17/10/2025
যারা মনে করেন এই ভিসায় এজেন্সির ভূমিকা কি,
আমেরিকায় EB2/EB3 ভিসা নিয়ে প্রসঙ্গে :
দুনিয়ার কোন রেস্টুরেন্ট এর মালিক বাংলাদেশের একজনের জন্য হুট করে ১৫০০০ ডলার আইনজীবীকে দিয়ে দেবে না কারণ এত বড় ঝুঁকি পাগলেও নেবে না। আবার আমেরিকার ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী লেবার সার্টিফিকেশনের প্রত্যেকটা পয়সা এম্প্লয়ার কে প্রদান করতে হয়, চাকরি প্রার্থীর পকেট থেকে একটা পয়সাও যাবে না। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে উপরের দুইটা বাক্য খুবই অচলাবস্থার সৃষ্টি করছে যেখান থেকে যৌক্তিক কোন সমাধান বের করা কঠিন। এই অচলাবস্থা কাটানোর জন্যই ইমিগ্রেশন আইনজীবীদের একটি গ্রুপ সমাধান বের করল যে তারা বিদেশ থেকে অবস্থা সম্পন্ন আবেদনকারীদের কাছ থেকে কনসালটেন্সি ফি গ্রহণ করবে কিন্তু এমপ্লয়ার এর কাছ থেকে অল্প কিছু টাকা গ্রহণ করবে। উদাহরণস্বরূপ, দক্ষ ক্যাটাগরির eb3 কিংবা EB2 এর জন্য এমপ্লয়ার কে যেখানে ১২ থেকে ১৫ হাজার ডলার আইনজীবী দিতে হতো সেখানে হয়তো মাত্র ৫০০ ডলার এই কাজ হয়ে যাচ্ছে। তবে বিজ্ঞাপন দেওয়ার খরচ এবং পিডাব্লিউডি করার খরচ চাকুরী দাতাকেই বহন করতে হবে। যেহেতু আবেদনকারীর খরচকৃত পয়সার একটাও নিয়োগ দাতার পকেটে যায় না তাই এখানে কোন আইনের লঙ্ঘন হয় না। বরং কিছু কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট ওয়েভারে স্বাক্ষর করতে হয় এবং আইনজীবী কর্তৃপক্ষ একইসঙ্গে ডুয়েল রোল প্লে করবেন বলে নিয়োগ চাকুরী প্রার্থীর সঙ্গে চুক্তি করে নেন। এই কারণে সচরাচর বিভিন্ন ইবি থ্রি এজেন্সি ১৫ ২০ হাজার ডলার খরচের বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে একজন গ্রীন কার্ড প্রত্যাশীর সম্পূর্ণ ম্যাচিং যে করিয়ে দেন তার কোন খানে আইনের লঙ্ঘন ঘটে না। আমেরিকার সমস্ত eb3 ইমিগ্রেশন এজেন্সির প্রতিষ্ঠাতা সাদা আমেরিকান আইনজীবী এবং বহু বছর ধরে নাম ডাকের সঙ্গে এই কাজ করে আসছেন। এটা একটা কমনসেন্স যে তারা আইন লংঘন করে কোন কাজ করতে যাবেন না।
আমি আইনের লোক নই কিন্তু ইমিগ্রেশন আইন নিয়ে আগ্রহ থেকেই অনেক লেখাপড়া করি এবং মানুষকে সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য বুঝিয়ে বলতে চেষ্টা করি। আমার কোন কথা আইনি পরামর্শ হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।