টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি

টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি প্রকৃতির থেকে সব সময় ভালো কিছু পাওয়া যায়
ভ্রমণ করুন দেহ ও মনের জন্য

টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি   ৮ জনের  গ্রুপ করে এক ঝাঁক ভ্রমণ প্রিয় মানুষ নিয়ে গত ১২/৭/২০২৬ রাতে টাঙুয়ার হাওড় ভ...
15/07/2026

টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি ৮ জনের গ্রুপ করে এক ঝাঁক ভ্রমণ প্রিয় মানুষ নিয়ে গত ১২/৭/২০২৬ রাতে টাঙুয়ার হাওড় ভ্রমণের জন্য রউনা হয়েছিলাম
আরও ছবি আসবে
সাথেই থাকুন
আপনিও আপনার টাঙুয়ার হাওড় ভ্রমণের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
📲01684244008 WhatsApp
📲01623603409
অফিস এসে সরাসরি দেখা করে বুকিং কনফার্ম করতে পারবেন
আমাদের লোকেশন ৮৯/২ আফজাল টাওয়ার, জেলখানা মোড়, নরসিংদী।

 #সহজে_কলকাতা_ভ্রমনবেনাপোল থেকে বনগাঁ তারপর শিয়ালদা স্টেশনে কম খরচে কিভাবে যাবেন? মাত্র ৭০ রুপিতে _ তাহলে চলুন একটু ভেংগ...
30/05/2026

#সহজে_কলকাতা_ভ্রমন
বেনাপোল থেকে বনগাঁ তারপর শিয়ালদা স্টেশনে কম খরচে কিভাবে যাবেন? মাত্র ৭০ রুপিতে _ তাহলে চলুন একটু ভেংগেচুরে বলছি (নতুনদের জন্য)।

যারা ভারতে যাওয়ার জন্য ভিসা পেয়েছেন এবং কম খরচে কিভাবে কলকাতা যাবেন ভাবছেন বা জানতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আজকের এই গাইডলাইন।

প্রথমে #বেনাপোল বর্ডার পর্যন্ত আসুন তারপর সোনালি ব্যাংকে ১০৫৫ টাকা জমা দিয়ে ভ্রমণ ট্যাক্স ও বর্ডার উন্নয়ন ফি কপি নিয়ে নিন আর নতুন যে বিল্ডিং হয়েছে ওই বিল্ডিং এর একদম নিচে মানে আপনি যেখানে দিয়ে প্রবেশ করবেন ঠিক তার পাশেই টাকা জমা নেওয়ার কাউন্টার।

আপনি চাইলে ভ্রমণের ১ সপ্তাহ আগে আগে ঘরে বসে
অনলাইনের মাধ্যমে ট্যাক্স জমা দিতে পারবেন বিকাশ বা নগদ বা রকেটের মাধ্যমে।
ফি জমা দেওয়ার পরে ভ্রমণ ট্যাক্স কপি প্রিন্ট করুন, যাত্রার দিন ওই কপি বেনাপোল বর্ডারে দেখালেই হবে।

এবার গেট দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করুন আর ব্যাগ স্ক্যানিং হয়ে গেলে (যদিও স্ক্যানার (গত ১ মাস ধরে নষ্ট দেখেছি) ব্যাগ নিয়ে সামনে এগিয়ে যান তারপর সিকিউরিটি অফিসারকে ট্রাভেল ট্যাক্স ও এক্সট্রা উন্নয়ন ফি স্লিপের কপি দেখান তারপর এগিয়ে যান সামনের দিকে। আবার আর একটি বিল্ডিং এর ভিতর প্রবেশ করে লাইনে দাঁড়িয়ে আপনার পাসপোর্ট এ ডিপার্চার সিল ও সাইন দিয়ে দিবে সেটার জন্য ভিড় থাকলে লাইনে দাড়ান আর ইমিগ্রেশন অফিসারের ডেস্কে আপনার পাসপোর্ট জমা দিন আর সব ঠিক থাকলে সিল ও সাইন করে দিয়ে দিবে। আর হয়তো জিজ্ঞেস করতে পারে কোথায় যাবেন আর কেন যাবেন -- সেগুলোর সঠিক উত্তর দিন।

এবার পাসপোর্ট ও ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যান আর সেখানেও পাসপোর্ট চেকিং করে দ্রুত ছেড়ে দিবে তারপর সামনে এগিয়ে গেলেই ভারতের সিমানার মধ্যে প্রবেশ করলেন তারপর দেখবেন অসংখ্য নীল/লাল জামা পরিধান করা কুলি ভাইয়েরা আছেন।

এই এরিয়াকে বলা হয় "নো ম্যান্স ল্যান্ড" (no mans land) অর্থাৎ ভারত বা বাংলাদেশ কারো যায়গা না, ইমিগ্রেশন এর জন্য ব্যবহার করা হয়। যাইহোক ওখানে লাইনে দাঁড়িয়ে যান আর ভারতের অফিসাররা পাসপোর্ট চেক করে আপনাকে একটি স্লিপ দিবে আর সেই স্লিপটি পাসপোর্ট এর ভিতরে রেখে দিবেন তারপর সামনে এগিয়ে যেতে থাকেন, আরো একবার পাসপোর্ট + ব্যাগ স্ক্যানিং হবে আর জিজ্ঞেস করবে যে, ভারতের রুপি আছে কিনা, এটা অফিসারের ইচ্ছা, কি জিজ্ঞেস করবে, তবে ভয়ের কিছু নেই, আমি এই পর্যন্ত ১৭বার ভারত ভ্রমণ করেছি, তারপরও ইমিগ্রেশনের কাছে গেলে কিছুটা ডর করে, জানিনা কেন?

এখানে বলে রাখা ভালো যে, ভারতের রুপি নেওয়া যাবে না। আপনি শুধু টাকা আর ডলার নিতে পারবেন। ইমিগ্রেশন ও ব্যাগ স্ক্যানিং শেষ করে সামনে এগিয়ে গেলেই আপনাকে ২/৩ জন লোক ধরবে আর বলবে যে স্লিপ পূরন করে দিবে মানে ওই যে একটা স্লিপ দিয়েছিল যা পাসপোর্ট এর ভিতর রেখেছেন সেটা + পাসপোর্ট টা ওদের কাছে দিন আর ওরা দ্রুত ফিলাপ করে দিবে তবে তাদেরকে প্রতি পাসপোর্ট অনুযায়ী ২০ টাকা করে দিতে হবে আর এটাই ওখানে নিয়ম তবে আপনি যদি নিজে পূরন করতে পারেন তাহলে লাগবে না। তবে নিজের কাছে একটি কলম থাকতে হবে আর কোথায় কি পূরন করবেন তা জানা থাকতে হবে। যদিও ফর্ম ফিলাপ একদম সহজ যেমন নাম, পাসপোর্ট নং, বয়স, এরাইভ্যাল তারিখ, ভারতের হোটেল/রিলেটিভ এর ঠিকানা, বাংলাদেশি ফোন নং ইত্যাদি।

যাইহোক ব্যাগ স্ক্যানিং শেষে সামনে এগিয়ে যান, অফিসার আপনার ছবি তুলে রাখবে এবং সিল দিয়ে আপনাকে পাসপোর্ট দিবে তবে আপনার নাম, বাবার নাম জিজ্ঞেস করতে পারে, কোথায় যাবেন এসব আর কি।

যাইহোক আপনি এবার ফ্রি মানে আর কোথাও বাধা নেই। এবার আপনি সামনে এগিয়ে গেলেই দেখবেন ডলার/টাকা চেঞ্জ করার জন্য ভিতরে ১টি এজেন্সি আছে তাদের কাছ থেকে রুপি করে নিতে পারেন বা ডলার চেঞ্জ করে নিতে পারেন অথবা বাইরে গিয়েও করে নিতে পারেন। এবার মেইন গেট দিয়ে বাইরে বের হলেই ভারতের পিচের রাস্তা পাবেন আর ওখান থেকেই আপনাকে যাত্রা শুরু করতে হবে।

গেট দিয়ে বের হয়ে মেইন রাস্তার বাম পাশেই টেম্পু স্ট্যান্ড অবস্থিত। একটি হলুদ টেম্পুতে ৫ জন করে যেতে পারে আর ভাড়া ৫০ রুপি নিবে (করোনার আগে ৩০ রুপি ছিল) অর্থাৎ বর্ডার টু বঁনগা রেল স্টেশন পর্যন্ত ভাড়া প্রতিজন ৫০ রুপি নিবে আর স্টেশনে পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র ১৫/২০ মিনিটস। আর ৫ মিনিটের মধ্যে টেম্পুতে যাত্রী হয়ে যাবে।

ওহ ভালো কথা, পিচের রাস্তার ওই পারে গিয়ে দেখবেন ছোট একটি মোবাইল/সিমের দোকান আছে সেখান থেকে এয়ারটেল সিম কিনে নিবেন আর বলবেন যে অল ইন্ডিয়া সিম প্যাকেজ নিবেন, যাতে বাংলাদেশে প্রতি মিনিটে ২ টাকার কমে কথা বলতে পারেন৷ আর ২০০/৩০০ টাকা একবারই টপ আপ করে নিবেন আর পারলে ১৪৯ বা ১৯৯ রুপি টপ আপ করে নিলে প্রতিদিন ১ বা ১.৫ জিবি ডাটা পাবেন আর ২৮ দিন মেয়াদ পাবেন। ২৮ জিবি ডাটা পাবেন এই ১৪৯ রুপির মধ্যে। এটা আপনার ইচ্ছা আপনি কি ধরণের প্যাকেজ নিবেন।

এখন টেম্পুতে উঠে পড়ুন তারপর বঁনগা রেল স্টেশনে নেমে রেল স্টেশনের কাউন্টারে গিয়ে ভিড় থাকলে লাইনে দাঁড়িয়ে শিয়ালদাহ স্টেশনের টিকিট কেটে নিন, ভাড়া নিবে মাত্র ২০ রুপি।

বঁনগা টু শিয়ালদা যেতে ট্রেনে সময় লাগবে মাত্র ২ ঘন্টা ১০ মিনিটের মতো বা আরো কম সময়। টিকিট কাটার সময় ২০ রুপি ভাংতি দিবেন বা ৫০ রুপির নোট বা ১০০ রুপির নোট দিবেন কারণ ৫০০/২০০০ রুপির নোট দিলে টিকিট পাবেন না। তাই রুপি যখন নিবেন তখন ১০০ রুপি/৫০ রুপির কিছু নোট অবশ্যই নিবেন নতুবা বিপদে পড়বেন। ট্রেন কোন প্লাটফর্ম থেকে ছাড়বে বা আসবে সেটা কাউন্টার থেকে টিকিট নেওয়ার সময় জেনে নিবেন৷ যদি ১ নং প্লাটফর্ম থেকে বলে তাহলে আপনি যেখান থেকে টিকিট কিনলেন ওটাই ১ নং প্লাটফর্ম আর যদি বলে ২ নং প্লাটফর্ম থেকে ছাড়বে বা আসবে তাহলে ২ নং প্লাটফর্ম এ চলে যাবেন ওভারব্রীজ ব্যবহার করে আর ৩ নং বললে ওই ২ নং এর পাশের টাই ৩ নং প্লাটফর্ম। বঁনগা রেল স্টেশনে ৩ টি প্লাটফর্ম থাকে। তো এবার ট্রেন আসলে সাথে সাথে দেরি না করে উঠে পড়বেন আর চেয়ারে বসে পড়বেন কারণ দেরি হলেই ট্রেন মিস করবেন আর সিটও পাবেন না কারণ ট্রেন মাত্র ৫/১০ মিনিট অপেক্ষা করে, এর বেশি নয়। টিকিট নেওয়ার সময় যদি কোন ট্রেন দাঁড়ানো দেখেন, ওটাই শিয়ালদা যাওয়ার লোকাল ট্রেন, উঠে পড়ুন।

আপনি ২ ঘন্টা ১০ মিনিটের মধ্যে শিয়ালদাহ স্টেশনে পৌঁছে যাবেন। এই লোকাল ট্রেনটি ৩/৪ মিনিট অন্তর স্টেশনে থামে, মিনিমাম ২০/২২ টি স্টেশন আছে শিয়ালদাহ স্টেশন পর্যন্ত।

ট্রেন যখন বঁনগা স্টেশন থেকে ছাড়বে তখন অনেক গুলো স্টেশন হয়ে শিয়ালদাহ স্টেশন পৌঁছাবে কারণ এটি লোকাল ট্রেন আর ৪০/৫০ মিনিট পর পর ট্রেন পাবেন। বারাসাত স্টেশন, গুমা স্টেশন, দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন, দমদম স্টেশন তারপর ই শিয়ালদাহ স্টেশনে পৌঁছাবে।

তো শিয়ালদাহ স্টেশন তো নামলেন এবার কি করবেন? এবার একটু হাটলেই মেইন গেট পাবেন বাইরের মেইন রাস্তা যাওয়ার জন্য তারপর দেখবেন অনেক ট্যাক্সি/টেম্পু। আপনি যদি হাওড়া স্টেশনে যেতে চান তাহলে একটা ট্যাক্সি ভাড়া করলে ২৫০/৩০০ রুপি নিবে, যেতে সময় লাগবে ৩৫/৪০ মিনিটস আর যদি টেম্পু ভাড়া করেন তবে ১৭০/২০০ রুপি পর্যন্ত নিবে তবে নতুন দেখলেই ওরা ভাড়া বেশি চাইবে এটা নিশ্চিত থাকুন তবে দামাদামি করে নিবেন।

যদি বাসে যেতে চান তাহলে পাশেই মেইন রাস্তা আছে আর হাওড়া স্টেশনে যাওয়ার অনেক বাস পাবেন যেমন ৪১ নং গাড়ি তাছাড়া যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দিবে কোন বাস হাওড়া যাবে সো টেনশনের কোন কারণ নেই। শিয়ালদা থেকে হাওড়া স্টেশনে যেতে ১৫ রুপি ভাড়া নিবে লোকাল বাসে আর সময় লাগবে ৫০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা যেহেতু হালকা জ্যাম তো থাকবেই আর নামিয়ে দিবে হাওড়া স্টেশনের একদম কাছেই। যেখানে নামিয়ে দিবে সেখান থেকে মাটির নিচে রাস্তা আছে সেই আন্ডার পাস রাস্তা ব্যবহার করে এগিয়ে গিয়ে উঠলেই আপনি সরাসরি হাওড়া স্টেশনের প্লাটফর্মে গিয়ে পৌঁছাবেন, জেনে নিবেন কোন প্লাটফর্ম থেকে আপনার কাংখিত ট্রেনটি ছাড়বে অর্থাৎ আপনি যদি ভেলর বা চেন্নাই বা দিল্লি যান। তবে দিল্লিতে যদি রাজধানী এক্সপ্রেসে করে যান সেক্ষেত্রে ৮/৯ নং প্লাটফর্ম থেকে ছাড়বে আর চেন্নাই যেতে চাইলে ২২/২৩ নং প্লাটফর্ম থেকে ছাড়ে। তবুও ডিজিটাল ডিসপ্লে থেকে জেনে নিবেন বা দেখে নিবেন বিস্তারিত।

#কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর জানুন:
-----------------------------------------------
#আমি শিয়ালদা স্টেশন থেকে কলকাতা নিউমার্কেট কিভাবে যাবো?

উত্তরঃ খুবই সহজ। শিয়ালদা স্টেশন নেমে একটা ট্যাক্সি/অটো ভাড়া করুন আর সরাসরি নিউমার্কেট এরিয়া বা মারকুইস স্ট্রিট/গালিব স্ট্রিট এর ঠিকানা ড্রাইভারকে দেখিয়ে ভাড়া ঠিক করে চলে যাবেন তবে ভাড়া নিবে ২৫০/৩০০ রুপি আর ৪ জন পর্যন্ত যেতে পারবেন, সময় লাগবে ৪০/৪৫ মিনিটের মতো। যদি ওই এরিয়ার দিকে #হোটেল ঠিক করা থাকে তাহলে সেই ঠিকানা ড্রাইভারকে দেখিয়ে নিন সেক্ষেত্রে উনি আপনাকে ওই হোটেলে নামিয়ে দিবে।

#আমি তো এয়ারপোর্টে যেতে চাচ্ছি কিন্তু কিভাবে?

উত্তরঃ আপনি বঁনগা স্টেশন গিয়ে ট্রেনের টিকিট কেটে উঠবেন আর দমদম স্টেশন অথবা দমদম ক্যান্টনমেন্ট রেল স্টেশনের যে কোন একটি স্টেশনে নেমে যাবেন তবে দম দম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন খুব কাছে। ওখান থেকে এয়ারপোর্ট মাত্র ২ কি.মি. দূরে অবস্থিত। সেক্ষেত্রে ওখানে নেমে একটা ট্যাক্সি ভাড়া নিলে মাত্র ২০০/২৫০ রুপি নিবে এর বেশি দিবেন না বা চাইলে দামাদামি করবেন কারণ ট্যাক্সিতে যেতে মাত্র ১০/১২ মিনিট সময় লাগবে। আর কোন অটো এয়ারপোর্ট এর মেইন এরিয়াতে প্রবেশ করতে দিবেনা।

#অতো ঝামেলার ভিতর যেতে চাচ্ছিনা সেক্ষেত্রে এয়ারপোর্ট যাওয়ার সহজ উপায় কি?

উত্তরঃ ওকে, তাহলে বেনাপোল বর্ডার পার হলে পাশেই ট্যাক্সি/প্রাইভেট কার স্ট্যান্ড পাবেন সেখান থেকে হলুদ ট্যাক্সি সরাসরি এয়ারপোর্টের দোতলা পর্যন্ত ভাড়া নিবে ১৮০০/২০০০ রুপি আর একটু প্রাইভেট টাইপের ভালো কার নিবে ২৩০০/২৫০০ রুপি, এসি সহ নিলে ভাড়া নিবে ২৫০০/২৮০০ রুপি, সময় লাগবে প্রায় ৩ ঘন্টার মতো। চাইলে যাওয়ার সময় কোন এক হোটেলে খাওয়া দাওয়া করে নিতে পারবেন তারজন্য ড্রাইভার ২০/২৫ মিনিট অপেক্ষা করবে হোটেলের সামনে। আপনাকে ঠিক যায়গা নামিয়ে দিবে বা এয়ার টিকিট দেখালেই হবে।

#নিউ মার্কেট এরিয়ার কোথায় মিডিয়াম ও ভালো মানের হোটেল পাবো?

উত্তরঃ আপনি ওই এরিয়াতে গিয়ে Marquis street or Mirza galib street or Park street এরিয়াতে ভালো মানের হোটেল পাবেন। এছাড়া নিউমার্কেট এর পাশে প্রচুর হোটেল পাবেন। এই সব স্থান থেকে নিউ মার্কেট হাটার দূরত্ব যা আপনি হেটেই যাতায়াত কর‍তে পারবেন।

ভালো মানের এসি রুম প্রতিরাত ২০০০ থেকে ২৫০০ রুপির মধ্যে পেয়ে যাবেন। ভালোর কোন শেষ নেই কারণ কারো কাছে ৩০০০ বা ৩৫০০ রুপির রুমও ভালো আবার কারো কাছে ১২০০/১৫০০ রুপির রুমও ভালো।

ধর্মতলা এরিয়াতে গেলে অনেক কমের মধ্যে হোটেল রুম পাবেন যেমন ৫০০/৬০০/৮০০ রুপির মধ্যে পেয়ে যাবেন কিন্তু পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পাবেন না। তবে খুজলে হয়তো পেয়ে যাবেন।

#আচ্ছা, আমি ভারতে যাওয়ার সময় কি রুপি নিয়ে যেতে পারবো?

উত্তরঃ মোটেও না। আপনি যখন ভারতে যাবেন তখন শুধু টাকা আর আমেরিকান ডলার নিতে পারবেন। এছাড়া আর কোন কারেন্সি নেওয়া ১০০% বেআইনি বা অবৈধ।

#তাহলে কি পরিমান ডলার বা টাকা নিতে পারবো?

উত্তরঃ একজন প্রতি বছর ১২০০০ ডলার পর্যন্ত নিতে পারবেন অথবা তবে ডলারের সংকট থাকলে ৫/৬ হাজার ডলারের বেশি পাবেন না।

বাংলাদেশি টাকা ১০০০০ টাকার বেশি নয়। বাকি টাকা ব্যাংক থেকে ডলার করে সাথে নিয়ে যেতে পারবেন। তবে ভারত/শ্রীলঙ্কা /ভুটান এসব দেশে ৫০০০ ডলার করে কিন্তু আমেরিকা/ইংল্যান্ড/থাইল্যান্ড /সিংগাপুর/চীন এসব দেশে ১২০০০ ডলার পর্যন্ত নিতে পারবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৩ সালের রুলস অনুযায়ী।

#কিন্তু অনেকেই তো শুনি ৩০০০০ বা ৪০০০০ বা ৫০০০০ টাকা এমনকি ১/২ লাখ টাকাও সাথে করে নিয়ে যায়?

উত্তরঃ জি, এটা ঠিকই শুনেছেন। কিন্তু ১০০০০ টাকার বেশি নেওয়া বৈধ নয়। ইমিগ্রেশন অফিসার ১০০% যাত্রীর মধ্যে দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করে হয়তো ২০/২৫% মানুষদের, এটা আপনি যখন ইমিগ্রেশন অফিস অতিক্রম করবেন তখন বুঝবেন বা দেখবেন। তাই অনেকে ডলারের ঝামেলা এড়াতে রিস্ক নিয়ে থাকে।

তবে ধরা পড়লে নিশ্চিত ভাবে টাকা রেখে দিতে পারে তবে মেডিকেল ভিসাতে অনেক সময় রিকোয়েষ্ট করলে তারা ছেড়ে দিতে পারে কিন্তু সেটা অফিসারের মনের উপর ডিপেন্ড করছে। আশা করছি উত্তর পেয়েছেন।

#কিন্তু ডলার কিভাবে নিবো বা ট্রাভেল কার্ড করে নিলে কি হবে?

উত্তরঃ যে কোন ব্যাংকের বৈদেশিক শাখাতে যাবেন আর ন্যাশনাল আইডি কার্ড, ২ কপি ছবি এবং পাসপোর্ট সাথে করে নিয়ে যাবেন সেই সাথে কত হাজার টাকা থেকে ডলার কিনবেন সেই পরিমাণ টাকা নিয়ে যাবেন। ডলারের রেট এখন ১২০ টাকা = ১ ডলার বা কম বেশি হতে পারে যা জেনে নিবেন।

ব্যাংকের অফিসারকে গিয়ে বলুন, এতো ডলার লাগবে, তারাই আপনাকে করে দিবে অথবা ২০০/৩০০/৫০০ ডলার ট্রাভেল কার্ড করে নিয়ে যেতে পারেন। ট্রাভেল কার্ডে লোড করে নিয়ে গিয়ে ভারতের হাসপাতাল, শপিং মলে খরচ করতে পারবেন, এমনকি বুথ থেকে উঠাতে পারবেন।

#আমি কি বেনাপোল থেকে আরো সহজে যেতে পারবো কলকাতা?

উত্তরঃ জি পারবেন। বেনাপোল বর্ডার পার হয়ে পিচের রাস্তায় গেলেই দেখবেন অসংখ্য বাস কোম্পানি যেমন গ্রীনলাইন/দেশ ট্রাভেলস/শ্যামলী পরিবহণ। আপনি কাউন্টারে গিয়ে কখন বাস ছাড়বে জেনে নিবেন। যে বাস আগে ছাড়বে তাদের কাছ থেকে টিকিট কেটে নিবেন। টিকিটের দাম ৩৫০ রুপি প্রতিজন, এসি বাস।

তবে কাউন্টার বাদে বাইরে থেকে নিলে ৩০০ বা ৩২০ রুপিতে পাবেন। কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞেস করে নেওয়াই বেটার হবে। বাসে যেতে সময় লাগবে প্রায় ৪ ঘন্টা আর ডিরেক্ট মারকুইস স্ট্রিটের পাশেই নামিয়ে দিবে যা নিউ মার্কেট এর পাশে। তবে কেউ এয়ারপোর্টে নামতে চাইলে ১ নং গেটের কাছে নামিয়ে দিতে বলবেন, ওখান থেকে ৩/৫ মিনিট হেটে গেলেই এয়ারপোর্টের ২য় তলাতে যেতে পারবেন।

#আচ্ছা, বনগাঁ থেকে শিয়ালদা স্টেশন যাওয়ার Local ট্রেন কখন কখন ছাড়ে?

উত্তর: বেনাপোল থেকে বনগাঁ স্টেশন এর দূরত্ব প্রায় ৮ কি.মি। এই স্টেশন থেকে প্রতিদিন অনেক ট্রেন যাতায়াত করে নিচে আপডেট সময়সূচি দেওয়া হলো:

** ছাড়ার সময়: বনগাঁ স্টেশন থেকে...

√ সকাল ৮ টা ০৮ মিনিটে
√ সকাল ৮ টা ৩২ মিনিটে
√ সকাল ৯ টা ০৫ মিনিটে
√ সকাল ৯ টা ৫০ মিনিটে
√ সকাল ১০ টা ২৮ মিনিটে
√ সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে

** ছাড়ার সময়: শিয়ালদা স্টেশন থেকে..
(পৌঁছানোর সময় ২ ঘণ্টা)

√ রাত ৩ টা ১৫ মিনিটে
√ রাত ৪ টা ১৫ মিনিটে
√ রাত ৪ টা ৫৫ মিনিটে
√ ভোর রাত ৫ টা ৫৪ মিনিটে
√ সকাল ৭ টা ১২ মিনিটে
√ সকাল ৮ টা ১০ মিনিটে










টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি এর সাথে ইন্ডিয়া ভ্রমণের জন্য
আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে
Abhi Razz (ম্যানেজিং ডিরেক্টর)
📲01684244008 WhatsApp
📲01623603409
নিরাপদ ও বিশ্বস্ত ভ্রমণের অঙ্গিকার

31/03/2026

বন্ধুদের সাথে টাঙুয়ার হাওড় আসছেন তো!!!
টাঙুয়ার হাওড় ট্যুর এখন আরও সহজে ঝামেলাহীন
টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি এর সাথে ৮/১০ জন হলেই গ্রুপ ট্যুর অপারেটর করবো ইনশাআল্লাহ্
সিজনের শুরুতেই
এবারের টাঙুয়ার হাওড় ট্যুর এ থাকবে ধামাকা অফার
বিস্তারিত জানতে কল করুন
📲01684244008 WhatsApp
📲01623603409
অথবা সরাসরি অফিসে এসে দেখা করে বুকিং কনফার্ম করতে পারবেন
🏠 অফিস : ৮৯/২ আফজাল টাওয়ার জেলখানা মোড়, নরসিংদী।
নিরাপদ ভ্রমণের অঙ্গীকার

সাগরকন্যা কুয়াকাটা ট্যুর,সূর্যোদয় & সূর্যাস্ত একসাথে দেখার একমাত্র সুযোগ! বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কুয়াকাট...
20/03/2026

সাগরকন্যা কুয়াকাটা ট্যুর,
সূর্যোদয় & সূর্যাস্ত একসাথে দেখার একমাত্র সুযোগ! বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা
যেখানে একই জায়গা থেকে দেখা যায়
☀️ সূর্যোদয় ও 🌇 সূর্যাস্ত!
এক কথায়, জীবনে একবার হলেও দেখতেই হবে!
📅 ভ্রমণ তারিখঃ-( ২ দিন ৩ রাতের প্যাকেজ)
➡️ যাত্রা: ১৬এপ্রিল(📍 নরসিংদী থেকে রওনা)
⬅️ ফেরা: ১৯ এপ্রিল
⏰ সকাল ৯/১০টার মধ্যে নরসিংদী পৌঁছানো (ইনশাআল্লাহ)
💰 ইভেন্ট ফিঃ
👤 ৳৪,৫৫৫/=(১ রুমে ৪ জন)
👤 ৳৫,৯৯৯/= (১ রুমে ২জন)
💑 কাপল প্যাকেজ: ৳৯,০০০/=
🍽 খাবারের মেন্যু:
যাত্রার দিন রাতঃ নিজ নিজ
📅 প্রথম দিন:
🔖সকালের নাশতাঃ ডিম ভুনা খিচুড়ি/পরোটা + ডিম + সবজি
🔖দুপুরঃ ভাত+সামুদ্রিক মাছ/গরু/মুরগী +সবজি+ডাল+সালাদ+পানি
🔖রাতঃ ভাত+সামুদ্রিক মাছ/মুরগি+সবজি+ডাল+সালাদ+পানি
📅দ্বিতীয় দিন:
🔖সকালের নাশতাঃ ডিম ভুনা খিচুড়ি/পরোটা + ডিম + সবজি
🔖দুপুরঃ ভাত+সামুদ্রিক মাছ/গরু+সবজি+ডাল+সালাদ+পানি 🍗
🔖রাতঃ নিজ নিজ
📌আমরা ঘুরে দেখবোঃ
🍋লেবুর বন
🦀লাল কাঁকড়ার চর
🌲 ঝাউ বন
🐟শুটকী পল্লী
🌇সানসেট পয়েন্ট
🌊তিন নদীর মোহনা
✨সময় সাপেক্ষে আরও আকর্ষণীয় স্পট
📸প্রতিটা জায়গা — আপনার ক্যামেরার জন্য পারফেক্ট!
🎒 ইভেন্ট ফিতে যা থাকছেঃ
🚂নরসিংদী ➡️ সদরঘাট ➡️পটুয়াখালি➡️কুয়াকাটা🔄

🍛 ৫ বেলা মানসম্মত খাবার
🏨 মানসম্মত হোটেলে ১ রাত্রি অবস্থান
🙋‍♂️ অভিজ্ঞ ট্যুর গাইড
🔖বুকিং পলিসি-----
💵 জনপ্রতি অগ্রিম ৳১,৫০০
💵 কাপল অগ্রিম ৳৩,০০০
🪑 বুকিং সিরিয়াল অনুযায়ী আসন বণ্টন
📢 সিট খালি থাকা সাপেক্ষে কনফার্মেশন
❌ ফিতে অন্তর্ভুক্ত নয়-
🛑 যাত্রাবিরতির খাবার
🛑 স্পট ভিজিটের খরচ
🛑 ব্যক্তিগত খরচ
🛑 উল্লেখ নেই এমন যে কোনো অতিরিক্ত খরচ
🤝 কেন আমাদের সাথে যাবেন?
✅ অভিজ্ঞ টিম
✅ ফ্যামিলি ও কাপল ফ্রেন্ডলি
✅ কোনো হিডেন চার্জ নেই
আমরা শুধু ট্যুর করাই না — আমরা স্মৃতি বানাই। 💙
📝বুকিং করতে কল করুন - 01684244008 WhatsApp /01623603409
🏢 অফিসঃ
টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি
৮৯/২ আফজাল টাওয়ার, জেলখানা মোড়, নরসিংদী।

টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি   এর সাথেআপনি আপনার ট্যুর প্লান করতে পারেনআমাদের আছে সুদক্ষ ট্যুর কনসাল্টেন্সি ইউনি...
07/03/2026

টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি এর সাথে
আপনি আপনার ট্যুর প্লান করতে পারেন
আমাদের আছে সুদক্ষ ট্যুর কনসাল্টেন্সি ইউনিট ও অভিজ্ঞ ট্যুর গাইড
বুকিং কনফার্ম করতে

আজই যোগাযোগ করুন
01684244008 WhatsApp
01623603409
অফিস:৮৯/২ আফজাল টাওয়ার, ডিসি রোড,জেলখানা মোড়, নরসিংদী

জাফলংয়ের খাসিয়াপুঞ্জিতে চালু হয়েছে হোমস্টে, ঘুরতে যাওয়ার আগে জেনে নিন বিস্তারিতএক পাশে উঁচু পাহাড় আর ঝরনার মিতালি। সমতলে...
25/02/2026

জাফলংয়ের খাসিয়াপুঞ্জিতে চালু হয়েছে হোমস্টে, ঘুরতে যাওয়ার আগে জেনে নিন বিস্তারিত

এক পাশে উঁচু পাহাড় আর ঝরনার মিতালি। সমতলে বয়ে গেছে স্বচ্ছ জলের পাথুরে পিয়াইন নদ। সিলেটের পিয়াইন নদ পেরোলে দেখা মিলবে খাসিয়া জনগোষ্ঠীদের জীবন। খাসিয়াদের বাড়িতে রাত যাপন করে তাঁদের জীবন-জীবিকা, খাওয়াদাওয়া আর সংস্কৃতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা গ্রহণের সুযোগও চালু হয়েছে।
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) যৌথ উদ্যোগে জাফলংয়ের খাসিয়াপুঞ্জিতে চালু হয়েছে ‘কমিউনিটি ট্যুরিজম’। বর্তমানে তিনটি পুঞ্জি বা পাড়ায় চারটি হোমস্টেতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক রাত যাপন করতে পারবেন।
জাফলং জিরো পয়েন্টের বল্লার ঘাটে গাইডরা স্বাগত জানায়। তাঁরা খাসিয়া সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণী। পড়াশোনার পাশাপাশি এখানে ট্যুর গাইড হিসেবে কাজ করছেন। ইঞ্জিনচালিত নৌকায় পিয়াইন নদ পার হওয়া। ঘাটের ওপার থেকে খাসিয়া কমিউনিটি মিশন। এটি মূলত স্থানীয় খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়। এই চত্বরের পাশে দুটি কক্ষ নিয়ে একটি হোমস্টে চালু।

আরেকটু পথ এগোলেই একে একে নকশিয়াপুঞ্জি আর লামাপুঞ্জির দেখা মিলে। খাসিয়া সম্প্রদায়ের একেকটি পাড়া বা মহল্লাকে পুঞ্জি বলা হয়। এক পুঞ্জি থেকে আরেক পুঞ্জিতে যেতে পথের দুই ধারে সুপারি আর পানের বরজের দৃশ্য চোখে পড়বে। পুঞ্জিগুলোয় খাসিয়াদের বাড়িগুলো যেন ছবির মতো সাজানো। মাটি থেকে কিছুটা উঁচুতে মাঁচার ওপর দাড়িয়ে আছে একেকটি বাড়ি। কোনোটি বাঁশের তৈরি আবার কোনোটি পাকা বাড়ি। প্রতিটি বাড়ি ও উঠান একদম ঝকঝকে পরিষ্কার। গাইড সেভেনলী খংস্তিয়া জানান, খাসিয়ারা স্বভাবগতভাবেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করেন। আর প্রাচীনকালে জীবজন্তুর আক্রমণ থেকে বাঁচতে মাচার মতো উঁচু করে বাড়ি বানাতেন খাসিয়ারা। এখন সেই ভয় না থাকলেও উঁচু করে বাড়ি বানানোর প্রাচীন ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন তাঁরা।
নকশিয়াপুঞ্জির পুঞ্জির হেডম্যান বা প্রধান ওয়েলকাম লাম্বা। তাঁরা দুই ভাই মিলে দুটি হোমস্টে চালু করেছেন। ওয়েলকাম লাম্বা বলেন, ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে তাঁদের ধারণা বদলে গেছে। এখন তাঁদের বাড়তি আয়ের সুযোগ হচ্ছে। নিজেদের বাড়ির পড়ে থাকা দুটি কক্ষ তাঁরা ছিমছাম করে সাজিয়েছেন। শৌচাগার কিছুটা উন্নত করেছেন। সেখানেই এখন দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা এসে থাকছেন।
মধ্যাহ্নভোজন রমলা রেস্টুরেন্ট নামের একটি কমিউনিটি রেস্টুরেন্টে। এখানে দেশি খাবারের পাশাপাশি খাসিয়াদের ঐতিহ্যবাহী খাবার, যেমন বিন্নি চালের পোলাও, ডকলে (চিকেন সালাদ), বাঁশকোঁড়ল, কাঁঠাল-শুঁটকির তরকারি, সরওয়া (স্যুপ), চিকেন ভুনা ইত্যাদির স্বাদও নিতে পারবেন। এখানে প্রতিবেলা খেতে খরচ পড়বে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। স্থানীয় বাসিন্দারাই এই রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করেন।

খাওয়া শেষে সিলেট অঞ্চলের বৃহত্তম সমতল ভূমির চা–বাগান হিসেবে খ্যাত জাফলং চা–বাগান ঘুরে দেখতে পারেন। এরপর একে একে সাইকেল ট্র্যাকিং এরিয়া আর লামাপুঞ্জির সেলফি জোন। পড়ন্ত বিকেলে সূর্য যখন ডুবতে বসে, তখন লামাপুঞ্জি আলোকিত করে দেয় একদল খাসিয়া শিশু। খাসিয়া ভাষার গানের তালে তালে তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে পর্যটকদের উদ্দেশে নৃত্য পরিবেশন করে শিশুরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পর সন্ধ্যায় ঘুরে দেখা কমিউনিটি মিউজিয়াম। যেখানে খাসিয়াদের ইতিহাস, ঐতিহ্যবাহী পোশাক, প্রাচীনকালের কৃষিকাজের ব্যবহৃত সামগ্রী, যুদ্ধের অস্ত্রের আদলে তৈরি মিনিয়েচার প্রদর্শন করা হয়।
পরদিন সকালে একজন খাসিয়া পানচাষির সঙ্গে দেখতে পারেন পানপাতা সংগ্রহের প্রক্রিয়া। পানপাতা খাসিয়াদের কাছে পবিত্র একটি পাতা। তাই প্রতিদিন সকালে গোসল করে পবিত্র অবস্থায় পানচাষিরা এ কাজ করেন। পানবরজের ভেতরেই রয়েছে সুপারি আর দেশি কমলার গাছ। মূলত পান আর সুপারি খাসিয়াদের প্রধান আয়ের উৎস। তবে প্রথাগত এই কাজের পাশাপাশি পর্যটনের মাধ্যমেও দিনবদলের স্বপ্ন দেখছে জাফলংয়ের এই খাসিয়া জনপদ।

খাসিয়াদের মধ্যে অনেকেই এখন নিজেদের বাড়িতে হোমস্টে সুবিধা চালুর ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। নতুন ধারার এ পর্যটন চালুর পর কক্ষভাড়ার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা যেমন আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন, একইভাবে স্থানীয় অটোরিকশাচালক, দোকানি, ট্যুর গাইড—সবাই পর্যটনের মাধ্যমে বাড়তি আয় করতে পারছেন।

বর্তমানে রাতযাপনের ব্যবস্থাটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। ভ্রমণের আগে ট্যুরিজম বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ করে রাতযাপনের অনুমতি নিতে হবে।

ভারতীয় 🇮🇳 টুরিস্ট ভিসা করার জন্য যা যা ডকুমেন্টস লাগবেঃ📢 প্রস্তুতি নিন, প্রয়োজনীয় কাগজ গুছিয়ে রাখুন! 🇮🇳✈️1️⃣ মূল পাস...
21/02/2026

ভারতীয় 🇮🇳 টুরিস্ট ভিসা করার জন্য যা যা ডকুমেন্টস লাগবেঃ
📢 প্রস্তুতি নিন, প্রয়োজনীয় কাগজ গুছিয়ে রাখুন! 🇮🇳✈️

1️⃣ মূল পাসপোর্ট (মিনিমাম ৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
2️⃣ NID কার্ডের ফটোকপি
3️⃣ ২/২ ইঞ্চি রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড) এবং ৩৫০*৩৫০ রেজুলেশনে স্কেন কপি।
4️⃣ ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি
5️⃣ পেশা প্রমাণপত্র:
🔹 চাকরিজীবী হলে NOC
🔹 ব্যবসায়ী হলে আপডেট ট্রেড লাইসেন্স
🔹 শিক্ষার্থী হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড

6️⃣ আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
কমপক্ষে ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা পাসপোর্টে মিনিমাম ১৫০ ডলার সমপরিমাণ ডলার এনডোর্সমেন্ট (MTE) অথবা SBI ট্রাভেল কার্ড

7️⃣ পূর্বের ভিসা থাকলে তার কপি
8️⃣ লস্ট পাসপোর্ট হলে: জিডি কপি, নোটারি ও লস্ট সার্কুলেশন
9️⃣ পাসপোর্টে তথ্য পরিবর্তন হলে: কোর্ট এফিডেভিট

📝 আগে থেকেই প্রস্তুত থাকুন, কাগজপত্র ঠিক রাখুন।
🚨 খুব শিগগিরই আসছে বড় সুখবর!


আপনি চাইলে টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি এর সাথে কোলকাতা ভ্রমণ করতে পারেন সব থেকে কম খরচে
আপনার ভ্রমণ নিরাপদ ও আনন্দময় করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞা বদ্ধ
আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে
📲 01684244008 WhatsApp
📲 01623603409
সরাসরি অফিসে এসে দেখা করে বুকিং কনফার্ম করতে আজই যোগাযোগ করুন
🏪অফিস: ৮৯/২ আফজাল টাওয়ার, জেলখানা মোড় ডিসি রোড, নরসিংদী।

18/02/2026

Address

89/2 Afjal Tower Jailkhanar Moor, Narshingdi
Dhaka
16

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when টুইলাইট ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category