01/10/2025
অশান্ত পাহাড়ে আমাদের কৌশল কি হবে?
পাবর্ত্য জেলায় 3টা সেনা ঘাটি/ কেন্টনমেন্ট আছে। পাহারের অভন্তরে সেনা ক্যাম্প প্রয়োজন। কারন পাহাড়ে রাস্তাঘাট কম থাকায় সেনা মুভমেন্ট কঠিন/ সময় সাপেক্ষ। আর এ জন্যই সেনা ক্যাম্প প্রয়োজন। তবে সেনা ক্যাম্প না করে বিজিবির ক্যাম্প/চৌকি মোতায়ন করা কৌশলগত ভাবে যুক্তি যুক্ত হবে। সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে পাহড়ি জনমত আছে। বিজিবি দিলে সংগত কারনেই এটার বিরোধিতা করতে পারবে না।
ঢাল তলোয়ার ছাড়া শুধু ক্যাম্প করে কাজের কাজ কিছুই হবে না। পাহাড়ে বিজিবি/ সেনাবাহিনির জন্য আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবস্থা করতে হবে। বুলেটপ্রুফ জেকেট, পাহাড়ে চলাচলে উপযোগি হালকা এবং টেকসই বুট, নাইট ভিষন/ থার্মাল ক্যমেরা, চশমা, ড্রোন ইত্যাদি।
আমাদের যেটা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে এটাক হেলিকাপ্টার। যাতে করে কোন জায়গায় সন্ত্রাসি উপস্তিতি টের পেলে সাথে সাথে যাতে অভিযান পরিচালনা করা যায়। এই বিষয়টি নিয়ে কেউ কথা বলছে না। পায়ে হেটে পাহাড়ি এলাকায় অভিজান পরিচালনা করা অসম্ভব। আমাদের বহরে অনেগুলি হেলিকাপ্টার থাকলেও কোন এটাক হ্যলিকাপ্টার নাই। যা আছে সব পরিবহন ক্যাপ্টার। ফ্যস্টিরা দাদাবুবুদের পরামর্শে এগুলি বহরে সংগ্রহ করে নাই।
সিমান্ত সড়ক নির্মানে বাজেট বৃদ্দি করা প্রয়োজন। যত দ্রুত সড়ক নেটওয়ার্ক তৈরি হবে ততই মঙ্গল।
এনজিওদের কার্যক্রম মনিটর করতে হবে। ধর্মান্তরিত হওয়ার বিষয়টি ঠেকাতে হবে। পাহাড়িরা নিন নিজ ধর্মে থাকুক কিন্তু কোন অবস্থাতেই যাতে ধর্মান্তরিত না হয় তার জন্য কৌশল গ্রহন করতে হবে।
এই এলাকায় সন্দেহ ভাজনদের মোবাইল ট্র্যক/ মনিটরিং করতে হবে।
ড্রোন, সেটেলাইটের মত প্রযুক্তির সহায়তা নিতে হবে।
গোয়ান্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে।
আরও বেশি বাঙ্গালিদের সেখানে বসবাস, ব্যবসা, পর্যটন ইত্যদির মাধ্যমে উপস্থিতি বৃদ্ধি করতে হবে।