DESH TOURS BD

DESH TOURS  BD desh tours bd is a name in the field of tourism industry . We are open almost 24 x 7 to provide you best rates & routes with our ticke

DESH TOURS BD is a name in the field of tourism industry .

তিন দিনের টানা ছুটিতে সুন্দরবন এ DESH TOURS BDএর আয়োজনে চলুন ঘুরে আসি।সুন্দরবন বিখ্যাত রাশ মেলা  যেন এক আন্দমেলা মাত্র ৯...
25/09/2017

তিন দিনের টানা ছুটিতে সুন্দরবন এ DESH TOURS BDএর আয়োজনে চলুন ঘুরে আসি।
সুন্দরবন বিখ্যাত রাশ মেলা যেন এক আন্দমেলা

মাত্র ৯,৫০০ টাকা (জনপ্রতি) !!!
বুকিং 01757778961,01521498858
E-mail: [email protected]
Capacity: Min 2 to Max 9 tourist.
Single Tour Package

তা ছাড়া বছরের যে কোন দিন অ্যান্ড যে কোন সময়ে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।।
📅 Also available Corporate Group tour / Bank Group, Student Group, FB Group, Gov Employ 9 person to 75 person,family tours

২৫ই অক্টোবর এর মধ্যে বুকিং দিয়ে উপভোগ করুন প্যাকেজ
ঢাকা-সুন্দরবন-ঢাকা ট্যুরঃ ৪ রাত ৩ দিন (2য় নভেম্বর ৫নভেম্বর )

ভ্রমনের দরশনীয় স্থান সমূহঃ
ডিমেরচর
কচিখাল/টাইগার পয়েন্ট
কটকা অভয়ারন্য
হারবাড়িয়া
জামতলা সিবীচ
বাদামতলী অথবা টওয়ার
করমজল
ভ্রমন প্লানঃ
যাত্রার দিনঃ

যাত্রা শুরুঃ রাত ১০:০০টা মংলার উদ্দেশ্যে

১ম দিন প্লানঃ
খুব সকালে জাহাজে আরুহন করে খুলনা জেলখানা ঘাট থেকে যাত্রা শুরু ।ঢাংমারি ফরেস্ট অফিস এ অনুমতি ফি প্রদান করে বন্দুক সহ সিকিউরিটি ম্যান সাথে নিয়ে হারবাড়িয়া যাত্রা ।হারবাড়িয়া ভ্রমন শেষ করে কটকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো এবং কটকা ফরেষ্ট অফিসের সামনে রাত্রি যাপন।
২য় দিন প্লানঃ
২য় দিন খুব সকালে আমরা ট্রলারে করে কটকা খাল এবং জামতলা সিবীচ ভ্রমন করতে যাব।সেখান থেকে ফেরার পথে কতকা অয়াচ টওয়ার /বাদামতলী টওয়ার কিছু সময় অবস্থান করে জাহাজে ফিরে যাব।ফ্রেস হয়ে সকালের খাবার গ্রহন করে কচিখালির উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো ।দুপুরের খাবার শেষ করে কচিখাল অফিস এবং টইগার পয়েন্ট ভ্রমন করে সময় সাপেথ্যে ডিমেরচর ভ্রমন করবো ।ভ্রমন শেষে তাম্ভুলবুনিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো ।তাম্ভুলবুনিয়া অফিসের সামনে অবস্থান করে বারবিকিউ পাটি উপভোগ করে জাহাজে রাভ্রি যাপন করবো ।
৩য় দিন প্লানঃ
৩য় দিন খুব সকালে উঠে তাম্ভুলবুনিয়ার নিকট কোন ট্রলারে/কাঠের নৌকায় করে সকালে সুন্দরবনের পরিবেশ দেখার জন্য ভ্রমনে বে র হব। ফিরে এসে আমাদের জাহাজ খুলনার উদ্দেশ্যে রউনা হবে।

;;;;;;;;বূহস্পতিবার রাত ১০ টা ঢাকা টু মংলা .........।।
শুক্রুবার ০৩/১১/২০১৭ সকাল ৮টা
খুলনা থেকে হাড়বাড়িয়ার উদ্দেশ্যে শিপ ছেড়ে যাওয়া। আনুমানিক ১২ টার দিকে হাড়বাড়িয়া পৌছে হাড়বাড়িয়া ভ্রমন ও দুবলার চরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া। আনুমানিক রাত ৮ টায় দুবলার চর পোঁছে রাশেমেলা পরিদশন , অতপর রাতে শিপে অবস্থান।

শনিবার ০৪/১১/২০১৭ ভোর ৫ টা
সকালে আলোর কোল নামক স্থানে রাশ উৎসবে অংশগ্রহণকারী পূন্যাথীদের পূন্যস্নান দেখে কটকা ও জামতলা বীচের উদ্দেশ্যে যাত্রা। দুপুর ১২ টা নাগাদ জামতলীবীচে দাপাদাপি ও ফুটবল খেলা শেষে টাইগার পয়েন্ট ও টাইগার টিলা পরিদশন। বিকেলের দিকে কটকা অফিস পাড়ায় হরিন দেখতে যাওয়া।সন্ধায় ক্যানেল ক্রুজেং শেষে বার বি কিউ ডিনারের আয়োজন করা ও রাতেই ঢাংমারির উদ্দেশ্যে শিপ ছেড়ে দেয়া।

রবিবার ০৫/১১/২০১৭ সকাল ৯ টা
ব্রেকফাস্ট শেরে করমজল ঘুরতে যাওয়া ।দুপুরে খাবার পূবে করমজল ঘুরে খুলনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা।
চতুর্থ দিনঃ
সকাল ৬ টার মধ্যে ঢাকা পৌছব ইনশাআল্লাহ্। ইভেন্ট এর পরিসমাপ্তি।

ইভেন্ট ফীঃ

জনপ্রতি = ৯৫০০/=নন এসি বাস আর এসি বাসে ১২০০/- বেশি লাগবে
কাপল (জনপ্রতি) = ১০,৫০০/= কাপলদের আলাদা রুম দেয়া হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই পূর্বে জানাতে হবে।
৫-১০ বছর = ৫৪০০/=
০-৪ বছর = প্রয়োজন নেই

যে সকল সেবাগুলো আমাদের পক্ষ থেকে দেয়া হবে :

- ঢাকা টু মংলাঃ নন এসি বাস
- ট্যুরিস্ট শিপ এর কেবিনে বেড
- উল্লেখিত সকল স্থান পরিদর্শন
- প্রথম দিন সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে তৃতীয় দিন রাতের খাবার পর্যন্ত সকল খাবার
- যে কোন এক রাতে বার-বি-কিউ ডিনার
- ২৪ ঘন্টা খাবার পানি সরবরাহ
- ফরেষ্ট পারমিশন, রেভিনিউ
- দুইজন অস্ত্রধারী নিরাপত্তা কর্মী
- অভিজ্ঞ গাইড
- মংলা টু ঢাকাঃ নন এসি বাস

====শিশু পলিসি======

০-৪ বছর : ইভেন্ট ফি লাগবেনা (বাবা-মা'র সাথে থাকবে,বাসে বাবা-মা'র সাথে বসবে, বাবা-মা'র সাথে খাবার শেয়ার করবে)
৫-১০ বছর : ৫৪০০ টাকা (বড়দের মতই সকল সুবিধা পাবে, কেবলমাত্র রুম শেয়ার করবে বাবা-মা এর সাথে)

======কাপল (স্বামী-স্ত্রী) পলিসি=======

কাপলদের আলাদা রুম দেয়া হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই পূর্বে জানাতে হবে।

[email protected]
Only Adventure people can go
বুকিং কন্ফার্ম করতে কল করুনঃ
01727850837 (imo+viber ) 📱01912214946,
এই প্যাকেজ যেকোনো সময় এর জন্য প্রযোজ্য।
Office Address:
DESH TOURS BD
City international tours & travels (সিটি ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস)
নিউ মার্কেট,সিটি কমপ্লেক্স (বিশ্বাস বিল্ডার’স) ৩য় তলা রহিম স্কয়ার, নিউ মার্কেট, -১২০৫ (নিউ মার্কেট কাচা বাজারের পিছনে)দয়া করে প্রথম নাম্বার ব্যস্ত থাকলে দ্বিতীয় নাম্বারে কল করুন । নামাযের সময় বাদে যে কোন সময় ফোন দেন
☎ +88-02-55161614,
📱01727850837 (imo+viber ) 📱01912214946, 📱01521498858 📱01757778961, 📱01827225396,
Office :0255161614
E-mail: [email protected]
http://www.cityinternationaltravels.com/
*****************************************************************************
www.facebook.com/cityinternationaltravels

১. স্প্রি ভ্যালি রিসোর্ট : রাজধানী ঢাকার খুব কাছে গাজীপুরের সালনায় গড়ে তোলা হয়েছে স্প্রিং ভ্যালি রিসোর্ট। পরিবারের সদ...
24/09/2017

১. স্প্রি ভ্যালি রিসোর্ট : রাজধানী ঢাকার খুব কাছে গাজীপুরের সালনায় গড়ে তোলা হয়েছে স্প্রিং ভ্যালি রিসোর্ট। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেখানে আনন্দঘন সময় কাটিয়ে আসতে পারেন যে কোনো দিন। যেতে পারেন বন্ধুবান্ধবকে সঙ্গে নিয়ে পিকনিকে। বিয়ের পর হানিমুনে দূরে কোথাও না গিয়ে সময় কাটাতে পারেন এখানেও। নিজে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না এটা একটা রিসোর্ট নাকি স্বর্গভূমি। গ্রামীণ সৌন্দর্যের ১২ বিঘা জমির ওপর এই রিসোর্টটি পরিচালনা করছে ট্রিপসিলো । এই রিসোর্টে রয়েছে বিশাল এক সুইমিংপুল। এছাড়াও বিনোদনের জন্যে ভিতরে রয়েছে বাচ্চাদের খেলার ব্যাবস্থা, বিশাল খেলার মাঠ এবং পুকুর। সেই পুকুরে ভেসে বেড়াচ্ছে নৌকা, চাইলে সারদিন কাটিয়ে দিতে পারেন মাছ ধরাতেও।

page: www.facebook.com/SpringValleyResortBD
২. রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট : গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের বিপরীত দিকের বড় সড়ক থেকে ডানের গলিপথ ধরে সবুজের অরণ্যে হঠাটি হারিয়ে জাবেন আপনি। ভবানীপুর বাজার পেরিয়ে চিকন রাস্তা ধরে আরও কিছুটা দূর…। পথের দুধারে ঘন শালবন। যতদূর চোখ যায়, শুধুই গাছ আর গাছ। পুকুরপাড়ের গাছটিতে মাছরাঙা পাখি শিকারের আশায় বসে। পুকুরের তীর ঘেঁষে বকের হাঁটাহাঁটি। হরেক রকম পাখি দেখে মনে হতে পারে, হয়তো কোনো গহীন জঙ্গলে এসে পড়েছেন। সত্যিই গহীন অরণ্য। রাস্তার দুধারে দূরের শালবন ছাড়াও খেজুরগাছ, বটগাছ। রাস্তার পাশে আদিবাসীদের কিছু বাড়িঘর।

http://rajendraecoresort.com/

৩. ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান : সরকারি পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম গাজীপুরের এ ভাওয়াল উদ্যান। চত্ত্বর গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর থানা জুড়ে অবস্থিত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান। খেলাধুলার জন্য রয়েছে বড় একটি মাঠ। তাছাড়া রয়েছে এখানে একটি চিড়িয়াখানা। পৃথিবীর অন্যান্য জাতীয় উদ্যানের আদলে ৬,৪৭৭ হেক্টর জমিতে ১৯৭৩ সালে এ উদ্যান সরকারিভাবে গড়ে তোলা হয়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের মূল উদ্ভিদ হলো শাল। এছাড়াও নানারকম গাছ-গাছালিতে পরিপূর্ণ এ উদ্যান। জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বেশকয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র, ১৩টি কটেজ ও ৬টি রেস্ট হাউস রয়েছে। উদ্যানে প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা। এছাড়া পিকনিক স্পট ব্যবহার করতে হলে, বন বিভাগের মহাখালী কার্যালয় (০২-৮৮১৪৭০০) থেকে আগাম বুকিং দিয়ে আসতে হবে।
সফিপুর আনসার একাডেমি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত আনসার-ভিডিপি একাডেমির বিশাল চত্বর বেড়ানোর জন্য একটি উপযুক্ত যায়গা। অনুমতি সাপেক্ষে বনভোজন করারও ব্যবস্থা আছে এখানে। ফোনঃ

৪. পদ্মা রিসোর্ট : ছুটির দিন কিংবা ঈদের বন্ধ ছাড়া বুকিং না করে গেলেও সাধারণত কটেজ খালি পাওয়া যায়। বুকিংয়ের জন্য পদ্মা রিসোর্টের নিজস্ব ওয়েবসাইটে সব তথ্য পাওয়া যাবে। রিসোর্ট যদি শুধু দিনের বেলা ভাড়া করতে চান, তাহলে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত থাকতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে ২৩০০ টাকা। আর যদি দিনসহ রাতও কাটাতে চান, তাহলে ভাড়া লাগবে ৩৪০০ টাকা। মোট ১৬টি কটেজ। এই কটেজগুলোই মূল আকর্ষণের জায়গা। নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা কটেজগুলোতে বেশ আরামদায়ক এবং নিরিবিলি সময় কাটাতে পারবেন। কটেজগুলোর নামকরণও করা হয়েছে বেশ সুন্দরভাবে। ১২টি কটেজের নাম রাখা হয়েছে বাংলা বছরের ১২টি মাসের নামানুসারে। আর বাকি চারটির নাম নেওয়া হয়েছে চারটি ঋতু থেকে। যদি ভরা বর্ষায় আসেন তাহলে কটেজগুলোর সামনে পানি টলটল করবে। এর ওপর কাঠের তৈরি রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে হয়। মনে হয় কটেজগুলো যেন ভেসে আছে পানিতে।

http://www.padmaresort.net/
৫. নক্ষত্রবাড়ী : গাজীপুরে অবস্থিত বেসরকারি রিসোর্টগুলোর মধ্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত ‘নক্ষত্রবাড়ী’। নক্ষত্রবাড়ী প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও অতি জনপ্রিয় নাম। প্রকৃতিপ্রেমীদের সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ঢাকার খুব কাছে একটি রিসোর্ট বানানোর কথা চিন্তা করে অভিনেতা তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াত দম্পতি ১৪ বিঘা জমির ওপর ‘নক্ষত্রবাড়ী’ নির্মাণ করেন। ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় নক্ষত্রবাড়ীর ।
ফোনঃ ০১১৯২১৫০৫৬৩, ০১৯১৯৩১৮০০৯ http://www.nokkhottrobari.com/
৬. নুহাশপল্লী : জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের বাগানবাড়ি ও শুটিং স্পট। প্রায় ৯০ বিঘা জায়গা নিয়ে এই নন্দন কাননে আছে একটি ছোট আকারের চিড়িয়াখানা, শান বাঁধানো ঘাটসহ একটি বিশাল পুকুর, দৃষ্টিনন্দন কটেজ, ট্রি হাউস বা গাছবাড়িসহ আরো অনেক আয়োজন। নুহাশ পলস্নীর ভেতরের বিশেষ আকর্ষণ হলো -এর ঔষধি গাছের বাগান। এত সমৃদ্ধ ঔষধি বাগান এদেশে বিরল। সবমিলিয়ে নুহাশপলস্নী একটি ছবির মতো সাজানো-গোছানো এক প্রান্তর, যেখানে গেলে ভালো লাগবে সবার। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই তিনমাস বনভোজনের অনুমতি মেলে নুহাশপলস্নীতে।

ছুটি: ছুটি রিসোর্টে রয়েছে নৌভ্রমণের ব্যবস্থা, বিরল প্রজাতির সংরক্ষিত বৃক্ষের বনে রয়েছে টানানো তাঁবু। ছনের ঘর, রেগুলার কটেজ, বার্ড হাউস, মাছ ধরার ব্যবস্থা, হার্বাল গার্ডেন, বিষমুক্ত ফসল, দেশীয় ফল, সবজি, ফুলের বাগান, বিশাল দুটি খেলার মাঠ, আধুনিক রেস্টুরেন্ট, দুটি পিকনিক স্পট, গ্রামীণ পিঠা ঘর, বাচ্চাদের জন্য কিডস জোনসহ সারা দিন পাখির কলরব, সন্ধ্যায় শিয়ালের হাঁক, বিরল প্রজাতির বাঁদুড়, জোনাকি পোকার মিছিল ও আতশবাজি, ঝিঁঝিঁ পোকার হৈচৈ। আর ভরা পূর্ণিমা হলে তো কথাই নেই।
www.chutiresort.com/

8. রাঙ্গামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট : গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত আরেকটি রিসোর্ট ও বনভোজন কেন্দ্র রাঙ্গামাটি। এখানে আছে বনভোজন কেন্দ্র, লেকে মাছ ধরা ও বেড়ানোর ব্যবস্থা এবং কটেজে অবকাশ যাপনের ব্যবস্থা।
ওয়েব সাইটঃ www.rangamatiwaterfront.com
৯. উৎসব পিকনিক স্পট : ঢাকা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের হোতাপাড়ার কাছেই এ বনভোজন কেন্দ্রটি। উৎসব পিকনিক স্পটে আছে খোলা চত্বর, কয়েকটি কটেজ ও ট্রি হাউজ। ঢাকার ফুলবাড়িয়া থেকে শ্রাবণ পরিবহনে এসে নামতে হবে হোতাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে। ভাড়া ৩৫ টাকা। সেখান থেকে রিকশায় দশ টাকা ভাড়া উৎসব পিকনিক স্পট পর্যন্ত।

১০. পুষ্পদাম পিকনিক স্পট : ঢাকা থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর জেলার বাঘের বাজারে পুষ্পদাম অবস্থিত। এখানে বিশাল পরিসরে রয়েছে দেশি-বিদেশি বাহারি গাছের সমাহার। প্রবেশপথেই রয়েছে বিশাল দেবদারু গাছের সারি। এ পথ পেরিয়ে একটু ভেতরে ঢুকলেই রয়েছে ফুলে ফুলে ঘেরা কয়েকটি কটেজ। এখানে রয়েছে বিশাল খেলার মাঠ, কৃত্রিম লেক, ঝরনা ও সুইমিংপুল। পর্যাপ্ত রান্নাঘর, টয়লেট ছাড়াও এখানে আছে একই সাথে এক হাজার লোকের খাবারের জায়গা।
যোগাযোগ : ০১৮১৯২১৬১৫৭।http://pushpadumresort.com
১১. হ্যাপি ডে ইন : ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ঠিক বিপরীত দিকে রয়েছে বেসরকারি এ পিকনিক স্পট। উন্নতমানের হলরুম, আবাসিক রুমসহ দেশীয়, থাই, চায়নিজ খাদ্যের ব্যবস্থা রয়েছে পিকনিকের জন্য। পিকনিকের আয়োজন করে গাজীপুরের এই সবুজ বনে হারিয়ে যেতে কে না চায়।

১২. অঙ্গনা : গাজীপুরের সুর্য্যনারায়নপুর, কাপাসিয়া থানায় অবস্থিত অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হওয়ায় এই রিসোর্টের নামকরণ করা হয়েছে ‘অঙ্গনা’। গ্রামীণ সৌন্দর্যের বেসরকারি রিসোর্টস অঙ্গনার মালিক উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার ভাই সৈয়দ আলী মুরাদ ২০০৪ সালে ১৮ বিঘা জমির ওপর এটি নির্মাণ করেন। যার অবস্থান গাজীপুরের কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে। নগর জীবনে একাধারে চলতে চলতে ক্লান্তি এসে যায় মনে। আর এই ক্লান্তি দূর করতে রাজধানীর অদূরে কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে বেসরকারি এই রিসোর্ট ‘অঙ্গনা’ বাকী জানতে ওয়েবসাইট ভিসিট করুন
http://www.anganaresort.com/
১৩. ফ্যান্টাসি কিংডম : আশুলিয়ার জামগড়ায় গড়ে উঠেছে বিশ্বের আধুনিক সব রাইড নিয়ে বিনোদনকেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম। পাশেই হেরিটেজ পার্কে আছে ঐতিহ্যের পরিপূর্ণ ভাণ্ডার। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অনেকগুলোই চোখে পড়বে এখানে। এগুলো মূল স্থাপনার অবিকল আদলেই তৈরি করা হয়েছে হেরিটেজ পার্কে। এ জায়গা দুটিতে বনভোজন করার জন্য রয়েছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা।

১৪. রিসোর্ট আটলান্টিস : ওয়াটার কিংডমের ভিতরে অবিস্থিত রিসোর্ট আটলান্টিস, মোহাম্মদী গার্ডেন
মহিশাষী, ধামরাই এ অবস্থিত। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ধামরাইয়ের মহিষাশী। এখানেই এই গার্ডেন অবস্থিত। নিজে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না এটা একটা স্বপ্নপুরী নাকি স্বর্গভূমি। বিনোদনের জন্য গার্ডেনের ভিতরে রয়েছে পুকুর। সেই পুকুরে ভেসে বেড়াচ্ছে নৌকা, কাঠের রাজহাঁস, মাটির শাপলা।

১৫. হাসনাহেনা : ঢাকার পাশেই গাজীপুর জেলার পুবাইল কলেজগেটে অবস্থিত তেমনি একটি বেসরকারি বিনোদন পর্যটন কেন্দ্র “হাসনাহেনা”। টঙ্গী থেকে এর দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। পরিবারের সবাইকে নিয়ে কিংবা অফিস বা সংগঠনের দিনব্যাপী পিকনিক বা বনভোজনে এখানে আসা যেতে পারে অনায়াসে।
যোগাযোগ :হাসনাহেনা, হাড়িবাড়ীর টেক, পুবাইল কলেজগেট, পুবাইল গাজীপুর।

১৬. সোহাগপল্লী : ১১ একর উঁচু-নিচু জমিতে সবুজে ঘেরা এই রিসোর্টের অন্যতম আকর্ষণ হলো জলাশয়ের ওপর নির্মিত অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত ঝুলন্ত সাঁকো আর এর পিলার ও বেলকনিতে খোঁদাই করা বিভিন্ন কারুকাজ- যা আগত দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। বিশাল এক জলাশয়ের মাঝখানে ঝুলন্ত সাঁকো থাকায় দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে বেশি। জলাশয়ের পূর্ব পাশে রয়েছে একটি দ্বিতল রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টটির নাম রাখা হয়েছে মেজবান। শুধু তাই নয়, কৃত্রিমভাবে একটি লেক নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে বর্ষা বা শুষ্ক সবসময়ই পানি থাকে। আর এই লেকের পানিতে বিভিন্ন জাতের মাছের বিচরণ দেখা যায়।

www.shohagpalli.com

১৭. আনন্দ রিসোর্ট : গাজীপুরের কালিয়াকৈরের পরিচিত রিসোর্ট হলো ‘আনন্দ’। আনন্দ রিসোর্টটি নামের সঙ্গে বেশ আবেগের মিল রেখেছে। আনন্দদানের সব উপকরণই এখানে জোগাড় করার চেষ্টা করা হয়েছে। শুধু চোখে দেখে নয়, বরং বিভিন্ন খেলার রাইডে চড়ে আনন্দের দেখা মিলবে এখানে। বিলঘেঁষা এই আনন্দ রিসোর্টের বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে সরাসরি বিল থেকে মাছ শিকারের ব্যবস্থা রয়েছে। মাছ শিকারিদের জন্য এই সুযোগ অবশ্যই বাড়তি পাওনা।ছিপ ফেলে মাছের জন্য অপেক্ষায় কাটবে সময়। এ ছাড়া রয়েছে ছোটদের খেলার নানা উপকরণ। একটি সুইমিং রয়েছে। ৪২ বিঘা উঁচু-নিচু টিলা ভূমিতে গড়ে তোলা হয় আনন্দ রিসোর্ট। কালিয়াকৈরের সিনাবহের তালতলি এলাকায় এর অবস্থান। বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ ও ৬টি কটেজ রয়েছে এখানে।
ভাড়া : কটেজগুলোর প্রতিকক্ষ ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। পিকনিক বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া পড়বে ৭০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা।
যেভাবে যাবেন : নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসে করে গাজীপুরের চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে উঠতে হবে। এই মহাসড়ক ধরে সফিপুর বাজার যেতে হবে। সেখান থেকে ২ কিলোমিটার উত্তরে সিনাবহ বাজারের পাশে এই রিসোর্টের অবস্থান।
www.anandaresort.com.bd
১৮. জল জঙ্গলের কাব্য : ঢাকার অদূরে পূবাইলে ৯০ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠেছে একটুকরো গ্রাম।বাঁশ আর পাটখড়ির বেড়া ,উপরে ছনের ছাউনি, সামনে দিগন্ত বিস্তৃত জলের নাচন। এটা তেমন আধুনিক জায়গা নয় কিন্তু পরিচ্ছন্ন এবং গ্রাম-বাংলার একটা ছোয়া আছে এর আদলে। অবশ্যই ভাল লাগবে ঘুরে আসুন।

১৯. আরশিনগর হলিডে রিসোর্ট : ঢাকা থেকে মাত্র ত্রিশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুরের ভাওয়ালে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত হলিডে রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট। ভাওয়ালের গ্রাম ও শালবনের মাঝে অসাধারণ প্রাকৃতিক আবহাওয়ায় আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে সাজানো আরশিনগর।
অফিষ: ২১/১ ইস্কাটন গার্ডেন , ফ্ল্যাট ৪/এ , রমনা ঢাকা। ফোনঃ৯৩৪৪৮৮৯
রিসোর্ট অফিস : পাজৃলিয়া, জয়দেবপুর, গাজীপুর

http://www.arshinagarpicnicspot.com/
২০. ড্রিম স্কয়ার : গাজীপুরের মাওনার অজহিরচালা গ্রামে ‘ড্রিম স্কয়ার’ নামে বিশালাকৃতির বেসরকারি রিসোর্ট রয়েছে। ১২০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট। এর প্রধান আকর্ষণ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সবুজের সমারোহ। ড্রিম স্কয়ারের আকর্ষণীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে তেলের ঘানি, ডেইরি ফার্ম, মৎস্য হ্যাচারি, কম্পোস্ট সার প্লান্ট, বায়োগ্যাস প্লান্ট। ড্রিম স্কয়ারের আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো রেস্টুরেন্টের খাবারের সবজি এর ভেতরেই চাষাবাদকৃত, যা সম্পূর্ণ সার ও কীটনাশকমুক্ত।
রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বিশালাকৃতির কয়েকটি লেক। রয়েছে ১৬টি ছোট-বড় পুকুর। ভেতরে সবুজে বেষ্টিত বাগানের মাঝখানে রয়েছে জাতীয় মাছ ইলিশের দুটি প্রতিকৃতি। আর বিভিন্ন গাছে রয়েছে বানরের প্রতিকৃতি।
এখানে নানান প্রজাতির পাখির অভয়াশ্রম রয়েছে। ড্রিম স্কয়ারে প্রতি বছর শীতের সময় অতিথি পাখির মেলা বসে। আছে একটি রেস্টুরেন্ট, রয়েছে ওয়াই-ফাই সুবিধা। এখানে সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা। যোগাযোগ : http://www.dreamsquareresort.com/
২১. গ্রীণটেক রিসোর্ট : ২০১০ সালে গাজীপুর জেলার ভবানীপুরে প্রায় ৬ একর জায়গা নিয়ে অবস্থিত গ্রীনটেক রিসোর্ট। এখানে রয়েছে ৭৩টি রুম, একটি অডিটেরিয়াম, দুটি কনফরেন্স রুম, একটি সুমিং পুল, দুটি ডায়নিং হল, আর দুটি পুকুর। সম্পূর্ণ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত এখানে রয়েছে ইনডোর, আউটডোর গেমের সকল সুবিধা। পুরো রিসোর্টটি রয়েছে ওয়াই ফাই সংযোগ। এখানে সর্বনিম্ন তিন হাজার থেকে সর্বচ্চো দশ হাজার টাকা পর্যন্ত রুম ভাড়া পাওয়া যায়।
যোগাযোগ: হোটেল রেডিয়াল প্যালেস,রোড-৮, ব্লক-সি,বনানী, ঢাকা। ফোন:
www.greentech-resort.com
২২. আফরিন পার্ক রিসোর্ট: জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর-ময়মনসিংহ সড়কের পাশেই আফরিন পার্ক রিসোর্ট। নানান গাছ-গাছালিতে ঘেরা এ পার্কে আছে বিশাল শান বাঁধানো পুকুর, লেকে নৌকায় বেড়ানোর ব্যবস্থাসহ অবকাশ যাপনের জন্য রিসোর্ট ফোনঃ০১৮১৯২৫৩৩৩৯
২৩. মাওয়া রিসোর্ট : ঢাকা থেকে মাত্র ৩৮ কিলোমিটার দক্ষিণে বিক্রমপুরের লৌহজং উপজেলার মাওয়া ১নং ফেরিঘাট হতে সামান্য দক্ষিণে মাওয়া-ভাগ্যকুল রাস্তার কান্দিপাড়া গ্রামে নির্মিত এ রিসোর্ট সেন্টারটি যেন প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যম-িত একটি অন্য রকম পর্যটন কেন্দ্র।। দীঘিতে রয়েছে দুটি বাঁধানো পাকা ঘাট। দীঘিতে ঘুরে বেড়াতে রয়েছে আধুনিক বোট। দীঘির পার ধরে বাম দিকে এগিয়ে গিয়ে আবার ডানে গেলে হাতের বামে পড়বে একটি ক্যাফেটেরিয়া। পর্যটকদের চাহিদামতো খাবার পাওয়া যায় এ ক্যাফেটেরিয়ায়। পুকুরের পূর্ব প্রান্তে পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে সারি সারি বেশ কয়েকটি কটেজ। পর্যটকদের থাকার জন্য মোট ১১টি কটেজ রয়েছে। ৫টি সিঙ্গেল ৪টি ডাবল ও একটি সুইট রয়েছে এখানে। তবে কটেজে যাবার সময় সাদা আর সবুজ রঙের কাঠের পুলটি পর্যটন কেন্দ্রটির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পিকনিক ও ছবির শূটিং করার জন্যও এটি হতে পারে একটি অনন্য স্থান। রিসোর্টের কটেজগুলো ইটের দেয়ালে তৈরি করা হলেও এতে ছাদ না দিয়ে গ্রামের স্বাদ দিতে গোলপাতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে চাল। বাঁশের চটা দিয়ে নানান আলপনা তৈরি করা সিলিং পর্যটকদের মন কেড়ে নেবে। ভেতরে আধুনিক আসবাবপত্র, বাথরুম আর টাইলসের মেঝে দেখে মনে হয় এ যেন কোন ফাইভ স্টার হোটেল।
http://mawaresort.com/home
২৪) শাহ মেরিন রিসোর্ট: প্রকৃতি এবং নদীর নান্দনিক দৃশ্য উপভোগ করার শাহ মারিন রিসর্ট ঢাকা শহর থেকে হেমায়পাতপুরের অনন্য জায়গা। যেখানে আপনি পিকনিক উপভোগ করতে পারেন এবং বিলাসবহুল বাসস্থানে থাকার এবং নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। আপনি ছুটির দিনে আপনার বাচ্চাদের নিয়ে যাচ্ছেন, একটি কর্পোরেট পিকনিক উপভোগ করছেন বা রোমান্টিক বিরতিতে রয়েছেন। বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করুন –

ওয়েব সাইট: www.shahmarineresort.com
২৫. ড্রিম হলিডে পার্ক নরসিংদী: নরসিংদীতে গড়ে উঠছে আর্ন্তজাতিক মানের বিনোদন কেন্দ্র ড্রিম হলিডে পার্ক। দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প গোষ্ঠি ফনিক্স গ্রুপ রাজধানী ঢাকা থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিনোদন কেন্দ্রটিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের এগারটি রাইট। এদের মধ্যে ওয়াটার পার্ক, এয়ার বাই সাইকেল, ফাইটার বোট, সোয়ান বোট, হ্যাপী ক্যাসেল, ন্যাকেট ক্যাসেল, রর্কি হর্স, হ্যাপী স্লাইট ও গ্রাউন সীট উল্লেখযোগ্য।
www.dreamholidayparkbd.com/index.html
২৬. মেঘনা ভিলেজ রিসোর্ট: নামের সঙ্গেই যেহেতু “ভিলেজ” যুক্ত অতএব এই রিসোর্ট গ্রামের মতোই সবুজ শ্যামল হবে, এটাই স্বাভাবিক। আসলেও তাই। মেঘনা রিসোর্ট ভিলেজের অবস্থান মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায়। যা মেঘনা ব্রিজ থেকে এক কিলোমিটার দূরে। এখানে অবকাশ যাপনকারীদের জন্য রয়েছে থাকা-খাওয়া এবং বিনোদনের সব ব্যবস্থা। এখানে রয়েছে এসি-ননএসি উভয় প্রকার ক। আর এখানকার প্রতিটি ঘর একটু ভিন্নভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা দেখতে অনেকটাই নেপালি কটেজের মতো। এখানে রয়েছে একটি বড় সবুজ মাঠ। যেখানে ইচ্ছে করলেই খেলাধুলায় মেতে ওঠা যায়। রয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টনসহ প্রচলিত বিভিন্ন খেলার সামগ্রী। এখানে যে খাবার পরিবেশন করা হয় সেসব খাবারে ঘরোয়া স্বাদ পাওয়া যাবে নিঃসন্দেহে। রাতের বেলা আরাম কেদারায় বসে চাঁদনী দেখতে চাইলে সেই ব্যবস্থাও রয়েছে। বিশেষ করে জায়গাটি যেহেতু খোলামেলা তাই আকাশ কিংবা চাঁদ দেখা যায় সহজেই।
http://megnavillage.webs.com/
২৭. রাসেল পার্ক নারায়ণগঞ্,রূপগঞ্জ : ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে রূপগঞ্জে রয়েছে মনোমুগ্ধকর এ পিকনিক স্পট। প্রায় ৩০ বিঘার মতো জায়গা জুড়ে এখানে রয়েছে সবুজের সমারোহ। রাসেল পার্কে রয়েছে তিনটি পিকনিক স্পট। এছাড়াও রাসেল পার্কের ভেতরেই রয়েছে ছোট একটি চিড়িয়াখানা। নানারকম পশুপাখি রয়েছে এ চিড়িয়াখানায়। যোগাযোগ :০১৭১৫৪৬০৬৪।
২৮. যমুনা রিসোর্ট, টাঙ্গাইল : ঢাকা থেকে ৯৫ কিলোমিটার এবং টাঙ্গাইল থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরে বঙ্গবন্ধু সেতুর কাছেই আধুনিক একটি অবকাশ কেন্দ্র যমুনা রিসোর্ট। রিসোর্টের পশ্চিম পাশে যমুনার তীর ঘেঁষে এখানে আছে সাজানো গোছানো বনভোজন কেন্দ্র। যমুনা রিসোর্টে বনভোজনে যেতে হলে আগে থেকে যোগাযোগ করতে হবে এই নম্বরে
http://www.jamunaresortbd.com/
২৯. এলেঙ্গা রিসোর্ট : রাজধানী ঢাকা থেকে গাড়ি যোগে মাত্র দুই ঘণ্টার পথ। টাঙ্গাইল শহর থেকে সাত কি.মি. উত্তরে এলেঙ্গায় গড়ে উঠেছে ১৫৬.৬৫ হেক্টর জুড়ে এই রিসোর্ট। রিসোর্টের চারপাশজুড়ে বিভিন্ন গাছের সারি। একটা ছায়াঢাকা গ্রামীণ পরিবেশ। সঙ্গে আছে রেস্তোরাঁসহ নানা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। পাঁচটি ভিআইপি এসি স্যুট ছাড়াও আছে ১০টি এসি ডিলাক্স স্যুট, ১৬টি নানা-এসি কক্ষ, পাঁচটি পিকনিক স্পট, সভাকক্ষ, ছোট যাদুঘর ও প্রশিক্ষণ কক্ষ ইত্যাদি। খেলাধুলার জন্য রয়েছে টেনিস, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন কোর্ট। বাড়তি সুযোগ হিসেবে আরও রয়েছে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি। ছোটদের বিনোদনের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে কিড্স রুম। আছে ঘোড়ায় চড়ার ব্যবস্থা ও হেলথ ক্লাব। বিভিন্ন ধরনের দেশী খাবারের পাশাপাশি রয়েছে চীনা, ভারতীয় ও কন্টিনেন্টাল খাবার। নৌ-ভ্রমণের জন্য রয়েছে ট্রলার, দেশীনৌকা ও স্পিডবোড। কাছেই টাঙ্গাইলের তাঁতিবাজার। ইচ্ছে করলে সেখান থেকে কেনাকাটাও করতে পারেন কোনো পর্যটক। এছাড়া রিসোর্টের নিজস্ব গাড়িতে বেড়ানো যায় করটিয়া জমিদারবাড়ি, মধুপুরের গড় আর ধনবাড়ীর জমিদারবাড়ি।
http://www.elengaresort.com
৩০. রিভেরী হলিডে রিসোর্ট : রিভেরী হলিডে রিসোর্ট ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের গাজীপুরের সালনাতে খুব কাছাকাছি অবস্থিত। এটি ঢাকা থেকে মাত্র ১ ঘন্টা এবং গাজীপুরের চৌরাস্তা থেকে ৬কিমি দূরে। স্পটটি ন্যাশনাল পার্ক, গাজীপুর, ভাওয়াল রাজবাড়ী এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি বিনোদন কেন্দ্র এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থানগুলির কাছাকাছি। ৩ একরের এটি কোন পিকনিকের জন্য একটি সুন্দর জায়গা, কর্পোরেট দিন, সম্মেলন, পরিবার / গ্রুপের দিন, কর্মশালা, তাঁবু, বার-বি-কি পার্টি ইত্যাদি।একটি আধুনিক দ্বৈত বেঙ্গল এখানে আপনার আরামদায়ক এবং বড় সাধারণ রুম, ডাইনিং সুবিধা, আরামদায়ক কক্ষ এবং বিস্তৃত পোড়ামাটির সঙ্গে উপভোগ করে তোলে।ওয়েবসাইতঃ www.reverie.com.bd/reveriewp
তথ্য সূত্র : ট্রিপসিলো

নাইচ
21/09/2017

নাইচ

The Sundarbans is a vast forest in the coastal region of the Bay of Bengal, considered one of the natural wonders of the world, it was recognised in 1997 as a UNESCO World Heritage Site. Located in the delta region of Padma, Meghna and Brahmaputra river basins, this unique forest area extends across...

Tour De Swatch of No Ground Bay of BengleThe Kingdom of Dolphin in Bangladesh.Duration: 5 Days 4 Night from KhulnaSeat: ...
21/09/2017

Tour De Swatch of No Ground Bay of Bengle
The Kingdom of Dolphin in Bangladesh.

Duration: 5 Days 4 Night from Khulna
Seat: Min 10 Max 15

Date will be Published Soon
Cost: - BDT per person.
Foriegneer will be added extra cost

Call for booked your seat soon: +01757778961
[email protected]
Only Adventure people can go
বুকিং কন্ফার্ম করতে কল করুনঃ
01727850837 (imo+viber ) 📱01912214946,
এই প্যাকেজ যেকোনো সময় এর জন্য প্রযোজ্য।
Office Address:
DESH TOURS BD
City international tours & travels (সিটি ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস)
নিউ মার্কেট,সিটি কমপ্লেক্স (বিশ্বাস বিল্ডার’স) ৩য় তলা রহিম স্কয়ার, নিউ মার্কেট, -১২০৫ (নিউ মার্কেট কাচা বাজারের পিছনে)দয়া করে প্রথম নাম্বার ব্যস্ত থাকলে দ্বিতীয় নাম্বারে কল করুন । নামাযের সময় বাদে যে কোন সময় ফোন দেন
☎ +88-02-55161614,
📱01727850837 (imo+viber ) 📱01912214946, 📱01521498858 📱01757778961, 📱01827225396,
Office :0255161614
E-mail: [email protected]
http://www.cityinternationaltravels.com/
*****************************************************************************
www.facebook.com/cityinternationaltravels

সময় এসেছে আবার সেন্টমার্টিন যাওয়ার। ভরা জ্যোৎস্নায় সেন্টমার্টিন এ  এর বিশেষ আয়োজনে ঘুরে আসুন।মাত্র ৬৯০০ টাকা !!!বাসে আসা...
20/09/2017

সময় এসেছে আবার সেন্টমার্টিন যাওয়ার। ভরা জ্যোৎস্নায় সেন্টমার্টিন এ এর বিশেষ আয়োজনে ঘুরে আসুন।

মাত্র ৬৯০০ টাকা !!!

বাসে আসা-যাওয়া, সমুদ্র পাড়ের রিসোর্ট এ থাকা, জাহাজ ভ্রমণ, সামুদ্রিক মাছ এর বার-বি-কিউ, বীচে সাইকেল চালানো, ঘুড়ি উড়ানো, ফানুস, ফায়ার ক্যাম্প ও নানান আয়োজন রয়েছে এই প্যাকেজে।

ঢাকা-সেন্টমার্টিন-ঢাকা ট্যুর (২ রাত ৩ দিন)
প্যাকেজ এ যা যা থাকছেঃ
- ঢাকা-টেকনাফ-ঢাকাঃ নন এসি বাস।
- টেকনাফ-সেন্টমার্টিন-টেকনাফঃ ক্রুজ শীপ এর চেয়ার সিট।
- একটি উপভোগ্য নৌ ভ্রমণ সমুদ্রের উপর দিয়ে।
- সব ধরনের লোকাল ট্রান্সপোর্ট।
- একটি বার-বি-কিউ ডিনার।
- সমুদ্র পাড়ের রিসোর্ট এ রাত্রি যাপন।
-ছেঁড়া দ্বীপ ভ্রমণ
- প্রথম দিন সকালের নাস্তা থেকে শেষ দিন সন্ধ্যার নাস্তা পর্যন্ত সকল খাবার।

বিশেষ আকর্ষণ থাকছেঃ
* ওয়েলকাম ড্রিঙ্কস
* ফানুস উড়ানো
* ক্যাম্প ফায়ার
* সামুদ্রিক মাছ এর বার-বি-কিউ
* বীচ এ তাবুর ব্যবস্থা
* সাইকেল চালানোর ব্যবস্থা
* ঘুড়ি উড়ানোর ব্যবস্থা

নির্জনতায় ভরা একটি স্থান, শুধু সমুদ্রের গর্জন এর আওয়াজ ভেসে আসে কানে, অবসর কয়টা দিন আর রাত কাটাতে চান এমনি এক স্থানে, যেখানে পূর্ণিমার আলোর প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠবে সাগরের নোনা জলে। যেখানে অজস্র তারা ভরা আকাশ থাকবে আপনার দৃষ্টি সীমানায়। গন্তব্য পথের যাত্রা যদি এমন হয়, আপনি যাচ্ছেন বিশাল সমুদ্রের মাঝ দিয়ে বড় জাহাজ এ করে, আপনার সাথে কিছু নাম না জানা অতিথি পাখি আপনাকে বরণ করতে ছুটে চলেছে আপনার-ই সাথে। মনের প্রশান্তির জন্য এর চেয়ে বেশি আর কি লাগে বলুন তো !!!

ট্যুর এর বিস্তারিতঃ

প্রথম দিনঃ
যাত্রা শুরুঃ রাত ৮:০০ টায় টেকনাফ এর উদ্দেশ্যে।

দ্বিতীয় দিনঃ
সকালে টেকনাফ নেমে নাস্তা করে শিপ এ উঠে যাব, নাফ নদীর অপূর্ব দৃশ্য দেখতে দেখতে এগিয়ে যাব সেন্ট মার্টিন এর উদ্দেশ্যে। নেমে রিসোর্ট এ উঠবো। ফ্রেশ হব, রিসোর্ট এ দপুরের খাবার খাব, তারপর দ্বীপ এর আশে পাশেই ঘুরে বেড়াব, রিসোর্ট এর নিজস্ব বীচ এ সময় কাটাব নিজেদের মন মতন, শুনব সমুদ্রের গর্জন, উপভোগ করব জ্যোৎস্না। তারপর রাতে আবার সামুদ্রিক মাছ দিয়ে ডিনার করে ঘুমাতে চলে যাব।

তৃতীয় দিনঃ
পরদিন সকালে উঠে রওনা হব ছেঁড়া দ্বীপ এর উদ্দেশ্যে। বেশ কিছুক্ষন সময় ওখানে কাটিয়ে ফিরে এসে দুপুরের খাবার খাব। বিকেলে বের হব স্যার হুমায়ূন আহমেদ এর রিসোর্ট সমুদ্র বিলাস দেখতে, সাথে ঘুরব দ্বীপ এর বাঙালি অধ্যুষিত অংশে। ফিরে এসে হবে জম্পেশ একটা বার-বি-কিউ এর আয়োজন। তারপর রাতের খাবার খেয়ে হবে ফানুস উড়ানোর আয়োজন, তারপর যার যার মত ঘুমাতে চলে যাব।

চতুর্থ দিনঃ
ভোরে উঠে নাস্তা করে জেগে উঠা প্রবাল দ্বীপ এর খোঁজে বের হব। তারপর ফিরে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে আসব শীপ এর কাছে, শীপ এ করে টেকনাফ পৌছে একটু আশে-পাশের সৌন্দর্য মণ্ডিত জায়গা গুলো ঘুরে বেড়াব বা বিশ্রাম নিব, তারপর নাস্তা করে ফ্রেশ হয়ে রওনা হব ঢাকার উদ্দেশ্যে।

পঞ্চম দিনঃ
সকাল ৬ টার মধ্যে ঢাকায় পৌছব ইনশাআল্লাহ্‌। ইভেন্ট এর পরিসমাপ্তি।

ফি ============== ৬৯০০/= টাকা জনপ্রতি ===============

====শিশু পলিসি====

০-৪ বছরঃ ইভেন্ট ফি প্রয়োজন নেই (বাবা-মা'র সাথে থাকবে, বাসে বাবা-মা'র সাথে বসবে, বাবা-মা'র সাথে খাবার শেয়ার করবে)।

৫-১০ বছরঃ ৫৯০০/= টাকা জন প্রতি (বাসে আলাদা সীট, বাবা মা'র সাথে থাকবে রিসোর্ট এ, আলাদা খাবার পাবে)।

======কাপল (স্বামী-স্ত্রী) পলিসি=======

কাপলদের আলাদা রুম দেয়া যাবে বিশেষ কটেজে সমুদ্রের খুব নিকটে, এক্ষেত্রে তাদের দিতে হবে জনপ্রতি ৭৭০০/= টাকা।

====== খাবার মেন্যু =====

- খাবার দেওয়া হবে সেট মেন্যু হিসেবে। প্রতি বেলায় সাদা ভাত, ১টি সবজি, ১টি ভর্তা, একটি মাছ বা মাংস এবং ডাল থাকবে।
- নাস্তায় থাকবেঃ পরোটা, সবজি এবং ডিম বা ডিম খিচুড়ি।
- সকালে নাস্তার সাথে চা থাকবে এবং বিকেলে চা ও হালকা স্ন্যাক্স এর ব্যবস্থা থাকবে।
- নৌকা ভ্রমণে প্রত্যেকের জন্য ফল/কেক ও ডাব এর ব্যবস্থা থাকবে।

*এসি বাস এর ব্যবস্থা করা যাবে, সেক্ষেত্রে জনপ্রতি ১৬০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে।
*এসি শিপ এর ব্যবস্থা করা যাবে, সেক্ষেত্রে জনপ্রতি ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে।

*এই প্যাকেজ টি যে কোন সময় কমপক্ষে ২ জন এর জন্য প্রযোজ্য।

তিন দিনের টানা ছুটিতে বান্দরবান ও কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ এক ট্যুর এ আয়েশি ভাবে ঘুরে আসুন থাকা-খাওয়া, আসা-যাওয়া, ২৫ টি স্...
20/09/2017

তিন দিনের টানা ছুটিতে বান্দরবান ও কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ এক ট্যুর এ আয়েশি ভাবে ঘুরে আসুন থাকা-খাওয়া, আসা-যাওয়া, ২৫ টি স্থান ঘুরাফিরা সহ নানান আয়োজনে টিকেটশালা.কম এর সাথে।

মাত্র ৯৯৯৯ টাকা !!!

বান্দরবান ও কক্সবাজার ট্যুরঃ ২ রাত ৩ দিন। (২৯ সেপ্টেম্বর'১৭ থেকে ০১ অক্টোবর'১৭)

বিশেষ আকর্ষণঃ এক বেলা বান্দরবান এর আদিবাসী খাবার। সামুদ্রিক মাছ দিয়ে একটি ডিনার। খোলা জীপ এ মেরিন ড্রাইভ ভ্রমণ। বার বি কিউ ও ফানুস উৎসব। সাঙ্গু নদী ভ্রমণ ও স্পীড বোট।

** ভ্রমণের স্থান সমুহঃ

> নীলাচল
> নীলগিরি
> মেঘলা
> ঝুলন্ত ব্রিজ
> শৈল প্রপাত
> মিলনছড়ি
> চিম্বুক
> স্বর্ণ মন্দির
> সাঙ্গু নদী
> বান্দরনি ঝর্ণা

> হিমছড়ি ঝর্ণা
> ইনানী বীচ
> টেকনাফ সমুদ্র সৈকত
> মারিসবুনিয়া সমুদ্র সৈকত
> মাথিনের কূপ
> গর্জন বাগান
> নাফ নদী বাঁধ শুটিং স্পট
> সোনাদিয়া দ্বীপ
> মহেশখালী দ্বীপ
> বার্মিজ মার্কেট
> রামু মৈত্রি বিহার
> বৌদ্ধ মন্দির
> টেকনাফ গেম রিজার্ভ
> নেটং পাহাড় ন্যাচারাল পার্ক
> শাহ্‌ পরীর দ্বীপ

প্যাকেজ এ যা যা থাকছেঃ

> এসি বাস এ ঢাকা থেকে আসা-যাওয়া (গ্রীনলাইন ও সেন্টমারটিন পরিবহন)
> মেরিন ড্রাইভ ভ্রমণ খোলা জীপে
> বান্দরবান এর সকল স্থান ঘুরা খোলা জীপে
> ডিভাইন ইকো রিসোর্ট এ এসি রুমে এক রাত থাকা
> বননিবাস ইকো কটেজ এ নন এসি রুমে এক রাত থাকা
> প্রথম দিন সকালের নাস্তা থেকে তৃতীয় দিন রাতের খাবার
> নৌ ভ্রমণ সাঙ্গু নদীতে
> স্পীড বোট এ ভ্রমণ
> উল্লেখিত সকল দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ
> সকল প্রকার প্রবেশ ফী
> বার-বি-কিউ ও ফানুস
> অভিজ্ঞ গাইড সহ আরও অনেক কিছু

৩০ শে অগাস্ট এর মধ্যে বুকিং দিয়ে উপভোগ করুন প্যাকেজ মূল্যের উপর ৫০০ টাকা ছাড়।

যাত্রার দিনঃ
যাত্রা শুরুঃ রাত ১১:০০ টা আরামবাগ বাস কাউন্টার হতে

প্রথম দিনঃ
সকালে বান্দরবান নেমে পাহাড় ঘেঁষা সুন্দর একটি রিসোর্ট বননিবাস এর রুম এ উঠে যাব। নাস্তার ব্যবস্থা থাকবে সেখানেই। ফ্রেশ হয়ে নাস্তা খেয়ে সেখান থেকে জীপ এ করে প্রথমে যাব নীলগিরি দেখতে সাথে পাহাড়ের ভাজে ভাজে জমে থাকা মেঘ গুলোও দেখা যাবে। মাঝ পথে শৈল প্রপাত টাও দেখে নিব। তারপর ফিরে আসব রিসোর্ট এ, দুপুরে বান্দরবান এর আদিবাসী খাবার খাব এখানেই। খাওয়া শেষে বের হব স্বর্ণ মন্দির পরিদর্শন করতে। তারপর সেখান থেকে যাব মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র, ঝুলন্ত ব্রিজ ঘুরে আসব। তারপর যাব নীলাচল এর অপরূপ রুপ দর্শনে, সেখান থেকে সুন্দর একটি সূর্যাস্ত। সব দেখা শেষে ফিরব রিসোর্ট এ। ফ্রেশ হয়ে রিসোর্ট এর লবি তে বসে চুটিয়ে আড্ডা দিব সবাই মিলে, রাতে ফানুস উড়াব একসাথে, থাকবে বার-বি-কিউ এর আয়োজন।

দ্বিতীয় দিনঃ
রিসোর্ট এ সকালের নাস্তা করে যাব নৌ ভ্রমণে, সাঙ্গু নদীতে নৌ ভ্রমণ টি আপনাকে সৌন্দর্যের এক নতুন ধারনা দিবে। পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা নদীর দুই ধার দেখতে দেখতে যাব বান্দরনি নামক এক ঝর্ণা দেখতে, দেখা শেষে ফিরে আসব রিসোর্ট এ, ব্যাগ গুছিয়ে রওনা হব কক্স বাজার এর উদ্দেশ্যে। এখানে ডিভাইন ইকো রিসোর্ট এ পৌছে রুম এ উঠে যাব। ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে নিব, খাওয়া শেষে বের হব মহেশখালী ও সোনাদিয়া দ্বীপ ঘুরে আসার উদ্দেশ্যে। সন্ধ্যায় ফিরে এসে শহরের বার্মিজ মার্কেট গুলো ঘুরে দেখব। তারপর রিসোর্ট এ ফিরে সামুদ্রিক মাছ দিয়ে রাতের খাবার খেয়ে বীচের গর্জন উপভোগ করব রিসোর্ট থেকেই।

তৃতীয় দিনঃ
ঘুম থেকে উঠে প্রথমে নাস্তা করে নিব, ফ্রেশ হয়ে ব্যাগ গুছিয়ে চেক আউট করে রিসোর্ট থেকে বের হয়ে রওনা হব এই ট্যুর এর অন্যতম আকর্ষণ মেরিন ড্রাইভ ভ্রমণে। প্রথমে যাব রামু মৈত্রি বিহার এ। সেখান থেকে মেরিন যাত্রা, পথে হিমছড়ি, ইনানী দেখে সরাসরি চলে যাব মেরিন ড্রাইভ এর শেষ সীমানা টেকনাফ এ। সেখানে পৌছে কিছু ভ্রমণ স্থান ঘুরে টেকনাফ বীচ বা শাহ্‌ পরীর দ্বীপ এ ঝাপাঝাপি করব, তারপর ফ্রেশ রুম এ ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে নিব। খাওয়া শেষে আশেপাশের দর্শনীয় স্থান গুলো পরিদর্শন করব। সেখান থেকে বিকালের দিকে রওনা হব, পথে সন্ধ্যায় ইনানী বা হিমছড়ি এসে সূর্যাস্ত দেখব। সমুদ্রের বুকে সূর্য্যি মামার ডুবে যাওয়ার সৌন্দর্য কিন্তু সত্যিই অদ্ভুত। ফিরে এসে খানিকটা ক্ষণ বীচের পাশে বসে বিশ্রাম নিবো। সময় করে রাতের খাবার সেরে নিব। তারপর রওনা হব ঢাকার উদ্দেশ্যে।

চতুর্থ দিনঃ
সকাল ৬ টার মধ্যে ঢাকা পৌছব ইনশাআল্লাহ্‌। ট্যুর এর পরিসমাপ্তি।

তিন দিনের টানা ছুটিতে সুন্দরবন  এর আয়োজনে চলুন ঘুরে আসি।মাত্র ৮,৬০০ টাকা (জনপ্রতি) !!!১৫ই সেপ্টেম্বর এর মধ্যে বুকিং দিয়ে...
20/09/2017

তিন দিনের টানা ছুটিতে সুন্দরবন এর আয়োজনে চলুন ঘুরে আসি।

মাত্র ৮,৬০০ টাকা (জনপ্রতি) !!!

১৫ই সেপ্টেম্বর এর মধ্যে বুকিং দিয়ে উপভোগ করুন প্যাকেজ মূল্যের উপর ৫০০ টাকা ছাড়।

ঢাকা-সুন্দরবন-ঢাকা ট্যুরঃ ২ রাত ৩ দিন (২৯শে সেপ্টেম্বর'১৭ হতে ১লা অক্টোবর'১৭)

** ভ্রমণের স্থান সমুহঃ

* কটকা
* দুবলার চর
* হাড়বারিয়া ইকো ট্যুরিজ্‌ম স্পট
* করমজল পয়েন্ট
* জামতলা সী বীচ
* টাইগার টিলা

স্নিগ্ধ সকাল, সুন্দর দুপুর, মিষ্টি বিকেল, নেই কোন চিন্তা-ভাবনা, নেই অফিস এর প্যারা, নেই মোবাইল নেটওয়ার্ক, নেই কোন শব্দ দূষণ, এমন একটি দিন অবসর হিসেবে কে না কাটাতে চান, কিন্তু কোথায় এমন রয়েছে আমাদের দেশে। হ্যা, রয়েছে বাঘ মামার দেশ সুন্দরবন এ। “টিকেটশালা.কম” এর এবারের ভ্রমণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুন্দরবন এ, চেষ্টা বাঘ মামার সাথে সাক্ষাৎ (যদিও সম্ভাবনা নেই বলেই ধরে নিতে হবে এটাই সত্যি)। তবে বেশ অদ্ভুত এবং সুন্দর কিছু পাখি, বন্য কিছু প্রাণী, কিছু হরিণ, কুমির এগুলোর দেখা মিলেই যাবে ম্যানগ্রোভ বিস্তৃত এই বনে।

“ইউনেস্কো” ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এর অন্তর্ভুক্ত সুন্দরবন বাংলাদেশ এর সর্ববৃহৎ সংরক্ষিত বন ও বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে চিহ্নিত। বাংলাদেশ এর দক্ষিণাঞ্চল এ অবস্থিত কয়েকটি জেলা এবং বঙ্গোপসাগর এর সংযুক্তি রয়েছে সুন্দরবন এর সাথে। পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে বিশ্ব দরবারে অনন্য অবস্থান তৈরী করেছে সুন্দরবন। এ বন এর প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী গাছ এর নামেই এর নামকরন হয়েছে বলে ধারনা করা হয়।

ট্যুর এর বিস্তারিতঃ

যাত্রার দিনঃ
যাত্রা শুরুঃ রাত ১০:০০টা মংলার উদ্দেশ্যে

প্রথম দিনঃ
মংলা থেকে সকাল ৭/৮ টার মধ্যে হাড়বারিয়া এর উদ্যেশ্যে শিপ ছেড়ে যাওয়া। আনুমানিক দুপুর ২ টায় পৌছানো ও হাড়বারিয়া ইকো ট্যুরিজম স্পট ঘুরে সরাসরি কচিখালীর দিকে রওনা করা। রাতে কচিখালীতে অবস্থান। নিজেদের মত করে সবাই একসাথে আনন্দ করে কিছুটা সময় পার জাহাজে। তারপর যার যার মত ঘুমাতে যাওয়া।

দ্বিতীয় দিনঃ
খুব ভোরে সকালের নাস্তা সেরেই কচিখালী ক্যানেলে প্রবেশ করা। ক্যানেলের মাঝামাঝি বনে নেমে মূল টাইগার পয়েন্ট পরিদর্শন করে আসা। তারপর শিপ ছেড়ে এসে জামতলা সি-বিচ এ প্রবেশ করা। বনের ভিতর দিয়ে ট্রাকিং শুরু করে জাহাজ এ ফিরে আসা। বড় বড় ছনের ভিতর দিয়ে, কখনও খোলা মাঠ দিয়ে, কখনও ম্যানগ্রোভের ভিতর দিয়ে রোমাঞ্চকর হবে হেটে চলা। তারপর হবে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খাওয়া।
দুপুরের খাবার শেষে আবারও তিন টিলার উদ্দেশ্যে নেমে পড়া। তিন টিলা ও কটকা অফিস ঘুরে সন্ধ্যায় শিপে ফিরে আসা। রাতে কটকা তে শিপ এর অবস্থান।

তৃতীয় দিনঃ
খুব ভোরে ট্রলার যোগে কটকা ক্যানেল ভ্রমন করে শিপসা নদী দিয়ে মংলার দিকে রওনা করা। সময় পেলে করমজল ঘুরে আসা। আনুমানিক রাত ৭/৮ টায় মংলায় পৌছে রাতের খাবার শেষে বাস এ উঠা ঢাকার উদ্দেশ্যে।

চতুর্থ দিনঃ
সকাল ৬ টার মধ্যে ঢাকা পৌছব ইনশাআল্লাহ্‌। ইভেন্ট এর পরিসমাপ্তি।

বিঃ দ্রঃ কেউ কেউ চাইলে বনে ট্র্যাকিং করতে পারবেন দুই থেকে তিন ঘণ্টা, তাতে ট্যুর টি আরও এডভেঞ্চার মনে হবে। না হলে সাধারন ভাবেই সব হবে। জোয়ার-ভাটা এর ভিত্তিতে সময় সল্পতায় দু-একটি ভ্রমণ স্থান ঘোরা বাতিল হতে পারে।

ইভেন্ট ফীঃ

জনপ্রতি = ৮৬০০/=
কাপল (জনপ্রতি) = ৮৯০০/=
৫-১০ বছর = ৫৪০০/=
০-৪ বছর = প্রয়োজন নেই

যে সকল সেবাগুলো আমাদের পক্ষ থেকে দেয়া হবে :

- ঢাকা টু মংলাঃ নন এসি বাস
- ট্যুরিস্ট শিপ এর কেবিনে সিঙ্গেল বেড
- উল্লেখিত সকল স্থান পরিদর্শন
- প্রথম দিন সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে তৃতীয় দিন রাতের খাবার পর্যন্ত সকল খাবার
- যে কোন এক রাতে বার-বি-কিউ ডিনার
- ২৪ ঘন্টা খাবার পানি সরবরাহ
- ফরেষ্ট পারমিশন, রেভিনিউ
- দুইজন অস্ত্রধারী নিরাপত্তা কর্মী
- অভিজ্ঞ বয় ও বাবুর্চি
- অভিজ্ঞ গাইড
- মংলা টু ঢাকাঃ নন এসি বাস

====শিশু পলিসি======

০-৪ বছর : ইভেন্ট ফি লাগবেনা (বাবা-মা'র সাথে থাকবে,বাসে বাবা-মা'র সাথে বসবে, বাবা-মা'র সাথে খাবার শেয়ার করবে)
৫-১০ বছর : ৫৪০০ টাকা (বড়দের মতই সকল সুবিধা পাবে, কেবলমাত্র রুম শেয়ার করবে বাবা-মা এর সাথে)

======কাপল (স্বামী-স্ত্রী) পলিসি=======

কাপলদের আলাদা রুম দেয়া হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই পূর্বে জানাতে হবে।

====== খাবার মেন্যু=====

১ম দিনঃ
সকালের নাস্তাঃ ওয়েলকাম ড্রিংক্স, ব্রেড, বাটার, জেলি, মধু, সিদ্ধ ডিম, কলা, চা/কফি।
দুপুরের খাবারঃ সাদা ভাত, ভর্তা, মিক্সড সব্জি, মাছ দোপেয়াজো, বিফ/চিকেন কারি, ডাল, সালাদ।
রাতের খাবারঃ প্লেন পোলাউ, চিংড়ী ভূনা, মুরগী কারি/ভুনা, ডাল, সালাদ।

২য় দিনঃ
সকালের নাস্তাঃ ভুনা খিচুড়ি, আচার, বেগুন ভাজি, ডিমের মালাইকারি, সালাদ, চা/কফি।
দুপুরের খাবারঃ সাদা ভাত, ভর্তা, মিক্সড সব্জি/লাউ চিংড়ি, মাছ দোপেয়াজো, মুরগীর কারি, ডাল ভুনা, সালাদ।
রাতের খাবারঃ লুচি পরাটা, চিকেন বার-বি-কিউ, ফিস্ গ্রিল, হাঁশের/খাসীর মাংস ভুনা, স্পেশাল সালাদ, সফট ড্রিংক্স।

৩য় দিনঃ
সকালের নাস্তাঃ প্লেন পরাটা, সব্জি, ডিম অমলেট, হালুয়া, চা /কফি।
দুপুরের খাবারঃ প্লেন পোলাউ, সব্জি, ডিম কোরমা, চিকেন রোষ্ট, সালাদ, দই, সফট ড্রিংক্স।
রাতের খাবারঃ সাদা ভাত, সব্জি, চিকেন কারী, ডাল, সালাদ

> প্রতিদিন স্ন্যাক্স ২ টি করে থাকবে।
প্লেন কেক/পুরি/পাকুড়া/বিস্কিট/সিঙ্গাড়া/নুডুলস্/পিঠা।
> জঙ্গল সাফারির জন্যঃ পানি ১ লিঃ, আপেল, কলা, বিস্কুট।।
> খাবার পানির জন্য ২০ লিঃ এর জার সরবরাহ করা হবে।

=======ট্রিপ সাইজঃ ২০ জন (সর্বোচ্চ)========

******************যারা যারা যাবেন**********************

বুকিং কন্ফার্ম করতে কল করুনঃ

01727850837 (imo+viber ) 📱01912214946,

এই প্যাকেজ যেকোনো সময় এর জন্য প্রযোজ্য।

Office Address:
City international tours & travels (সিটি ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস)
নিউ মার্কেট,সিটি কমপ্লেক্স (বিশ্বাস বিল্ডার’স) ৩য় তলা রহিম স্কয়ার, নিউ মার্কেট, -১২০৫ (নিউ মার্কেট কাচা বাজারের পিছনে)দয়া করে প্রথম নাম্বার ব্যস্ত থাকলে দ্বিতীয় নাম্বারে কল করুন । নামাযের সময় বাদে যে কোন সময় ফোন দেন
☎ +88-02-55161614,
📱01727850837 (imo+viber ) 📱01912214946, 📱01521498858 📱01757778961, 📱01827225396,
Office :0255161614
E-mail: [email protected]
http://www.cityinternationaltravels.com/
*****************************************************************************
www.facebook.com/cityinternationaltravels

Address

New Market City Complex (Biswas Builders)2nd Floor, 44/1 Rahim Square , New Market, Dhaka. নিউ মার্কেট কাচা বাজারের পিছনে Dhaka
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+880 1757-778961

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DESH TOURS BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DESH TOURS BD:

Share

Category