Travel.Bd

Travel.Bd Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Travel.Bd, Dhaka.

সিলেটে ঘুরতে আসছেন?  মাত্র ৬৫০ টাকায় ডুপ্লেক্স ভিলায় থাকার সুযোগ!!ছুটির দিনগুলোতে প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর সেরা ...
03/01/2025

সিলেটে ঘুরতে আসছেন? মাত্র ৬৫০ টাকায় ডুপ্লেক্স ভিলায় থাকার সুযোগ!!

ছুটির দিনগুলোতে প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর সেরা সুযোগ দিচ্ছে আল ফেরদৌস হলিডে হোম!

বিশেষ অফার:

✅ মাত্র ৬৫০ টাকা জনপ্রতি ডুপ্লেক্স ভিলায় থাকার সুযোগ!
✅ কাপলদের জন্য প্রাইভেট কটেজ মাত্র ১১৯৯ টাকায়।

কেন আমাদের নির্বাচন করবেন?
• শহরের যান্ত্রিকতা থেকে দূরে নিরিবিলি পরিবেশ।
• পুরো ফ্যামিলি নিয়ে আরামদায়ক ভ্রমণের নিশ্চয়তা।
• অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ সুন্দর সাজানো পরিবেশ।

আমাদের বিশেষ সুবিধাগুলো:
• ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস: সিলেটের যেকোনো পয়েন্ট থেকে পিকআপ ও ড্রপ।
• রুম সার্ভিস: ২৪/৭ আপনার প্রয়োজন মেটানোর নিশ্চয়তা।
• সেফ ক্যাটারিং ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যসম্মত ও মজাদার খাবারের আয়োজন।
• বারবিকিউ ফ্যাসিলিটি: রাতের আকাশের নিচে বারবিকিউর মজা।
• ক্যাম্পফায়ার: ঠান্ডা সন্ধ্যা আরও উপভোগ্য করতে।
• ফিশিং ফ্যাসিলিটি: মাছ ধরার এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা।
• ওয়াশিং ফ্যাসিলিটি: ফ্যামিলি বা কাপলদের আরামদায়ক থাকার জন্য।
• ইউনিক ফটোস্পট: আপনার স্মৃতিগুলোকে আরও রঙিন করতে দারুণ লোকেশন।
• গেম জোন: ফ্যামিলি বা বন্ধুদের সঙ্গে মজার মুহূর্ত কাটানোর জন্য।

নিরাপত্তা:
• আমাদের প্রপার্টি ২৪/৭ সিসিটিভি ক্যামেরা এবং সিকিউরিটি সার্ভিস দ্বারা সুরক্ষিত।
• প্রতিটি কটেজ ও ভিলায় ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা রয়েছে।
• আপনার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

যোগাযোগ করুন:

📍 ঠিকানা: জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট এরিয়া,বটেশ্বর , সিলেট
📞 যোগাযোগ নম্বর: ০১৭৪৭৯৬০৮৬৯

অফার সীমিত সময়ের জন্য! এখনই বুকিং করুন আর ছুটির দিনগুলোকে স্মরণীয় করে তুলুন।
আল ফেরদৌস হলিডে হোম – আপনার স্বপ্নের ঠিকানা।

কক্সবাজার ঘুরতে যাবে অবশ্যই যে বিষয় গুলা জেনে যাবেন বর্তমান সময়ে যারা কক্সবাজারে ঘুরতে যাবেন তাদের নিরাপত্তার জন্য এই স...
29/11/2024

কক্সবাজার ঘুরতে যাবে অবশ্যই যে বিষয় গুলা জেনে যাবেন
বর্তমান সময়ে যারা কক্সবাজারে ঘুরতে যাবেন তাদের নিরাপত্তার জন্য এই সতর্কতাগুলো মাথায় রাখবেনঃ

১. বাস থেকে নামার পর নিজেদের ইচ্ছামত অটোতে উঠবেন, অবশ্যই গন্তব্যস্থল উল্লেখ করে ভাড়া ঠিক করে উঠবেন। অটো ওয়ালাদের কথামতো অটো নিলে ওরা আপনাকে উনাদের নির্ধারিত হোটেলে নিয়ে যাবে।

২. সম্ভব হলে আগেই হোটেল বুকিং দিয়ে যাবেন। তবে বুকিং দেবার আগে ভাড়া ঠিক করে নেবেন। যারা কক্সবাজার এসে হোটেল ঠিক করতে চান তারা অবশ্যই অটো চালকের কথায় কোন হোটেলে যাবেন না। নিজেরা যাচাই করে, রুম দেখে ভাড়া ঠিক করে হোটেলে উঠবেন।

৩. হোটেলে উঠার সময় অবশ্যই এনআইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন কার্ড সাথে আনবেন এবং হোটেলে কপি জমা দেবেন।

৪. বিচে নামার সময় মূল্যবান জিনিসপত্র হোটেলে রেখে আসাই উত্তম।

৫. বিচে বসে কোন ম্যাসেজ বয় কে দিয়ে ম্যাসেজ করাবেন না, ম্যাসেজ বয় দেখলে কিটকটের দায়িত্বে থাকা কর্মিকে সরিয়ে দিতে বলবেন অথবা ট্যুরিস্ট পুলিশকে জানাবেন। ( ম্যাসেজের আড়ালে তারা আপনার মোবাইল, মানিব্যাগ নিয়ে যেতে পারে), ট্যুরিস্ট পুলিশ ম্যাসেজ বয়দের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

৬. কোন ভিক্ষুক, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ বিরক্ত করলে ট্যুরিস্ট পুলিশকে অবহিত করুন।

৭. বিচ থেকে ভ্রাম্যমাণ হকার উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। শীঘ্রই ভ্রাম্যমাণ হকার মুক্ত করা হবে। আপনারা ভ্রাম্যমাণ হকার থেকে কেনাকাটা থেকে বিরত থাকুন।

৮. ফটোগ্রাফার থেকে ছবি তোলার ক্ষেত্রে আগে থেকেই দরদাম ঠিক করে নিতে হবে। সম্ভব হলে তার লাইসেন্স আছে কিনা সেটা যাচাই করে নিবেন এবং মোবাইল নাম্বার ও ফটোগ্রাফারের ছবি তুলে রাখবেন।

৯. বিচবাইক, ওয়াটার বাইকে চড়ার ক্ষেত্রে তাদের রেইট নির্ধারণ করে দেয়া আছে, যাচাই করে, দাম ঠিক করে উঠবেন।

১০. পানিতে নামার ক্ষেত্রে যেখানে লাইফ গার্ড রয়েছে তার আশেপাশে নামার চেষ্টা করবেন।

১১. কোন ধরনের হয়রানি হবার সম্ভাবনা হলে ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তা নিবেন।

১২. হোটেলে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে মূল্য তালিকা দেখে নিবেন।

১৩. স্ট্রিট ফুড খাওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

১৪. কক্সবাজার বীচ এলাকা ও এর আশপাশ নিরাপদ। তবে সন্ধ্যার পর ঝাউবন ও অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় না যাওয়ায় উত্তম।

১৫. জোয়ার-ভাটার সময় দেখে নিন। ভাটার সময় পানিতে নামবেন না। লাল পতাকা দেখলে বীচে গোসল পরিহার করুন।

১৬. যে কোন আইনী সহায়তা ও হয়রানি প্রতিরোধে যোগাযোগ করুন ডিউটি অফিসার ০১৩২০১৫৯০৮৭, এএসপি ০১৩২০১৫৯২০৯,-কে।

কালেক্টেড💫

11/07/2024

যারা নিঝুম দ্বীপ যাচ্ছেন, তাদের কিছু ধারনা ক্লিয়ার করতেই লিখছি এবং যদি কেউ ভবিষ্যৎ এ যেতে চান তাদের জন্যও লাগতে পারে।

সমুদ্র পাড়ে ১২ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকত দ্বীপটা আসলেই নিঝুম। প্রকৃতি তার নিজ হাতে অপরূপ সাজে সাজিয়েছে দ্বীপটিকে। জোয়ার-ভাটার এই দ্বীপের এক পাশ ঢেকে আছে সাদা বালুতে, অন্য পাশে সৈকত। দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়।

সাগর কন্যা ৯২ বর্গ কিলোমিটারের এই দ্বীপে নেই বড় বড় দালান কোঠা, নেই গাড়ির হর্ন, হকারের হাকডাক, কিংবা কল কারখানার বিকট আওয়াজ। দিনের আলোয় যতটা সুন্দর রাতের নিস্তব্ধতায় ততটাই আকর্ষণীয়। চন্দ্রালোকে জোয়ার-ভাটায় এর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এক স্বর্গীয় অনুভূতি সৃষ্টি করে। এখানে সকালে ঘুম ভাঙ্গে পাখির কলতানে, দুপুরে শ্রমজীবি মানুষের হাকডাকে মুখর থাকে চারিদিক, সন্ধ্যায় হরিণের মায়াবী ডাকে প্রাণটা জুড়িয়ে যায়।

চোখ জুড়ানো নকশি কাঁথার মতো বিছিয়ে থাকা সবুজ ঘাসের ওপর হরিণের ছোটাছুটি দৃষ্টি কেড়ে নেয়। যা পর্যটকের মনকে সহজেই আকৃষ্ট করে। তখন অনেক পর্যটককে দেখা যায় হরিণের পিছু ছুটতে। কিংবা একটা ছবি তুলতে কারো পক্ষে সম্ভব হয় কারো পক্ষে না।শীতকালে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে আগত হাজার হাজার পাখির কারণে এখানে রীতিমতো পাখির মেলা বসে যায়, পুরো দ্বীপ তখন পাখির রাজ্যে পরিণত হয়। হরিণের রাজ্য এবং নিঝুম দ্বীপের দেশ নোয়াখালী... নিঝুম দ্বীপ জাতীয় উদ্যানের প্রধান প্রাণী চিত্রা হরিণ।

দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকেই আপনি চাইলে নিঝুম দ্বীপে যেতে পারেন। আর উপভোগ করতে পারেন অপার সৌন্দর্যে ঘেরা নিঝুম দ্বীপকে।

তিন ভাবে নিঝুমদ্বীপ যাওয়া যায়ঃ

> ঢাকা- চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ- হাতিয়া - নিঝুমদ্বীপ
> ঢাকা- ভোলা - হাতিয়া - নিঝুমদ্বীপ
> ঢাকা - নোয়াখালী - সোনাপুর - চেয়ারম্যান ঘাট - হাতিয়া - নিঝুমদ্বীপ

যেভাবে যাবেন নিঝুম দ্বীপঃ

বাংলাদেশের যে প্রান্ত থেকে নিঝুম দ্বীপ ভ্রমন করতে হলে ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করলে প্রথমে তাকে সড়ক পথে নোয়াখালী হেড কোয়ার্টার মাইজদী সোনাপুর আসতে হবে। এখানে কিছু আবাসিক হোটেলও রয়েছে। সোনাপুর থেকে প্রতি আধা ঘন্টা পর পর বাস এবং বেবী টেক্সী পাওয়া যায়। সোনাপুর থেকে চরবাটা ৪নং স্টীমার ঘাট বয়ারচর চেয়ারম্যান ঘাট থেকে প্রতি দিন সী-ট্রাক/ইঞ্জিল চালিত ট্রলার নলচির ঘাট, অথবা তমরুদ্দি ঘাট বা চরচেঙ্গোর ঘাটে পর্যন্ত চলাচল করে। সী ট্রাকে নদীপথে সময় লাগে দেড় থেকে দুই ঘন্টা।

রিজার্ভ ট্রলার নিয়ে গেলে ভাড়া ২৪ ঘণ্টার জন্য ১০০০০-১৫০০০ টাকা নিবে ! আর এভাবে যাওয়াটা আরামদায়ক বেশি, একবার ট্রলার এ উঠলে ৪-৫ ঘণ্টায় নিঝুম দ্বীপ !

ঢাকা সদরঘাট থেকে একটি করে লঞ্চ প্রতিদিন তমরুদ্দীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। লঞ্চে ডেকে জনপ্রতি ভাড়া ৩৫০ টাকা। প্রথম শ্রেণীর একক কেবিন ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা এবং দ্বৈত কেবিন ২০০০ - ২২০০। ঢাকা থেকে বিকেল পাঁচটায় লঞ্চ ছেড়ে যায় এবং তমরুদ্দী পৌঁছাবে পরদিন সকালে। সেখান থেকে অটো রিকশা নিয়ে যেতে হবে বন্দরটিলা ঘাট। রিজার্ভ নিলে ভাড়া ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। যাওয়া যাবে তিন থেকে চারজন। সেখানে ট্রলারে চ্যানেল পার হলেই বন্দরটিলা। এরপর আবার নিঝুম দ্বীপের নামা বাজার যেতে হবে রিকশা কিংবা অটো রিকশায়। ভাড়া ৮০ থেকে ১৫০ টাকা। দুপুর নাগাদ পৌঁছে যাবেন নিঝুম দ্বীপে।

থাকার ব্যবস্থাসমূহ

নিঝুম দ্বীপে পর্যটকদের থাকার ভালো ব্যবস্থাও আছে। আর বছরের এই সময়টাতে এখানে ভ্রমণ পিপাসু মানুষ ও পর্যটকদের আনাগোনাও থাকে বেশি।

জেলা পরিষদের নির্মিত ডাকবাংলো যেটি বর্তমানে নিঝুম দ্বীপ রিসোর্ট সেন্টার নামে পরিচিত। এখানে প্রায় ৫০-৬০ জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

বন বিভাগের রেস্ট হাউজ, এখানে নিজস্ব জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রয়েছে।

হোটেল নিঝুম সী প্যালেস, অবকাশ পর্যটনের নিঝুম রিসোর্ট, মাহমুদ বোডিং এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়, এখানে থাকতে হলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে আলোচনা করে অনুমতি নিতে হবে।

কি কি দেখব আমরাঃ

এতকিছু কিছু লিখতে পারবোনা, শুধু একলাইন এ বলবো "কুয়াকাটা + সুন্দরবন + বাশখালি বিচ এর মিলিত রুপ নিঝুম দ্বীপ।

চোখ আর মনের শান্তি চান? একবার নিঝুমদ্বীপ ঘুরে আসুন.....

20/06/2024

কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরচ করছেন। যারা ওই অতিরিক্ত খরচ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল। এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি। মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায়। আপনি যদি টাকা কে পাইলটের মত উড়াতে ভালোবাসেন তবে এই পোস্ট টি আপনাদের জন্য নয়।
অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন। এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে। আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জংশনে এসে নামবেন (দমদম জংশন এবং দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না)। এখান থেকে মাত্র ১৫ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন।

কলকাতা মেট্রো রেলের রুট:----

দমদম > বেলগাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবীন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতীন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবীন্দ্র সরোবর > টালীগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস। ভাড়া ৫, ১০, ১৫, ২০ রুপি। আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত। চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লেখা আছে। আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন।

এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে...

★ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★হাওড়া ব্রিজঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন।
★রাম মন্দিরঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★মার্বেল প্লেসঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন।
★ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন।
★চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো।
★নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★বড় বাজারঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।
★লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।
অনেকেই নিউমার্কেট এলাকায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকে । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন। এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এলাকা।

বি.দ্র. মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না। মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলোতে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না। সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ, অফিস ব্যাগ, শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন। ভালো থাকবেন।

30/03/2024

♻️♻️ Online Visa চেক করার 60+ দেশের ওয়েব এড্রেস। এবার নিজেই চেক করে নিন অনলাইনে ভিসা।

১। -তানজানিয়া http://www.tanzania.go.tz
- See more at: http://techtimebd.blogspot.com/2015/05/online-visa-60.html .WVMAe6sj.dpuf

২। -কাতার http://www.moi.gov.qa/VsaWeb/Actions?action=geteServiceVisaInfoInput&language=english

৩। -কুয়েত http://www.moi.gov.kw

৪। -পাকিস্তান http://www.moitt.gov.pk/

৫। -সৌদি আরব http://www.moi.gov.sa/

৬। -দুবাই/আরব আমিরাত http://www.moi.gov.ae

৭। -মিশর http://www.moiegypt.gov.eg/english/

৮। -বাংলাদেশ http://www.moi.gov.bd

৯।- সাইপ্রাস http://moi.gov.cy/

১০। -নেপাল http://www.moic.gov.np/

১১। -আলবেনিয়া http://www.moi.gov.al/

১২। -জাম্বিয়া http://www.moi.gov.gm/

১৩। -জর্দান http://www.moi.gov.jo/

১৪। -ইন্ডিয়া http://labour.nic.in/

১৫। -কেনিয়া http://www.labour.go.ke/

১৬। -ইটালী https://www.visaservices.org.in/Italy-Bangladesh-Tracking/

১৭। -সিংগাপুর http://www.mom.gov.sg/

১৮। -গ্রীস http://www.mddsz.gov.si/en

১৯। -শ্রীলংকা http://www.labourdept.gov.lk/

২০। -দক্ষিণ আফ্রিকা http://www.labour.gov.za/

২১। -ইরান http://www.irimlsa.ir/en

২২। -ঘানা http://www.ghana.gov.gh/

২৩। -থাইল্যান্ড http://www.mfa.go.th

২৪। -বাহরাইন http://www.mol.gov.bh।

২৫। -ভূটান http://www.molhr.gov.bt/

২৬। -কলম্বিয়া http://www.labour.gov.bc.ca/esb/ http://www.gov.bc.ca/citz

২৭। -কানাডা http://www.labour.gov.on.ca/english/

২৮। -বারবাডোস http://www.labour.gov.bb/

২৯। -কোরিয়া http://www.moel.go.kr/english

৩০। -জাপান http://www.mhlw.go.jp/english/

৩১। -সাইপ্রাস http://www.mfa.gov.cy/

৩২। -ভিয়েতনাম english.molisa.gov.vn/

৩৩।- নিউজিল্যান্ড http://www.dol.govt.nz/

৩৪। -নামিবিয়া http://www.mol.gov.na/

৩৫। -মালদ্বীপ mhrys.gov.mv/

৩৬। -মিয়ানমার http://www.mol.gov.mm/

৩৭। -লেবানন http://www.labor.gov.lb/

৩৮। -পোল্যান্ড http://www.mpips.gov.pl/en

৩৯। -ইংল্যান্ড http://www.ukba.homeoffice.gov.uk

৪০। -বুলগেরিয়া http://www.mlsp.government.bg/en

৪১। -আমেরিকা http://www.dvlottery.state.gov/ESC http://www.dol.gov/

৪২। -স্পেন http://www.mtin.e

29/03/2024

আশা করি শেষ পর্যন্ত পড়বেন।

এক লেবানিজ লোক জাপানে ঘুরতে গিয়ে সেখানকার এক ফাইভ স্টার হোটেলে উঠেছে। সে যখন সুইমিংপুলে নেমেছে, তখন আর কোনো গেস্ট ছিলো না। একা সুইমিংপুলে সাঁতার দিতে গিয়ে আরব বদমাইশটার মাথায় চ্যাগান দিয়ে উঠলো শয়তানি। ভাবলো, "একটা ফাইভ স্টার হোটেলের সুইমিংপুলে হিসু করে রেখে যাই। আমার মূত্রে বাকি গেস্টরা অবগাহন করবে, অনেক মজা হবে।"

মজা পাওয়ার জন্য ভাইটি মূত্রবিসর্জন করামাত্র দেখলেন, পুলের ওই অংশের পানি গোলাপি হয়ে গেছে এবং এলার্ম বেজে উঠেছে। হোটেল স্টাফরা এসে সাথে সাথে তাকে পুল থেকে তুলে ফেললো। কারণ, এখন পুরা সুইমিংপুলের পানি ফেলে দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এরপর নতুন করে পানি ভরা হবে।

ঘটনা ঘটার দশ মিনিটের মাথায় লোকটাকে রিসেপশনে ডেকে আনা হলো। তার হাতে পাসপোর্ট ধরিয়ে দিয়ে হোটেল থেকে বিদায় করে দেয়া হলো। লোকটা ভাবলো, সে সম্মানিত ট্যুরিস্ট এবং তার প্রচুর পয়সা আছে। অন্য হোটেলে গিয়ে উঠলেই হবে।

এখান থেকেই মূল খেলাটা শুরু। লোকটা প্রথমদিকে আশপাশের ফাইভ স্টার হোটেলগুলায় উঠার চেষ্টা করলো। মজা হলো, যেই হোটেলেই সে উঠার চেষ্টা করে, রিসেপশনিস্ট তার পাসপোর্টের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলে ফেলে, "আচ্ছা, আপনিই সেই লোক যে সুইমিংপুলে.... আহ্, সরি স্যার, আপনাকে গেস্ট হিসেবে আমরা নিতে পারতেসি না। অন্য হোটেল দেখেন।"

লোকটা হোটেল দেখা শুরু করলো। প্রথমে সবগুলো ফাইভ স্টার, এরপরে ফোর স্টার, এরপর থ্রি স্টার.... প্রত্যেকটা হোটেলেই সেইম ঘটনা ঘটতেছে। কেউই তাকে গেস্ট হিসেবে নিচ্ছে না। সারাদিন ঘুরে জাপানের কোনো হোটেলেই থাকার জায়গা না পেয়ে লোকটা শেষমেশ নিজের এমব্যাসিতে আশ্রয় নিলো।

সেখানে তাকে পরামর্শ দেয়া হলো, জাপানের এমন কোনো হোটেলেই তুমি আর কোনোদিন উঠতে পারবা না, যেখানে সুইমিংপুল আছে। তারচেয়ে বড় কথা, তোমার এই অপরাধের ছাপ্পা তোমার পাসপোর্টের সাথে লেগে গেছে। তোমার জাপান ভ্রমণ এখানে সমাপ্ত করাটা হবে বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত।

লোকটার অপমান সেখানেই শেষ হয় নাই। চলে যাওয়ার সময় এয়ারপোর্টে পাসপোর্ট অফিসার তার পাসপোর্টে সিল মারতে মারতে বললো, "আশা করি আপনি আপনার শিক্ষা পেয়েছেন। অন্য দেশে যাওয়ার সময় শিক্ষাটা ভুইলেন না।"

লেবাননে ফিরে এসে লোকটা পুরো ঘটনাটা তার ফেসবুকে লিখেছে। সেই স্ট্যাটাসের লাস্ট লাইন ছিলো, "পুরো জাপান জেনে গেছিলো যে আমি ওদের হোটেলের সুইমিংপুলে হিসু করেছি। এদিকে আমার দেশের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কারা আমাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার চুরি করে নিয়ে গেছে, সেটা আমাদের সরকার এখন পর্যন্ত বের করতে পারে নাই।"

# সোহা

18/03/2024

তাকওয়া কী? রোজা কীভাবে তাকওয়া অর্জনে সহায়তা করে?
—নোমান আলী খান

এরপর আল্লাহ্‌ রোজার উদ্দেশ্যের কথা বলেন, উদ্দেশ্য হল, লাআল্লাকুম তাত্তাকুন। যেন তোমরা সবাই নিজেদেরকে রক্ষা করার চেতনা গড়ে তুলতে পারো। সাবধানতা, যত্ন, ভয়ও বলতে পারেন। কিন্তু, ভয় অর্থটা তাকওয়া শব্দের ভালো অনুবাদ নয়। তাই, আমি তাকওয়ার ধারণা ব্যাখ্যা করতে কিছু সময় ব্যয় করবো।

তাকওয়া এসেছে আরবি শব্দ 'বেকায়া وقاية' থেকে। মূল শব্দ হলো, وقى يقي وقاية আর আরবিতে وقاية অর্থ রক্ষা করা। যেমন, আমরা দুআ করি, ওয়া কিনা আজাবান নার - আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। যখন নিজেকে রক্ষা করার কথা আসে তখন বলেন, ইত্তাকা, ইয়াত্তাকি। কুরআনে এসেছে - فَكَيْفَ تَتَّقُونَ إِن كَفَرْتُمْ يَوْمًا يَجْعَلُ الْوِلْدَانَ شِيبًا - “অতএব, তোমরা কিরূপে আত্মরক্ষা করবে যদি তোমরা সেদিনকে অস্বীকার কর, যেদিন বালককে করে দিব বৃদ্ধ?” (73:17) এখানে 'তাত্তাকুন' দ্বারা আত্মরক্ষার ধারণা প্রকাশ পাচ্ছে।

যখন কেউ আত্মরক্ষা করে... যেমন, দরজা বন্ধ করে, জানালা বন্ধ করে, সিকিউরিটি এলার্ম সেট করে— যেটাই করুক, তারা এসব করে কারণ এখানে সত্যিকারের বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিরক্ষার সাথে বিপদের এই সম্পর্ক থাকার কারণেই মানুষ তাকওয়ার জন্য 'ভয়' অর্থ ব্যবহার করে। মূলত এর অর্থ হলো, ভয়ের কারণে তুমি যে পদক্ষেপ গ্রহণ করো সেটাই তাকওয়া। ভয় নিজে নয়। এমনও হতে পারে, কেউ একজন ভয় পেলো কিন্তু বাঁচার জন্য কোনো পদক্ষেপ নিলো না। তার তাকওয়া নেই।

অন্যদিকে, যে ব্যক্তি ভয়ের কারণে দরজা বন্ধ করে, খারাপ এলাকা থেকে বের হয়ে যায়, জোরে গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যায়, যেটাই করুক না কেন— এর নাম হলো তাকওয়া। বুঝতে পারছেন? তাহলে, নিজের প্রতিরক্ষার জন্য যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয় তার নামই তাকওয়া। যে কোনো ধরণের সমস্যা থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার নামই হলো তাকওয়া।

তাক্বওয়া ইতিবাচক অর্থও প্রকাশ করতে পারে। শুধু বিপদ থেকে প্রতিরক্ষা নয়, যখন তুমি তোমার পিতার রাগ থেকে বাঁচতে পদক্ষেপ গ্রহন করো, মায়ের রাগ থেকে, স্বামী/স্ত্রীর রাগ থেকে। অথবা আজকের আলোচনার ক্ষেত্রে, আল্লাহ যেন অসন্তুষ্ট না হোন সেজন্য পদক্ষেপ নেওয়া। যখন আপনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন যেমন, আমি জানি আমি ঘুমিয়ে পড়তে পারি। তাই, ঘুমানোর আগেই আমি আমার বাড়ির কাজ শেষ করবো। আমি আগেভাগে করে ফেলবো। আমার এখন সময় আছে, কিন্তু কেমন যেন অলসতা ফিল করছি। আমি জানি, যদি দেরি করি শেষে আর করা হবে না। এটা আসলে তাক্বওয়া মূলক কাজ। আপনি নিজেকে নিজের দুর্বলতা থেকে রক্ষা করলেন। উপযুক্ত সাবধানতা অবলম্বন করলেন।

এজন্য কুরআনের এক জায়গায় পাবেন, সূরা বাকারায় হজ্বের প্রস্তুতি নেওয়ার কালে ... হজ্বের প্রস্তুতি নেয়ার কালে আপনার হাতে যথেষ্ট টাকা থাকতে হবে, লাগেজ ব্যাগ ইত্যাদি গোছাতে হবে। আর আগের দিনে তো অনেক লম্বা ভ্রমণ করতে হতো। তাই, আপনাকে ব্যাগ গোছানোটা ভালোভাবে নিশ্চিত করতে হবে। মরুভূমির ভেতর দিয়ে ভ্রমণ করতে হত। তাই, সাপ্লাই না থাকলে তো মারা যেতে হবে। সেজন্য, আল্লাহ্‌ বলেন, وَتَزَوَّدُوا - এবং পাথেয় গ্রহণ কর। فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَىٰ - আর তাক্বওয়াই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। (2:197)

মানে, যথাযথ সাবধানতা অবলম্বন করো। শুধু আল্লাহর ব্যাপারে সাবধানতা নয়, এই বিস্তৃত অর্থবোধক বাক্যাংশে বলা হচ্ছে, দেখো, সবাধান থাকো। অনিরাপদ পথ দিয়ে বা ভয়ংকর এলাকা দিয়ে ভ্রমণ করো না। আগন্তুকদের সাথে কথা বলো না। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করো। এগুলোও আসলে তাকওয়ার অর্থের মাঝে অন্তর্ভুক্ত।

এখন, কেন আমি আপনাদের এসব বলছি? আল্লাহ্‌ অসাধারণ একটি কাজ করেছেন। সমগ্র কুরআনে তাকওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রায় ২০০ বারের বেশি। এটি কুরআনের বহুল উল্লেখিত বিষয়বস্তুর একটি, যদি সর্বাধিকবার উল্লেখিত বিষয়বস্তু না হয়ে থাকে।

আর আপনারা ঘুমিয়ে পড়ার আগে অগণিত খুৎবা শুনে থাকবেন তাকওয়া নিয়ে। "প্রিয় ভাই এবং বোনেরা, আজ আমি তাকওয়া নিয়ে কথা বলবো।" আপনি আস্তে করে ঘুমিয়ে পড়েন। এই রকম অভিজ্ঞতা আপনার বহুবার হয়েছে।

সবাই বলে আপনার তাকওয়া থাকতে হবে, আপনার তাকওয়া থাকতে হবে, আপনার তাকওয়া থাকতে হবে। কিন্তু, নামাজের পরে তো আর এটা বিক্রি হচ্ছে না, মসজিদের বাহিরে। আমি জানি না কোথা থেকে এটা অর্জন করবো। এটা একটা ধারণা, আমি কীভাবে এই ধারণা নিজের মাঝে বাস্তবায়ন করবো। আমি শুনেছি এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আমার এটা থাকতে হবে। এটা একটা বিমূর্ত বিষয়।

আমাদের ধর্মের সুন্দরতম একটি দিক হলো, এমন বিমূর্ত ধারণাগুলোকে নিয়ে আল্লাহ্‌ তাঁর নিজের বইতে প্র্যাকটিক্যাল কিছু উপায় বলে দিবেন যে, কীভাবে আমরা নিজেদের মাঝে এগুলোর বাস্তব প্রয়োগ ঘটাবো। তাই, এটা শুধু একটা দার্শনিক ধারণা হিসেবে আপনার মাথায় ঘুরতে থাকে না। 'কিছু একটার নাম তাকওয়া। আমার মনে হয় অনেক মানুষের এটা আছে, কিন্তু আমার নেই।' না। আল্লাহ্‌ আসলে আপনাকে ট্রেইনিং অনুশীলন দিবেন। যার বাস্তবায়ন করে আপনি নিজেও তাকওয়া অর্জন করতে পারেন। এইরকম উপায়গুলোর অন্যতম শক্তিশালী একটি হলো, সিয়াম সাধনা। আশা করা যায়, রোজা আপনাকে তাকওয়া দিবে।

যদি রোজা রাখলেই তাকওয়ার গ্যারান্টি পাওয়া যেতো তাহলে আয়াতটি এভাবে আসতো, কুতিবা আলাইকুমুস সিয়াম, কামা কুতিবা আলাল লাজিনা মিন কাব্লিকুম লি তাত্তাকু। লামটি হতো লামে তা'লিল। লি তাত্তাকুর অর্থ হতো, যেন তোমরা তাকওয়া পেতে পারো। আর যখন লাআল্লাকুম বলেন, তখন পাওয়ার একটি আশা আছে, কিন্তু কোনো গ্যারান্টি নেই। কোনো গ্যারান্টি নেই।

তো, আল্লাহ্‌ বলছেন তাকওয়া অর্জন করার এটা হলো উপায়, কিন্তু শুধু যদি তুমি ঠিকভাবে সম্পন্ন করো। এমন নয় যে, যেই রোজা রাখবে সেই তাকওয়া পাবে। চলুন, এই ধারণাটি একটু অনুসন্ধান করে দেখি যে, রোজা কীভাবে একজনকে তাকওয়ার দিকে পরিচালিত করে। আল্লাহ্‌ সম্পর্কে সাবধান থাকা, সংরক্ষণশীল থাকা এবং তাঁর অসন্তোষ থেকে নিরাপদ থাকা। খুব সহজে বলছি। আমি জটিল কোনো আলোচনা তুলে ধরব না।

আজকে পাণ্ডিত্যপূর্ণ হওয়া আমার লক্ষ্য নয়, একজন শিক্ষক হিসেবে আমি আলোচনাটি উপস্থাপন করবো। গবেষকের মত করে নয়। তাই, বিভিন্ন উৎস থেকে বিভিন্ন গবেষকের গবেষণা আমি উপস্থাপন করতে যাবো না। সেই অধ্যয়ন ইতোমধ্যে আমি করেছি। আমার দায়িত্ব হলো সেই কথাগুলো যত সহজে সম্ভব আপনাদের সামনে তুলে ধরা। ইনশাআল্লাহ্‌।

চলুন, এ সম্পর্কে কথা বলি। যখন রোজা রাখছেন, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে গরম কোনো জায়গায় যেমন টেক্সাসে বা আরবের কোথাও, বা পাকিস্তানে, দক্ষিণ আফ্রিকায়... রোজা রাখলে পানির তৃষ্ণা লাগবেই। আপনি খুব ধার্মিক ব্যক্তি হোন বা না হোন, তরুণ হোন বা বৃদ্ধ হোন, এটা কোনো বৈষম্য তৈরি করে না। তৃষ্ণা এসবের কোনো পরোয়া করে না। ক্ষুধা কোনো পক্ষপাতমূলক আচরণ করে না। আপনি ক্ষুধা অনুভব করবেন-ই।

ভেতরের এই অনুভূতিগুলো এবং আপনার শরীর মূলত আপনাকে আল্লাহর অবাধ্য হতে বলছে। তাই নয়কি? প্রতিটি সেকেন্ডের পিপাসা যে অনুভব করছেন, আপনার শরীর মূলত চিৎকার করে বলছে, আমাকে পানি দাও। আপনার পাকস্থলী প্রায় নিজের একটি করুণ গান নিয়ে আপনার কাছে কাকুতি-মিনতি করছে। "আমাকে খাবার দাও। "আমাকে খাবার দাও।"

শরীরের ভেতর একটি যুদ্ধ চলছে যেন। আপনার শরীর আপনাকে আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে বলছে। তখন, অন্তরের কিছু একটা আপনার পাকস্থলীকে এবং গলাকে বলছে, "চুপ থাকো; মাগরিবের আগে নয়। মাগরিবের আগে নয়।" সারা দিন ধরে আপনি আপনার নিজের সাথে যুদ্ধ করছেন। নিজের সাথে, গোটা দিন।

নতুন বিবাহ করেছে এমন এক দম্পতি। সে নিজের স্ত্রীর জন্য পাগল। তার দিকে তাকিয়েই...কি করবো এখন। "মাগরিবের আগে নয়। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবো। কারণ, আমি রোজা রেখেছি।"

সবচেয়ে শক্তিশালী কামনা সহবাস, এবং সবচেয়ে মৌলিক প্রয়োজন ক্ষুধা ও তৃষ্ণা আল্লাহ্‌ সারা দিনের জন্য বন্ধ করে দিলেন। যদি আমি আর আপনি রোজা রেখে থাকি, তাহলে আমরা নিজেদের মৌলিক চাহিদা এবং শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী কামনাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিচ্ছি সারা দিন ধরে, শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য। শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য।

দশ বার বছরের কোনো বাচ্চা প্রথমবারের মত রোজা রাখছে। সে নরম নরম মজাদার কিছু চকোলেটের দিকে তাকিয়ে আছে, হাত দিয়ে একটুখানি নিলো, কিন্তু মুখে নেওয়ার আগে থেমে গেলো, আল্লাহর কথা মনে করে আবার রেখে দিল। এমনকি তারও তাকওয়া আছে।

প্রতিবার এমনটি করার মাধ্যমে আপনি আল্লাহ্‌ সম্পর্কে সতর্ক থাকার অনুভূতির বিকাশ সাধন করলেন। এই অনুশীলন কেন গুরুত্বপূর্ণ? যদি সারাদিন ধরে আপনার মৌলিক চাহিদা এবং সবচেয়ে শক্তিশালী কামনাকে আটকে দিতে পারেন, যদি এটা করতে সমর্থ হোন, তাহলে রামাদানের বাহিরে আল্লাহ্‌ আপনার কাছে এর থেকে অনেক কম আশা করেন। রামাদানের বাহিরে তিনি আসলে চান, وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَائِثَ - তিনি তাদের জন্য শুধু নোংরা জিনিসগুলো নিষিদ্ধ করেন। (৭:১৫৭)

এই ট্রেনিং ঠিকমত গ্রহণ করলে আপনি খুব সহজেই আল্লাহর অন্যান্য আদেশ-নিষেধ গুলো পালন করতে পারবেন। তিনি আপনাকে ট্রেনিং দিচ্ছেন। ব্যাপারটা দারুণ সুন্দর।

ব্যাপারটা আমি এভাবে ব্যাখ্যা করি। যে কোনো পরিশ্রমসাধ্য কাজের জন্য... মিলিটারি ট্রেনিং বা পুলিশের ট্রেনিং এ ধরণের ট্রেনিংগুলোতে একজনকে প্রচুর পরিমাণে কঠিন কঠিন অনুশীলন করতে হয়। তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনিং নিতে হয়। পরে একসময়, সেই একই ব্যক্তি সহজ কোনো জিমে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। তাদের দৈনিক ব্যায়ামের রুটিন আছে।

সে তখন বলে, "এটা তো কোনো ব্যাপারই না। আমরা এরচেয়ে দশগুণ বেশি ব্যায়াম করতাম।" তাই, সে যখন বহুগুণে শক্তিশালী কোনো ট্রেনিং শেষ করে আসে, তখন এরচেয়ে ছোটখাটো যেকোনো কিছু তার কাছে এক পিস কেক খাওয়ার মত সহজ। তার কোনো কষ্টই হয় না। সিয়াম সাধনার ব্যাপারটাও এরকম।

ট্রেনিংটা এতোই কঠিন যে এরপর আল্লাহ্‌ আপনাকে যা করতে বলবেন তা তো এক পিস কেক খাওয়ার মতই সহজ। আপনি এরজন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। পুরো মাস জুড়ে আপনি আল্লাহ্‌ সম্পর্কে সতর্ক থাকা শিখবেন এবং পরবর্তীতে নিজেকে ভালোভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হবেন আল্লাহর যে কোনো ধরণের অবাধ্যতা থেকে।

18/03/2024

ঈমান ও কুফরের পার্থক্য জানা একজন মুসলিমের জন্য ফরয। কী কী কারণে একজন মুসলিম মুরতাদ হয়ে যেতে পারে তা যদি তার জানা না থাকে এবং এই না জানার কারণে সে মুরতাদ হয়ে কবরে চলে যায় তবে মুক্তির আশা করা বোকামি। কেননা “জানি না” বলে আল্লাহ্র কাছে পার পাওয়া যাবে না। দুনিয়ার সবকিছু জানতে পারি, সব ব্যবসা চাকরি বুঝি, কিন্তু দ্বীনের বেলায় আসলে নিজেকে মূর্খ দাবি করা আরও বড় মূর্খতা।
মদ পান করলে, যিনা করলে, সুদ-ঘুষ খেলে, মিথ্যা বললে, গীবত করলে, খুন করলে কেউ ইসলাম থেকে বের হয়ে যায় না। অবশ্যই কাজগুলো হারাম ও কবিরা গুনাহ। কিন্তু ইসলামের কোন বিধানকে তা যত ছোটই হোক না কেন কেউ কটাক্ষ করলে, অস্বীকার করলে, অপছন্দ করলে, বিপক্ষে যুক্তি দাঁড় করালে, আল্লাহ্র দেয়া বিধানকে বাতিল করে দিয়ে কুফফারদের তৈরি কোন বিধানকে পছন্দ করলে, কুফফারদের পক্ষ হয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলে সে মুরতাদ হয়ে যাবে।
আজকের মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর শাসক ও শাসকের আইনের আনুগত্যশীল সকল বাহিনীর কর্মকান্ডের দিকে তাকালে তা সহজেই বোঝা যায়। কেননা তাগুতের যারা রক্ষাকবচ তারাও কোন অংশে কম দায়ী নয়। কেননা তারা আল্লাহ্র দেয়া বিধান আল কুরআনকে সংবিধান মানার পরিবর্তে নিজেদের তৈরি সংবিধানকে সর্বোচ্চ সংবিধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, আল্লাহ্র দেয়া বিচার ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেরা আইন তৈরি করেছে, যারা আল্লাহ্র জমিনে আল্লাহ্র আইন কায়েম করতে চায় তাদেরকে কট্টরপন্থী, মৌলবাদী, জঙ্গি আখ্যায়িত করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। যা একজন মুসলিমকে ইসলাম থেকে বের করে দিতে যথেষ্ট।
এজন্যই উলামায়ে হক্ব বলেন, বিসিএস দিয়ে সরকারি প্রশাসনে চাকরি করা নাজায়েজ, কেননা এখানে তাকে আল্লাহ্র বিধানের পরিবর্তে মানুষের তৈরি বিধান তৈরিতে সাহায্য ও বাস্তবায়নের জন্য কাজ করতে হয়।
কেউ হারামকে হালাল মনে করলে বা হালালকে হারাম করে দিলে সেও মুরতাদ হয়ে যাবে। যেমন, এখন মদের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে, সুদকে হালাল করা হয়েছে, পতিতালয়কে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে, গণতন্ত্রকে জীবন বিধান হিসেবে মেনে নেয়া হয়েছে, মহান আল্লাহ্র দেয়া শারিয়াহ আইনকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে, প্রকাশ্যে দাড়ি, টুপি, পর্দা, হজ, ইসলামি বইয়ের বিরোধীতা করা হচ্ছে। এগুলো সবই মুরতাদ হওয়ার জন্য যথেষ্ট।
“যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই কাফের।” [সূরা মায়িদাঃ৪৪]
“আর যারা কাফের,তাদের জন্যে আছে দুর্গতি এবং তিনি তাদের কর্ম বিনষ্ট করে দিবেন। এটা এজন্য যে, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তারা তা পছন্দ করে না। অতএব, আল্লাহ তাদের কর্ম ব্যর্থ করে দিবেন।” [সূরা মুহাম্মাদঃ৮-৯]
“ফেরেশতা যখন তাদের মুখমন্ডল ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করতে করতে প্রাণ হরণ করবে, তখন তাদের অবস্থা কেমন হবে? এটা এজন্য যে,তারা সেই বিষয়ের অনুসরণ করে,যা আল্লাহর অসন্তোষ সৃষ্টি করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অপছন্দ করে। ফলে তিনি তাদের কর্মসমূহ ব্যর্থ করে দেন।” [সূরা মুহাম্মাদঃ ২৭-২৮]
ইসলাম শুধুমাত্র সালাত, সাওম, হজ, যাকাতের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাষ্ট্রীয়নীতি, বিচার ব্যবস্থা প্রতিটির বিধান মহান আল্লাহ্ ও রসুলুল্লাহ( ﷺ ) দিয়ে দিয়েছেন। এর কোন একটিকে কেউ পরিবর্তন করলে এবং ওই পরিবর্তনের উপর সন্তুষ্ট থাকলে সে মুরতাদ হয়ে যাবে। যদিও তার নাম মুসলিমদের মতো হোক না কেন, যদিও সে ৫ ওয়াক্ত সালাত মাসজিদের সামনের কাতারে আদায় করুক না কেন, হজ, যাকাত আদায় করুক না কেন। সে তার নিজের অজান্তেই ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
এইসব মুরতাদরা কাফিরের চেয়েও বেশী জঘন্য। কেননা আসল কাফিরকে তাদের নাম পরিচয় দিয়ে চেনা যায়, কিন্তু এইসব মুরতাদরা ইসলামি নামের আড়ালে তাদের কুফুরি কার্যকলাপ চালিয়ে যায় আল্লাহ্র দ্বীনকে দুনিয়া থেকে মিটিয়ে দেয়ার জন্য।
“তারাও ষড়যন্ত্র করে আল্লাহ্ও পরিকল্পনা করেন, নিশ্চয় আল্লাহ্ই সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনাকারী।” (সূরা আল ইমরানঃ৫৪)

13/03/2024
13/03/2024

মেট্রোরেলের রুট.........................
MRT Line-1 এর রুট এ্যালাইনমেন্ট ও স্টেশনের অবস্থান :-
বিমানবন্দর রুট: বিমানবন্দর - বিমানবন্দর টার্মিনাল ৩ - খিলক্ষেত - নদ্দা - নতুন বাজার - উত্তর বাড্ডা - বাড্ডা - আফতাব নগর - রামপুরা - মালিবাগ - রাজারবাগ - কমলাপুর
পূর্বাচল রুট: নতুন বাজার - নদ্দা - জোয়ার সাহারা - বোয়ালিয়া - মস্তুল - শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম - পূর্বাচল সেন্টার - পূর্বাচল পূর্ব - পূর্বাচল টার্মিনাল - পিতলগঞ্জ ডিপো
MRT Line-2 এর প্রস্তাবিত রুট এ্যালাইনমেন্ট
মেইন লাইন :-
গাবতলী - ঢাকা উদ্যান - মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড - ঝিগাতলা - সাইন্স ল্যাবরেটরি - নিউমার্কেট - আজিমপুর -পলাশী - ঢাকা মেডিকেল কলেজ - গুলিস্তান - মতিঝিল - কমলাপুর - মান্ডা - দক্ষিণগাঁও - দামড়িপাড়া - সাইনবোর্ড - ভূইঘর - জালকুড়ি - নারায়ণগঞ্জ জেলা সদর
ব্রাঞ্চ লাইন :-
গুলিস্তান - নয়া বাজার - সদরঘাট
MRT Line-4 এর প্রস্তাবিত রুট এ্যালাইনমেন্ট :-
কমলাপুর - সায়েদাবাদ - যাত্রাবাড়ী - শনির আখড়া - সাইনবোর্ড - চট্টগ্রাম রোড - কাঁচপুর - মদনপুর
MRT Line-5: Northern Route এর রুট এ্যালাইনমেন্ট ও স্টেশনের অবস্থান :-
হেমায়েতপুর - বলিয়ারপুর - বিলামালিয়া - আমিনবাজার - গাবতলী - দারুস সালাম - মিরপুর ১ - মিরপুর ১০ - মিরপুর ১৪ - কচুক্ষেত - বনানী - গুলশান ২ - নতুন বাজার - ভাটারা
MRT Line-5: Southern Route এর রুট এ্যালাইনমেন্ট ও স্টেশনের অবস্থান :-
গাবতলী - টেকনিক্যাল - কল্যাণপুর - শ্যামলী - কলেজ গেইট - আসাদ গেইট - রাসেল স্কয়ার - কারওয়ান বাজার - হাতিরঝিল - তেজগাঁও - আফতাব নগর - আফতাব নগর সেন্টার - আফতাব নগর পূর্ব - নাছিরাবাদ - দাশেরকান্দি
MRT Line-6 এর রুট এ্যালাইনমেন্ট ও স্টেশনের অবস্থান :-
উত্তরা উত্তর - উত্তরা সেন্টার - উত্তরা দক্ষিণ - পল্লবী - মিরপুর ১০ - মিরপুর ১১ - কাজীপাড়া - শেওড়াপাড়া - আগারগাঁও - বিজয় সরণি - ফার্মগেইট - কারওয়ান বাজার - শাহবাগ - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - বাংলাদেশ সচিবালয় - মতিঝিল - কমলাপুর
৬টি মেট্রোরেল লাইনের মধ্যে নিম্নলিখিত স্টেশনসমূহে আন্তঃলাইন সংযোগ থাকবে:
মিরপুর-১০ স্টেশন :
এমআরটি লাইন-৬ এবং এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট
কারওয়ান বাজার স্টেশন :
এমআরটি লাইন-৬ এবং এমআরটি লাইন-৫: সাউদার্ন রুট
নতুন বাজার স্টেশন :
এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট
আফতাব নগর :
এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫: সাউদার্ন রুট
গাবতলী :
এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট, এমআরটি লাইন-৫: সাউদার্ন রুট ও এমআরটি লাইন-২
কমলাপুর :
এমআরটি লাইন-৬, এমআরটি লাইন-১, এমআরটি লাইন-২ ও এমআরটি লাইন-৪
সাইনবোর্ড :
এমআরটি লাইন-২ ও এমআরটি লাইন-৪
সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা ২০৩০ অনুযায়ী ৬টি এমআরটি বা মেট্রোরেল লাইন নির্মাণ সম্পন্ন হলে ২০৩০ সালে দৈনিক 52,40,643 (বায়ান্ন লক্ষ চল্লিশ হাজার ছয়শত তেতাল্লিশ) জন যাত্রী মেট্রোরেল ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। দৈনিক যাতায়াতকারী যাত্রীগণের লাইনভিত্তিক পরিসংখ্যান নিম্নরূপ:
১.এমআরটি লাইন-৬ :- ৬,৭৭,৩০০
২.এমআরটি লাইন-১ :- ১০,১৭,০০০
৩.এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট :- ১২,৩০,০০০
৪. এমআরটি লাইন-৫: সাউদার্ন রুট :- ৭,৯৪,৭৬৬
৫. এমআরটি লাইন-২ :- ১০,৮৪,৬০০
৬. এমআরটি লাইন-৪ :- ৪,৩৬,৯৭৭
মোট = ৫২,৪০,৬৪৩
দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০৪১ সালের মধ্যে নিম্নোক্তভাবে MRT Line সমূহ বর্ধিত করার পরিকল্পনা রয়েছে:
MRT Line-6-কে উত্তরা উত্তর মেট্রোরেল স্টেশন থেকে গাজীপুর জেলার টংগী পর্যন্ত;
MRT Line-1-কে কমলাপুর মেট্রোরেল স্টেশন থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলার ঝিলমিল পর্যন্ত এবং বিমানবন্দর মেট্রোরেল স্টেশন থেকে গাজীপুর জেলা সদর পর্যন্ত;
MRT Line-5: Northern Route-কে হেমায়েতপুর মেট্রোরেল স্টেশন থেকে ঢাকা জেলার নবীনগর হয়ে বাইপাইল পর্যন্ত এবং নতুন বাজার মেট্রোরেল স্টেশন থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলার ভুলতা পর্যন্ত; এবং
MRT Line-5: Southern Route-কে দাশেরকান্দি মেট্রোরেল স্টেশন থেকে বরপা হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার ভুলতা পর্যন্ত।
তৃতীয় পর্যায়ে নিম্নোক্তভাবে MRT Line সমূহ বর্ধিত করার পরিকল্পনা রয়েছে:
MRT Line-6-কে উত্তরা উত্তর মেট্রোরেল স্টেশন থেকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া হয়ে বাইপাইল পর্যন্ত;
MRT Line-1-কে পূর্বাচল টার্মিনাল মেট্রোরেল স্টেশন থেকে নরসিংদী জেলার শেখেরচর পর্যন্ত;
MRT Line-5: Northern Route-কে ভুলতা থেকে নরসিংদী জেলা সদর পর্যন্ত এবং নবীনগর থেকে মানিকগঞ্জ জেলা পর্যন্ত;
MRT Line-2-কে নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদর পর্যন্ত; এবং
MRT Line-4-কে কাঁচপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলার বরপা পর্যন্ত।

উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেন সকাল ০৭ঃ১০ মিনিটে, দ্বিতীয় ট্রেন ০৭ঃ২০ মিনিটে ছাড়বে (এই ট্রেনে শুধুমাত্র Rapid Pass...
05/03/2024

উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেন সকাল ০৭ঃ১০ মিনিটে, দ্বিতীয় ট্রেন ০৭ঃ২০ মিনিটে ছাড়বে (এই ট্রেনে শুধুমাত্র Rapid Pass বা MRT Pass ব্যবহারকারীরা উঠতে পারবেন)। এরপর তৃতীয় ট্রেন ছাড়বে ০৭ঃ৩০ মিনিটে। চতুর্থ ট্রেন ০৭ঃ৩৮ মিনিটে, পঞ্চম ট্রেন ০৭ঃ৪৬ মিনিটে, এভাবে প্রতি ০৮ মিনিটস পরপর উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে ট্রেন আসবে সকাল ১১ঃ৪৮ মিনিট পর্যন্ত। ১১ঃ৪৯ মিনিট থেকে বিকাল ০৩ঃ১২ পর্যন্ত প্রতি ১২ মিনিট পরপর ট্রেন আসবে। এরপর ০৩ঃ১৩ মিনিট থেকে রাত ০৮ঃ০০ পর্যন্ত প্রতি ০৮ মিনিট পরপর উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল অভিমূখে ট্রেন চলবে।

মতিঝিল স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে সকাল ০৭ঃ৩০ মিনিটে, দ্বিতীয় ট্রেন ছাড়বে ০৭ঃ৪০ মিনিটসে, তৃতীয় ট্রেন ছাড়বে ০৭ঃ৫০ মিনিটসে, চতুর্থ ট্রেন ০৮ঃ০০ এ। এরপর সকাল ০৮ঃ০১ মিনিট থেকে দুপুর ১২ঃ০৮ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ০৮ মিনিট পরপর ট্রেন চলবে। দুপুর ১২ঃ০৯ মিনিট থেকে বিকাল ০৩ঃ৫২ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ১২ মিনিটস পরপর ট্রেন ছাড়বে। পুনঃরায় বিকাল ০৩ঃ৫৩ মিনিট থেকে রাত ০৮ঃ৪০ পর্যন্ত প্রতি ০৮ মিনিটস পরপর ট্রেন ছাড়বে মতিঝিল থেকে উত্তরার দিকে।

মতিঝিল থেকে রাত ০৮ঃ০০ মিনিট এর পর উত্তরার দিকে ছেড়ে আসা ট্রেনে শুধুমাত্র Rapid Pass / MRT Pass ব্যবহারকারীরা এবং উক্ত তারিখ রাত ০৭ঃ৫০ এর আগে সিঙ্গেল জার্নি টিকেট ক্রয়কারীরা ভ্রমণ করতে পারবেন। (সতর্কতাঃ সিঙ্গেল জার্নি টিকেট নিয়ে স্টেশনের বাহিরে যাওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ।)

MRT Pass ক্রয় ও রিচার্জ করা যাবে প্রত্যেক স্টেশন থেকে সকাল ০৭ঃ১৫ মিনিট থেকে রাত ০৭ঃ৫০ মিনিটস পর্যন্ত। ৭ঃ৫০ এর পর সকল স্টেশনেই টিকেট বিক্রয় অফিস, টিকেট ভেন্ডিং মেশিন বন্ধ হয়ে যায়।।

বিশেষ ভাবে উল্লেখ থাকে যে, প্রত্যেক ট্রেন-ই প্রত্যেকটি স্টেশনে থামবে। বর্তমানে চালু থাকা স্টেশনগুলো হচ্ছে- উত্তরা উত্তর স্টেশন, উত্তরা সেন্টার স্টেশন, উত্তরা দক্ষিণ স্টেশন, পল্লবী স্টেশন, মিরপুর ১১ স্টেশন, মিরপুর ১০ স্টেশন, কাজীপাড়া স্টেশন, শেওড়াপাড়া স্টেশন, আগারগাঁও স্টেশন, বিজয় সরণি স্টেশন, ফার্মগেট স্টেশন, কারওয়ান বাজার স্টেশন, শাহবাগ স্টেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন, বাংলাদেশ সচিবালয় স্টেশন ও মতিঝিল স্টেশন। (এছাড়াও কাজ চলমান আছে কমলাপুর স্টেশনের, এই স্টেশনটি ২০২৫ সালে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।)

সাপ্তাহিক বন্ধঃ শুক্রবার।

[শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিতে পারেন]

Address

Dhaka
1206

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

01911900946

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel.Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share