/2023

নীলাদ্রি লেক | তাহিরপুর | সুনামগঞ্জ

📽️ Ismail Evan

08/08/2023

সবাই সাজেক এবং বান্দরবান ভ্রমণ থেকে বিরত থাকুন।

❤️🇧🇩🇧🇩🇧🇩 ❤️
07/08/2023

❤️🇧🇩🇧🇩🇧🇩 ❤️

Place: Barcelona,Spain©Razia Sultana
06/08/2023

Place: Barcelona,Spain

©Razia Sultana

03/08/2023

02/08/2023

ভাসমান পেয়ারা বাজারঝালকাঠি, বরিশাল এবং পিরোজপুরের সিমান্তবর্তী এলাকায় গড়ে উঠেছে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম পেয়ারা বাগান। ঝাল...
30/07/2023

ভাসমান পেয়ারা বাজার
ঝালকাঠি, বরিশাল এবং পিরোজপুরের সিমান্তবর্তী এলাকায় গড়ে উঠেছে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম পেয়ারা বাগান। ঝালকাঠী জেলা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ভিমরুলিতে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ভাসমান পেয়ারা বাজার (Floating Guava Market)। তিন দিক থেকে আসা খালের মোহনায় বসে ভিমরুলির এই ভাসমান পেয়ারা বাজার। জুলাই, আগস্ট পেয়ারার মৌসুম হলেও মাঝে মাঝে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাজার চলে। ভাসমান পেয়ারা বাজার দেখতে আগস্ট মাস সবচেয়ে উপযোগী সময়। সকাল ১১ টার পর পেয়ারা বাজারের ভীড় কমতে থাকে তাই ১১ টার আগে বাজারে যাওয়াই সবচেয়ে ভাল।

এছাড়া ব্যাকওয়াটারে ঘুরে খালের সাথে লাগোয়া ঘরবাড়ি, স্কুল, ব্রিজ এবং রাস্তার সম্মোহনী রুপ উপভোগ করতে পারেন। খালের মধ্য দিয়ে চলার সময় চাইলে হাত বাড়িয়ে আমরা কিংবা পেয়ারা ধরতে পারবেন। আর যদি বৃষ্টি হয় তবে চারপাশটা আরো অপার্থিব সৌন্দর্য্যে মোহনীয় হয়ে উঠবে।

পথে কুড়িয়ানা বাজারের ঋতুপর্ণা দোকানের গরম গরম রসগোল্লার স্বাদ নিতে ভুল করবেন না আর বাজারে বৌদির হোটেলে খেতে পারেন দুপুরের খাবার। ভাসমান পেয়ারা বাজার থেকে বরিশাল আসার পথে গুঠিয়া মসজিদ ও দুর্গাসাগর দিঘী ঘুরে আসতে পারেন।

কোথায় কি খাবেন
ভিমরুলি বাজার থেকে সাদা ও লাল মিষ্টি, কুড়িয়ানা বাজারে ঋতুপর্ণা দোকানের গরম মিষ্টি ও বৌদির হোটেলে দুপুরের খাবার এবং গুঠিয়ার সন্দেশ। এছাড়া বরিশাল শহরের পুরান বাজার এলাকার হক এর রসমালাই, রসগোল্লা কিংবা ছানা, বটতলা এলাকার শশীর রসমালাই, নয়াবাজার মোড়ের নিতাই মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্পঞ্জ মিষ্টি, বিবির পুকুর পাড়ের কাছে চটপটি, দধি ঘোরের দই, ঘোল এবং ঘোল-মুড়ি মিক্সড খেতে পারেন।

থাকার ব্যবস্থা
ঝালকাঠি শহরের ধানসিঁড়ি রেস্ট হাউস, হালিমা এবং আরাফাত বোর্ডিং এ ১০০ থেকে ২৫০ টাকা ভাড়ায় রাত্রিযাপন করতে পারবেন। তবে ভালো মানের হোটেলে রাত্রি যাপন করতে বরিশাল শহরে আসতে হবে। বরিশাল শহরে বিভিন্ন মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।

ভাসমান পেয়ারা বাজার কিভাবে যাবেন
বরিশাল পানি অথবা সড়ক পথে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে তবে পানি পথে বরিশাল যাওয়াই সবচেয়ে সুবিধাজনক।

লঞ্চে যেতে চাইলে : ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন বেশকিছু লঞ্চ বরিশালের পথে যাত্রা করে ভোর ৪ থেকে ৫ টার মধ্যে পৌঁছায়। লঞ্চে বরিশাল যেতে জনপ্রতি ডেক ভাড়া ২০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া ৯০০ (নন এসি) টাকা এবং ডাবল কেবিন ভাড়া ১৭০০ (নন এসি) টাকা। বরিশাল লঞ্চ ঘাট থেকে অটো বা রিক্সায় চৌরাস্তা এসে বাসে করে স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাট পর্যন্ত ৫০ টাকা ভাড়া লাগবে।

স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাট থেকে ট্রলার ভাড়া করে সন্ধ্যা নদী দিয়ে ঢুকে আটঘর, কুড়িয়ানা, ভীমরুলী বাজার ঘুরতে পারবেন। দরদাম করে নিলে ট্রলারভেদে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগবে। অথবা স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাট থেকে ২০ টাকা অটো ভাড়ায় কুড়িয়ানা বাজার এসে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় নৌকা বা ট্রলার ভাড়া করে কুড়িয়ানার আশপাশের বাজার আর ক্যানেল ঘুরতে পারবেন। তবে ভিমরুলি গেলে ভাড়া আরো বেশি লাগবে।

এছাড়া রাস্তা ভাল থাকলে অটোতে করে আটঘর, কুড়িয়ানা এবং ভীমরুলী বাজার ঘুরতে পারবেন। এক্ষেত্রে একটু খোঁজ খবর করে নিন কিংবা কিছু কিছু ব্রিজ ভাঙ্গা থাকায় প্রতি ব্রিজ পর্যন্ত অটোতে এসে পায়ে হেটে ব্রিজ পার হয়ে আবার অটো নিয়ে যেতে হবে।

বাসে যেতে চাইলে : ঢাকার সদরঘাট এবং গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে বেশ কয়েকটা বাস বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সাকুরা পরিবহনে বরিশাল যেতে জনপ্রতি বাসের টিকেট মূল্য ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। গাবতলী থেকে সরাসরি স্বরূপকাঠি লঞ্চঘাটে যাওয়ার বাস রয়েছে। সোনার তরী, হানিফ এবং সাকুরা পরিবহণের বাসে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া লাগে। বাসে বরিশাল কিংবা স্বরূপকাঠি এসে উপরে উল্লেখিত উপায়ে ভাসমান পেয়ারা বাজার দেখতে যেতে পারবেন।

ট্যুর প্ল্যান
ভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণের ট্যুর প্ল্যান (১)
বরিশাল বা স্বরূপকাঠি থেকে নৌকা কিংবা ট্রলার নিয়ে ব্যাকওয়াটার ও ভাসমান পেয়ারা বাজার দর্শন। দুপুরবেলা কুড়িয়ানা বাজারে বৌদির হোটেলে দুপুরের খাবার খেয়ে আবার ব্যাকওয়াটার ভ্রমণ করে ঝালকাঠিতে রাত কাটানো। সকালে ঝালকাঠি থেকে গুঠিয়া মসজিদ, দুর্গাসাগর দিঘী ঘুরে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাত্রা। এরপর বরিশাল শহরের আশেপাশে ঘুরে লঞ্চে ঢাকা ফেরা।

ভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণের ট্যুর প্ল্যান (২)
বরিশাল বা স্বরূপকাঠি থেকে নৌকা কিংবা ট্রলার নিয়ে ব্যাকওয়াটার ও ভাসমান পেয়ারা বাজার দর্শন। দুপুরবেলা কুড়িয়ানা বাজারে বৌদির হোটেলে দুপুরের খাবার খেয়ে বাসে চরে বানারীপাড়ায় গুঠিয়া মসজিদ দেখতে চলে যাওয়া। এছাড়া কুড়িয়ানা বাজার থেকে জনপ্রতি ১৫ টাকা অটো ভাড়ায় নারায়ণকাঠি গিয়ে সেখান থেকে আরেকটি অটোতে জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়ায় সহজে গুটিয়া মসজিদ যাওয়া যায়। গুঠিয়া মসজিদের কাছে সন্দেশ খেতে ভুলবেন না, এরপর মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে দুর্গাসাগর দিঘী দেখে বাসে বরিশাল শহরে আসা। যদি হাতে যথেষ্ট সময় থাকে তবে বিবির পুকুর পাড়ে সন্ধ্যা কাটিয়ে চটপটি খেয়ে ফিরতি লঞ্চ কিংবা বাসে চরে ঢাকায় ফেরা।

ভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণ পরামর্শ
* পানিতে ময়লা ফেলে পানি নোংরা করবেন না।
* ভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণে গ্রুপ করে গেলেই ভাল।
* বাসে ভ্রমণ থেকে লঞ্চে ভ্রমণ করা অনেক আরামদায়ক ও সুবিধাজনক
* অবশ্যই মিষ্টি খেতে ভুলবেন না।
* লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করবেন।
* বাগান থেকে কিছু খেতে চাইলে বাগান মালিকের অনুমতি নিয়ে নিবেন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trip Buzz - Travels Group posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category