Al Abrar Hajj Kafela Travels & Tours

Al Abrar Hajj Kafela Travels & Tours Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Abrar Hajj Kafela Travels & Tours, Travel Company, মেট্রো স্টেশন ৫৬-৫৭ শরীফ ম্যানশন ৪র্থ তলা মতিঝিল ঢাকা ১০০০।, Dhaka.

চট্টগ্রাম থেকে পবিত্র ভূমিতে হজ্জ ও ওমরাহর স্বপ্ন পূরণ করুন আল-আবরার হজ্ব কাফেলার সাথে। অভিজ্ঞ গাইড, সুবিধাজনক হোটেল, ট্রান্সপোর্টেশন সহ সাশ্রয়ী প্যাকেজে হজ্জ ও ওমরাহ পালন করতে আজই যোগাযোগ করুন।

পাহাড়ের নাম ‘জাবালে রহমত’ বা করুণার পাহাড়। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মহামিলন মেলা আর ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এক পুণ্যভূমি—আরাফাতের ...
24/05/2026

পাহাড়ের নাম ‘জাবালে রহমত’ বা করুণার পাহাড়। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মহামিলন মেলা আর ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এক পুণ্যভূমি—আরাফাতের ময়দান। যেখানে সাদা কাপড়ের ইহরাম পরে লাখ লাখ মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে মহান রবের দরবারে হাত তুলে অশ্রুসজল চোখে ক্ষমা ভিক্ষা করেন।এখানে নেই কোনো রাজা-প্রজা, নেই কোনো ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ। সবার মুখে একটাই ধ্বনি— "লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক" (আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত)।হজ পালনের মূল আনুষ্ঠানিকতা এই আরাফাতের ময়দানকে ঘিরেই।

নবীজি (সা.) বলেছিলেন, "আল-হাজ্জু আরাফাহ" অর্থাৎ আরাফাতে অবস্থান করাই হলো হজ। এই সেই ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে দাঁড়িয়ে আমাদের প্রিয় নবী (সা.) তাঁর বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন এবং দ্বীন ইসলামের পূর্ণতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।প্রতিটি মুমিনের হৃদয়ের আকুতি যেন অন্তত একবার হলেও এই পুণ্যভূমিতে উপস্থিত হতে পারেন। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এই পাহাড়ের প্রতিটি ধূলিকণা যেন সাক্ষী দেয় মানুষের আকুলতা আর আল্লাহর অসীম দয়ার

হে আল্লাহ! আমাদের সবার কবুল হজ নসিব করুন এবং বারবার আপনার ঘর ও এই পবিত্র ভূমি জিয়ারত করার তৌফিক দান করুন।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বরকাতুহু ¡সম্মানিত হাজী সাহেবগণ, আপনাদের মূল হজ্জের প্রস্তুতি  হিসেবে বেশি দোয়া কর...
24/05/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বরকাতুহু ¡

সম্মানিত হাজী সাহেবগণ, আপনাদের মূল হজ্জের প্রস্তুতি হিসেবে বেশি দোয়া করবেন যেন আল্লাহ পাক আপনাদের শারীরিক সুস্থতা, মানসিক শক্তি ও ধৈর্যের সহিত হজ্জব্রত পালনের তৌফিক দান করেন ও সহজ করে দেন।
মিনা, আরফা ও মুযদালিফা
প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র গুছিয়ে নিবেন ৬ জিলহজ্জ মধ্যে, ৭ জিলহজ রাতে মিনার তাবুতে অবস্থানের জন্য রওনা হবেন ইনশাআল্লাহ।

১.নূসক কার্ড ও বাংলাদেশ হজ্জ মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত কার্ড, হাতের বেল্টসমূহ।
২. অতিরিক্ত এক সেট ইহরাম কাপড় / মা বোনেরা এক সেট স্বাভাবিক পোষাক কাপড়।
3. অতিরিক্ত এক জোড়া স্পঞ্জ বা সেন্ডেল
4. পাতালা জায়নামাজ
5. মিসওয়াক
6. বেড সিঙ্গেল /বিছানার চাদর( মুযদালিফা ময়দানের জন্য (
7. ছাতা
8. সান গ্লাস
9. মোবাইল চার্জার
10. প্রয়োজনীয় ঔষধ ( পাচ দিনের জন্য)
11. গন্ধহীন সাবান
12. হালকা কিছু শুকনো খাবার
13.ছোট কয়েক বোতল বিশুদ্ধ খাবার পানি।

আল্লাহ পাক হাজী সাহেবদের হজ্জকে মাবরুর হিসেবে কবুল করুন।

আসসালামু আলাইকুম 🕋 হজ্জ্ব ইফরাদ, হজ্জ্ব তামাত্তু ও হজ্জ্ব কিরান—পার্থক্য কী?💠 অনেক হাজী ভাই-বোনের মনেই প্রশ্ন থাকে, হজ্জ...
24/05/2026

আসসালামু আলাইকুম
🕋 হজ্জ্ব ইফরাদ, হজ্জ্ব তামাত্তু ও হজ্জ্ব কিরান—
পার্থক্য কী?

💠 অনেক হাজী ভাই-বোনের মনেই প্রশ্ন থাকে, হজ্জ্বের এই তিন ধরনের মধ্যে আসলে পার্থক্য কোথায়? কোনটিতে কী করতে হয়? চলুন সহজভাবে জেনে নেই।

━━━━━━━━━━━━━━━

🌙 ১. হজ্জ্ব ইফরাদ (إفراد)

এখানে শুধু হজ্জ্বের নিয়ত করা হয়। উমরাহ করা হয় না।

📌 পদ্ধতি:
• মীকাত থেকে শুধু হজ্জ্বের ইহরাম বাঁধবেন
• সরাসরি হজ্জ্বের আমল আদায় করবেন
• কুরবানী ওয়াজিব নয়
• হজ্জ্ব শেষে ইহরাম খুলবেন

📖 কারা বেশি করে থাকেন?
সাধারণত মক্কার বাসিন্দারা অথবা যারা আলাদা উমরাহ করতে চান না।

✅ বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
সবচেয়ে সহজ ও সংক্ষিপ্ত ধরনের হজ্জ্ব।

━━━━━━━━━━━━━━━

🌙 ২. হজ্জ্ব তামাত্তু (تمتع)

এটি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ও সহজ পদ্ধতি।

📌 পদ্ধতি:
• প্রথমে উমরাহর নিয়তে ইহরাম বাঁধবেন
• উমরাহ শেষ করে চুল কেটে ইহরাম খুলে ফেলবেন
• এরপর ৮ জিলহজ্জে আবার হজ্জ্বের জন্য নতুন ইহরাম বাঁধবেন
• কুরবানী ওয়াজিব

📖 কারা বেশি করেন?
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের অধিকাংশ হাজী এই পদ্ধতিতে হজ্জ্ব করেন।

✅ বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
উমরাহ ও হজ্জ্ব আলাদা আলাদা ভাবে আদায় করা হয়, মাঝখানে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকা যায়।

━━━━━━━━━━━━━━━

🌙 ৩. হজ্জ্ব কিরান (قران)

এখানে একই ইহরামে উমরাহ ও হজ্জ্ব একসাথে আদায় করা হয়।

📌 পদ্ধতি:
• মীকাত থেকে উমরাহ ও হজ্জ্ব উভয়ের নিয়ত করবেন
• পুরো সময় একই ইহরামে থাকবেন
• উমরাহ শেষে ইহরাম খুলবেন না
• হজ্জ্ব শেষ হওয়ার পর ইহরাম খুলবেন
• কুরবানী ওয়াজিব

📖 বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
সবচেয়ে বেশি কষ্টসাধ্য, কারণ দীর্ঘ সময় ইহরামের বিধিনিষেধ মানতে হয়।

━━━━━━━━━━━━━━━

📌 সংক্ষেপে পার্থক্য

🔹 ইফরাদ → শুধু হজ্জ্ব
🔹 তামাত্তু → আগে উমরাহ, পরে হজ্জ্ব (দুই ইহরাম)
🔹 কিরান → একই ইহরামে উমরাহ + হজ্জ্ব

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 কোন হজ্জ্ব উত্তম?

✅ অনেক আলেমের মতে, সাধারণ বিদেশি হাজীদের জন্য হজ্জ্ব তামাত্তু সবচেয়ে সহজ ও উত্তম। কারণ রাসূল ﷺ সাহাবীদের অধিকাংশকে এ পদ্ধতির নির্দেশ দিয়েছিলেন।

তবে তিনটিই সহিহ ও শরিয়তসম্মত হজ্জ্বের পদ্ধতি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে মক্কা-মদিনার মেহমান হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন। 🤍🕋

------------------------------
#হজ্জ্ব #হজ্জ্ব_ইফরাদ #হজ্জ্ব_তামাত্তু
#হজ্জ্ব_কিরান


±8801888177775
±8801757375797

একটি ভুল ধারণা : হজ্বে কি মহিলাদের পর্দা করতে হয় না?মক্কায় এক ভাই বলছিলেন, তার এক আত্মীয়া বাড়িতে খুব গুরুত্বের সঙ্গে...
24/05/2026

একটি ভুল ধারণা : হজ্বে কি মহিলাদের পর্দা করতে হয় না?

মক্কায় এক ভাই বলছিলেন, তার এক আত্মীয়া বাড়িতে খুব গুরুত্বের সঙ্গে পর্দা করেন, শুধু নামের পর্দা নয়, শরয়ী পর্দা। কিন্তু হজ্ব করতে এসে পর্দা বাদ দিয়েছেন। তার কথা এই যে, ‘হজ্বের সময় মেয়েদের পর্দা করা লাগে না।’ অনেক দ্বীনদার মহিলা এ ধারণা পোষণ করেন। কিন্তু এটা ঠিক নয়। এটা একটা ভুল ধারণা। ইহরামের হালতেও গায়রে মাহরামের সঙ্গে মেয়েদের পর্দা করা অপরিহার্য। এটা ঠিক যে, ইহরামের হালতে মুখমন্ডলে কাপড় লাগানো নিষেধ, কিন্তু মুখে কাপড় লাগানো এবং গায়রে মাহরামের সামনে ইচ্ছা করে মুখ খোলা রাখা এক বিষয় নয়।

হযরত আয়েশা রা. বলেন, ইহরামের হালতে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। লোকেরা যখন আমাদের নিকট দিয়ে অতিক্রম করত তো আমরা আমাদের চাদর মাথার সামনে ঝুলিয়ে দিতাম। চলে যাওয়ার পর সরিয়ে ফেলতাম। (আবূ দাঊদ : ১৮৩৩, আহমাদ : ২৪০২১, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী : ৯০৫১, ইবনু মাজাহ : ২৯৩৫, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ : ২৬৯১)

এরপর মুখে কাপড় না লাগানোর বিধান তো শুধু ইহরামের হালতে প্রযোজ্য। উমরায় খুব বেশি হলে এক দুই দিন এবং হজ্বে তিন চার দিন। (তবে যদি কেউ ইফরাদ বা কিরানের নিয়তে ইহরাম বাঁধে তার বিষয় ভিন্ন) এই দিনগুলো ছাড়া যারা বেপর্দা ঘুরাফেরা করে তাদের তো ইহরামেরও অজুহাত নেই।

তাছাড়া মদীনা মুনাওয়ারার সফরে তো ইহরামের প্রশ্ন নেই। এই সফরে এবং মদীনা মুনাওয়ারায় অবস্থানের দিনগুলোতে মুখ খুলে রাখা এবং সকল গায়রে মাহরামকে মাহরাম মনে করা অবশ্যই অজ্ঞতার পরিচায়ক এবং অযথা গুনাহগার হওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। এই মোবারক সফরের পূর্ণ বরকত লাভের জন্য সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি। (কিতাবুল হজ্ব; পৃ. ২৮-২৯)

সূত্র : মাসিক আল-কাউসার (মুহাররম, ১৪৩০)@

ইনশাআল্লাহ,আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। আগামীকাল এমন এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হবে, যার সৌন্দর্য...
24/05/2026

ইনশাআল্লাহ,
আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। আগামীকাল এমন এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হবে, যার সৌন্দর্য পৃথিবীর অন্য কোনো কিছুর সাথেই তুলনা করা সম্ভব নয়। সারা বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসা চেনা-অচেনা, ধনী-দরিদ্র, বর্ণ ও ভাষা নির্বিশেষে সব ভেদাভেদ ভুলে একই রঙের ইহরাম পরিধান করবেন। সমবেত হবেন মহান আল্লাহর দরবারে এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হজের নির্ধারিত হুকুম-আহকামগুলো পালন করবেন, সুবহানাল্লাহ!

বিশেষ করে মিনায় অবস্থান (কিয়াম) এবং হজের মূল রোকন আরাফাতের ময়দানে অবস্থান (ওকুফ)—লাখো হাজীর কণ্ঠে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠবে। পবিত্র মিনা ও আরাফাতের এই মহাসমাবেশ যেন এক টুকরো হাশরের ময়দান, যেখানে সবাই মহান রবের দরবারে ক্ষমাপ্রার্থনায় মশগুল থাকবেন। আল্লাহ তাআলা সকল হাজীর হজকে 'হজ্জে মাবরুর' হিসেবে কবুল করুন। আমিন।

⭕ আমাদের বাংলাদেশে ইয়াওমুল আরাফাহ তথা আরাফার দিবসের রোজা ৯ ই যিলহজ্ব, ৮ ই যিলহজ্ব নয়৷ তাই এই প্রসঙ্গে কয়েকটি পয়েন্ট উপস্...
24/05/2026

⭕ আমাদের বাংলাদেশে ইয়াওমুল আরাফাহ তথা আরাফার দিবসের রোজা ৯ ই যিলহজ্ব, ৮ ই যিলহজ্ব নয়৷ তাই এই প্রসঙ্গে কয়েকটি পয়েন্ট উপস্থাপণ করা হলোঃ-

(১) আরাফার রোজা আরাফার ময়দানে অবস্থানের সাথে সম্পর্কিত নয়৷ যদি তাই হতো, তাহলে হাজী সাহেবদের জন্যেও এই রোযার বিধান থাকত৷ অথচ হাজী সাহেবদের জন্য এই দিনে রোজা রাখার কোনো বিধান নেই৷ এই রোজাটি সাধারন মানুষদের জন্য প্রযোজ্য যারা কিনা হজ্ব করতে যান নি।

(২) আরাফার দিবসের রোজা যদি আমাদের দেশ অনুযায়ী ৮ যিলহজ্বই হতো, তাহলে তাকবীরে তাশরীক তো এই দিনের ফজর থেকেই শুরু হওয়ার কথা ছিলো৷ অথচ তাকবীরে তাশরীক শুরু হয় ৯ যিলহজ্ব ফজর থেকে।

🔲 আলী রা. থেকে বর্ণিত তিনি ৯ যিলহজ্ব আরাফার দিন ফজর থেকে ১৩ যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত তাকবীরে তাশরীক বলতেন৷ [মুসান্নাফ আবী শাইবা- ৫৬৭৭, ৫৬৭৮ সনদ সহীহ]

(৩) আরাফার দিবস যদি আমাদের দেশ অনুযায়ী ৮ যিলহজ্ব পালন করা হয়, আর ১০ যিলহজ্ব যদি কুরবানি করা হয়, তাহলে ৯ যিলহজ্ব তথা বুধবার দিনটি কোন দিবস? এখানে ৯ যিলহজ্ব তারিখটি মধ্যখানে গ্যাপ থেকে যাচ্ছে না.??

(৪) সৌদি আরবের সাথে মিলিয়ে আরাফার রোজা রাখলে যেসব দেশ সৌদি আরবের পশ্চিমে অবস্থিত, তাদের চাঁদ তো একদিন আগে আকাশে উদিত হয়, অর্থাৎ সৌদি আরবের ৯ যিলহজ্ব তথা আরাফার দিন তো তাদের ওখানে ১০ যিলহজ্ব হয়৷ আর ১০ যিলহজ্ব রোজা রাখা তো সর্বসম্মতিক্রমে হারাম৷ তাহলে ওই দেশসমূহের তো সৌদির সাথে মিল রেখে আরাফার রোযা রাখা সম্ভব হচ্ছে না.!!

⭕ খোদ আরব বিশ্বের শীর্ষ আলেমের মতামত দেখুন-

আরব বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ আলেম শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল উসায়মীন রহ. এ ব্যাপারে বলেন- ‘চাঁদের বিষয় নিয়ে আলেমদের মধ্যে ইখতিলাফ রয়েছে। তিনি অন্যান্য সিয়ামের মত আরাফার সিয়ামকেও নিজ নিজ দেশের ৯ তারিখ অনুযায়ী রাখার মতকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং আম দলীল পেশ করেছেন৷ [মাজমূআ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল: ২০/২৮]

[সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আরাফার রোজা পালনের প্রবক্তাদের সামনে ইতমামে হুজ্জাত তথা চূড়ান্ত প্রামাণ্য উপস্থাপনের জন্য শায়খ ইবনু উসাইমীনের মতামত তুলে ধরলাম৷ কেননা সালাফি ভাইয়েরা শায়খের মতামতকে অগ্রগণ্য মনে করেন]

🔲 মোটকথা আমাদের দেশে চাঁদ দেখা অনুযায়ী যিলহজ্ব মাসের ৮ তারিখকে আরাফার দিবস বলে গণ্য করা হলে মাসআলাগত দিক দিয়ে অনেক প্রশ্নই সামনে এসে যায়, যার সমাধান করা অনেক জটিল এবং দুরূহ ব্যাপার.!!

⭕ তাই প্রত্যেকের জন্য নিজ নিজ দেশের চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করেই ৯ই যিলহজ্ব তারিখে আরাফার রোজাটি রাখা উচিত এবং সর্বোত্তম বলে মনে করি সুতরাং আপনারা সকলেই আগামী মঙ্গলবার রাতে সাহরী খেয়ে ২৭ শে মে (বুধবার) দিন আরাফার রোজাটি রাখবেন ইন শা আল্লাহ।

আসসালামু আলাইকুম মিনার লক্ষ লক্ষ সাদা তাঁবুর সমুদ্র দূর থেকে দেখতে যতটা মোহনীয় লাগে, এর ভেতরের বাস্তব দুনিয়াটা কিন্তু সম...
24/05/2026

আসসালামু আলাইকুম
মিনার লক্ষ লক্ষ সাদা তাঁবুর সমুদ্র দূর থেকে দেখতে যতটা মোহনীয় লাগে, এর ভেতরের বাস্তব দুনিয়াটা কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর শুরু হতে যাওয়া এই ৫টি দিন আসলে আপনার হজের সবচেয়ে বড় আত্মিক এবং মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা।
হাঁ, মাত্র ১.৫ থেকে ২ ফিটের একটা সোফা-বেড, মাইলের পর মাইল একই রকম দেখতে তাঁবু আর প্রখর রোদে লাখো মানুষের ভিড়। মে মাসের এই সময়ে মক্কার তাপমাত্রা এখন ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে নিজের শরীরকে সুস্থ রাখা এবং মনকে শান্ত রেখে ইবাদতে ডুবে থাকা এক বিরাট লড়াই।
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে হজের এই সফরের মূল মনস্তাত্ত্বিক রহস্যটা আগেই বলে দিয়েছেন:
> "হজ হয় নির্দিষ্ট কয়েকটি মাসে। সুতরাং যে এই মাসগুলোতে নিজের ওপর হজ অবধারিত করে নিল, সে যেন হজের সময় কোনো অশ্লীল কাজ, পাপকাজ এবং ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত না হয়।" (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৯৭)
>
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করল এবং কোনো অশ্লীল ও গুনাহের কাজ করল না, সে যেন সদ্যভূমিষ্ঠ শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে এলো।" (সহীহ বুখারী, হাদিস: ১৫২১)
আসল বিষয় হলো, মিনায় আপনার হজের সফলতা নির্ভর করছে ইবাদতের পাশাপাশি আপনার ধৈর্যের ওপর। মিনার তাঁবুতে কাটানো দিনগুলোকে সহজ ও বরকতময় করতে কিছু অত্যন্ত প্র্যাক্টিক্যাল লাইফ-হ্যাকস নিচে দেওয়া হলো:
# # # ১. পৌঁছানোর সাথে সাথে প্রথম ৩টি জরুরি পদক্ষেপ
* **লোকেশন পিন করুন এখনই:** তাঁবুতে পা দিয়েই প্রথম কাজ—Google Maps-এ আপনার বর্তমান লোকেশনটি পিন বা সেভ করে নিন। মিনার সব তাঁবু দেখতে হুবহু এক। এই একটি অসতর্কতা আপনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রখর রোদে নিখোঁজ করে দিতে পারে।
* **মাকতাব নম্বর ও রিস্টব্যান্ড:** আপনার তাঁবুর পিলার বা প্রবেশদ্বারে থাকা মাকতাব নম্বর (Maktab Number) এবং রাস্তার নম্বরটি ফোনে ছবি তুলে রাখুন। সৌদি সরকার বা আপনার এজেন্সির দেওয়া রিস্টব্যান্ডটি ভুলেও হাত থেকে খুলবেন না।
* **জায়গা নির্বাচন ও মালামাল রাখা:** পৌঁছানোর পর আপনার নির্ধারিত জায়গাটিতে ব্যাকপ্যাক রেখে স্থান নিশ্চিত করুন। সম্ভব হলে টয়লেট বা রান্নার জায়গার একদম কাছের স্পটগুলো এড়িয়ে চলুন, কারণ সেখানে মানুষের যাতায়াত ও শব্দ বেশি হয়।
# # # ২. মিনার দিনগুলোর জন্য কিছু লাইফ-হ্যাকস
* **ল্যাগেজ যত সম্ভব হালকা রাখুন:** মিনায় বড় ট্রলি বা স্যুটকেস নেওয়ার ভুল করবেন না, কারণ সেগুলো রাখার মতো অতিরিক্ত কোনো জায়গা থাকে না। আপনার বিছানার নিচেই বা পায়ের কাছেই ব্যাগ রাখতে হবে। ৪-৫ দিনের জন্য শুধু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র একটি ছোট ব্যাকপ্যাকে নিয়ে যান।
* **টয়লেট ম্যানেজমেন্ট (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ):** মিনায় টয়লেটের সংখ্যা সীমিত এবং শত শত মানুষের লাইন থাকে। নামাজের ঠিক ১০-১৫ মিনিট আগে অজু বা টয়লেটে যাওয়ার চেষ্টা না করে, অন্তত ১ ঘণ্টা আগে কাজ সেরে নিন। গোসলের জন্য ৫ মিনিটের বেশি সময় পাবেন না, তাই দ্রুত কাজ শেষ করার মানসিকতা রাখুন।
* **সুগন্ধহীন প্রসাধন ব্যবহার:** ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহার নিষিদ্ধ। তাই ব্যাগে অবশ্যই Unscented (সুগন্ধহীন) সাবান, শ্যাম্পু এবং ওয়েট টিস্যু রাখবেন। প্রচণ্ড গরমে ফ্রেশ হতে সুগন্ধহীন বেবি ওয়াইপস চমৎকার কাজ করে।
* **হাইড্রেশন ও রোদ থেকে বাঁচা:** হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে দিনে প্রয়োজন ছাড়া তাঁবুর বাইরে রোদে যাবেন না। প্রচুর পানি, ওআরএস (ORS) এবং ল্যাবানের (Labane) মতো তরল খাবার খান।
# # # ৩. আপনার কুইক চেকলিস্ট
* **নথিপত্র:** Nusuk Smart Card, রিস্টব্যান্ড, এজেন্সির কার্ড (হারিয়ে গেলে ক্যাম্পে ফিরতে সাহায্য করবে)।
* **ওষুধপত্র:** প্যারাসিটামল, ওআরএস, ওরাল স্যালাইন, ব্যথানাশক স্প্রে (ক্লান্তিজনিত অসুস্থতার তাৎক্ষণিক উপশমে)।
* **পোশাক ও জুতো:** ঢিলেঢালা সুতি পোশাক (ইহরাম খোলার পর ব্যবহারের জন্য), আরামদায়ক স্যান্ডেল (জামারাতে পাথর মারার জন্য দৈনিক ৩-৫ কিলোমিটার হাঁটার সুবিধার জন্য)।
একটু ভেবে দেখুন, এই ভিড়, এই সংকীর্ণতা আর কষ্টগুলো আসলে আমাদের ভেতরের অহংকারকে চূর্ণ করার জন্য আল্লাহর এক বিশেষ আয়োজন। যে মানুষটি হয়তো নিজের বাড়িতে রাজকীয়ভাবে ঘুমান, তাকে আল্লাহ আজ ১.৫ ফিটের একটা ম্যাট্রেসে এনেছেন—যাতে তিনি বুঝতে পারেন দুনিয়ার এই জীবনের আসল রূপটা কী।
স্থান সংকুলান বা খাবারের সামান্য ত্রুটি নিয়ে অন্য হাজীদের সাথে বা এজেন্সির সাথে তর্কে জড়িয়ে নিজের কোটি টাকার ইবাদত নষ্ট করবেন না। হজের মূল নামই হলো "সবর" বা ধৈর্য।
আপনার পরিচিত বা পরিবারের কেউ কি এবার হজে গিয়েছেন? অথবা যারা আজ মিনায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের সাথে এই জরুরি পরামর্শগুলো শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কোনো আল্লাহর বান্দাকে মিনার এই কঠিন সফরে শান্ত থাকতে এবং তার হজকে ত্রুটিমুক্ত করতে সাহায্য করবে।
আল্লাহ আমাদের সকল হাজীদের হজকে 'হজে মাবরুর' হিসেবে কবুল করুন। আমিন।

আলহামদুলিল্লাহ 🕋 হজ্জের ইমাম ২০২৬ 🕋রাজকীয় সৌদি সরকার ঘোষণা করেছে—✨ সম্মানিত শাইখ ড. আলী ইবনে আব্দুর রহমান আল-হুযাইফী 🌙 ...
24/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ
🕋 হজ্জের ইমাম ২০২৬ 🕋
রাজকীয় সৌদি সরকার ঘোষণা করেছে—
✨ সম্মানিত শাইখ ড. আলী ইবনে আব্দুর রহমান আল-হুযাইফী 🌙 ইমাম ও খতিব, মসজিদে নববী, মদিনা মুনাওয়ারা
তিনি ২০২৬ সালের পবিত্র হজ্জের আরাফার ময়দানে খুতবা প্রদান করবেন, ইনশাআল্লাহ।
🤲 আল্লাহ তাআলা আরাফার মাঠে আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমীন يا رب العالمين।

আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত হাজীগণ,সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এসে গেছে…আর কিছুক্ষণের মধ্যেই, ইনশাআল্লাহ, আপনারা জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ...
24/05/2026

আসসালামু আলাইকুম
সম্মানিত হাজীগণ,
সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এসে গেছে…
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই, ইনশাআল্লাহ, আপনারা জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সফর, সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সৌভাগ্যের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

এখন পর্যন্ত যে ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে, যে দুর্বলতাগুলো অনুভব করছেন—সেগুলো আপাতত একপাশে রেখে দিন।
নিজের হৃদয়, আত্মা এবং সমস্ত শক্তিকে হজের আনুষ্ঠানিকতাসমূহ পালনের জন্য একাগ্র করে নিন।

মিনায় রওনা হওয়ার আগে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন। গোসল করুন, ইহরাম পরিধান করুন, নিয়ত করুন এবং ধৈর্যের সাথে নিজের পালার অপেক্ষা করুন।
অনেক ধৈর্য ধরুন…
কারণ হজ হলো ধৈর্য, সহনশীলতা ও তাওয়াক্কুলের নাম।

হজকে ইসলামের স্তম্ভসমূহের মধ্যে পঞ্চম স্থানে রাখা হয়েছে এজন্য যে, এর পূর্বের সব স্তম্ভ মানুষকে এই মহান ইবাদতের উপযুক্ত করে তোলে।
কালিমা, সালাত, সাওম ও যাকাত—যখন এগুলো আত্মার গভীরে প্রবেশ করে, তখনই হজ তার প্রকৃত স্বাদ ও অবস্থায় নসীব হয়।

নিজের কালিমাকে হৃদয় ও প্রাণ দিয়ে আঁকড়ে ধরুন।
আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
তিনি আপনাকে দেখছেন।
আপনার ক্লান্ত পদক্ষেপ, শুকনো কণ্ঠ, ঘাম, কষ্ট, অস্বস্তি—সবই তাঁর জ্ঞাত।
সাহায্য একমাত্র সেই রবের কাছেই চান।

আর স্মরণ রাখুন…
মুহাম্মাদ ﷺ সেই নবী, যিনি কঠিনতম কষ্টের মধ্যেও হজ আদায় করেছেন।
এই পথে আসা প্রতিটি কষ্ট, প্রতিটি পরীক্ষা—ইনশাআল্লাহ আপনার জন্য কল্যাণ ও সওয়াবের কারণ হবে।

নামাজের প্রতি বিশেষ যত্ন নিন, তবে এটাও খেয়াল রাখুন যেন আপনার ইবাদতের কারণে অন্য কেউ কষ্ট না পায়।

এখানে নফসেরও রোজা হবে।
অনেক কথা অপছন্দনীয় লাগবে, অনেক আচরণ হৃদয়কে কষ্ট দেবে।
কিন্তু নিজেকে বারবার স্মরণ করান:
“আমি আল্লাহর মেহমান… আমি রোজাদার…”

সদকা ও দান-খয়রাত করতে থাকুন।
হজ শুধু একটি ইবাদত নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ বান্দেগির এক অবস্থা।
এটি মানুষকে তার আসল পরিচয় স্মরণ করিয়ে দেয়—
যে, শেষ পর্যন্ত সবাইকেই মাটির সাথে মিশে যেতে হবে।

মিনার তাঁবু, সংকীর্ণ বিছানা ও অবিরাম ক্লান্তি আপনাকে কবরের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।
গদি বসে যাবে, কোথাও লোহার রড বেরিয়ে আসবে, রাস্তা বন্ধ থাকবে, ঘুম পূর্ণ হবে না—
তবুও আল্লাহর জন্য ধৈর্য ধরুন।

মানুষের উপর দিয়ে লাফিয়ে অতিক্রম করবেন না, অন্যের আরামের প্রতি লক্ষ্য রাখুন, কম মালপত্র রাখুন এবং সহজতা ছড়িয়ে দিন।

আরাফার দিন…
সে দিন, যার জন্য বছরের পর বছর দোয়া করা হয়।

হতে পারে আপনি জাবালে আরাফাত পর্যন্ত যেতে পারবেন না।
হতে পারে গরম, ভিড় বা শারীরিক অবস্থা অনুমতি দেবে না।
তবুও কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না। তাঁবুতেও উকুফে আরাফা আদায় হয়ে যায়।
প্রকৃত আরাফা হলো—আল্লাহর সামনে হৃদয়ের নত হয়ে যাওয়া।

আর দয়া করে…
এই দিনটিকে গল্প, ভিডিও ও অপ্রয়োজনীয় ব্যস্ততায় নষ্ট করবেন না।

দোয়া করুন…
এত দোয়া করুন যে জিহ্বা ক্লান্ত হয়ে যায়।
চোখের অশ্রু শুকিয়ে যায়, কিন্তু চাওয়া যেন শেষ না হয়।
আজ রব তাঁর রহমতের ভাণ্ডার খুলে দিয়েছেন।
যা চান, চেয়ে নিন।
নিজের জন্য, মা-বাবার জন্য, সন্তানদের জন্য, মুসলিম উম্মাহর জন্য, ফিলিস্তিনের জন্য—সবার জন্য।

এরপর আসবে মুযদালিফা…
খোলা আকাশ, মাটির বিছানা, আর মানুষের সব অহংকার মাটিতে মিশে যাওয়ার এক দৃশ্য।

তারপর জমরাত…
শয়তানকে কংকর মারার আগে নিজের ভেতরের শয়তানকে চিনুন।
রাগ, অহংকার, কটু ভাষা, অধৈর্যতা—প্রকৃত রমি তো এগুলোরই।

যদি যুবক ও শক্তিশালী হন, তবে তাওয়াফে জিয়ারত আদায় করে নিন, নতুবা বিশ্রাম করুন।
আপনারা আল্লাহর মেহমান।
আপনাদের হজ মোবারক… ঈদ মোবারক।

মনে রাখবেন, এই সফরে সবচেয়ে মূল্যবান বিষয় হলো—আপনার উত্তম চরিত্র, ধৈর্য এবং অন্যদের জন্য সহজতা সৃষ্টি করা।

আল্লাহ তাআলা আপনাদের হজকে হজে মাবরুর কবুল করুন।
আপনাদের উপস্থিতি কবুল করুন।
সুস্থভাবে ঘরে ফিরিয়ে আনুন।
এবং আমাদের সবাইকে বারবার তাঁর ঘরের মেহমান হওয়ার তাওফিক দান করুন।

আমীন, ইয়া রব্বাল আলামীন।

্রশিক্ষন
েতনতা
#হজের_আদব

24/05/2026

ইনশাআল্লাহ
হজ্ব পালনের জন্য
মিনায় আরাফাত যাওয়ার অপেক্ষায় সকলে দোয়া করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন সবার হজ্ব সহজ এবং কবুল করেন

২০২৬ হজ্ব যাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ কনফারেন্স২০২৬ সালের পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন আমাদের সম্মানিত হজ...
23/05/2026

২০২৬ হজ্ব যাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ কনফারেন্স

২০২৬ সালের পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন আমাদের সম্মানিত হজ্ব যাত্রীরা। হজ্ব পালনের প্রতিটি ধাপ যেন তারা স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আমরা আয়োজন করেছি একটি প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ কনফারেন্স।

কনফারেন্সের মূল বিষয়:
* হজ্ব পালনের প্রতিটি কার্যক্রমের বিস্তারিত প্রশিক্ষণ।
* বড় বড় আলেম-ওলামাগণের উপস্থিতিতে ধর্মীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা।
* হজ্বযাত্রীদের যেকোনো জিজ্ঞাসার সরাসরি উত্তর ও সমাধান।

প্রদান মোয়াল্লেম:
* মাওলানা মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, চেয়ারম্যান, আল-আবরার হজ্ব কাফেলা।

উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি:
* আল্লামা জয়নাল আবেদীন জোবায়ের, সাবেক প্রিন্সিপাল, নেসারিয়া কামিল মাদ্রাসা।
অন্যান্য অতিথি:
* শরীয়ত উল্লাহ নিজামী, বদ্দারহাট নিউ চাদাগাউ আবাসিক জামে মসজিদের খতিব।
* মওলানা সলিমুল্লাহ হাবিবি, খতিব, ওআর নিজাম রোড কেন্দ্রীয় মসজিদ, জিইসি মোড, চট্টগ্রাম।
* হাফেজ মওলানা মুহিউদ্দিন মাহবুব, পিএচডি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগীয় প্রধান, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।

আমরা হজযাত্রীদের এই অভিজ্ঞতার অংশ হতে পেরে আনন্দিত। আমরা তাদের জন্য দোয়া করছি যেন আল্লাহ তাদের হজ কবুল করেন এবং তাদের এই পবিত্র সফরকে স্মরণীয় করে রাখেন।

**আল-আবরার হজ কাফেলা**
"আপনার হজ পালনের বিশ্বস্ত সঙ্গী"
আমি আশা করি এই কনটেন্টটি আপনার জন্য সহায়ক হবে। যদি আপনার অন্য কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে দয়া করে জানাবেন।

**হজ্ব ২০২৭ ও ২০২৮ সালের প্রাক-নিবন্ধন এখন পুরোদমে চলছে!**
আপনার জীবনের সবচেয়ে পবিত্র সফরটি বিশ্বস্ত ও অভিজ্ঞ কাফেলার সাথে নিশ্চিত করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

📍 **আমাদের সাথে যোগাযোগের ঠিকানা:**
📞 হটলাইন: 01888-177775, 01757-375797
🏢 চট্টগ্রাম অফিস: ৩৩৪/আ উকিল বাড়ি (২য় তলা), মুরাদপুর (মक्का হোটেলের পেছনে)।
🏢 ঢাকা অফিস: ৫৬-৫ ৫৭ শরীফ ম্যানশন (৪র্থ তলা), মতিঝিল (মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন)।

Address

মেট্রো স্টেশন ৫৬-৫৭ শরীফ ম্যানশন ৪র্থ তলা মতিঝিল ঢাকা ১০০০।
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Abrar Hajj Kafela Travels & Tours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al Abrar Hajj Kafela Travels & Tours:

Share