17/05/2026
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স নতুন কিছু রুলস চালু করেছে GDS-issued টিকেটের void, ADM ও improper handling নিয়ে। একজন এয়ার টিকেটিং ও রিজার্ভেশন সেক্টরের মানুষ হিসেবে বলবো, বিষয়টা একদিকে ভালো আবার অন্যদিকে এজেন্সিগুলোর জন্য যথেষ্ট risky-ও।
আগে মার্কেটে অনেক কিছুই কিছুটা ঢিলেঢালাভাবে চলতো। কেউ ticket issue করে seat block করে রাখতো, কেউ segment ঠিকমতো cancel না করেই void মেরে দিতো, আবার কেউ departure-এর খুব কাছাকাছি সময়ে নানা ধরনের manipulation করতো। সম্ভবত এসব কারণেই ইউএস-বাংলা এখন নিয়মগুলো অনেক কঠিনভাবে enforce করতে চাচ্ছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী issue করা ticket শুধুমাত্র একই দিনে void করা যাবে এবং সেটাও অবশ্যই প্রথম flight departure-এর কমপক্ষে 72 ঘণ্টা আগে হতে হবে। পাশাপাশি সব segment একসাথে cancel করতে হবে। মানে ঢাকা-দুবাই-মদীনা booking হলে একটা রেখে আরেকটা cancel দিয়ে void মারলে এখন বিপদে পড়ার সম্ভাবনা আছে।
গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি বিষয় হলো, departure-এর 72 ঘণ্টার মধ্যে void প্রায় নিষিদ্ধের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। circular-এর ভাষা অনুযায়ী বিষয়টা “চার্জ বসতে পারে” টাইপ না, বরং rule violate করলে penalty apply হওয়ার মতো করেই লেখা। বিশেষ করে improper void, segment cancel ছাড়া void কিংবা restricted সময়ের মধ্যে action নিলে USD 100 penalty, applicable no-show charge এবং অতিরিক্ত USD 50 admin fee আরোপ করা হবে বলেই উল্লেখ করেছে।
যেমন আজকেই একটা টিকেট ১৭ তারিখের কেটে ফেলেছি, কিন্তু পরে passenger-এর প্রয়োজন হলো ১৬ তারিখে যাওয়ার। এখন যেহেতু booking টা already 72 ঘণ্টার slot-এর ভেতরে ঢুকে গেছে, তাই আর void করার সুযোগ নাই। cancel করলে penalty, no-show charge বসে যাওয়ার সম্ভাবনা। অনেক সময় দেখা যাবে লাভ তো দূরের কথা, উল্টো বড় ধরনের loss হয়ে যাবে।
মানে আগের মতো “manage হয়ে যাবে”, “একটু adjust করা যাবে” টাইপ চিন্তা করে কাজ করলে এখন financial loss-এর ঝুঁকি অনেক বেশি। একজন passenger হলে একরকম, কিন্তু family booking কিংবা group booking হলে তখন হিসাবটা ভয়ংকর হতে পারে।
তবে airline-এর দিক থেকেও চিন্তা করলে পুরো বিষয়টা অযৌক্তিক না। কারণ improper void, unnecessary seat blocking কিংবা fake holding-এর কারণে inventory management ও revenue control ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই জায়গা থেকেই সম্ভবত airline এখন কড়াকড়ি বাড়াচ্ছে।
আমার ক্ষুদ্র পর্যবেক্ষণ হলো, যারা professional way-তে কাজ করে, reservation issue-cancel-void properly maintain করে তাদের জন্য long-term এ হয়তো ভালো হবে। কিন্তু visa issue, medical emergency, passenger-এর last moment decision change কিংবা staff negligence handle করতে গিয়ে এখন এজেন্সিগুলোকে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এখন ছোট্ট ভুলও বড় penalty-এর কারণ হয়ে যেতে পারে।
পাশাপাশি যাত্রীদেরও কিছু বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরী। অনেক সময় passenger হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে, একদিন আগে-পরে করতে চায়, “এখন cancel করেন পরে দেখি”, “একটু manage করেন” টাইপ কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে airline rules সবসময় সেই সুযোগ দেয় না। বিশেষ করে departure কাছাকাছি চলে আসলে এজেন্সির হাতেও অনেক কিছু থাকে না। তখন passenger মনে করে agency ইচ্ছা করে করছে, অথচ অনেক ক্ষেত্রে airline policy-এর কারণেই কিছু করা সম্ভব হয় না। তাই ticket issue করার আগে date, route, passport information ও travel plan যতটা সম্ভব নিশ্চিত হয়ে নেয়াই সবার জন্য ভালো।