Bangla Travel

Bangla Travel Develop Bangladesh as an Exotic Tourist Destination.

Developed Bangladesh As An Exotic Tourist Destination in The World.If you part of This Just Simply LIKE

ইলিশময় কিছুটা সময় কাটান মাওয়া রিসোর্টে
05/10/2019

ইলিশময় কিছুটা সময় কাটান মাওয়া রিসোর্টে

ঢাকা থেকে মাত্র ৩৮ কিলোমিটার দূরে মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কান্দিপাড়া গ্রামে মাওয়া রিসোর্টটি অবস্থিত...

সৌদি আরবের পর্যটন ভিসা যেভাবে পাবেন প্রথমবারের মতো ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করেছে সৌদি আরব। দেশটির গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ...
05/10/2019

সৌদি আরবের পর্যটন ভিসা যেভাবে পাবেন

প্রথমবারের মতো ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করেছে সৌদি আরব। দেশটির গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার প্রায় ৪৯টি দেশের নাগরিকের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যটন ভিসা সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় সৌদি আরব। এমন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের অর্থনীতির বৈচিত্র্য আনা।

এ ঘোষণায় পর্যটন ভিসা সম্পর্কিত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। এতে জানতে পারবেন কীভাবে পাবেন সৌদি আরবের পর্যটন ভিসা। আসুন জেনে নেই সে সম্পর্কে-

১. ভিসা ফি ৪৪০ রিয়াল।
২. ট্যুরিস্ট ভিসা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নেওয়া যাবে।
৩. অনলাইনের মাধ্যমে এ ভিসা ৫-৩০ মিনিটের মধ্যে বের করা যাবে।
৪. ভিসার মেয়াদ এক বছর।
৫. এ ভিসা ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের লোকদের দেওয়া হবে।
৬. সব ধর্মের মানুষই এ ভিসা পাবেন।
৭. ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদনের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশের সময় পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ছয় মাস থাকতে হবে।
৮. এ ভিসাধারী ব্যক্তি এক বছরের মধ্যে ৯০ দিন সৌদি আরবে থাকতে পারবেন।
৯. ট্যুরিস্ট ভিসাধারী সৌদি আরবের ৬টি প্রধান রুটের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করতে পারবেন।
১০. ট্যুরিস্ট ভিসা ৩ উপায়ে পাওয়া যাবে।

উপায়সমূহ

১. নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ‘অনলাইন’ নিবন্ধনের মাধ্যমে।
২. সীমান্ত ক্রসিং করার সময়ও ভিসা নিতে পারবেন। বিমানবন্দরগুলোতে ভিসা পাওয়ার সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। বিমানবন্দরগুলো হচ্ছে- কিং খালিদ বিমানবন্দর, কিং আবদুল আজিজ বিমানবন্দর, কিং ফাহাদ বিমানবন্দর, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ বিমানবন্দর এবং আল-বাহা গ্রাউন্ড ফ্রন্টিয়ার।
৩. অনুমোদিত দেশগুলোতে সৌদি দূতাবাস ও কনস্যুলেটের প্রতিনিধিদের মাধ্যমেও ভিসা পেতে পারবেন।

27/11/2017

সেন্টমার্টিনের কয়েকটি জনপ্রিয় রিসোর্ট ও হোটেলের পরিচিতি

ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর স্থান সেন্টমার্টিন। পর্যটকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময়ই থাকে ‘বঙ্গোপসাগরের টিপ’ বলে খ্যাত এই দ্বীপটি। অন্যান্যবারের মতো এবছরও অসংখ্য পর্যটক পাড়ি জমাবেন সেন্টমার্টিনে।

কিন্তু রাত্রিযাপনের জন্য এই দ্বীপে হোটেল বা রিসোর্ট ঠিক করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ে যান অনেকেই। তাদের কথা বিবেচনা করে সেন্টমার্টিনের কয়েকটি হোটেল ও রিসোর্টের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হলো।

saintmartin

24/06/2017

কেমন করে ঈদ পেলাম?
শতবছরের ইতিহাসে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং ধর্মীর পালাবদলের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালী সংস্কৃতির অবিরাম যাত্রাপথ। আমাদের সার্বজনীন উৎসবের রঙীন তিনটি পর্ব রোজার ঈদ বা ঈদ উল ফিতর, কুরবাণীর ঈদ বা ঈদ উল আযহা ও বাংলা নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখ। দুই ঈদের আনন্দ সাবজনীনতা, ঈদের জন্য সকলের প্রতীক্ষা জাতির সমস্ত মানুষের সম্পৃক্ততা, উদযাপন সবই অন্য যেকোন উৎসবের চেয়ে আলাদা এবং পরিসরে বৃহৎ। মুসলিমের শাস্ত্রসিদ্দ উৎসব হলেও বাংলাদেশে ঈদের আলাদা রং, রুপ ও স্বাদ আছে এবং অন্য ধর্মীরাও সে অনুভূতির ভাগ পায়। এদুটি বাস্তব এবং বৃহৎকারণে ঈদ উৎসব আমাদের জীবনের এক বিশাল অধ্যায়। যার স্পর্শ এবং প্রভাব গভীরতম। কিন্তু আমরা কি জানি কিভাবে ঈদের দুটি উৎসব মুসলিমদের জন্য চালু হলো কি এর ইতিহাস?

প্রিয়নবী রসূল মুহাম্মদ (স.) এর সাথী বা সহচর আনাস (রা.) কথিত সুনাসে আবু দাউদের একটি হাদীসে বলা আছে ‘‘মদীনায় হিজরতের পর রসূল (স.) দেখতে পান মদীনার অধিবাসীরা দুদিন আমোদ প্রমোদ করে কাটায় এর একটি ছিলো ‘‘মাহরাজান’’ অন্যটি ‘‘নওরোজ’’ তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা আজ কি উদ্দেশ্যে আমোদ প্রমোদ করছো?

উত্তরে তারা জানালো আমরা জাহেলিয়াতের যুগে (ইসলাম পূর্ব যুগে) এই ২ দিবস আমোদ ফুর্তি করতাম। তখন নবী (স.) বললেন ‘‘আল্লাহ তোমাদের এই দুই দিনের পরিবর্তে উত্তম ২টি দিন দান করেছেন। এর একটি ঈদ উল ফিতর আর অন্যটি ঈদ উল আযহা।’’ ঈদ আরবি শব্দ এর দুটি অর্থ হয়, একটি খুশি বা আনন্দ। অন্যটি হলো বার বার ফিরে আসা। দুটি অর্থই ঈদের সাথে প্রাসঙ্গিক।

আমাদের দেশে প্রাক মুসলিম যুগে জাত-পাত কৌলন্যের কারণে জাতভেদে মানুষের জীবনাচার ও সংস্কৃতি ভিন্নছিলো। পরবর্তীতে মুসলিম জনগোষ্ঠির যে সংস্কৃতি তাতে পূর্বেকার সংস্কৃতির অনেক কিছুই থাকলো। প্রথম দিকে একটু বেশীই ছিলো। এই বেশীর মধ্যে ছিলো দেব-দেবীর নামে মানত, ঢাক-ঢোল পিটানো, বাজিফুটানো এবং বিয়ে অনুষ্ঠানের নানা উপ-আনুষ্ঠানিকতা। সংস্কৃতির নতুন ধারায় সকল ধরনের মানুষের মেলবন্ধন তৈরী হলেও আনুষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে এখনো বিরাট ব্যবধান বা ভিন্নতা রয়ে গেছে।

সংস্কৃতির এতসব ধারার মধ্যে অনেক ধারাই এখনো জীবিত আছে। তথাপি সে ধারাটি তার বিপরীত বা পূরক ধারাটির সাথে এক ধরনের প্রতিযোগিতা অথবা সহযোগিতার মাধ্যমে পথ চলছে। ফলে দ্বি-মাত্রিক তত্বটা বহাল তবিয়তেই আছে। চর্তুদশীর দিনরাত দুটোই পার করছো আমাদের সংস্কৃতি।

ঈদের আনন্দ পরিবার রাষ্ট্র বা সমাজকে এমন ভাবে আচ্ছন্ন করে কয়েকটাদিন সকলেই আমোদে মেতে থাকে। এমনকি ঈদ চলে গেলেও ঈদের রেশ যেতে চায়না। নতুন জামা, বেড়ানো, অথবা পূর্ণমিলনী সবই অভাবনীয় পুলক জাগায়। ঘরে, রাস্তায়, অফিসে সর্বত্র রঙের ছোপটা বেশ ভালোভাবেই লাগে। বেশ কয়েকদিন আগে থেকে কেনাকাটা, ঈদে ঘরে ফেরা, রাজধানী, দেশের অন্যন্য শহর, গাঁয়ের ঈদগা সবই যেন এক উৎসবের সঙ্গী। শুধুযে শ্রেণী পেশা তাও না ভিন্ন ধর্মের লোকদেরও ঈদের আনন্দ আমন্ত্রন করে পুরো জাতি।

ঈদ মানে ঈদগায়ে ঈদের জামাত সেটাই কেবল ইসলামী এবং মুসলমানের রয়ে গেছে। এদের অন্য অনুসঙ্গ ও নতুন পরিসঙ্গগুলোর হয়েছে সকলের এবং ধর্মীয় চেতনাবিহীন। এসব বেশীর ভাগ অনুষ্ঠানের সাথে ঈদের কোনো সম্পর্ক নেই তবে সম্পর্ক আছে ঈদের আনন্দের। আনন্দ দোষের নয়। কিন্তু ঈদের আনন্দ করতে গিয়ে ঈদকে ভুলে যাওয়া কাম্য নয়। বিশেষ করে ঈদের শিক্ষাকে। ধনী গরিব একছাতার নিচে এসে আনন্দ করার নামইতো ঈদ। কিন্তু আমাদের সমাজ প্রকৃত ঈদ থেকে দূরে সরে গিয়েছে বলেই মনে হয়।

24/06/2017
নদীতে ডুব দিলেই কঙ্কাল ! কেমন সে নদী ?
18/05/2017

নদীতে ডুব দিলেই কঙ্কাল ! কেমন সে নদী ?

spain

06/05/2017

ঢাকা-দার্জিলিং রেল সংযোগ

বাংলাদেশের নীলফামারী জেলায় সীমান্তবর্তী স্টেশন চিলাহাটি। আর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কুচবিহার জেলার পুরাতন স্টেশন হলদিবাড়ি। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকা এ স্টেশন দুটি ফের গমগম করবে রেলে। ঢাকা থেকে সর‍াসরি দার্জিলিং পর্যন্ত স্থাপিত হবে রেল সংযোগ।
চিলাহাটি-হলদিবাড়ি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট চালুর লক্ষ্যে চিলাহাটি অংশে সাত কিলোমিটার এবং ভারতের হলদিবাড়ি অংশে তিন কিলোমিটার রেলপথ পুনরায় নির্মাণ করা হবে। মোট ১০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করলেই দু’দেশের মধ্যে এই করিডোরে রেল যোগাযোগ পুন:স্থাপিত হবে।

চিলাহাটি থেকে চিলাহাটি বর্ডার পর্যন্ত ব্রডগেজ কানেক্টিভিটি স্থাপনের মাধ্যমে উপ-আঞ্চলিক রেল সংযোগ স্থাপিত হবে। মংলা বন্দরের আমদানি রফতানি কার্যক্রম ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃদ্ধিসহ নেপাল ও ভুটানের বাণিজ্যিক কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে বলে জানায় রেলপথ মন্ত্রণালয়। উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে এই করিডোর দিয়ে ভারতের শিলিগুড়ি হয়ে দার্জিলিং পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন পরিচালনার দুয়ার উন্মোচিত হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভারতের সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে চিলাহাটি এবং চিলাহাটি বর্ডারের মধ্যে রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ভারতীয় অংশের কার্যক্রমও চলমান আছে। ২০১৭ সালের মধেই ভারতের কার্যক্রম শেষ হবে। বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের সব পুরাতন রেল লিংক পুনরুদ্ধার করা হবে প্রকল্পের আওতায়। তবে চলতি সময় থেকে জুন ২০১৯ সালের মধেই রেলপথটি নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য্য জানান, বাংলাদেশের চিল‍াহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট বহু পুরাতন। এ দুটি স্টেশনের নতুন করে সংযোগ সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন তারা। এটা চালু করতে পারলে পরবর্তী জেনারেশন উপকৃত হবে। ঢাকা থেকে সরাসরি শিলিগুড়ি- দার্জিলিং পর্যন্ত রেল সংযোগ স্থাপিত হবে। এর পাশাপাশি আমরা আর্থিকভাবেও উপকৃত হবো। কেননা মানুষের চলাচলের পাশাপাশি স্টেশন দুটি চালু হলে মংলা বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি নেপাল-ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্যিক কার্যক্রমও বৃদ্ধি পাবে। এই লক্ষ্যে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্প নিতে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের স্টেশন দুটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক। ভারত বিভাজনের আগে এ করিডোর দিয়ে ভারতের শিলিগুড়ি হয়ে দার্জিলিং পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন পরিচালনা করা হতো।

তখন এই করিডোর দুই বাংলার অর্থনৈতিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিলো। তবে ভারত বিভক্তির পর ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশের চিলাহাটি এবং ভারতের হলদিবাড়ির মধ্যে সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। কালের পরিক্রমায় এই করিডোরের গুরুত্ব কমে যায়।

রেল মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধি, বন্ধ হওয়া সেকশন পর্যায়ক্রমে পুন:চালুর মাধ্যমে অবিচ্ছিন্ন রেল নেটওয়ার্ক তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।



সূত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Developed Bangladesh as an Exotic Tourist Destination
06/05/2017

Developed Bangladesh as an Exotic Tourist Destination

06/05/2017

মাত্র ১ টি ভিসায় আপনি সেনজেনভুক্ত ইউরোপের ২৬টি দেশ ভ্রমণ করতে পারেন। সেনজেনভুক্ত দেশগুলো হলো-অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও লিচেনস্টাইন। যেকোনো বাংলাদেশি ভ্রমণ কিংবা ব্যবসায়িক কাজে ছয় মাস মেয়াদি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে যেকোনো দেশে একটানা ৯০ দিন কাটানো যাবে। ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে ঢাকায় সেনজেনভুক্ত যেকোনো একটি দেশের দূতাবাসে আবেদন করতে হবে।

দরকারি কাগজপত্র
ভিসার জন্য আবেদনকৃত দেশের দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে ভিসা আবেদন ফরম ডাউনলোড করে ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে পূরণ করতে হবে। পাসপোর্টের যেসব পৃষ্ঠায় আপনার ব্যক্তিগত তথ্য আছে, সেসব পৃষ্ঠার স্পষ্ট ফটোকপি। সফর শেষেও পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত তিন মাস থাকতে হবে। রঙিন চশমা পরা কিংবা মাথা ঢাকা অবস্থায় ছবি তোলা যাবে না। পাসপোর্ট, পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি রঙিন ছবি জমা দিতে হবে; তবে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা হবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ আবেদন প্রক্রিয়াকরণ ফি জমা দিতে হবে, যা অফেরতযোগ্য।
Shenzhen Visa Requirements & Other Information’s :

Valid Passport and Passport Photocopy.
Original Bank Statement & Bank Solvency Last 6 Months (Minimum Balance 1200000 Per Person).
Trade License with Notary original translates Copy & other relevant business documents for business man.
TIN certificate copy.
Company Forwarding Letter or Pad or NOC.
Visiting Card.
Two (2) copies 3.5cm x 4.5cm size recent white Background Photo Lab Print.
Photocopy of ID card for (student & private service).
Return Air Ticket.
Hotel reservation or Invitation.
Property/ Asset (Land/House/Car/ Flat Booking/others Property)
National ID card or Birth Certificate copy.
Tour Plan

ভ্রমণ ভিসার ক্ষেত্রে
স্পন্সর থাকলে স্পন্সরের পাসপোর্ট বা আইডি কার্ডের মূল কপি ও ফটোকপি এবং বিগত তিন মাসের বেতনের প্রমাণপত্র আর স্পন্সর না থাকলে হোটেল বুকিংয়ের প্রমাণপত্র, ছুটির মেয়াদ উল্লেখ করে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া সনদ, বিগত ছয় মাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণী ইত্যাদি।

ব্যবসায়িক ভিসার ক্ষেত্রে
আমন্ত্রণপত্র, আমন্ত্রণকারী ভ্রমণ ব্যয় বহন করলে তার প্রমাণপত্র, ব্যবসার রেজিস্ট্রেশন এবং ট্রেড লাইসেন্সের কপি, হোটেল বুকিংয়ের কাগজপত্রের কপি।

চিকিৎসার জন্য ভ্রমণের ক্ষেত্রে
বাংলাদেশি চিকিৎসকের দেওয়া সনদ, বিদেশি যে চিকিৎসক বা হাসপাতালে দেখানো হবে সেখানকার প্রমাণপত্র, যেখানে চিকিৎসার আনুমানিক খরচ এবং সময়ের উল্লেখ থাকবে, রোগী বা রোগীর আত্মীয়ের সামর্থ্যের প্রমাণপত্র এবং ব্যয় অগ্রিম প্রদান করা হয়েছে তার প্রমাণপত্র। শিশুরা ভ্রমণ করতে চাইলে আলাদা একটি ফরম পূরণ করে জমা দিতে হবে, সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া ছুটির অনুমতিপত্র দিতে হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য
ভিসা ইস্যু হওয়ার পর ভ্রমণের উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা যাবে না। সব কাগজপত্রের ফটোকপি ও মূলকপি প্রদর্শন করতে হবে। সব কাগজপত্র ইংরেজি বা সংশ্লিষ্ট দেশের ভাষায় অনূদিত হতে হবে। ভিসা আবেদন কিংবা যেকোনো তথ্যের জন্য সেনজেনভুক্ত দেশগুলোর দূতাবাসে যোগাযোগ করতে পারেন-

* জার্মান দূতাবাস
১৭৮ গুলশান এভিনিউ, গুলশান-২ ঢাকা। ফোন : ৯৮৫৩৫২১-৪

* ফ্রান্স দূতাবাস
বাড়ি-১৮, সড়ক-১০৮, গুলশান-২, ঢাকা। ফোন : ৮৮১৩৮১১-৪

* সুইজারল্যান্ড দূতাবাস
বীর বিক্রম মেজর হাফিজ সড়ক বাড়ি-৩১/বি, সড়ক-১৮, বনানী, ঢাকা। ফোন : ৮৮১২৮৭৪-৬

* স্পেন দূতাবাস
১২ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ গুলশান-২, ঢাকা। ফোন : ৮৮৩১৩১৩

* সুইডেন দূতাবাস
বাড়ি-১, সড়ক-৫১, গুলশান-২, ঢাকা। ফোন : ৮৮৩৩১৪৮

সূত্র : কালের কণ্ঠ

সেন্টমার্টিনের প্রায় ৪০টি হোটেল ভেঙ্গে ফেলা হবে !
25/04/2017

সেন্টমার্টিনের প্রায় ৪০টি হোটেল ভেঙ্গে ফেলা হবে !

cox"sbazar,saintmartain

25/04/2017

জেনে নিন বাই রোডে ভুটান যেতে যে বিশেষ ভিসার প্রয়োজন ???

অনেকেই বাই রোডে ভুটান যেতে চান কিন্তু অনেক প্রশ্নই মনের মধ্যে উঁকি দেয় কিভাবে যাব, আগে থেকে ভারতের ভিসা থাকলে সেই ভিসায় যেতে পারবো কিনা, কি কি কাগজপত্র লাগবে ইত্যাদি ।

অনেকের পাসপোর্টে ভারতীয় ভিসা করা আছে। হয়ত ভিসার মেয়াদ ও রয়েছে অনেকদিন পর্যন্ত। কারও ভিসা বেনাপোল/চেংড়াবান্ধা/ হিলি/ অথবা বাই ট্রেন এ গেদে দিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু এই ট্যুরিস্ট, মেডিকেল বা স্টুডেন্ট ভিসা দিয়ে কেও ভুটান যেতে পারবেন না। বাই রোডে ভুটান যেতে ভারতের যে বর্ডার পার হওয়া লাগে তার নাম "জয়গা"। এই বর্ডার পার হয়ে ভুটান যাবার জন্যে এবং ভুটান থেকে ভারতীই বর্ডার দিয়ে ফেরত এসে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্যে যে বিশেষ ভিসা নিতে হয় তার নাম "ট্রানজিট" ভিসা। অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে ভারত হয়ে ভুটান যাচ্ছেন আবার ভুটান থেকে একই পথে ভারত হয়ে বাংলাদেশে ফিরছেন।

এই ট্রানজিট ভিসার মেয়াদ সাধারনত ৩/৩ দিন হয়। বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকার পর ৩ দিন এবং ভুটান থেকে ভারতে প্রবেশ করে ৩ দিন। এই সময়ের মধ্যে অবশ্যই আপনাকে ভারত বর্ডার পার হতে হবে। সুতরাং কেও যদি বাই রোডে ভুটান ভ্রমনে যেতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তাকে অবশ্যই ভারতীয় ট্রানজিট ভিসা নিতে হবে।

বিঃ দ্রঃ যাদের পাসপোর্টে ভারতের ভিসা রয়েছে, তারা যে কেও ট্রানজিট ভিসার জন্যে আবেদন করতে পারবেন। নোটঃ বাংলাদেশে ভূটান এম্বাসি রয়েছে কিন্তু এখান থেকে কোন রকম ট্যুরিস্ট ভিসা তারা দেন না। আপনি ভুটান যে কোন দিক দিয়ে ঢুকে কোন রকম ফি ছাড়া, অন এরাইভাল ভিসা পেয়ে যাবেন।

কলকাতা যাচ্ছেন ? দেখে নিন সব বাহারি খাবারের তালিকা...
24/04/2017

কলকাতা যাচ্ছেন ? দেখে নিন সব বাহারি খাবারের তালিকা...

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla Travel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bangla Travel:

Share