Servehajj

Servehajj Dedicated Agency for Performing Hajj & Umraah.

11/12/2025

গ্র্যান্ড মসজিদের আঙিনায় আল্লাহর প্রতিটি মেহমানদের আরাম ও শান্তির জন্য সেবা ও প্রচেষ্টা চব্বিশ ঘন্টা অব্যাহত থাকে।

এই সেবা সম্পর্কে আপনি কী জানেন?

In the courtyards of the Grand Mosque 🕋
Services and efforts flow around the clock for the comfort and peace of every Guest of Allah.

What do you know about these services?

10/12/2025

Serenity with no comparison Alhamdulillah...

06/12/2025
Today, after Fazr.
06/12/2025

Today, after Fazr.

💧 হযরত উসমান (রাঃ) ও রূমার কূপের দান: জান্নাতের সুসংবাদ |    হযরত উসমান (রাঃ) ও দানের মহিমা ।ইসলামের ইতিহাসে দানের গুরুত...
04/12/2025

💧 হযরত উসমান (রাঃ) ও রূমার কূপের দান: জান্নাতের সুসংবাদ |
হযরত উসমান (রাঃ) ও দানের মহিমা ।

ইসলামের ইতিহাসে দানের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম, বিশেষ করে যখন সেই দান হয় একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রাঃ) ছিলেন সেইসব সাহাবীদের মধ্যে অন্যতম, যিনি নিজের সম্পদ আল্লাহর পথে বিলিয়ে দিয়ে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তখন মদিনায় ছিল পানির তীব্র সংকট। সাধারণ মানুষ ছিল পানীয় জলের জন্য একটি মাত্র কূপের উপর নির্ভরশীল, যা ‘রূমার কূপ’ নামে পরিচিত ছিল। কূপটির মালিক ছিলেন একজন ইহুদি ব্যবসায়ী। পানির এই সংকটকালে তিনি কূপটির পানি উচ্চমূল্যে বিক্রি করতেন, যার ফলে মদিনার গরিব ও সাধারণ মানুষের খুব কষ্ট হচ্ছিল।

মহামানব মুহাম্মাদ (সাঃ) এই কষ্ট দেখে অত্যন্ত ব্যথিত হলেন এবং ঘোষণা করলেন: “যে ব্যক্তি এই রূমার কূপটি কিনে নেবে এবং মুসলিমদের জন্য উন্মুক্ত করে দেবে, তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত।”

এই সুসংবাদ শুনে হযরত উসমান (রাঃ) কালবিলম্ব না করে এগিয়ে এলেন। তিনি সেই ইহুদি ব্যবসায়ীর কাছে গেলেন এবং কূপটি কেনার প্রস্তাব দিলেন। প্রথমে ইহুদি ব্যবসায়ী পুরো কূপটি বিক্রি করতে রাজি হননি, কারণ এটি ছিল তার আয়ের একমাত্র উৎস।

তখন হযরত উসমান (রাঃ) এক অভিনব প্রস্তাব দিলেন। তিনি পুরো কূপটি না কিনে কূপটির অর্ধেক মালিকানা বিপুল অর্থের বিনিময়ে কিনে নিলেন।

এরপর হযরত উসমান (রাঃ) ঘোষণা করলেন: “আমার অংশের পানির জন্য সকল মুসলিম স্বাধীন। আজ থেকে এক দিন আমার এবং এক দিন ইহুদির।”

ফলে, যেদিন উসমান (রাঃ)-এর পালা থাকত, সেদিন মুসলিমরা সারাদিনের জন্য বিনা বাধায় যত খুশি পানি পান করতেন এবং পরের দিনের জন্য জমিয়ে রাখতেন। এতে ইহুদি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আর কাউকে পানি কিনতে হচ্ছিল না।

ব্যবসায়টি লোকসানের মুখে পড়লে, অবশেষে ইহুদি ব্যবসায়ী বাকি অর্ধেক কূপটিও হযরত উসমান (রাঃ)-এর কাছে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন।

হযরত উসমান (রাঃ) পুরো কূপটির মালিক হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই সেই কূপটি পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য উন্মুক্ত করে দিলেন। সবাই বিনা মূল্যে, বিনা বাধায়, যখন খুশি পানি পান করার সুযোগ পেলেন।

এই মহান ও নিঃস্বার্থ দানের প্রতি আল্লাহর রাসূল (সাঃ) অত্যন্ত সন্তুষ্ট হলেন এবং পূর্বে ঘোষিত সেই জান্নাতের সুসংবাদ নিশ্চিত করলেন।

এই ঘটনা প্রমাণ করে, হযরত উসমান (রাঃ)-এর দান শুধুমাত্র সম্পদ দেওয়া ছিল না; বরং এটি ছিল মানবিক সহমর্মিতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং আল্লাহর পথে ত্যাগের প্রতীক। আল্লাহর পথে দান সত্যিই কখনো বৃথা যায় না এবং এর ফল অসীম। আমাদের উচিত নিজ অর্থ বা সম্পদ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা।

কূপ ক্রয়: হযরত উসমান (রাঃ) ইহুদির কাছ থেকে ৩৫ হাজার দিরহাম মূল্যে কূপটি কিনে নেন এবং এটিকে মুসলমানদের জন্য ওয়াকফ করে দেন।

জান্নাতের সুসংবাদ:রুমা কূপ ক্রয়ের মাধ্যমে হযরত উসমান (রাঃ)-কে জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়।

বর্তমান অবস্থা: আজও এই কূপটি "উসমানের কূপ" নামে পরিচিত এবং এর পাশে গড়ে ওঠা খেজুর বাগানটি বর্তমানে সৌদি সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এই বাগান থেকে প্রাপ্ত আয়ের একটি অংশ এতিম ও গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা:
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ছোট বা বড়, মানুষের কল্যাণে করা প্রত্যেকটি দানই আল্লাহর নিকট অত্যন্ত মূল্যবান এবং এর বিনিময়ে জান্নাতের সুসংবাদ লাভ করা যায়। মানুষের উপকারে দান করুন,আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করুন।

04/12/2025

After Asr Salaah at Masjidul Haraam.

হজের সময় আমাদের বড় একটি রোগ হলো—নিজের সোশ্যাল স্ট্যাটাস, পদবী আর মর্যাদার প্রতি অতিরিক্ত সচেতনতা।আমরা ঘর থেকে বের হতেই...
03/12/2025

হজের সময় আমাদের বড় একটি রোগ হলো—
নিজের সোশ্যাল স্ট্যাটাস, পদবী আর মর্যাদার প্রতি অতিরিক্ত সচেতনতা।

আমরা ঘর থেকে বের হতেই
পদবি, পরিচয়, সমাজে অবস্থান—সবকিছু বুকের মধ্যে নিয়ে বের হই।
তার ফলেই অনেকে আশা করেন:

• তার ব্যাগ অন্য কেউ টেনে দেবে
• বাসে সামনে সিটটা সে-ই পাবে
• খাবারের টেবিলে সে অগ্রাধিকার পাবে
• ভালো রুম বা বেডটা তার প্রাপ্য
• সবাই তাকে বিশেষ মর্যাদায় দেখবে
• তার জিনিসপত্র দেখলে মানুষ প্রশংসা করবে
• সফরের সময় বাসে দেরি করে আসবে আর সবাই তার জন্য অপেক্ষা করবে — কারণ “তিনি গুরুত্বপূর্ণ মানুষ”

কিন্তু অনেকে চিন্তাই করেন না—
আল্লাহর ঘরের সামনে এগুলোর কোনো দাম নেই।

হজ একটাই সত্য শিখায়:

যদি আমরা দেশ থেকে বের হওয়ার আগেই
আমাদের স্ট্যাটাস, পদবি, অহংকার—সবকিছু পিছনে ফেলে দিতে পারি,
তাহলে হজের সময় আমাদের ৯০% দুশ্চিন্তাই শেষ হয়ে যাবে।

হজে কেউ ম্যানেজার নয়,
কেউ সিইও নয়,
কেউ ভিআইপি নয়।

সকলেই আল্লাহর মেহমান —
একই সাদা কাপড়ে মোড়ানো,
একই জমিনে দাঁড়ানো,
একই প্রভুর রহমত প্রার্থনা করা একেকজন বান্দা।

আরও গভীর সত্য হলো—

বাংলাদেশের গ্রাম্য চাচা মিয়া,
আফ্রিকা থেকে আসা পা-ফাটা ভাইগণ,
টার্কিশ বা ইউরোপিয়ান বড়লোক,
ইন্দোনেশিয়ার ছোটখাটো নাক-বোচা হাজী—

এদের প্রত্যেকেই আল্লাহর আমন্ত্রিত অতিথি।
আল্লাহ তাদেরকে বেছে নিয়েছেন,
তাদের যোগ্য গণ্য করেছেন,
তাদের নাম লিখেছেন তাঁর ঘরের মেহমান তালিকায়।

তাই হজের ময়দানে
“জানেন, আমি কে?”
এই অহংকারের কোনো স্থান নেই।

হজের পথে একটাই আহ্বান—

স্ট্যাটাসের লেজটা দেশে রেখে যান।
অহংকারের বোঝাটা নামিয়ে ফেলুন।

যখন আপনি স্ট্যাটাস ঝেড়ে ফেলেন—
আপনার মন হালকা হয়ে যায়,
আপনার সফর সহজ হয়ে যায়,
আর আপনার হজ আরও পবিত্র হয়ে যায়।

তাই, স্ট্যাটাসের লেজটা দেশে রেখে যান
কারণ আল্লাহর দরবারে—
সম্মান পায় শুধু বিনয়।

বই: এভাবেই হজ আমাকে শিক্ষা দিয়েছে

সূরা কাহাফে একসঙ্গে হযরত মূসা (আঃ)ও খিজির (আঃ)তিনটি রহস্যময় ঘটনা।পবিত্র কোরআনের ১৮ তম সূরা আল কাহাফ। কাহাফ মানে গুহা। এ...
03/12/2025

সূরা কাহাফে একসঙ্গে হযরত মূসা (আঃ)ও খিজির (আঃ)তিনটি রহস্যময় ঘটনা।

পবিত্র কোরআনের ১৮ তম সূরা আল কাহাফ। কাহাফ মানে গুহা। এ সূরার আয়াত সংখ্যা ১১০। মক্কায় অবতীর্ণ এই সুরায়, গুহাবাসীদের বিবরণ স্থান পেয়েছে। সরল পথের আলোচনা করে মোহাম্মদ (সাঃ)-কে সান্ত্বনা দেওয়া হয়েছে। হযরত মূসা (আঃ) খিজির (আঃ)–এর সঙ্গে সফর করার সময় তিনটি ঘটনা সংঘটিত হয়।

প্রথম ঘটনায় খিজির (আঃ) একটি নৌকা ছিদ্র করে ফেলেন, অথচ নৌকার মালিক বিনা ভাড়ায় তাঁকে নৌকায় উঠিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ঘটনায় তিনি একটি নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করেন। তৃতীয় ঘটনায় তিনি একটি দেয়াল উঠিয়ে দেন। ঘটনা তিনটি দেখে হযরত মূসা (আঃ) চুপ থাকতে পারলেন না। তখন খিজির (আঃ) ঘটনাগুলোর তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যা দেন। হযরত মূসা (আঃ) বুঝতে পারলেন আল্লাহ কীভাবে কাউকে কাউকে অন্তর্দৃষ্টি দেন,যাতে তাঁরা সুদূরপ্রসারী অর্থে এমন কাজ করতে পারেন যাকে আপাতদৃষ্টিতে বোধগম্য বলে মনে হয় না।

সব জ্ঞানের অধিকারী কেবলই আল্লাহ। তাই জ্ঞান নিয়ে অহংকার করা অনুচিত।

এ সুরায় দুটি কাহিনি এসেছে ৬০ থেকে ১০১ আয়াতে। সে দুটি হলো মুসা (আঃ)ও খিজির (আঃ) ঘটনা।একবার আল্লাহর নবী হযরত মূসা (আঃ) কে তাঁর সঙ্গী (ইউশা’ বিন নূন) বললেন, "দুই সমুদ্রের মিলনস্থল (মাজমা’ আল-বাহরাইন) না পৌঁছা পর্যন্ত আমি থামব না। প্রয়োজনে আমি বছরের পর বছর চলতে থাকব।" তিনি জানতেন, সেই স্থানেই তিনি আল্লাহর এক বিশেষ জ্ঞানসম্পন্ন বান্দার (খিজির আঃ) সাক্ষাৎ পাবেন।

দীর্ঘ পথ চলার পর যখন তাঁরা দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে পৌঁছালেন, তখন তাঁরা নিজেদের সঙ্গে আনা মাছের কথা ভুলে গেলেন। মাছটি অলৌকিকভাবে সুড়ঙ্গের মতো পথ তৈরি করে সমুদ্রে নেমে গেল। তাঁরা আরও কিছু দূর যাওয়ার পর মূসা (আঃ) ক্লান্ত হয়ে তাঁর সঙ্গীকে বললেন, “আমাদের খাবার আনো; আমাদের এই দীর্ঘ যাত্রায় আমরা তো কাহিল হয়ে পড়েছি।”

তখন তাঁর সঙ্গী বললেন, “আপনি কি লক্ষ্য করেছিলেন, আমরা যখন পাথরের ওপর বিশ্রাম করছিলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম? শয়তানই আমাকে সে কথা বলতে ভুলিয়ে দিয়েছিল। মাছটা আশ্চর্যরকমভাবে সমুদ্রে নিজের পথ করে নিল।”

মূসা (আঃ) বললেন, “আমরা তো এই জায়গারই খোঁজ করছিলাম!”

তাঁরা তখন নিজেদের পায়ের চিহ্ন ধরে ফিরে চললেন এবং এক বিশেষ বান্দার দেখা পেলেন—যিনি ছিলেন আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুগ্রহপ্রাপ্ত এবং যাঁর কাছে ছিল বিশেষ জ্ঞান। এই বান্দাটিই ছিলেন খিজির (আঃ)।

অঙ্গীকার ও শর্ত
মূসা (আঃ) তাঁকে বললেন, “সত্য পথের যে বিশেষ জ্ঞান আপনাকে দেওয়া হয়েছে, তা থেকে আমাকে শিক্ষা দেবেন—এই শর্তে কি আমি আপনাকে অনুসরণ করব?”

খিজির (আঃ) বললেন, “তুমি কিছুতেই আমার সঙ্গে ধৈর্য রাখতে পারবে না। যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই, সে বিষয়ে তুমি কেমন করে ধৈর্য ধরবে?”

মূসা (আঃ) দৃঢ়তার সঙ্গে বললেন, “আল্লাহ্ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীল দেখতে পাবেন, আর আপনার কোনো আদেশ আমি অমান্য করব না।”

খিজির (আঃ) শর্ত দিলেন, “আচ্ছা, তুমি যদি আমাকে অনুসরণ করই, তবে আমাকে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন কোরো না, যতক্ষণ না আমি সেই সম্বন্ধে তোমাকে কিছু বলি।”

“অতঃপর তারা উভয়ে চলতে লাগল। পরে যখন তারা নৌকায় আরোহণ করল তখন সে (খিজির আঃ) তা বিদীর্ণ করে দিল। সে (মূসা আঃ) বলল, আপনি কি আরোহীদের (সাগরে) নিমজ্জিত করার জন্য তা ছিদ্র করে দিলেন? আপনি তো এক গুরুতর অন্যায় কাজ করেছেন।”-(সূরা কাহাফ: ৭১)

তিনটি রহস্যময় ঘটনা
১. নৌকায় ছিদ্র: শর্ত মেনে তাঁরা চলতে শুরু করলেন। যখন তাঁরা একটি নৌকায় উঠলেন, তখন নৌকার মালিকরা কোনো ভাড়া না নিয়েই তাঁদের দয়া করে পার করে দিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ খিজির (আঃ) সেই নৌকাটিতে ছিদ্র করে দিলেন।

মূসা (আঃ) নিজেকে আর সামলাতে পারলেন না এবং বলে উঠলেন, “তুমি কি সওয়ারিদেরকে ডোবানোর জন্য ওর মধ্যে ফুটো করলে? এ তো এক গুরুতর অন্যায় কাজ করলে!”

খিজির (আঃ) মনে করিয়ে দিলেন, “আমি কি বলিনি যে তুমি আমার সঙ্গে কিছুতেই ধৈর্য রাখতে পারবে না?”

মূসা (আঃ) ক্ষমা চাইলেন, “আমার ভুলের জন্য আমার অপরাধ ধরবেন না, আর আমার ওপর আর বেশি কঠোর হবেন না।” (সুরা কাহাফ: ৭৯)

২. নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা: এরপর তাঁরা আবার চলতে লাগলেন। চলতে চলতে পথে এক ছেলের সাথে দেখা হলো, আর খিজির (আঃ) তাকে খুন করলেন।

মূসা (আঃ) এবার আরও বেশি বিচলিত হয়ে বললেন, “তুমি এক নিষ্পাপ লোককে খুন করলে, যে কাউকে খুন করেনি। তুমি তো এক গুরুতর অন্যায় কাজ করলে!”

খিজির (আঃ) এবারও একই কথা বললেন, “আমি কি বলিনি তুমি কিছুতেই আমার সঙ্গে ধৈর্য রাখতে পারবে না?”

মূসা (আঃ) তখন বললেন, “এর পর যদি আমি তোমাকে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করি, তবে তুমি আর আমাকে সাথে রাখবে না। আমার ওজর-আপত্তি শেষ হয়েছে।” (সুরা কাহাফ: ৮০-৮১)

৩. পারিশ্রমিক ছাড়া দেয়াল নির্মাণ: তাঁরা তৃতীয়বারের মতো পথ চললেন। যখন তাঁরা এক জনপদের বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছুলেন, তখন তাঁরা তাদের কাছে কিছু খাবার চাইলেন; কিন্তু সেখানকার লোকেরা তাঁদের আতিথেয়তা করতে রাজি হলো না। এরপর তাঁরা সেখানে একটি পড়ে যাওয়া দেয়াল দেখতে পেলেন, যা খিজির (আঃ) নিজ হাতে মেরামত করে শক্ত করে দিলেন।

মূসা (আঃ) শেষবারের মতো প্রশ্ন করে বসলেন, “তুমি ইচ্ছা করলে অবশ্যই এর জন্য পারিশ্রমিক নিতে পারতে।”

খিজির (আঃ) বললেন, “এখানেই তোমার ও আমার সম্পর্কচ্ছেদ হলো।” (সুরা কাহাফ: ৮২)

যে-বিষয়ে তুমি ধৈর্য রাখতে পারলে না। আমি তার অর্থ বলে দিচ্ছি।

ঘটনার তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যা
বিদায়ের আগে খিজির (আঃ) সেই তিনটি কাজের রহস্য উদঘাটন করলেন:

নৌকা ছিদ্র করার কারণ: "নৌকার ব্যাপার—সেটা ছিল কয়েকজন গরিব লোকের, ওরা সাগরে তাদের জীবিকা অন্বেষণ করত। আমি ইচ্ছা করে নৌকাটায় ত্রুটি ঢুকিয়ে দিলাম, কারণ ওদের সামনে ছিল এক রাজা, যে জোর করে সব ভালো নৌকা ছিনিয়ে নিত।" (নৌকাটি সামান্য ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় গরিব মালিকরা সেটিকে রাজার হাত থেকে বাঁচাতে পারলেন)।

শিশু হত্যার কারণ: "আর ছেলেটির বাবা-মা ছিল বিশ্বাসী। আমার আশঙ্কা হয়েছিল, তার অবাধ্যতা ও অবিশ্বাস তাদেরকে বিব্রত করবে। তারপর আমি চাইলাম যেন তার পরিবর্তে ওদের প্রতিপালক ওদেরকে এক সন্তান দেন, যে পবিত্রতায় হবে আরও বড় ও ভক্তি-ভালোবাসায় হবে আরও অন্তরঙ্গ।" (এই কাজটি ছিল বিশ্বাসী বাবা-মাকে ভবিষ্যতের কঠিন পরীক্ষা থেকে রক্ষা করার জন্য)।

দেয়াল নির্মাণের কারণ: "আর এই দেয়ালটি ছিল শহরের দুই এতিমের। তার নিচে ছিল ওদের গুপ্তধন। আর ওদের পিতা ছিল এক সৎকর্মপরায়ণ লোক। সেজন্য তোমার প্রতিপালক ইচ্ছা করলেন যে, ওরা যেন সাবালক হয় ও তারপর ওরা ওদের ধন উদ্ধার করে। আমি নিজ থেকে কিছু করিনি। তুমি যে-বিষয়ে ধৈর্য রাখতে পারনি, এটাই তার ব্যাখ্যা।”

এভাবে মূসা (আঃ) বুঝতে পারলেন, জ্ঞান কেবলই আল্লাহর হাতে। আল্লাহ কীভাবে কাউকে কাউকে এমন অন্তর্দৃষ্টি দেন, যাতে তাঁরা সুদূরপ্রসারী কল্যাণের জন্য এমন কাজ করতে পারেন, যা আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ যুক্তিতে বোধগম্য হয় না।

শিক্ষা: সব জ্ঞানের অধিকারী কেবলই আল্লাহ। তাই জ্ঞান নিয়ে অহংকার করা অনুচিত। আল্লাহর বিধানে যা আপাতদৃষ্টিতে মন্দ মনে হয়, তার পেছনেও সুদূরপ্রসারী কল্যাণ থাকতে পারে।

অমুসলিম এবং অন্যান্য বিশ্বাসীরা ইসলাম সম্পর্কে বই পড়ে শেখে না। তারা তাদের চারপাশে মুসলমানদের দেখে ইসলাম সম্পর্কে শেখে।জ...
07/10/2025

অমুসলিম এবং অন্যান্য বিশ্বাসীরা ইসলাম সম্পর্কে বই পড়ে শেখে না। তারা তাদের চারপাশে মুসলমানদের দেখে ইসলাম সম্পর্কে শেখে।

জীবনকে মূল্যবান ও সুন্দর করতে এবং ইসলামের আসল সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিতে, প্রত্যেক মুসলমানকে কুরআনের প্রথম ওহীর অনুসরণ করা উচিত:

(﴿اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ﴾)
পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।

আল্লাহ যেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রোগ্রামের উদ্যোগকারীদের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার দেন। আমিন।

Non Muslims and other believers do not learn about Islam by reading books. They learn about Islam by seeing Muslims around them.

So, to make the life worthy & Beautiful, to spread the real meaning of Islam, every Muslims should follow the first Revelation of Quran:

"Iqra bismi rabbikalladhi khalaq"
(﴿اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ﴾)

- Read, In The Name Of Allah Who Created You!

May Allah give the best rewards to the initiators of this program in North South University.

07/10/2025

২০২৫ হজ্জ এর সব্বার ভালবাসার একজন মানুষ হলো আমাদের বাবুল আক্তার ভাই।

খুব শান্ত, নরম মনের এই মানুষের মুখে তার জিয়ারাত এ বায়তুল্লাহর কথা...

Address

Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Servehajj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share