মক্কা আরাফা হজ্জ ট্রাভেলস

মক্কা আরাফা হজ্জ ট্রাভেলস সত্য ও সততার সাথে

যাদের পাসপোর্ট রেডি আছে দ্রুত আজ কালের মধ্যে যোগাযোগ করলে ভালো হয় ইনশাআল্লাহ।
30/06/2026

যাদের পাসপোর্ট রেডি আছে দ্রুত আজ কালের মধ্যে যোগাযোগ করলে ভালো হয় ইনশাআল্লাহ।

26/06/2026
হজ ২০২৬ (১৪৪৬ হিজরি) মৌসুম শেষ হওয়ার পর হাতীমে (হিজর ইসমাঈল) নামাজ আদায়ের সুযোগ আবারও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী উন্মুক্ত...
23/06/2026

হজ ২০২৬ (১৪৪৬ হিজরি) মৌসুম শেষ হওয়ার পর হাতীমে (হিজর ইসমাঈল) নামাজ আদায়ের সুযোগ আবারও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী উন্মুক্ত করা হচ্ছে। 🤍

আজ, সোমবার ২২ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে নতুন সময়সূচি

🕌 পুরুষদের জন্য
🕙 রাত ১০টা থেকে মধ্যরাত পেরিয়ে রাত ১টা পর্যন্ত

🕌 নারীদের জন্য
🕕 সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত

হাতীম এমন একটি স্থান, যেটিকে কাবা শরীফের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই অনেক মুসল্লিই এখানে দুই রাকাত সালাত আদায়ের সুযোগকে বিশেষ সৌভাগ্য মনে করেন।

আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে তাঁর ঘরের কাছে দাঁড়িয়ে ইবাদত করার তাওফিক দান করেন। আমীন। 🤲

📌 সূত্র: হারামাইন

🕌 মসজিদে নববীর অন্যতম ঐতিহাসিক প্রবেশদ্বার বাবুস সালাম (باب السلام)💠 মদিনা মুনাওয়ারায় আগত অসংখ্য হাজী ও ওমরাহযাত্রীর হ...
23/06/2026

🕌 মসজিদে নববীর অন্যতম ঐতিহাসিক প্রবেশদ্বার বাবুস সালাম (باب السلام)

💠 মদিনা মুনাওয়ারায় আগত অসংখ্য হাজী ও ওমরাহযাত্রীর হৃদয়ের বিশেষ একটি মুহূর্ত হলো এই গেট দিয়ে মসজিদে নববীতে প্রবেশ করা।

✅ বাবুস সালাম (গেট নং ১) মসজিদে নববীর পশ্চিম পাশে অবস্থিত। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিমরা এই পথ দিয়ে প্রবেশ করে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর রওজা মুবারকের সামনে সালাম পেশ করার সৌভাগ্য অর্জন করে আসছেন।

💚 যখন একজন মুমিন প্রথমবার বাবুস সালাম গেট দিয়ে মসজিদে নববীতে প্রবেশ করেন, তখন তার হৃদয়ে এক অনন্য অনুভূতির জন্ম হয়। চোখে অশ্রু, মুখে দরুদ, আর অন্তরে থাকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি সীমাহীন ভালোবাসা।

🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে তাঁর ঘরের মেহমান হওয়ার এবং প্রিয় নবী ﷺ-এর রওজা মোবারকে সালাম পেশ করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

➡️ আপনিও কি মদিনা মুনাওয়ারা সফরের স্বপ্ন দেখছেন? আপনার অনুভূতি কমেন্টে লিখুন।

মক্কা আরাফা হজ্জ ট্রাভেলস ✈️

🕋 হজ, ওমরাহ ও আন্তর্জাতিক এয়ার টিকেটের বিশ্বস্ত সঙ্গী
📲 01750532393
----------------------------------------

#মসজিদে_নববী #বাবুস_সালাম #মদিনা_মুনাওয়ারা #ওমরাহ_বাংলাদেশ াহ

📢 গুরুত্বপূর্ণ আপডেটসৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় গত মৌসুমের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ভিত্তিতে ২১টি উমরাহ কোম্পানির ...
14/06/2026

📢 গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় গত মৌসুমের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ভিত্তিতে ২১টি উমরাহ কোম্পানির কার্যক্রম স্থগিত করেছে।

▪️ ১৫টি কোম্পানি দুর্বল সেবা ও নিম্নমানের পারফরম্যান্সের কারণে স্থগিত হয়েছে।
▪️ ৬টি কোম্পানির বিরুদ্ধে নিয়ম ও বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সেবার মান উন্নয়ন, নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিতকরণ এবং উমরাহ যাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর নামাজের পর থেকে নিয়ে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত সময়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ আমল আছে। কি করতে হবে এই কয়দিন...
27/05/2026

জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর নামাজের পর থেকে নিয়ে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত সময়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ আমল আছে। কি করতে হবে এই কয়দিন? প্রত্যেক "ফরজ" নামাজের পর অন্তত একবার ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ এই তাকবির পড়বো। এই তাকবিরটার নাম হচ্ছে 'তাকবিরে তাশরিক', আর এই কয়দিন ফরজ নামাজের পরে এটা পড়া যে ওয়াজিব!

আল্লাহ রাব্বুল আ'লামিন বলেন: ‘যেন তারা নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।’(সুরা হজ, আয়াত নাম্বার ২৮)। এই আয়াতের ব্যাখ্যায় ইবনে আব্বাস (রা:) ও ইবনে কাসির (রহ:) উভয়ে মত দিয়েছেন: ‘আল্লাহর স্মরণ’ বলতে এখানে তাকবিরে তাশরিক আর নির্দিষ্ট দিনগুলো বলতে বোঝানো হয়েছে এই তাকবির দেয়ার দিনগুলোকে (মতান্তরে জিলহজ্জের ১১,১২ ও ১৩ তারিখ)।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন: এই দিনগুলোতে তাকবিরে তাশরিকের আমলের চেয়ে অন্য কোনো দিনের আমল উত্তম নয়...(বুখারি শরীফ, হাদিস নাম্বার ৯৬৯)

তাশরিকের দিনগুলোতে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পুরুষদের ওপর উচ্চস্বরে একবার তাকবিরে তাশরিক বলা ওয়াজিব। আর নারীরা নিচুস্বরে পড়বে, যাতে নিজে শোনে। ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়া হোক বা একাকী, ওয়াক্তের মধ্যে পড়া হোক বা কাজা, নামাজি ব্যক্তি মুকিম হোক বা মুসাফির, শহরের বাসিন্দা হোক বা গ্রামের -- সবার ওপর ফরজ নামাজের পর একবার তাকবিরে তাশরিক বলা ওয়াজিব। ফরজ নামাজের পর তাকবির বলতে কেউ ভুলে গেলে, স্মরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকবির পড়ে নেবে।

তার মানে, আমাদের প্রত্যেকের অবশ্য কর্তব্য হবে এই কয়ওয়াক্ত ফরজ নামাজের শেষে নিজে মনে করে করে এই তাকবির পাঠের আমল করা এবং অন্যকে স্মরণ করানো...

আজ সবাই মিনা তাবুতে অবস্থান করছেন ও করবেনআজ তারবিয়াহর দিন — ৪টা কথা যা অনেকেই জানেন নাআজ ৮ই জিলহজ্জ সৌদি আরবের চাঁদ অনু...
25/05/2026

আজ সবাই মিনা তাবুতে অবস্থান করছেন ও করবেন

আজ তারবিয়াহর দিন — ৪টা কথা যা অনেকেই জানেন না

আজ ৮ই জিলহজ্জ সৌদি আরবের চাঁদ অনুযায়ী ।

হাজিরা এখন মিনার পথে রওনা হচ্ছেন।

কিন্তু একটা প্রশ্ন আছে —

এই দিনটাকে কেন "তারবিয়াহর দিন" বলা হয়? এই দিনটা কি শুধুই হাজিদের জন্য? ঘরে বসে থাকা আমাদের জন্য এই দিনে করার কিছু আছে?

কারণ তারবিয়াহর দিন শুধু একটা তারিখ না। এই দিনটার পেছনে আছে ইতিহাস, আছে নাম রাখার গল্প, আছে আমাদের জন্যও বিশেষ সুযোগ।

আজকের পোস্টে আমরা সেই ৪টি কথার দিকে তাকাবো — যা অনেকেই জানেন না।

তারবিয়াহর দিন সম্পর্কে সংক্ষেপে

৮ই জিলহজ্জকে "ইয়াওমুত তারবিয়াহ" বলা হয়।

হজের মূল কার্যক্রম এই দিন থেকেই শুরু।

হাজিরা এই দিন মক্কা থেকে মিনায় যান। সেখানে রাত কাটান। তারপর ৯ই জিলহজ্জ সূর্যোদয়ের পর আরাফাহর দিকে রওনা হন।

কিন্তু এই দিনটার ৪টা কথা আছে, যা অনেকেই জানেন না।

কথা ১: "তারবিয়াহ" নামের পেছনে একটা অসাধারণ গল্প আছে

"তারবিয়াহ" শব্দটা আরবি।

এর অর্থ নিয়ে দুটো ব্যাখ্যা আছে।

প্রথম ব্যাখ্যা — এই শব্দ এসেছে "রাওয়া" থেকে, যার অর্থ পানি পান করানো। প্রাচীনকালে হাজিরা এই দিনে মিনার দীর্ঘ পথের জন্য পানি সংগ্রহ করতেন। তাই এই দিনকে "পানির দিন" বলা হতো।

দ্বিতীয় ব্যাখ্যা আরও গভীর।

ইব্রাহিম (আ.) ঠিক এই রাতে স্বপ্নে দেখলেন — তিনি তাঁর পুত্রকে কুরবানি দিচ্ছেন।

সকালে উঠে তিনি গভীরভাবে ভাবলেন — এটা কি আল্লাহর পক্ষ থেকে, নাকি শয়তানের ওয়াসওয়াসা?

আরবিতে এই গভীরভাবে চিন্তা করাকে "তারাওয়ায়া" বলে।

সেই চিন্তার দিন থেকেই এই দিনের নাম হয়েছে তারবিয়াহ।

এই কথার শিক্ষা কী?

এটা শেখায় — বড় সিদ্ধান্তের আগে গভীরভাবে ভাবতে হয়।

ইব্রাহিম (আ.) তাড়াহুড়া করেননি। থেমেছিলেন। ভেবেছিলেন। নিশ্চিত হয়েছিলেন। তারপর এগিয়েছিলেন।

আজ আমরা অনেক সিদ্ধান্ত আবেগে নিই, ভেবে নিই না।

তারবিয়াহর দিন মনে করিয়ে দেয় — থামো। ভাবো। নিশ্চিত হও। তারপর আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও।

কথা ২: মিনা শুধু তাঁবুর শহর নয়

হাজিরা এই দিন মিনায় যান।

মিনা হলো মক্কার কাছে একটি উপত্যকা। হজের সময় সেখানে লক্ষ লক্ষ সাদা তাঁবু।

কিন্তু মিনার গুরুত্ব শুধু তাঁবুর জন্য নয়।

এখানেই ইব্রাহিম (আ.) ইসমাঈল (আ.)-কে কুরবানি দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। এখানেই শয়তান তিনবার তাঁকে বিভ্রান্ত করতে এসেছিল। এখানেই তিনি শয়তানকে পাথর মেরেছিলেন।

মিনা নামটি যেভাবে এলো! পবিত্র মক্কা নগরীর পূর্ব দিকে পাহাড়বেষ্টিত একটি এলাকা মিনা। মক্কা ও মুজদালিফায় যাওয়ার পথে এর অবস্...
21/05/2026

মিনা নামটি যেভাবে এলো!

পবিত্র মক্কা নগরীর পূর্ব দিকে পাহাড়বেষ্টিত একটি এলাকা মিনা। মক্কা ও মুজদালিফায় যাওয়ার পথে এর অবস্থান।

পবিত্র মসজিদুল হারাম থেকে ৬ কিলোমিটার দূরত্বে এটি অবস্থিত। এর উত্তর-পূর্বে ‘জামরায়ে আকবা’ এবং দক্ষিণ-পূর্বে ‘ওয়াদিয়ে মাহসার’ রয়েছে। শরয়িভাবে এটি ১৬.৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

মিনায় লাখ লাখ হাজির অবস্থানের জন্য বিভিন্ন কম্পানি, সংস্থা ও সরকারি সহযোগিতায় তাঁবু স্থাপন করা হয়। তাঁবু সাদা রঙের হওয়ায় চারদিক শুভ্রতায় ছেয়ে যায়। তাই অনেকে মিনাকে ‘সাদা তাঁবুর নগরী’ও বলে।

রাসুল (সা.) ও আনসারিদের মাঝে প্রথম উকবা ও দ্বিতীয় উকবার বাইআত বা শপথ মিনাতেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এখান থেকেই রাসুল (সা.)-এর মদিনায় হিজরতের কার্যক্রম শুরু হয়।

মিনা হজের গুরুত্বপূর্ণ বিধি-বিধান পালনের স্থান হিসেবে সুপরিচিত।

হজের কার্যক্রম মূলত মিনা থেকেই শুরু। গোসল করে ইহরাম পরে জোহরের আগেই হাজিরা মিনায় আসতে থাকে। সেখানেই রাত যাপন করে।

১০ তারিখ ঈদুল আজহার দিনে হাজিরা মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় আসে। সেদিন জামরায়ে আকবায় পাথর নিক্ষেপ করে হাজিরা ‘হাদি’ কোরবানি করে। চুল কেটে বা ছোট করে প্রাথমিকভাবে হালাল হয়। অতঃপর হারামে ‘তাওয়াফে ইফাজা’ আদায় করে আইয়ামুত তাশরিকের (১০, ১১, ১২ তারিখ) দিনগুলোতে মিনায় থাকে। এ সময়ে ধারাবাহিকভাবে জামরায়ে সুগরা, উসতা ও কুবরায় সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করে।

মিনা ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতিবিজড়িত স্থান। এখানে ইবরাহিম (আ.) নিজ পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি দেওয়ার জন্য এনেছিলেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যখন ইসমাইল বুদ্ধিমান হলো ইবরাহিম তাকে বলল, স্বপ্নে দেখি তোমাকে আমি জবাই করছি, এখন তোমার কী মত? সে বলল, হে পিতা, আপনার রবের আদেশ আপনি পালন করুন। আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন। তারা উভয়ে আল্লাহর হুকুম পালন করে। ইসমাইলকে তার পিতা উপুড় করে যখন শোয়ায় তখন আমি ডাক দিই, হে ইবরাহিম, তুমি স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছ...। ’ (সুরা সফফাত, আয়াত : ১০৩)

‘মিনা’ নাম কিভাবে এলো

অনেকের মতে, সেখানে অধিক পরিমাণে জবাই করা হয়, তাই এ স্থানকে মিনা বলা হয়। কারো কারো মতে, আরবরা কোনো স্থানে বেশি মানুষের সমাগম হলে সেটিকে ‘মিনা’ বলে অভিহিত করে। মোট কথা হলো, যেহেতু এ স্থানে অধিক পরিমাণে কোরবানির জন্তু জবাই করা হয় এবং লাখ লাখ হাজি অবস্থান করে, তাই এটি ‘মিনা’ নামে পরিচিত।

Address

Flat 4A, House 29, Road 12, Sector 10, Uttora
Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মক্কা আরাফা হজ্জ ট্রাভেলস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category