Xtreme Travelers of Bangladesh - XTB

Xtreme Travelers of Bangladesh - XTB Xtreme Travelers is a Tourism Company in Bangladesh, founded on October 2017.

 By randomrob_
02/01/2020


By randomrob_

তাঁকে বলা হয় বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চার গুরু। ❤বাংলা চ্যানেলের আবিষ্কারক, কীর্তিমান আণ্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও বরেণ্য স্কুবা...
17/09/2019

তাঁকে বলা হয় বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চার গুরু। ❤বাংলা চ্যানেলের আবিষ্কারক, কীর্তিমান আণ্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও বরেণ্য স্কুবা ডাইভার কাজী হামিদুল হক। ❤.
সেই যে যৌবনে সাগর টেনেছিল কাজী হামিদুল হককে, সেই টান ছিল আমৃত্যু। দেশে ফেরার পর ছুটে যান সমুদ্রে। চষে বেড়িয়েছেন কক্সবাজার, টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন এলাকার বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগরের এই পথে নৌকায় ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে তাঁর মাথায় খেলা করে সাঁতারে সাগর পাড়ি দেওয়ার একটা রুট। সঙ্গে ছিলেন কামাল আনোয়ার। কামাল বললেন, ‘টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে ভাটার সময় সেন্ট মার্টিন পর্যন্ত সাঁতরে পার হওয়া যাবে, এটা হামিদ ভাই বের করলেন। কখন কোথায় স্রোত কোন দিকে যায়, তা-ও আমরা বের করে ফেলি বিভিন্ন রঙের বোতল ভাসিয়ে। এই পথে স্রোতের দুটি ধারা আছে, এর একটা যায় আরাকানের দিকে। হামিদ ভাই সঠিক রুটটা বের করে ফেলেন।’.
নৌকা চালিয়ে সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার পরই সাঁতারের এই রুট বের করার দিকে মন দেন তিনি। ‘ওরা যেমন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেয়, আমরাও এমন একটা সাঁতার চালু করতে পারি।’ বলতেন কাজী হামিদুল হক।
২০০৬ সালে প্রথম সাঁতারের আয়োজন করা হয়। সে দলে সাঁতারু হিসেবে ছিলেন লিপটন সরকার, ফজলুল কবির ও সালমান সাইদ। দলে বয়সে সবচেয়ে ছোট সালমান সাইদ। তিনি বলেন, ‘দলে আমিই ছিলাম অনভিজ্ঞ সাঁতারু। কিন্তু হামিদ ভাই মানসিকভাবে এত শক্তি জোগাতেন যে কোনো ভয়ই লাগেনি।’.
২০০৬ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি এই দলটি শাহপরীর দ্বীপ থেকে বঙ্গোপসাগরে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার সাঁতার কেটে পৌঁছায় সেন্ট মার্টিনে। তখনো সাঁতারের এ পথের নামকরণ হয়নি। পরে ঢাকায় কাজী হামিদুল হক এর নাম দেন বাংলা চ্যানেল।.
২০০৪ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ। বুড়িগঙ্গা নদী থেকে একটি নৌকা পাড়ি জমায় বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে। শুনলে অবাকই হতে হয়, নৌকাটি দৈর্ঘ্যে মাত্র ২১ ফুট আর প্রস্থে নয় ফুট। সেই নৌকায় ছিল না কোনো স্নানঘর বা রান্নাঘর। স্টোভ জ্বালিয়ে রান্নার ব্যবস্থা। কাজী হামিদুল হকের নেতৃত্বে এই নৌকায় অভিযাত্রী ছিলেন ১৩ জন। সে যাত্রায় অংশ নেন বাংলাদেশের পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহীম। তাঁর কাছ থেকে জানা যায় সেই যাত্রার বৃত্তান্ত।.
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জাহাজ ভাঙার জায়গা থেকে একটা লাইফ বোট (বড় জাহাজের সঙ্গে এগুলো বাঁধা থাকে) কিনে আনেন। এরপর ঢাকায় নিয়ে এসে সেটায় ইঞ্জিন লাগানো হয়। নৌকাকে নদী-সমুদ্রে চলাচলের উপযোগী করতে নানা কারিগরি ফলানো হয়। এসব কাজ নিজেই করেন হামিদুল হক।.
রাতে বুড়িগঙ্গা থেকে নৌকা ছাড়ার কথা, কিন্তু যাত্রা শুরু হলো ভোরে। এই অভিযাত্রায় সে সময় অংশ নিয়েছিলেন হামিদুল হক, মুসা ইব্রাহীম, ইমরান, ফজলুল কবির, কামাল আনোয়ার, রফিক, রবিউল হুসাইন, একুশে টিভির দুই সাংবাদিক এবং আরও কয়েকজন। রুট চেনার কারণে সারেং আনা হয়েছিল সীতাকুণ্ড থেকে।.
মুসা বলছিলেন, ‘ভোরে রওনা দিয়ে সেদিনই পৌঁছাই চাঁদপুরে। আমাদের হিসাব ছিল দুই দিনে সেন্ট মার্টিনে যাব। কিন্তু দেখা গেল, সন্দ্বীপ পর্যন্ত পৌঁছাতেই লেগে গেল পাঁচ-ছয় দিন। কারণ, নৌকার গতি ছিল খুব ধীর। সন্দ্বীপ থেকে পরের দিন যাচ্ছিলাম চট্টগ্রামের দিকে। কর্ণফুলীতে নৌকা যখন পৌঁছাল, তখন দেখি কর্ণফুলী চ্যানেল থেকে সব জাহাজ মিছিল করে গভীর সমুদ্রে যাচ্ছে। আমাদের নৌকায় জিপিএস, কম্পাস ছিল, কিন্তু রেডিও ছিল না। তাই আমরা কোনো খবরই পাচ্ছিলাম না। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখি সমুদ্র পুরো উত্তাল। ১৫ থেকে ২০ ফুট উঁচু একেকটা ঢেউ। হামিদ ভাই সবাইকে নৌকার পেছনে জড়ো হয়ে থাকতে বললেন। নিজেদের জান হাতে নিয়ে আমরা তা-ই করলাম।’
সমুদ্রের তাণ্ডব থামার পর কাজী হামিদুল হকের নৌকা কর্ণফুলী জেটিতে পৌঁছাল। তখন জানা গেল, সেই দিনটিতে ইন্দোনেশিয়ায় ভারত মহাসাগরে ঘটে প্রলয়ংকরী সুনামি।
চট্টগ্রামে গিয়ে সারেং তাঁর বাড়িতে ঘুরতে যান, কিন্তু তিনি আর ফেরেননি। হামিদুল হক নিজে আবার সীতাকুণ্ডে গিয়ে আরেকজন সারেং নিয়ে আসেন। এরপর মহেশখালী হয়ে টেকনাফ, তারপর সেন্ট মার্টিনে পৌঁছায় হামিদুল হকের নৌকা। হামিদুল হক ও আরও কয়েকজন নৌকা চালিয়েই আবার ফিরে আসেন ঢাকা।
সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউইয়র্কে এক প্রবীণ স্কুবা ডাইভারের (ডুবুরি) সঙ্গে পরিচয় ঘটে কাজী হামিদুল হকের। তাঁর কাছেই হাতেখড়ি ডুবসাঁতারে। এরপর তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় অতল জলের বিচিত্র-বর্ণিল জগতের প্রতি। এ সময়টাতেই জলের নিচে ছবি তোলার কৌশল শিখে ফেলেন। ডুব দেওয়া আর জলের নিচে ছবি তোলাই হয়ে ওঠে হামিদের পেশা। তিনি সাগরের ২০০ ফুট নিচ পর্যন্ত ডুব দেওয়ার জন্য লাইসেন্সধারী ছিলেন।
১৯৪৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আসামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কাজী হামিদুল হক।

আজ বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চারের মহারথীর জন্মদিন। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই তাঁর প্রতি।
লিখা : Ahmad Istiak‎

যারা কক্সবাজার, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যান তাদের সুবিধার্থে জানাচ্ছি-- বীচ এ বিশ্রামের জন্য যে চেয়ারগুলো দেয়া থাকে...
11/06/2019

যারা কক্সবাজার, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যান তাদের সুবিধার্থে জানাচ্ছি-- বীচ এ বিশ্রামের জন্য যে চেয়ারগুলো দেয়া থাকে এর মধ্যে যেগুলো ছবিতে উল্লেখ্যিত দুইপাশে নীল রং করা থাকবে এগুলো সরকারী এবং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এগুলোতে বসে সময় কাটালে কোন ফি প্রদান করতে হবে না। তবে ওখানে থাকা অন্যান্য চেয়ারের মালিকেরা আপনার কাছে ফি চাইতে পারে, এতে বিভ্রান্ত না হয়ে তাদের বলুন এগুলো সরকারী আমি টাকা দেব না। তাতেও কাজ না হলে স্থানীয় ট্যুরিষ্ট পুলিশকে জানান সাথে সাথে সমস্যার সমাধান পাবেন।

আর সরকারী ছাড়া অন্যান্য চেয়ারের সরকারী মূল্য নির্ধারন করা আছে ঘন্টায় ৩০ টাকা এর বেশী চাইলে স্থানীয় ট্যুরিষ্ট পুলিশকে অবগত করুন।

 #মিরপুর প্যাকেজ ট্যুর ২ রাত ১ দিন📲 For Booking - Call : ৪২০৪২০৪২০❑ ভ্রমণ খরচঃ ৯৫০/- টাকা প্রতি জন। ( নন-এসি বাস )ভ্রমনে...
09/04/2019

#মিরপুর প্যাকেজ ট্যুর ২ রাত ১ দিন
📲 For Booking -
Call : ৪২০৪২০৪২০

❑ ভ্রমণ খরচঃ
৯৫০/- টাকা প্রতি জন। ( নন-এসি বাস )

ভ্রমনের তারিখঃ বর্ষার দিনে প্রতিদিন আমাদের প্যাকেজ রয়েছে।আসন খালি থাকা সাপেক্ষে বুকিং করতে পারবেন।নূন্যতম ২ থেকে ৩ দিন পুর্বে বুকিং না দিলে নৌকার ভালো আসন পাওয়া যায়না। তাই যত দ্রুত সম্ভব বুকিং দিন । আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে আসন বুকিং চলছে ।

❑ পরিদর্শনের স্পটসমুহঃ
-------------------------------------
* ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ জ্যাম
* মেট্ররেলের খাম্বা
* কাজীপাড়ার উত্তাল ঢেউ
* গোলচক্করের ঘুর্ণি
* ভাসমান মল
* কাজীপাড়া টু সেনপাড়া রাফটিং
* গোলচক্করের মোহনা বিজয়ী মটর সাইকেল আরোহী চুঁছা এব্রাহিমের সাথে সেলফি
* মিরপুর ভিউ পয়েন্ট ( গোলচক্কর ফুট ওভার ব্রিজ)
* সূর্যাস্ত দেখা কালসী নদীর পাড়ে (হাতে সময় থাকলে)
❑ প্যাকেজের অন্তর্ভুক্তঃ
------------------------------------
- ঢাকা -মিরপুর - ঢাকা বাস টিকেট।
- এক দিনের পুরোটা সময় সার্বক্ষনিক নৌকায় করে সাইট সিং।
- মিরপুর পৌঁছানোর পর সকালের নাস্তা এবং দুপুরের খাবার।

- সবার অংশ গ্রহনে ফিসিং পার্টি।
- “ঘুরছি এবার নৌকায়” কোরাস্ উৎসব

❑ প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত নয়:
-------------------------------------
পানির মাঝখানে বন্ধ সিনএনজিতে কাপল ডেটিং
❑ নিজ দায়িত্বে সাথে করে যা নিতে হবে
-------------------------------------
★ রেইন কোট, লাইফ জ্যাকেট, বমির ঔষধ।

❑ যেভাবে যাত্রা
-------------------------------------
★ সন্ধ্যা ৭:৩০ টায় গুলিস্তান হতে বাস ছাড়বে, রাত ১১:৩০টায় কাওরান বাজার ১ ঘন্টার বিরতী ( এই সময় নিজ দায়িত্বে রাতের ডিনার সারতে হবে)। বিরতীর পর আবার যাত্রা, পরদিন সকাল ৬টায় মিরপুর কাজিপাড়ায়। নাস্তা শেষে নৌকায় সাইট সিন, দুপুরে রাব্বানী হোটেলে লান্চ, বিকালে শওকত কাবাব, তারপর কাল্লুর দোকানের মিস্টি পান খেয়ে ফিরতি যাত্রা।

NB: Copied Post. Just for entertainment :P

24/03/2019

#বান্দরবন
#ইহা_জেলা_নয়_বিশ্বজেলা
ট্রাভেলার দের জন্য বান্দরবান বলতে শুধুই- নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, শৈল প্রপাত, থাঞ্চি পয়েন্ট, চিম্বুক পয়েন্ট, মিলনছড়ি বুঝাই না। ট্রেকার দের জন্য বান্দরবান বলতে শুধুই- বগালেক, নাফাখুম, আমিয়াখুম, তিনাপ সাইতার, কেউক্রাডং (৫ম চূড়া/৩১৭৭ ফুট) বুঝাই না।

বান্দরবানে এমন সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে যেখানে হয়তো যাওয়া টা স্বপ্নের মতো। সুবিধার্থে সেনাবাহিনীদের নিষিদ্ধ করা আছে এবং রউটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। খোলা থাকলে- ৪ মাসেও পুরা বান্দরবান ঘুরে শেষ করে আসা যাবে না!

আমাদের সবার জানা আছে, দেশের সর্বচ্চ চূড়া সবগুলা বান্দরবান এই আছে। হয়তো তার মধ্যে শুনেছেন শুধু "তাজিংডং", যার নাম আসলে বাংলাদেশের ১ম-১০ম উঁচু গিরির তালিকায় ও নাই! অন্যদিকে বড় বড় অসংখ্য সুন্দর ঝড়না আছে, যেখানে যাওয়া তেমন একটা সোজা কথা না! এক্সপেরিয়েন্স লেভেল এর ট্রেকিং ছাড়া, নিজে নিজে রউট প্ল্যান না করে এসব জাইগার কথা কখনোই ভাবা যাই না।

আপাতত বান্দরবানের "রোয়াংছড়ি" উপজেলায় অনেক গুলা রউট খুলে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে এখন যে যে জায়গায় গাইড নিয়ে যাওয়া যাবে, অথবা রউট খুলে দেওয়া হয়েছে- ২২টি স্পটের নাম সংযুক্ত করে দিলাম।

#রোয়াংছড়ি_উপজেলা-
1. শীলবাঁধা ঝর্না
2. শীলবাঁধা দেবতাখুম
3. অ-পেদেলা গিড়িখাদ (সেনাবাহিনী অনুপাতে)
4. কিং লং/ক্লাক ঙাক সাইতার (ঝড়না)
5. তিনাপ সাইতার (ঝড়না)
6. মাইপারভা সাইতার (ঝড়না)
7. লুংফের ভা সাইতার (ব ছড়া ঝর্না-১)
8. সূরাঙ পি সাইতার (ব ছড়া ঝর্না-২)
9. সিপ্পি আরসুয়াং (১১তম চূড়া/৩০৪০ ফুট প্রায়)
10. কুকিভা সাইতার (রুই প্রু ম্রং তাইনদাং)
11. সাইত্লাং সাইতার (ঝড়না)
12. মাংসন সাইতার (ঝড়না)
13. তি দংখদ (মন্দির ছড়া ঝর্না)
14. রিজার্ব সাইতার (সেনাবাহিনী অনুপাতে)
15. রিজার্ব ফলস ট্রেইল (সেনাবাহিনী অনুপাতে)
16. সেপ্রু ওয়া তাইনদাং (ট্রেক)
17. রাইক্ষ্যংছড়া লেক (ট্রেক)
19. টেবিল পাহাড়/লুং মাই চাম্পি (ট্রেক/সামিট)
20. রেনিম্রং গিড়িখাদ (মরনঝিড়ি)
21. জুর্বা সাইতার (ঝড়না)
22. জংবের সাইতার (ঝড়না)

[স্থান গুলোর তথ্য বিভিন্ন গাইড এর থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে]

বান্দরবানের থাঞ্চি, আলিকদম, রুমা, লামা উপজেলার অনেকগুলো স্পট এর রউট অফ করে দেওয়া আছে। তাও, কিছু স্পট অফ রউট হলেও যাওয়া সম্ভব হয়। বাংলাদেশের অনেকগুলো সর্বোচ্চ চূড়া তে যাওয়া যাই৷ তবে এইগুলার জন্য আপনার শরীরে বেশ দখল নেওয়া লাগবে। ট্রেকিং এক্সপেরিয়েন্স, আত্ববিশ্বাস, ক্ষমতাকাঠামো এবং সাঁতার- এই ৪টি অবশ্যই থাকতে হবে!

#বাংলাদেশের_সর্বোচ্চ_চূড়া_গুলো (৩০০০ ফুটের উপরে)-
(১) সাকা হাফং (3465 Ft.)
(২) জোতলং (3353 Ft.)
(৩) দুম লং (3314 Ft.)
(৪) যোগী হাফং (3251 Ft.)
(৫) কেউক্রাডং (3177 Ft.)
(৬) মাইথাই জামা হাফং (3170 Ft.)
(৭) থিংদোলতে লাং (3149 Ft.)
(৮) মুকড়া তুথাই হাফং (3129 Ft.)
(৯) হাঁঝ্রা হাফং (3105 (Ft.)
(১০) কপিটাল (3094 Ft.)
(১১) ক্রেকউং তং (3083 Ft.)
(১২) সিপ্পি আরসুয়াং (3067 Ft.)
(১৩) নাসাই হুম (3022 Ft.)
(১৪) তউং প্রায় (3003 Ft.)
(১৫) লাইস্রা হাফং (2976 Ft.)

#বাংলাদেশের_অন্যান্য_চূড়া (৩০০০ ফুটের নিচে)-
(১) আয়াং ক্লাঙ
(২) ক্রিস্টং
(৩) রুঙরাং
(৪) আলাপা তং
(৫) তাজিং ডং (2722 Ft.)
(৬) নাগ পাহাড়
(৭) দেবতা পাহাড় (আমিয়াখুম ট্রেক)
(৮) মারায়াং তুং

#সেরা_ঝড়না_গুলোর_মধ্যে-
(১) লুংলাক
(২) জাদিপাই
(৩) বাকলাই (Longest)
(৪) ত্লাবং
(৫) ক্রায়ক্ষ্যং
(৬) তিনাপ সাইতার (Widest)
(৭) লুংফের ভা
(৮) ফাইপি
(৯) আমিয়াখুম
(১০) মাখাইন কেশর

[ছোট/মাঝারি/বড় ঝড়নার অভাব নাই]

"থাঞ্চি টু আলিকদম" বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সড়ক! এছাড়া বান্দরবানে ট্রেকিং করে কিছু সুন্দর পাড়ার মধ্যে বিশ্রাম করা/সময় টা কাটানো যাই। ট্রেকিং এ গেলে বেশির ভাগ সামিট/ঝড়না একসাথে রাখা হয়, সাথে কোনো একটি পাড়া তে রাত্রিযাপন করে।

#বান্দরবানের_সবচেয়ে_সুন্দর_পাড়া (পাহাড়ি গ্রাম)-
(১) পাসিং পাড়া (বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাড়া!)
(২) রাইক্ষ্যং/পুকুর পাড়া
(৩) প্রানজং পাড়া
(৪) চার্জিং পাড়া
(৫) বড়থলি পাড়া
(৬) ধূপপানি ছড়া পাড়া
(৭) মেনকিউ পাড়া
(৮) খেমচাং পাড়া
(৯) মাইকোয়া পাড়া
(১০) বুলাই/লাগপাই
(১১) তানখোয়াইন পাড়া
(১২) তারাশা পাড়া
(১৩) বোর্ডিং পাড়া
(১৪) সিম্লাতং পাড়া
(১৫) কাইতন পাড়া

আমার মতে,
কম খরচে স্বর্গ দেখতে চাইলে আমাদের দেশের বান্দরবান এই যতেষ্ট।

[Source Tamanna Noor Bhuiyan ]

আগামী ২২ তারিখ আমরা যাচ্ছি, এক দিনের ট্যুরে, মানিকগঞ্জের বলিয়াটি জমিদার বাড়িতে। পাশাপাশি আমরা ৫০০ বছরের পুরনো বিখ্যাত সে...
19/03/2019

আগামী ২২ তারিখ আমরা যাচ্ছি, এক দিনের ট্যুরে, মানিকগঞ্জের বলিয়াটি জমিদার বাড়িতে। পাশাপাশি আমরা ৫০০ বছরের পুরনো বিখ্যাত সে বট গাছটি ও দেখে আসব। এইটি একটি বাইক ট্যুর। সুতরাং যেকোন বাইকারই জয়েন করতে পারেন।.............................
ট্যুর টাইপঃ ১ দিনের বাইক ট্রিপ
ট্যুর কস্টঃ ৬০০/- (ব্রেক ফাস্ট, লাঞ্চ, বিকেলের স্নাক্স, বাইক ওয়েল)
লোকেশনঃ বলিয়াটি জমিদার বাড়ি ও সাইট্টা বট গাছ।

বিস্তারিতঃ
১। ২২ তারিখ সকাল ৬.৩০ এ যাত্রা শুরু হবে মোহাম্মদপুর ঈদ্গাহ মাঠ থেকে।
২। নবিনগর পৌঁছে আমরা সকালের নাস্তা করে নিব
৩। এর পর যাব ষাইট্টা বটগাছ দেখতে
৪। এর পর যাব জমিদার বাড়িতে
৪। সাটুরিয়া তে এসে দুপুরের লাঞ্চ করে নিব
৬। বিকালে নাস্তা জমিদার বাড়িতে করব।
৫। বিকাল টা জমিদার বাড়িতে কাটিয়ে ৬ টার মধ্যে আমরা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিব।

বিঃদ্রঃ ঢাকা থেকে টোটাল ১৫০ কি, মি জার্নি হবে আপ-ডাউ মিলে। আপনারা জয়েন করতে চাইলে কন্টাক্ট করুন

কন্টাক্টঃ 01722-230650

Address

Tajmahal Road, Mohammadpur
Dhaka
1207

Telephone

+88 01841854089

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Xtreme Travelers of Bangladesh - XTB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category