Archaeological Sites In Bangladesh

Archaeological Sites In Bangladesh BANGLADESH er prtonto elakai onik RAJ BARI

BANGLADESH er prtonto elakai onik RAJ BARI

18/08/2023

হারিয়ে যাওয়া গৌরব আর ঐতিহ্য এর নগর 💙 পানাম নগর 💙

29/12/2022

ব্রিটিশদের তৈরি কাঞ্চন রেল ব্রিজে দাঁড়িয়ে পুনর্ভবা নদীর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা, দিনাজপুর 💙💙💙

15/12/2022

কান্তজীর মন্দির
কান্তজীর মন্দির (Kantajir Temple) বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। এই মন্দিরটি বিভিন্ন নামে পরিচিত, কেউ কেউ একে কান্তজীউ মন্দির (Kantajew Temple) বা কান্তনগর মন্দির নামে চিনেন আবার অনেকের কাছে কান্তজীর মন্দিরটি নবরত্ন মন্দির নামেও সুপরিচিত। ১৮ শতকে নির্মিত মন্দিরটি দিনাজপুর (Dinajpur) শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে দিনাজপুর-তেতঁলিয়া সড়কের প্রায় এক মাইল পশ্চিমে ঢেঁপা নদীর তীরে কান্তনগর গ্রামে অবস্থিত।

কান্তজীর মন্দিরের শিলালিপি থেকে পাওয়া তথ্য মতে, তৎকালীন মহারাজা জমিদার প্রাণনাথ রায় এই মন্দিরের নির্মাণ শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৭২২ সালে প্রাণনাথ রায়ের মৃত্যুর পর তাঁর পোষ্যপুত্র মহারাজা রামনাথ রায় ১৭৫২ সালে মন্দিরের নির্মাণ শেষ করেন। তখন কান্তজীর মন্দিরটি ৭০ ফুট উঁচু ছিলো কিন্তু ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে মন্দিরটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, বর্তমানে এর উচ্চতা ৫০ ফুট। বর্গাকার এই মন্দিরের বাইরের দেয়ালজুড়ে প্রায় ১৫,০০০ টেরাকোটা টালি বা পোড়ামাটির ফলকে লিপিবদ্ধ আছে মহাভারত, রামায়ণ এবং বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনী। তিন ধাপ বিশিষ্ট এই মন্দিরের চারদিক থেকে ভেতরের দেবমূর্তি দেখা যায়। ১ম তলার সকল প্রবেশপথে বহু খাঁজযুক্ত খিলান দেখতে পাওয়া যায়, আবার দুটো ইটের স্তম্ভ পর পর স্থাপন করে খিলানগুলোকে পৃথক করা হয়েছে। স্তম্ভগুলো দেখতে চমৎকার এবং অলংকরণযুক্ত। মন্দিরের ১ম তলায় ২১ টি, ২য় তলায় ২৭ টি এবং ৩য় তলায় ৩ টি দরজা-খিলান রয়েছে। কান্তজীর মন্দিরের পশ্চিম দিকে বারান্দা থেকে উপরে যাবার সিঁড়ি রয়েছে।

15/12/2022

রামসাগর জাতীয় উদ্যান 💙
দিনাজপুর শহরের কেন্দ্রথেকে ৮কিমি দক্ষিণে আউলিয়াপুর ইউনিয়নে অবস্থিত দিনাজপুরের মহারাজদের অন্যতম কীর্তি রামসাগরদিঘি। এর চারদিকে সবুজ প্রান্তর। ধূসর ছোট ছোট মাটির টিলারপাড় দ্বারা বেষ্টিত গ্রামীণ উদাস প্রকৃতির মধ্যে একখন্ড লাল গৈরিকও স্ফীতিময়খিয়ার মাটির উপর এক অপরূপ মনোমুগ্ধকর পরিবেশে এই সাগরোপমদিঘী অবস্থিত।পাড়ভূমি সহ দিঘির মোট আয়তন ৪,৩৭,৪৯২ বর্গমিটার। জলভাগের দৈর্ঘ্য ১০৩১ মিটার, প্রস্থ ৩৬৪মিটার। গভীরতা গড়ে প্রায় ৯ মিটার। সর্বোচ্চ পাড়ের উচ্চতা প্রায় ১৩.৫০মিটার। সেচ সুবিধা, প্রজাদের পানির কষ্টদূরীকরণ এবং দূর্ভিক্ষ পীড়িত প্রজাদের কাজের বিনিময়ে খাদ্যের সংস্থান হিসেবেই রাজা রামনাথের আমলে এ দিঘি খনন করা হয়।তার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়।দিঘিটি খনন করতে তৎকালীন প্রায় ৩০,০০০টাকা এবং ১৫লক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হয়েছিল। দিঘির পাড়ের উচ্চ টিলার উপর অবস্থিত মনোরম বাংলোটিদেশী-বিদেশী অসংখ্য কৌতূহলী পর্যটকের নিকট যেমন প্রতিনিয়ত স্বপ্নিল আকর্ষণ, তেমনটি প্রমোদবিহারীদের জন্য নিভৃত নিকেতনও বটে।

15/12/2022

নয়াবাদ মসজিদ
দিনাজপুর জেলা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে কাহারোল উপজেলার নয়াবাদ গ্রামে ১.১৫ বিঘা জমির উপর নয়াবাদ মসজিদ (Nayabad Mosque) নির্মাণ করা হয়েছে। নয়াবাদ মসজিদের দেয়ালে প্রাপ্ত ফলকের তথ্য মতে, ১৭৯৩ সালে সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের রাজত্ব কালে এই মসজিদটি তৈরী করা হয়। তৎকালীন সময়ে রাজা বৈদ্যনাথ ছিলেন দিনাজপুর রাজ পরিবারের সর্বশেষ বংশধর। স্থানীয়দের মতে, ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে কান্তনগর মন্দির তৈরীতে আগত মুসলমান স্থপতি ও শ্রমিকদের মাধ্যমে নয়াবাদ মসজিদটি নির্মিত হয়।

নয়াবাদ মসজিদের ছাদে ৩ গম্বুজ এবং চার কোণে অষ্টভুজাকৃতির ৪ টি মিনার রয়েছে। মসজিদের দেয়ালের পুরুত্ব ১.১০ মিটার। পশ্চিম দিকে ৩টি মিম্বারের বিপরীত পাশে মসজিদে প্রবেশের জন্য ৩টি দরজা স্থাপন করা হয়েছে

03/10/2022
হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মগ্রহণের ৫০ বছর পরেই বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হয়। বর্তমান বাংলাদেশেরমহানবী (সা.) বেঁচে ...
13/01/2019

হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মগ্রহণের ৫০ বছর পরেই বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হয়। বর্তমান বাংলাদেশের

মহানবী (সা.) বেঁচে থাকাকালীন বাংলাদেশে নির্মিত মসজিদ, জানেন কি সেই ইতিহাস?
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মগ্রহণের ৫০ বছর পরেই বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হয়। বর্তমান বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলায় আনুমানিক ৬২০ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম ইসলামের আবির্ভাব ঘটেছিল। যার প্রমাণ মিলেছে বিভিন্ন ইসলামিক গবেষণার মাধ্যমে। লাল মনিরহাট জেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের রামদাস গ্রামের “মজেদের আড়া” নামক জঙ্গলে ১৯৮৭ সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল প্রাচীন একটি মসজিদের ধ্বংসাবশেষ। জঙ্গলটি খনন করে একটি ইট পাওয়া যায়।

এতে কালেমা তায়্যিবা ও ৬৯ হিজরি লেখা রয়েছে। হিজরি ৬৯ অর্থ হলো ৬৯০ খ্রিস্টাব্দ। রংপুর জেলার ইতিহাস গ্রন্থ হতে জানা যায়, রাসূল (সা.) -এর মামা বিবি আমেনার চাচাতো ভাই আবু ওয়াক্কাস (রা.) ৬২০-৬২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার করেন (পৃ. ১২৬)। অনেকে অনুমান করেন যে, ৬৯০ খ্রিস্টাব্দের মসজিদটি আবু ওয়াক্কাস (রা.) নির্মাণ করেন। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ও প্রাচীন এই মসজিদটির উত্তর-দক্ষিণে ২১ ফুট এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১০ ফুট। মসজিদের ভিতরের পুরুত্ব সাড়ে ৪ ফুট। মসজিদে চার কোণে অষ্টকোণ বিশিষ্ট স্তম্ভ রয়েছে। মসজিদের ধ্বংসাবশেষ হতে পাওয়া যায় গম্বুজ ও মিনারের চূড়া (রংপুর জেলার ইতিহাস, পৃ. ১৬৪)।

মতিউর রহমান বসনীয়া রচিত রংপুরে দ্বিনী দাওয়াত গ্রন্থেও মসজিদের এ মসজিদের বিশদ বিবরণ রয়েছে। লাল মনিরহাট জেলার এ প্রাচীন মসজিদ ও এর শিলালিপি দেখে আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে, বখতিয়ার খলজীর বাংলা বিজয়ের (১২০৪ খ্রি.) ছয়শ’ বছর আগেই বাংলা অঞ্চলে সাহাবী (রা.) দ্বারা ইসলামের আবির্ভাব হয়েছিল।

সংস্কারের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে জমিদারবাড়িঃজানা যায়, প্রায় ১৭৫ বছর পূর্বে জমিদার গৌরী প্রসাদ রায় চৌধুরী ও কৃষ্ণ প্রসাদ রায়...
30/07/2018

সংস্কারের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে জমিদারবাড়িঃ

জানা যায়, প্রায় ১৭৫ বছর পূর্বে জমিদার গৌরী প্রসাদ রায় চৌধুরী ও কৃষ্ণ প্রসাদ রায় চৌধুরী বাড়িটি নিমার্ণ করেন। বৃটিশ আমলে নির্মিত বাড়িটির নিমার্ণ শৈলী বড়ই মনোরম। ১৩৪৩ বাংলার ১২ চৈত্র (দোল পূর্নিমা) তারিখে কৃষ্ণ প্রসাদ রায় চৌধুরীর মূত্যুর পর পর্যায়ক্রমে বাড়িটির উত্তরাধিকার হন হরিপদ রায় চৌধুরী ও শান্তি রায় চৌধুরী। তাদের কাছ থেকে বাড়ির মালিকানা ও জমিদারি আসে উপেন্দ্র রায় চৌধুরী ও হরেন্দ্র রায় চৌধুরী। কালক্রমে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্ত হওযার পর জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হলে তারা বাড়িটি ফেলে কলকাতায় চলে যান। জমিদাররা বাড়িটি ফেলে যাওয়ার সময় পুরোহিতদের রেখে যায়। এখনও জরাজীর্ণ জমিদার বাড়িতে পুরোহিতদের বংশধরেরা বসবাস করছে।

বাড়িটির দেয়ালের অধিকাংশ পলেস্তারা খসে পড়ছে,আর সেখানে জমেছে শেওলার আবরণ। দৃষ্টি নন্দন কারুকাজের খুব অল্পকিছু অংশই বিলীন হতে বাকি আছে। জনশ্রুতি আছে, মেঘনা তথা তিতাসের পূর্বপ্রান্তে এত বড় বাড়ি আর কোথাও নেই। প্রায় ৪৮০ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত তিনতলা জমিদার বাড়িটিতে প্রায় ৬০টি কক্ষ,রং মহল,দরবার হল,ধানের গোলা,গোয়ালঘর, রান্নার ঘর,নাচ ঘর, মল পুকুর,খেলার মাঠ,মন্দির ও সীমানা প্রাচীর রয়েছে। বিশাল আয়তনের বাড়িটির পুরো ভবনের কোথাও কোন রডের গাঁথুনি নেই। লাল ইট সুরকির গাঁথুনি দিয়ে তৈরি ভবনের দুপাশে দুটি সুউচ্চ গম্বুজ সগর্বে মাথা তুলে দাড়িঁয়ে ঘোষনা করছে, জমিদার বংশের ঐতিহ্যের কথা। দু’তলায় উঠার ৬ দিকে ৬টি সিড়িঁ ও তিন তলায় উঠার ২ দিকে ২টি সিঁড়ি রয়েছে। বাড়তি পশ্চিম-উত্তর কোণে ৬টি বেড রুম এবং মল পুকুরের পূর্বপাড়ে ৪টি ও পশ্চিম পাড়ে ৪টি বেড রুম রয়েছে। বাড়ির পশ্চিম দিকে তিতাস নদীর পাড়ে পাকা ঘাটলার উত্তর দিকে কৃষ্ণ প্রসাদ রায় চৌধুরী ও দক্ষিণ দিকে গৌরী প্রসাদ রায় চৌধুরীর সমাধি মঠ রয়েছে ।

অবস্থানঃ
নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর গ্রামে তিতাস নদীর পূর্বপ্রান্তে হরিপুর জমিদার বাড়ি কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তিতাস নদীর তীরে এ ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ি। এ বাড়িটিকে কেউ বলে রাজবাড়ি , বড়বাড়ি আবার কেউ বলে জমিদার বাড়ি।
নাসিরনগর থেকে মাধবপুর যাওয়ার পথে উপজেলার শেষ সীমান্তে হরিপুর গ্রামের রাস্তার পশ্চিম পাশে তিতাস নদীর পাড়ে চোখে পড়ার মত দুই গম্বুজের তিনতলা সুবিশাল বাড়িটি। বাড়িটির পূর্ব পাশে নাসিরনগর-মাধবপুর সড়ক। বাকি দিকে তিতাস নদীর ফাঁকা জায়গা। অনেক বড় বারান্দা ডিঙিয়ে মূল বাড়ি। নান্দনিক স্থাপত্য শৈলিতে নির্মিত বাড়িটি সরেজমিনে দেখা যায়,বাড়ির বাইরের অবয়বটি অবিকল রযে গেছে। কারুকাজ খচিত দেয়াল,স্তম্ভ ও কার্নিশ। সব কয়টি কক্ষেরই পুরানো সেই দরজা নেই। বর্তমানে বসবাসকারীরা সাধারণ মানের দরজা লাগিয়ে বসবাস করছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ টি পরিবার রয়েছে এখানে। ১০ থেকে ৭০ বছর ধরে তাদের বসবাস।
বাড়িটি দেখার জন্য এখনও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন বনভোজনে আসেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে তিতাসে যখন পানি থৈ থৈ করে তখন বাড়িটির সৌন্দর্য আরো বেড়ে যায়। বাড়িটিতে সংস্কারের ছোঁয়া লাগেনি কখনো। দিনকে দিন বাড়িটি সৌন্দর্য হারাতে বসেছে। এক সময়ে ঐতিহ্যবাহি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা হরিপুর জমিদার বাড়ির নদীর ঘাট থেকেই শুরু হত। এ বাড়িতে মধুমালতি, ঘেটু পুত্র কমলা এবং নাইওরীসহ অনেক ছবি চিত্রায়িত হয়েছে। (সোর্স গুগল)

ভেবে খারাপ লাগে যে এতো বছরের পুরাতন বাড়িটিতে এখনো কোন সংস্কার হয়নি। কি এমন হতো যদি সরকারের থেকে বাড়িটিকে একটু সংস্কার করতো এবং যারা এখানে বসবাস করে তাদের অন্য কোন স্থানে স্থানান্তর করা হতো। বাড়িটির ভিতরের অবস্থা অনেক খারাপ। ময়লা, আবর্জনা, গরুর গোবর ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আমি গিয়েছিলাম (০১-০৯-২০১৭) এবং আমি প্রায় ৩ ঘণ্টা বাড়িটির চারপাশ বার বার ঘুরে ঘুরে দেখেছি। সিঁড়ি বন্ধ থাকার কারণে রিস্ক নিয়ে ৩ তলায় উঠেছি। ৩ তলা থেকে চারপাশটা কতটা সুন্দর লাগে সেটা বলে বুঝাতে পারবো না আমি। আমি ছোট মানুষ এবং আমি চাই বাড়িটিকে সংস্কার করা হোক। :)

যেভাবে যাবেনঃ

উপায় একঃ
১. ঢাকা থেকে সিলেটের যেকোন বাসে করে মাধবপুর উপজেলায় নেমে যাবেন।
২. মাধবপুর নেমে কাউকে জিজ্ঞেস করবেন হরিপুর যাবার সিএনজি কোনদিকে। আপনাকে দেখিয়ে দিবে।
৩. সিএনজিতে উঠে বলবেন হরিপুর রাজবাড়ির সামনে নামবো।

উপায় দুইঃ
১. কমলাপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কয়েকটা বাস যায়। যেকোন একটাই উঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড নেমে যাবেন।
২. বিশ্বরোড থেকে মাধবপুরের বাস পাবেন। মাধুবপুর নেমে সিএনজি করে হরিপুর জমিদার বাড়ি।

উপায় তিনঃ
১. যদি ট্রেনে যেতে চান তাহলে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৬ টা ৪০ এ সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন যায়। নয়াপাড়ার টিকেট কাটবেন এবং নয়াপাড়া পোঁছে যাবেন ১০ টার ভিতর।
২. নয়াপাড়া থেকে সিএনজি নিয়ে যেতে পারেন হরিপুর জমিদার বাড়িতে রিজার্ভ করে। না হয় প্রথম মাধবপুর আসবেন তারপর হরিপুর।
৩. ঢাকা ব্যাক করার জন্য আবার নয়াপাড়া যেতে পারেন। ৬ টা ২০ এ ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন রয়েছে। সেটা দিয়েই চলে আসুন ঢাকায়।

আর যদি হাতে সময় থাকে তাহলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ঘুরে আসতে পারেন।

হরিপুর নিয়ে ভিডিও দেখতেঃ https://www.youtube.com/watch?v=aDs0SAe-sv4&t=16s

আরো ছবি দেখতেঃ https://www.facebook.com/maam.7a/media_set…

(ঘুরতে গিয়ে ময়লা যেখানে সেখানে ফেলে আসবেন না।)

ছবি ও লিখাঃ Mohaimin Al Mohid

নয়াবাদ মসজিদনয়াবাদ মসজিদ বাংলাদেশের দিনাজপুর শহর হতে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে কাহারোল উপজেলার নয়াবাদ গ্রামে অবস্থিত ।
24/10/2017

নয়াবাদ মসজিদ
নয়াবাদ মসজিদ বাংলাদেশের দিনাজপুর শহর হতে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে কাহারোল উপজেলার নয়াবাদ গ্রামে অবস্থিত ।

Ahsan ManzilAhsan Manzil is an attractive tourist spot in Dhaka. It is one of the most meaningful architectural heritage...
14/05/2015

Ahsan Manzil

Ahsan Manzil is an attractive tourist spot in Dhaka. It is one of the most meaningful architectural heritage of Bangladesh. It is situated in Old Dhaka on the bank of the river Buriganga. The area is called Kumartuli in Islampur. Here you you’ll enjoy the feeling of the lifestyle of the Nawabs of Dhaka. The pink palace was actually built by Nawab Sir Abdul Gani in 1872, and was reconstructed after the tornado of 1888. Now it has been established as a museum. People have the opportunity to visit the museum and here you will find some historical and archeological things.It has 23 galleries displaying portraits, furniture and other objects used by the Nawab.

হযরত শেখ মাহমুদ শাহ মসজিদ:————————————কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার প্রাচীন চারটি মসজিদ স্থাপত্য শিল্পশৈলীর অনন্য নিদর্শন হিসে...
25/04/2015

হযরত শেখ মাহমুদ শাহ মসজিদ:
————————————
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার প্রাচীন চারটি মসজিদ স্থাপত্য শিল্পশৈলীর অনন্য নিদর্শন হিসেবে বহুল খ্যাতি অর্জন করেছে। এর মধ্যে উপজেলার এগারসিন্দুর গ্রামের শেখ শাহ মাহমুদ মসজিদটি আজও সবার নজর কেড়ে নেয়। জানা যায়, এগারসিন্দুর গ্রামের বণিক শেখ শাহ মাহমুদ মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। ওই বণিকের নামেই মসজিদটির পরিচিতি।
১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আমলে মোগল আমলের শিল্পরীতি ও স্থানীয় শিল্পরীতির সমন্বয়ে নিপুণ কারিগর দ্বারা নির্মিত প্রাচীন এ মসজিদের খ্যাতির জুড়ি নেই। বর্গাকৃতি মসজিদের প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য ৩২ ফুট। এক গম্বুজবিশিষ্ট ভারি ওজনের মসজিদের চার কোনায় আট কোনাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। পোড়ামাটির চিত্রফলক মসজিদের ভেতর ও বাইরের সৌন্দর্যকে বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। এর পূর্বদিকের ঠিক মাঝে রয়েছে বাংলা প্যাট্যার্নে নির্মিত বালাখানা। পূর্বের দেয়ালে তিনটি দরজা রয়েছে।
এ মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মাহমুদের উত্তরসূরিরা বসবাস করছেন মসজিদের পাশেই। স্থানীয়রা জানায়, মসজিদের চার কোনায় চারটি মূল্যবান প্রস্তরফলক ছিল। বর্তমানে এগুলো নেই। কে বা কারা সরিয়ে নিয়েছে। উপজেলায় মোগল আমলের চারটি প্রাচীন মসজিদের দুুটিই অবস্থিত এ গ্রামে।

প্রথমে সোনাকান্দা ছিল ঈশা খাঁর কেল্লা। রাজা কেদার রায়ের মেয়ে স্বর্ণময়ী এসেছিলেন লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নান করতে। একদল ডাকাত ...
31/05/2014

প্রথমে সোনাকান্দা ছিল ঈশা খাঁর কেল্লা। রাজা কেদার রায়ের মেয়ে স্বর্ণময়ী এসেছিলেন লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নান করতে। একদল ডাকাত স্বর্ণময়ীর বজরায় হানা দেয়। প্রচুর স্বর্ণালংকারসহ স্বর্ণময়ীকে অপহরণ করে। পরে ঈশা খাঁ তাঁকে উদ্ধার করে কেদার রায়ের কাছে ফেরত পাঠাতে চান। কিন্তু মুসলমানের তাঁবুতে রাত কাটানোয় জাত গেছে_এ অভিযোগে কেদার রায় স্বর্ণময়ীকে আর ফেরত নেননি। এ খবর শুনে স্বর্ণময়ী কেল্লার তাঁবুতে দিনের পর দিন কেঁদে কেঁদে কাটিয়েছেন। আর তাই এর নাম হয় সোনার কান্দা বা সোনাকান্দা।নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরে অবস্থিত দুর্গটি প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর অধিদপ্তরের অধীনে বেশ কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। এর প্রতিরক্ষা দেয়াল এবং শক্তিশালী কামান স্থাপনার জন্য উত্তোলিত মঞ্চটি এখনো আগের মতো আছে। এ উঁচু মঞ্চে প্রবেশের জন্য পাঁচ খাঁজবিশিষ্ট খিলানযুক্ত প্রবেশপথ রয়েছে।

বাস থেকে নারায়ণগঞ্জ টার্মিনালে নেমে নৌকায় শীতলক্ষ্যা নদী পার হয়ে রিকশাচালককে বললেই নিয়ে যাবে সোনাকান্দা দুর্গে। রিকশা ভাড়া ১৫ টাকা।

Address

Dhaka
DHAKA-1230

Telephone

+8801686664268

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Archaeological Sites In Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Archaeological Sites In Bangladesh:

Share

Category