Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah

Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah হজ্জ, উমরাহ, ভিসা প্রসেসিং, এয়ার টিকেটিং ও ট্রাভেল রিলেটেড সকল কাজ করি সাথে সততার সাথে ব্যবসা করি।

10/06/2026

B2b গ্রুপ উমরাহ ভিসা, সিংগেল ভিসা এবং ৩ মাসের লং স্টে ভিসা সবচেয়ে কম রেটে পেতে যোগাযোগ করুন।
01913180703 (WhatsApp)

🛂 ফ্রি পাসপোর্ট সেবা 🕋উমরাহ ও হজ্জ যাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি পাসপোর্ট সেবা।হজ্জের নিয়ত আছে, কিন্তু এখনও পাসপোর্ট নেই?...
08/06/2026

🛂 ফ্রি পাসপোর্ট সেবা 🕋
উমরাহ ও হজ্জ যাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি পাসপোর্ট সেবা।
হজ্জের নিয়ত আছে, কিন্তু এখনও পাসপোর্ট নেই?

📅 ২০২৭ সালের হজ্জ নিবন্ধনের সম্ভাব্য শেষ সময়: ১৩ আগস্ট।
যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ্জ বা উমরাহ পালনের ইচ্ছা রাখেন, তাদের জন্য আমরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাসপোর্ট সংক্রান্ত সেবা ও সহযোগিতা প্রদান করে থাকি।
✈️✈️ভ্রমণে আপনার বিশ্বস্ত সহযোগী✈️✈️

🏢 আমাদের অফিসের ঠিকানাঃ
🔥 ট্রাস্ট ট্যুরিজম ইন্টারন্যাশনাল/আল ক্বাছওয়া ট্রাভেলস অল-হজ্জ অল-উমরাহ (হজ্জ লাইসেন্স নং ০৫৪৪)

🔰 মতিঝিল অফিস: ২৯, টয়েনবি সার্কুলার রোড , দৈনিক বাংলার মোড়, মতিঝিল, ঢাকা।

🔰 জুরাইন অফিস: জুরাইন রেল গেইট,
রাজউক জামে মসজিদ সংলগ্ন,(৩য় তলা) রুপালি ব্যাংকের সাথে, শ্যামপুর, ঢাকা।

📲হোয়াটসঅ্যাপ করুনঃ
wa.me/+8801841980703
wa.me/+8801913180703
wa.me/+8801911-743328
wa.me/+880 1613-947354

27/05/2026

🕋 আলহামদুলিল্লাহ ❤️
মুজদালিফার বরকতময় রাত শেষে এখন আমরা হাজীদের নিয়ে রওয়ানা হয়েছি পবিত্র জামারাতের উদ্দেশ্যে।
চারদিকে তালবিয়ার ধ্বনি—
“লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক...”
হাজীদের চোখে ক্লান্তি থাকলেও হৃদয়ে প্রশান্তি, কারণ তারা আজ পালন করতে যাচ্ছেন হজ্জের গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল—রমীয়ে জামারাত।
দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা সকল হাজীর হজ্জকে হজ্জে মাবরুর হিসেবে কবুল করুন এবং এই সফরকে সহজ করে দিন। 🤲
📍লাইভে যুক্ত থাকুন
আল কাছওয়া ট্রাভেলস এর হাজীদের সাথে পবিত্র হজ্জের এই অনুভূতিময় মুহূর্তে। 🕋

23/05/2026

🕋 আল কাছওয়া ট্রাভেলস-এর হাজীদের মিনার আবাসন (তাবু) পরিদর্শন করলাম।
আলহামদুলিল্লাহ্, হজ্বের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন। সৌদি সরকারের চমৎকার ব্যবস্থাপনা ও আমাদের টিমের নিরলস খেদমতের মাধ্যমে হাজীদের জন্য আরামদায়ক ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
এখন শুধু অপেক্ষা সেই মহিমান্বিত মুহূর্তের—
যখন পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে আসা লাখো মুমিন একসাথে উচ্চারণ করবে—
“লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক…” 🤍
আল্লাহ্ আমাদের সকল হাজীর সফর সহজ করুন, সুস্থতা দান করুন এবং হজ্বকে হজ্বে মাবরুর হিসেবে কবুল করুন। আমিন। 🤲

22/05/2026

🕋 হজের সফরে একজন হাজীর সবচেয়ে বড় স্বস্তি হলো এমন একটি পরিবেশ, যেখানে ইবাদতের সময়টুকু নিশ্চিন্তে কাটানো যায়।
A 𝐏𝐚𝐜𝐤𝐚𝐠𝐞-এর জন্য রাখা হয়েছে Al - Olayan Al - Haram Hotel Makkah যা মক্কার ইব্রাহিম আল খলিল রোডে অবস্থিত। এখান থেকে মসজিদুল হারামের দূরত্ব ২০০ মিটার।

🌙 একজন হাজীর জন্য সবচেয়ে বড় শান্তি হলো ইবাদতের পথে যেন অপ্রয়োজনীয় দুশ্চিন্তা না থাকে।

সেই ভাবনা থেকেই Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah চেষ্টা করে সহজ,
স্বস্তিদায়ক ও সুন্দর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে হাজীদের সফরকে আরও প্রশান্তিময় করে তুলতে।

আল্লাহ তাআলা সকল হাজীর হজ কবুল করুন এবং তাঁর ঘরের পথে প্রতিটি পদক্ষেপকে বরকতময় করে দিন। আমিন।

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন।

✨ স্বস্তি, নিরাপত্তা ও ইবাদতময় একটি হজ সফরের সাথী — Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah।

আলহামদুলিল্লাহ 🌿এবার পবিত্র হজ্জের খুতবা প্রদান করবেনমসজিদে নববীর সম্মানিত ইমাম ও খতিবহযরত শায়েখ ড. আলী বিন আব্দুর রহমান...
20/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ 🌿
এবার পবিত্র হজ্জের খুতবা প্রদান করবেন
মসজিদে নববীর সম্মানিত ইমাম ও খতিব
হযরত শায়েখ ড. আলী বিন আব্দুর রহমান আল-হুযাইফি حفظه الله
দীর্ঘ প্রায় ৪৯ বছর ধরে তিনি মসজিদে নববীতে ইমামতি করছেন।
তাঁর সুমধুর তিলাওয়াত, গভীর ইলম ও হৃদয়স্পর্শী বয়ান মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
আরাফার ময়দানে তাঁর কণ্ঠে হজ্জের খুতবা শোনা—
নিঃসন্দেহে এবারের হজ্জযাত্রীদের জন্য এক বিশেষ সৌভাগ্য। 🤍
আল্লাহ তাআলা হজ্জকে কবুল করুন,
আরাফার ময়দানকে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের ময়দান বানিয়ে দিন।
আমীন।

মদিনার আদব নিয়ে এই আলোচনাগুলো হৃদয় ছুয়ে গেছে গত রাতে পবিত্র নগরী মদিনায় মসজিদে নববীর অদূরে এক মোবারক মজলিসে বসার সুযোগ হ...
19/05/2026

মদিনার আদব নিয়ে এই আলোচনাগুলো হৃদয় ছুয়ে গেছে

গত রাতে পবিত্র নগরী মদিনায় মসজিদে নববীর অদূরে এক মোবারক মজলিসে বসার সুযোগ হয়েছিল। যেখানে প্রায় পয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চাশজন হাজ্বী সাহেব অংশ নিয়েছিলেন। সেই মজলিসে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন পরিচিত আলেম ব্যক্তিত্বও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঢাকার মাওলানা হামেদ জহুরি ও মাওলানা কেফায়াতুল্লাহ কাশফী। ছিলেন ফেনী জামিয়া রশিদিয়ার এক সিনিয়র ওস্তাদও।

রাতের ভোজন শেষে মাওলানা হামেদ জহুরি সাহেবকে হাজ্বী সাহেবরা আবদার করলেন কিছু নসীহা পেশ করার জন্য। তিনি সংক্ষিপ্ত খুৎবা শেষে পবিত্র মদিনায় বসবাসের আদব সম্পর্কে আলোচনা শুরু করলেন। কয়েক মিনিটের সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তিনি তিনটি ঘটনা বর্ণনা করলেন। উনার আবেগময় বর্ণনা ভঙ্গি আর ঘটনাগুলোর স্পর্শকাতরতা সবার হৃদয়কে ছুয়ে গেছে। কাউকে নিজের অনাকাঙ্ক্ষিত ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্য লজ্জিত হতে দেখেছি। আবার কাউকে অশ্রুসজল হতেও দেখেছি।

ঘটনাগুলো.....

১,
এক বড় বুজুর্গ মদিনা শরীফ জিয়ারতে এসেছেন। তিনি মদিনায় অবস্থানকালীন সময়ে এখানকার দই খান। দইটা উনার কাছে একটু টক মনে হয়। উনি কথাপ্রসঙ্গে কেউ একজনকে মদিনার দই টক লাগার বিষয়টি শেয়ার করেন। বলেন, 'মদিনার দই টক'। ব্যস এটুকুই। উনি রাতে ঘুমিয়ে পড়লেন। ঘুমের মধ্যে প্রিয় নবীজি ﷺ স্বপ্নযোগে উনার সামনে উপস্থিত হলেন। এবং তাঁকে বললেন, 'মদিনার দই বুঝি টক'? আগামীকাল সূর্যোদয়ের পূর্বেই তুমি মদিনা ত্যাগ করবে। উনি স্বপ্ন দেখার পর ফজর হওয়ার পূর্বেই প্রিয় নবীজি ﷺ আদেশ অনুযায়ী পবিত্র মদিনা ত্যাগ করেন।

২,
পবিত্র মসজিদে নববীতে একদিন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ তিনি অনুভব করলেন তাঁর গায়ে এক ছোট্ট পাথরের টুকরো এসে পড়েছে। তিনি তড়িঘড়ি করে ওঠে বসতেই দেখলেন হযরত ওমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু তাঁকে ইশারা দিয়ে বলছেন, দূরে ওই জায়গায় দুজন যুবক বসে কথা বলছে। তাদের পরিচয় বের করুন। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু সেই যুবক দুজনের কাছে গিয়ে পরিচয় এবং কোত্থেকে এসেছে জানতে চাইলেন। যুবক দুজন বললেন, 'তায়েফ থেকে '।

একথা শোনার পর হযরত ওমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু চিৎকার দিয়ে বললেন, আজ তোমরা দূরের মেহমান হওয়াতে বেঁচে গেছো। অন্যথায় পবিত্র মসজিদে নববীতে বসে উচ্চস্বরে কথা বলার অপরাধে তোমাদেরকে কঠিন শিক্ষা দিতাম। আল্লাহু আকবার! একেই বুঝি বলে নবীপ্রেম?!

৩,
তিন নাম্বারের ঘটনাটা যতটুকু মনে পড়ে এরকম। ঘটনাটা উনার সাথেই ঘটেছে।

দুই হাজার এগারো সালে সর্বপ্রথম মাওলানা হামেদ জহুরি সাহেব মক্কা মদিনা সফরে আসেন। তিনি মদিনা শরীফে বসে আছেন। দেখেন দুই মিশরীয় যুবক পবিত্র রওজা মোবারকের দিকে পা টেনে বসে আছে। তিনি দৃশ্যটি দেখে কষ্ট পান। কষ্ট থেকেই তিনি যুবকদ্বয়ের কাছে ছুটে যান। গিয়ে কথা বলা শুরু করলেন। পরিচয় পর্ব শেষে তিনি যুবকদের বললেন, 'ধরুণ আপনাদের সামনে জন্মদাত্রী মা বসে আছেন। তখন কি আপনারা মায়ের দিকে পা টেনে এভাবে বসতে পারবেন বা বসবেন'?

যুবকদ্বয় একথা শোনা মাত্র চিৎকার দিয়ে আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে পড়তে বলল, 'অসম্ভব। প্রশ্নই আসে না'। তখন মাওলানা সাহেব তাদের বললেন, 'যেখানে আপনারা জন্মদাত্রী মায়ের সামনে এভাবে বসাটা অসম্মান মনে করেন, সেখানে দুজাহানের সরদারের রওজার দিকে পা টেনে বসে আছেন কীভাবে? যুবকদ্বয় অপরাধ বুঝতে পেরে লজ্জিত হয়ে তাওবা করতে লাগলেন, আর বললেন, আর কখনো এমনটা হবে না।

(উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ পবিত্র কা'বা বা রওজা মোবারকের দিকে পা টেনে বসাটা দোষের কিছু মনে করে না। যদিও এটা আদবের খেলাফ।)

ওয়াল্লি মাওলানা হামেদ জহুরি সাহেবের এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা শোনার পর আমার শরীরের লোম দাঁড়িয়ে গেছে। পুরো মজলিস নীরবতার চাদরে আবৃত হয়ে গেছে। পিনপতন নীরবতা নেমে এসেছিলো গোটা মজলিসজুড়ে। অতীতে নিজের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল-ত্রুটির জন্য লজ্জায় আপাদমস্তক নত হয়ে গেছে। কর্মসূত্রে এই শহরে বসবাসের সুবাধে অজান্তে কত বেয়াদবিই না করে ফেলেছি পবিত্র রওজা মোবারক ও এই পবিত্র এই নগরীর সাথে!
আল্লাহ আমাকে মাফ করুন।

মাওলানা হামেদ জহুরি সাহেবের এই গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ঘটনার বর্ণনা থেকে পবিত্র মদিনায় বসবাসকারী ও জিয়ারতকারীদের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নসীহা রয়েছে।

১,
পবিত্র মদিনার যেকোনো বিষয় নিয়ে সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকা। হোক তা খাবারদাবার, হোটেল ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি...

২,
মসজিদে নববীতে উচ্চবাচ্য বা অহেতুক কথাবার্তা বলা থেকে বিরত থাকা। চোখের হেফাজত করা ইত্যাদি..

৩,
আরবীয়দের দেখাদেখি আদবের খেলাফ সর্বপ্রকার কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা।

আল্লাহ পবিত্র মদিনায় বসবাসকারী ও জিয়ারতকারী সবাইকে এই নসীহাগুলো মেনে চলার তাওফিক দান করুন।

রুকনে ইয়ামানী হলো পবিত্র কাবা শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ, যা হাজরে আসওয়াদের (কালো পাথর) আগের কোণ। তাওয়াফের প্রতিটি চক্ক...
12/05/2026

রুকনে ইয়ামানী হলো পবিত্র কাবা শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ, যা হাজরে আসওয়াদের (কালো পাথর) আগের কোণ। তাওয়াফের প্রতিটি চক্করে এই কোণটি স্পর্শ করা বা হাত দিয়ে ইশারা করা নবী করীম (সা.)-এর সুন্নাত এবং বরকতময় স্থান হিসেবে পরিচিত।
তবে হাজরে আসওয়াদের মতো একে চুম্বন করা বা চুমু খাওয়া সুন্নাত নয়, শুধু স্পর্শ করাই যথেষ্ট।
হাজরে আসওয়াদ ও রোকনে ইয়ামেনি এই দুটিই অনেক গুরুত্বপূর্ণ বরকতময় স্থান যাতে ইসতেলাম তথা স্পর্শ করা প্রিয়নবির সুন্নাত। তাই তাওয়াফকারীরা এ দুটিই স্পর্শ করে আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাত কামনা করেন।
এ দুই রোকনের মধ্যবর্তী স্থানের জন্য প্রিয়নবি একটি দোয়া নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। এ স্থানে প্রিয়নবি (সা:) বলতেন-
‘রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতও ওয়াক্বিনা আজাবান নার’

হাদিস অনুযায়ী, রুকনে ইয়ামানীর ওপর ৭০ জন ফেরেশতা নিযুক্ত আছেন, যারা এই স্থান স্পর্শকারী ব্যক্তির জন্য দোআ করেন।
হাজরে আসওয়াদের মতো রুকনে ইয়ামেনি স্পর্শ করাও মানুষের গুনাহ মাফের কারণ হয়।
কেয়ামতের দিন এ রোকনদ্বয় তার স্পর্শকারী ও চুম্বনকারীর জন্য গোনাহ মাফ ও নাজাতের সুপারিশ করবে।
এক অজানা কারণে এই কোণের ফাটল বা বিচ্ছিন্নতা রোধে শত চেষ্টা করেও শাসকরা ব্যর্থ হয়েছেন, যা একে একটি "জীবন্ত অলৌকিক ঘটনা" হিসেবে পরিচিত করেছে।
বছরের পর বছর ধরে অনেক শাসক রুকনে ইয়ামেনির ফাটলটি আড়াল করার জন্য ঢেকে রাখার বা সিল করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তারা সবসময় ব্যর্থ হয়েছেন।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সমস্ত হজ ও ওমরাহ পালনকারীকে হাজরে আসওয়াদ ও রোকনে ইয়ামেনিতে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে স্পর্শ ও চুম্বন করার তাওফিক দান করে সকলের গুনাহ মাফ করে দিন। আমিন।

আলহামদুলিল্লাহ, আজকের দিনটি ছিল ইতিহাস, ভালোবাসা ও আত্মিক অনুভূতির এক অপূর্ব সমন্বয়।আজকে আমাদের হজ্জ যাত্রীদের নিয়ে মসজি...
10/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আজকের দিনটি ছিল ইতিহাস, ভালোবাসা ও আত্মিক অনুভূতির এক অপূর্ব সমন্বয়।আজকে আমাদের হজ্জ যাত্রীদের নিয়ে মসজিদুল হারামের আশেপাশে হেঁটে হেঁটে আমরা করেছি হৃদয়স্পর্শী কিছু জিয়ারাহ—যেখানে প্রতিটি স্থান যেন ইসলামের গৌরবময় অতীতের জীবন্ত সাক্ষী। ✨

আজকের জিয়ারাহসমূহ👇👇

📍 জান্নাতুল মুয়াল্লা (খাদিজা রা: এর কবরস্থান)
এটি মক্কার অন্যতম প্রাচীন কবরস্থান, যেখানে প্রিয় নবী ﷺ-এর প্রাণপ্রিয় স্ত্রী উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা (রা:) শায়িত আছেন। এখানে দাঁড়িয়ে হাজীদের চোখে ছিল ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর দোয়ার অশ্রু।

📍 জাবালে আবু কুবাইস
ঐতিহাসিক এই পাহাড়ের সাথে জড়িয়ে আছে বহু ঘটনা। বর্ণিত আছে, নূহ (আ:) এর প্লাবনের সময় হাজরে আসওয়াদ এই পাহাড়ে সংরক্ষিত ছিল। পরে ইব্রাহিম (আ:) কাবা নির্মাণের সময় এখান থেকে পাথরটি এনে বর্তমান স্থানে স্থাপন করেন।

📍 আল নবী গেট
এই গেট দিয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ কাবা শরীফে প্রবেশ করতেন। সেই স্মৃতি মনে করে হাজীরা গভীর আবেগে আপ্লুত হয়—যেন সেই পবিত্র পদচারণার ছোঁয়া আজও অনুভূত হয়।

📍 মাওলুদুন্নবী (রাসূল ﷺ এর জন্মস্থান)
এখানেই জন্মগ্রহণ করেন মানবজাতির শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ। স্থানটি আমাদের হৃদয়ে নবীর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাকে আরও গভীর করে তোলে। ❤️

📍 দারুল আরকাম
ইসলামের সূচনালগ্নে এটি ছিল গোপন দাওয়াত ও শিক্ষা কেন্দ্র। সাহাবায়ে কেরাম (রা:) এখানে একত্রিত হয়ে ঈমানের আলো গ্রহণ করতেন। কঠিন পরিস্থিতিতে এই ঘরটি ছিল ইসলামের প্রথম পাঠশালা—যেখান থেকে দ্বীনের আলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো বিশ্বে।

📍 দারুন নাদওয়া
কুরাইশদের পরামর্শ কেন্দ্র ছিল এটি। এখানেই তারা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিত, এমনকি নবী ﷺ-এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রও এখানে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই স্থান আমাদের শেখায়—সত্যের পথ সবসময় পরীক্ষায় পূর্ণ, কিন্তু শেষ বিজয় সত্যেরই হয়।

📍 শি'আবে আবী তালিব
এখানেই নবী ﷺ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন তিন বছর অবরুদ্ধ অবস্থায় কঠিন কষ্ট সহ্য করেছিলেন। ক্ষুধা, দুঃখ-কষ্টের মাঝেও তাদের ঈমান ছিল অটুট। এই স্থান ধৈর্য, ত্যাগ ও আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

📍 মসজিদে রায়াহ
মক্কা বিজয়ের সময় রাসূল ﷺ এখানে তাঁর পতাকা (রায়াহ) স্থাপন করেছিলেন। এটি বিজয়ের স্মৃতিবাহী একটি স্থান, যেখানে সত্যের জয় এবং ইসলামের বিজয়ের ইতিহাস জড়িয়ে আছে।

📍 মসজিদে শাজারাহ
এ স্থানটির সাথে গাছ (শাজারাহ) সম্পর্কিত একটি ঘটনা জড়িত। বর্ণিত আছে, রাসূল ﷺ-এর মু'জিযার নিদর্শন হিসেবে একটি গাছ তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে এগিয়ে এসেছিল। এই ঘটনা আল্লাহর কুদরতের এক অপূর্ব নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

📍 মসজিদে জিন
এখানেই একদল জিন এসে রাসূল ﷺ-এর কাছে কুরআন তিলাওয়াত শুনে ঈমান গ্রহণ করেছিল বলে বর্ণিত। এই মসজিদ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ইসলামের দাওয়াত শুধু মানুষের জন্য নয়, বরং সমগ্র সৃষ্টির জন্য।

📍 মসজিদে ফাতাহ
মক্কা বিজয়ের প্রাক্কালে রাসূল ﷺ এখানে দোয়া করেছিলেন এবং আল্লাহর সাহায্য কামনা করেছিলেন। পরবর্তীতে ইসলামের বিজয় আসে—তাই এই মসজিদ বিজয়, তাওয়াক্কুল ও দোয়ার শক্তির এক উজ্জ্বল প্রতীক।

📍মাকবারায়ে শাবিকা

জাহেলি যুগে আরবদের কিছু গোত্রের মধ্যে কন্যাশিশুকে জীবিত কবর দেওয়ার ভয়াবহ প্রথা ছিল—এটি কুরআনেও উল্লেখ এসেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَإِذَا الْمَوْءُودَةُ سُئِلَتْ ۝ بِأَيِّ ذَنبٍ قُتِلَتْ
“যখন জীবন্ত কবর দেওয়া কন্যাশিশুকে জিজ্ঞাসা করা হবে— কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল?”
— সূরা তাকভীর: ৮–৯

✨ দিনশেষে অনুভূতি
আজকের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল ইতিহাসের পথে হাঁটা, প্রতিটি স্থান ছিল ঈমানকে নবায়ন করার এক একটি মাধ্যম। হাজীদের হৃদয় ভরে গেছে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আত্মিক প্রশান্তিতে।

🤲 আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই সফর কবুল করুন, এবং এসব স্থান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের জীবনকে আমলময় করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

২০২৭ সালের হজ্জের রেজিষ্ট্রেশন চলছে

আল কাছওয়া ট্রাভেলস অল হজ্জ অল উমরাহ
(হজ্জ লাইসেন্স নং ৫৪৪)

🔰মতিঝিল অফিস: ২৯, টয়েনবি সার্কুলার রোড , দৈনিক বাংলার মোড়, মতিঝিল, ঢাকা।

🔰 জুরাইন অফিস: জুরাইন রেল গেইট,(রুপালি ব্যাংকের সাথে ৩য় তলা) শ্যামপুর, ঢাকা।

📲হোয়াটসঅ্যাপ করুনঃ
+8801841980703
+8801913180703
+8801911-743328
+8801613-947354

Address

15/A DIT PLOT, JURAIN BAZAR
Dhaka
1204

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Telephone

+8801913180703

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al Qaswa Travels Wal Hajj Wal Umrah:

Share