Visa support For You.

Visa support For You. আমাদের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন দেশের ভিসা করতে কি কি ডকুমেন্টস ও কি কি ভিসা পেতে পারেন। ধন্যবাদ

পাসপোর্ট এ ট্রাভেল হিস্ট্রি বাড়াতে চাইলে কি কি করতে হবে:একটি দেশে যখন আপনি ভ্রমণ ভিসায় যাবেন সেখানে কতদিন আপনি অবস্থান...
19/11/2024

পাসপোর্ট এ ট্রাভেল হিস্ট্রি বাড়াতে চাইলে কি কি করতে হবে:

একটি দেশে যখন আপনি ভ্রমণ ভিসায় যাবেন সেখানে কতদিন আপনি অবস্থান করবেন বা কতদিন আপনাকে থাকতে হবে।

বিশেষ করে আমরা যারা গ্রুপ টুরে যাই ,সে ক্ষেত্রে আমরা কিছু ভুল করে থাকি। এই ভুল গুলো দিকে একটু নজর দিবেন তাহলে আমরা গ্রুপ টুর এ গিয়ে যেই টাকা গুলো খরচ করছি তা কিছুটা হলে কাজে লাগবে আপনার ট্রাভেল হিস্ট্রি তৈরি করতে বা বাড়াতে ।

অনেক আছে আমরা ট্রাভেল হিস্ট্রি তৈরি করার জন্য থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম,কম্বোডিয়া, মালদ্বীপ,শ্রীলংকা, দুবাই ইত্যাদি দেশ গুলো তে আমরা যাচ্ছি আমাদের ট্রাভেল হিস্ট্রি তৈরি করতে বা আমাদের পাসপোর্ট স্ট্রং করতে। সেজন্য আপনাদের বলি আপনার যেখানেই ট্রাভেল এ যান না কেন নূন্যতম ৭২ ঘন্টা থাকতে হবে। ৭২ ঘন্টা থাকলে সেই ট্রাভেল হিস্ট্রিটি স্ট্রং হয়।
আপনি একটি দেশে আজকে গেলেন কালকে ফিরে আসলেন এটি আসলে ট্রাভেল হিস্ট্রির মধ্যে পড়ে না। কিছু কিছু দেশ আছে যেখানে আপনাকে দেখাতে হবে যে আপনি আগে যেই দেশে ঘুরতে গিয়েছিলেন সেখানে আপনি কত দিন ছিলেন মানে আপনার পাসপোর্ট এ যে সিল আছে এগুলোর স্ক্যান কপি দেখাতে হয় এবং লিখে ও দিতে হবে আপনি কত তারিখ গিয়েছেন, কত দিন ছিলেন, কত তারিখে বের হয়েছেন। আমরা অনেকেই এই বিষয় গুলো জানি না তাই এই ভুল গুলো করে থাকি।

আমরা কম খরচে প্যাকেজ ট্যুর খুঁজি কিন্তু আমরা এটা বুঝি না যে আমাদের ট্রাভেল হিস্ট্রি কখন স্ট্রং হবে কত দিন থাকতে হবে।

আমরা মনে করি আমারা একটা দেশে প্রবেশ করলাম বের হয়ে গেলাম পাসপোর্ট এ দুইটা সীল পড়লো এতে ট্রাভেল হিস্ট্রি তৈরি হয়ে গেলে এটা আমাদের একদম ভুল ধারনা এটা ট্রাভেল হিস্ট্রির কাতারে পরে না।

আমি বলছি আপনি কি করে আপনার ট্রাভেল হিস্ট্রি তৈরি করবেন থাইল্যান্ড,কম্বোডিয়া,লাওস, ভিয়েতনাম এই চারটি দেশ আপনি একসাথে ঘুরে আসতে পারেন অথবা থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া,লাওস এই তিনটি দেশ এক সাথে ঘুরে আসতে পারেন কিন্তু অবশ্যই প্রতিটি দেশে তিন রাত করে অবস্থান করতে হবে।

আরেকটি আছে ফিলিপাইন , সিংঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এর সাথে ইন্দোনেশিয়া রাখতে পারেন, আর যদি না যেতে চান তাহলে ইন্দোনেশিয়া স্কিপ করতে পারেন কিন্তু যেই দেশে যান ট্রাভেল হিস্ট্রি স্ট্রং করার জন্য তিন দিন অবশ্যই থাকতে হবে।

আরেটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা এক সাথে তিনটি দেশ ঘুরে আসার পর পরবর্তী ট্যুর কিছু দিন সময় নিয়ে প্ল্যান করা , তা হতে পারে দুই তিন মাস পর পর ।
আর আমরা যদি সিঙ্গেল ভাবে ট্যুর প্ল্যান করি সেই ক্ষেত্রে ও আমারা একটি বিষয় খেয়াল রাখবো যে একটি ট্যুর এর পর পরবর্তী ট্যুর গ্যাপ যাতে দুই তিন মাস পর পর হয় তাহলে আমাদের স্ট্রং ট্রাভেল হিস্ট্রি ক্রিয়েট হবে।

03/11/2024

বাংলাদেশে ভিসা সংকট, দায়ী কে???
যত দিন যাচ্ছে ট্রাভেল করার জন্য বাংলাদেশীদের কোনো দেশ ভিসা দিবে কিনা সন্দেহ
🇧🇩বাংলাদেশের পাসপোর্ট হোল্ডারদের জন্য এখন সব থেকে সহজ ভিসা কোনটা?
আসলে কোন ভিসা ই সহজ না।
১: ইন্ডিয়া যাবেন। ৬ মাসের ভিসা পেতে জীবন ক্ষয় হবে, পেলেও আপনার সময় লাগবে ৪ মাস। বর্তমানে তো টোটালি বন্ধ আছে টুরিস্ট ভিসা।অন্যান্য ভিসা পেতেও অনেক হ্যাসেল পোহাতে হচ্ছে।
২: মিডলইস্টের সব দেশের টুরিস্ট ভিসা বন্ধ। মানে আপনি টুরিস্ট ভিসা নিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, ওমান, জর্ডান যেতে পারবেন না।
৩: আগে আমিরাতের রেসিডেন্সি কার্ড হোল্ডারা কিছু দেশের অন এরাইভাল ভিসা পেত যেমন কিরগিস্থান, জর্জিয়া, আজারবাইজান সহ আরো কিছু দেশ। কিন্তু বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে গেলে ঢুকতে দিচ্ছে না। ঝামেলা অনেক।
৪: ২০২৩ সালে সেন্ট্রাল এশিয়ার কিছু দেশ আমাদের স্বাগতম জানায়। কিন্তু আমরা এমনভাবে আমন্ত্রন গ্রহন করে তাতে ছেড়ে দে মা কেদে বাচি অবস্থা এইসব দেশের। ফলাফল কাজাখস্তান, কিরগিস্থান ভিসা অফ। বাকি আছে উজবেকিস্তান। এর ই ভিসা পোর্টাল আজকে ৬ দিন যাবত ডাউন। কোন খারাপ খবর আসতে যাচ্ছে।
৫: ২০২৩ এর সালে ভিসার গনজোয়ার বসানো কানাডা ভালভাবেই দরজা বন্ধ করেছে। ভিসা পাওয়ার মত ফাইল ও রিফিউস। ক্যান + এর আন্ডারে যাদের ৭ দিনে ভিসা হইত তাদেরকেও রিফিউস করে দিচ্ছে।
৬: ইউরোপের দেশ গুলা যাছাই বাছাই করে ১৫% ভিসা দেয়। এর মধ্য ৫% আর ব্যাক করে না।
৭ মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, লাউস, ইন্দোনেশিয়া তে এখন ভিসা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের ৮০% মানুষকে আলাদাভাবে ভিতরের কাউন্টারে নিয়া যায় অথবা আলাদাভাবে ইমিগ্রেশন করে।
৮: নেপাল গিয়েও কিছু মানুষ আকাম করে। ওই দেশের পাসপোর্ট বানাইয়া নাকি ইউরোপে আবেদন করে! ( আমি ১০০% সিউর না)
৯: অস্ট্রেলিয়ায় চলছে গন রিজেকশন। ৯৫% এপ্লিকেশন কমন রিজনে রিফিউস করতেছে।
১০: ইউকে ভিসা পাবার জন্য যে রকম ব্যাংক স্টেটমেন্ট দরকার আমাদের দেশের ৯০% মানুষ তেমনভাবে করতে পারে না।
১১: সার্বিয়া, বসনিয়ার জংগলে, জাতিসংঘের ক্যাম্পে হাজার হাজার বাংলাদেশি বছরের পর বছর আটকা পরে আছে।
১২: পানামার জংগলে অনেক ব্যাংগালির লাশ পচে মাটির সাথে মিশে গেছে।
১৩: ব্রাজিল, আর্জেন্টিনায় ও মেক্সিকোতে দেখবেন অনেক ব্যাংগালি বসবাস করে কিন্তু তাদের মধ্য ৯৯% আমেরিকা যাবার ধান্দায় আটকা পরা বাংলাদেশি।
১৪: লিবিয়া থেকে ইতালির কথা আমরা সবাই জানি। এইটা না বললাম।
১৫:বাংগালিদের জন্য সব খোলা আছে
C/P

নতুন জাপান ভিসা আবেদন পদ্ধতিবাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি লাগবেনা শুধু vfs ১৯০০ টাকা সার্ভিস ফি নিবে।সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে ...
02/11/2024

নতুন জাপান ভিসা আবেদন পদ্ধতি
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি লাগবেনা শুধু vfs ১৯০০ টাকা সার্ভিস ফি নিবে।
সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে ইন্টারভিউ ফেস করতে হবেনা এবং ভিসা ইস্যু হবে ডকুমেন্টস বেজড্। আমি এটাকে সুখবর ই বলবো ।
৩ নভেম্বর, ২০২৪ থেকে, ভিএফএস গ্লোবাল (VFS Global) জাপান দূতাবাসের পক্ষ থেকে ভিসা আবেদন পরিষেবা প্রদান করবে। জাপান দূতাবাস এর পর সরাসরি ভিসার আবেদন গ্রহণ করবে না।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস :
১. এপ্লিকেশন ফর্ম
২. ভেলিড পাসপোর্ট ও ফটোকপি
৩ .পুরনো পাসপোর্ট ও ফটোকপি
৪ .ছবি ২ কপি – ৩৫*৪৫
৫ .এয়ারলাইন্স বুকিং কপি
৬ .হোটেল বুকিং কপি
৭ . ট্যাক্স পেমেন্ট রিসিপ্ট ( লাস্ট ৩ বছরের )
৮ .ব্যাংক স্টেমেন্ট ( বিগত ছয় মাসের )
৯ . ভিজিট শিডিউল
১০ .এন ও সি
১১ কাভার লেটার
** এক্সট্রা বৈধ ডকুমেন্টস
যদি গ্যারান্টার থাকে
১ .ইনভাইটেশন লেটার গ্যারান্টেরের কাছ থেকে
২ .গ্যারান্টারের সাথে সম্পর্কের প্রত্যয়িত বা ব্যাখ্যা করার নথি
৩ .ব্যাংক স্টেটমেন্ট 6 মাসের সর্বশেষ (ব্যক্তিগত/কোম্পানী) যদি ভ্রমণ খরচ জাপানে বসবাসকারী একজন গ্যারান্টার দ্বারা বহন করা হয়
৪ .গ্যারান্টি লেটার
কারোও কোন তথ্য লাগলে নক দিতে পারেন।

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়:১ :আপনার নাম এবং আপনার পিতামাতার নামের সাথে মিল রেখে সার্টিফিকেটে কোনো ভু...
24/09/2024

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়:

১ :আপনার নাম এবং আপনার পিতামাতার নামের সাথে মিল রেখে সার্টিফিকেটে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করবেন, হতে পারে নামের বানানে ভুল বা অন্য কিছু, এ সময়ে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন আপনার পিতামাতার ভোটার আইডিতে যে নাম আছে ঔ নাম ই যেন সার্টিফিকেটে থাকে, মোট কথা আপনার জন্মসনদ, সার্টিফিকেট এবং বাবামার এনআইডিতে যেন সেম নাম থাকে
,
২ পাসপোর্ট তৈরি ঃ পাসপোর্ট তৈরির সময় পূর্বের সার্টিফিটের মতো নাম এবং স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার দিকে খেয়াল রাখবেন, এমন যেন না হয় জন্মসনদে আছে বর্তমান ঠিকানা বরিশাল কিন্তু পাসপোর্টে কোনোভাবে এসে গেছে নোয়াখালী
,
( ১,২ নং পয়েন্টে কোনোভাবে ভুল হলে এগুলো সংসোধন বিদেশে পরতে যান বা না যান এমনিতেই জরুরি এবং সংসোদন একটু সময় সাপেক্ষ বিষয়)
,
,
৩ SSC, HSC এর নম্বরপএ এবং সার্টিফিকেট বোর্ড থেকে সংগ্রহ করা এবং মাস্টার্সে যেতে চাইলে অনার্সের সার্টিফিকেট বিশব্বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সংগ্রহ করে রাখা
,
৪ সার্টিফিকেট সংগ্রহের পর এগুলো শিক্ষা, এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করা
,
৫ IELTS preparation :আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রিপারেশন টা একটু আগে থেকেই নেওয়া ভালো, কারন অনেকের কাঙ্খিত স্কোর তুলতে অনেক বেশি সময় লেগে যায় এবং এই সময়ের কারণে, অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন মিস করে ফেলে, যার জন্য এডুকেশন গ্যাপ বেড়ে যায় যার জন্য ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়
,
৬ স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকলে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েটের স্টুডেন্টদের জন্য SAT/ ACT পরীক্ষা এবং স্নাতকোত্তর ছাত্রীদের জন্য GRE/ GMAT পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আগে থেকে নেওয়া ভালো
,
৭ আপনার পরিচিত বা যে সকল শিক্ষকরা আপনাকে ভালো জানে, এই সকল শিক্ষকদের মধ্য থেকে দুইজন টিচারের রেকমেন্ডেশন লেটার সংগ্রহ করে রাখা
,
৮ SOP লেখার প্রিপারেশন ঃ বিদেশে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য SOP লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি প্রিপারেশন অনেক আগে থেকেই নেওয়া ভালো, যে কিভাবে আপনি এটাকে লিখবেন, এর জন্য অভিজ্ঞ ভাইদের সহযোগিতা নেওয়া বা বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ বা অন্য কোথা থেকে সহযোগিতা নেওয়া এবং নিজের মতো করে এটাকে প্রস্তুতি নেওয়া যাতে SOP ভাষাটা নিজের মতো করে হয়
,
৯ ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল রেখে আপনি যে দেশে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই দেশের মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে বের করে রাখা এবং যে সাবজেক্টে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই সাবজেক্টটা যেন আপনার পূর্বের পড়া সাবজেক্ট এর সাথে মিল খায়,ধরেন ধরেন আপনি সায়েন্স থেকে এইচএসসি পাশ করছেন সুতরাং আপনাকে এমন কোন সাবজেক্টই পরবর্তীতে চয়েজ করতে হবে যেটা সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল খায় বা ব্যবসা শিক্ষা বিষয় থেকে আগে পড়াশোনা করে থাকলে এমন সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে যেটা যেন ব্যাবসা শিক্ষার সাথে মিল থাকে
,
১০ আপনার বাজেট, আপনার পছন্দের শহর সহ সব কিছু বিষয় মাথায় রেখে মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ আগে থেকে পছন্দ করে রাখা
,
১১ আপনি যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন সে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের ডেডলাইনের দিকে খেয়াল রাখা এবং সে অনুযায়ী আগে থেকেই আবেদন করা
,
১২ ভলেন্টিয়ার সংগঠনে যুক্ত ঃআপনি যদি খুব সহজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন করে সিলেক্ট হতে চান বা স্কলারশীপ পেতে চান এবং সহজেই ভিসা পেতে চান তাহলে কিছু ভলেন্টিয়ার সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকা এবং তার যথেষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করে রাখা
,
১৩ বিদেশে গেলে বেশিরভাগ সময় আপনাকে নিজেকে নিজের রান্না করে খেতে হবে সুতরাং আগে থেকেই দেশ থেকে রান্না শিখে যাওয়া টা ভালো
,
১৪ যদি সম্ভব হয় ড্রাইভিং শেখা তাহলে শিখে ফেলুন, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন এবং যদি আরও সম্ভব হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখতে পারেন
,
১৫ যদি সম্ভব হয় তাহলে কম্পিউটারে নিজের স্কিল দেশ থেকে আপগ্রেড করে যান যেমন microsoft-office, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের কাজ শেখা এবং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রাখতে পারেন এটা বিদেশে আপনাকে অনেক সাপোর্ট দিবে
,
আমার কাছে এই ১৫ টা পয়েন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়ছিল, আশা করি অনেকের কাজে আসবে ।

সুইডেন এম্বাসি এখন ঢাকায় 🇧🇩✈️🇪🇺 সহজে সেনজেন ভিসা করার এখনই সুযোগ..সুইডেন এম্বাসি ঢাকা নতুন করে একটি অসাধারণ সুযোগ দিচ্ছে...
03/09/2024

সুইডেন এম্বাসি এখন ঢাকায় 🇧🇩✈️🇪🇺 সহজে সেনজেন ভিসা করার এখনই সুযোগ..

সুইডেন এম্বাসি ঢাকা নতুন করে একটি অসাধারণ সুযোগ দিচ্ছে যেখানে ইন্টারভিউ এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই খুব কম সময়ে সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সুইডেন, সেনজেন কান্ট্রির সদস্য হিসেবে, আরও ৮টি সেনজেন দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। এই দেশগুলো হলো: ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, বেলজিয়াম, স্লোভেনিয়া, পোল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ এবং নেদারল্যান্ডস। এই ৮টি দেশের যে কোনো একটিতে ভ্রমণের জন্য আপনাকে সুইডেন এম্বাসির মাধ্যমে ভিসার আবেদন করতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া সহজীকরণ:
এই নতুন সুবিধা ইন্টারভিউ এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত ভিসা পাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। যেকোনো সময় আপনি আবেদন করতে পারবেন এবং এতে সময়ের সাশ্রয় হবে।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে কিছু নির্দিষ্ট ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়। এই ডকুমেন্টসগুলো হলো:
- পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফর্ম।
- দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
- বর্তমান পাসপোর্ট এবং পূর্বের সব পাসপোর্ট।
- ভ্রমণের উদ্দেশ্য সম্পর্কিত বিবরণ এবং স্পন্সর লেটার (যদি থাকে)।
- ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা যা সেনজেন এলাকায় বৈধ।
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সর্বশেষ ৬ মাসের)।
- কর্মসংস্থান প্রমাণপত্র বা শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র।

ভ্রমণ ইতিহাস:
সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে সাধারণত পূর্বে কিছু দেশের ভ্রমণ ইতিহাস থাকতে হয়। এতে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তবে প্রথমবারের আবেদনকারীরাও আবেদন করতে পারেন, কেবল যথাযথ ডকুমেন্টস প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

সময়সীমা:
সুইডেন এম্বাসি ঢাকা থেকে নতুন সুবিধার আওতায় এই প্রক্রিয়া সময়সিমা কম লাগবে..

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় অভিনন্দন বাংলাদেশ ❤️
03/09/2024

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় অভিনন্দন বাংলাদেশ ❤️

আলহামদুলিল্লাহ!৫৩ বছরের বিমানবন্দরের জট ২০ দিনে উধাও!যাত্রী আসার আগেই লাগ্যাজ আসছে কাউন্টারে!সৎ নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম থাকলে...
01/09/2024

আলহামদুলিল্লাহ!
৫৩ বছরের বিমানবন্দরের জট ২০ দিনে উধাও!
যাত্রী আসার আগেই লাগ্যাজ আসছে কাউন্টারে!
সৎ নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম থাকলে পরিবর্তন আসবেই!

আগরতলা ট্যুরের আদ্যোপান্ত!স্বল্প খরচে যারা ইন্ডিয়া ঘুরা এবং কেনাকাটা করতে চান তাদের জন্য আগরতলা হতে পারে বেস্ট ডেস্টিনেশ...
30/08/2024

আগরতলা ট্যুরের আদ্যোপান্ত!
স্বল্প খরচে যারা ইন্ডিয়া ঘুরা এবং কেনাকাটা করতে চান তাদের জন্য আগরতলা হতে পারে বেস্ট ডেস্টিনেশন।
থাকা খাওয়া এবং খরচপত্র পোস্টের প্রাসঙ্গিক অংশে আলোচনা করা হয়েছে।
ঢাকা থেকে ভারতের সবচেয়ে কাছের রাজ্য ত্রিপুরা। ত্রিপুরার রাজধানী শহর আগরতলা।
আগরতলা থেকে ডোমেস্টিক ফ্লাইটে ভারতের প্রায় সব গন্তব্যে কম খরচে ভ্রমণ করা যায়। (আগরতলা থেকে ১৮০০* রুপিতে মাত্র ৫০ মিনিটে বিমানে কলকাতা যাওয়া যায়) যেখানে ঢাকা থেকে ভাল মানের বাসে কলকাতা গেলে সারারাত এবং দিনের অর্ধেক সময় নষ্ট হয় এবং ভাড়া ১৬০০/১৮০০ টাকা লাগে।
যাই হউক, এটা নিয়ে (কেউ জানতে চাইলে) অন্যকোন দিন অন্য কোন পোস্টে কথা হবে।

যাত্রাঃ
=====
ঢাকা থেকে মহানগর প্রভাতি ট্রেনে(৭.৪৫) যাত্রা শুরু করলে সকাল ১১টার মধ্যে আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে নামিয়ে দিবে। ট্রেন ভাড়া ১৬০ টাকা।
সেখানে সকালের নাস্তা সেরে নিয়ে অটোরিকশা অথবা সিএনজিতে করে চেকপোস্ট চলে যাবেন। ভাড়া নিবে সিএনজি জনপ্রতি ২৫/৩০ টাকা। রিক্সা ৫০/৬০ টাকা।
চেকপোস্টে ট্রাভেল ট্যাক্স দিয়ে ইমিগ্রেশন অফিসের কাজ শেষ করে ঢুকে পরুন ভারতীয় সীমান্তে। সেখানেও সব কাজ শেষ করে ভারতে প্রবেশ করুন।
বিঃদ্রঃ দুই ইমিগ্রেশনের কোন প্রান্তেই কাউকে কোন এক্সট্রা মানি/স্পিড মানি দিবেন না।
গেট থেকে দুই মিনিট পথ এগুলেই মানি এক্সেঞ্জার পাবেন কিন্তু এখানে রেট অনেক কম দেয়। বেটার শহরে গিয়ে রুপি এক্সচেঞ্জ করা।
গেট থেকে বের হলেই আটোরিক্সা এবং রিক্সা পেয়ে যাবেন। দরদাম ঠিক করে উঠে পরুন।

কোথায় থাকবেনঃ
==============
রিক্সা নিয়ে চলে যান "হরি গঙ্গা বাসক রোড" অথবা "ফায়ার বিগ্রেড চৌমুনি" অথবা "পোস্ট অফিস চৌমুনি"। ভাড়া নিবে ৪০/৫০ রুপি।
বিগ বাজার থেকে শুরু করে সব শপিং মলসহ থাকা এবং খাওয়ার সব হোটেল এর আসেপাশেই পাবেন।
এই রোডে Hotel Somraj Regency, Hotel Sonar Tori সহ আরো অনেক হোটেল পাবেন। ৮০০ থেকে ১৫০০ রুপির মধ্যে এসি/ননএসি রুম পেয়ে যাবেন। সেখানে পছন্দ না হলে আসে পাশে আরো কয়েকটা হোটেল দেখে নিতে পারেন।

কি কি দেখবেন!
============
হেরিটেজ পার্কঃ
============
হোটেল থেকে নেমে একটা আটো নিয়ে হেরিটেজ পার্কে চলে যান। ভাড়া নিবে ৮০/১০০ রুপি। পার্ক এন্ট্রি ফি ২০ রুপি।
অনেক দেশি বিদেশি গাছপালা এবং ত্রিপুরার বিখ্যাত সব যায়গা সমুহের মিনিয়েচার দিয়ে এই পার্কটি তৈরী করা হয়েছে।
প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং ত্রিপুরার সব ঐতিহ্য একনজরে দেখে ভাল লাগবে আশা করি।
হেরিটেজ পার্ক সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

উজায়ন্ত প্যালেসঃ
============
আগরতলার প্রাণকেন্দ্রে ২০ একর জমির ওপর ১৯০১ সালে তৎকালীন রাজা রাধা কিশোর মানিক্য এটি তৈরি করেন। স্থানীয়রা রাজবাড়ি নামে ডাকেন।
প্রাসাদের নিচ ও দ্বিতীয়তলায় রয়েছে সুন্দর পরিপাটি জাদুঘর।
জাদুঘরের একটা অংশে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, সেসময়ের প্রকাশিত পত্রিকা এবং মুক্তিযুদ্ধের অনেক ছবি আছে যেটি দেখলে আপনার অনেক ভাল লাগবে।
উজায়ান্ত প্যালেস এর ভিতর থেকে বাহিরের অংশ বেশি সুন্দর। এর নির্মান শৈলী, খোলা মাঠ, প্রশস্থ বাগান, পানির ফোয়ারা সব কিছু আপনার নয়ন কেরে নিবে।

উজায়ন্ত প্যালেসে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
উজায়ন্ত প্যালেসে প্রবেশ ফি স্থানীয়দের জন্য ২০ রুপি আর ফরেনারদের জন্য ১৫০ রুপি।

দ্বিতীয় দিন
========
দ্বিতীয় দিন হোটেল থেকে চেক অউট করে আগরতলা থেকে দূরের গন্তব্যগুলো (সিপাহিজলা অভয়ারণ্য, উদয়পুর এবং নীরমহল) দেখে আসতে পারেন।
স্থানীয় বাসে যেতে পারেন অথবা ডিরেক্ট গাড়ি রিজার্ভ করেও নীরমহল যেতে পারেন। রাজবাড়ির(উজায়ান্ত প্যালেস) সামনে অথবা মটর স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি রিজার্ভ করতে পারবেন। সারাদিনের জন্য ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা নিবে।
গাড়ি রিজার্ভ করে গেলে ড্রাইভার কে বলে রাখবেন বিকেল ৫টার আগে যেন চেকপোস্টে নামিয়ে দেয় (যদি সেদিন দেশে ফেরত আসেন)
সন্ধ্যা ৭টায় আখাউরা থেকে মহানগর গোধূলি ট্রেনে ঢাকা ফেরত আসতে পারবেন।

সিপাহিজলা অভয়ারণ্যঃ
===================
আগরতলা থেকে মাত্র ২৫ কিমি দূরে সিপাহিজলা অভয়ারণ্য, অনেকটা মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের মতো। আগরতলা থেকে সিপাহিজলা যাবার পথটি বেশ রোমাঞ্চকর।

উদয়পুরঃ
=======
আগরতলা থেকে দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। অমরসাগর, জগন্নাথ দিঘি, মহাদেব দিঘি ইত্যাদি সুদৃশ্য জলাশয়ের জন্য উদয়পুর বিখ্যাত। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য যায়গাটি প্রায় তীর্থস্থানের মত।

নীরমহলঃ
========
আগরতলা শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত নীরমহল। যেতে সময় লাগবে ১.৩০ ঘন্টা।
রুদ্রসাগরের বিশাল জলরাশীর মাঝখানে মুসলিম স্তাপত্য রিতীতে তৈরি করা এই মহলটি দেখতে অনেক বেশি সুন্দর। ৩০ রুপির টিকেট কেটে ট্রলারে করে মহলে যেতে হয়।

কোথায় কেনাকাটা করবেনঃ
====================
আগরতলায় Addidas, Skechers, UCB, Woodland, Fastrack সহ প্রায় সব নামকরা ব্র‍্যান্ডের শোরোম আছে। তবে মুল ভারত থেকে অনেক দূরবর্তী রাজ্য হওয়ার কারনে শোরুম গুলোতে খুব বেশি প্রোডাক্ট/কালেকশন থাকে না।

কাপড় চোপড় কেনার জন্য
১. কলকাতা বাজার
২. বিগ বাজার
৩. মেট্রো শপিং কমপ্লেক্স সহ আরো অনেক দোকান আছে।

কসমেটিকস এবং অলংকার কেনার জন্য ওভারসিজ মার্কেট। (গায়ের দাম থেকে ৫ থেকে ৭% কম রাখবে।)

চকলেট, বিস্কিট, বাদাম পাইকারি দরে কেনার জন্য গুলবাজার(নেতাজি চৌমুনি)।

স্টিল, তামা কাসার তৈজসপত্রের জন্য কাসারি পট্টি।

মোবাইল ও ইলেকট্রনিকস কেনার জন্য মেলার মাঠ।

🙏 ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলে সেগুলো নিজের কাছে সংরক্ষণ করবেন। পরে নির্ধারিত যায়গায় সেগুলো ফেলে দিবেন। প্রকৃতিকে ভালোবাসুন। প্রকৃতি রক্ষায় এগিয়ে আসুন।

হ্যাপি ট্রাভেলিং।
#আগরতলা #ভারত #ত্রিপুরা #নীরমহল #উদয়পুর

ঢাবির নতুন ভিসিকে নিয়ে লেখা সচিবের স্ট্যাটাস ভাইরালনয়া দিগন্ত অনলাইন  ২৮ আগস্ট ২০২৪, ২২:৫৪ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নত...
29/08/2024

ঢাবির নতুন ভিসিকে নিয়ে লেখা সচিবের স্ট্যাটাস ভাইরাল
নয়া দিগন্ত অনলাইন ২৮ আগস্ট ২০২৪, ২২:৫৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি ঢাবির ৩০তম ভিসি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেন। তাকে নিয়ে সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া তার পরিচিত সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামানের লেখা স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার রাতে ফেসবুকে মোরশেদ জামান তার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে একটি লেখাটি পোস্ট করেন। মোরশেদ জামান বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি), পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব।
তার দেয়া পোস্টটি তুলে ধরা হলো :
আমার নিয়াজ ভাই
সিলেট এমসি কলেজ থেকে আম্মা চট্টগ্রাম কলেজে বদলি হয়ে এলেন সত্তর দশকের শেষ দিকে। চট্টগ্রাম কলেজের ঠিক উল্টো পাশেই রাস্তার ওপারে- চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। সেখানে ভর্তি হলাম। কলেজিয়েট, মুসলিম হাই স্কুলের সুনাম তখন চট্টগ্রাম শহরে সবচেয়ে বেশি। ওদিকে শত বছরের পুরোনো স্কুল হলেও মাত্রই জুনিয়র স্কুল থেকে হাই স্কুল হওয়া আমাদের স্কুল ধারে ভারে খানিক পিছিয়ে।

এই চ্যালেঞ্জের মাঝেই এসএসসির প্রথম ব্যাচ ভালো রেজাল্ট করলো। এ ব্যাচের সবচেয়ে খ্যাতিমান ছাত্র সম্ভবত শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ভাই। যিনি দেশের সেরা গীতিকারদের একজন হিসেবে নাম কুড়িয়েছেন। স্যার-ম্যাডামরা গল্প করতেন আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন স্যার এই স্কুলের ছাত্র। সেরকম সুনাম এ স্কুলের জন্য পরে আর কে বয়ে আনবে?

তখনও চট্টগ্রাম বোর্ড হয়নি। কুমিল্লা বোর্ড থেকে আর্টসে চল্লিশ হাজার ছেলে পরীক্ষা দিলে চল্লিশ জন ফার্স্ট ডিভিশন পাওয়াও ছিল তখন মুশকিলের ব্যাপার। এমন সময় এসএসসিতে স্কুলের সেকেন্ড ব্যাচ কাঁপিয়ে দিল। হিউম্যানিটিস এ কুমিল্লা বোর্ডের মেধা তালিকায় ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ না, কুমিল্লা জেলা স্কুল না, কলেজিয়েট তো নয়ই- মেধা তালিকায় প্রথম হয়ে বসে আছে আমাদের স্কুল। বোর্ড কাঁপানো ছাত্রের নাম নিয়াজ আহমেদ খান।

গর্বে আমাদের বুকের ছাতির মাপ বেড়ে গেল অনেক। কিন্তু ভয়ানক কড়া মোস্তফা নূরুল করিম স্যার আমাকে ডেকে বললেন ‘থার্ড ব্যাচে তোকে নিয়ে আশা। নিয়াজকে ফলো কর। না হলে তোরে শেষ করে দেবো!’

বললেই হলো? আগরতলা আর চৌকিরতলা এক?
আমি হলাম পরের ব্যাচে বোর্ডে ফিফথ। বন্ধুরা বললো, ‘ভালো রেজাল্ট, স্যাররা মুখ ভার করে রইলেন। কি সর্বনাশ করলেন নিয়াজ ভাই আমার!’

গেলাম চট্টগ্রাম কলেজে। নিয়াজ ভাই আমার এক ব্যাচ সিনিয়র। আম্মার ডিরেক্ট ছাত্র আমরা দুজন। এইচএসসিতে নিয়াজ ভাই বোর্ডে ফার্স্ট। আমার উপর আবার চাপ! পরের বছর আমি বোর্ডে ফোর্থ। নিয়াজ ভাই’র সাথে কি করে পারা যায়?

গেলাম ভার্সিটিতে। নিয়াজ ভাই পাবলিক এডে, পরের বছর আমি পলিটিক্যাল সায়েন্স এ। নিয়াজ ভাই আমার বন্ধু লে. কর্নেল (অব) ইরশাদকে নিয়ে বার করলেন পত্রিকা ‘ইউনিভার্সিটি ম্যাগাজিন’। তাকে ফলো করে আমি বার করলাম- ‘এসো’।

অনার্স এ নিয়াজ ভাই ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট। পরের বছর আমার ডিপার্টমেন্টে আমি তিন নম্বরের জন্য ফার্স্ট ক্লাস হারিয়ে সেকেন্ড ক্লাস ফার্স্ট। মাস্টার্সে যথারীতি উনি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট। পরের বছর আমিও তাই। ওই একটি বার জীবনে আমি তাকে ছুঁতে পেরেছিলাম। উনি ভার্সিটিতে জয়েন করলেন। আমি পরের বছর ভার্সিটিতে জয়েন করেও চলে এলাম সিভিল সার্ভিসে। মেধা চর্চার ইতি হলো আমার।

নিয়াজ ভাই ছুটেই চললেন, ওয়েলস থেকে পিএইচডি করলেন, অক্সফোর্ড থেকে পোস্ট ডক করলেন, অসাধারণ সব রিসার্চ করে দেশ-বিদেশে খ্যাতিমান হলেন ঢাকা ভার্সিটিতে এসে দলবাজিমুক্ত রংবিহীন শিক্ষক থেকে সততার সাথে কাজ করে দেশসেরা অ্যাকাডেমিশিয়ানদের একজন হয়ে গেলেন। অ্যাকাডেমিয়ার বাইরে সামরিক-অসামরিক আমলাদেরও পড়াতে লাগলেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। সৎ, ধর্মপ্রাণ, ডাউন টু আর্থ, সুপন্ডিত এই মানুষটি বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেও ভালো করলেন, প্রাইভেট একটি ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে প্রশাসনিক দক্ষতারও পরিচয় দিলেন। তার আছে মিডাস টাচ-কোথাও হাত দিলেই সোনা ফলে।

আমি সিভিল সার্ভিসে এসে সচিব হওয়ার পরও তার আফসোস-চিরটিকাল তার স্নেহভাজন আমি বখাটে রয়ে গেলাম, পড়ালেখায় তেমন এগোলাম না। তার অধীনে পিএইচডি করার সুযোগ দিলেন-ব্যস্ততার জন্য তাও করা হলো না আমার। তাতে কি আমার জন্য তার স্নেহের ভাণ্ডার কমে? সম্ভব না কখনোই।

শিক্ষক, প্রশাসক, গবেষক, লেখক, সৎ, ধর্মপ্রাণ, রং ও দলবাজিহীন নিয়াজ ভাই প্রাচ্যের অক্সফোর্ডের ভিসি হিসেবে এ যাবৎকালের সেরা চয়েজ। চোখ বন্ধ করে গ্যারান্টি দিচ্ছি, তাকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেন।
‘চা-সিঙ্গারা’র ভার্সিটি বদলে যাবে, আমি মোর দ্যান শিওর।

তাকে কোনো অভিনন্দন না, সারাজীবনে তিনি যা যা করেছেন, এই নিয়োগ তার সামান্য প্রাপ্তি মাত্র। এ নিয়োগে তার চেয়ে বরং আমাদের দেশের লাভ হলো বেশি।

নিয়াজ ভাইর জন্য দোয়া আর ভালোবাসা। সারাজীবন আপনি আমাদের আইডল। আমাদের গর্বিত করেছেন। এই অভাগা দেশের ‘ফেসবুক পন্ডিতরা’-সহ সবাই যদি আপনাকে সত্যিই কাজ করতে দেয়, আপনি আমাদের আবার আরো অনেক গর্বিত করবেন ইনশাআল্লাহ।

আমি তখন আরো লেখাপড়া না করার দুঃখ সত্যিই ভুলে যাব। মূর্খ আমার তাতেই পিএইচডি হয়ে যাবে। আমাদের আইডল প্রিয় নিয়াজ ভাই, নক্ষত্রে হয়ে জ্বলতেই থাকুন বরাবরের মতো। ... Forwarded

Address

Sky Ways Travel . 43. Hatkhola Road Tikatuly. Wari. Dhaka
Dhaka
1203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Visa support For You. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share