HR Travels Agency

HR Travels Agency Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HR Travels Agency, Travel Agency, Pallabi, Mirpur, Dhaka.

আমরা বিশ্বস্ত আলেমে দ্বীনের তত্ত্বাবধানে হজ ও ওমরা কাফেলা পরিচালনা করি। আমাদের সেবাসমূহ: হজ/ওমরা ভিসা, এয়ার টিকেট, উন্নত হোটেল, মানসম্মত খাবার, যাতায়াত, জিয়ারত ও ধর্মীয় দিকনির্দেশনা। আল্লাহর মেহমানদের আন্তরিক ও সঠিক সেবা দেওয়াই আমাদের অঙ্গীকার।

19/09/2026
11/09/2026

*একটা মাত্র সূত্র জানলেই বোঝা যায় আপনার আমল গ্রহণযোগ্য হচ্ছে কিনা।*
ইখলাস, সুন্নাহ, অন্তরের উপস্থিতি, ধারাবাহিকতা ও আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়ত--এই গুণগুলো না থাকলে কাজের ভিতর প্রাণ থাকে না।
*আসুন একটু সময় নিয়ে বিস্তারিত জানি।*

একটা মাত্র সূত্র জানলেই বোঝা যায় আপনার আমল কেন আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না

এক বৃদ্ধ মায়ের কথা কল্পনা করুন। তিনি পঞ্চাশ বছর ধরে নামাজ পড়েছেন, প্রতি রমজানে রোজা রেখেছেন, বহুবার কুরআন খতম করেছেন। অথচ তাঁর মনে একটা চাপা অস্থিরতা থেকেই যায়—এত আমল করলাম, আল্লাহ কি সত্যিই কবুল করেছেন? এই প্রশ্নটা শুধু তাঁর একার নয়। আমরা প্রায় সবাই আমলের পরিমাণ নিয়ে চিন্তিত থাকি, অথচ আমলের মান নিয়ে খুব কম সময়ই ভাবি।

এই দৃশ্যটা কি চেনা লাগছে? আমরা হিসাব রাখি কত রাকাত নামাজ পড়লাম, কত পারা কুরআন পড়লাম, কত টাকা সদকা দিলাম—সংখ্যার এই দৌড়ে ব্যস্ত থেকে ভুলে যাই, আল্লাহ কখনো বেশি আমলের কথা বলেননি। এই ভুল ধারণাটা ভেঙে যাবে একটা মাত্র আয়াতের গভীর ব্যাখ্যা দিয়ে। আল্লাহ জাল্লা জালালুহু কুরআনে বলেছেন—

الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا

উচ্চারণ: আল্লাযি খালাকাল মাওতা ওয়াল হায়াতা লিয়াবলুওয়াকুম আইয়ুকুম আহসানু আমালা।

অর্থ: তিনিই মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য যে, তোমাদের মধ্যে কে আমলে সবচেয়ে উত্তম। (সূরা মুলক, আয়াত ২)

লক্ষ করুন, আয়াতে বলা হয়নি "কে বেশি আমল করে," বলা হয়েছে "কে সবচেয়ে উত্তম আমল করে।" আমলের সৌন্দর্য নির্ভর করে পাঁচটা গুণের ওপর। এই পাঁচটা গুণ যত বেশি একটা আমলের মধ্যে থাকবে, কিয়ামতের দিন আপনার আমলনামায় সেই আমলের ওজন তত ভারী হবে—পরিমাণ কম হলেও।

প্রথম গুণ ইয়াকিন—দৃঢ় বিশ্বাস। এই মুহূর্তেই আপনি সফল, শুধু আল্লাহর আদেশ পালন করার কারণে; ফলাফল যা-ই হোক, সফলতা ইতিমধ্যে অর্জিত। দ্বিতীয় গুণ ইখলাস—কোনো মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করা। তৃতীয় গুণ আল্লাহর স্মরণ ও তাঁর পুরস্কারের প্রতি মনোযোগ—আল্লাহ এই মুহূর্তে আমাকে দেখছেন, এই সচেতনতা অন্তরে জাগিয়ে রাখা। চতুর্থ গুণ নবীর সুন্নাহ—আমল যেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পদ্ধতি অনুযায়ী হয়, নিজের মনগড়া পদ্ধতিতে নয়। পঞ্চম গুণ মুজাহাদা—নাফসের ইচ্ছার বিপরীতে গিয়ে আমল করা, অনুভূতি সুবিধাজনক হোক বা না হোক।

এখানে একটা ভুল বোঝাবুঝি পরিষ্কার করা দরকার। এর অর্থ এই নয় যে বেশি আমল করা খারাপ। বলছি সমস্যা তখনই হয় যখন আমরা শুধু সংখ্যার দিকে মনোযোগ দিই, আর এই পাঁচটা গুণের কথা ভুলে যাই। হয়তো আপনি একশ রাকাত নফল নামাজ পড়লেন, কিন্তু ইখলাস ছাড়া, শুধু অভ্যাসবশত যান্ত্রিকভাবে—সেই আমল আল্লাহর কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, সেটাই এখানে প্রশ্ন।

আজকের জীবনে এই শিক্ষাটা কাজে লাগানোর একটা সহজ অনুশীলন দিই। আজকের যেকোনো একটা আমল করার আগে এই পাঁচটা প্রশ্ন নিজেকে করুন। এই মুহূর্তে আমার অন্তরে ইয়াকিন আছে তো, যে এই আমলেই সফলতা? আমি কি শুধু আল্লাহর জন্য করছি, নাকি কারো দেখানোর জন্য? আমি কি সচেতন যে আল্লাহ আমাকে দেখছেন? আমি কি নবীর সুন্নাহ মেনে চলছি? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নাফস যদি না চায়, তবুও কি আমি এটা করছি? এই পাঁচ প্রশ্নের উত্তরই বলে দেবে আপনার আমলটা কেন গ্রহণযোগ্য হচ্ছে, বা কেন হচ্ছে না।

আহসান আমলের এই পাঁচটা গুণ, পরিমাণের বদলে মানের এই গুরুত্ব, আর প্রতিটা ছোট আমলকে ওজনদার করে তোলার এই পুরো পদ্ধতি আপনার প্রতিটা আমলের আগে অন্তর নিজে থেকেই এই পাঁচ প্রশ্ন করতে শুরু করবে, ইনশাআল্লাহ।

এবার সততার সাথে নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন—আজকের কোন আমলটা আপনি শুধু অভ্যাসবশত করেছেন, আর কোনটায় সত্যিই এই পাঁচটা গুণ ছিল?

তথ্যসূত্র
কুরআন: সূরা মুলক ৬৭:২

সত্যিকারের আশেকে রাসুলরা এমনই হয়.... প্রিয় নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে। তারা কোনো ...
31/08/2026

সত্যিকারের আশেকে রাসুলরা এমনই হয়....
প্রিয় নবীজি ﷺ-এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে। তারা কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকটির পেছনে দড়ি দিয়ে তার দু’হাত বেঁধে ফেলে।

যুবকটি পুলিশদের জিজ্ঞেস করতে লাগল, তোমাদের কী হয়েছে? আমিতো চোরও নই, ডাকাতও নই, তাহলে আমার সাথে এমন আচরণ করছ কেন❓

দূর থেকে একজন বয়স্ক মুরব্বি পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। তখন তিনি কাছে এসে পুলিশদের বললেন, “আমি এই যুবককে চিনি।”

পুলিশরা তাকে বলল: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন?

মুরব্বি বললেন: আমি তাকে দেখি, সে সব সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে, বসে-বসে দরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটিও করে। তোমরা তাকে গ্রেফতার করেছ কেন? সে কি চোর?

যুবকটি ছিল আলবেনিয়ার নাগরিক, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে। তার মাথাভর্তি ঘাড় বাবরি চুলে আর মুখভর্তি হালকা দাড়িতে।

পুলিশ বলল: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী। সে মদিনায় ছয় বছর ধরে বসবাস করছে, অথচ এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ছয় বছর যাবৎ।

কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর সে আমাদের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়ামাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না!

মুরব্বি পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কী করবে❓
তারা বলল: রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করব। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দেব, তারপর সে আলবেনিয়ায়...

যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল, এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রাসূলের স্মৃতিবিজড়িত মদিনা শহর ছেড়ে যেতে হবে!

কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগল: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কারও সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসার টানে। এছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই।

পুলিশরা বলল: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়। আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে। বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই।

পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববী থেকে বের হয়ে গেল। যুবক পথিমধ্যে তাদের বলল: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন?

পুলিশরা তার অনুরোধ শুনল এবং সুযোগ দিল।
যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলল:

هل هكذا كان الاتفاق بيننا؟!

“ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল!

হে রাসূল! আপনার প্রতিবেশী হব, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি। কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না।”

এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।

পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে। সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে, হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা করছে।

পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠাল। দেখল, সে সত্যিই অচেতন। মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না। তাদের মধ্যে একজন বলল: তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এক্ষুণি অ্যাম্বুলেন্স আনো।

অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরও দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে, সে বেঁচে নেই।

পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি।
এরপর গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।

আলবেনিয়ার পথে রওনা দেওয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার অনুপম উপমা।

~ আরবি লেখক থেকে অনূদিত

26/08/2026

*এক আমল,তিন পুরষ্কার। আল্লাহ নিজেই ঘোষণা করেছেন।*
১. দ্বিগুর রহমত।
2. চলার পথের নুর।
3. আর ক্ষমা। ----সূরা হাদীদের এক আয়াতে আল্লাহ এই তিন পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। আসুন একটু বিস্তারিতভাবে পড়ি।

এক আমলে তিনটা পুরস্কার — আল্লাহ কুরআনে নিজেই এই অফারটা ঘোষণা করেছেন

একটা দৃশ্য কল্পনা করুন। আপনার এলাকার কোনো দোকান ঘোষণা দিল — একটা জিনিস কিনলে সাথে তিনটা ফ্রি। কী হবে? পরদিন সকাল থেকে দোকানের সামনে লম্বা লাইন পড়ে যাবে। মানুষ রোদে দাঁড়িয়ে থাকবে, ধাক্কাধাক্কি করবে, ফেসবুকে পোস্ট দেবে — এমন অফার তো জীবনে একবারই আসে।

অথচ আশ্চর্যের কথা শুনুন। কুরআনের একটা আয়াতে আল্লাহ জাল্লা জালালুহু এর চেয়ে অনেক বড় একটা অফার ঘোষণা করে রেখেছেন — এক আমলের বিনিময়ে তিনটা পুরস্কার। ঘোষণাটা চৌদ্দশ বছর ধরে খোলা আছে, মেয়াদ শেষ হওয়ার কোনো তারিখ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হলো — সেই লাইনে আমরা কয়জন দাঁড়িয়েছি?

আয়াতটা নিজের চোখে দেখুন —

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَآمِنُوا بِرَسُولِهِ يُؤْتِكُمْ كِفْلَيْنِ مِن رَّحْمَتِهِ وَيَجْعَل لَّكُمْ نُورًا تَمْشُونَ بِهِ وَيَغْفِرْ لَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

উচ্চারণ: ইয়া আইয়ুহাল্লাজিনা আমানুত তাকুল্লাহা ওয়া আমিনু বিরাসুলিহি ইউ'তিকুম কিফলাইনি মির রাহমাতিহি ওয়া ইয়াজআল লাকুম নুরান তামশুনা বিহি ওয়া ইয়াগফির লাকুম, ওয়াল্লাহু গাফুরুর রাহিম।

অর্থ: হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় করো এবং তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনো। তিনি তোমাদেরকে তাঁর রহমতের দ্বিগুণ অংশ দান করবেন, তোমাদেরকে এক নূর দান করবেন — যার আলোতে তোমরা চলবে, আর তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, দয়াময়। (সূরা হাদিদ, আয়াত ২৮)

এবার আয়াতটা ভেঙে ভেঙে দেখি — অফারের শর্ত কী, আর পুরস্কার কী কী।

শর্ত মাত্র একটাই — তাকওয়ার সাথে ঈমান। আল্লাহকে ভয় করে চলা, আর তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। এটাই সেই "এক আমল।" খেয়াল করুন, আল্লাহ কোনো অসম্ভব শর্ত দেননি — পাহাড় সরাতে বলেননি, সম্পদের পাহাড় দান করতে বলেননি। বলেছেন এমন কিছু, যা রিকশাচালক থেকে কোটিপতি — সবার সাধ্যের ভেতরে।

এবার পুরস্কারগুলো দেখুন, একটা একটা করে।

প্রথম পুরস্কার — কিফলাইনি মির রাহমাতিহি, রহমতের দ্বিগুণ অংশ। একটা নয়, দুইটা ভাগ। আল্লাহ চাইলে এক ভাগেই আমাদের জীবন ভরে যেত — তিনি ঘোষণা দিলেন দ্বিগুণের। যিনি অফুরন্ত ভান্ডারের মালিক, তাঁর "দ্বিগুণ" শব্দটার ওজন একবার ভেবে দেখুন।

দ্বিতীয় পুরস্কার — নুরান তামশুনা বিহি, এমন এক নূর যার আলোতে চলা যায়। এই পুরস্কারটাই সবচেয়ে গভীর। খেয়াল করুন — আল্লাহ বলেননি "দেখার নূর," বলেছেন "চলার নূর।" অর্থাৎ এটা কোনো তত্ত্বীয় আলো নয় — এটা জীবনের প্রতিটা মোড়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আলো। কোন ব্যবসায় নামব, কোন প্রস্তাবটা ফিরিয়ে দেব, কোন সঙ্গ ছাড়ব — যে মানুষটার অন্তরে এই নূর আছে, সে অন্ধকারেও পথ দেখে। আর যার নেই, সে দিনের আলোতেও হোঁচট খায়। আমাদের চারপাশে কত মানুষ দেখি — শিক্ষা আছে, বুদ্ধি আছে, অথচ জীবনের সিদ্ধান্তগুলোতে বারবার ভুল পথে যাচ্ছে। কারণ চলার জন্য চোখের আলো যথেষ্ট নয় — লাগে অন্তরের আলো।

তৃতীয় পুরস্কার — ওয়া ইয়াগফির লাকুম, আর তিনি ক্ষমা করে দেবেন। পেছনের জীবনের সব ভুল, সব গুনাহ, সব অন্ধকার অধ্যায় — মুছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। ভেবে দেখুন, দুনিয়ার কোনো অফারে কি অতীত মুছে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে? দোকানের অফার আপনাকে নতুন জিনিস দেয়, কিন্তু পুরনো ঋণ মাফ করে না। আল্লাহর এই অফারে সামনের পথের আলোও আছে, পেছনের বোঝা নামানোর ব্যবস্থাও আছে।

তাহলে হিসাবটা মিলান। এক শর্ত — তাকওয়াসহ ঈমান। তিন পুরস্কার — দ্বিগুণ রহমত, চলার পথের নূর, আর পূর্ণ ক্ষমা। আর ঘোষণার শেষে আল্লাহ নিজের দুটো নাম মনে করিয়ে দিলেন — গাফুরুর রাহিম, পরম ক্ষমাশীল, দয়াময়। যেন বলছেন — সংশয় রেখো না, যিনি ঘোষণা দিচ্ছেন তাঁর স্বভাবই ক্ষমা করা, দয়া করা।

এখন আসল প্রশ্নটায় ফিরি। দোকানের অফারে লাইন পড়ে, আর আল্লাহর অফারের লাইনটা ফাঁকা থাকে কেন? কারণ দোকানের পুরস্কারটা চোখে দেখা যায়, হাতে ধরা যায়। আর আল্লাহর পুরস্কারটা দেখতে হয় ঈমানের চোখে। যার অন্তরে সেই চোখ খুলেছে, সে জানে — হাতে ধরা জিনিস কয়দিন পর পুরনো হয়, আর অন্তরের নূর কবরের অন্ধকারেও সাথে যায়।

আজকের জীবনে এই শিক্ষাটা কাজে লাগানোর একটা সহজ উপায় বলি। আজ দিনের যেকোনো একটা মুহূর্তে, যখন দুটো পথের মাঝে দাঁড়াবেন — একটা আল্লাহর পছন্দের পথ, আরেকটা নাফসের পছন্দের — তখন এই আয়াতটা মনে করুন। নিজেকে বলুন — এই ছোট্ট তাকওয়াটাই আমাকে সেই লাইনে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে, যে লাইনের পুরস্কার দ্বিগুণ রহমত, চলার নূর আর ক্ষমা। দেখবেন, সিদ্ধান্তটা সহজ হয়ে গেছে।

এবার একটু ভাবুন তো — তিনটা পুরস্কারের মধ্যে কোনটা এই মুহূর্তে আপনার জীবনে সবচেয়ে বেশি দরকার? দ্বিগুণ রহমত, চলার পথের নূর, নাকি ক্ষমা? — নিজের প্রয়োজনটা চিনতে পারলে দোয়াটাও গভীর হয়।
(এইচ আর ট্রাভেলস হজ এবং ওমরার বিশ্বস্ত একটি প্রতিষ্ঠান) ২০২৭ সালে হজের জন্য যোগাযোগ করুন
01676-277889

*তায়েফ — রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর স্মৃতিবিজড়িত এক ঐতিহাসিক ভূমি*ইসলামের সুমহান দাওয়াত নিয়ে যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ তায়েফে আগমন কর...
21/08/2026

*তায়েফ — রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর স্মৃতিবিজড়িত এক ঐতিহাসিক ভূমি*

ইসলামের সুমহান দাওয়াত নিয়ে যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ তায়েফে আগমন করেন, তখন সেখানকার অবিশ্বাসীরা তাঁর আহ্বান গ্রহণ তো দূরের কথা, বরং তাঁকে অকথ্য নির্যাতনের শিকার করে। তারা রাস্তার পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখে, উচ্ছৃঙ্খল লোকদের তাঁর পেছনে লেলিয়ে দেয় এবং পাথর নিক্ষেপ করে তাঁর পবিত্র দেহ মুবারক রক্তাক্ত করে ফেলে।
অথচ সেই কঠিন মুহূর্তেও তিনি তাদের বিরুদ্ধে বদদোয়া না করে হিদায়াতের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেছিলেন। ধৈর্য, সহনশীলতা ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন তিনি।
আজও তায়েফের পাহাড়-পর্বত, উপত্যকা ও জনপদ যেন সেই হৃদয়বিদারক ঘটনার নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—সত্যের পথে চলতে হলে ত্যাগ, ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর অটল ভরসা থাকা কতটা প্রয়োজন।

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 🖤

সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র মসজিদুল হারামের মা তাফ (তাওয়াফের স্থান) এলাকার নিচে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ভূগর্ভস্থ অংশ হলো জ...
20/08/2026

সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র মসজিদুল হারামের মা তাফ (তাওয়াফের স্থান) এলাকার নিচে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ভূগর্ভস্থ অংশ হলো জমজম বেসমেন্ট। ১৯৬২ সালে তৈরি এই বেসমেন্ট থেকে হাজিরা একসময় জমজম কূপের পানি সরাসরি দেখতেন ও পান করতেন। তবে ২০০৩ সালে মা তাফ এলাকা বড় করার জন্য সাধারণের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে বেসমেন্টটি মাটির নিচে ঢেকে দেওয়া হয়।

জমজম বেসমেন্টের ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা

তৈরি: ১৯৬২ সালে বাদশাহ সৌদের আমলে মা তাফ সম্প্রসারণের সময় এটি তৈরি হয়।

ব্যবহার: এখান থেকে পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে জমজম কূপের পাম্প ও পানি দেখার সুযোগ ছিল। বালতি দিয়ে পানি তোলার প্রথা বাদ দিয়ে এখানে কল বসানো হয়েছিল।

বন্ধ ঘোষণা: ২০০৩ সালের জুলাই মাসে তাওয়াফকারীদের ভিড় সামলাতে এবং জায়গা বাড়াতে এটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়।

বর্তমান সুবিধা: এখন কূপের মুখটি বেসমেন্টের নিচে সিল করা আছে। তবে মসজিদের বিভিন্ন জায়গায় আধুনিক ফাউন্টেন ও কুলারের মাধ্যমে জমজম পানি সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে।

জমজম কূপের ইতিহাস, বর্তমান পানির সরবরাহ ব্যবস্থা কিংবা অন্য কোনো বিষয়ে কি আপনি আরও কিছু জানতে চান?
৷৷ এইচ আর ট্রাভেলস'" হজ এবং ওমরার একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন চলছে।

18/08/2026

🌿 রিজিক বৃদ্ধির চারটি আমল
চারটি আমল রিজিকের দরজা খুলে দেয়—
১️⃣ রাতের সালাত (তাহাজ্জুদ) আদায় করা।
২️⃣ ফজরের পূর্বে বেশি বেশি ইস্তিগফার করা।
৩️⃣ নিয়মিত ও অঙ্গীকারবদ্ধভাবে সদাকাহ করা।
৪️⃣ দিনের শুরু ও শেষে আল্লাহর জিকির করা।

🌸 ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) তাঁর লেখায় এসব আমলের মাধ্যমে রিজিক ও বরকত লাভের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এসব আমল করার তাওফিক দিন এবং আমাদের রিজিকে হালাল ও অফুরন্ত বরকত দান করুন। আমিন।

#এইচ আর ট্রাভেলস # হজ্ব ও উমরাহর একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

16/08/2026

একটা মাত্র গুণ থাকলে আল্লাহ ব্যক্তিগতভাবে আপনার সাথে সুসংবাদ পাঠান

বিপদে পড়লে মানুষ কী করে, একটু ভাবুন। প্রতিবেশী এসে সমবেদনা জানায়, বন্ধুরা ফোন করে সান্ত্বনা দেয়, আত্মীয়রা উপদেশ দেয় — ধৈর্য ধরো, সব ঠিক হয়ে যাবে। এই সহানুভূতিগুলো মূল্যবান, কিন্তু এগুলো তো মানুষের পক্ষ থেকে আসে। মানুষ ভুল করতে পারে, ভুলে যেতে পারে, দূরে সরে যেতে পারে।

কিন্তু কুরআনে এমন একটা দলের কথা বলা হয়েছে, যাদের কাছে বিপদের মুহূর্তে সরাসরি আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ পৌঁছায় — মানুষের মধ্যস্থতা ছাড়া, সরাসরি স্রষ্টার কাছ থেকে। এই দলটা কারা, আর কীভাবে এই সুসংবাদ তাদের কাছে পৌঁছায়, আয়াতগুলো একটু গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখুন —

وَلَنَبْلُوَنَّكُم بِشَيْءٍ مِّنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِّنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنفُسِ وَالثَّمَرَاتِ ۗ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ ۞ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ ۞ أُولَٰئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ

উচ্চারণ: ওয়া লানাবলুয়ান্নাকুম বিশাইয়িম মিনাল খাওফি ওয়াল জু'ই ওয়া নাকসিম মিনাল আমওয়ালি ওয়াল আনফুসি ওয়াস সামারাত, ওয়া বাশশিরিস সাবিরিন। আল্লাজিনা ইজা আসাবাতহুম মুসিবাতুন কালু ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। উলাইকা আলাইহিম সালাওয়াতুম মির রাব্বিহিম ওয়া রাহমাহ, ওয়া উলাইকা হুমুল মুহতাদুন।

অর্থ: আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং সম্পদ, প্রাণ ও ফলফসলের ক্ষতির মাধ্যমে। আর সুসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদের — যাদের ওপর কোনো বিপদ আসলে তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই কাছে ফিরে যাব। তাদের ওপরই তাদের রবের পক্ষ থেকে অনুগ্রহ ও রহমত বর্ষিত হয়, আর তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত। (সূরা বাকারা, আয়াত ১৫৫-১৫৭)

তিনটা আয়াত, তিনটা ধাপ। একটা একটা করে দেখুন।

প্রথম আয়াতে আল্লাহ একটা কঠিন সত্য ঘোষণা করছেন — পরীক্ষা আসবেই। ভয়, ক্ষুধা, সম্পদহানি, প্রিয়জনের মৃত্যু, ফসলের ক্ষতি — এই পাঁচটা ধরনের বিপদের কথা বলা হয়েছে, যেগুলো একজন মানুষের জীবনের প্রায় সব ধরনের কষ্টকে ঢেকে ফেলে। খেয়াল করুন, আল্লাহ বলেননি "যদি পরীক্ষা আসে," বলেছেন "অবশ্যই পরীক্ষা করব।" অর্থাৎ এই দুনিয়ায় বিপদ আসাটা ব্যতিক্রম নয়, নিয়ম। কিন্তু ঠিক এই কঠিন ঘোষণার পরপরই আসে এক আশ্চর্য নির্দেশ — "সুসংবাদ দাও সাবিরিনদের," ধৈর্যশীলদের। কষ্টের ঘোষণার সাথে সাথেই সুসংবাদের প্রতিশ্রুতি — এই সংযুক্তিটাই বলে দেয়, বিপদ আর সুসংবাদ একসাথেই আসে, একটা আরেকটার বিপরীত নয়।

দ্বিতীয় আয়াতে আল্লাহ সেই "সাবিরিন" বা ধৈর্যশীলদের চিহ্নিত করে দিলেন — কারা তারা। এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ধৈর্যশীল হওয়ার সংজ্ঞা কী? চোখের পানি না ফেলা? কষ্ট প্রকাশ না করা? না। আল্লাহ বললেন — যাদের ওপর বিপদ এলে তারা বলে "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন," নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই জন্য, আর নিশ্চয়ই তাঁরই কাছে ফিরে যাব। এই একটা বাক্যের ভেতরে দুইটা স্বীকারোক্তি লুকানো। প্রথম — আমি নিজেও, আমার সম্পদও, আমার প্রিয়জনও — সবকিছুই মূলত আল্লাহর, আমার মালিকানা কখনো সম্পূর্ণ ছিল না। দ্বিতীয় — একদিন সবকিছু তাঁরই কাছে ফিরে যাবে, এটা শুধু সময়ের ব্যাপার। যে অন্তর এই দুইটা সত্য মেনে নিয়ে বিপদের মুখোমুখি হয়, তার কান্না থাকলেও ভাঙন থাকে না।

তৃতীয় আয়াতে আসে সেই বহুল আকাঙ্ক্ষিত সুসংবাদটা নিজেই। "আলাইহিম সালাওয়াতুম মির রাব্বিহিম ওয়া রাহমাহ" — তাদের ওপর তাদের রবের পক্ষ থেকে সালাওয়াত (বিশেষ অনুগ্রহ ও প্রশংসা) এবং রহমত বর্ষিত হয়। আলিমগণ ব্যাখ্যা করেছেন, এখানে "সালাওয়াত" মানে আল্লাহ ফেরেশতাদের মজলিসে তাঁর বান্দার প্রশংসা করেন। ভাবুন এই দৃশ্যটা — একজন মানুষ একা ঘরে বসে বিপদের মুহূর্তে "ইন্না লিল্লাহি" বলছেন, আর ঠিক তখনই ঊর্ধ্বজগতে ফেরেশতাদের সামনে তাঁর নাম উচ্চারিত হচ্ছে প্রশংসার সাথে। এটাই সেই ব্যক্তিগত সুসংবাদ, যা কোনো মানুষ পৌঁছে দিতে পারে না — শুধু আল্লাহই পৌঁছান।

আর আয়াতের শেষ শব্দটাও গভীর — "উলাইকা হুমুল মুহতাদুন," তারাই প্রকৃত হিদায়াতপ্রাপ্ত। ভাবুন, হিদায়াতের সংজ্ঞা এখানে শুধু সঠিক আকিদা বা সঠিক আমল নয় — হিদায়াত মানে বিপদের মুহূর্তে সঠিক প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষমতা। যে মানুষ নামাজ-রোজায় নিয়মিত, কিন্তু বিপদে ভেঙে পড়ে আল্লাহকে দোষারোপ করেন, আর যে মানুষ বিপদেও "ইন্না লিল্লাহি" বলে স্থির থাকেন — দ্বিতীয়জনকেই আল্লাহ বলছেন প্রকৃত হিদায়াতপ্রাপ্ত।

এখন নিজের জীবনের দিকে ফিরে তাকান। শেষ কবে আপনার জীবনে একটা বিপদ এসেছিল? সেই মুহূর্তে আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়াটা কী ছিল? হতাশা, রাগ, "কেন আমার সাথেই এমন হলো" — এই প্রশ্ন, নাকি সেই দুইটা স্বীকারোক্তি — আমি আল্লাহরই, আর তাঁরই কাছে ফিরে যাব? এই একটা মুহূর্তের প্রতিক্রিয়াই বলে দেয়, আপনি সেই বিশেষ সুসংবাদপ্রাপ্ত দলে আছেন কি না।

আজকের জীবনে এই শিক্ষা কাজে লাগানোর একটা সহজ অনুশীলন দিই। "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন" বাক্যটা আজ থেকে শুধু কারো মৃত্যুর সংবাদে বলার জন্য তুলে রাখবেন না। মোবাইল হাত থেকে পড়ে স্ক্রিন ভেঙে গেলে, বাজারে কিছু হারিয়ে গেলে, ছোট কোনো ক্ষতির মুখোমুখি হলে — সেখানেও এই বাক্যটা অভ্যাস করুন। ছোট ছোট বিপদে এই বাক্যের অনুশীলন করলে বড় বিপদের সময় এটা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুখে আসবে, আর অন্তরে সেই দুইটা স্বীকারোক্তির গভীরতাও ধীরে ধীরে জমতে থাকবে।

এইচ আর ট্রাভেলস

Address

Pallabi, Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HR Travels Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category