11/12/2025
আজকের গল্প
পরিত্যক্ত গার্মেন্স
লেখক : এম হাসান
ঢাকায় প্রানকেন্দ্রে ব্যস্ত এক সড়কের পাশে একটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে আছে বছরের পর বছর।
১৮ থেকে ২০ বছর হবে একটি গার্মেন্স বন্ধ হয়ে আছে তবে কেনো তা কেউ জানে না।পরবর্তীতে দ্বিতীয় তলা অফিস রুম ও নিচে দোকান ও মার্কেট হিসাবে ব্যবহার শুরু হয় তবে দ্বিতীয় তলা পর উপরে উঠার সকল পথ বন্ধ করে দিয়া হয়।রাত ১১:৩০ পর সব প্রবেশ ও বাহির হওয়ার গেট বন্ধ করে দেয় এবং পরবর্তী সকাল ৬ টায় খুলে।এর মাঝে ওখানে একটি অফিসে কর্মরত সাজ্জাদ নামে একটি ছেলে থাকে। সে মাঝে মাঝে অনেক রাত করে অফিস করে বেশি রাত হলে অনেক সময় অফিসে থেকে যায়।এমনই এক রাতে সে যখন তার কাজ শেষ করে তখন ঘড়িতে রাত আনুমানিক ১ টার ছুই ছুই।এমন সময় তার কানে মনে হচ্ছে অনেক মানুষ হইচই হচ্ছে মেশিনের। সে প্রথমে ভাবলো হয়তো এটা তার ভুল ধারণা হচ্ছে, এতো রাতে কারা চলাচল করবে তাও মার্কেট বন্ধ এমন সময়। এটা ভেবে সে আবারও কাজে মন দিলো হঠাৎ মনে হলো অনেক গুলো মানুষ হাটা চলা করছে এবং অনেকের কন্ঠ শুনা যাচ্ছে। সে একটু ভয়ই পেয়ে গেলো তবুও বুকে সাহস করে অফিসের দরজা খুলে বের হলো,অবাক এক দৃশ্য তার চোখের সামনে মানুষ হাঁটাচলা করছে সে সামনে এসে দেখে পুরো গার্মেন্স ফুল দমে চলছে।তার চোখের সামনেই সব হচ্ছে। সে হয়তো ভাবলো হয়তো এটা তার ভুল হচ্ছে তবে সে কোনো নেশা বা ঘুমিয়েও পরেনি তবে এটা কি করে সম্ভব। তার মাথা ঠিক কাজ করছে না,সে এক জন কে জিজ্ঞেস করলো ভাই গার্মেন্স তো বহু বছর বন্ধ ছিলো আজ হঠাৎ চালু,লোকটি বললো ভাই আপনি মনে হয় নেশা করেছেন একটু টক খান না হলে চোখে মুখে পানি ছিটিয়ে আসুন।সাজ্জাদ কি বলবে বা করবে মাথায় ঢুকছে না।সে মাথা চুলকাতে চুলকাতে অফিসে প্রবেশ করে ভাবছে বাইরে কি হচ্ছে। কিছুখন পর আবার সব নিশ্চুপ হয়ে গেলো,একটি আওয়াজও নেই কোথাও। সাজ্জাদ আবারও বের হলো অফিস থেকে দেখলো কোথাও কেউ নেই, সে অনেক খুজলো একটি মানুষ তো দূরের কথা মানুষের ছায়াও নেই উপরে গার্মেন্সও বন্ধ সে সিড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো সেখানে সেই জং ধরা তালা।সে কিছু মিলাতে পাচ্ছে না,সে ভাবলো অনেক রাত হয়েছে আর হয়তো কাজের চাপের কারনে এমন হচ্ছে,সে তার অফিস রুমে ঢুকলো তবে তার মনে শত ভাগ নিশ্চিত সে একটু আগে সব সঠিক ভাবে দেখেছে তবে কি করে সম্ভব। এভাবে কিছু দিন কেটে গেলো,হঠাৎ এক রাতে......