Herok The Explorer

Herok The Explorer Herok The Explorer is a content creator

ভারতের ডাবল এন্ট্রি ভিসা করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র- 1. মূল পাসপোর্ট (মিনিমাম ৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।2. NID Card এর ফটোকপ...
29/01/2026

ভারতের ডাবল এন্ট্রি ভিসা করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-
1. মূল পাসপোর্ট (মিনিমাম ৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
2. NID Card এর ফটোকপি।
3. 2/2 ইঞ্চি রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
4. ইউটিলিটি বিল এর ফটোকপি।
5. পেশা প্রমাণের জন্য-
ক. চাকরিজীবী হলে এন.ও.সি।
খ. ব্যবসায়ী হলে আপডেট ট্রেড লাইসেন্স।
গ. যদি কৃষক থাকেন তাহলে জমির পর্চা।
ঘ. স্টুডেন্ট হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড।
6. আর্থিক সচ্ছলতা প্রমানের জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট মিনিমাম ছয় মাস অথবা ডলার androcement মিনিমাম ১৫০ ডলার সমপরিমাণ। অথবা এসবিআই ট্রাভেল কার্ড।
7. পূর্বের ভিসা থাকলে সেই ভিসার কপি।
8. লস্ট পাসপোর্ট থাকলে জিডি কপি, নোটারি এবং লস্ট সার্কুলেশন ( এটা পাবেন আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে অথবা আপনি যেখানে পাসপোর্ট করেছেন সেখানে গেলেও পাবেন।)
9. ওয়ার্ক পারমিট// অফার লেটার
10. কন্ট্রাক্ট লেটার
11. এপয়েন্টমেন্ট লেটার।
12. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।।
13. বিদেশ থেকে পাওয়ার কাগজগুলো নোটারি করতে হবে।। অর্থাৎ ইংলিশে ট্রান্সলেট করতে হবে অ্যাডভোকেট দিয়ে।
14. ডিক্লারেশন পেপারস যেটা কোর্ট কর্তৃক এফিডেভিট করা।।

South Asian Passport Rankings:🇮🇳India - 85th🇱🇰Sri Lanka - 98th🇧🇩Bangladesh - 100th🇳🇵Nepal - 101st🇵🇰Pakistan - 103rd
23/10/2025

South Asian Passport Rankings:

🇮🇳India - 85th
🇱🇰Sri Lanka - 98th
🇧🇩Bangladesh - 100th
🇳🇵Nepal - 101st
🇵🇰Pakistan - 103rd

ইন্ডিয়ান ভিসা।ডাবল এন্ট্রি ও মেডিকেল ভিসা করুন আমাদের মাধ্যমে, ভারতে অবস্থিত বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য,এবং ইউরোপে...
20/10/2025

ইন্ডিয়ান ভিসা।
ডাবল এন্ট্রি ও মেডিকেল ভিসা করুন আমাদের মাধ্যমে, ভারতে অবস্থিত বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য,এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের এম্বাসি ফেস করার জন্য ইন্ডিয়ান ডাবল-এন্ট্রি ভিসা ঢাকা থেকে পেতে সহযোগিতা নিতে পারেন,
আপনার কাঙ্খিত ভিসা প্রসেসিং এর বিশ্বস্ত মাধ্যম ।ফাইল জমা দেওয়ার পর, ভিসা পেতে ৪/৬ কর্ম দিন সময় লাগবে।

আমাদের অন্যান্য সেবাসমুহ:-
ইন্ডিয়ান, নেপাল, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চায়না, ভিয়েতনাম,ও ইরোপের ভিসা প্রসেসিং ও এয়ার টিকেট করা হয়।

ইনশা আল্লাহ আমাদের মাধ্যমে কোন সার্ভিস নিলে আশা করি প্রতারিত হবেন না ।

05/10/2025

Malaysia Immigration & Arrival Card. এরাইভ্যাল কার্ড এবং কাস্টমস ডিক্লারেশন ফর্ম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করছি। যেসব দেশে যাবার আগে অনলাইনে ফিলাপ করতে হয় তা এক নজর দেখে রাখুুন। দেশগুলোর তালিকায় আছে -
🇮🇳 ইন্ডিয়া
🇸🇬 সিংগাপুর
🇲🇾 মালয়েশিয়া
🇹🇭 থাইল্যান্ড
🇮🇩 ইন্দোনেশিয়া
🇵🇭 ফিলিপাইন
🇲🇻 মালদ্বীপ

গল্পটা আপনার ভ্রমণের একটা অংশ হতে পারে। ধরুন, আপনি পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট, হোটেল বুকিং নিয়ে ইমিগ্রেশন এর জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েছেন। আপনার সামনে ৩০ জনযাত্রী আছে এবং আপনার পরে ২০ জনযাত্রী আছে। ৩০ জনযাত্রী ইমিগ্রেশন কমপ্লিট করার পর আপনি ইমিগ্রেশন অফিসার পর্যন্ত গেলেন। পাসপোর্ট, ভিসাসহ আপনার ডকুমেন্ট দিলেন। ইমিগ্রেশন অফিসার আপনাকে জিজ্ঞেস করল Digital Arrival Card দেখান। আপনি হঠাৎ আকাশ থেকে পড়লেন কারন আপনি এটি ফিলাপ করেন নাই।Digital Arrival Card ফিল আপ করার জন্য আপনাকে ডিজিটাল বোর্ড অথবা ফেস্টুন স্টেন দেখিয়ে দিবে। তারপর আপনাকে নিজে নিজে অথবা কারো সহযোগিতায় এটি ফিল আপ করতে হবে। ডিজিটাল এরাইভাল কার্ড ফিলাপ করতে আপনাকে অনেক গুলো সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনাআছে। তার মধ্যে প্রথমটি হল ইন্টারনেট কানেকশন। আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট কানেকশন সমস্যা হতে পারে যদি সিম রোমিং করা না থাকে অথবা ওয়াইফাই কাজ না করে। তারপর যেটি হয় আপনার মোবাইলে চার্জ নাই। সব যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলেও Digital Arrival Card নিজে নিজে অথবা কারো সাহায্য নিয়ে ফিলাপ করতে অনেকটা সময় চলে যায়।
যাহোক, এখন সবকিছু ঠিকঠাক ডিজিটাল এরাইভাল কার্ড নিয়ে আবারও আপনাকে ২০ জনের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে হবে। এই বিরম্বনা এড়াতে আগে থেকেই ব্যাবস্থা নিয়ে রাখুন। ভ্রমণ শুরুর ৭২ ঘন্টার মধ্যে আপনার ডিজিটাল এরাইভ্যাল কার্ড ফিলাপ করুন।

নিচের লিঙ্ক গুলো অথেন্টিক Digital Arrival Card & Custom Declaration ফর্ম ফিলাপ করার জন্য আপনার সহায়ক হবে। দেশের নাম সহ Digital Arrival Card & Custom Declaration Link গুলো আপনার সংগ্রহে রাখুন।
প্রয়োজনের সময় কাজে লাগবে ইনশাআল্লাহ।

🇮🇳 India - https://indianvisaonline.gov.in/earrival/?fbclid

🇸🇬Singapore - https://eservices.ica.gov.sg/sgarrivalcard/fvipa

🇲🇾Malaysia - https://imigresen-online.imi.gov.my/mdac/main?registerMain

🇹🇭Thailand - https://tdac.immigration.go.th/arrival-card/ #/home

🇮🇩Indonesia - https://ecd.beacukai.go.id/

🇵🇭Philippine - https://etravel.gov.ph/

🇲🇻Maldives- https://imuga.immigration.gov.mv/traveller

 #ইন্ডিয়া_ইমিগ্রেশন_সংক্রান্ত_নোটিশসকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ হতে অন্যান্য দেশের নাগরিকদের...
04/10/2025

#ইন্ডিয়া_ইমিগ্রেশন_সংক্রান্ত_নোটিশ

সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ হতে অন্যান্য দেশের নাগরিকদের জন্য ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে Arrival Card বাধ্যতামূলক করেছে The Bureau of Immigration (BOI)
যেভাবে Arrival Card পেতে পারেন-

>>> মোবাইল এপ 'Indian Visa Su-Swagatam' এর মাধ্যমে করতে পারবেন।
>>> ওয়েবসাইট- https://indianvisaonline.gov.in/earrival/ এর মাধ্যমে করতে পারবেন।
>>> QR Code এর মাধ্যমেও Arrival Card করা সম্ভব।
>>> এছাড়াও স্বশরীরে পৌছেও Arrival Card করতে পারবেন।

আপনার সার্বিক সহযোগিতার জন্য আমাদের প্রতিনিধি সর্বদা প্রস্তুত। তাই যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন।
ধন্যবাদ

মালয়েশিয়া 🇲🇾 টুরিস্ট ভিসা।বাংলাদেশীদের জন্য মালয়েশিয়া 🇲🇾 টুরিস্ট এখন খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ, যখন এত...
04/10/2025

মালয়েশিয়া 🇲🇾 টুরিস্ট ভিসা।

বাংলাদেশীদের জন্য মালয়েশিয়া 🇲🇾 টুরিস্ট এখন খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ, যখন এতো গুলো ভিসা একসাথে ৫দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। যে কেউ চাইলেই ঘরে বসে মালয়েশিয়া ই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

🏛️  ঢাকার ধানমন্ডির ইতিহাস / OLD DHANMONDI ||ঢাকা শহরের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও অভিজাত অঞ্চল ধানমন্ডি। আজ এটি আধুনিক নগরীর এ...
23/08/2025

🏛️ ঢাকার ধানমন্ডির ইতিহাস / OLD DHANMONDI ||

ঢাকা শহরের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও অভিজাত অঞ্চল ধানমন্ডি। আজ এটি আধুনিক নগরীর একটি ব্যস্ততম আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা হলেও এর ইতিহাস অনেক পুরনো, যা মুঘল আমল পর্যন্ত গড়ায়।
---

📜 ধানমন্ডি নামকরণের ইতিহাস :----

"ধানমন্ডি" নামটি এসেছে ধান + মণ্ডি থেকে। মুঘল আমলে এ অঞ্চল ছিল গ্রামীণ চরিত্রের, চারদিকে ধানক্ষেত, খাল-বিল ও ছোট ছোট গ্রামের সমাহার। এখানে প্রচুর ধান চাষ হতো, তাই জায়গাটির নাম হয়েছিল ধানমণ্ডি।

🌾 ধানমন্ডির নামকরণের ইতিহাস (বিস্তারিত)

১️⃣ ধান – উৎপত্তি ও গুরুত্ব

ঢাকা অঞ্চল একসময় ছিল নদীনির্ভর। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ,ধলেশ্বরীসহ অসংখ্য নদী ঘিরে তৈরি হয়েছিল এ জনপদ।

নদীর তীরে উর্বর পলি জমে এখানে প্রচুর কৃষিজমি তৈরি হয়েছিল। সেই জমিতে প্রধান শস্য হিসেবে ধান চাষ হতো।

ধান শুধু খাদ্য নয়, অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ছিল। মুঘল আমলে বাংলাকে বলা হতো "ধানের দেশ"। বাংলার ধান মুঘল রাজধানী দিল্লি ও আরও বহু জায়গায় রপ্তানি হতো।

ঢাকার আশপাশে ধান ছিল সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত শস্য। এই ধান সংগ্রহ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং কর ব্যবস্থার কারণে জায়গাগুলো নাম পেত ধানকেন্দ্রিক শব্দ থেকে।

২️⃣ "মণ্ডি" শব্দের অর্থ

"মণ্ডি" শব্দ এসেছে সংস্কৃত ও প্রাকৃত ভাষা থেকে, যার অর্থ বাজার বা সমাবেশস্থল। বাংলায় পরে এটি ব্যবহার হয়েছে "বাজার" বা "বড় আড়ত"-এর অর্থে।

বিশেষ করে কৃষিপণ্য কেনাবেচার কেন্দ্রকে বলা হতো "মণ্ডি"।

যেমন:

নারায়ণগঞ্জের "মণ্ডলপাড়া"

ঢাকার "শঙ্কার মণ্ডি"

কলকাতার "বড়বাজার মণ্ডি"

তাই "ধানমণ্ডি" শব্দের অর্থ দাঁড়ায় — ধানের বাজার বা ধান লেনদেনের কেন্দ্র।

৩️⃣ ধানমন্ডির অর্থ ও বাস্তবতা

মুঘল আমলে এখানে ধান চাষ ও ধান বেচাকেনার আড়ত বসত।

কৃষকরা আশপাশের জমি থেকে ধান নিয়ে আসত, আর এখানে বড় আকারে পাইকারি লেনদেন হতো।

ধীরে ধীরে জায়গাটি পরিচিত হয় ধানমন্ডাই নামে,আর ধানমন্ডাই থেকেই আজকের "ধানমণ্ডি"।

নামটি এতো জনপ্রিয় হয় যে, আধুনিক ঢাকা গড়ে ওঠার পরও সরকারি পরিকল্পনায় এই এলাকার নাম ধানমণ্ডি হিসেবেই বহাল থাকে।

---

📌 অর্থাৎ, ধানমণ্ডি মানে শুধু ধানক্ষেত নয়, বরং ধানকেন্দ্রিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক বাজারের ঐতিহাসিক প্রতিফলন।

---

🏞️ মুঘল আমলে ধানমন্ডি

মুঘল আমলে ঢাকা ছিল বাংলার রাজধানী। ধানমন্ডি তখন শহরের বাইরে গ্রামীণ অঞ্চল হিসেবেই পরিচিত ছিল।

এখানে ধানক্ষেত, খাল, পুকুর ও বাগানবাড়ি ছিল। ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ও জমিদার শ্রেণির অনেকে এ অঞ্চলে বসতি গড়ে তুলেছিল।

মুঘল আমলে ধানমন্ডি ছিল শান্ত, প্রাকৃতিক পরিবেশে ভরা, নগরীর কোলাহল থেকে দূরে এক শান্তিপূর্ণ বসতি।

---

🇬🇧 ব্রিটিশ আমলে ধানমন্ডি

ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকা শহর ধীরে ধীরে প্রসারিত হতে থাকে।

ধানমন্ডি ততদিনে নগরীর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়লেও তখনও বেশিরভাগ জায়গা ছিল কৃষিজমি, খাল-বিল আর গ্রামের মতো পরিবেশে ভরা।

ব্রিটিশরা মূলত অফিস, ব্যবসা-বাণিজ্য, ইউরোপীয় কায়দায় বসবাস পুরান ঢাকা, সাদার্ন অংশে গড়ে তুললেও ধানমন্ডি তেমন ছোঁয়া পায়নি।

---

🇵🇰 পাকিস্তান আমলে ধানমন্ডি

পাকিস্তান আমলে ঢাকা শহর নতুন করে গড়ে ওঠে। ঢাকার আধুনিক আবাসিক এলাকা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১৯৫০-এর দশকে ধানমন্ডি হাউজিং স্কিম তৈরি হয়।

ধানমন্ডি তখন শহরের প্রথম আধুনিক আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিতি পায়।

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, আমলা, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা ধানমন্ডিতে বাড়ি করতে শুরু করেন।

এ সময় ধানমন্ডি হয়ে ওঠে অভিজাত মহল্লা।

---

🕊️ স্বাধীনতা আন্দোলনে ধানমন্ডি

ধানমন্ডির ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে বঙ্গবন্ধুকে এখান থেকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানি সেনারা।

স্বাধীনতার পর ধানমন্ডি ৩২ পরিণত হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধে।

---

🏙️ আধুনিক ধানমন্ডি

আজকের ধানমন্ডি হলো ঢাকার অন্যতম অভিজাত ও ব্যস্ত নগরী।

এখানে রয়েছে আধুনিক শপিং মল, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটি), সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও ব্যবসায়িক হাব।

ধানমন্ডি লেক এলাকা আজ নগরবাসীর বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র।

একসময়কার ধানক্ষেতের অঞ্চল এখন আধুনিক ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

__________________

🌊 ধানমন্ডি লেকের ইতিহাস:---

ধানমন্ডি আজ ঢাকার প্রাণকেন্দ্র, আর ধানমন্ডি লেক এ এলাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নিদর্শন। তবে এই লেক কেবল একটি সৌন্দর্য্যবর্ধনকারী স্থান নয় — এর পেছনে আছে প্রায় ৪০০ বছরের ইতিহাস।

---

🏞️ মুঘল আমলে ধানমন্ডি লেকের উৎপত্তি

মুঘল আমলে ঢাকা ছিল বাংলার রাজধানী (১৬০৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে)।

সেই সময় শহরের চারপাশ দিয়ে পানি চলাচলের জন্য কৃত্রিম খাল ও লেক খনন করা হয়। ধানমন্ডি লেকও সেই সময়েরই সৃষ্টি।তবে এই খালটি বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে সংযুক্ত ছিলো।

আসলে এটি ছিল একটি খাল, উদ্দেশ্য ছিল—

শহরে সহজে নৌপথে যাতায়াত

কৃষিপণ্য পরিবহন

এবং শহরের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা।

---

🌳 পাকিস্তান আমলে ধানমন্ডি লেক

পাকিস্তান আমলে (১৯৫০-এর দশকে) ধানমন্ডি হাউজিং স্কিম চালু হয়। তখন লেকের চারপাশে পরিকল্পিতভাবে প্লট তৈরি করা হয়।

শহরের অভিজাত আবাসিক এলাকার মধ্যে লেককে রাখা হয় সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষার জন্য।

তবে ধীরে ধীরে বর্জ্য ফেলা, অবৈধ দখল ও অব্যবস্থাপনার কারণে লেক নষ্ট হতে শুরু করে।

---

🌿 ধানমন্ডি লেক থেকে ধানমন্ডি পার্ক

১৯৯০-এর দশকে সরকার সিদ্ধান্ত নেয় ধানমন্ডি লেককে আধুনিক পার্কে রূপান্তরিত করার।

১৯৯৮ সালে ধানমন্ডি লেক ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প শুরু হয়।

তৎকালীন সরকারের নির্দেশে এটি পুনর্নির্মাণ করা হয় এবং “ধানমন্ডি লেক পার্ক” নামে পরিচিতি পায়।

পার্কটি তৈরি করা হয় নাগরিকদের হাঁটা, ব্যায়াম ও বিনোদনের জন্য। আজ এটি ঢাকার অন্যতম জনপ্রিয় উন্মুক্ত স্থান।

ধানমন্ডি লেক শুধু একটি জলাশয় নয়; এটি ঢাকার ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মুঘলদের নৌপথ, পাকিস্তান আমলের পরিকল্পিত নগরায়ন, স্বাধীন বাংলাদেশের সৌন্দর্য বর্ধন — প্রতিটি যুগেই ধানমন্ডি লেক তার গুরুত্ব ধরে রেখেছে।

________________________

🚤 জাহাজ বাড়ির ইতিহাস:----

ধানমন্ডি লেকের পাশে একসময় ছিল একটি বিখ্যাত বাড়ি, যেটি স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিল “জাহাজ বাড়ি” নামে।

কারণ বাড়িটি ছিল একেবারে জাহাজের আকৃতিতে তৈরি।

এটি ছিল ধানমন্ডির অন্যতম আকর্ষণ, এবং অনেকেই লেক ভ্রমণে এ বাড়িটি দেখতে আসত।

বর্তমানে জাহাজ বাড়িটি নেই, তবে ধানমন্ডি লেকের ইতিহাসে এটি একটি অনন্য অধ্যায় হয়ে আছে।
_________________

---

🧭 উপসংহার

ধানমন্ডির ইতিহাস আসলে ঢাকারই ইতিহাস।
গ্রামীণ চরিত্রের এক কৃষিজ এলাকা থেকে ধানমন্ডি আজ পরিণত হয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক অঞ্চলের একটিতে। মুঘল আমল থেকে শুরু করে ব্রিটিশ, পাকিস্তান এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি যুগেই ধানমন্ডি নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে।

___________________________

লেখা-মো:নাঈম ভুইয়া ||
এডমিন-ঢাকার গণপরিবহন ||
___________________________

#ঢাকারগনপরিবহন #নাঈম

#ধানমন্ডি_লেক #ঢাকারইতিহাস

#ধানমন্ডির_ইতিহাস #ঢাকার_ঐতিহ্য

খুব শীঘ্রই বন্ধ হতে যাচ্ছে 🇲🇾 মালয়েশিয়ার টুরিস্ট ভিসা ।বাংলাদেশীদের সবচাইতে সহজে যদি কোন দেশ এখন টুরিস্ট ভিসা দেয় আর ...
28/07/2025

খুব শীঘ্রই বন্ধ হতে যাচ্ছে 🇲🇾 মালয়েশিয়ার টুরিস্ট ভিসা ।
বাংলাদেশীদের সবচাইতে সহজে যদি কোন দেশ এখন টুরিস্ট ভিসা দেয় আর সেটা হচ্ছে 🇲🇾 মালয়েশিয়া ।
কিন্তু প্রতিদিন দেখা যায় যে বাংলাদেশীদের মালয়েশিয়া এয়ারপোর্ট থেকে রিটার্ন করতেছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন ।
তার মধ্যে কিছু কারণ উল্লেখ করার চেষ্টা করলাম ।
১ - যথাযথ হোটেল বুকিং না দেখাতে পারা ঠিক যতদিন আপনি মালয়েশিয়া তে থাকবেন রিটার্ন টিকেট অনুযায়ী ঠিক এতদিন হোটেল বুকিং দেখানো লাগবে ।
২- কনফার্ম রিটান টিকেট এই বিষয়টা সবচাইতে জরুরী কনফার্ম রিটান টিকেট না করে ডেমো বা লাইভ এয়ার টিকেট নিয়ে আসে বাংলাদেশীরা এটা সবচাইতে বোকামি কারণ মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বাংলাদেশীদের কে সবচাইতে বেশি ডকুমেন্ট চেক করে ।
৩ - মালয়েশিয়া তে অবস্থানরত কিছু এজেন্সি আছে যারা এয়ারপোর্ট কন্টাক করে মালয়েশিয়া তে লোক আনতেছে টুরিস্ট ভিসাতে আর যারা অবৈধভাবে মালয়েশিয়াতে থেকে যাচ্ছে এরা তো নিজের ক্ষতি করতেছে সাথে বাংলাদেশী সত্যিকারের ভ্রমণকারী দের ওহ ক্ষতি করতেছে ।
যাদের মালয়েশিয়া ভিসা আছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মালয়েশিয়া ভ্রমণ করে ফেলুন ।

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেতো।স...
17/06/2025

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেতো।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করতো।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি আরশোলাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই আরশোলাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারতো।

আরশোলাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই আরশোলাটির মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে আরশোলাটি তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই আরশোলার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারালো?

ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।

শিক্ষাঃ
অতিরিক্ত ম্যানেজমেন্ট, অপ্রয়োজনীয় মিটিং ও কাগজপত্র আসল কর্মদক্ষতা নষ্ট করে। যারা কাজ করে, তাদের গুরুত্ব না দিলে প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবশেষে বলির পাঁঠা হয় সেই নিষ্ঠাবান কর্মী, যে একসময় অফিসের আসল চালিকাশক্তি ছিল।

Collected # An Animesh

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এক যুদ্ধবিমান সাহারা মরুভূমিতে ভেঙে পড়ে। পাইলট প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু চারদিকে শুধু ধু-ধু বালি...
06/05/2025

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এক যুদ্ধবিমান সাহারা মরুভূমিতে ভেঙে পড়ে। পাইলট প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু চারদিকে শুধু ধু-ধু বালির সমুদ্র আর ঝলসানো রোদ। খাবার নেই, পানি নেই — কেবল এক বোতল পানি আর কিছু শুকনো বিস্কুট।

তিনদিনের মাথায় তার পানি ফুরিয়ে যায়। প্রচণ্ড রোদ, পানির অভাব আর একাকীত্বের ভারে সে প্রায় মৃত্যুর মুখে। ঠিক তখনই মনে পড়ে — পাইলট হওয়ার আগে সে ছিল একজন শিল্পী। পকেটে ছিল একটি পেন্সিল আর ভাঙা একটা চশমা। মরুভূমির বালুর ওপর সে আঁকতে শুরু করে — তার পরিবার, শহর, রাস্তা আর টলমলে পানি!

জানি সে বাঁচবে না, তবু শেষ মুহূর্তগুলোতে সে তার স্মৃতি ধরে রাখতে চায়। অবাক করা বিষয়, ছবি আঁকতে আঁকতে তার তৃষ্ণা কিছুটা কমে যায়, মন শান্ত হয়ে আসে। সে ভাবল, "আমি এখনো বেঁচে আছি। স্বপ্ন দেখতে পারি মানে এখনো হার মানিনি।"

অষ্টম দিনে এক ফরাসি উদ্ধারকারী দল তাকে খুঁজে পায়। তারা দেখে — কঙ্কালসার দেহ, ফেটে যাওয়া ঠোঁট, ক্লান্ত চোখ — কিন্তু সেই পাইলট তখনো বালিতে ছবি আঁকছে, যেন কোনো মন্ত্রমুগ্ধ শিল্পী!

উদ্ধারের পরে পাইলট বলেছিল, "আমি টিকে ছিলাম, কারণ আমি বিশ্বাস হারাইনি। আমার ভাঙা চশমা আর এক টুকরো পেন্সিলও আমাকে মরুভূমিতে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।”

শিক্ষা: জীবন অনেক কিছু কেড়ে নিতে পারে, কিন্তু আপনার বিশ্বাস কেড়ে নিতে পারে না। যদি আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস রাখেন, কেউ আপনাকে হারাতে পারবে না।

ধানমণ্ডির জাহাজ বাড়ি: ইতিহাস, রহস্য এবং ভাঙনের গল্পধানমণ্ডির লেকপাড়ের পরিচিত দৃশ্য ছিল এক ব্যতিক্রমধর্মী স্থাপত্য — ‘জাহ...
05/05/2025

ধানমণ্ডির জাহাজ বাড়ি: ইতিহাস, রহস্য এবং ভাঙনের গল্প

ধানমণ্ডির লেকপাড়ের পরিচিত দৃশ্য ছিল এক ব্যতিক্রমধর্মী স্থাপত্য — ‘জাহাজ বাড়ি’। জাহাজের মতো দেখতে এই বাড়িটি একসময় দর্শনার্থীদের কৌতূহল আর মুগ্ধতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটি হারিয়ে গেছে কেবল স্মৃতির পাতায়। কেন এই বাড়ি ভেঙে ফেলা হলো? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ভেঙে ফেলার প্রধান কারণ

বহুতল ভবন নির্মাণ পরিকল্পনা:
জাহাজ বাড়ির বর্তমান মালিকপক্ষ সিদ্ধান্ত নেন সেখানে আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের। ভবিষ্যতে সেখানে আবাসিক ফ্ল্যাট, রেস্টুরেন্ট, সুইমিং পুলসহ নানা সুবিধাযুক্ত একটি আধুনিক কমপ্লেক্স গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

ব্যক্তিগত মালিকানা ও উন্নয়ন:
১৫.৮১ কাঠার এই জমি ও স্থাপনাটি ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তি মালিকানাধীন। মালিকের নিজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ভবনটি ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারি কোনো সরাসরি হস্তক্ষেপ না থাকায় এটি সহজেই কার্যকর হয়।

বাড়িটির ইতিহাস ও রহস্য

নাম ও গঠন:
মূল নাম ছিল "চিশতিয়া প্যালেস"। তবে এর অনন্য নকশা — যা একটি বিশাল জাহাজের মতো দেখতে ছিল — এর জনপ্রিয় নাম "জাহাজ বাড়ি" হয়ে দাঁড়ায়। ভবনটির সম্মুখভাগে নৌকার নকশা এবং পেছনে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরের ছাদ আকৃতির অবকাঠামো ছিল, যা দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করত।

মালিকের পরিচয়:
বাড়িটির মালিক ছিলেন প্রয়াত একেএম আনোয়ারুল হক চৌধুরী (শের এ খাজা), যিনি ছিলেন একজন আধ্যাত্মিক নেতা এবং চিশতিয়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা। তার ধর্মীয় অনুরাগ এবং নকশার অভিনব চিন্তাধারা এই বাড়ির স্থাপত্যে প্রতিফলিত হয়েছিল।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া

জাহাজ বাড়ি ভেঙে ফেলার খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানান প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেন এবং এমন একটি বৈচিত্র্যময় স্থাপত্য সংরক্ষণের দাবিও তোলেন। অনেকেই মনে করেন, রাজধানীতে এমন ইউনিক স্থাপত্য খুব কমই ছিল, এবং এটি ধ্বংস হওয়ায় শহর হারিয়েছে তার একটি বিশেষ চিহ্ন।

অতীতের স্মৃতি

ধানমণ্ডি লেকে হাঁটতে বের হওয়া মানুষেরা একসময় জাহাজ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতেন, গল্প করতেন। বাড়িটির রহস্যময় নকশা এবং পরিবেশ এক অদ্ভুত মোহ তৈরি করত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটি কেবল ধোঁয়াটে স্মৃতিতে রয়ে গেছে।

©

Address

Tejgaon
Dhaka
1208

Telephone

+8801688530069

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Herok The Explorer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Herok The Explorer:

Share