Akash online shop.bd

Akash online shop.bd we sell quality product

26/08/2024

অটো আর প‍্যাডেল কে শাহবাগ মোড় ছেড়ে দেয়া হোক ফাইটিং 👊 এ যে জিতবে তার রিকসায়🚲🛵 উঠবো।

05/06/2023
22/07/2022

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode

★OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

৪০তম বিসিএস-এ সুপারিশপ্রাপ্তদের প্রতি:১. দুইটা জিনিস মন থেকে একেবারেই ঝেড়ে ফেলবেন:ইগোসার্টিফিকেটএর কোনোটাই সিভিল সার্ভি...
14/05/2022

৪০তম বিসিএস-এ সুপারিশপ্রাপ্তদের প্রতি:

১. দুইটা জিনিস মন থেকে একেবারেই ঝেড়ে ফেলবেন:
ইগো
সার্টিফিকেট

এর কোনোটাই সিভিল সার্ভিসে কোনও কাজে লাগে না। আপনি কোথায় পড়েছেন, কী রেজাল্ট করেছেন, এসব মাথায় যত কম রাখবেন, তত ভালো থাকবেন। এখানে কেউ কারও চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। সবাই সমান, ভালো ক্যারিয়ার গঠন করার সুযোগ এখানে সবার‌ই সমান। আপনি পাবলিক, প্রাইভেট, না কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন, তা দিয়ে কার‌ও কিছুই এসে যায় না।

২. যখন কোনও সেবাগ্রহীতা আপনার কাছে আসবে, তখন তাকে বেশি সময় অপেক্ষা করিয়ে না রেখে তার কথাগুলি শোনার চেষ্টা করবেন। তার কাজটা করে দিতে পারুন বা না পারুন, তার কথাগুলি ধৈর্য ধরে শুনবেন।

৩. সহজে রাগ করা যাবে না। তবে কখনও কখনও রাগের অভিনয় করতে হয় কাজের প্রয়োজনে। রাগ-অনুরাগ যত কম রাখা যায়, সিভিল সার্ভিসে তত‌ই ভালো। একজন সরকারি কর্মচারীর রাগ ও অনুরাগ দুই-ই হবে কপট, যা অনেকসময় কাজের স্বার্থে দেখাতে হয়।

৪. আপনার সঙ্গে আপনার অধস্তনদের কোয়ালিটির পার্থক্য কেবলই কিছু নম্বর, আর কিছু নয়। বিসিএস পরীক্ষায় মাত্র কয়েক নম্বরের পার্থক্য‌ই চেয়ারের পার্থক্য গড়ে দেয়। হয়তো ভাগ্য আপনার প্রতি একটু বেশি প্রসন্ন ছিল। তাই হামবড়া ভাব রাখা যাবে না।

৫. সবসময়ই লো প্রোফাইলে চলা ভালো। নিজেকে যত বেশি অপদার্থ করে দেখাতে পারবেন, তত‌ই ভালো থাকবেন; বিশেষ করে সিভিল সার্ভিসের বাইরে। লোকজন সরকারি কর্মচারীদের গাধা ভাবতে পছন্দ করে। ওদের তা-ই ভাবতে দিন। এমনকী আপনার দপ্তরের মধ্যেও নিজেকে লুকিয়ে রাখলেই ভালো থাকতে পারবেন। ফোকাসে আসার চেষ্টা করলেই মরবেন। চুপচাপ কাজ করে যান।

৬. অসীম ধৈর্য থাকতে হবে। কোনোভাবেই কোনও কিছু নিয়ে খেই হারিয়ে ফেলা যাবে না। দরকারি বিষয়গুলো নিয়ে লেগে থাকতে হবে। ধৈর্য যার যত কম, সে তত বাজে কর্মী।

৭. দাপ্তরিক সীমাবদ্ধতা ও দাপ্তরিক পরিধি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। আপনি কী করতে পারেন ও কী করতে পারেন না, কতটুকু করতে পারেন ও কতটুকু করতে পারেন না, এসব নিয়ে খুব ভালো করে জানতে হবে।

৮. নির্দিষ্ট কোড অব কনডাক্ট মেইনটেইন করতে হবে। সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্ক ও আচরণ খুব ভালো করে বুঝতে হবে। সিনিয়ররা সবসময়ই জুনিয়রদের সাপোর্ট দেন। তবে সেটা আদায় করে নিতে হবে নিজের কাজ ও আচরণের মাধ্যমে।

৯. সিভিল সার্ভিসে "ডিজার্ভ করা" বলতে কিছু নেই। আপনি যা অর্জন করবেন, তা-ই আপনার ক্যারিয়ারের ঝুলিতে জমা হবে। আপনার জন্য কেউ পথ ছাড়বে না, আপনিও কার‌ও জন্য পথ ছাড়বেন না। সিভিল সার্ভিস নিজেকে প্রমাণ করার জায়গা। এখানে কাজ করাই সব কিছু নয়, কালচার ও সিচ্যুয়েশন বুঝে কাজ করাই সব কিছু।

১০. ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ বছর ইমেজ তৈরি করার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। অফিসার হিসেবে শুরুতেই ভালো ইমেজ তৈরি করতে না পারলে পরবর্তীতে সাফার করতেই হবে। উদাসীন অফিসারকে কেউই পছন্দ করে না। অফিসের বাইরে লোকে আপনাকে অপদার্থ ভাবুক আর যা-ই ভাবুক, অফিসে যেন সবাই আপনাকে কাজের ভাবে। যারা কাজের নয়, তারা ক্রমেই হারিয়ে যায়।

১১. সিনিয়রদের নির্দেশনা ও মোটিভ খুব খেয়াল করে অনুসরণ করতে হবে। তাঁদের আইনানুগ নির্দেশনাই সরকারের নির্দেশনা। তাই সেগুলো ফলো না করলে খুব স্বাভাবিকভাবেই সরকারি কাজগুলো ঠিকভাবে হবে না এবং আপনি নির্ভরযোগ্যতা হারাবেন।

১২. যে ট্রেনিংগুলো আপনাকে করানো হবে, সেগুলো মন দিয়ে করার চেষ্টা করবেন। কেননা ট্রেনিংগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়, যেটা আপনার কাজে লাগবে। তাই এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান আপনি দাপ্তরিক কাজে লাগাতে পারবেন।

১৩. পরিবেশ-পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে চলতে হবে। আপনার সামাজিক আচরণ, মেলামেশা, চলাফেরা সব কিছুই দায়িত্বপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত হবে। আপনি এখন চাইলেই যে-কোন‌ও কিছু বলতে পারবেন না, চাইলেই যে-কোন‌ও কিছু করতে পারবেন না। এমন কিছু করবেন না বা বলবেন না, যার জবাব দিতে আপনার কষ্ট হয়।

১৪. আপনি চাইলেই মনের সব ভাব প্রকাশ করতে পারবেন না। চাইলেই যে-কোন‌ও জায়গায় যেতে পারবেন না। ওখানে এমন কেউ থাকতে পারে, যে আপনার গোপনীয়তা ফাঁস করে দিয়ে আপনার ক্ষতি করবে। অপরিচিত মানুষকে বিশ্বাস না করলেই ভালো হয়।

১৫. বস যা করতে বলেন, একটু সময় দিয়ে হলেও কাজটা করতে হবে। অফিসকে অবশ্যই সময় দিতে হবে। বস যদি এমন কিছু চান, যেটা আইনানুগ নয়, তবে সেটা নথিতে আইনবিধি অনুযায়ী গুছিয়ে উপস্থাপন করতে হবে। প্রয়োজনে বসের সঙ্গে আলাপ করে নিতে হবে। এক্সপ্রেশনটা হবে: এরকম করাটা ভালো, তবে ওরকম করলে আরও ভালো হয় বোধ হয়; খুব বিনয়ের সাথে, আইন ও পরিস্থিতি বুঝে। বসের সঙ্গে তর্কে জড়াবেন না। এতে সাময়িক ক্ষতি হলেও ভবিষ্যতে লাভ হবে।

১৬. নেগেটিভ কথাকে পজিটিভ ওয়েতে বলা শিখতে হবে। বস কী চান না, তা বুঝতে হবে। দ্রুততম সময়ে দরকারি কাজটা শেষ করতে হবে। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে ও বাস্তবায়ন করতে হবে। অবশ্য‌ই অবশ্যই ফিডব্যাক দিতে হবে। যথাসময়ে ফিডব্যাক না দিলে কাজের গুরুত্ব কমে যায়।

১৭. বসের ইন্সট্রাকশনকে যে আপনি প্রায়োরিটি দিচ্ছেন, এটা বসকে বোঝাতে হবে। আপনাকে যাতে বস খুব ডিপেন্ডেবল মনে করে। মনে রাখতে হবে, বস ইজ অল‌ওয়েজ রাইট, এবং আপনি যে এটা মাথায় রাখেন, ব্যাপারটা বসকে ফিল করাতে হবে।

১৮. অফিস টাইমে পরিবারের সব কিছুই মাথা থেকে দূরে রাখতে হবে এবং ফ্যামিলি টাইমে অফিসের সব কিছু মাথা থেকে দূরে রাখতে হবে। তবে এটা সবসময় অনুসরণ করা যায় না ব্যস্ততার কারণে। সেক্ষেত্রে মনে রাখবেন, পারিবারিক সুখ, শান্তি, এমনকী গ্রহণযোগ্যতাও আপনার ক্যারিয়ারের উপর অনেকটা নির্ভর করে। এটাকে ঠিক রাখতেই হবে যদি ভালো থাকতে চান।

১৯. আপনি কোন‌ও দপ্তরের জন্য অপরিহার্য কেউ নন। আপনার আগেও এ দপ্তর ভালো চলেছে, আপনি না থাকলেও ভালো চলবে। নিজেকে সুপারম্যান ভাবার কোনও সুযোগ সিভিল সার্ভিসে নেই। ওরকম ভাবলে অবশ্যই সাফার করতে হবে। আশেপাশে তাকান, এর সত্যতা পাবেন। এখানে সবাই সমান। আপনি নিজে নিজেকে হিরো ভাবতেই পারেন, তবে আপনার বস বা আপনার দপ্তর যদি আপনাকে জিরো ভাবে, তাহলে আপনি জিরোই।

২০. আপনি কাউকে সাহায্য করতে পারুন আর না-ই পারুন, তার কথা মন দিয়ে শুনুন। তাকে গুরুত্ব দিন। তিনি যেন অনুভব করতে পারেন, আপনি তাঁর প্রতি আন্তরিক। আমি তো সব সমস্যার সমাধান দিতে পারব না, তবে তার কথাগুলি তো শুনতে পারি। যদি তাকে "না" বলতে হয়, তবে এমনভাবে বলি, যেন না-টাও হ্যাঁ-র মতো শোনায়। এতেও অনেকে খুশি হয়। ভাবে, তার নিশ্চয়ই সীমাবদ্ধতা আছে, তাই করতে পারল না। করার ইচ্ছা না থাকলে তো এতক্ষণ আমার কথা শুনত না।

২১. নিজের মনে কী চলছে, তা কাউকে সহজে বুঝতে দেবেন না। বরং তিনি কী চাইছেন, তা বোঝার চেষ্টা করুন। কাউকে কোন‌ও কাজ করার জন্য অনুরোধ করার চাইতে বরং কাজটা করলে তার কী লাভ হবে, সেটা বোঝালেই ভালো।

২২. এখনকার সময়ে লোকে ফেইসবুকে অনেক ছোটো জিনিসকেও বড়ো করে দেখায়। দেখা যায়, যে কাজটা নিতান্তই রুটিন-ওয়ার্ক, সেটাও অনেক ফলাও করে প্রচার করে, যা বিরক্তির উদ্রেক করে। এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও বিধিবিধান অনুসরণ করা খুব জরুরি।

২৩. দাপ্তরিক বিষয়ে ফেইসবুকে অহেতুক আত্মপ্রচার নিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করা দরকার। আমার কাছে এটাকে আত্মপ্রতারণা মনে হয়। ফেইসবুকের লাইক-কমেন্ট-শেয়ার গুনে কাজের প্রকৃত মান বোঝা যায় না। ছোটো ছোটো কাজগুলিকে অনেক বড়ো করে দেখালে মানুষ ধীরে ধীরে বড়ো কাজ করার উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। লোকের প্রশংসা নিয়ে ব্যস্ত থাকলে আসল কাজগুলোই ঠিকভাবে করা যায় না। অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সিভিল সার্ভিসে মাঠের নায়কদের ফেইসবুকে তেমন কেউই চেনে না।

২৪. চাকরিজীবনের শুরুতে সকল কলিগ আপনার বন্ধুর মতো হলেও ক্রমান্বয়ে এই সংখ্যাটা কমে যাবে। অতএব আচরণে খুব সতর্ক থাকুন। তবে আপনি খুব ভাগ্যবান হলে কলিগদের মধ্য থেকে দুই-একজন বন্ধু পেয়ে যাবেন। ওরা আপনাকে বিপদ ও সম্ভাব্য বিপদ থেকে বিভিন্ন সময়ে বাঁচিয়ে দেবে। তাদের সাথে সবসময়ই ভালো যোগাযোগ রক্ষা করুন।

২৫. চাকরির আগে আপনার যত বন্ধু ছিল, সেই সংখ্যাটাও ক্রমান্বয়ে কমে যাবে। অতএব নিজেকে আলাদা করে ফেলবেন না। দুঃসময়ে ভালো বন্ধুর গুরুত্ব অনেক। ভালো চাকরি পেলে যে লোক বন্ধুকে ভুলে যায়, তার কপালে দুঃখ অনিবার্য।

২৬. যতই হাই অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকুক না কেন, ডাউন-টু-আর্থ থাকা খুব দরকার। আপনি হার্ভার্ডে পড়েছেন কি অক্সফোর্ডে পড়েছেন, এটা দিয়ে কার‌ও কিছুই এসে যায় না, কেননা এমন নয় যে, বড়ো প্রতিষ্ঠান ভালো অফিসার তৈরি করে। বরং বড়ো বড়ো জায়গায় পড়াশোনা-করা অফিসারেরা বেশিরভাগ সময়ই কর্মক্ষেত্রে তেমন কাজের নন। মেধাবী মানুষ আর মেধাবী অফিসার এককথা নয়।

২৭. মানুষ আপনাকে সম্মান দেয় না, আপনার চেয়ারকে সম্মান দেয়। অতএব বিনয়ী থাকা খুব জরুরি। আজ আপনি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে থাকলেও দু-দিন পরেই অগুরুত্বপূর্ণ বা কম গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে পদস্থ হতে পারেন। মানুষ মানুষকে মনে রাখে, অফিসারকে নয়।

২৮. সরকারি চাকরিতে নায়ক হবার সুযোগ নেই, এটি নিতান্তই প্রটোকল মেনে এগিয়ে নেবার জিনিস। কাজেই উচ্চমার্গীয় চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে স্বাভাবিক আচরণ করাই ভালো। এখানে নায়ক হবার চেষ্টা যে করেছে, সে-ই মরেছে।

২৯. নির্দিষ্ট কোনও কিছুর পিছনে না ছুটে অর্পিত দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করে যান। দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করলে না চাইতেই অনেক কিছু পেয়ে যাবেন। দায়িত্ববান না হলে অচিরেই হারিয়ে যাবেন, হতাশা এসে জড়ো হবে। তখন সিস্টেমকে বৃথা দোষারোপ করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।

৩০. বিপদে পড়লে কাউকে কাছে পাবেন না; কাজেই বিপদে যাতে না পড়তে হয়, সেটা খেয়াল রাখুন। আপনার চাকরির সুবিধাভোগী অনেকেই হলেও আপনার কষ্টের ভাগ কিন্তু আপনার একার। মার খেয়ে খেয়ে বাঁচা সত্যিই খুব কষ্টের।

৩১. আপনি যত বিলাসবহুল জীবনযাপন করবেন, আপনার শত্রু সংখ্যাও তত বৃদ্ধি পাবে। কাজেই সতর্ক থাকুন। সহজ জীবনযাপন আপনাকে শান্তিতে রাখবে।

৩২. সেবা দেবার মনমানসিকতা রাখুন। আপনার চাকরি সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ, এটি মেনে চলুন। সেবাদানের মানসিকতা না থাকলে সিভিল সার্ভিসে টিকে থাকা অসম্ভব।

৩৩. যার উপকার করতে পারবেন না, তার সাথে যথাসম্ভব ভালো ব্যবহার করুন। বিনয়ের প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট হবার চেষ্টা করুন, তাহলে সরকারি চাকরি করা অনেক সহজ হবে।

10/03/2022
বাবা ছেলে 💖
27/02/2022

বাবা ছেলে 💖

27/02/2022

এই দেশে একটা ছেলে প্রতিষ্ঠিত হতে হতে বয়স ৩০ থেকে ৩৫ ও পার হয়ে যায়।

সিস্টেম গুলো এমন জটিল ভাবে তৈরী করা যে আসলে পড়াশোনা করে পরবর্তীতে ছাত্র ছাত্রীরা কিভাবে নিজের ইনকাম সোর্স বাহির করবে সেটাই শিখানো হয়না এই সিস্টেম এর ভিতরে।

যেখানে শিখানো দরকার ছিলো একটা সিভি কিভাবে তৈরী করতে হয়। একটা জব ইন্টারভিউতে গেলে কিভাবে কি করতে হয়। তারপর Academic পড়াশোনার পাশাপাশি হাতে কলমে অনেক বিষয় শিখিয়ে দিতে পারে যেটা পরবর্তীতে জব কিংবা নিজে উদ্যোগতা হতে চাইলে কাজে লাগতে পারে।

এই যে একটা ছেলে কিংবা মেয়ে Established হতে হতে এতো সময় লাগছে তারা বিয়ে করবে কবে?
সমাজিক অবস্থা এমন ভাবে তৈরী করা যে চাকরি না থাকলে বিয়েই হয়না, তাও অনেক ভালো চাকরি হইতে হবে কারণ পাত্র পাত্রী উভয় পক্ষই ছেলে মেয়ের আচরণ চলাচল কিংবা ভিতরের পরিস্থিতি দেখার চেয়ে তারা এইসব গুরুত্ব দেয় বেশী।

তখন দেখা যায় বিয়েই হয়না তখন এই ছাত্র ছাত্রী গুলোই বিপথগামী হয় এবং নানা ভাবে অপকর্মে লিপ্ত হয়ে যায়। পাশাপাশি দেখা যায় বন্ধু বান্ধবীদের মধ্যে যাদের পরিবার বিত্তশালী তারা চলছে অন্যরকম ভাবে তখন বন্ধু বান্ধবী চার্কেল এর মধ্যে একটা হিংসা প্রতিহিংসা এবং নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হওয়া শুরু করে।

বাস্তবতা হচ্ছে যে আমার উপরের কথা গুলো ১০০% সত্যি এবং এইগুলা আমি আমার আশেপাশে প্রতিদিন দেখছি। এই যে মানসিক ভাবে উন্নয়ন এবং পড়াশোনার নিয়মের উন্নয়ন এইসব নিয়ে Research and Development নিয়ে কাজ শুরু করা খুবই জরুরী।

তানা হলে দেখা যাবে পৃথিবীর মোটামুটি সকল রাষ্ট্র আমাদের থেকে অনেক অনেক দূরে চলে গেছে আর আমরা সেই Stone Age এ পড়ে আছি। যদিও এখনও পরিস্থিতি অনেকটা এমনই কারণ আমরা সব সময় মুখ খুলে বসে থাকি অন্য রাষ্ট্র কি টেকনোলজি আবিষ্কার করবে আর আমরা কখন সেটা আমদানি করবো।

নিজেরা আবিষ্কার কিভাবে করবো সেটা নিয়ে ভাবছি কম। চলছে শিল্প বিপ্লব এ নিজেদের অবস্থান সৃষ্টি করার মত অবকাঠামোই এখনো আমাদের পুরোপুরি ভাবে নেই।

তারপরও আমরা বিশ্বাস করি কখনো না কখনো তো পরিবর্তন আসবে!!

লেখাঃ আব্দুল্লাহ আল জাবের।

Address

Dhaka
1230

Telephone

+8801572037387

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Akash online shop.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Akash online shop.bd:

Share

Category