দেশ আমার

দেশ আমার travel & tourism (ঘুরাঘুরি)

দেশ আমার।
এই পেইজটা মুলত আমার দেশকে নিয়েই।
আমি যেমন আরেকজনের চোখে দেখে নিজের দেশ দেখতে উৎসাহিত হয়েছি তেমনি আমারটা দেখে যদি আরেকজন আমাদের এই অতীত-ইতিহাস সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে দেখতে বের হয়, সেখানেই আমার প্রাপ্তি।

'মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা' সহ অনেক বিখ্যাত গানের রচয়িতা অতুলপ্রসাদ সেন। উনার শেষজীবন কেটেছে ভারতের লক্ষেষ্...
13/10/2019

'মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা' সহ অনেক বিখ্যাত গানের রচয়িতা অতুলপ্রসাদ সেন। উনার শেষজীবন কেটেছে ভারতের লক্ষেষ্টৗতে।

কিন্তু শ্রীপুর থেকে প্রায় ১২/১৪ কিলো পরে কাওরাইদ স্টেশনে থেকে হাটা পথে সুতিয়া নদীর ধার ঘেঁষে অতুলপ্রসাদ সেনের সমাধির দেখা মিলে। সমকাল পত্রিকায় রাজীব নূর ভাইয়ের একটা ফিচার দেখে ২০১৬ সালে গিয়েছিলাম কাওরাইদে। সম্প্রতি গ্রুপের হেরিটেজ ট্যুর এর পর ওখানকার জঙ্গলাকীর্ণ ছবি দেখে অবাক হচ্ছি, এই ৩/৪ বছরে জায়গাটার একী হাল!

শ্রীপুরের কাওরাইদ ইউনিয়নের কাওরাইদ গ্রামেই ছিল ভাওয়ালের জমিদার কালীনারায়ণ গুপ্তের কাছারিবাড়ি। তাই এ এলাকায় কালীনারায়ণ গুপ্ত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একটি ব্রাহ্মমন্দির। ব্রাহ্মমন্দির লাগোয়া সমাধিতে রয়েছে তার কালীনারায়ণ ও কেজি গুপ্ত নামে সমধিক পরিচিত স্যার কৃষ্ণগোবিন্দ গুপ্তের সমাধিও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কালীনারায়ণ বৃত্তি দেওয়া হয় তা এই এই কালীনারায়ণের নামেই। অর্থমূল্যের কারণে বৃত্তিটা আকর্ষণ হারালেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মলগ্নে এই বৃত্তির মূল্য ছিল অনেক।

গাজীপুরের ইতিহাস নিয়ে প্রচুর গবেষনা করেছেন ড. ফরিদ আহমদ। উনার মতে, এখানে আলোচ্য যে সমাধিগুলো তাতে কারোরই মৃতদেহ নেই, চিতাভস্ম রয়েছে। তারা ভারতের লক্ষেষ্টৗ, এবং লন্ডনে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। যে যেখানে মারা গেছেন, সেখানেই তাদের চিতা হয়েছে। পরবর্তীতে চিতাভস্ম এনে কাওরাইদে সমাহিত করা হয়েছে। ধারণা করা হয়, ব্রাহ্ম ও হিন্দু রীতি অনুযায়ী সবারই পিণ্ডদান করা হয়েছে পাশের সুতিয়া নদীতে।

এখানে একটা জনপ্রিয় জনশ্রুতি রয়েছে যে, কাওরাইদে কিছু সময়ের জন্য বিশ্বকবি রবীন্দ্র্রনাথ ঠাকুর এসেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ময়মনসিংহে যাওয়ার পথে ট্রেন থেকে এখানে নাকি ব্রাহ্মমন্দিরের উদ্দেশে নেমেছিলেন। তবে প্রামাণ্য কিছু জানা নেই। তবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এসে সপ্তাহখানেক থাকার পর ময়মনসিংহে গিয়েছিলেন। তাই ঘটনা সত্তিও হতে পারে।

বিভিন্ন সময়ে একাজে-ওকাজে বহুবার গাজীপুর সদর গিয়েছি জয়দেবপুর শিববাড়ি মোড় হয়ে। শিববাড়ি মোড় মাস্ট। কারণ ঢাকা থেকে য...
21/01/2019

বিভিন্ন সময়ে একাজে-ওকাজে বহুবার গাজীপুর সদর গিয়েছি জয়দেবপুর শিববাড়ি মোড় হয়ে। শিববাড়ি মোড় মাস্ট। কারণ ঢাকা থেকে যতগুলো গাড়ি, গাজীপুর যেতে হলে শিববাড়ি অবশ্যই নামতে হবে। গত ক'দিন আগে মৃত্যুঞ্জয় রায় এর লেখা না পড়লে জানতামই না এই শিববাড়ি মোড় জয়দেবপুর এর বিখ্যাত ইন্দ্রেশ্বর শিববাড়ি। ১৩৩ বছর আগে রাজা জয়দেব নারায়ণের পুত্র ইন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী এই শিবমন্দির তৈরি করেন। তার নামেই এই মন্দিরের নাম ইন্দ্রেশ্বর শিব মন্দির। আর জায়গাটির নাম শিববাড়ি নামে পরিচিত।
১৩৩ বছরের পুরনো মন্দিরটি এখনো না থাকলেও আনুমানিক দুই ফুট এর চেয়ে উঁচু পাথরের আদি শিবলিঙ্গটি এখনো বর্তমান। মন্দিরের বাইরে তমাল গাছের নিচে সমসাময়িক আরো বড় আরেকটি শিবলিঙ্গ রয়েছে। অনেকে ধারণা করেন তমাল গাছটি ভাওয়াল রাজা ইন্দ্রেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠার সময় লাগিয়েছিলেন।

(সেন্ট অগাস্টিন ক্যাথোলিক চার্চ -মঠবাড়ি ধর্মপল্লী) প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর বনবনানী ঘেরা ধর্মপল্লী মঠবাড়ি। যা গাজীপুর জেলার...
04/12/2016

(সেন্ট অগাস্টিন ক্যাথোলিক চার্চ -মঠবাড়ি ধর্মপল্লী)

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর বনবনানী ঘেরা ধর্মপল্লী মঠবাড়ি। যা গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের একেবারে দক্ষিণে। এই ধর্মপল্লী ‘হিপ্পোর সাধু অগাষ্টিনের গির্জা’ নামে পরিচিত। খ্রিস্টভক্তের সংখ্যা সর্বসাকুল্যে তিন হাজারের কিছু বেশী। ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে মঠবাড়ি নাগরী ধর্মপল্লীর অধীনে ছিল। নাগরী ভাওয়াল অঞ্চলের প্রথম ধর্মপল্লী। মঠবাড়ি ধর্মপল্লীর জনসাধারণকে রবিবারের খ্রিস্টযাগ, বিয়ে, বাপ্তিস্ম, হস্তার্পণ, সমাধিস্থসহ পর্বীয় অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য নাগরী যেতে হত।

১৯২১ খ্রিস্টাব্দে মঠবাড়িকে নাগরীর উপ-ধর্মপল্লী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তারপর ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে মাইলাপুরের মন্ডলী পরিচালক মঠবাড়িকে উপ-ধর্মপল্লী থেকে ধর্মপল্লী ঘোষণা করেন। কালের পরিক্রমায় মঠবাড়ি ধর্মপল্লীর ইট সুরকীর তৈরী পুরনো গির্জা ঘরটি ব্যবহারের উপযুক্ততা হারায়। পরে ২০০৩ সালে নতুন গীর্জা ভবনের কাজের শুরু হয়ে ২০১৩ সালে এই নতুন ভবনের উদ্ধোধন করা হয়।

টঙ্গী স্টেশন রোড থেকে উলুখোলা ব্রীজ পার হয়ে মঠবাড়ি বাজার বাস স্ট্যান্ড - কিছুদিন আগ পর্যন্ত এই রুটই ছিল একমাত্র যাতায়াত পথ, এখন ৩০০ ফিট হয়ে কাঞ্চন ব্রীজের একটু আগেই বাদিকের মোড়ে কয়েক কিলো এগুলেই মঠবাড়ি। দুভাবেই যাওয়া যায় সহজেই। ধারে কাছেই নাগরী, সে আরেক ইতিহাস।

জিপিএস কোঅর্ডিনেট : 23.88672, 90.48424

রানী ময়নামতির প্রাসাদ, কুমিল্লা বিশ্লেষকদের ধারনায় প্রাসাদটি ৮ম থেকে ১২শ শতকের প্রাচীন একটি বৌদ্ধ বিহার। আঞ্চলিক ভাবে পর...
03/12/2016

রানী ময়নামতির প্রাসাদ, কুমিল্লা

বিশ্লেষকদের ধারনায় প্রাসাদটি ৮ম থেকে ১২শ শতকের প্রাচীন একটি বৌদ্ধ বিহার। আঞ্চলিক ভাবে পরিচিত রানী ময়নামতির প্রাসাদ হিসেবে। কুমিল্লা সেনানিবাসের বেশ কাছেই। ঢাকা থেকে কুমিল্লা সেনানিবাসের গেইটে নেমে অটোরিকশায় ১০ টাকা নিবে এই প্রাসাদে পৌছাতে। এলাকার নাম সাবের বাজার। বাজার থেকে উত্তর পশ্চিমে সামান্য ভেতরে সমতল থেকে কিছুটা উঁচুতে এই বিশাল বিহার। ১৯৮৮ সালের নাগাদ এর খনন কাজ শুরু হয়। সমতল থেকে উচ্চতা কম বেশী প্রায় ১৫ মিটার।

জিপিএস কোওরডিনেট 23°29'46.50"N, 91° 6'27.50"E

সাদী মসজিদপাকুন্দিয়া। কিশোরগঞ্জ
26/02/2015

সাদী মসজিদ
পাকুন্দিয়া। কিশোরগঞ্জ

Address

Dhaka

Telephone

01811413826

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দেশ আমার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to দেশ আমার:

Shortcuts

Share