19/07/2026
এ বছরের ৬-৭ ডিসেম্বর দেশে ফিরতে পারে
শেখ হাসিনা; বরণ করতে ৫-৬ কোটি মানুষের
মেগা জনসমুদ্র নামানোর মহাপ্রস্তুতি!
দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও
মনস্তাত্ত্বিক তোলপাড়ের সৃষ্টি করে অবশেষে
চূড়ান্ত দিনক্ষণ প্রকাশ পেল আওয়ামী লীগ
সভানেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের।
দলীয় ও আন্তর্জাতিক নির্ভরযোগ্য কূটনৈতিক
সূত্রের বরাত দিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয়
শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে নিশ্চিত
করেছেন যে, আগামী ডিসেম্বর মাসের
৬ ও ৭ তারিখে যেকোনো মুহূর্তে দেশের
মাটিতে পা রাখতে পারেন বঙ্গবন্ধু কন্যা হাসিনা।
এই মেগা প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজপথে
এক অভূতপূর্ব ও কল্পনাতীত শক্তির মহড়া
দিতে এবং নিজেদের নেত্রীকে রাজকীয়
বরণ করে নিতে দেশজুড়ে নজিরবিহীন
প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে আওয়ামী লীগ ও
তার সহযোগী অঙ্গ-সংগঠনগুলো।
দলের নীতিনির্ধারকেরা ঘোষণা করেছেন,
দীর্ঘ সময় ধরে অবদমিত থাকা তৃণমূলকে
পুনরায় জাগিয়ে তুলে টেকনাফ থেকে
তেঁতুলিয়া পর্যন্ত প্রতিটি কোণ থেকে
প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি মানুষের এক
অবিস্মরণীয় ও মেগা জনসমুদ্র রাজধানী
ঢাকার বুকে নামানো হবে।
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ স্পষ্ট ভাষায় হুংকার
দিয়ে জানিয়েছেন, “আমাদের যেকোনো
পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার এবং নেত্রীকে
বরণ করার সকল প্রকার সাংগঠনিক ও
লজিস্টিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে।”
শেখ হাসিনার এই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাব্য তারিখ
ঘোষণার পর থেকেই রাজপথের ক্ষমতা ও
মনস্তাত্ত্বিক সমীকরণে এক বিশাল ওলট-পালট
শুরু হয়ে গেছে, যা প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক
শিবিরগুলোর বুকে চরম উৎকণ্ঠা ও চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শেখ হাসিনার
এই সম্ভাব্য স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কেবল
একটি দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়,
বরং এটি সমসাময়িক বাংলাদেশের ক্ষমতার
ভারসাম্যের ক্ষেত্রে এক অগ্নিপরীক্ষা
ও মেগা টার্নিং পয়েন্ট হতে যাচ্ছে।
চলমান তীব্র শিক্ষা আন্দোলন,
বন্যার ধকল এবং সাধারণ মানুষের
ভেতরকার পুঞ্জীভূত ক্ষোভের মাঝেই
আওয়ামী লীগের এই কোটি কোটি মানুষের
জমায়েতের মহাপরিকল্পনা রাজপথের রাজত্ব
নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার একটি চূড়ান্ত
ও মরণপণ লড়াই।
তৃণমূলের যে লাখো কর্মী এতদিন বৈরী
পরিস্থিতির কারণে আত্মগোপনে বা ঝিমিয়ে
ছিলেন, ৬-৭ ডিসেম্বরের এই সুনির্দিষ্ট
ডেটলাইন পাওয়ার পর তারা ফেসবুক
থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় নতুন করে
সুসংগঠিত হওয়ার আওয়াজ তুলছেন এবং
একে অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
দেশের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
এবং আগামী দিনের ক্ষমতার পালাবদলের
এই জটিল সমীকরণে এই মেগা সমাবেশ
কী রূপ নেবে, তা নিয়ে এখন সারা দেশের
মানুষের মুখে মুখে একটাই রুদ্ধশ্বাস আলোচনা।