13/05/2026
ইন্ডিয়ার ট্রেনের একটি টিকিট বুকিং এর আত্মকথা 🇮🇳🚃🛤️
ভাইটি আমার ইউটিউব চ্যানেলের ইন্ডিয়ান রেলওয়ে টিকেট বুকিং সংক্রান্ত ভিডিও দেখে গতরাতে নক দিয়েছিলেন রাত ১২ পর পর।তিনি শিয়ালদা থেকে দিল্লি যাবেন রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেনে। রাতে ওই সময় ইন্ডিয়ার ট্রেনের সার্ভার মেনটেনেন্স এর জন্য ডাউন থাকায় বলেছিলাম সকালে টিকেটের দাম জানাবো। সকালে দাম জানানোর পরে দাম শুনে উনি এয়ার টিকেটের সাথে কম্পেয়ার করলেন। এরপরে তিনি আমাকে বললেন ট্রেনের টিকিট আছে কিনা এর স্ক্রিনশট দিতে, দিলাম। টিকিট আছে, এটা তিনি আশ্বস্ত হওয়ার পরে বললেন আগে পেমেন্ট না করে টিকিট নেওয়ার পরে কি পেমেন্ট করা যাবে? আমি বললাম হাফ পেমেন্ট করেন। যারা ৬ দিন বা এর বেশী দিন পরের টিকেট বুক করেন তাদেরকে অগ্রিম হাফ পেমেন্ট করার সুবিধা দেই, কারণ টিকিট গ্রহীতা যদি বাকি টাকা না দেন তাহলে টিকিট ক্যানসেল করে আমরা রিফান্ড নিতে পারি। এটা আমাদের হাতে। যদিও এ পর্যন্ত কেউ বাকি টাকা দেননি এমন ঘটনা ঘটেনি। এরপরে তিনি আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠালে টাকা সেই সময় আসে না। তার যেহেতু টিকিট লাগবে তিনি আবার আমাকে রকেটে টাকা পাঠান। সাথে সাথে টিকিট বুক করে দেয়ার পরে ৩০ মিনিট পরে বাকি টাকা বিকাশে পাঠান। এর মাঝে টিকিট গ্রহীতা ভাইটিকে আমি অনেক সাহায্য করি ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশন এবং কলকাতায় কিভাবে দ্রুত পৌঁছাবে এই ব্যাপারে বিভিন্ন ইনফরমেশন দিয়ে। এরপরে অনেকক্ষণ পর হঠাৎ আমার সিমে এসএমএস আসে যে ব্যাংক একাউন্টে ওই টাকাটা এসেছে। এরপরে আমি ওনাকে নক দিয়ে বিকাশ নাম্বার নিয়ে ওই টাকাটা রিটার্ন করে দেই।
এটাই হলো আমাদের সততা ও ব্যবসায়ের নীতি। আমাদের ক্লায়েন্টদের খুশি, আমাদের প্রতি বিশ্বাস, আমাদের প্রতি ভালোবাসা ও দোয়া আমাদের আগামীর ব্যবসায়ীক পথচলা ইনশাআল্লাহ।
বিস্তারিত প্রমাণাদি স্ক্রিনশটে দেওয়া হয়েছে।
*আমাদের থেকে ইন্ডিয়ার ট্রেনের টিকেট বুকিং করে নেন ইন্ডিয়ার অনেক এজেন্ট। ইন্ডিয়ার মানুষের জন্যও ফরেন কোটার টিকেট বুক করে নেন আমাদের থেকে।
বিশ্বস্ততার সহিত তিন বছর যাবত এই সেবা দিয়ে আসছি, এছাড়াও চায়না, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, দুবাই থেকে আমরা প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করি। আমাদের অফিস ঢাকা মিরপুর 2 এ এবং কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে।
©মেহেদী হাসান বাঁধন, এডমিন It School - প্রযুক্তির স্কুল