INGO Overseas

INGO Overseas Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from INGO Overseas, Travel Service, Dhaka.

11/01/2025

🇺🇸আমেরিকার ৫ বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা।

🔷 সর্বপ্রথম বলে নেই আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা আসলে কাদের জন্য? আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা কারা রাখে? এই বিষয়টি আমাদের পরিষ্কার হওয়া বেশ জরুরী। আমেরিকার মতো একটি দেশে যাওয়ার জন্য আপনার অবশ্যই পার্শ্ববর্তী এবং ভালো কিছু দেশ ট্রাভেল থাকাটা জরুরী। কোনো দেশ ট্রাভেল না করেই আপনি আমেরিকায় ঘুরতে চলে যাবেন এটির কোনো যৌক্তিকতা হতে পারে না৷ এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে কি সাদা পাসপোর্ট অথবা শুধু ইন্ডিয়া ভিজিটে আমেরিকার ভিসা হয় না? আপনি অনেক গুলো দেশ ট্রাভেল করলেই আমেরিকার ভিসা পেয়ে যাবেন ব্যাপারটা এমন নয়, আপনাকে সঠিক পলিসিটা জানতে হবে। ক্ষেত্র বিশেষে সাদা পাসপোর্টেও আমেরিকার ভিসা হয়ে থাকে। আপনার যদি নিজ পরিবারের কেও অর্থাৎ বাবা-মা, ভাই-বোন, ছেলে মেয়ে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কেও আমেরিকাতে থাকে তাহলে আপনি সাদা পাসপোর্টেও আমেরিকার ভিসা পাবেন। এছাড়াও যাদের বয়স একটু বেশি এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো তারা যদি আত্মবিশ্বাস এর সাথে ইন্টারভিউ দিতে পারে তাহলে সেসকল ব্যাক্তিরাও সাদা পাসপোর্টে আমেরিকার ভিসা পেতে পারে।

🔷 টুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে ইনভাইটেশন এর কোনো প্রয়োজন আছে কি? আমাদের উত্তর হলো না। টুরিস্ট ভিসার জন্যে ইনভাইটেশন প্রয়োজন নেই। কেও যদি আমেরিকাতে কোনো কনফারেন্স বা সেমিনার অথবা কোনো মেলায় যোগদান করতে চান সেক্ষেত্রে ইনভাইটেশন এর প্রয়োজন আছে। এছাড়া শুধুমাত্র ঘুরতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইনভাইটেশন এর কোনো প্রয়োজন নেই।

🔷 এবার আসি ডকুমেন্টস এর বিষয়ে। আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা সম্পুর্ণ ইন্টারভিউ নির্ভর একটি ভিসা৷ আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার জন্য ডকুমেন্টস নিয়ে চিম্তা করার কোনোই প্রয়োজন নেই। তবে হ্যাঁ, ডকুমেন্টস খুবই গুরুত্বপূর্ণ যদি কিনা আপনি আমেরিকার মেডিকাল/স্টুডেন্ট/বিজনেস ভিসার জন্য এপ্লাই করে থাকেন। এসকল ভিসার ক্ষের্তে এম্বাসি আপনার কাছে নানা প্রকার ডকুমেন্টস দেখতে চেতে পারে তবে টুরিস্ট ভিসার জন্য কোনো প্রকার ডকুমেন্ট এম্বাসি সচরাচর দেখতে চায় না।

🔷 আবার অনেকেই মনে করেন আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাক্ট এ করা যায়। ব্যাপারটা একদমই ভুল। আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাকে হয় না, ভুলেও এই কন্ট্রাকে এ যাবেন না, কারণ আমেরিকান এম্বাসির সাথে কারও লিংক বা লবিং থাকার কোন প্রশ্নই আসে না। কেউ যদি বলে থাকে আমেরিকা এম্বাসির সাথে লিংক আছে, তার মানে তিনি আপনাকে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে।

🔷 এবার আপনাদের আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা প্রসেস এর ব্যাপারে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা সাধারণতো ৫ বছরের মাল্টিপোল ভিসা হয়ে থাকে অর্থাৎ ৫ বছরের মধ্যে আপনি যতবার খুশি আমেরিকায় যাতায়াত করতে পারবেন। এই ভিসাটি মূলতো ২ টা জিনিস এর উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।

১. DS -160 ফর্ম অর্থাৎ এপ্লিকেশন ফর্ম এর উপর।
২. ছোট একটি ইন্টারভিউ এর উপর।

নির্ভুল ভাবে DS-160 ফর্ম ফিলাপ করে যদি আপনি আত্মবিশ্বাস এর সাথে ইন্টারভিউতে কন্সুলার অফিসারকে এটা বিশ্বাস করাতে পারেন যে আপনার আমেরিকা যাওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আছে এবং আপনি আমেরিকায় যাবেন এবং ফিরে আসবেন, তাহলেই আপনার ভিসা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

ইন্টারভিউ বাংলাদেশে সাধারণতো দুই ভাষায় হয়ে থাকে, বাংলা এবং ইংরেজী। আপনি চাইলে বাংলাতেও ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। ইন্টারভিউ সাধারণতো ২ থেকে ১০ মিনিটের হয়ে থাকে। আপনি আমেরিকা যাওয়ার যোগ্য সেটা এম্বাসিকে কি করে বুঝাবেন? সেটা বুঝাবেন আপনার এপ্লিকেশন ফর্ম এর মাধ্যমে অর্থাৎ Ds-160 এর ফর্ম এর মাধ্যমে। আমেরিকান এম্বাসির একটি অনলাইন ফর্ম আছে যার নাম DS-160 ফর্ম। এই এপ্লিকেশন ফর্ম অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই ফর্ম এর উপর আপনার ভিসা অনেকাংশ নির্ভর করে। তাই অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা ফর্মটি পূরণ করা উচিত। মূলত এই ফর্মটি আপনার ভিসা পাওয়ার পূর্ব শর্ত হিসাবে বিবেচিত হয়। আপনি বলতে পারেন ৭০% চান্স নির্ভর করে এই DS-160 ফর্ম এর উপর, বাকি ৩০% নির্ভর করে আপনার ইন্টারভিউ এর উপর। এই দুইটির সঠিক সফল কম্বিনেশন ই আপনার ভিসা পাওয়া চান্স নিশ্চিত করবে ইনশাআল্লাহ। বেশিরভাগ মানুষ যে ভুলটা বেশি করে থাকে সেটা হলো, DS 160 অদক্ষ কাওকে দ্বারা পূরণ করে ইন্টারভিউতে চলে যায়, এতে করে হয়তো কিছু টাকা বেঁচে যায় তবে ফলাফল হয় ভিসা রিজেকশন। আবার অনেকেই ভিসা পেয়েছেন তাঁদের থেকে ইন্টারভিউ এর গাইডলাইন নিয়ে ইন্টারভিউ ফেইস করতে চলে যায়, অথচ তার প্রোফাইল এবং উনার প্রোফাইল কিন্তু ভিন্ন। না এটা কখনই করবেন না আপনাকে আপনার প্রোফাইল অনুযায়ী ইন্টারভিউ এর গাইডলাইন নিতে হবে। মনে রাখবেন অল্প বিদ্যাভয়ঙ্কর জিনিস। ওষুধ এর দোকানদার আপনাকে পরামর্শ দিতে পারে, কিন্তু মনে রাখবেন তিনি কিন্তু ডাক্তার না। অনেকেই বলেন ভাই DS 160 কি আসলেই এতো জটিল কিছু? যেহেতু আমেরিকার মতো একটি দেশ সারাপৃথিবী থেকে এই ফর্ম এর উপর ভিত্তি করে ভিসা ইস্যু করে থাকে তাহলে আপনি নিজেই চিন্তা করুন এই ফর্ম কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আশাকরি উত্তর পেয়ে গেছেন। অর্থাৎ আপনি যদি ইন্টারকানটেক্টেড তথ্য দিয়ে চমৎকার ভাবে একটা কমপ্লিট DS 160 ফর্ম পুরুন করতে পারেন তাহলেই ইনশাআল্লাহ আপনি ভিসা পাবেন। কারণ ইন্টারভিউ এর আগে এই ফর্ম এর উপর স্টাডি করেই সাধারণতো আপনার ভিসা ইস্যু করে থাকে। আর ইন্টারভিউতো হয় মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিট, এই সময় এর মধ্যে আপনাকে আর কি বা যাচাই বাঁচাই করার থাকে। তাই অদক্ষ লোক দ্বারা ফর্ম ফিলাপ করলে আপনার ভিসা হওয়ার থেকে না হওয়ার সম্ভানাই বেশি থাকে। আরও একটা জিনিস মনে রাখবেন DS-160 ফর্ম এর তথ্য এবং আপনার ইন্টারভিউ এর তথ্য এই দুই এর মধ্যে চমৎকার ও শৈল্পিক একটা মিল থাকতে হবে।

নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস তৈরী করুন, সঠিক গাইড লাইন ফলো করুন, সঠিক তথ্য দিয়ে DS-160 ফর্ম ফিলাপ করুন, ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুতি নিন ইনশাআল্লাহ আপনার ভিসা কেউ আটকাতে পারবে না।

আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার এম্বাসি ফী ১৮৫$ ডলার যা বাংলাদেশ এর টাকায় কনভার্ট করলে আসে ২২,২০০ টাকা। এই টাকা শুধুমাত্র EBL অর্থাৎ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এ জমা দিতে হয়। এম্বাসি ফী জমা দিয়ে আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডেট নিতে হবে।

🔷 এম্বাসি ফী জমা দেয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন।
১. পাসপোর্টের স্কেন কপি
২. ১টি ফোন নাম্বার
৩. ১টি ইমেইল আইডি

🔷 এপ্লিকেশন করার জন্য যা যা প্রয়োজন

১. ছবি ২×২ সাইজ সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড (ল্যাব কপি)
২. আপনার মা -বাবার তথ্য
৩. আপনার শিক্ষাগত সকল তথ্য
৪. আমেরিকায় যদি আপনার পরিচিত কেও থেকে থাকে তার তথ্য।
৫. স্বামী বা স্ত্রীর তথ্য
৬. ব্যবসা/চাকরি জনিত সকল তথ্য
৭. পূর্ববর্তী ট্রাভেল হিস্ট্রি
৮. কোনো সংস্থায় জড়িত থাকলে সেই সংস্থার নাম

🔷 আমরা আপনাকে যে সকল সেবা দিয়ে থাকবোঃ

১. আপনার DS-160 ফর্ম সঠিক ও চমৎকার ভাবে পূরণ করে দিবো।
২. আপনার ইন্টারভিউ ডেট রিশিডিউল এর মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে আসবো।
২. আপনাকে ইন্টারভিউ এর সম্পুর্ণ গাইডলাইন দিয়ে দিবো।
৩. ইন্টারভিউ এর জন্য যে সকল ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা আমরা গুছিয়ে দিবো।

🔷 আমরা আমেরিকার যেসব ভিসা প্রসেসিং করে থাকিঃ

১. ভিজিট ভিসা (B1/B2)
২. স্টুডেন্ট ভিসা এবং ডিপেন্ডেন্ট ভিসা (F1/F2)
৩. ড্রপ বক্সের মাধ্যমে ভিসা রিনিউ।

🇺🇸 আমেরিকায় টুরিস্ট ভিসা নিয়ে যেতে চান, তাহলে কথাগুলো আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হয়তো কেউ আগে বিষয়গুলো নিয়ে এত খো...
08/01/2025

🇺🇸 আমেরিকায় টুরিস্ট ভিসা নিয়ে যেতে চান, তাহলে কথাগুলো আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হয়তো কেউ আগে বিষয়গুলো নিয়ে এত খোলামেলা কথা বলেনি যা আজকে আমরা বলতে যাচ্ছি। তাই ধৈর্য সহকারে পুরো পোস্টটি পড়বেন আশা করি। যা আপনার ভিসা পাওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে কাজ করবে, আর আপনি পেতে পারেন আমেরিকার পাঁচ বছরের মাল্টিপল টুরিস্ট ভিসা ইনশাল্লাহ।
আমেরিকার ভিসা নিয়ে আমাদের অনেক কৌতূহল থাকে। আবার আমাদের অনেকের ড্রিম কান্ট্রি আমেরিকা। সবার একবার হলেও আমেরিকা যাওয়ার ইচ্ছা থাকে। তাই হয়তো আমাদের সবার চেষ্টা থাকে আমেরিকা যাওয়ার। আর সত্যি কথা হচ্ছে আমরা চাইলেই আমেরিকা যেতে পারি, হ্যাঁ আমরা সত্যি বলছি, চাইলে আপনিও যেতে পারেন। এখন আপনি বলতে পারেন এতই কি সহজ আমেরিকা যাওয়া? আমরা বলবো হ্যাঁ আসলেই সহজ আমেরিকা যাওয়া। যদি আপনি আমেরিকা যাওয়ার একজন যোগ্য ব্যক্তি হন। আমরা কিন্তু আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার কথা বলছি।
এখন বলি সঠিক যোগ্যতার মাপকাঠি কি? আসলে এই ব্যাপারে কোন দিক নির্দেশনা নেই, ইউএস এম্বাসির ওয়েবসাইটেও এর কোন চেকলিস্ট বা ক্রাইটেরিয়াও নেই। যেইটা দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে এই এই ক্রাইটেরিয়া ও চেকলিস্ট গুলো ফুলফিল করলে আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা পেয়ে যাবেন। তাহলে আপনি বলতে পারেন আমি তাহলে কোন যোগ্যতার কথা বলছি? আসলে যোগ্যতার কোন মাপকাঠি নেই এই ক্ষেত্রে আমি আপনাকে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি যেহেতু আমরা অনেক ফাইল প্রসেস করেছি তাই কেন ভিসা পেয়েছে বা রিফিউজ হয়েছে তা বুঝতে পারছি, তাই একজন ব্যক্তি বা একটি পরিবার যে বিষয় গুলো মেনে তার প্রোফাইল গুলো ঘুছাতে পারলে তার কাঙ্খিত ভিসাটি পেতে পারে, তার একটি বিস্তর ধারণা দিচ্ছি।

আর হ্যাঁ, মাঝখানে ছোট করে একটি কথা বলি আমেরিকার টুরিস্ট ভিসাটি মূলত ইন্টারভিউ নির্ভর একটি ভিসা। ৫ থেকে ৭ মিনিটের ছোট একটি ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে ভিসাটি হয়ে থাকে। অন্যান্য দেশের মতো ডকুমেন্ট ভিত্তিক ভিসা নয়। ইন্টারভিউটি আপনি বাংলা অথবা ইংলিশে দিতে পারবেন।
যাক আগের কথায় আসি, আমরা প্রথমেই যে ভুল কাজটি করে থাকি সেটি হলো সঠিক যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও আমেরিকার ভিসার জন্য আবেদন করে ফেলি। যে কারণে রিফিউজও হয়ে যাই। তাহলে অল্প করে ধারণা দিচ্ছি কি কি যোগ্যতা না থাকার কারণে ভিসা রিফিউজ হয়।

🔮প্রথমত আমরা একেবারে সাদা পাসপোর্টে কোন দেশ ট্রাভেল করা ছাড়া ইউএস ভিজিট ভিসার জন্য দাঁড়িয়ে যাই, যেই ভুলটি আমরা অনেকে করে থাকি। আবার অনেকে আপনার ফাইল প্রসেস করার জন্য বলে, সাদা পাসপোর্টে ভিসা হয় এটি একবারে ভুল কথা। আপনি ভিসা অফিসারের কাছে একজন ট্রাভেলার হিসেবে কিভাবে প্রমাণ করবেন যে আপনি আমেরিকা গিয়ে আবার ফিরে আসবেন? যেহেতু এটি একটি টুরিস্ট ভিসা আপনাকে প্রমাণ করতে হবে আপনি একজন ট্রাভেলার। আর প্রমাণ করার একটি ভালো মাধ্যম হলো আমাদের দেশের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো টুরিস্ট ভিসায় ভিজিট করা। আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি আপনার পার্শ্ববর্তী দেশগুলো ট্রাভেল না করে আমেরিকার মতো প্রথম সারির দেশে কেন ঘুরতে যাবেন? হয়তো আপনি উত্তরটি পেয়ে গেছেন।

তবে আপনার যদি বয়স বেশী থাকে বা নিজ পরিবার ও আত্মীয়র মধ্যে কেউ যদি আমেরিকায় থাকে সেক্ষেত্রে তেমন একটা ভিজিট না থাকলেও হবে, যেমন ধরেন আপনার বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন, চাচা-চাচি, কাজিন কেউ যদি আমেরিকায় থাকেন সেখানে ওনাদের দেখতে যাবেন বা ওনারা কোন প্রোগ্রাম এরেঞ্জ করেছেন সেখানে আপনি উপস্থিত থাকার কারণ দেখিয়ে আমেরিকা ভিজিট ভিসায় যেতে পারেন যদিও তার যুক্তিযুক্ত কারণ থাকতে হবে।
অনেকে বলে আমেরিকা থেকে আপনার জন্য ইনভাইটেশন এনে ভিসা করিয়ে দিবে, এটিও ভুল কথা। আপনি চিন্তা করে দেখেন অচেনা লোক বা দূর সম্পর্কের কেউ কেন আপনাকে ইনভাইটেশন দিবেন? যদি দিয়েও দেন সেই ইনভাইটেশনে কোন কাজে আসবে না। আর ইনভাইটেশন ব্যাপারটি শুধুমাত্র মেডিকেল ইমারজেন্সি, বিজনেস, কনফারেন্স, বিয়ে, জন্মদিন এবং ট্রেড ফেয়ার এর ক্ষেত্রে কিছুটা কার্যকর হয়।
🔮 দ্বিতীয়ত আপনি আপনার দেশে প্রতিষ্ঠিত, প্রতিষ্ঠিত মানে হচ্ছে আপনি বাংলাদেশে একজন ব্যবসায়ী বা ভালো কোন জব করেন, আর্থিকভাবে যথেষ্ট সচ্ছল আপনার আমেরিকাতে গিয়ে টাকা পয়সা খরচ করার মতো সামর্থ্য আপনার আছে, এর মানে আপনি আমেরিকাতে যাবেন এবং ফিরে আসবেন। আমার এই কথাটি পড়ে হয়তো চিন্তা করছেন অনেক টাকা থাকলে বা অনেক টাকা ইনকাম করলে হয়তো আমেরিকায় যেতে পারব। তাই না? কথাটি যদিও সত্য, কিন্তু আমরা যারা ভালো কোন দেশে যাওয়ার চিন্তা করি, তখনি যখন এটলিস্ট কিছু ভালো পরিমাণ টাকা আমাদের কাছে থাকে। তাহলেই আমেরিকার ভিসা নিয়ে চিন্তা করি। সেক্ষেত্রে আমরা ভালো জব বা ভালো ব্যবসা দেখাতে পারি। হয়তো আমি কি বুঝাতে চেয়েছি বুঝতে পারছেন।
যাইহোক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার গল্পটি এই কারণেই বললাম। বলার কারণ কি জানেন? ভিসা অফিসার চিন্তা করেন আপনি আপনার দেশে যে পরিমাণ টাকা উপার্জন করেন, হয়তো সেখানে গিয়ে আরো ভালো পরিমাণ টাকা উপার্জন করলে আপনি দেশে ফিরবেন না। এটা চিন্তা করে ভিসা অফিসার আপনাকে ভিসাটি নাও দিতে পারে। ইউএস এম্বাসির ওয়েবসাইটে লেখা আছে আপনি যখন নন ইমিগ্রেন্ট তথা টুরিস্ট ভিসায় (B1/B2) আবেদন করেন, ইন্টারভিউর আগের সময় পর্যন্ত ভিসা অফিসার ধরে নেন আপনি আমেরিকাতে গিয়ে আর ফিরে আসবেন না।

🔮 তৃতীয় কথাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ আমেরিকান এম্বাসির একটি অনলাইন ফর্ম আছে ফর্ম টিকে বলা হয় DS-160, ভিসা অফিসারের সামনে নিজেকে প্রেজেন্ট করার সবথেকে বড় একটি মাধ্যম, তবে একটি দুঃখের বিষয় কি জানেন? আমরা DS-160 ফর্মটিকে নিয়ে অবহেলা করি। যেমন অনভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে DS-160 ফর্মটি পূরণ করানো এবং অনভিজ্ঞ কারো সাথে পরামর্শ নেওয়া। অনেকেই এই ক্ষেত্রে খরচ কমানোর জন্য যেখানে সেখানে মোটামুটি ব্রাউজ করতে পারে বা কোন এক কম্পিউটার দোকান থেকে DS-160 ফর্মটি পূরণ করে। এমন কারো কাছ থেকে পরামর্শ নেয় সে হয়তো আমেরিকা টুরিস্ট ভিসা সম্পর্কে তেমন অভিজ্ঞ নন, হয়তো বা তিনি একবার ভিসা পেয়েছে, কিন্তু ভিসা পাওয়ার মানে এই নয় যে তিনি সব ব্যাপারে জেনে গেছেন। তাই এরকম অনেকের পরামর্শ নিয়ে ভিসা আবেদন ফর্ম পূরণ করে বা ইন্টারভিউ দিয়ে অনেকেই রিফিউজ হয়েছে। কেননা DS-160 ফর্মটি ওভাবেই ডিজাইন করা হয়েছে যাতে করে ভিসা অফিসার আপনার সম্পর্কে যা জানার বা ডিসিশন নেওয়ার দরকার তা সব ইনফরমেশন DS-160 ফর্মটি থেকে পেয়ে যান।

🔮চতুর্থ যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সেটি হলো ইন্টারভিউ, যেহেতু আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা একটি ইন্টারভিউ নির্ভর ভিসা সে ক্ষেত্রে আপনার ইন্টারভিউতে ভিসা অফিসারকে কনভেন্স করতে হবে যে আপনি যাবেন আবার ফিরে আসবেন, এজন্য অবশ্যই আপনার একটি বিশ্বাসযোগ্য গল্প থাকতে হবে। এটির মাধ্যমে ভিসা অফিসারকে বোঝাতে হবে -আমি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত, -আমেরিকা যাওয়ার আমার যৌক্তিক কারণ আছে এবং -আমি আমেরিকাতে গিয়ে ঘুরে ফিরে আসবো।

এই যে আমি বললাম আপনি যে ফিরে আসবেন, এটা কনভেন্স করতে হবে, এটা কনভেন্স করার উপায় কি? কাজ হচ্ছে DS-160 ফর্মটি সুন্দর ভাবে, নির্ভুল ভাবে পূরণ করা। অনেকেই (DS-160 ফর্ম ও ইন্টারভিউ) এই গুরুত্বপূর্ণ দুইটি বিষয়কে আলাদাভাবে পার্সেন্টেজ করে। আমরা এই কাজটি করব না কারণ এই দুইটির কম্বিনেশনে কাঙ্খিত ভিসাটি আপনার হবে।

আমরা আরেকটা বড় ভুল করি ডকুমেন্টকে মাত্রাতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া ও প্রচুর ডকুমেন্ট রেডি করা, যেগুলো আসলে ইন্টারভিউতে ধরেও দেখবেন না, তবে কিছু ডকুমেন্ট ভিসা ইন্টারভিউর সময় নিয়ে যেতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে হয়তো কোন যুক্তি সঙ্গত কারণ থাকলে ভিসা অফিসার দেখতে চাইবে। অনেকের মাথায় চিন্তাটি থাকে ব্যাংক ব্যালেন্স কত থাকতে হবে, ট্রানজেকশন কেমন করতে হবে, ব্যাংকে কত টাকা রাখতে হবে। এই প্রশ্নের আসলে কোন উত্তরই নেই, ডকুমেন্ট এর মতো আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা ব্যাংক ব্যালেন্সও ভিসা অফিসার ধরেও দেখবেন না। যদিও দেখে খুব রেয়ার কেসে। আমাদের কথাটি হয়তো বুঝতে পেরেছেন ইউএস টুরিস্ট ভিসা ক্ষেত্রে এইসব ডকুমেন্টারি ইস্যু আপনার জন্য কোন ধরনের ভ্যালু রাখে না।

আমেরিকার ভিসার ব্যাপারে কোনভাবে আপনারা কন্ট্রাকে কারো সাথে যোগাযোগ করবেন না। কোনভাবে কন্ট্রাকে আমেরিকার ভিসা নিবেন এই বিষয়টি মন থেকে একেবারে ঝেড়ে ফেলে দিন। আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাকে বা টাকা পয়সা দিয়ে কোনভাবে নেওয়া যায় না। সঠিকভাবে আবেদন করে ও সঠিকভাবে ইন্টারভিউ দিয়ে আপনি পেতে পারেন আমেরিকার টুরিস্ট (B1/B2) ভিসা।

💲 আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার বর্তমান এম্বাসি ফি ১৮৫$ ডলার যা বাংলাদেশ এর টাকায় কনভার্ট করলে যা আসে। এই টাকা শুধুমাত্র EBL অর্থাৎ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এ জমা দেওয়া যায়। এই টাকা জমা দিয়ে ইন্টারভিউ এর ডেট নিতে হয়।

🔷 সর্বপরি একটা কথা বলবো, আমেরিকার টুরিষ্ট ভিসার ক্ষেএে যদি DS-160 ফর্মটি একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা পূরণ করাতে পারেন, কারণ এই ফর্ম এর উপর আপনার ভিসা অনেকাংশ নির্ভর করে ও আমেরিকা যাওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারেন। এবং ইন্টারভিউতে ভিসা অফিসারকে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আপনার ভিসাটি হবে ইনশাল্লাহ।
আপনারা যারা ধৈর্য সহকারে পুরো পোস্টটি পড়েছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

🟢 আচ্ছা এখন বলি আমাদের কাজ কি। আমরা আপনাকে আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা (B1/B2) প্রসেসিং এর ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করে থাকি। যেমনঃ-
১। DS-160 ফর্ম সঠিক ও সুন্দর ভাবে পূরণ করে দিবো।
২। ইন্টারভিউ এর জন্য ট্রেনিং দিয়ে পুরোপুরি তৈরী করবো।
৩। ইন্টারভিউ এর জন্য যে সকল ডকুমেন্টস প্রয়োজন তার সঠিক গাইড লাইন দিবো।

🟢 আবেদন করার জন্য প্রথমে আপনার যা প্রয়োজনঃ-
১। পাসপোর্ট এর রঙিন কপি।
২। দুইটা ফোন নাম্বার।
৩। একটা ই-মেইল আইডি।
৪। ছবি (২x২ সাইজ) সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড (সফট কপি)।
এগুলো থাকলেই আপনি আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদনটি করতে পারেন।

🟢 আমরা আমেরিকার যেসব ভিসা প্রসেসিং করে থাকিঃ-
১। ভিজিট ভিসা (B1/B2)
২। মেডিকেল ভিসা (B2)
৩। বিজনেস ভিসা (B1)
৪। ড্রপ বক্সের মাধ্যমে ভিসা রিনিউ।।
🔷 পরিশেষে বলবো আপনি যদি কিছু দেশ ভিজিট করে থাকেন এবং উপরে আমরা যা লিখেছি সে অনুযায়ি আপনার প্রোফাইলটির মিল থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ধন্যবাদ।

( সংগ্রহ)

24/12/2024

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন?

06/12/2024
🌏বিদেশে যাওয়ার সময় যাত্রাপথে করনীয় কাজ সমূহ🌏🧳করনীয় কাজ সমূহ- বিদেশে যাওয়ার পথে যা যা নিতে হবে তার একটি তালিকা তৈরি ...
29/11/2024

🌏বিদেশে যাওয়ার সময় যাত্রাপথে করনীয় কাজ সমূহ🌏

🧳করনীয় কাজ সমূহ
- বিদেশে যাওয়ার পথে যা যা নিতে হবে তার একটি তালিকা তৈরি করুন।

- যে ব্যাগটি বিমানে নিজের সাথে রাখবেন সেখানে টাকা-পয়সা, গহনা, ভ্রমন ও চাকুরী সংক্রান্ত কাগজপত্র রাখুন এবং যে ব্যাগটি বিমানের লকারে দিবেন, সেটির ওজন পরীক্ষা করবেন এবং ২০ কেজির মধ্যে ওজন রাখবেন ।

- ব্যাগটি দড়ি বা প্যাকিং টেপ দিয়ে শক্ত করে বেধে নিতে হবে, যাতে যাত্রাকালীন সময়ে ব্যাগ ছিঁড়ে না যায়। ভ্রমণের জন্য হালকা কিন্তু শক্ত উপাদান দিয়ে তৈরি এবং ভাল তালার ব্যবস্থাসহ ব্যাগ কিনবেন ।

- প্রতিটি ব্যাগে নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার লিখেবেন।

- কখনোই ধারালো বস্তু, যেমন- বেড, কাঁচি, ছুরি ইত্যাদি সিকিউরিটি চেকের সময় ধরা পড়ে এবং ফেলে দেয়া হয়। তাই নিষিদ্ধ কোনো জিনিস যেমন- আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরকজাতীয় পর্দাথ, নিষিদ্ধ মাদক ও ড্রাগ, আগুন ধরে এমন তরল পর্দাথ (লাইটার), দুর্গদ্ধ বের হয় এমন পদার্থ, মাংস, দুধ, ডিম ও অন্যান্য পোল্ট্রিজাতীয় খাবার , ফুল, ফল, সবজি, পান, গুল, সাদাপাতা ইত্যাদি ব্যাগে নিবেন না। এছাড়াও প্লেন ও এয়ারপোর্টে ধূমপান এবং প্লেনে মোবাইল ফোন ও ট্রানজিষ্টার রেডিও ব্যবহার করা নিষেধ।

- অপরিচিত ব্যক্তির দেয়া কোন জিনিসই বহন করবেন না ।

👮‍♂️ইমিগ্রেশন

-কাউন্টারে প্রার্থীর পাসপোর্ট, ভিসা, জনশক্তি ব্যুরোর ছাড়পত্র ইত্যাদি পরীক্ষা করে সঠিক থাকলে তবেই পাসপোর্ট সিলমোহর করে প্রার্থীকে ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি দেয়া হয় এবং সেখানে বিমানে আরোহণের পূর্ব পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। ইমিগ্রেশনের সামনে লাইন দিয়ে দাঁড়ান এবং আপনার পাসর্পোট, ভিসা, ইমিগ্রেশন ও কাষ্টমস ফরমসহ তৈরী থাকুন। অফিসার আপনার সপোর্টে ওই দেশে যাওয়ার তারিখসহ সিল দিয়ে দিবে।

✈️ বিমানে যা করবেন

- বিমানে আরোহণের পূর্বে ইংরেজি ও বাংলায় মাইক্রোফোনে ঘোষনা করা হবে এবং ডিসপ্লে বোর্ড ও টেলিভিশন মনিটরে দেখানো হবে।

- ঘোষণার পরই বোর্ডিং-কার্ড হাতে নিয়ে বিমানের দিকে অগ্রসর হতে হয়।

🍁বিদেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে করনীয়

বিদেশে পোঁছানোর পর বিমানবন্দরে বেশ কিছু কাজ থাকে, যেগুলো সম্পর্কে ঠিক মত জানা না থাকলে হতে হয় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন। তাই জেনে নিন, বিদেশে পোঁছানোর পর বিমানবন্দরে করণীয় কাজ গুলো-

▶️১) ব্যাগ সংগ্রহ
ব্যাগ সংগ্রহের জন্য কনভেয়ার বেল্টের সামনে দাঁড়াতে হবে। কনভেয়ার বেল্টের ওপর আপনার ফ্লাইট নাম্বার দেয়া থাকবে, সেটা খেয়াল করতে হবে।

▶️২) কাষ্টমস
আপনার কাষ্টমস ডিক্লারেশন ফরম সাথে রাখুন এবং কাষ্টমস অফিসার চাইলে তা দেখান।

▶️৩) হারানো ব্যাগ খোঁজা
বেল্টে ব্যাগ না পাওয়া গেলে বা ব্যাগ হারিয়ে গেলে সাথে সাথে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে এবং ক্লেইম ফরম পূরণ করতে হবে। প্রয়োজনে তথ্যকেন্দ্রের সহায়তা নিতে পারেবেন। এয়ারলাইন্স আপনার ব্যাগ খুঁজে আপনার ঠিকানায় যোগাযোগ করে আপনার হারানো ব্যাগ আপনার কাছে পৌছে দিবে। না পাওয়া গেলে টিকেটে উল্লিখিত নীতিমালা অনুযায়ী আপনাকে ক্ষতিপূরণ দিবে।
আপনার যাত্রা শুভ হোক💐

28/11/2024

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when INGO Overseas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category