Servehajj

Servehajj Amana Business Solution
Hajj License Number #0591

Dedicated Agency for Performing Hajj & Umraah.

13/08/2026

আপনি কি জানেন?

একটা ছোট্ট উচ্চারণের ভুল পুরো শব্দের অর্থই বদলে দিতে পারে—সূরা আল-ফাতিহার একটি আয়াতে আমরা পড়ি, “أَنعَمْتَ عَلَيْهِمْ (An'amta 'alayhim)”; এখানে “An'amta” অর্থ—“তুমি অনুগ্রহ করলে।” এই শব্দটিতে আরবির ‘আয়িন’ (ع/'Ayn) অক্ষর আছে, যা গলার মাঝখান থেকে উচ্চারিত হয়। যদি ‘আয়িন’ সঠিকভাবে উচ্চারণ করা হয়, তাহলে অর্থ থাকে “তুমি অনুগ্রহ করিলেন।” কিন্তু যদি ‘আয়িন’ উচ্চারিত না হয় তাহলে শব্দটি হয়ে যায় “Anamta,” তখন তার অর্থ দাঁড়ায়—“তুমি কাউকে ঘুমাইয়ে দিলে।”

একটা অক্ষর বাদ গেলেই পুরো অর্থ পালটে যায়। এজন্য প্রতিটি হরফ, প্রতিটি মখরাজ (উচ্চারণকেন্দ্র) গুরুত্বপূর্ণ।

কুরআনটি যেমন নাজিল হয়েছিল তেমনি শিখুন—সঠিক উচ্চারণে, সঠিক তাজবীদসহ।

Did you know a small pronunciation mistake can completely change a word’s meaning?

In Surah al-Fatiha we say “An'amta 'alayhim”; the word “An'amta” means “You bestowed favor.” This word contains the Arabic letter ‘Ayn (ع), pronounced from the middle of the throat. When ‘Ayn is pronounced correctly, the meaning remains “You bestowed favor.”

But if the ‘Ayn is missed and the word becomes “Anamta,” its meaning shifts to “You caused someone to sleep.” A single missing letter changes the entire meaning. That’s why every letter and every Makhraz (point of articulation) matters.

Learn the Qur’an the way it was revealed—with correct pronunciation and tajweed.

03/08/2026

Can you tell which Mountain it is?

বলতে পারবেন কি এটা কোন পাহাড়?

Explored the area and video taken on Year-2024 just after Hajj!!

You can share if you want other brothers & sisters to notify about it..

মক্কার আল-রাজি মসজিদ শুধু একটি মসজিদ নয়, এটি ইসলামী স্থাপত্যের এক অনন্য বিস্ময় ✨🕌 প্রায় ৬১ হাজার বর্গমিটারজুড়ে বিস্ত...
31/07/2026

মক্কার আল-রাজি মসজিদ শুধু একটি মসজিদ নয়, এটি ইসলামী স্থাপত্যের এক অনন্য বিস্ময় ✨🕌 প্রায় ৬১ হাজার বর্গমিটারজুড়ে বিস্তৃত এই মহিমান্বিত মসজিদে একসাথে ৪৮ হাজার মুসল্লি ইবাদত করতে পারেন।

মক্কার আল-রাজি মসজিদ, যার আনুষ্ঠানিক নাম Aisha Al-Rajhi Mosque, সৌদি আরবের মক্কার নাসিম এলাকায় অবস্থিত একটি বড় ও আধুনিক মসজিদ। এটি শাইখ সোলাইমান আল-রাজি-এর ওয়াকফ/দান-প্রকল্প হিসেবে নির্মিত হয়, এবং ২২ শাবান ১৪৩৪ হিজরি তারিখে উদ্বোধন করা হয়; উদ্বোধনে মক্কা অঞ্চলের গভর্নর প্রিন্স খালেদ আল-ফাইসাল উপস্থিত ছিলেন।

মসজিদটি কীভাবে তৈরি হলো⚒️
এই মসজিদটি একক কোনো সরকারি প্রকল্প নয়; বরং আল-রাজি পরিবারের ধর্মীয় দান ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে নির্মিত হয়। সূত্র অনুযায়ী, এটি শাইখ সোলাইমান আল-রাজি তাঁর মায়ের নামে ওয়াকফ হিসেবে গড়ে তোলেন, তাই “আয়শা আল-রাজি মসজিদ” নামটিও ব্যবহৃত হয়।

📏আকার ও সক্ষমতা📝🧱
মসজিদটির মোট এলাকা প্রায় 60,846 বর্গমিটার, এবং বাইরের খোলা জায়গা প্রায় 10,899 বর্গমিটার। এটি 47,084 জন মুসল্লি ধারণ করতে পারে; এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ অংশে প্রায় 22,320, বাইরের আঙিনায় 18,164, এবং ছাদে 6,600 জন নামাজ আদায় করতে পারেন।

🗜️স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য
স্থাপত্যে এটি মামলুক শৈলীতে নির্মিত, যা সৌন্দর্য, সমতা, এবং ইসলামী নকশার জন্য পরিচিত। মসজিদে একটি প্রধান গম্বুজ আছে, যার উচ্চতা ভূমি থেকে 43 মিটার এবং ব্যাস 13.2 মিটার; এছাড়া চারটি মাঝারি গম্বুজ, দুটি ছোট গম্বুজ, এবং দুটি মিনার আছে, যেগুলোর উচ্চতা 68 মিটার।

📌আধুনিক সুবিধা
এটি শুধু নামাজের স্থান নয়, বরং আধুনিক সেবা-সমৃদ্ধ একটি ইসলামিক কেন্দ্র। এখানে পুরুষদের জন্য তিনতলা এবং নারীদের জন্য দুইতলা নামাজের ব্যবস্থা আছে, পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, অডিও সিস্টেম, পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, আলোকসজ্জা, পানি পরিশোধন, এবং বিভিন্ন ভাষায় সমকালীন অনুবাদ ব্যবস্থাও আছে।

২০২৬ সালের হজ্জের পর, ২৮ শে জিলহজে তোলা ৩৬০° ভিউ—মাসজিদুল হারামের ছাদ থেকে এশার নামাজের ঠিক পরের দৃশ্য। ছাদ থেকে তাওয়াফ...
22/07/2026

২০২৬ সালের হজ্জের পর, ২৮ শে জিলহজে তোলা ৩৬০° ভিউ—মাসজিদুল হারামের ছাদ থেকে এশার নামাজের ঠিক পরের দৃশ্য।

ছাদ থেকে তাওয়াফ করার এক অনন্য ব্যবস্থা দেখা যায়; ফজর ও এশার সালাতের পর এখানে এক ধরনের অপার্থিব সৌন্দর্য সৃষ্টি হয়। নির্মল ঠাণ্ডা বাতাস, পরিস্কার আকাশ, এবং ভিড় প্রায় নেই—এই শান্ত পরিবেশে মনোযোগ দিয়ে তাওয়াফ করা সত্যিই সহজ ও আবেগঘন। যারা চান, তারা এখানে তাওয়াফ করে গভীর মনোযোগ ও একান্ত অনুরাগের সাথে আল্লাহর কাছে একান্তে ইবাদাত করতে পারেন।

After the 2026 Hajj, on 28th Dhul-Hijjah — a 360° view taken from the roof of Masjid al-Haram, just after the Asr prayer.
From the roof one can see a unique arrangement for performing tawaf; after Fajr and Asr prayers a kind of otherworldly beauty is created here. The pure, cool breeze, the clear sky, and the nearly absent crowd — in this peaceful setting it is truly easy and moving to perform tawaf with full attention. Those who wish can perform tawaf here and worship Allah privately with deep focus and intimate devotion.

Kindly share it if you want other Muslim brothers and sisters to know about it.

এই ছবিটি  এক অদ্ভুত অনুভূতির সাক্ষী—মসজিদুল হারাম থেকে তোলা একটি বিরল 360 ডিগ্রি ভিউ, যেখানে কাবা ঘরের দরজার ঠিক সামনে থ...
21/07/2026

এই ছবিটি এক অদ্ভুত অনুভূতির সাক্ষী—মসজিদুল হারাম থেকে তোলা একটি বিরল 360 ডিগ্রি ভিউ, যেখানে কাবা ঘরের দরজার ঠিক সামনে থেকে দৃশ্যধারণ করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যাবে হাজ্জীরা তাওয়াফে ব্যস্ত; হাজরে আসওয়াদ থেকে মুলতাজাম পর্যন্ত, মাকামে ইব্রাহিমের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মাঝারি থেকে বৃহৎ জনসমাগম—সবকিছুকেই একটি অখণ্ড 360° ফ্রেমে ধারণ করা হয়েছে। ছবিটি তোলা হয়েছে ২০২৬ হজ্জের পরবর্তীতে; সাধারণ কাপড়ে তাওয়াফরত এই দৃশ্যটি হাজিদের স্বাভাবিক, তাৎপর্যপূর্ণ এবং অনুভবমুখর মুহূর্তকে প্রাঞ্জলভাবে উপস্থাপন করে।

এই ছবির উদ্দেশ্য:
যাঁরা মক্কায় মসজিদুল হারামে আসবেন—হজ্জ বা উমরায়—তারা তাওয়াফের ঠিক পরপর, কাবা ঘরের সামনে দাঁড়ালে বাস্তবে কী দেখবেন এবং কেমন অনুভূতি জন্মাবে, তার একটি স্পষ্ট ধারণা দেয়া। 360 ডিগ্রি ভিউ-এর মাধ্যমে আপনি কাবা ঘরের চারপাশের পরিবেশ, মাকামে ইব্রাহিমের নৈকট্য এবং তাওয়াফরত হাজারো মানুষের দৃশ্য একসাথে উপলব্ধি করতে পারবেন—যা অন্তত কিছুটা হলেও সেই আত্মিক লাগাম টেনে আনার অনুভূতি প্রকাশ করবে ইনশাআল্লাহ।

আমাদের SERVEHAJJ টিম আরও কিছু 360° ফটো শেয়ার করবে, যাতে প্রতিটি আল্লাহর ঘরের মুসাফির তাদের নিয়তির প্রস্তুতি ও হৃদয়ের ব্যাকরণ সুসংহত করতে পারেন।

আলহামদুলিল্লাহ—এই সফর ও স্মৃতি কেবল ভ্রমণ নয়, বরং আত্মার এক মশাল। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হজ্জ ও উমরা করার তৌফিক দান করুন এবং সেই উদ্যোগকে কবুল করুন। আমীন।

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ ، وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

“আল্লাহ ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। তিনি একলা; তাঁর কোনো অংশীদার নেই। সার্বভৌমত্ব এবং সমস্ত প্রশংসা শুধুমাত্র তাঁরই। তিনি সমস্ত কিছুর ওপর সর্বশক্তিমান।”

This image captures a rare, moving 360° view from Masjid al‑Haram, taken directly in front of the Kaʿbah’s door. The photo shows pilgrims engaged in tawāf—from the Black Stone to the Multazam—alongside the area by Maqām Ibrāhīm, with small to large crowds gathered; all of it is preserved in a single uninterrupted 360° frame. The image was taken after Hajj 2027; many pilgrims are performing tawāf in ordinary clothing, presenting a natural, meaningful, and deeply felt moment.

Purpose of this image:
For those who will visit Masjid al‑Haram—whether for Hajj or ʿUmrah—this gives a clear sense of what they will actually see and experience when they stand just in front of the Kaʿbah after completing tawāf. The 360° view lets you take in the surroundings of the Kaʿbah, the proximity to Maqām Ibrāhīm, and the sight of thousands performing tawāf together—helping, by Allah’s will (Insha’Allah), to convey some of the profound spiritual feeling that grips the heart there.

Our SERVEHAJJ team will share more 360° photos from this collection so that every traveler to the House of Allah may better prepare their intention and steady their hearts.

Alhamdulillah—this journey and these memories are more than travel; they are a light for the soul. May Allah grant us all the ability to perform Hajj and ʿUmrah and accept our efforts. Ameen

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ ، وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

There is no god worthy of worship but Allah. He is Alone and He has no partner whatsoever. To Him Alone belong all sovereignty and all praise. He is over all things All-Powerful.

Kindly share if you want other people to know about it.

15/07/2026

মদিনার আকাশে যখন সেই বিশাল ছাতাগুলো ধীরে ধীরে খুলে যায়, মনে হয় রহমতের এক নরম পর্দা নেমে এলো মসজিদে নববীর আঙিনায়। বাতাস, আলো আর নীরবতার মাঝে তখন শুধু একটিই অনুভূতি জেগে ওঠে: “এখানে শান্তি আছে, এখানে বরকত আছে।” يا رب، এই সৌন্দর্য বারবার দেখার তাওফিক দাও।

🕰️ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০০৮ সালের দিকে।

এরপর মূল ইনস্টলেশন সম্পন্ন হয় ২০১০ সালে।

পরে ২০১১ সালের ১৯ আগস্ট তৎকালীন বাদশাহ আবদুল্লাহ এক বোতাম চাপ দিয়ে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
প্রকল্পটির নকশা করে জার্মান ফার্ম SL-Rasch, আর ছাতার কাপড় ও শেডিং সিস্টেমে Sefar-এর মতো কোম্পানির প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

☂️ কতগুলো ছাতা
মোট ছাতার সংখ্যা সাধারণভাবে 250টি বলা হয়।

তবে অনেক সূত্রে ভেতরের অংশে আরও 12টি ছাতার কথা উল্লেখ আছে, তাই কিছু বর্ণনায় মোট সংখ্যা 262টি হিসেবেও দেখা যায়।
আঙিনার 250টি ছাতা মূল বাহিরের কোর্টগুলোতে বসানো, আর এগুলো দিনের বেলায় খুলে মুসল্লিদের ওপর বিশাল ছায়া তৈরি করে।

📏 কত বড় আর কত এলাকা ঢাকে
প্রতিটি ছাতা খুললে প্রায় 25.5m × 25.5m এলাকা ঢেকে দেয়।

খোলা অবস্থায় এর উচ্চতা প্রায় 20m, আর কিছু সূত্রে বন্ধ অবস্থায় উচ্চতা 21.7m বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে এই ছাতাগুলো প্রায় 143,000 বর্গমিটার এলাকা ছায়ায় ঢেকে দিতে পারে, এবং এতে তাপমাত্রা প্রায় 8°C বা তার বেশি কমে যায় বলে উল্লেখ আছে।

💰 খরচ কত
এই প্রকল্পের মোট খরচ বিভিন্ন উৎসে 4.7 বিলিয়ন সৌদি রিয়াল বলা হয়েছে।

⚙️ কাজ কীভাবে করে
ছাতাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে ও বন্ধ হয়।
এগুলোর গঠন এমনভাবে করা যে রোদ কমায়, আলো নরমভাবে ঢুকতে দেয়, আর বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও নিষ্কাশন করতেও সাহায্য করে।
কিছু প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এতে ফ্যান ও আলোও আছে, যাতে আঙিনাটা আরও আরামদায়ক ও রাতের বেলায় আলোকিত থাকে।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।

12/07/2026

মদিনার উহুদ পাহাড় — ইতিহাস ও সৌন্দর্যের এক অনন্য সাক্ষ্য। এখানে ৩ হিজরিতে উহুদের বিখ্যাত যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

উহুদ পাহাড়ে আরোহণের ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি মাশহুর সুন্নাহ-সংক্রান্ত বর্ণনা হিসেবে হাদিসে এসেছে। এক বর্ণনায় আছে, নবীজি উহুদ পাহাড়ে উঠেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন আবু বকর, উমর ও উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুম

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَزِيْدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا سَعِيْدُ بْنُ أَبِيْ عَرُوْبَةَ ح و قَالَ لِيْ خَلِيْفَةُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَوَاءٍ وَكَهْمَسُ بْنُ الْمِنْهَالِ قَالَا حَدَّثَنَا سَعِيْدٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ صَعِدَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى أُحُدٍ وَمَعَهُ أَبُوْ بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ فَرَجَفَ بِهِمْ فَضَرَبَهُ بِرِجْلِهِ قَالَ اثْبُتْ أُحُدُ فَمَا عَلَيْكَ إِلَّا نَبِيٌّ أَوْ صِدِّيقٌ أَوْ شَهِيْدَانِ

বর্ণনাকারী: আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)

একদা নবী (ﷺ) উহুদ পাহাড়ের উপর আরোহণ করলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আবু বকর, উমর ও উসমান (রাঃ)। তাদেরকে নিয়ে পাহাড়টি দুলে উঠল। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) পাহাড়কে পায়ে আঘাত করে বললেন, হে উহুদ, থামো। তোমার উপর নবী, সিদ্দীক ও শহীদ ছাড়া অন্য কেউ নেই।

হাদিস নং ৩৬৮৬
সহিহ বুখারী

সম্প্রতি সৌদি সরকার উহুদ পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বিশেষ রাইড চালু করেছে; জিএমসি গাড়ির মাধ্যমে টিকিট কেটে ৫০ রিয়াল খরচ করে উঠে যাওয়া যায় পাহাড়ের একদম চূড়ায়। উপরে বসার সুন্দর ব্যবস্থা, একটি রেস্টুরেন্ট ও খাবার কেনার সুযোগ আছে। চূড়ার কাছ থেকে পুরো মদিনা নগরীর মনোরম দৃশ্য দেখা যায় —

পাহাড়ের বিশালতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব কাছ থেকে অনুধাবন করা যায়।

আসরের সময় থেকে মাগরিব পর্যন্ত, কিংবা এশার নামাজের পরে যারা চান, তারা এখানে এসে নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। মদিনায় আসা হলে এটি খুবই উপভোগ্য একটি ভ্রমণস্থল — ইনশাআল্লাহ। নিচে গুগল লোকেশন দেওয়া আছে- মদিনার যে কোনো জায়গা থেকে সহজেই গাড়ি বা ট্যাক্সি করে এখানে চলে আসতে পারবেন।

গুগল লিংক লোকেশন, যেখান থেকে GMC Car Ride শুরু হয় : https://maps.app.goo.gl/Qwk46wPL4FsQ5Nqs9

গুগল লিংক লোকেশন, জাবালে ঊহুদ ভিউ পয়েন্ট: https://maps.app.goo.gl/erKDmi3QH3jqAt9CA

অন্যদের জানার জন্য আপনারা চাইলে উপরের পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন।

যে দুটি সূরাকে রাসূল (স) নিজেই জোড়া বেঁধে দিয়েছেনকুরআনের কিছু সূরা জোড়ায় জোড়ায় চলে। এ শুধু গবেষকদের আবিষ্কার নয়। ...
10/07/2026

যে দুটি সূরাকে রাসূল (স) নিজেই জোড়া বেঁধে দিয়েছেন

কুরআনের কিছু সূরা জোড়ায় জোড়ায় চলে। এ শুধু গবেষকদের আবিষ্কার নয়। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (স) কিছু সূরাকে জোড়া-নাম দিয়েছেন। সূরা ফালাক ও সূরা নাসকে তিনি ডেকেছেন "মু'আওয়্যাযাতাইন"—যে দুটি দিয়ে আশ্রয় চাওয়া হয়। আর কুরআনের দুই বিশাল সূরা—বাকারা ও আলে ইমরানকে তিনি নাম দিয়েছেন:

اَلزَّهْرَاوَيْنِ
"আয-যাহরাওয়াইন"—দুই উজ্জ্বল, দ্যুতিময় জিনিস।

এখন প্রশ্ন হলো, পাশাপাশি আছে বলেই কি এরা জোড়া? নাকি এই দুটি সূরা সত্যিই একে অপরের আয়না? চলুন, মিলিয়ে দেখি।

প্রথমেই দুটির শুরুতে যান। সূরা বাকারা শুরু হয়েছে "আলিফ লাম মীম" দিয়ে। সূরা আলে ইমরানও শুরু হয়েছে "আলিফ লাম মীম" দিয়ে। এরপর দুটি সূরাই প্রথম নিঃশ্বাসে কথা বলছে একই বিষয়ে—এই কিতাব নিয়ে।

ذَٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَ فِيهِ
"এই সেই কিতাব, যাতে কোনো সন্দেহ নেই" (২:২)

نَزَّلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ
"তিনি আপনার ওপর সত্যসহ কিতাব নাজিল করেছেন" (৩:৩)

এবার শ্রোতাদের দিকে তাকান। সূরা বাকারার শুরুর বিশাল অংশ জুড়ে কাদের সম্বোধন করা হয়েছে? "ইয়া বানী ইসরাইল"—ইহুদিদের। আর আলে ইমরানে? সেখানে এসেছে মারইয়াম (আ), ঈসা (আ)-এর ঘটনা, আর আহলে কিতাবদের সাথে সংলাপ—অর্থাৎ মূলত খ্রিষ্টানরা। এক জোড়া সূরা, আহলে কিতাবের দুই শাখার সাথে দুই কথোপকথন।

এবার আসুন সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী মিলটিতে। সূরা বাকারার শেষের দিকে আল্লাহ মুসলিমদের প্রস্তুত করছেন ইসলামের ইতিহাসের প্রথম বড় সংঘাতের জন্য— বদরের যুদ্ধ। খেয়াল করুন, বদর তখনো ঘটেনি। এগুলো যুদ্ধের আগের নির্দেশনা।

আর আলে ইমরানে? সেখানে আল্লাহ বলছেন—

قَدْ كَانَ لَكُمْ آيَةٌ فِي فِئَتَيْنِ الْتَقَتَا
"তোমাদের জন্য নিদর্শন ছিল সেই দুই দলে, যারা পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল" (৩:১৩)

অর্থাৎ যুদ্ধ ঘটে যাওয়ার পরের পর্যালোচনা। শুধু তা-ই নয়, আলে ইমরানের এক বিশাল অংশ উৎসর্গ করা হয়েছে উহুদ যুদ্ধ-পরবর্তী ভাষ্যে। সেই কঠিন দিনের ক্ষত, ভুলের বিশ্লেষণ, সান্ত্বনা।

তাহলে ছবিটা দাঁড়ালো—বাকারা কথা বলে যুদ্ধের আগে, আলে ইমরান কথা বলে যুদ্ধের পরে। একটি সূরা প্রস্তুত করে, আরেকটি ক্ষত সারায়।

এবার দুটি সূরার একেবারে শেষে যান। সূরা বাকারা শেষ হয়েছে কুরআনের সবচেয়ে সুন্দর দুআগুলোর একটি দিয়ে:

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا
"হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই বা ভুল করি, আমাদের পাকড়াও করবেন না" (২:২৮৬)

আর আলে ইমরানের শেষেও রয়েছে কুরআনের অন্যতম সুন্দর দুআ —

رَبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلْإِيمَانِ أَنْ آمِنُوا بِرَبِّكُمْ فَآمَنَّا
"হে আমাদের রব! আমরা এক আহ্বানকারীকে শুনেছি, যিনি ঈমানের দিকে ডাকছিলেন — 'তোমাদের রবের প্রতি ঈমান আনো' — আর আমরা ঈমান এনেছি" (৩:১৯৩)

দুই সূরাই যাত্রা শেষ করছে বান্দার কাতর প্রার্থনায়।

আর সবশেষে, একটা সূক্ষ্ম শব্দ-খেলা। বাকারা জোর দিয়েছে ইমান শব্দটির প্রতি, এতে বেশ কিছু সংখ্যক বার ইমান এবং হৃদয়ের কথা এসেছে। আর আলে ইমরান জুড়ে বারবার ধ্বনিত হয়েছে আরেকটি শব্দ—ইসলাম।

إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ
"নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একমাত্র দ্বীন হলো ইসলাম" (৩:১৯)

وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ
"যে ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো দ্বীন চাইবে, তার কাছ থেকে তা কখনো গ্রহণ করা হবে না" (৩:৮৫)

একটিতে ঈমান, ঈমান, ঈমান। আরেকটিতে ইসলাম, ইসলাম, ইসলাম। যেন এক মুদ্রার দুই পিঠ, দুই সূরায় ভাগ করা।

তাহলে মিলিয়ে নিন: একই "আলিফ লাম মীম" দিয়ে শুরু, দুটিই খোলে কিতাবের বর্ণনা দিয়ে, একটিতে ইহুদি আরেকটিতে খ্রিষ্টান, একটিতে যুদ্ধের আগের প্রস্তুতি আরেকটিতে যুদ্ধের পরের ভাষ্য, একটিতে ঈমানের সুর আরেকটিতে ইসলামের, আর দুটিই শেষ হয়েছে কুরআনের অপূর্ব দুই দুআয়। রাসূল (স) এমনি এমনি এদের নাম দেননি "দুই উজ্জ্বল আলো"—এরা সত্যিই জ্বলে একসাথে।

আল্লাহ আমাদের এই দুই দ্যুতিময় সূরার আলোয় নিজেদের জীবন সাজানোর তৌফিক দান করুন। আমীন।

—নোমান আলী খান

"Collected Post"

আলহামদুলিল্লাহ — তাইয়েবা এলাইন্সের  2nd Annual Summit সফলভাবে সম্পন্ন হলো।আমরা সামিটে ২০২৬ সালের হজের সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ ...
09/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ — তাইয়েবা এলাইন্সের 2nd Annual Summit সফলভাবে সম্পন্ন হলো।

আমরা সামিটে ২০২৬ সালের হজের সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ উপস্থাপনা ও পর্যালোচনা করেছি; ২০২৬ সালের হজ্জের পারফরম্যান্স, ত্রুটি চিহ্নিতকরন ও উন্নয়নের সুযোগগুলো বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। প্রতিটি অংশীদার — সংযুক্ত হজ্জ এজেন্সি, তাদের মালিক ও টিম, টেকনিক্যাল স্টাফসহ সমস্ত সংশ্লিষ্ট সদস্যদের সঙ্গে মিলিতভাবে আমরা পরবর্তী লক্ষ্য নির্ধারণ এবং ২০২৭ সালের হজ্জের জন্য পদক্ষেপসমূহ সূক্ষ্মভাবে পরিকল্পনা করেছি।

উদ্দেশ্য ছিল—হাজীদের প্রতি সততা, নিষ্ঠা ও শতভাগ কমিটমেন্ট বজায় রেখে সেবা প্রদানে মান আরো বাড়ানো।

SERVEHAJJ এর পক্ষ থেকে আমরা প্রতিনিয়তই সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, যাতে প্রত্যেক হজ্জযাত্রীর জন্য নিরাপদ, সুষ্ঠু ও সম্মানজনক হজ্জ ও ওমরা সেবা নিশ্চিত করা যায়।

দোয়া করুন আল্লাহ তাআলা আমাদের এই প্রয়াসগুলি কবুল করুক এবং ২০২৭ সালের হজ্জের জন্য যেনো আমরা সফলভাবে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারি।

এইবারের হজ্জ ২০২৬ সালের সফরে আমরা সম্মানিত হাজীদের নিয়ে মক্কা মুকাররামা এবং মদিনা মুনাওয়ারায় একাধিক ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও ত...
06/07/2026

এইবারের হজ্জ ২০২৬ সালের সফরে আমরা সম্মানিত হাজীদের নিয়ে মক্কা মুকাররামা এবং মদিনা মুনাওয়ারায় একাধিক ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ স্থানে জিয়ারত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

মক্কায় আমাদের সফরের অংশ হিসেবে মিনা, জাবেহ্ ইসমাইল, মুজদালিফা, মাশআরে হারাম, মসজিদে নামিরা, জাবালে রহমত, জাবালে হেরা এবং জাবালে সওর পরিদর্শন করা হয়। এছাড়া মক্কা মিউজিয়াম ভিজিটের মাধ্যমে কাবা শরীফ ও মসজিদুল হারাম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শনসমূহ দেখা হয়। এর মধ্যে হাজরে আসওয়াদের ফ্রেম, কাবা শরীফের পুরনো দরজা, কাবার খুঁটি, গিলাফের অংশ এবং মসজিদুল হারামে ব্যবহৃত বিভিন্ন নামাজের জায়নামাজ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ওয়াকিং জিয়ারার অংশ হিসেবে আমরা জান্নাতুল মুয়া'লা কবরস্থানও জিয়ারত করি, যা ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি স্থান।

মদিনায় অবস্থানের সময়ও আমরা হাজীদের নিয়ে একদিন ঐতিহাসিক স্থানসমূহ পরিদর্শন করি। এর মধ্যে মসজিদে ইজাবা, ইমাম বুখারী রহ. মসজিদ সংলগ্ন এলাকা, মসজিদে কুবা, মসজিদে কিবলাতাইন, মসজিদে জুমা, খন্দকের যুদ্ধক্ষেত্র এবং সিলা পর্বতের পাশে অবস্থিত সাত মসজিদসমূহ পরিদর্শন করা হয়। পরে উহুদের ময়দানে গিয়ে উহুদের যুদ্ধের ঐতিহাসিক বর্ণনা প্রদান করা হয় এবং হযরত হামজা (রা.)-এর কবরসহ উহুদের শহীদদের কবর জিয়ারত করা হয়।

এছাড়াও ওয়াদিয়া জিন নামক বিশেষ স্থানও ভিজিট করা হয়, যা ভ্রমণকারীদের জন্য একটি ভিন্নধর্মী ও আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে। সফরের এক পর্যায়ে হাজীগণ উটে আরোহণের সুযোগও পান, যা পুরো জিয়ারতকে আরও স্মরণীয় করে তোলে।

আমাদের লক্ষ্য ছিল শুধু স্থান পরিদর্শন নয়, বরং প্রতিটি জিয়ারতের মাধ্যমে হাজীদের জন্য একটি শিক্ষণীয়, সমৃদ্ধ ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। সেই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছরই আমরা নতুন নতুন গুরুত্বপূর্ণ স্থান আমাদের জিয়ারাহ কার্যক্রমে যুক্ত করার চেষ্টা করি।

আলহামদুলিল্লাহ, এই সফর ছিল ইতিহাস, ইবাদত এবং স্মৃতিময় অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ।

Address

Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Servehajj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share