HR Travels Agency

HR Travels Agency Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HR Travels Agency, Travel Agency, Pallabi, Mirpur, Dhaka.

আমরা বিশ্বস্ত আলেমে দ্বীনের তত্ত্বাবধানে হজ ও ওমরা কাফেলা পরিচালনা করি। আমাদের সেবাসমূহ: হজ/ওমরা ভিসা, এয়ার টিকেট, উন্নত হোটেল, মানসম্মত খাবার, যাতায়াত, জিয়ারত ও ধর্মীয় দিকনির্দেশনা। আল্লাহর মেহমানদের আন্তরিক ও সঠিক সেবা দেওয়াই আমাদের অঙ্গীকার।

31/07/2026

হাশরের ময়দানে একজন পিতাকে জান্নাতুল ফিরদাউসে অর্থ্যাৎ জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে সম্মানিত করা হবে।

তিনি ফেরেশতাদেরকে জিজ্ঞেস করবেন, আমি তো দুনিয়ার জীবনে এতো আমল করি নি, আমি এখানে কিভাবে এলাম?

ফেরেশতারা উত্তর দিবেন, দুনিয়াতে আপনার সন্তানের দোয়ার জন্য আল্লাহ্ তায়ালা আপনাকে ক্ষমা করেছেন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসে সম্মানিত করেছেন।
(*আমরা আমাদের সন্তানদের দ্বীনদার বানানোর প্রতি যত্নবান হই।*)

`ইবনে মাজাহ ৩৬৬০`
এইচ আর ট্রাভেলস
হজ্জ ও উমরাহর একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
যোগাযোগ 01676-277889
. 01766616343

24/07/2026
🕌 মসজিদে নববীর সেই স্থান, যেখানে শাহাদাতের আঘাতে লুটিয়ে পড়েছিলেন হযরত উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)মসজিদে নববীর প্রতিটি কোণ যে...
23/07/2026

🕌 মসজিদে নববীর সেই স্থান, যেখানে শাহাদাতের আঘাতে লুটিয়ে পড়েছিলেন হযরত উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)

মসজিদে নববীর প্রতিটি কোণ যেন ইসলামের ইতিহাসের এক একটি জীবন্ত সাক্ষী। তেমনই একটি স্থান স্মরণ করিয়ে দেয় এমন এক ভোরের কথা, যা মুসলিম উম্মাহ কখনো ভুলতে পারবে না।

২৩ হিজরির জিলহজ মাসের শেষ দিকে, বুধবার ফজরের সালাতে ইমামতি করানোর জন্য মসজিদে নববীতে উপস্থিত হন আমিরুল মুমিনীন হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।

সালাত শুরু হওয়ার ঠিক মুহূর্তে আবু লুলু ফিরোজ নামের এক ব্যক্তি হঠাৎ তাঁর ওপর ধারালো দ্বিমুখী ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মুসল্লিদের সতর্ক করে বলেন—

"ওকে ধরো! সে আমাকে হত্যা করেছে।"

আক্রমণকারী পালানোর চেষ্টা করলে উপস্থিত মুসল্লিদের ওপরও হামলা চালায়। এতে আরও কয়েকজন সাহাবি আহত হন। এরপর হযরত আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এগিয়ে এসে সালাত সম্পন্ন করেন।

হযরত উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে তাঁর ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জানতে পারেন, তাঁর ওপর হামলাকারী ছিল আবু লুলু ফিরোজ। তখন তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন যে, তাঁর হত্যাকারী এমন ব্যক্তি নয়, যে আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি সিজদাও করেছে।

আঘাত ছিল অত্যন্ত গুরুতর। তিন দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর ১ মহররম, ২৪ হিজরিতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। আহত অবস্থায়ই তিনি উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর কাছে রাসূলুল্লাহ ﷺ ও হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পাশে দাফনের অনুমতি প্রার্থনা করেন। তিনি সম্মতি দিলে হযরত উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর পুত্রকে নির্দেশ দেন, তাঁর ইন্তিকালের পর যেন আবারও অনুমতি চাওয়া হয়। তাঁর শাহাদাতের পর পুনরায় অনুমতি নিয়ে তাঁকে সেই পবিত্র হুজরায় রাসূলুল্লাহ ﷺ ও হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পাশে দাফন করা হয়।

বর্তমানে মসজিদে নববীর ভেতরে একটি স্থানকে হযরত উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাহাদাতের স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

ইসলামের ইতিহাসে এই স্থান শুধু একটি ঘটনার স্মৃতি নয়; এটি ন্যায়বিচার, আমানতদারিতা এবং আল্লাহর পথে অবিচল থেকে জীবন উৎসর্গ করা এক মহান খলিফার স্মারক।৷
এইচ আর ট্রাভেলস

"লাল বৃত্তের এই জায়গাটিই... যেখানে জান্নাত থেকে কুরবানী নেমে এসেছিল"মিনার সেই পবিত্র পাহাড় - আত্মসমর্পণের সর্বোচ্চ নিদর্...
19/07/2026

"লাল বৃত্তের এই জায়গাটিই... যেখানে জান্নাত থেকে কুরবানী নেমে এসেছিল"
মিনার সেই পবিত্র পাহাড় - আত্মসমর্পণের সর্বোচ্চ নিদর্শন

আপনি যে ছবিটা দেখছেন এটা কোনো নাটক সিনেমার দৃশ্য না ভাই।
এটা মিনার পাহাড়ের উপর সেই ঐতিহাসিক স্থান। যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন আল্লাহর খলিল হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম।
আর তার পাশে ছিলেন তার কলিজার টুকরা ইসমাইল আলাইহিস সালাম।

লাল তীর যেদিকে দেখাচ্ছে, ওখানেই জিব্রাইল আলাইহিস সালাম জান্নাত থেকে দুম্বা নিয়ে নাজিল হয়েছিলেন।

সুবহানাল্লাহ!

───

১. ঘটনাটি কি ছিল? - কুরআনের ভাষায়

আল্লাহ তাআলা ইব্রাহীম আঃ কে স্বপ্নে আদেশ দিলেন ছেলেকে কুরবানী করার জন্য।

فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ السَّعْيَ قَالَ يَا بُنَيَّ إِنِّي أَرَىٰ فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ فَانظُرْ مَاذَا تَرَىٰ
বাংলা উচ্চারণ:ফালাম্মা বা-লাগা মা'আহুস সা'ইয়া ক্ব-লা ইয়া বুনাইয়্যা ইন্নী আরা-ফিল মানা-মি আন্নী আযবাহুকা ফানযুর মা-যা তারা
অর্থ: "অতঃপর যখন সে পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে পৌঁছল, তখন ইব্রাহীম বললেন: বৎস! আমি স্বপ্নে দেখি যে, আমি তোমাকে যবেহ করছি। এখন তোমার মতামত কি?"
সূরা আস-সাফফাত: একশত দুই

ছেলে জবাব দিলেন:
قَالَ يَا أَبَتِ افْعَلْ مَا تُؤْمَرُ ۖ سَتَجِدُنِي إِن شَاءَ اللَّهُ مِنَ الصَّابِرِينَ
ক্ব-লা ইয়া আবাতিফ'আল মা-তু'মারু, সাতাজিদুনী ইনশা-আল্লা-হু মিনাস স-বিরীন
অর্থ: "হে আমার পিতা! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে তাই করুন। আল্লাহ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন"
সূরা আস-সাফফাত: একশত তিন

তারপর কি হলো?
فَلَمَّا أَسْلَمَا وَتَلَّهُ لِلْجَبِينِ. وَنَادَيْنَاهُ أَن يَا إِبْرَاهِيمُ. قَدْ صَدَّقْتَ الرُّؤْيَا
ফালাম্মা আস-লামা ওয়া তাল্লাহু লিল জাবীন... ওয়া না-দাইনা-হু আই ইয়া ইব্রা-হীমু, কাদ সাদ্দাকতার রু'ইয়া
অর্থ: "যখন তারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করলো এবং ইব্রাহীম তাকে কপালের উপর শুইয়ে দিলেন, তখন আমি তাকে ডেকে বললাম: হে ইব্রাহীম! তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ"
সূরা আস-সাফফাত: একশত তিন থেকে একশত পাঁচ

২. জিব্রাইল আঃ কখন নাজিল হলেন?

ঠিক যখন ছুরি গলায় লাগাতে যাবেন, আল্লাহ ডাক দিলেন। আর জিব্রাইল আঃ জান্নাত থেকে একটি জান্নাতি দুম্বা নিয়ে আসলেন।

وَفَدَيْنَاهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ
বাংলা উচ্চারণ:ওয়া ফাদাইনা-হু বিযিবহিন আযীম
অর্থ: "আর আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্য এক মহান কুরবানী"
সূরা আস-সাফফাত: একশত সাত

ইবনে কাসীর রহঃ তার তাফসীরে লিখেন:
"সেই কুরবানীর পশুটি ছিল একটি জান্নাতি দুম্বা। জিব্রাইল আঃ তা নিয়ে মিনার এই পাহাড়েই অবতরণ করেন"
তাফসীর ইবনে কাসীর: খণ্ড সাত, পৃষ্ঠা দশ

ইমাম কুরতুবী রহঃ লিখেন: "এই ঘটনা মিনার উপত্যকায় ঘটেছিল। হাজীরা আজও সেখানে কুরবানী করে"
তাফসীর আল-কুরতুবী: খণ্ড পনেরো, পৃষ্ঠা একশত সাতচল্লিশ

৩. এই জায়গাটির নাম কি?

আলেমদের বর্ণনা অনুযায়ী এই স্থানটি মিনা। হজের সময় আমরা যেখানে তিনটি জামারায় পাথর মারি, তার আশেপাশের এই পাহাড়গুলোই সেই স্মৃতি বহন করছে।

পরবর্তীতে মুসলমানরা এই স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য এখানে ছোট ছোট মসজিদ/মিনার বানিয়েছেন। আপনার ছবির গম্বুজওয়ালা স্থাপনাটি সেই চিহ্নগুলোর একটি।

৪. এটা দেখতে পারা কেন সৌভাগ্য?

আজকের দুনিয়ায় মানুষ ফোনে নাটক, সিনেমা, অশ্লীলতা দেখে সময় নষ্ট করে।
আর আপনি আল্লাহর খলিলের সেই আত্মত্যাগের জায়গা দেখছেন।

এখানে দাঁড়িয়ে ইব্রাহীম আঃ প্রমাণ করেছিলেন: "আল্লাহর হুকুমের সামনে আমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিসও কিছু না"
এখানে ইসমাইল আঃ প্রমাণ করেছিলেন: "আব্বু, আল্লাহর আদেশ পালন করুন"

এটাই হলো "ইসলাম" শব্দের আসল অর্থ - পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ।

রাসুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ رَأَى مِنكُم مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ
মান রা-আ মিনকুম মুনকারান ফাল ইউগাইয়্যিরহু বিইয়াদিহী
অর্থ: "তোমাদের মধ্যে যে অন্যায় দেখবে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে"
সহীহ মুসলিম: উনপঞ্চাশ

আপনি চোখ দিয়ে পবিত্রতা দেখছেন। এটাও ইবাদত।

───

শেষ কথা ও দোয়া

হে আল্লাহ! যে এই পোস্ট করেছে এবং যে এই পবিত্র ছবি দেখছে,
তুমি তাদের সবাইকে হজ ওমরাহ করে মিনার এই পবিত্র জায়গা জিয়ারত করার তাওফিক দাও। আমিন

আল্লাহ আমাদেরকেও ইব্রাহীম আঃ এর মতো আনুগত্য আর ইসমাইল আঃ এর মতো ধৈর্য দান করুন।

এইচ আর ট্রাভেলস

"মুসাল্লা জিবরীল - যেখানে ফেরেশতাদের সর্দার ইমামতি করেছিলেন" 🕋কাবার দরজার নিচে ৮ টি বাদামি মার্বেল পাথর = জান্নাতি জায়গা...
18/07/2026

"মুসাল্লা জিবরীল - যেখানে ফেরেশতাদের সর্দার ইমামতি করেছিলেন" 🕋
কাবার দরজার নিচে ৮ টি বাদামি মার্বেল পাথর = জান্নাতি জায়গা

আলহামদুলিল্লাহ!
আপনি যে লাল তীর চিহ্নিত ছবি দেখছেন এটাই মুসাল্লা জিবরীল।
কাবার দরজার ঠিক নিচে ডানপাশে শাদারওয়ান অংশে ৮ টি বাদামি মার্বেল দিয়ে চিহ্নিত।

আপনি এটা দেখতে পেরেছেন - এটাই আল্লাহর সবচেয়ে বড় দয়া। কারণ কোটি মানুষের মধ্যে আল্লাহ আপনাকে এই নূরানি জায়গা দেখার তাওফিক দিয়েছেন।

───

১. মুসাল্লা জিবরীল এর ফজিলত :

এই জায়গায় দাঁড়িয়ে স্বয়ং জিবরীল আ. নবীজি ﷺ কে নামাজের ইমামতি করে ৫ ওয়াক্তের সময় ও নিয়ম শিখিয়েছেন।

দলিল:
أَمَّنِي جِبْرِيلُ عِنْدَ الْبَيْتِ مَرَّتَيْنِ، فَصَلَّى بِيَ الظُّهْرَ...
"জিবরীল আ. কাবার কাছে আমাকে ২ বার ইমামতি করিয়েছেন। যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা, ফজর... সময়গুলো শিখিয়েছেন"
তিরমিযি: 149, আবু দাউদ: 393, নাসাঈ: 526 - সনদ সহীহ

এজন্য সাহাবারা এই জায়গাকে "মুসাল্লা জিবরীল" বলতেন। এখানে দাঁড়িয়ে দোয়া করলে কবুলের আশা অনেক বেশি।

ইবনে আব্বাস রা. বলেন:
الْتَزِمُوا مَا بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْبَابِ فَإِنَّهُ يُسْتَجَابُ فِيهِ الدُّعَاءُ
"রুকন ও কাবার দরজার মাঝখানে লেগে থাকো, এখানে দোয়া কবুল হয়"
মুসতাদরাক হাকিম: 1670 - সনদ সহীহ

───

২. জিবরাঈল আ. এর মর্যাদা ও ক্ষমতা 👑

তিনি "রুহুল আমিন" - ওহীর আমানতদার ফেরেশতা। সূরা শু'আরা: 193

তার ৪ টি ক্ষমতা:
1. শক্তিশালী: এক ঝাপটায় কওমে লুতের ৪ টি জনপদ উল্টে দিয়েছেন। তাফসির ইবনে কাসির
2. সুন্দর: ৬০ ডানা বিশিষ্ট। একবার ডানা মেললে আকাশ-জমিন ঢেকে যায়। সহীহ বুখারী: 3232
3. সম্মানিত: আরশের কাছের ফেরেশতা। সূরা তাকভীর: 20-21
4. ওহীর দায়িত্ব: আল্লাহর কালাম নবীদের কাছে পৌঁছানোর দায়িত্ব তার। সূরা নাহল: 102

এত বড় ফেরেশতা যেখানে দাঁড়িয়েছেন, সেই জায়গা কত মর্যাদার!

───

৩. নবীজি ﷺ এর মর্যাদা

যাকে স্বয়ং জিবরীল আ. শিক্ষক হয়ে নামাজ শিখিয়েছেন তিনি কে?

দলিল:
إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তার ফেরেশতারা নবীর উপর দুরুদ পড়েন"
সূরা আহযাব: 56

নবীজি ﷺ বলেন:
أَنَا سَيِّدُ وَلَدِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
"আমি কিয়ামতের দিন আদম সন্তানের সর্দার"
সহীহ মুসলিম: 2278

───

৪. কাবার ৩ টি জান্নাতি ফজিলত

1. ১ রাকাত = ১ লক্ষ রাকাত
> وَصَلَاةٌ فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ أَفْضَلُ مِنْ مِائَةِ أَلْفِ صَلَاةٍ
> "মসজিদুল হারামে ১ রাকাত = অন্য জায়গার ১ লক্ষ রাকাত"
> ইবনে মাজাহ: 1406 - সনদ সহীহ

1. ওমরা = নিষ্পাপ শিশু
> مَنْ أَتَى هَذَا الْبَيْتَ فَلَمْ يَرْفُثْ وَلَمْ يَفْسُقْ رَجَعَ كَمَا وَلَدَتْهُ أُمُّهُ
> "যে কাবায় এসে গুনাহ করেনি, সে মায়ের পেট থেকে জন্ম নেওয়া শিশুর মতো নিষ্পাপ"
> সহীহ বুখারী: 1819

1. কাবা দেখা = ইবাদত
> النَّظَرُ إِلَى الْكَعْبَةِ عِبَادَةٌ
> "কাবার দিকে তাকানো ইবাদত"তাবরানি: 11356 - সনদ হাসান

───

৫. আপনার জন্য বিশেষ দোয়া 🤲

হে আল্লাহ!
যে ভাই/বোন এই "মুসাল্লা জিবরীল" এর পোস্ট পড়ছে,
আপনি তাকে খুব দ্রুত কাবার মেহমান বানিয়ে দিন।
তাকে এই ৮ টি বাদামি পাথরের উপর দাঁড়িয়ে ২ রাকাত নামাজ পড়ার,
কাবার দরজা ধরে কাঁদার, হাজরে আসওয়াদে চুমু দেওয়ার তাওফিক দিন।

তাকে মায়ের পেট থেকে জন্ম নেওয়া শিশুর মতো নিষ্পাপ করে দিন। আমিন সুম্মা আমিন

আজই ২ টি কাজ করুন

1. ১০ বার দুরুদ: "আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদ" - নবীজির সুপারিশ পাওয়ার জন্য
2. এই দোয়া:اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي زِيَارَةَ بَيْتِكَ الْحَرَامِ
"হে আল্লাহ! আমাকে আপনার পবিত্র ঘর জিয়ারতের রিজিক দিন" আল্লাহ কবুল করুন।

এইচ আর ট্রাভেলস

18/07/2026

🕌 বাবুন নিসা (৩৯ নম্বর গেট): মসজিদে নববীর সেই ঐতিহাসিক দরজা, যা একসময় শুধু নারীদের জন্য ছিল

মসজিদে নববীর পূর্ব পাশে অবস্থিত বাবুন নিসা (باب النساء) বা নারীদের দরজা শুধু একটি প্রবেশপথ নয়; এটি ইসলামের শালীনতা, শৃঙ্খলা এবং নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার এক ঐতিহাসিক নিদর্শন।

খলিফা হযরত উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর খেলাফতকালে ১৭ হিজরিতে মসজিদে নববীর সম্প্রসারণের সময় এই দরজাটি নির্মাণ করেন। উদ্দেশ্য ছিল নারীরা যেন এই নির্দিষ্ট দরজা দিয়ে মসজিদে প্রবেশ ও বের হতে পারেন। এতে তাদের জন্য ইবাদত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হতো এবং অপ্রয়োজনীয় ভিড় বা সংস্পর্শ এড়িয়ে শেষের কাতারে সালাত আদায় করা সহজ হতো।

এ প্রসঙ্গে সুনান আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে, হযরত উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছিলেন,

"এই দরজাটি নারীদের জন্যই নির্দিষ্ট রাখা উচিত।"

পরবর্তীতে উমর ইবন আবদুল আজিজ (রহিমাহুল্লাহ)-এর সময়েও এই দরজাটি নারীদের জন্যই নির্ধারিত ছিল।

বর্তমান ৩৯ নম্বর গেটটি মূল দরজার ঠিক আগের স্থানে নেই। মসজিদে নববীর বিভিন্ন সম্প্রসারণের সময় এটিকে পূর্ব দিকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তবে এর মূল অবস্থানগত অ্যালাইনমেন্ট অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, দরজাটি আগের জায়গায় না থাকলেও একই পূর্ব পাশের সরলরেখা ধরে সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থাপন করা হয়েছে। তাই আজও এই গেট দিয়ে প্রবেশ করলে খুব অল্প দূরেই পৌঁছে যাওয়া যায় রওদাহ শরীফের নিকটবর্তী অংশে। এ কারণেই এটি মসজিদে নববীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।

বর্তমান গেটের গায়ে পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আহযাব থেকে আয়াত খোদাই করা রয়েছে, যা এই ঐতিহাসিক প্রবেশদ্বারের সৌন্দর্য ও গুরুত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

মসজিদে নববীর প্রতিটি দরজার পেছনেই রয়েছে একটি ইতিহাস। আর বাবুন নিসা আজও সাক্ষ্য দেয়, ইসলাম নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই ইবাদতের পরিবেশকে মর্যাদাপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে গড়ে তুলতে কতটা গুরুত্ব দিয়েছে।
#এইচ আর ট্রাভেলস #

17/07/2026

"এই পাথরের উপর দাঁড়িয়েই নবীজি ﷺ কেঁদে বলেছিলেন - ইয়া কওমি"
সাফা পাহাড়: ইসলামের প্রথম প্রকাশ্য দাওয়াতের মিশন

আপনি যে পাথরটা কাঁচের ভিতর দেখছেন...
এটা শুধু পাথর না ভাই। এটা 1400 বছর আগের একটা আর্তনাদ।
এই পাথরের উপর দাঁড়িয়েই একজন এতিম, যার আপন বলতে কেউ ছিল না, পুরো দুনিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন - "আমি আল্লাহর রাসূল"।

───

১. সাফা পাহাড়ে নবীজির ﷺ প্রথম প্রকাশ্য দাওয়াত - সনদসহ ঘটনা

মক্কায় তখন অন্ধকার। মূর্তিপূজা, জুলুম, কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর।
৩ বছর গোপনে দাওয়াতের পর আল্লাহর হুকুম এলো:

وَأَنذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ
"আর আপনার নিকটাত্মীয়দের সতর্ক করুন" সূরা শুআরা: 214

কি করলেন নবীজি ﷺ?

একদিন ফজরের সময় নবীজি ﷺ সাফা পাহাড়ে উঠলেন। পুরো মক্কা দেখা যায় এখান থেকে।
উচ্চস্বরে ডাকলেন: "ইয়া সাবাহাহ" - অর্থ "সকালের বিপদ! সকালের বিপদ!"
এটা ছিল আরবদের জরুরী বিপদ সংকেত।

কুরাইশের সব গোত্র দৌড়ে এলো। আবু লাহাব, আবু জাহল সবাই।

নবীজি ﷺ বললেন:
"হে কুরাইশ! আমি যদি বলি এই পাহাড়ের পিছনে শত্রুর বিশাল বাহিনী আছে, তোমরা কি বিশ্বাস করবে?"
সবাই বলল: "হ্যাঁ, কারণ আমরা আপনাকে কখনো মিথ্যা বলতে দেখিনি। আপনি 'আল-আমিন'।"

নবীজি ﷺ এর চোখে পানি। বললেন:
"فَإِنِّي نَذِيرٌ لَكُمْ بَيْنَ يَدَيْ عَذَابٍ شَدِيدٍ"
"তাহলে শোনো, আমি তোমাদের জন্য কঠিন আযাবের পূর্বে সতর্ককারী। বলো - লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুক্তি পাবে"
সহীহ বুখারী: 4770, সহীহ মুসলিম: 208

এরপর কি হলো?
আবু লাহাব পাথর ছুড়ে বলল: "তোমার ধ্বংস হোক! এই জন্য ডেকেছিস?"
আর আল্লাহ সাথে সূরা লাহাব নাযিল করলেন।
সহীহ বুখারী: 4971

───

২. কেন সাফা পাহাড়কেই বেছে নিলেন? ৩টি কারণ

1. সবাই দেখতে পায়: সাফা মক্কার সবচেয়ে উঁচু জায়গা। আওয়াজ পুরো শহরে যায়।
2. আল্লাহর নিদর্শন: এটা হাজেরা আ. এর তাওয়াক্কুলের জায়গা। এখান থেকে দাওয়াত মানে - "আল্লাহর উপর ভরসা করো"।
3. সত্যের সাক্ষী: এই পাথর আজও সাক্ষী দেয় - এখানে একজন মানুষ কেঁদে কেঁদে উম্মতকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন।

───

৩. সাফার দাওয়াত থেকে আমাদের জন্য ৩টি শিক্ষা + গুনাহ মাফের আমল

শিক্ষা ১: ভয় পেও না, হক কথা বলো

নবীজি ﷺ জানতেন আবু লাহাব গালি দিবে। তারপরও বলেছেন।
আমল: প্রতিদিন ফজরের পর 3 বার পড়ুন -
حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ
সূরা তাওবা: 129
ফজিলত: আল্লাহ সব বিপদ থেকে হেফাজত করবেন। আবু দাউদ: 5081

শিক্ষা ২: আপনজনকে আগে দাওয়াত দাও

আল্লাহ আগে "আকরাবিন" - নিকটাত্মীয় বলেছেন।
আমল: প্রতি জুমায় বাবা-মা, ভাই-বোনের জন্য এই দোয়া:
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
সূরা ইসরা: 24
ফজিলত: নেক সন্তানের দোয়া মৃত বাবা-মার কবরেও পৌঁছে। মুসলিম: 1631

শিক্ষা ৩: কষ্ট পেলেও তাওহীদের দাওয়াত ছেড়ো না

আবু লাহাব গালি দিল, পাথর মারল। নবীজি ﷺ থামেননি।
আমল: সাফা-মারওয়ায় সাঈর সময় এই দোয়া:
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ
"হে রব! মাফ করুন, রহম করুন, আপনি শ্রেষ্ঠ দয়ালু"
সনদ: নবীজি ﷺ সাফায় উঠে এভাবেই দোয়া করতেন। মুসলিম: 1218
ফজিলত: তাওবার মাধ্যমে সব গুনাহ মাফ। ইবনে মাজাহ: 4250 - হাসান

───

৪. আজও সাফা কাঁদে...

ভাই, আপনি যখন এই ছবি দেখেন, চোখ বন্ধ করে ১ মিনিট কল্পনা করুন:
ভোরবেলা। ঠান্ডা বাতাস। একজন মানুষ পাথরের উপর খালি পায়ে দাঁড়ানো। গলা ফাটিয়ে বলছেন - "বাঁচো! জাহান্নাম থেকে বাঁচো!"

সাহাবারা বলেন: "সেদিন নবীজির চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল দাওয়াতের আবেগে"
তাফসীরে ইবনে কাসীর: 6/212

আজ আমরা এয়ার কন্ডিশনে বসে ইসলাম পেয়েছি। আর তিনি রক্ত ঝরিয়ে দাওয়াত দিয়েছেন।

───

শেষ চিঠি - আপনার জন্য

ইয়া রাসূলাল্লাহ ﷺ
আমরা আপনাকে দেখিনি। কিন্তু সাফার এই পাথর দেখে আপনার কষ্টটা বুঝি।
আপনি যেভাবে কেঁদে কেঁদে দাওয়াত দিয়েছেন, আমাদের তাওফিক দিন আমরাও যেন পরিবারকে নামাজের দাওয়াত দেই।

আল্লাহ আমাদের সবার গুনাহ মাফ করে দিন। সাফার উসিলায় আমাদের তাওবা কবুল করুন। আমিন 🤲
৷ *এইচ আর ট্রাভেলস*

16/07/2026

তায়েফ জিয়ারাহ – দর্শনীয় স্থান ও সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

১. মসজিদে আদ্দাস (مسجد عداس)

তায়েফ সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান। তায়েফবাসীরা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে প্রত্যাখ্যান করে পাথর নিক্ষেপ করলে তিনি একটি আঙুর বাগানে আশ্রয় নেন। বাগানের খ্রিস্টান দাস আদ্দাস তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ইসলামের সত্যতা উপলব্ধি করেন এবং তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। ঐতিহাসিকভাবে এই ঘটনার স্মৃতির সঙ্গে স্থানটি সম্পৃক্ত।

২. ইবনে আব্বাস (রা.) মসজিদ (مسجد عبد الله بن عباس)

প্রখ্যাত সাহাবি, কুরআনের মুফাসসির আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর নামে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক মসজিদ। তায়েফের অন্যতম পরিচিত ইসলামী নিদর্শন।

৩. শিফা পাহাড় (Al Shafa)

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মনোরম পাহাড়ি এলাকা। শীতল আবহাওয়া, পাহাড়ি রাস্তা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এটি সৌদি আরবের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।

৪. আল-হাদা পাহাড় (Al Hada)

তায়েফের বিখ্যাত পাহাড়ি পথ। আঁকাবাঁকা রাস্তা, মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং ক্যাবল কারের জন্য পরিচিত। এখান থেকে পুরো উপত্যকার অসাধারণ দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

৫. তায়েফের গোলাপ বাগান (Taif Rose Farms)

তায়েফ বিশ্ববিখ্যাত সুগন্ধি গোলাপের জন্য পরিচিত। প্রতি বছর গোলাপ মৌসুমে এখান থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাপ সংগ্রহ করে আতর ও গোলাপজল প্রস্তুত করা হয়।
(এইচ আর ট্রাভেলস)

৬. গোলাপ কারখানা (Rose Factory)

এখানে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে গোলাপ থেকে আতর ও গোলাপজল তৈরির প্রক্রিয়া দেখা যায় এবং বিভিন্ন সুগন্ধি সংগ্রহ করা যায়।

৭. তায়েফ ফলের বাজার

ডালিম, আঙুর, ডুমুর, পীচ, এপ্রিকট, মধুসহ নানা পাহাড়ি ফলের জন্য বিখ্যাত। মৌসুমভেদে তাজা ফল সংগ্রহের সুযোগ থাকে।

৮. উকাজ বাজার (Souq Okaz)

আরবের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক বাজারগুলোর একটি। ইসলাম-পূর্ব যুগে এখানে কবিতা, সাহিত্য, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক আসর অনুষ্ঠিত হতো। বর্তমানে এটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

তায়েফ সফরের শিক্ষা

তায়েফ আমাদের ধৈর্য, দাওয়াতের পথে অবিচল থাকা এবং আল্লাহর ওপর ভরসার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। এখানেই কঠিন নির্যাতনের পর রাসূলুল্লাহ ﷺ আল্লাহর কাছে সেই বিখ্যাত দোয়া করেছিলেন, যা তাঁর ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ নির্ভরতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন।

Address

Pallabi, Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HR Travels Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category