A Tourist team

A Tourist team Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from A Tourist team, Tour Agency, Baridara, J Block, Dhaka.

Dhaka to sylhet by train journey
11/08/2026

Dhaka to sylhet by train journey

From October to February, this is the best time  travel in Sundarban
11/08/2026

From October to February, this is the best time travel in Sundarban

11/08/2026
সিলেটের চা বাগান
11/08/2026

সিলেটের চা বাগান

06/06/2026

Good morning Bosnia 🇧🇦🕌

06/06/2026

যোগাযোগের ব্যবস্থা ভালো হলে নতুন একটা পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে, চর হেয়ার, যা স্থানীয়দের কাছে "কলাগাছিয়ার চর" নামেও পরিচিত, পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলায় বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে জেগে ওঠা একটি নয়নাভিরাম দ্বীপ বা চর। কোলাহলমুক্ত পরিবেশ, ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্রসৈকত, লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি, আর ম্যানগ্রোভ বনের কারণে এটি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে দারুণ জনপ্রিয়।চর হেয়ারের মূল আকর্ষণপ্রাকৃতিক সৈকত: চার কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকতটি নির্জন এবং ক্যাম্পিং করার জন্য আদর্শ।জীববৈচিত্র্য: এখানে অতিথি পাখি, বালিহাঁস, গাঙচিলসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির অবাধ বিচরণ দেখা যায়।ম্যানগ্রোভ বন ও লাল কাঁকড়া: চরের চারপাশের সবুজ বনভূমি এবং বেলাভূমিতে লাল কাঁকড়ার লুকোচুরি পর্যটকদের মুগ্ধ করে।অন্যান্য চর: এর আশেপাশেই রয়েছে সোনারচর, চর তুফানিয়া এবং টাইগারদ্বীপ।যাতায়াত ও রুটচর হেয়ারে পৌঁছানোর সবচেয়ে সুবিধাজনক পথ হলো ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে যাত্রা করা।ঢাকা টু চরমন্তাজ: ঢাকা সদরঘাট থেকে প্রতিদিন রাত ৮:৪৫ টায় লঞ্চ ছেড়ে সরাসরি চরমন্তাজ ঘাটে পৌঁছায়।চরমন্তাজ টু চর হেয়ার: চরমন্তাজ থেকে ট্রলার বা স্পিডবোটে করে প্রায় ১ ঘণ্টা সময় নিয়ে চর হেয়ারে পৌঁছানো যায়। ট্রলার ভাড়া সাধারণত আকারভেদে ১,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকার মতো হয়ে থাকে।বিকল্প রুট: কুয়াকাটা থেকে সাগরপথে ট্রলার বা স্পিডবোটে ৩৫.১৯ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়েও চর হেয়ারে যাওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়শীতকাল (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) সমুদ্র শান্ত ও নিরাপদ থাকে বলে ভ্রমণের জন্য সেরা সময়। বর্ষা বা গ্রীষ্ম মৌসুমে সাগর উত্তাল থাকতে পারে।প্রয়োজনীয় টিপসযেহেতু এটি একটি নির্জন দ্বীপ, তাই সেখানে খাওয়ার বা থাকার বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেই।ক্যাম্পিং করতে চাইলে প্রয়োজনীয় তাঁবু এবং শুকনো খাবার সাথে রাখতে হবে।দক্ষিণবঙ্গের অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি চর হেয়ার ও এর আশেপাশের প্রকৃতি দেখতে:

06/06/2026

হবিগঞ্জ
রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য
সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য (Rema Kalenga Reserved Forest) বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বনাঞ্চল হিসাবে খ্যাত। ১৯৮২ সালে প্রায় ১৭৯৫ হেক্টর আয়তনের এ বনভূমি রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। বনবিভাগের কালেঙ্গা রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত রেমা, কালেঙ্গা ও ছনবাড়ীর বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ে রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্যের পরিধি বিস্তৃত। রেমা-কালেঙ্গা অভয়াশ্রমে প্রায় ৬৩৮ প্রজাতির বৃক্ষরাজি, প্রায় ৬২ স্তন্যপায়ী, উভচর ও সরীসৃপ প্রাণী এবং প্রায় ১৬৭ প্রজাতির পাখির আবাস।

বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে আছে বিরল প্রজাতির মালায়ন বড় কাঠবিড়ালী, কুলু, রেসাস ও লজ্জাবতী বানর, মায়া হরিণ, মুখপোড়া হনুমান, উল্লুক, চশমা হনুমান, মেছোবাঘ, গন্ধগোকুল, বন্যশুকর, সজারু, বেজি ও নানা প্রজাতির সাপ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির পাখির মধ্যে হিল ময়না, মথুরা, ভীমরাজ, লাল মাথা কুচকুচি, টিয়া, সিপাহি বুলবুল, চিল, বসন্তবৌরি, শকুন, বনমোরগ, বন্যশুকর, পেঁচা, ঈগল ও মাছরাঙ্গা অন্যতম।

রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্যে ছবির মতো সুন্দর ৩০ মিনিট, ১ ঘন্টা ও ৩ ঘন্টার তিনটি ট্রেইল রয়েছে। একনজরে বনের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য আছে একটি সুউচ্চ পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। আর পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ঘিরে রয়েছে একটি মনোরম লেক। আছে ত্রিপুরা, সাঁওতাল, তেলেগু ও উড়ং সম্প্রদায়ের আদিবাসীদের পাড়া। এছাড়া বনের বিজিবি ক্যাম্পের কাছে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ নায়েক আব্দুল মান্নান বীরউত্তমের সমাধি রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এই স্থানে এই বীর যোদ্ধা শাহাদাৎ লাভ করেন। সমাধির পাশে সেগুন গাছে এখনও গুলির চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়।

কিভাবে যাবেন
বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে বাসে/ট্রেনে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ আসতে হবে। শায়েস্তাগঞ্জ হতে ১০ টাকা জনপ্রতি টমটমে করে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ। শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ থেকে ২০টাকা সিএনজি ভাড়ায় চুনারুঘাট মধ্যবাজার পৌঁছে সেখান থেকে সরাসরি ৭০ টাকা সিএনজি ভাড়ায় কালেঙ্গা বাজার নেমে ১০-১৫ মিনিট হাঁটলেই রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য মেইন গেট পৌঁছে যাবেন। যদি সরাসরি শায়েস্তাগঞ্জ হইতে কালেঙ্গা বাজার লেগুনা রিজার্ভ করতে চান তবে অবশ্যই দামাদামি করে নিবেন, ভাড়া লাগতে পারে ১০০০-১২০০ টাকা। এছাড়া ঢাকা হতে বাস বা ট্রেনে শ্রীমঙ্গল নেমে সেখান থেকে জিপ নিয়ে রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্যে আসতে পারবেন। শ্রীমঙ্গল থেকে কালেঙ্গা যাওয়ার পথটি বেশ সুন্দর। জিপ ভাড়া লাগবে ২০০০-৩০০০ টাকা।

প্রবেশ মূল্য
রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য বনের ভিতরে পর্যটদের যাওয়ার জন্য টিকেট কেটে নিতে হয়। টিকেট মূল্য ৩০ টাকা।

কোথায় থাকবেন
কালেঙ্গায় থাকার জন্য বনবিভাগের একটি ডাকবাংলো আছে, যেখানে থাকতে হলে জেলা প্রশাসক বা সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে। এছাড়া বেসরকারী তিনটি রিসোর্ট আছেঃ সিএমসি রিসোর্ট (শাহাদাত ভাই – 01719-470988), রেমা-কালেঙ্গা ইকো রিসোর্ট ও নিসর্গ তরফ হিল ইকোরিসোর্ট (01731-977807)। নিসর্গ তরফ হিল রিসোর্টে থাকতে খরচ হবে ৭০০ থেকে ১২০০ টাকা।

এছাড়া হবিগঞ্জ থাকতে চাইলে হোটেল সোনারতরী, হোটেল আমাদ কিংবা বাহুবল উপজেলায় অবস্থিত ৫ তারকা দ্যা প্যালেস লাক্সারি রিসোর্টে থাকতে পারবেন।

ভ্রমণ পরামর্শ
বর্ষা মৌসুমে রেমা-কালেঙ্গা ট্রেইল এবং যাওয়ার পথ অনেক কর্দমাক্ত থাকে তখন পথ চলতে অনেক অসুবিধা হয়। তাই শীতকালে রেমা-কালেঙ্গা ভ্রমণ করতে পারেন।
রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্যে ভ্রমণে গাইড সাথে নিন। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন গাইড আব্দুর রহিম (01741-144174) কিংবা গাইড পার্থ সারথী (01712-982162) এর সাথে।

06/06/2026

রেমা কালেঙ্গা অভয়ারণ্য পর্যটন কেন্দ্র, নতুন দিগন্ত হতে পারে👌 রেমা কালেঙ্গা অভয়ারণ্য পর্যটন কেন্দ্র, নতুন দিগন্ত হতে পারে,হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বন। জীববৈচিত্র্য, দুর্গম ট্রেইল, এবং ওয়াচ টাওয়ারের কারণে এটি ইকোট্যুরিজমের এক অপার সম্ভাবনাময় নতুন দিগন্ত হতে পারে। তবে সঠিক অবকাঠামোর অভাব ও দুর্গম যাতায়াতের কারণে এটি এখনও পুরোপুরি অনাবিষ্কৃত।আপনার পর্যটন গন্তব্য হিসেবে এই অভয়ারণ্যটি কেন এক অনন্য সম্ভাবনার নাম এবং এখানে কী কী সুবিধা রয়েছে, তা নিচে দেওয়া হলো:🌳 প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বৈচিত্র্যআয়তন: প্রায় ১,৭৯৫ হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।জীববৈচিত্র্য: প্রায় ৬৩৮ প্রজাতির উদ্ভিদ, ১৬৭ প্রজাতির পাখি, এবং ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে।আকর্ষণ: ঘন বাঁশঝাড়, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি ট্রেইল, বন বিভাগের ওয়াচ টাওয়ার এবং বনের ভেতরের মনোরম লেক।🛤️ পর্যটনে সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জদুর্বল যাতায়াত: বনের ভেতরে নদী বা ছড়া পারাপারে নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয়, বর্ষাকালে যাতায়াত বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।আবাসন সংকট: এখানে সরাসরি থাকার জন্য আধুনিক কোনো হোটেল বা রিসোর্ট নেই।স্থানীয় গাইড: অরণ্যের গহীনে ঘোরার জন্য স্থানীয় অভিজ্ঞ গাইডের সাহায্য নেওয়া বাধ্যতামূলক।📈 নতুন দিগন্ত হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা ইকোট্যুরিজম: পাখি পর্যবেক্ষক, গবেষক এবং ট্রেকারদের জন্য এটি আদর্শ স্থান।স্থানীয় অর্থনীতি: পরিকল্পিত ইকো-রিসোর্ট, উন্নত রাস্তাঘাট এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠলে স্থানীয় আদিবাসী ও বাসিন্দাদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে।রেমা-কালেঙ্গা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও ভ্রমণের প্রস্তুতি নিতে আপনি ⁠ভ্রমণ গাইড বা উইকিপিডিয়ার ⁠রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য পাতাটি দেখতে পারেন।রেমা-কালেঙ্গার পরিবেশ ও পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে আপনার কি আরও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানার আছে? যেমন— যাতায়াত ব্যবস্থা, ভ্রমণের সেরা সময়, বা ক্যাম্পিং করার উপায়?

Address

Baridara, J Block
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A Tourist team posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category