Apon Tours

Apon Tours Apon Tours provide travel services with warm arrivals for the best private and custom tour experience.

ঢাকার কাছা-কাছি ২১ টি রিসোর্টের তথ্যদেখে নিন এক নজর। কাজে লাগতে পারে।=======================ঢাকার কাছা-কাছি মোট ২১ টি রি...
12/01/2018

ঢাকার কাছা-কাছি ২১ টি রিসোর্টের তথ্য
দেখে নিন এক নজর। কাজে লাগতে পারে।
=======================
ঢাকার কাছা-কাছি মোট ২১ টি রিসোর্টের তথ্য দেয়া হল, কখনো ছুটি কাটাতে বা বন ভোজনের কাজে লাগতে পারে।

১) রাজেন্দ্র_ইকো_রিসোর্ট
গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের বিপরীত দিকের বড় সড়ক থেকে ডানের গলিপথ ধরে সবুজের অরণ্যে হঠাটি হারিয়ে জাবেন আপনি। ভবানীপুর বাজার পেরিয়ে চিকন রাস্তা ধরে আরও কিছুটা দূর…। পথের দুধারে ঘন শালবন। যতদূর চোখ যায়, শুধুই গাছ আর গাছ। পুকুরপাড়ের গাছটিতে মাছরাঙা পাখি শিকারের আশায় বসে। পুকুরের তীর ঘেঁষে বকের হাঁটাহাঁটি। হরেক রকম পাখি দেখে মনে হতে পারে, হয়তো কোনো গহীন জঙ্গলে এসে পড়েছেন। সত্যিই গহীন অরণ্য। রাস্তার দুধারে দূরের শালবন ছাড়াও খেজুরগাছ, বটগাছ। রাস্তার পাশে আদিবাসীদের কিছু বাড়িঘর।
ফোনঃ ৫৮০৭০৮৪০,০১৯১৯৩১৮০০৯

২) ভাওয়াল_জাতীয়_উদ্যান গাজীপুর
সরকারি পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম গাজীপুরের এ ভাওয়াল উদ্যান। চত্ত্বর গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর থানা জুড়ে অবস্থিত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান। খেলাধুলার জন্য রয়েছে বড় একটি মাঠ। তাছাড়া রয়েছে এখানে একটি চিড়িয়াখানা। পৃথিবীর অন্যান্য জাতীয় উদ্যানের আদলে ৬,৪৭৭ হেক্টর জমিতে ১৯৭৩ সালে এ উদ্যান সরকারিভাবে গড়ে তোলা হয়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের মূল উদ্ভিদ হলো শাল। এছাড়াও নানারকম গাছ-গাছালিতে পরিপূর্ণ এ উদ্যান। জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বেশকয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র, ১৩টি কটেজ ও ৬টি রেস্ট হাউস রয়েছে। উদ্যানে প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা। এছাড়া পিকনিক স্পট ব্যবহার করতে হলে, বন বিভাগের মহাখালী কার্যালয় (০২-৮৮১৪৭০০) থেকে আগাম বুকিং দিয়ে আসতে হবে।

সফিপুর আনসার একাডেমি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত আনসার-ভিডিপি একাডেমির বিশাল চত্বর বেড়ানোর জন্য একটি উপযুক্ত যায়গা। অনুমতি সাপেক্ষে বনভোজন করারও ব্যবস্থা আছে এখানে। ফোনঃ০২-৭২১৪৯৫১-৯

৩) পদ্মা_রিসোর্ট
ছুটির দিন কিংবা ঈদের বন্ধ ছাড়া বুকিং না করে গেলেও সাধারণত কটেজ খালি পাওয়া যায়। বুকিংয়ের জন্য পদ্মা রিসোর্টের নিজস্ব ওয়েবসাইটে সব তথ্য পাওয়া যাবে। রিসোর্ট যদি শুধু দিনের বেলা ভাড়া করতে চান, তাহলে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত থাকতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে ২৩০০ টাকা। আর যদি দিনসহ রাতও কাটাতে চান, তাহলে ভাড়া লাগবে ৩৪০০ টাকা। মোট ১৬টি কটেজ। এই কটেজগুলোই মূল আকর্ষণের জায়গা। নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা কটেজগুলোতে বেশ আরামদায়ক এবং নিরিবিলি সময় কাটাতে পারবেন।

কটেজগুলোর নামকরণও করা হয়েছে বেশ সুন্দরভাবে। ১২টি কটেজের নাম রাখা হয়েছে বাংলা বছরের ১২টি মাসের নামানুসারে। আর বাকি চারটির নাম নেওয়া হয়েছে চারটি ঋতু থেকে। যদি ভরা বর্ষায় আসেন তাহলে কটেজগুলোর সামনে পানি টলটল করবে। এর ওপর কাঠের তৈরি রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে হয়। মনে হয় কটেজগুলো যেন ভেসে আছে পানিতে। ফোনঃ০১৭১২১৭০৩৩০

৪) নক্ষত্রবাড়ী
গাজীপুরে অবস্থিত বেসরকারি রিসোর্টগুলোর মধ্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত ‘নক্ষত্রবাড়ী’। নক্ষত্রবাড়ী প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও অতি জনপ্রিয় নাম। প্রকৃতিপ্রেমীদের সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ঢাকার খুব কাছে একটি রিসোর্ট বানানোর কথা চিন্তা করে অভিনেতা তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াত দম্পতি ১৪ বিঘা জমির ওপর ‘নক্ষত্রবাড়ী’ নির্মাণ করেন। ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় নক্ষত্রবাড়ীর।
ফোনঃ০১১৯২১৫০৫৬৩,০১৯১৯৩১৮০০৯

৫) নুহাশপল্লী
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের বাগানবাড়ি ও শুটিং স্পট। প্রায় ৯০ বিঘা জায়গা নিয়ে এই নন্দন কাননে আছে একটি ছোট আকারের চিড়িয়াখানা, শান বাঁধানো ঘাটসহ একটি বিশাল পুকুর, দৃষ্টিনন্দন কটেজ, ট্রি হাউস বা গাছবাড়িসহ আরো অনেক আয়োজন। নুহাশ পলস্নীর ভেতরের বিশেষ আকর্ষণ হলো_এর ঔষধি গাছের বাগান। এত সমৃদ্ধ ঔষধি বাগান এদেশে বিরল। সবমিলিয়ে নুহাশপলস্নী একটি ছবির মতো সাজানো-গোছানো এক প্রান্তর, যেখানে গেলে ভালো লাগবে সবার। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই তিনমাস বনভোজনের অনুমতি মেলে নুহাশপলস্নীতে।
যোগাযোগ :০১৭১২০৬০৯৭১

৬) ছুটি
ছুটি রিসোর্টে রয়েছে নৌভ্রমণের ব্যবস্থা, বিরল প্রজাতির সংরক্ষিত বৃক্ষের বনে রয়েছে টানানো তাঁবু। ছনের ঘর, রেগুলার কটেজ, বার্ড হাউস, মাছ ধরার ব্যবস্থা, হার্বাল গার্ডেন, বিষমুক্ত ফসল, দেশীয় ফল, সবজি, ফুলের বাগান, বিশাল দুটি খেলার মাঠ, আধুনিক রেস্টুরেন্ট, দুটি পিকনিক স্পট, গ্রামীণ পিঠা ঘর, বাচ্চাদের জন্য কিডস জোনসহ সারা দিন পাখির কলরব, সন্ধ্যায় শিয়ালের হাঁক, বিরল প্রজাতির বাঁদুড়, জোনাকি পোকার মিছিল ও আতশবাজি, ঝিঁঝিঁ পোকার হৈচৈ। আর ভরা পূর্ণিমা হলে তো কথাই নেই।

৭) রাঙ্গামাটি_ওয়াটার_ফ্রন্ট_রিসোর্ট গাজীপুর
গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত আরেকটি রিসোর্ট ও বনভোজন কেন্দ্র রাঙ্গামাটি। এখানে আছে বনভোজন কেন্দ্র, লেকে মাছ ধরা ও বেড়ানোর ব্যবস্থা এবং কটেজে অবকাশ যাপনের ব্যবস্থা। ফোনঃ০১৮১১৪১৪০৭৪,০১৯১৯৩১৮০০৯

৮) আফরিন_পার্ক_রিসোর্ট_গাজীপুর
জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর-ময়মনসিংহ সড়কের পাশেই আফরিন পার্ক রিসোর্ট। নানান গাছ-গাছালিতে ঘেরা এ পার্কে আছে বিশাল শান বাঁধানো পুকুর, লেকে নৌকায় বেড়ানোর ব্যবস্থাসহ অবকাশ যাপনের জন্য রিসোর্ট ফোনঃ০১৮১৯২৫৩৩৩৯

৯) উৎসব_পিকনিক_স্পট গাজীপুর
ঢাকা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের হোতাপাড়ার কাছেই এ বনভোজন কেন্দ্রটি। উৎসব পিকনিক স্পটে আছে খোলা চত্বর, কয়েকটি কটেজ ও ট্রি হাউজ। ঢাকার ফুলবাড়িয়া থেকে শ্রাবণ পরিবহনে এসে নামতে হবে হোতাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে। ভাড়া ৩৫ টাকা। সেখান থেকে রিকশায় দশ টাকা ভাড়া উৎসব পিকনিক স্পট পর্যন্ত। যোগাযোগ :০১৭১৩০৪৪৫৯১, ৮৬২৬৩৭৬

১০) পুষ্পদাম পিকনিক স্পট গাজীপুর
ঢাকা থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর জেলার বাঘের বাজারে পুষ্পদাম অবস্থিত। এখানে বিশাল পরিসরে রয়েছে দেশি-বিদেশি বাহারি গাছের সমাহার। প্রবেশপথেই রয়েছে বিশাল দেবদারু গাছের সারি। এ পথ পেরিয়ে একটু ভেতরে ঢুকলেই রয়েছে ফুলে ফুলে ঘেরা কয়েকটি কটেজ। এখানে রয়েছে বিশাল খেলার মাঠ, কৃত্রিম লেক, ঝরনা ও সুইমিংপুল। পর্যাপ্ত রান্নাঘর, টয়লেট ছাড়াও এখানে আছে একই সাথে এক হাজার লোকের খাবারের জায়গা। যোগাযোগ :০১৮১৯২১৬১৫৭

১১) হ্যাপি_ডে_ইনন :
গাজীপুর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ঠিক বিপরীত দিকে রয়েছে বেসরকারি এ পিকনিক স্পট। উন্নতমানের হলরুম, আবাসিক রুমসহ দেশীয়, থাই, চায়নিজ খাদ্যের ব্যবস্থা রয়েছে পিকনিকের জন্য। পিকনিকের আয়োজন করে গাজীপুরের এই সবুজ বনে হারিয়ে যেতে কে না চায়। ফোনঃ০১৯৩৯-০৪৭৫৮৬-৮

১২) অঙ্গনা: গাজীপুর
গাজীপুরের সুর্য্যনারায়নপুর, কাপাসিয়া থানায় অবস্থিত অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হওয়ায় এই রিসোর্টের নামকরণ করা হয়েছে ‘অঙ্গনা’। গ্রামীণ সৌন্দর্যের বেসরকারি রিসোর্টস অঙ্গনার মালিক উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার ভাই সৈয়দ আলী মুরাদ ২০০৪ সালে ১৮ বিঘা জমির ওপর এটি নির্মাণ করেন। যার অবস্থান গাজীপুরের কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে। নগর জীবনে একাধারে চলতে চলতে ক্লান্তি এসে যায় মনে। আর এই ক্লান্তি দূর করতে রাজধানীর অদূরে কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে বেসরকারি এই রিসোর্ট ‘অঙ্গনা’ বাকী জানতে ওয়েবসাইট ভিসিট করুন

১৩) ফ্যান্টাসি_কিংডম আশুলিয়া
আশুলিয়ার জামগড়ায় গড়ে উঠেছে বিশ্বের আধুনিক সব রাইড নিয়ে বিনোদনকেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম। পাশেই হেরিটেজ পার্কে আছে ঐতিহ্যের পরিপূর্ণ ভাণ্ডার। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অনেকগুলোই চোখে পড়বে এখানে। এগুলো মূল স্থাপনার অবিকল আদলেই তৈরি করা হয়েছে হেরিটেজ পার্কে। এ জায়গা দুটিতে বনভোজন করার জন্য রয়েছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা।ফোনঃ ৭৭০১৯৪৪-৪৯।

১৪) রিসোর্ট_আটলান্টিস, আশুলিয়া
ওয়াটার কিংডমের ভিতরে অবিস্থিত রিসোর্ট আটলান্টিস, মোহাম্মদী গার্ডেন মহিশাষী, ধামরাই এ অবস্থিত। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ধামরাইয়ের মহিষাশী। এখানেই এই গার্ডেন অবস্থিত। নিজে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না এটা একটা স্বপ্নপুরী নাকি স্বর্গভূমি। বিনোদনের জন্য গার্ডেনের ভিতরে রয়েছে পুকুর। সেই পুকুরে ভেসে বেড়াচ্ছে নৌকা, কাঠের রাজহাঁস, মাটির শাপলা। ফোনঃ ০১৭১৭৩৭৪৯০৪, ০১১৯০২৩৭০৬২

১৫) হাসনাহেনা_গাজীপুর
ঢাকার পাশেই গাজীপুর জেলার পুবাইল কলেজগেটে অবস্থিত তেমনি একটি বেসরকারি বিনোদন পর্যটন কেন্দ্র “হাসনাহেনা”। টঙ্গী থেকে এর দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। পরিবারের সবাইকে নিয়ে কিংবা অফিস বা সংগঠনের দিনব্যাপী পিকনিক বা বনভোজনে এখানে আসা যেতে পারে অনায়াসে। যোগাযোগ :হাসনাহেনা, হাড়িবাড়ীর টেক, পুবাইল কলেজগেট, পুবাইল গাজীপুর। ফোনঃ০১১৯৯৮৭৫৫৭৬, ০১৯১১৪৯৫১২৩, ০১৭১৪০০৩১০৩, ০১৭৩৬৬৭২৪০৮।

১৬) সোহাগপল্লী
১১ একর উঁচু-নিচু জমিতে সবুজে ঘেরা এই রিসোর্টের অন্যতম আকর্ষণ হলো জলাশয়ের ওপর নির্মিত অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত ঝুলন্ত সাঁকো আর এর পিলার ও বেলকনিতে খোঁদাই করা বিভিন্ন কারুকাজ- যা আগত দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। বিশাল এক জলাশয়ের মাঝখানে ঝুলন্ত সাঁকো থাকায় দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে বেশি। জলাশয়ের পূর্ব পাশে রয়েছে একটি দ্বিতল রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টটির নাম রাখা হয়েছে মেজবান। শুধু তাই নয়, কৃত্রিমভাবে একটি লেক নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে বর্ষা বা শুষ্ক সবসময়ই পানি থাকে। আর এই লেকের পানিতে বিভিন্ন জাতের মাছের বিচরণ দেখা যায়। ফোনঃ ০১৭১২০৪৯৯০৩-০৪,০১৬১২০৪৯৯০

১৭) আনন্দ_রিসোর্ট
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের পরিচিত রিসোর্ট হলো ‘আনন্দ’। আনন্দ রিসোর্টটি নামের সঙ্গে বেশ আবেগের মিল রেখেছে। আনন্দদানের সব উপকরণই এখানে জোগাড় করার চেষ্টা করা হয়েছে। শুধু চোখে দেখে নয়, বরং বিভিন্ন খেলার রাইডে চড়ে আনন্দের দেখা মিলবে এখানে। বিলঘেঁষা এই আনন্দ রিসোর্টের বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে সরাসরি বিল থেকে মাছ শিকারের ব্যবস্থা রয়েছে। মাছ শিকারিদের জন্য এই সুযোগ অবশ্যই বাড়তি পাওনা।ছিপ ফেলে মাছের জন্য অপেক্ষায় কাটবে সময়। এ ছাড়া রয়েছে ছোটদের খেলার নানা উপকরণ। একটি সুইমিং রয়েছে। ৪২ বিঘা উঁচু-নিচু টিলা ভূমিতে গড়ে তোলা হয় আনন্দ রিসোর্ট। কালিয়াকৈরের সিনাবহের তালতলি এলাকায় এর অবস্থান। বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ ও ৬টি কটেজ রয়েছে এখানে।

ভাড়া: কটেজগুলোর প্রতিকক্ষ ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। পিকনিক বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া পড়বে ৭০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা।
যেভাবে যাবেন : নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসে করে গাজীপুরের চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে উঠতে হবে। এই মহাসড়ক ধরে সফিপুর বাজার যেতে হবে। সেখান থেকে ২ কিলোমিটার উত্তরে সিনাবহ বাজারের পাশে এই রিসোর্টের অবস্থান।ফোনঃ০২-৯১২৫৭৭৮,০১৯১৯৩১৮০০৯, ০১৬৭০২৭৫৮৬৪

১৮) জল_জঙ্গলের_কাব্য, পূবাইল
ঢাকার অদূরে পূবাইলে ৯০ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠেছে একটুকরো গ্রাম।বাঁশ আর পাটখড়ির বেড়া ,উপরে ছনের ছাউনি, সামনে দিগন্ত বিস্তৃত জলের নাচন। এটা তেমন আধুনিক জায়গা নয় কিন্তু পরিচ্ছন্ন এবং গ্রাম-বাংলার একটা ছোয়া আছে এর আদলে। অবশ্যই ভাল লাগবে ঘুরে আসুন। ফোনঃ০১৯১৯৭৮২২৪৫, ০১৭১৯৫২৩০১৬

১৯) আরশিনগর_হলিডে_রিসোর্ট
ঢাকা থেকে মাত্র ত্রিশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুরের ভাওয়ালে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত হলিডে রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট। ভাওয়ালের গ্রাম ও শালবনের মাঝে অসাধারণ প্রাকৃতিক আবহাওয়ায় আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে সাজানো আরশিনগর।
অফিষ: ২১/১ ইস্কাটন গার্ডেন , ফ্্যাট ৪/এ , রমনা ঢাকা, ফোনঃ৯৩৪৪৮৮৯
রিসোর্ট অফিস, পাজৃলিয়া, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
ফোন :০১৭৩২৩৫৪০০৭,০১৯২৩১১৭০৫৬

২০) ড্রিম_স্কয়ার
গাজীপুরের মাওনার অজহিরচালা গ্রামে ‘ড্রিম স্কয়ার’ নামে বিশালাকৃতির বেসরকারি রিসোর্ট রয়েছে। ১২০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট। এর প্রধান আকর্ষণ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সবুজের সমারোহ। ড্রিম স্কয়ারের আকর্ষণীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে তেলের ঘানি, ডেইরি ফার্ম, মৎস্য হ্যাচারি, কম্পোস্ট সার প্লান্ট, বায়োগ্যাস প্লান্ট। ড্রিম স্কয়ারের আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো রেস্টুরেন্টের খাবারের সবজি এর ভেতরেই চাষাবাদকৃত, যা সম্পূর্ণ সার ও কীটনাশকমুক্ত।

রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বিশালাকৃতির কয়েকটি লেক। রয়েছে ১৬টি ছোট-বড় পুকুর। ভেতরে সবুজে বেষ্টিত বাগানের মাঝখানে রয়েছে জাতীয় মাছ ইলিশের দুটি প্রতিকৃতি। আর বিভিন্ন গাছে রয়েছে বানরের প্রতিকৃতি।

এখানে নানান প্রজাতির পাখির অভয়াশ্রম রয়েছে। ড্রিম স্কয়ারে প্রতি বছর শীতের সময় অতিথি পাখির মেলা বসে। আছে একটি রেস্টুরেন্ট, রয়েছে ওয়াই-ফাই সুবিধা। এখানে সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা। ফোনঃ৮৮০-০২-৯৩৩৪১৪৯, ৯৩৪২২০৩, ০১৭৫৫৬৩০৩৩১১

২১) গ্রীনটেক_রিসোর্ট
২০১০ সালে গাজীপুর জেলার ভবানীপুরে প্রায় ৬ একর জায়গা নিয়ে অবস্থিত গ্রীনটেক রিসোর্ট। এখানে রয়েছে ৭৩টি রুম, একটি অডিটেরিয়াম, দুটি কনফরেন্স রুম, একটি সুমিং পুল, দুটি ডায়নিং হল, আর দুটি পুকুর। সম্পূর্ণ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত এখানে রয়েছে ইনডোর, আউটডোর গেমের সকল সুবিধা। পুরো রিসোর্টটি রয়েছে ওয়াই ফাই সংযোগ। এখানে সর্বনিম্ন তিন হাজার থেকে সর্বচ্চো দশ হাজার টাকা পর্যন্ত রুম ভাড়া পাওয়া যায়।যোগাযোগ:হোটেল রেডিয়াল প্যালেস, রোড-৮, ব্লক-সি, বনানী, ঢাকা।
ফোন: ০১৭১৫১০৫৭৭০,০১৯১৯৩১৮০০৯ ঢাকার কাছা-কাছি ২১ টি রিসোর্টের তথ্য
দেখে নিন এক নজর। কাজে লাগতে পারে।
=======================
ঢাকার কাছা-কাছি মোট ২১ টি রিসোর্টের তথ্য দেয়া হল, কখনো ছুটি কাটাতে বা বন ভোজনের কাজে লাগতে পারে।

১) রাজেন্দ্র_ইকো_রিসোর্ট
গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের বিপরীত দিকের বড় সড়ক থেকে ডানের গলিপথ ধরে সবুজের অরণ্যে হঠাটি হারিয়ে জাবেন আপনি। ভবানীপুর বাজার পেরিয়ে চিকন রাস্তা ধরে আরও কিছুটা দূর…। পথের দুধারে ঘন শালবন। যতদূর চোখ যায়, শুধুই গাছ আর গাছ। পুকুরপাড়ের গাছটিতে মাছরাঙা পাখি শিকারের আশায় বসে। পুকুরের তীর ঘেঁষে বকের হাঁটাহাঁটি। হরেক রকম পাখি দেখে মনে হতে পারে, হয়তো কোনো গহীন জঙ্গলে এসে পড়েছেন। সত্যিই গহীন অরণ্য। রাস্তার দুধারে দূরের শালবন ছাড়াও খেজুরগাছ, বটগাছ। রাস্তার পাশে আদিবাসীদের কিছু বাড়িঘর।
ফোনঃ ৫৮০৭০৮৪০,০১৯১৯৩১৮০০৯

২) ভাওয়াল_জাতীয়_উদ্যান গাজীপুর
সরকারি পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম গাজীপুরের এ ভাওয়াল উদ্যান। চত্ত্বর গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর থানা জুড়ে অবস্থিত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান। খেলাধুলার জন্য রয়েছে বড় একটি মাঠ। তাছাড়া রয়েছে এখানে একটি চিড়িয়াখানা। পৃথিবীর অন্যান্য জাতীয় উদ্যানের আদলে ৬,৪৭৭ হেক্টর জমিতে ১৯৭৩ সালে এ উদ্যান সরকারিভাবে গড়ে তোলা হয়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের মূল উদ্ভিদ হলো শাল। এছাড়াও নানারকম গাছ-গাছালিতে পরিপূর্ণ এ উদ্যান। জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বেশকয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র, ১৩টি কটেজ ও ৬টি রেস্ট হাউস রয়েছে। উদ্যানে প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা। এছাড়া পিকনিক স্পট ব্যবহার করতে হলে, বন বিভাগের মহাখালী কার্যালয় (০২-৮৮১৪৭০০) থেকে আগাম বুকিং দিয়ে আসতে হবে।

সফিপুর আনসার একাডেমি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত আনসার-ভিডিপি একাডেমির বিশাল চত্বর বেড়ানোর জন্য একটি উপযুক্ত যায়গা। অনুমতি সাপেক্ষে বনভোজন করারও ব্যবস্থা আছে এখানে। ফোনঃ০২-৭২১৪৯৫১-৯

৩) পদ্মা_রিসোর্ট
ছুটির দিন কিংবা ঈদের বন্ধ ছাড়া বুকিং না করে গেলেও সাধারণত কটেজ খালি পাওয়া যায়। বুকিংয়ের জন্য পদ্মা রিসোর্টের নিজস্ব ওয়েবসাইটে সব তথ্য পাওয়া যাবে। রিসোর্ট যদি শুধু দিনের বেলা ভাড়া করতে চান, তাহলে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত থাকতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে ২৩০০ টাকা। আর যদি দিনসহ রাতও কাটাতে চান, তাহলে ভাড়া লাগবে ৩৪০০ টাকা। মোট ১৬টি কটেজ। এই কটেজগুলোই মূল আকর্ষণের জায়গা। নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা কটেজগুলোতে বেশ আরামদায়ক এবং নিরিবিলি সময় কাটাতে পারবেন।

কটেজগুলোর নামকরণও করা হয়েছে বেশ সুন্দরভাবে। ১২টি কটেজের নাম রাখা হয়েছে বাংলা বছরের ১২টি মাসের নামানুসারে। আর বাকি চারটির নাম নেওয়া হয়েছে চারটি ঋতু থেকে। যদি ভরা বর্ষায় আসেন তাহলে কটেজগুলোর সামনে পানি টলটল করবে। এর ওপর কাঠের তৈরি রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে হয়। মনে হয় কটেজগুলো যেন ভেসে আছে পানিতে। ফোনঃ০১৭১২১৭০৩৩০

৪) নক্ষত্রবাড়ী
গাজীপুরে অবস্থিত বেসরকারি রিসোর্টগুলোর মধ্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত ‘নক্ষত্রবাড়ী’। নক্ষত্রবাড়ী প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও অতি জনপ্রিয় নাম। প্রকৃতিপ্রেমীদের সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ঢাকার খুব কাছে একটি রিসোর্ট বানানোর কথা চিন্তা করে অভিনেতা তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াত দম্পতি ১৪ বিঘা জমির ওপর ‘নক্ষত্রবাড়ী’ নির্মাণ করেন। ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় নক্ষত্রবাড়ীর।
ফোনঃ০১১৯২১৫০৫৬৩,০১৯১৯৩১৮০০৯

৫) নুহাশপল্লী
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের বাগানবাড়ি ও শুটিং স্পট। প্রায় ৯০ বিঘা জায়গা নিয়ে এই নন্দন কাননে আছে একটি ছোট আকারের চিড়িয়াখানা, শান বাঁধানো ঘাটসহ একটি বিশাল পুকুর, দৃষ্টিনন্দন কটেজ, ট্রি হাউস বা গাছবাড়িসহ আরো অনেক আয়োজন। নুহাশ পলস্নীর ভেতরের বিশেষ আকর্ষণ হলো_এর ঔষধি গাছের বাগান। এত সমৃদ্ধ ঔষধি বাগান এদেশে বিরল। সবমিলিয়ে নুহাশপলস্নী একটি ছবির মতো সাজানো-গোছানো এক প্রান্তর, যেখানে গেলে ভালো লাগবে সবার। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই তিনমাস বনভোজনের অনুমতি মেলে নুহাশপলস্নীতে।
যোগাযোগ :০১৭১২০৬০৯৭১

৬) ছুটি
ছুটি রিসোর্টে রয়েছে নৌভ্রমণের ব্যবস্থা, বিরল প্রজাতির সংরক্ষিত বৃক্ষের বনে রয়েছে টানানো তাঁবু। ছনের ঘর, রেগুলার কটেজ, বার্ড হাউস, মাছ ধরার ব্যবস্থা, হার্বাল গার্ডেন, বিষমুক্ত ফসল, দেশীয় ফল, সবজি, ফুলের বাগান, বিশাল দুটি খেলার মাঠ, আধুনিক রেস্টুরেন্ট, দুটি পিকনিক স্পট, গ্রামীণ পিঠা ঘর, বাচ্চাদের জন্য কিডস জোনসহ সারা দিন পাখির কলরব, সন্ধ্যায় শিয়ালের হাঁক, বিরল প্রজাতির বাঁদুড়, জোনাকি পোকার মিছিল ও আতশবাজি, ঝিঁঝিঁ পোকার হৈচৈ। আর ভরা পূর্ণিমা হলে তো কথাই নেই।

৭) রাঙ্গামাটি_ওয়াটার_ফ্রন্ট_রিসোর্ট গাজীপুর
গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত আরেকটি রিসোর্ট ও বনভোজন কেন্দ্র রাঙ্গামাটি। এখানে আছে বনভোজন কেন্দ্র, লেকে মাছ ধরা ও বেড়ানোর ব্যবস্থা এবং কটেজে অবকাশ যাপনের ব্যবস্থা। ফোনঃ০১৮১১৪১৪০৭৪,০১৯১৯৩১৮০০৯

৮) আফরিন_পার্ক_রিসোর্ট_গাজীপুর
জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর-ময়মনসিংহ সড়কের পাশেই আফরিন পার্ক রিসোর্ট। নানান গাছ-গাছালিতে ঘেরা এ পার্কে আছে বিশাল শান বাঁধানো পুকুর, লেকে নৌকায় বেড়ানোর ব্যবস্থাসহ অবকাশ যাপনের জন্য রিসোর্ট ফোনঃ০১৮১৯২৫৩৩৩৯

৯) উৎসব_পিকনিক_স্পট গাজীপুর
ঢাকা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের হোতাপাড়ার কাছেই এ বনভোজন কেন্দ্রটি। উৎসব পিকনিক স্পটে আছে খোলা চত্বর, কয়েকটি কটেজ ও ট্রি হাউজ। ঢাকার ফুলবাড়িয়া থেকে শ্রাবণ পরিবহনে এসে নামতে হবে হোতাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে। ভাড়া ৩৫ টাকা। সেখান থেকে রিকশায় দশ টাকা ভাড়া উৎসব পিকনিক স্পট পর্যন্ত। যোগাযোগ :০১৭১৩০৪৪৫৯১, ৮৬২৬৩৭৬

১০) পুষ্পদাম পিকনিক স্পট গাজীপুর
ঢাকা থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর জেলার বাঘের বাজারে পুষ্পদাম অবস্থিত। এখানে বিশাল পরিসরে রয়েছে দেশি-বিদেশি বাহারি গাছের সমাহার। প্রবেশপথেই রয়েছে বিশাল দেবদারু গাছের সারি। এ পথ পেরিয়ে একটু ভেতরে ঢুকলেই রয়েছে ফুলে ফুলে ঘেরা কয়েকটি কটেজ। এখানে রয়েছে বিশাল খেলার মাঠ, কৃত্রিম লেক, ঝরনা ও সুইমিংপুল। পর্যাপ্ত রান্নাঘর, টয়লেট ছাড়াও এখানে আছে একই সাথে এক হাজার লোকের খাবারের জায়গা। যোগাযোগ :০১৮১৯২১৬১৫৭

১১) হ্যাপি_ডে_ইনন :
গাজীপুর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ঠিক বিপরীত দিকে রয়েছে বেসরকারি এ পিকনিক স্পট। উন্নতমানের হলরুম, আবাসিক রুমসহ দেশীয়, থাই, চায়নিজ খাদ্যের ব্যবস্থা রয়েছে পিকনিকের জন্য। পিকনিকের আয়োজন করে গাজীপুরের এই সবুজ বনে হারিয়ে যেতে কে না চায়। ফোনঃ০১৯৩৯-০৪৭৫৮৬-৮

১২) অঙ্গনা: গাজীপুর
গাজীপুরের সুর্য্যনারায়নপুর, কাপাসিয়া থানায় অবস্থিত অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হওয়ায় এই রিসোর্টের নামকরণ করা হয়েছে ‘অঙ্গনা’। গ্রামীণ সৌন্দর্যের বেসরকারি রিসোর্টস অঙ্গনার মালিক উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার ভাই সৈয়দ আলী মুরাদ ২০০৪ সালে ১৮ বিঘা জমির ওপর এটি নির্মাণ করেন। যার অবস্থান গাজীপুরের কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে। নগর জীবনে একাধারে চলতে চলতে ক্লান্তি এসে যায় মনে। আর এই ক্লান্তি দূর করতে রাজধানীর অদূরে কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে বেসরকারি এই রিসোর্ট ‘অঙ্গনা’ বাকী জানতে ওয়েবসাইট ভিসিট করুন

১৩) ফ্যান্টাসি_কিংডম আশুলিয়া
আশুলিয়ার জামগড়ায় গড়ে উঠেছে বিশ্বের আধুনিক সব রাইড নিয়ে বিনোদনকেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম। পাশেই হেরিটেজ পার্কে আছে ঐতিহ্যের পরিপূর্ণ ভাণ্ডার। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অনেকগুলোই চোখে পড়বে এখানে। এগুলো মূল স্থাপনার অবিকল আদলেই তৈরি করা হয়েছে হেরিটেজ পার্কে। এ জায়গা দুটিতে বনভোজন করার জন্য রয়েছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা।ফোনঃ ৭৭০১৯৪৪-৪৯।

১৪) রিসোর্ট_আটলান্টিস, আশুলিয়া
ওয়াটার কিংডমের ভিতরে অবিস্থিত রিসোর্ট আটলান্টিস, মোহাম্মদী গার্ডেন মহিশাষী, ধামরাই এ অবস্থিত। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ধামরাইয়ের মহিষাশী। এখানেই এই গার্ডেন অবস্থিত। নিজে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না এটা একটা স্বপ্নপুরী নাকি স্বর্গভূমি। বিনোদনের জন্য গার্ডেনের ভিতরে রয়েছে পুকুর। সেই পুকুরে ভেসে বেড়াচ্ছে নৌকা, কাঠের রাজহাঁস, মাটির শাপলা। ফোনঃ ০১৭১৭৩৭৪৯০৪, ০১১৯০২৩৭০৬২

১৫) হাসনাহেনা_গাজীপুর
ঢাকার পাশেই গাজীপুর জেলার পুবাইল কলেজগেটে অবস্থিত তেমনি একটি বেসরকারি বিনোদন পর্যটন কেন্দ্র “হাসনাহেনা”। টঙ্গী থেকে এর দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। পরিবারের সবাইকে নিয়ে কিংবা অফিস বা সংগঠনের দিনব্যাপী পিকনিক বা বনভোজনে এখানে আসা যেতে পারে অনায়াসে। যোগাযোগ :হাসনাহেনা, হাড়িবাড়ীর টেক, পুবাইল কলেজগেট, পুবাইল গাজীপুর। ফোনঃ০১১৯৯৮৭৫৫৭৬, ০১৯১১৪৯৫১২৩, ০১৭১৪০০৩১০৩, ০১৭৩৬৬৭২৪০৮।

১৬) সোহাগপল্লী
১১ একর উঁচু-নিচু জমিতে সবুজে ঘেরা এই রিসোর্টের অন্যতম আকর্ষণ হলো জলাশয়ের ওপর নির্মিত অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত ঝুলন্ত সাঁকো আর এর পিলার ও বেলকনিতে খোঁদাই করা বিভিন্ন কারুকাজ- যা আগত দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। বিশাল এক জলাশয়ের মাঝখানে ঝুলন্ত সাঁকো থাকায় দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে বেশি। জলাশয়ের পূর্ব পাশে রয়েছে একটি দ্বিতল রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টটির নাম রাখা হয়েছে মেজবান। শুধু তাই নয়, কৃত্রিমভাবে একটি লেক নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে বর্ষা বা শুষ্ক সবসময়ই পানি থাকে। আর এই লেকের পানিতে বিভিন্ন জাতের মাছের বিচরণ দেখা যায়। ফোনঃ ০১৭১২০৪৯৯০৩-০৪,০১৬১২০৪৯৯০

১৭) আনন্দ_রিসোর্ট
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের পরিচিত রিসোর্ট হলো ‘আনন্দ’। আনন্দ রিসোর্টটি নামের সঙ্গে বেশ আবেগের মিল রেখেছে। আনন্দদানের সব উপকরণই এখানে জোগাড় করার চেষ্টা করা হয়েছে। শুধু চোখে দেখে নয়, বরং বিভিন্ন খেলার রাইডে চড়ে আনন্দের দেখা মিলবে এখানে। বিলঘেঁষা এই আনন্দ রিসোর্টের বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে সরাসরি বিল থেকে মাছ শিকারের ব্যবস্থা রয়েছে। মাছ শিকারিদের জন্য এই সুযোগ অবশ্যই বাড়তি পাওনা।ছিপ ফেলে মাছের জন্য অপেক্ষায় কাটবে সময়। এ ছাড়া রয়েছে ছোটদের খেলার নানা উপকরণ। একটি সুইমিং রয়েছে। ৪২ বিঘা উঁচু-নিচু টিলা ভূমিতে গড়ে তোলা হয় আনন্দ রিসোর্ট। কালিয়াকৈরের সিনাবহের তালতলি এলাকায় এর অবস্থান। বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ ও ৬টি কটেজ রয়েছে এখানে।

ভাড়া: কটেজগুলোর প্রতিকক্ষ ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। পিকনিক বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া পড়বে ৭০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা।
যেভাবে যাবেন : নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসে করে গাজীপুরের চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে উঠতে হবে। এই মহাসড়ক ধরে সফিপুর বাজার যেতে হবে। সেখান থেকে ২ কিলোমিটার উত্তরে সিনাবহ বাজারের পাশে এই রিসোর্টের অবস্থান।ফোনঃ০২-৯১২৫৭৭৮,০১৯১৯৩১৮০০৯, ০১৬৭০২৭৫৮৬৪

১৮) জল_জঙ্গলের_কাব্য, পূবাইল
ঢাকার অদূরে পূবাইলে ৯০ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠেছে একটুকরো গ্রাম।বাঁশ আর পাটখড়ির বেড়া ,উপরে ছনের ছাউনি, সামনে দিগন্ত বিস্তৃত জলের নাচন। এটা তেমন আধুনিক জায়গা নয় কিন্তু পরিচ্ছন্ন এবং গ্রাম-বাংলার একটা ছোয়া আছে এর আদলে। অবশ্যই ভাল লাগবে ঘুরে আসুন। ফোনঃ০১৯১৯৭৮২২৪৫, ০১৭১৯৫২৩০১৬

১৯) আরশিনগর_হলিডে_রিসোর্ট
ঢাকা থেকে মাত্র ত্রিশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুরের ভাওয়ালে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত হলিডে রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট। ভাওয়ালের গ্রাম ও শালবনের মাঝে অসাধারণ প্রাকৃতিক আবহাওয়ায় আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে সাজানো আরশিনগর।
অফিষ: ২১/১ ইস্কাটন গার্ডেন , ফ্্যাট ৪/এ , রমনা ঢাকা, ফোনঃ৯৩৪৪৮৮৯
রিসোর্ট অফিস, পাজৃলিয়া, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
ফোন :০১৭৩২৩৫৪০০৭,০১৯২৩১১৭০৫৬

২০) ড্রিম_স্কয়ার
গাজীপুরের মাওনার অজহিরচালা গ্রামে ‘ড্রিম স্কয়ার’ নামে বিশালাকৃতির বেসরকারি রিসোর্ট রয়েছে। ১২০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট। এর প্রধান আকর্ষণ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সবুজের সমারোহ। ড্রিম স্কয়ারের আকর্ষণীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে তেলের ঘানি, ডেইরি ফার্ম, মৎস্য হ্যাচারি, কম্পোস্ট সার প্লান্ট, বায়োগ্যাস প্লান্ট। ড্রিম স্কয়ারের আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো রেস্টুরেন্টের খাবারের সবজি এর ভেতরেই চাষাবাদকৃত, যা সম্পূর্ণ সার ও কীটনাশকমুক্ত।

রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বিশালাকৃতির কয়েকটি লেক। রয়েছে ১৬টি ছোট-বড় পুকুর। ভেতরে সবুজে বেষ্টিত বাগানের মাঝখানে রয়েছে জাতীয় মাছ ইলিশের দুটি প্রতিকৃতি। আর বিভিন্ন গাছে রয়েছে বানরের প্রতিকৃতি।

এখানে নানান প্রজাতির পাখির অভয়াশ্রম রয়েছে। ড্রিম স্কয়ারে প্রতি বছর শীতের সময় অতিথি পাখির মেলা বসে। আছে একটি রেস্টুরেন্ট, রয়েছে ওয়াই-ফাই সুবিধা। এখানে সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা। ফোনঃ৮৮০-০২-৯৩৩৪১৪৯, ৯৩৪২২০৩, ০১৭৫৫৬৩০৩৩১১

২১) গ্রীনটেক_রিসোর্ট
২০১০ সালে গাজীপুর জেলার ভবানীপুরে প্রায় ৬ একর জায়গা নিয়ে অবস্থিত গ্রীনটেক রিসোর্ট। এখানে রয়েছে ৭৩টি রুম, একটি অডিটেরিয়াম, দুটি কনফরেন্স রুম, একটি সুমিং পুল, দুটি ডায়নিং হল, আর দুটি পুকুর। সম্পূর্ণ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত এখানে রয়েছে ইনডোর, আউটডোর গেমের সকল সুবিধা। পুরো রিসোর্টটি রয়েছে ওয়াই ফাই সংযোগ। এখানে সর্বনিম্ন তিন হাজার থেকে সর্বচ্চো দশ হাজার টাকা পর্যন্ত রুম ভাড়া পাওয়া যায়।যোগাযোগ:হোটেল রেডিয়াল প্যালেস, রোড-৮, ব্লক-সি, বনানী, ঢাকা।
ফোন: ০১৭১৫১০৫৭৭০,০১৯১৯৩১৮০০৯

16/12/2017
24/11/2017

জেনে নিন ভারতীয় ট্রেন ও এয়ার টিকিটের ভাড়া.
==============================
অনেকে ভারতের বিভিন্ন স্থানে যাতায়ত করতে যাচ্ছেন কিন্তু ভারতীয় ট্রেন ও এয়ার টিকিটের ভাড়া জানা নেই।তাই জেনে নিন ভারতীয় ট্রেন ও এয়ার টিকিটের ভাড়া কতঃ

এয়ার টিকেট :
==============
ঢাকা-কলকাতা ৯,৯৯৯/= টাকা (রিটার্ন সহ)
কোলকাতা - চেন্নাই ৩,৮৫০/= টাকা।
কোলকাতা - বেঙ্গালুরু ৪,২০০/= টাকা।
কোলকাতা - দিল্লি ৪,০১৬/= টাকা
কোলকাতা - মুম্বাই ৫,২৮১/= টাকা
কোলকাতা - আহমেদাবাদ ৮,২০৮/= টাকা
কোলকাতা - ভূবনেশ্বর ২,৮২৩/= টাকা
কোলকাতা - শ্রীনগর (একটি ট্রানজিট/দিল্লি) ৭,৪২৩/= টাকা
কোলকাতা - গোয়া ৮,৮৫৫/= টাকা
কোলকাতা - গুয়াহাটি ৩,১৪৯/= টাকা
কোলকাতা - হায়দ্রাবাদ ৩,৯৫৬/= টাকা
কোলকাতা - জয়পুর ৪,৬৮০/= টাকা
কোলকাতা - পূনে ৪,৯৪৪/= টাকা

(উপরে উল্লেখিত মুল্যে এয়ার টিকেট ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বুকিং নিশ্চিত করতে হবে এবং টিকিট প্রাপ্যতার ভিত্তিতে ভাড়া কম/বেশি হতে পারে)

ট্রেন টিকেট :
================
কোলকাতা – ভেলোর ২,৩০০/= টাকা ও ৮৭৮/= টাকা।
কোলকাতা – চেন্নাই ২,২৮২/= টাকা ও ৮৫৬/= টাকা।
কোলকাতা – বেঙ্গালুরু ২,৫৪২/= টাকা ও ৯৬২/=টাকা।
কোলকাতা – মুম্বাই ২,৬৫২/= টাকা ও ১,০০৮/= টাকা।
কোলকাতা - নিউ জলপাইগুড়ি ১,১৩৮/= ও ৪৫৫/= টাকা
কোলকাতা - নিউ জলপাইগুড়ি (শতাব্দী এক্সপ্রেস) এসি চেয়ারকার ১,৫০০/= টাকা
কোলকাতা - হায়দ্রাবাদ ২,১৭১/= ও ৮২০/= টাকা
কোলকাতা - জয়পুর ২,১৫১/= ও ৮১২/= টাকা
কোলকাতা - পুনে ২,৫৭৫/= ও ৯৭৫/= টাকা
কোলকাতা - গোয়া ২,৫৭৪/= ও ৯৬২/= টাক্
কোলকাতা – দিল্লি ২,০৮৭/= টাকা ও ৭৮৭/= টাকা।
(রাজধানী এক্সপ্রেস = ২,৯৭০/= টাকা)
(দুরন্ত এক্সপ্রেস = ২৯২৫/= টাকা)

(উপরে উল্লেখিত ট্রেন টিকেটের মূল্য সার্ভিস চার্জ ব্যতীত দেখানো হয়েছে। টিকিট ক্রয় করার ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০ - ১৫ দিন পুর্বে ক্রয় নিশ্চিত করতে হবে নতুবা টিকিট প্রাপ্তির সম্ভাবনা কম থাকে। উপরে উল্লেখিত টিকিটের মুল্য যথাক্রমে 3AC স্লিপার ও সাধারণ স্লিপার সিট এর জন্য প্রযোজ্য।)

05/11/2017

ঘুরে আসুন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ, সুন্দরবন !!

২ রাত / ৩ দিন সুন্দরবন

জনপ্রতি মাত্র ৮০০০ টাকা। ডাবল খাবার মেন্যু (মংলা – সুন্দরবন – মংলা)
জনপ্রতি মাত্র ৭৫০০ টাকা। সিঙ্গেল খাবার মেন্যু (মংলা – সুন্দরবন – মংলা)
(এছাড়া দেশের যেকোনো প্রান্ত থাকা আসার জন্য বাস/ ট্রেন/ বিমান এর টিকেট প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করা হবে ।)

সুন্দরবনের যেসকল স্থান সমূহ ঘুরবঃ
- করমজল
- হাড়বাড়িয়া
- কটকা অভয়ারন্য
- জামতলা-ওয়াচ টাওয়ার
- জামতলা বিচ
- টাইগার হিল
- টাইগার পয়েন্ট
- ত্রিকোণা আইল্যান্ড

সুন্দরবনের গহীনে আকর্ষনীয় সব দর্শনীয় স্থান, এবং দেখতে পারবেন হরিণ, কুমির, বানর সহ অসংখ্য বন্যপ্রানী ও অতিথি পাখি । কপাল ভাল থাকলে পাবেন বাঘ মামার দেখা।

প্যকেজ অন্তর্ভূক্তঃ
বিলাসবহুল লঞ্চ দ্বারা মংলা -সুন্দরবন- মংলা ভ্রমন পরিচালিত।
২ রাত / ৩ দিন সু-সজ্জিত আরামদায়ক ভ্যাসেলের কেবিন।
বনের ভেতরে প্রবেশের ও ভ্রমণের জন্য ছোট নৌকা ।
৩টি ব্রেকফাস্ট + ৩টি লাঞ্চ + ২টি ডিনার + ৬ টি নাস্তা।
ট্যুরের ২য় দিনে শীপের রুফটপ রেস্টুরেন্টে বারবিকিউ ডিনার।

- গোসল এবং খাবার পানির সুবন্দোবস্থা।
- বন বিভাগ থেকে সিকিউরিটি আমর্স গার্ড।
- সুন্দরবনে প্রবেশের পাস, রেভিনিউ।
- অভিজ্ঞ ট্যুরিস্ট গাইড দ্বারা ভ্রমন পরিচালনা।
- দক্ষ সার্ভিস বয় ও ক্রু।
- জেনারেটর ব্যবস্থা ।
- ঘরোয়া পরিবেশে সুস্বাদু, সুরুচি ও পরিচ্ছন্নভাবে সকাল,দুপুর ও রাতের খাবার পরিবেশন। এছাড়া প্রতিদিন দুই বার জলখাবারের ব্যবস্থা।
- চা,কফি,মিনারেল ওয়াটার ও ফল এর সু-ব্যবস্থা।
- সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- বিনোদনের উত্তম ব্যবস্থা।

শিশু পলিসি :
০ - ৩ বছরের বাচ্চাদের কোন খরচ লাগবে না , লঞ্চে বাবা-মায়ের সাথে থাকবে ।
৪-৬ বছরের বাচ্চাদের ৫০% দিতে হবে এডাল্ট প্রাইসের
৭-১২ বছরের বাচ্চাদের ১০০% দিতে হবে এডাল্ট প্রাইসের

যেকোনো প্রয়োজনে মেসেজ করুন।

04/11/2017

কাশ্মীর ট্যুর (ঢাকা-শ্রীনগর-সোনমার্গ-গুলমার্গ-পহেলগাঁও-ঢাকা)
৩১,৫০০/- (১২ রাত ১৩ দিন, বাস + ট্রেন, স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ)
৪২,৫০০/- (০৮ রাত ০৯ দিন, বাস + এয়ার, লাক্সারি প্যাকেজ)
৫১,৫০০/- (০৭ রাত ০৮ দিন, ফুল এয়ার, প্রিমিয়াম প্যাকেজ)
১২ মাসের কিস্তি (EMI) ২৯৫০/- থেকে শুরু। বুকিং করতে ফোন করুন - ০১৭০৮ ০০৬ ৪৬৮ । বিস্তারিত ট্যুর প্ল্যান নিচে দেয়া হলো...

প্যাকেজে ০৫ রাত ০৬ দিন কাশ্মীর, ০২ রাত কলকাতা, বাস/ট্রেন/এয়ার টিকেট, সকাল ও রাতের খাবার এবং প্রাইভেট কারে অভিজ্ঞ গাইডসহ ঘোরাঘুরি অন্তর্ভুক্ত। প্রিমিয়াম প্যাকেজে কলকাতার পরিবর্তে দিল্লী অবস্থান করতে পারবেন। ঈদ, হানিমুন, শিক্ষা সফর, ফ্যামিলি, স্টুডেন্ট, কাস্টমাইজড ও কর্পোরেট স্পেশাল প্যাকেজ রয়েছে। রয়েছে সঠিক মূল্যের নিশ্চয়তা। কাশ্মীর ট্যুরে সবচেয়ে সেরা সার্ভিসের গ্যারান্টি দিচ্ছি একমাত্র আমরাই। সার্বক্ষণিক একজন বাঙ্গালী গাইড এবং ট্যুর কোঅর্ডিনেটর এর সহযোগিতা পাবেন। ট্যুর প্যাকেজ চাইলে আপনি কাস্টমাইজ করতে পারেন। বুকিংয়ে ডিসকাউন্ট প্রদান করা হয়।

✿ এই ট্যুরে ঘুরবেন:
------------------------------------------------------------------------------
>শ্রীনগর: ডাল লেক, শিকারা রাইড, মোগল গার্ডেন, হজরত বাল মসজিদ, পরীমহল, নিশাতবাগ, নাগিন লেক, চশমেশাহী, শালিমার গার্ডেন, বোটানিক্যাল গার্ডেন, বাদামওয়ারি জামে মসজিদ
>গুলমার্গ: বরফ রাজ্যে গন্ডোলা এবং পনি রাইড
>সোনমার্গ: বরফ রাজ্য, থাজিয়াস গ্লেসিয়ার, জিরো পয়েন্ট
>পহেলগাঁও: আপেল ও জাফরান বাগান, অবন্তিপুর, বাইসারান, বেতাব ভ্যালি, আরু ভ্যালি, চন্দনওয়ারি, পেহেলগাম ভিউপয়েন্ট

✿ ভারতীয় ভিসা প্রসেসিং:
------------------------------------------------------------------------------
ইন্ডিয়ান ভিসা ই-টোকেন করতে খরচ পড়বে ৫০০ টাকা। ভিসা প্রসেসিং এর ব্যাপারে যেকোনো সহযোগিতায় ফোন করুন ০১৭০৮ ০০৬ ৪৬৮

✿ বিস্তারিত প্যাকেজ মূল্য:
------------------------------------------------------------------------------

>স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ: ৩১,৫০০/- থেকে শুরু
------------------------------------------------------------------------------
১২ রাত ১৩ দিন এর প্যাকেজ। ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা এসি বাস + কলকাতায় ৩* স্ট্যান্ডার্ড হোটেল (২ রাত) + কলকাতা-জম্মু-কলকাতা এসি ট্রেন + কাশ্মীরে ৩* স্ট্যান্ডার্ড হোটেল (৫ রাত) + ৬ দিন সার্বক্ষণিক প্রাইভেট কার এ ঘোরাঘুরি + অভিজ্ঞ গাইড + হোটেলে থাকাকালীন সকাল ও রাতের খাবার খরচ এর অন্তর্ভুক্ত।

যেকোনো দিন ন্যূনতম ০৪ জনের গ্ৰুপ হলে মূল্য: ৩১,৫০০/- (প্রাপ্তবয়স্ক), ১৬,৫০০/- (৩-৭ বছর), ফ্রি (০-৩ বছর)। কাপল (০২) জন হলে জনপ্রতি ৩০০০/- অতিরিক্ত খরচ হবে।

>লাক্সারি প্যাকেজ: ৪২,৫০০/- থেকে শুরু
------------------------------------------------------------------------------
০৮ রাত ০৮ দিন এর প্যাকেজ। ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা এসি বাস + কলকাতা ৩* স্ট্যান্ডার্ড হোটেল (২ রাত) + কলকাতা-শ্রীনগর-কলকাতা বিমান/এয়ার + কাশ্মীরে ৩* স্ট্যান্ডার্ড হোটেল (৫ রাত) + ৬ দিন সার্বক্ষণিক প্রাইভেট কার এ ঘোরাঘুরি + অভিজ্ঞ গাইড + হোটেলে থাকাকালীন সকাল ও রাতের খাবার খরচ এর অন্তর্ভুক্ত।

যেকোনো দিন ন্যূনতম ০৪ জনের গ্ৰুপ হলে মূল্য: ৪২,৫০০/- (প্রাপ্তবয়স্ক), ৩৯,৫০০/- (৭-১২ বছর), ৩৪,৫০০/- (৫-৭ বছর), ১৮,৫০০/- (৩-৫ বছর), ৪৫০০/- (০-২ বছর)। ৩* ডিলাক্স হোটেলে থাকলে জনপ্রতি অতিরিক্ত ৪৫০০/- এবং ৪* স্ট্যান্ডার্ড হোটেলে থাকলে জনপ্রতি ৮৫০০/- লাগবে।

>প্রিমিয়াম প্যাকেজ: ৫১,৫০০/- থেকে শুরু
------------------------------------------------------------------------------
০৭ রাত ০৮ দিন এর প্যাকেজ। ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা বিমান/এয়ার + কলকাতা ৩* স্ট্যান্ডার্ড হোটেল (২ রাত) + কলকাতা-শ্রীনগর-কলকাতা বিমান/এয়ার + কাশ্মীরে ৩* স্ট্যান্ডার্ড হোটেল (৫ রাত) + ৬ দিন সার্বক্ষণিক প্রাইভেট কার এ ঘোরাঘুরি + অভিজ্ঞ গাইড + হোটেলে থাকাকালীন সকাল ও রাতের খাবার খরচ এর অন্তর্ভুক্ত।

যেকোনো দিন ন্যূনতম ০৪ জনের গ্ৰুপ হলে মূল্য: ৫১,৫০০/- (প্রাপ্তবয়স্ক), ৪৯,৫০০/- (৭-১২ বছর), ৩৮,৫০০/- (৫-৭ বছর), ২৬,৫০০/- (২-৫ বছর), ৯৫০০/- (০-২ বছর)। ৩* ডিলাক্স হোটেলে থাকলে জনপ্রতি অতিরিক্ত ৪৫০০/- এবং ৪* স্ট্যান্ডার্ড হোটেলে থাকলে জনপ্রতি ৮৫০০/- লাগবে।

------------------------------------------------------------------------------
>বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্যাকেজের মূল্য সর্বনিম্ন বিমান ভাড়ার নিরিখে হিসাব করা হয়েছে। বিমান টিকেটের প্রাপ্যতার ওপর প্যাকেজের মূল্য নির্ভর করে। ক্রিসমাস, ঈদের ছুটি বা বিশেষ কোনো ছুটিতে বিমান ভাড়া বেশি হয়। সেক্ষেত্রে ২/১ মাস পূর্বে বুকিং করলে এই রেট পাওয়া যাবে।

✿ বিস্তারিত ট্যুর প্ল্যান:
------------------------------------------------------------------------------

>>লাক্সারি প্যাকেজ:
ঢাকা থেকে কলকাতা যাত্রা
রাত ১০:৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ভলভো এসি বাসে করে কলকাতার উদ্দেশ্য রওনা।
সারারাত: বাসে অবস্থান
দিন ①: কলকাতায় ঘোরাঘুরি ও রাত্রিযাপন
সকাল ১১ টার দিকে কলকাতায় পৌঁছবেন। তারপর হোটেলে পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে বিশ্রাম নেবেন। বিকেলে এবং সন্ধ্যায় নিজের মতো করে কলকাতা শহর দেখবেন।
রাত্রিযাপন: কলকাতা Dinner

>>প্রিমিয়াম প্যাকেজ:
দিন ①: বিমানে সরাসরি কলকাতায় যাওয়া, ঘোরাঘুরি ও রাত্রিযাপন
সকালে ঢাকা থেকে এয়ার এ কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। দুপুর নাগাদ কলকাতা/দিল্লী পৌঁছবেন। আমাদের প্রতিনিধি আপনাদের নিয়ে হোটেলে যাবে। তারপর ফ্রেশ হয়ে বিশ্রাম নেবেন।
রাত্রিযাপন: কলকাতা/দিল্লী Dinner

দিন ②: কলকাতা/দিল্লী থেকে বিমানে সরাসরি ভূস্বর্গ কাশ্মীর পৌঁছানো
কলকাতা/দিল্লী বিমানবন্দর থেকে সকালে বিমানে শ্রীনগরের উদ্দেশ্যে যাত্রা। শ্রীনগর এয়ারপোর্টে আমাদের বিশেষ কাশ্মীর প্রতিনিধি আপনাদের স্বাগত জানাবেন এবং আপনাদের নিয়ে সরাসরি হোটেলে পৌঁছবেন।
রাত্রিযাপন: শ্রীনগর Breakfast & Dinner

দিন ③: পহেলগাঁও
আজ রওনা হবো আমরা কাশ্মীরের অন্যতম সুন্দর পাহাড়ি শহর পহেলগাঁও। একদিকে পাইন, চিনার, দেবদারুতে ছাওয়া, ঘন সবুজ ঢেউ খেলানো প্রান্তর, অন্যদিকে বরফে মোড়া পাহাড় চূড়া। এখানে বলে রাখি, পহেলগাওঁ এ এসে আপনাদের স্থানীয় গাড়ী ভাড়া করতে হবে যদিও আপনাদের জন্য ৬ দিনের জন্য সার্বক্ষণিক গাইডসহ গাড়ি থাকবে। ঘোরাঘুরি শেষ হলে আবার আমাদের গাড়িতে করে হোটেলে ফিরে আসবেন। এটাই এখানকার নিয়ম। আজ ঘুরবেন চান্দানওয়ারি, বেতাব ভ্যালী এবং আরু ভ্যালী। ঘোরাঘুরি শেষ হলে আবার আমাদের গাড়িতে করে হোটেলে ফিরে আসবেন। থাকবো আমরা পহেলগাওঁ।
রাত্রিযাপন: পহেলগাওঁ Breakfast & Dinner

দিন ④: শ্রীনগর - কাশ্মীরের রাজধানী
আজ ঘুরে বেড়াবেন শ্রীনগর, কাশ্মীরের মূল পর্যটনকেন্দ্র। এখানকার অন্যতম আকর্ষণ ডাল লেক। এই লেককে ঘিরে গড়ে উঠেছে কাশ্মীরের পর্যটন বাণিজ্য। শিকারায় চেপে ডাল লেকে ঘোরা এক দারুন অভিজ্ঞতা। আজ দেখবেন নাগিন লেক, মোঘল উদ্যান, ডাল লেকের পারে পাহাড়ের কোলে অবস্থিত চশমেশাহী, নিশাত বাগ, শালিমার বাগ, নেহেরু পার্ক। ঘুরে দেখবেন ডাল লেকের বুকে চারচিনার দ্বীপ। দেখবেন বাদামওয়ারি জামে মসজিদ এবং হজরত বাল মসজিদ, এখানে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) একটি দাড়ি মোবারক সংরক্ষিত আছে। শ্রীনগরে কাশ্মীরি অনেক দারুন সব পণ্য আছে। চুটিয়ে ঘোরাঘুরির সময় এবং রাতে শপিং করতে পারেন।আজ রাতে থাকবেন ডাল লেকের উপর ভাসমান হাউসবোটে। এই হাউসবোট একেবারেই কাশ্মীরের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। স্বয়ংসম্পূর্ণ এই হাউসবোটে আছে কার্পেটমোড়া বাথ সংলগ্ন ঘর - লিভিং রুম, ডাইনিং রুম। ছাদে বসে উপভোগ করুন লেকের জলে সূর্যাস্ত। শুধু সৌন্দর্য নয়, উপভোগ করুন ডাল লেকের বুকে বয়ে চলা রোজকার জীবনযাত্রাও। শিকারায় এসে দোকানিরা বিক্রি করেন বহুবর্ণ রঙিন ফুল, ফল, শাল ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় নানা জিনিস।
রাত্রিযাপন: ডাল লেক সংলগ্ন হাউসবোট Breakfast & Dinner

দিন ⑤: গুলমার্গ
ফরাসি ভাষায় গুল মানে ফুল, তাই গুলমার্গ মানে ফুলের উপত্যকা। গ্রীষ্ম ও বসন্তে ফুলের মেলা বসে ছবির মতো এই শান্ত শহরে। চারদিকে পাইন গাছের সারি, মখমলের মতো সবুজ ঘাসে ঢাকা ময়দান, দূরে দেখা বরফে মোড়া পাহাড়, সঙ্গে প্রশান্তি আনা হিমালয়ের নির্জনতা - এই নিয়েই বিশ্বের অন্যতম সেরা বিউটি স্পট গুলমার্গ। গন্ডোলা বা রোপওয়ে যাত্রা গুলমার্গের সেরা আকর্ষণের মধ্যে অন্যতম। আফারওয়াট থেকে চারধারের নৈসর্গিক দৃশ্য এককথায় অসাধারণ। আফারওয়াট ঘুরে আসতে পারেন দু' কিলোমিটার দূরে আলপাথর লেক, যা বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে জমে থাকে। স্লেজে চেপেও এক -দেড় ঘন্টায় ঘুরে আসতে পারেন আলপাথার থেকে। পনি রাইড, গন্ডোলা রাইড, গলফ খেলা সহ বিভিন্ন ইভেন্টের খরচ নিজেদের বহন করতে হবে। আমাদের গাইড এ ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা করবেন। সারাদিন আনন্দ উপভোগ করে নিজস্ব প্রাইভেট কারে করে সন্ধ্যায় আপনারা হোটেলে ফিরে আসবেন। রাতে থাকবো শ্রীনগর/গুলমার্গ।
রাত্রিযাপন: শ্রীনগর/গুলমার্গ Breakfast & Dinner

দিন ⑥: সোনমার্গ
আজ যাত্রা করবেন সোনমার্গ। সোনমার্গ মানে সোনার বাগান বা তৃণভূমি। নয়ন-ভুলানো সবুজের মাঝে মন-ভোলানো শান্ত-স্নিগ্ধ-মনোরম সোনমার্গ। সোনমার্গে ঘোড়ায় চড়ে সমুদ্র থেকে ৯০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত থাজিয়াস গ্লেসিয়ার এ পৌঁছে উপভোগ করুন হিমালয় এর অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। সোনমার্গে সবসময়ই বরফ দেখা যায়। শীতকালে বরফের চাদর গায়ে দিয়ে সোনমার্গ আরেক অনন্য রূপ ধারণ করে। তখন সমগ্র উপত্যকাটি হয়ে উঠে একটি আদর্শ স্কি-গ্রাউন্ড। সন্ধ্যায় নিজস্ব প্রাইভেট কারে করে শ্রীনগরে ফিরে আসবেন।
রাত্রিযাপন: শ্রীনগর Breakfast & Dinner

দিন ⑦: শ্রীনগর থেকে কলকাতা/দিল্লীর উদ্দেশ্যে রওনা ও কলকাতায় রাত্রিযাপন
সকালে ব্রেকফাস্ট করে আমরা চলে আসবো শ্রীনগর বিমানবন্দরে। তারপর শ্রীনগর থেকে বিমানে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা। ভায়া নিউ দিল্লী। কলকাতায় পৌঁছলে আমাদের প্রতিনিধি আপনাদের নিয়ে হোটেলে যাবে। তারপর ফ্রেশ হয়ে বিশ্রাম নেবেন। বিকেলে এবং সন্ধ্যায় নিজের মতো করে কলকাতা শহর দেখবেন। কলকাতায় শপিং এবং ব্যক্তিগত কাজকর্ম সারুন।
রাত্রিযাপন: কলকাতা Breakfast & Dinner

দিন ⑧: কলকাতা-ঢাকা
>>লাক্সারি প্যাকেজ:
কলকাতা থেকে ঢাকা যাত্রা। সকালে কলকাতা থেকে ভলভো এসি বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা। Breakfast
>>প্রিমিয়াম প্যাকেজ:
কলকাতা/দিল্লী থেকে ঢাকা যাত্রা। সকালে কলকাতা/দিল্লী থেকে এয়ার এ ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। দুপুর নাগাদ ঢাকায় পৌঁছবেন ইনশাল্লাহ। Breakfast

স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজে কলকাতা থেকে জম্মু যেতে ২ দিন ২ রাত ট্রেনে অবস্থান করতে হবে। আসার সময়ও একই সময় লাগবে। বিস্তারিত এখানে আছে- https://www.facebook.com/vromon.com.bd/posts/1799467460066615

সাথে থেকে যাবে কাশ্মীরের কিছু সুখময় স্মৃতি। দেহটা থাকবে শুধু প্লেনে, মনটা ভেসে বেড়াবে ভূস্বর্গের ফুলে ফুলে ভরা পাহাড়ি উপত্যকায়, পর্বতের ঢালে পাইন ও ফারের বনে, অনিন্দ্যসুন্দর রাজকীয় মোগল উদ্যানে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

✿প্যাকেজে যা অন্তর্ভুক্ত:
------------------------------------------------------------------------------
>সার্বক্ষণিক একজন বাঙ্গালী গাইড এবং ট্যুর কো-অর্ডিনেটর এর সহযোগিতা
>ঢাকা-শ্রীনগর-ঢাকা যাতায়াত খরচ
>কাশ্মীরে ঘোরাঘুরির জন্য সার্বক্ষণিক গাড়ি এবং অভিজ্ঞ গাইড
>২ রাত কলকাতা/দিল্লী থাকা
>৩ রাত শ্রীনগরে থাকা
>১ রাত ডাল লেকের উপর ভাসমান হাউসবোটে অবস্থান
>১ রাত পহেলগাঁও এ থাকা
>ডাল লেক এ শিকারা রাইড
>সকল হোটেলে অবস্থানকালে সকালের নাস্তা এবং রাতের খাবার
>৪ রাত ট্রেনে অবস্থান (স্ট্যান্ডার্ড/সাশ্রয়ী প্যাকেজ এ)
>3AC রিটার্ন টিকেট সহ কলকাতা থেকে জম্মু ট্রেন ভ্রমণ (স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ এ)
>এয়ারপোর্ট/জম্মু স্টেশন হতে পিক আপ এন্ড ড্রপ
>মূল্য সংযোজন কর/ ভ্যাট
>ড্রাইভার্স টোল, ট্যাক্স ও পার্কিং এর ইত্যাদি ভাতা
>যোগাযোগের জন্য কাশ্মীরে একটি সিম প্রদান করা হবে

✿প্যাকেজে যা অন্তর্ভুক্ত নয়:
------------------------------------------------------------------------------
>ভিসা প্রসেসিং ফি
>ট্রেনের খাবার, রাজধানী এক্সপ্রেসে গেলে ভিন্ন কথা, মূল্য ও সে অনুসারে পরিবর্তন হবে
>দুপুরের খাবার
>ট্রাভেল ট্যাক্স
>বর্ডার টিপস
>ব্যক্তিগত মেডিকেল ইন্স্যুরেন্স
>প্রবেশ ফি
>পহেলগাঁও এর আরু ভ্যালী, বেতাব ভ্যালী, চন্দনওয়ারি দেখার খরচ
>শোনমার্গের জিরো পয়েন্টে গিয়ে হিমবাহ দেখার খরচ
>গুলমার্গের গন্ডোলা রাইডের খরচ
>সকল ব্যক্তিগত খরচ যেমন, টিপস, লন্ড্রি, টেলিফোন, পানীয়, চিকিৎসা ও শপিং খরচ
>পনি রাইডের খরচ
>যদি খুব বেশি বরফ পড়ে তবে গুলমার্গ রোড বন্ধ হয়ে যাবে তবে ১০ কিমি. পূর্বে ট্যাংমার্গ থামতে হবে।
>মঠ প্রবেশ ফি, ক্যামেরা ফি, এবং স্মৃতিস্তম্ভ নির্দেশিকা সেবা
>গাড়ির সেবা অবসর দিন এবং ভ্রমণপথ অনুযায়ী ঘুরে বেড়ানোর সফর শেষে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না
>অন্যান্য নিজস্ব খরচ

কাশ্মীরে ভ্রমণে আপনাদের জন্য সার্বক্ষণিক গাড়ি থাকবে কিন্তু পহেলগাওঁ ও সোনমার্গে ঘোরাঘুরির জন্য ওখানকার গাড়ী ভাড়া করতে হবে। যেমন, পহেলগাওঁ থেকে আরু ভ্যালী ও চন্দনওয়ারি যেতে ভাড়া ১৮০০ - ২৫০০ রুপি (৩-৬ জনের ক্যাব/জীপ গাড়ি)। পহেলগাওঁ ৬ পয়েন্ট (পেহেলগাম ভিউপয়েন্ট, ধাবিয়ান, বাইসারান, কানিমার্গ, কাশ্মীর ভ্যালী ভিউ পয়েন্ট, ওয়াটার ফল) ঘোড়ায় প্রতিজনের ১৫০০-২০০০ রুপি, অথবা পয়েন্ট টু পয়েন্ট পনি রাইডের খরচ ৩০০ রুপির মতো। এদিকে সোনামার্গ থেকে থাজিওয়াস হিমবাহ এবং জিরো পয়েন্ট গাড়ী ভাড়া ৬০০০- ৮০০০ রুপি (৩-৬ জনের ক্যাব/জীপ গাড়ি)। গুলমার্গে গন্ডোলা রাইডের খরচ জনপ্রতি ৭০০ রুপি (ফেজ-১, গুলমার্গ-কাংদুরি), ৯০০ রুপি (ফেজ-২, কাংদুরি-আফারওয়াট), চেয়ার লিফট- ২৫০ রুপি (কাংদুরি-মেরী শোল্ডার)

✿অতিরিক্ত শর্তাবলী:
------------------------------------------------------------------------------
>প্রাকৃতিক দুর্যোগ / রাস্তা অবরোধ/ রাজনৈতিক অস্থিরতা/ ট্রেন/বিমান বাতিল বা সময়সূচি পরিবর্তন হলে গ্রাহককে পূর্বেই জানিয়ে দেওয়া হবে এবং সেই সংক্রান্ত সকল খরচ সরাসরি গ্রাহকদেরকে বহন করতে হবে।
>প্যাকেজের মূল্য সর্বনিম্ন বিমান ভাড়ার নিরিখে হিসাব করা হয়েছে। বিমান টিকেটের প্রাপ্যতার ওপর প্যাকেজের মূল্য নির্ভর করে।
>বাচ্চার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বেড লাগলে মূল্য পরিবর্তন হবে।

✿বাস/ট্রেন/হোটেল:
বাস- শ্যামলী/সোহাগ/সৌদিয়া/গ্রীনলাইন, ট্রেন- জম্মু তাওয়াই/হিমগিরি এক্সপ্রেস/রাজধানী এক্সপ্রেস, বিমান- রিজেন্ট/স্পাইসজেট/ইন্ডিগো/ভিস্তারা/বাংলাদেশ বিমান
হোটেল: এক্সিকিউটিভ টাওয়ার বা এর সমমানের (কলকাতা), হোটেল বোম্বে প্যালেস বা এর সমমানের ৩* স্ট্যান্ডার্ড হোটেল (পহেলগাওঁ), হোটেল ট্রাইডেন কাশ্মীর বা এর সমমানের ৩* স্ট্যান্ডার্ড হোটেল (শ্রীনগর), হোটেল গ্র্যান্ড মুমতাজ বা এর সমমানের ৪* স্ট্যান্ডার্ড হোটেল (শ্রীনগর/পহেলগাওঁ)
অনলাইনে হোটেল গুলোর মান যাচাই করতে পারবেন। সেরা হোটেলই আমরা প্রদান করবো। এ ব্যাপারে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।

✿কেনাকাটা:
কেনাকাটা করতে চাইলে পাওয়া যাবে পেপারমেশের ফুলদানি, আসবাব, কাঠের আসবাব, নানা ধরণের গয়নাগাটি, শীতবস্থ, শাল। চাইলেই কাঠের টেবিল, কার্পেট পার্টিশান কিছু অগ্রিম সহ বুক করা যাবে। কুরিয়ারে পাঠাবার ব্যাবস্থা করা হয়। বাকি টাকা দিতে হয় জিনিস হাতে নেওয়ার সময়। যে কোনো জিনিসই দরাদরি চলে। শ্রীনগরে কেনাকাটার জায়গা ডাল গেটের আশপাশ। লালচক ,রেসিডেন্সি রোড ,বুলেভার্ড ও পোলো ভিউ। পশমিনা শাল। আখরোট, জাফরান, মসলা। হাউজবোটে ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালাদের শিকারা হতে হাতে তৈরি গহনার বাক্স, ছোট কয়েন ব্যাগ, মেয়েদের হাতব্যাগ, শো-পিস এসব।

✿খাবার দাবার:
কাশ্মীর শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভূস্বর্গ নয়, খানাপিনায়ও ভুবনখ্যাত। কাশ্মীরি নানান খাদ্যের পদ মুখে দিলে আপনি হারিয়ে যাবেন অন্য আরেক স্বর্গে, রসনাবিলাসের অপার সাগরে।

কাশ্মীর যেন বেকারির দেশ। নানা ধরণের সুস্বাদু রুটি পাওয়া যাবে প্রায় সব জায়গায়। সবচাইতে বেশি চলে চায়ের সঙ্গে খাওয়ার কুলচা আর লাওয়াস রুটি। পাওয়া যায় বিশেষ ধরনের রুটি তেলোর আর বাকারখানিও। আছে নিমকা আর গিরদা রুটি ও অসংখ্য ধরণের কেক। চায়ের দোকানে চা চাইলেই চায়ের সঙ্গে কোনো একটা বা কেকের টুকরা মিলে যায় ,শালিমার গার্ডেনের উল্টোদিকে চায়ের দোকানে গরম গরম শিককাবাব আর রুটি দিয়ে রোডসাইট লাঞ্চ জিভে লেগে থাকবে অনেক দিন।

কাবাব মোগলাই চাইনিজ - সব ধরণের খাবার মিলবে শ্রীনগরের লালচকের আশপাশের হোটেল রেস্তোরাঁয়। ডাল লেকের উল্টোদিকে রাস্তায় খাওয়ার দারুন জায়গা নাথু স্যুইটস ও রেস্টুরেন্ট। এখানকার আলু -পরোটা ,গোবিপরোটা আর গাজরের হালুয়া মনকাড়া। হাউসবোটে থাকলে একদিন লাঞ্চ বা ডিনার থাকে খাঁটি কাশ্মীরি খানা। মাখন মাখানো তুলতুলে রুটি হাক (শাক) ,পাঁচমেশানো ডাল ,সবজি আর স্যালাডের সেই খানা একবার খেলে ইচ্ছা হবে বারবার খেতে। ডাল লেকের পদ্মার ডাঁটার পদও সুস্বাদু। মাংসের বিশেষ পদ খেতে চাইলে কাবাব ,কোরমা বাদেও রিস্তা, মির্চমাস ,দোপিঁয়াজে দেওয়া হয়। বেগুনের ভর্তা ,সোর ওয়াঙ্গন, সুক ওয়াঙ্গনও জিবে জল আনে।

কাশ্মীরি খাদ্য (ডিশ): ওয়াজওয়ান, গুস্তাবা, রিশতা, রোগানজোশ, তাবাকমাজ, কাশ্মীরি বিরিয়ানি, কাশ্মীরি চিকেন, কাশ্মীরি মাটন কারী, কাশ্মীরি মিক্সড ভেজিটেবল ডেজার্ট: সুফতা বেকারিজ আইটেম: নানখাতাই, কাকচা, কুলচা, ফ্রুটকেক, কুকিজ পানীয়: কাহওয়া, আপেল জুস

✿কাশ্মীর ভ্রমণে দরকারি কিছু টিপস :
>যেখানেই যাবেন পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন
>কাশ্মীর মুসলিম প্রধান (৯৯%)। তাই মুসলিম হলে পরিচয় দিলে সুবিধা পাবেন। আর একটি কথা কাশ্মীরীরা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে খুব পছন্দ করে এবং সাকিব আল হাসানের খুবই ভক্ত। তাই বাংলাদেশী পরিচয় দিন নির্দ্বিধায়। ‪‬‬

✿ট্রাভেল ট্যাক্স:
ট্রাভেল ট্র্যাক্স ৫০০ টাকা যাবার আগে সোনালী ব্যাংকের যেকোন শাখায় দিয়ে দিলেই হবে তাহলে সীমান্তে আর এই ঝামেলাটা থাকবে না।

Address

Main Gulshan Avenue
Dhaka
1212

Telephone

+8801717101067

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apon Tours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category