Zozana Holidays

Zozana Holidays ✈️ Your Journey Begins Here 🌍
We turn travel dreams into reality!

Personalized trips, unbeatable deals, and unforgettable experiences—whether you’re planning a relaxing beach getaway or an epic adventure. 🌴✨

🩺💉🩺ভারতের ভেলোরের বিখ্যাত ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ (CMC - Vellore) হাসপাতালে বিশ্বমানের ক্যান্সার চিকিৎসা প্রদান করা হয...
25/07/2026

🩺💉🩺ভারতের ভেলোরের বিখ্যাত ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ (CMC - Vellore) হাসপাতালে বিশ্বমানের ক্যান্সার চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এই হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগে প্রায় সব ধরনের ক্যান্সারের আধুনিক ও সমন্বিত চিকিৎসা রয়েছে।


​1️⃣. সিএমসি হাসপাতালে যেসব ক্যান্সারের চিকিৎসা হয় :
​সিএমসির অনকোলজি বিভাগে প্রধানত চারটি বিশেষায়িত সাব-ডিভিশন বা ইউনিটের মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের সলিড ও ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা দেওয়া হয়:

➡️ ​মেডিকেল অনকোলজি (Medical Oncology): স্তন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, পাকস্থলী ও খাদ্যনালীর ক্যান্সারসহ বিভিন্ন সলিড টিউমারের কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি।

➡️ ​রেডিয়েশন অনকোলজি (Radiation Oncology): অত্যাধুনিক মেশিনের (যেমন- 3D-CRT, IMRT, VMAT, Brachytherapy) সাহায্যে নিখুঁতভাবে রেডিওথেরাপি প্রদান।

➡️ ​হেমোটোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (Hemato-Oncology / BMT):n
লিউকেমিয়া (ব্লাড ক্যান্সার), লিম্ফোমা, মাল্টিপল মাইলোমা এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বা স্টেম সেল প্রতিস্থাপন।

➡️ ​গাইনি অনকোলজি (Gynaecologic Oncology): জরায়ু ক্যান্সার, ওভারিয়ান ক্যান্সার এবং জরায়ুমুখের ক্যান্সারের বিশেষায়িত সার্জারি ও চিকিৎসা।

➡️ ​সার্জিক্যাল অনকোলজি:
টিউমার অপসারণ বা অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সার দূর করার জন্য বিশ্বমানের সার্জারি ইউনিট।

​2️⃣. চিকিৎসা খরচ কেমন হতে পারে?
​সিএমসি ভেলোরে অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রাইভেট হাসপাতালের তুলনায় খরচ কিছুটা কম এবং সাশ্রয়ী। তবে ক্যান্সারের ধরন, রোগের স্টেজ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ওপর ভিত্তি করে খরচ কম-বেশি হতে পারে। একটি প্রাথমিক ধারণা নিচে দেওয়া হলো:

➡️ ​প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বায়োপসি:
রোগ নিশ্চিতকরণ এবং স্টেজিংয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা, সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং বায়োপসি করতে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ রুপি বা তার বেশি খরচ হতে পারে।

➡️ ​কেমোথেরাপি:
ওষুধ ও কেসের ধরন অনুযায়ী প্রতি সাইকেল কেমোথেরাপির খরচ সাধারণত ৩৫,০০০ থেকে ৭৫,০০০ রুপি পর্যন্ত হতে পারে।

➡️ ​রেডিয়েশন থেরাপি:
প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে প্রতি সেশনের খরচ ২,০০০ থেকে ৪,০০০ রুপি বা তার বেশি হতে পারে।

➡️ ​সার্জারি বা বড় অপারেশন:
জটিলতা ভেদে সার্জারির খরচ ১.২৫ লাখ থেকে ৪ লাখ রুপি বা তার বেশি হতে পারে।

➡️ ​বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (BMT):
এটি একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া, যা কেস ভেদে ৬ লাখ থেকে ১৫ লাখ রুপি পর্যন্ত হতে পারে।

✅​(উল্লেখ্য: গরিব ও দুঃস্থ রোগীদের জন্য সিএমসির 'লো-কস্ট ইফেক্টিভ কেয়ার ইউনিট' (LCECU) এবং বিভিন্ন চ্যারিটেবল ফান্ডের মাধ্যমে কিছুটা আর্থিক সহায়তার সুযোগ রয়েছে।)

​3️⃣. সিএমসিতে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার আগে ও পরে যা যা করণীয় -
​আপনি বা আপনার কোনো পরিচিতজন যদি সিএমসি হাসপাতালে ক্যান্সার চিকিৎসার কথা ভেবে থাকেন, তবে নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করা জরুরি:

➡️ ​সব পুরোনো রিপোর্ট ও স্লাইড গুছিয়ে রাখা: বাংলাদেশে করা সমস্ত রক্তের রিপোর্ট, ইমেজিং (সিটি স্ক্যান/এমআরআই প্লেট ও রিপোর্ট) এবং বিশেষ করে বায়োপসির অরিজিনাল স্লাইড ও ব্লক অবশ্যই সাথে নিতে হবে। সিএমসি সাধারণত তাদের নিজস্ব প্যাথলজিতে স্লাইডগুলো পুনরায় পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়।

➡️ ​অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া:
সরাসরি হুট করে চলে না গিয়ে সিএমসির অফিশিয়াল পেশেন্ট পোর্টাল (Patient Portal) বা অ্যাপের মাধ্যমে আগে থেকেই অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট কনফার্ম করে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

➡️ ​ভিসা প্রসেসিং:
হাসপাতালের ইনভাইটেশন লেটার ও ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার সংগ্রহ করে ভারতের চিকিৎসার জন্য 'মেডিকেল ভিসা' (Medical Visa) সংগ্রহ করতে হবে। রোগী এবং সর্বোচ্চ তিনজন সঙ্গী ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

➡️ ​ভেলার পৌঁছানোর প্রস্তুতি:
ভেলোরে পৌঁছানোর পর প্রথম দিন রেজিস্ট্রেশন করবেন 900B ( পুরাতন ক্যাম্পাস) কিংবা F ব্লক ( রাণীপেটে) ভবনে যোগাযোগ করতে হয়।

✔️ ​ধৈর্য ধারণ করা:
সিএমসিতে রোগীর প্রচণ্ড ভিড় থাকে। তাই ডাক্তার দেখানো, সিরিয়াল পাওয়া বা টেস্টের রিপোর্ট হাতে পেতে কিছুটা সময় ও দীর্ঘ অপেক্ষার মানসিক প্রস্তুতি রাখতে হবে।

‼️​সতর্কতা:
চিকিৎসার খরচ ও প্রক্রিয়া রোগীর শারীরিক অবস্থা এবং হাসপাতালের নিয়মের ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভ্রমণের আগে সিএমসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা হেল্পলাইনের মাধ্যমে সর্বশেষ আপডেট জেনে নেওয়া উচিত।

24/07/2026
24/07/2026

Celebrating my 1st year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

ভ্রমণ মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে তাই কাজের মাঝে মাঝে ঘুরে আসুন আর মনকে চাঙা করুন, দেখবেন কাজের মান বাড়বে..... 🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩
24/07/2026

ভ্রমণ মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে তাই কাজের মাঝে মাঝে ঘুরে আসুন আর মনকে চাঙা করুন, দেখবেন কাজের মান বাড়বে..... 🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩

✈️ Your Journey Begins Here 🌍
We turn travel dreams into reality! Personalized trips, unbeatable deals, and unforgettable experiences—whether you’re planning a relaxing beach getaway or an epic adventure. 🌴✨

🇭🇰 বাংলাদেশী পাসপোর্টে হংকং ই-ভিসা: ঘরে বসেই ই-ভিসা পাওয়ার সিক্রেট গাইড! আবেদনের সহজ নিয়ম ও সম্পূর্ণ গাইডলাইন...আমার বন্...
24/07/2026

🇭🇰 বাংলাদেশী পাসপোর্টে হংকং ই-ভিসা: ঘরে বসেই ই-ভিসা পাওয়ার সিক্রেট গাইড! আবেদনের সহজ নিয়ম ও সম্পূর্ণ গাইডলাইন...আমার বন্ধুর পুরো প্রসেসটা তুলে ধরছি... আমার বন্ধু হংকং ভিসা আবেদন করেছে ২০২৫ সেপ্টেম্বর এন্ড ঠিক ২৫ দিন পর ভিসা অ্যাপরুভাল নোটিস পেয়েছিলো ।চীনা ক্যান্টন ফেয়ার অ্যাটেন্ড করে বাংলাদেশ ফিরার সময় হংকং ট্রাভেল করেছিলো ।বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের জন্য হংকং ভ্রমণের ক্ষেত্রে অনলাইন ই-ভিসা (e-Visa) ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি হংকং ইমিগ্রেশন পোর্টাল থেকে আবেদন করতে হয়। এটি সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক প্রক্রিয়া হওয়ায় আপনাকে কোনো দূতাবাসে সরাসরি উপস্থিত হতে হবে না।

আবেদনের সম্পূর্ণ গাইডলাইন নিচে বিস্তারিতভাবে সাজানো হলো:

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (Required Documents)আবেদনের পূর্বে নিচের ডকুমেন্টগুলোর স্ক্যান কপি (PDF/JPEG ফরম্যাটে) প্রস্তুত রাখুন:

পাসপোর্ট: মূল পাসপোর্টের তথ্য পৃষ্ঠার পরিষ্কার স্ক্যান কপি। ভ্রমণের তারিখ থেকে পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে এবং ন্যূনতম দুটি খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে। পূর্বে ব্যবহৃত সব পুরনো পাসপোর্টের কপিও যুক্ত করতে হবে।

ছবি: হংকং ইমিগ্রেশনের নিয়ম অনুযায়ী সম্প্রতি তোলা সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের রঙ্গিন পাসপোর্ট সাইজ (3.5 cm x 4.5 cm) ছবি।

আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: বিগত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাংক সচ্ছলতা সনদ (Bank Solvency Certificate)। ব্যাংকে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকা বাঞ্ছনীয়।

পেশাগত প্রমাণ:চাকরিজীবী: নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC), ভিজিটিং কার্ড এবং সাম্প্রতিক ৩ মাসের পে-স্লিপ।

ব্যবসায়ী: আপডেট করা ট্রেড লাইসেন্স (ইংরেজিতে অনূদিত ও নোটারি করা) এবং কোম্পানির প্যাড।

ভ্রমণ পরিকল্পনা: নিশ্চিত করা রিটার্ন এয়ার টিকিট বুকিং এবং হোটেল বুকিংয়ের প্রমাণপত্র।

হংকং স্পন্সর (যদি থাকে): হংকংয়ে কোনো আত্মীয় বা ব্যবসায়িক পার্টনার থাকলে তার আমন্ত্রণপত্র (Invitation Letter) এবং তার আইডি কার্ডের কপি (এটি ভিসা প্রাপ্তির সম্ভাবনা বাড়ায়)।

অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া (Step-by-Step Application Process)

1. অফিসিয়াল পোর্টালে প্রবেশ: প্রথমে হংকং সরকারের GovHK Online Services পোর্টালে যান। সেখান থেকে "Application for Entry for Visit/Transit in Hong Kong" পেজে প্রবেশ করুন।

2. ফর্ম পূরণ: অনলাইন আবেদন ফর্মে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্টের বিবরণ, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং পেশাগত তথ্য নির্ভুলভাবে ইংরেজিতে পূরণ করুন।

3. ডকুমেন্ট আপলোড: পূর্বে প্রস্তুত রাখা পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, এনওসি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের স্ক্যান কপি নির্দিষ্ট স্থানে আপলোড করুন।

4. আবেদন জমা (Submit): সমস্ত তথ্য পুনরায় যাচাই করে অ্যাপ্লিকেশনটি অনলাইনে সাবমিট করুন। সাবমিট করার পর একটি Acknowledgement Receipt বা আবেদনপত্র নম্বর পাবেন, যা দিয়ে পরবর্তীতে ভিসার স্ট্যাটাস ট্র্যাক করা যাবে।

প্রসেসিং সময় ও ভিসা ফি (Processing Time & Fees)

প্রসেসিং সময়: আবেদন করার পর সাধারণত ৪ সপ্তাহ (৩০ থেকে ৩৫ কর্মদিবস) সময় লাগে। তাই ভ্রমণের সম্ভাব্য তারিখের অন্তত ১-২ মাস আগে আবেদন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ভিসা ফি: হংকং ই-ভিসার সরকারি ফি বর্তমানে ২৩০ হংকং ডলার (HKD)। আবেদন অনুমোদিত হওয়ার পর ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হবে। তখন ইমিগ্রেশন পোর্টালে লগইন করে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে এই ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

ভিসা ডাউনলোড: ফি পরিশোধের পর পোর্টাল থেকে আপনার ই-ভিসা (Notification Slip) ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।

অফিসিয়াল গাইডলাইন ও ফরম: আপনি যদি আবেদনের পূর্বে অফলাইন ফরমের ডেমো দেখতে চান, তবে Hong Kong Immigration Department-এর সাইট থেকে ID 1003A ফরমটি ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারেন।

কারিগরি পরামর্শ: অনলাইন ফর্মটি পূরণের সময় আপনার ব্রাউজারে (যেমন: Chrome বা Edge) 'Pop-ups' অপশনটি চালু বা Allow রাখবেন। সব ডকুমেন্ট যেন পরিষ্কারভাবে স্ক্যান করা থাকে এবং ফাইল সাইজ 5 MB-এর কম হয়।

হংকং ই-ভিসা আবেদনের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাংক ব্যালেন্সের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি, তবে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে সাধারণত প্রতি ব্যক্তির জন্য ৩,০০,০০০ থেকে ৫,০০,০০০ বাংলাদেশী টাকা (BDT) বা সমপরিমাণ ব্যালেন্স ব্যাংকে দেখানো সবচেয়ে নিরাপদ।

ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত করার সময় নিচের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা জরুরি:

ভ্রমণ খরচের সামঞ্জস্য: আপনার মোট ব্যালেন্স যেন আপনার আনুমানিক ভ্রমণ খরচের (ফ্লাইট, হোটেল, খাওয়া-দাওয়া, ও কেনাকাটা) চেয়ে অন্তত ২-৩ গুণ বেশি হয়।

হঠাৎ বড় লেনদেন নয়: ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হঠাৎ করে বড় কোনো অ্যামাউন্ট জমা (Instant Deposit) করবেন না। ইমিগ্রেশন অফিসাররা নিয়মিত এবং স্বাভাবিক লেনদেনের ইতিহাস দেখতে পছন্দ করেন।

স্থির ব্যালেন্স (Closing Balance): বিগত ৬ মাস ধরে অ্যাকাউন্টে একটি সম্মানজনক ক্লোজিং ব্যালেন্স বজায় থাকা ভালো। হঠাৎ ব্যালেন্স শূন্য থেকে হুট করে ৫ লাখ টাকা দেখালে ভিসা বাতিলের সম্ভাবনা থাকে।

উৎস প্রদর্শন: আপনার পেশা বা আয়ের উৎসের (যেমন: বেতন বা ব্যবসা) সাথে ব্যাংক স্টেটমেন্টের নিয়মিত লেনদেনের মিল থাকতে হবে।

বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের জন্য হংকং বর্তমানে অন্যতম আকর্ষণীয় একটি ভ্রমণ গন্তব্য। যদিও আগে হংকংয়ের ভিসা পাওয়া বেশ জটিল ছিল, বর্তমান অনলাইন ই-ভিসা (e-Visa) ব্যবস্থার কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি এখন অনেক সহজ এবং স্বচ্ছ। সঠিক কাগজপত্র, একটি বাস্তবসম্মত ভ্রমণ পরিকল্পনা এবং পর্যাপ্ত ব্যাংক ব্যালেন্স (৩ থেকে ৫ লাখ টাকা) দেখাতে পারলে হংকংয়ের ই-ভিসা পাওয়া মোটেও কঠিন কোনো কাজ নয়।

ভ্রমণের পরিকল্পনা করার অন্তত ১ থেকে ২ মাস আগে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে, কারণ ভিসা প্রসেস হতে প্রায় ৪ সপ্তাহ সময় লাগে। কোনো ভুল তথ্য বা ভুয়া কাগজপত্র জমা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এতে ভিসা রিজেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সঠিক নিয়মে আবেদন করুন এবং আপনার হংকং ভ্রমণকে আনন্দদায়ক ও নিরাপদ করুন!

Link : https://www.gov.hk/en/nonresidents/visarequire/visasentrypermits/applyvisit_transit.htm

**ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা!**এখন থেকে ভিসা আবেদনের জন্য ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত স্টেটমেন্ট বা...
19/05/2026

**ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা!**

এখন থেকে ভিসা আবেদনের জন্য ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত স্টেটমেন্ট বা সলভেন্সি সার্টিফিকেটে বাধ্যতামূলকভাবে **QR Code** থাকতে হবে। জালিয়াতি রোধে এবং দ্রুত সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সকল ব্যাংককে এই নির্দেশ দিয়েছে।

✅ **QR কোড স্ক্যান করলে যা দেখা যাবে:**
* অ্যাকাউন্ট নম্বর ও নাম।
* ব্যালেন্স (Opening & Closing)।
* স্টেটমেন্ট তৈরির তারিখ।

⏳ **কার্যকর:** আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সকল ব্যাংককে এই ব্যবস্থা চালু করতে বলা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে দূতাবাসগুলোতে দলিলাদি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে।

ভারতীয় Tourist ভিসা করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র- 1. মূল পাসপোর্ট (মিনিমাম ৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।2. NID Card এর ফটোকপি।3....
03/05/2026

ভারতীয় Tourist ভিসা করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-
1. মূল পাসপোর্ট (মিনিমাম ৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
2. NID Card এর ফটোকপি।
3. 2/2 ইঞ্চি রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
4. ইউটিলিটি বিল এর ফটোকপি।
5. পেশা প্রমাণের জন্য-
ক. চাকরিজীবী হলে এন.ও.সি।
খ. ব্যবসায়ী হলে আপডেট ট্রেড লাইসেন্স।
গ. যদি কৃষক থাকেন তাহলে জমির পর্চা।
ঘ. স্টুডেন্ট হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড।
6. আর্থিক সচ্ছলতা প্রমানের জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট মিনিমাম ছয় মাস অথবা ডলার androcement MTE মিনিমাম ১৫০ ডলার সমপরিমাণ। অথবা এসবিআই ট্রাভেল কার্ড।
7. পূর্বের ভিসা থাকলে সেই ভিসার কপি।
8. লস্ট পাসপোর্ট থাকলে জিডি কপি, নোটারি এবং লস্ট সার্কুলেশন ( এটা পাবেন আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে অথবা আপনি যেখানে পাসপোর্ট করেছেন সেখানে গেলেও পাবেন।)।
9. পাসপোর্ট এর কোন তথ্য পরিবর্তন করলে যেমন নিজের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম অথবা বয়স যদি পরিবর্তন হয় তবে তার জন্য কোর্ট এফিডেভিট লাগবে। (কোন এডভোকেটের সঙ্গে যোগাযোগ করে এটা পাবেন)

ভারতে ভ্রমণকারীদের জন্য ​📢 জরুরি ঘোষণা: 🇧🇩🇮🇳বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত যাতায়াতে সাময়িক সীমাবদ্ধতা ​প্রিয় ভ্রমণপ্রত্যাশী ও সম্...
27/04/2026

ভারতে ভ্রমণকারীদের জন্য ​📢 জরুরি ঘোষণা: 🇧🇩🇮🇳

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত যাতায়াতে সাময়িক সীমাবদ্ধতা

​প্রিয় ভ্রমণপ্রত্যাশী ও সম্মানিত সুধী,
​সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, আজ ২৭ এপ্রিল ২০২৬ থেকে আগামী ৩ দিন পেট্রাপোল (বেনাপোল) এবং গেদে (দর্শনা) সীমান্ত দিয়ে সাধারণ যাত্রীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

​⚠️ বিশেষ নির্দেশনা:
​মেডিকেল ইমারজেন্সি: শুধুমাত্র গুরুতর অসুস্থ রোগী এবং তাদের সহকারীরা প্রয়োজনীয় মেডিকেল ডকুমেন্টস ও বৈধ ভিসা প্রদর্শন সাপেক্ষে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন।

​ভ্রমণ পরিকল্পনা: সাধারণ পর্যটন বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা ছিল, তাদের আপাতত যাত্রা স্থগিত রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে।

​📌 যাত্রীদের করণীয়:
​১. যাত্রা শুরুর আগে ইমিগ্রেশন বা পরিবহণ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সর্বশেষ আপডেট জেনে নিন।
২. জরুরি ক্ষেত্রে সকল নথিপত্রের ফটোকপি ও মূল কপি সাথে রাখুন।
৩. অনাকাঙ্ক্ষিত ভিড় বা ঝামেলা এড়াতে এই ৩ দিন সীমান্ত এলাকা এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
​সচেতনতা বৃদ্ধিতে তথ্যটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।

​তথ্যসূত্র: বর্ডার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ও সাম্প্রতিক প্রশাসনিক নির্দেশনা।

Address

Dhaka
DHAKA-1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zozana Holidays posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share