Team the Vagabond

Team the Vagabond Travel Agent
(2)

27/03/2026

যে কারণে একসাথে সবাইকে নিয়ে বেড়াতে যেতে ইচ্ছা করে না… 🤓

দুই দশক পর দখলমুক্ত সুগন্ধা সৈকত 🌊🇧🇩৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ—ফিরে পেল তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও জনসাধারণের অধিকার।যে ...
17/03/2026

দুই দশক পর দখলমুক্ত সুগন্ধা সৈকত 🌊🇧🇩

৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ—ফিরে পেল তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও জনসাধারণের অধিকার।
যে জায়গা একসময় প্রভাবশালীদের দখলে ছিল, আজ তা আবার মানুষের জন্য উন্মুক্ত।

সময়ের পরিবর্তনে দৃশ্যপটও বদলায়—এখন আলোচনায় একটাই নাম, তারেক রহমান।

17/03/2026

বর্ষা ইসলাম—পাহাড় ভালোবাসা এক সাহসী মানুষ। সবুজ পাহাড়, মেঘ আর ঝর্ণার মাঝে যিনি খুঁজে নিয়েছিলেন নিজের জীবনের আনন্দ।

কিন্তু হঠাৎ এক ভয়াবহ ট্রাজেডিতে বান্দরবানের গহীনে নিজের স্বামীকে হারান তিনি—চোখের সামনে, অসহায়ভাবে। সেই শোক কাটিয়ে বাঁচার তাগিদে গড়ে তোলেন নিজের একটি ট্রাভেল বিজনেস। কিন্তু প্রতিযোগিতা, দ্বন্দ্ব আর নানা সংকট তাকে বারবার আঘাত করে।

এরপর আবার দুর্ঘটনা—তার টিমের একজন হারিয়ে যান পাহাড়ে। দায় এসে পড়ে তার কাঁধে, ভেঙে পড়ে তার ব্যবসাও।

সবকিছুর পর, এবার সবচেয়ে বড় ধাক্কা—বর্ষা ইসলাম স্ট্রোক করেছেন। হাসপাতালে ভর্তি, কথা বলতে পারছেন না, ইমোশন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন। চেনা সেই হাসিমুখ আজ যেন হারিয়ে গেছে।

চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল—যা তার পরিবারের পক্ষে বহন করা প্রায় অসম্ভব।

👉 আমাদের সবার পরিচিত এই লড়াকু মানুষটির এখন প্রয়োজন আমাদের সহায়তা।
👉 যতটুকু সম্ভব, পাশে দাঁড়ান। আপনার ছোট সহযোগিতাও হতে পারে তার নতুন করে বেঁচে ওঠার কারণ।

আল্লাহর কাছে দোয়া—বর্ষা আবার ফিরে আসুক তার প্রিয় পাহাড়ে, ঝর্ণার সামনে দাঁড়িয়ে হাসুক আগের মতো। 🤲

আর্থিক সহায়তা পাঠানোর বিস্তারিত তথ্য কমেন্টে দেয়া আছে।

ধন্যবাদ হকার ভাইদের, ৪ লেনের রাস্তায় অন্তত ১ লেন খালি রাখার জন্য!মনে রাখবেন, এই রাস্তা সবার, আমাদের ট্যাক্সের টাকায় গড়া,...
17/03/2026

ধন্যবাদ হকার ভাইদের, ৪ লেনের রাস্তায় অন্তত ১ লেন খালি রাখার জন্য!

মনে রাখবেন, এই রাস্তা সবার, আমাদের ট্যাক্সের টাকায় গড়া, সবার স্বাচ্ছন্দ্য আর নিরাপত্তার জন্যই। 🚗

Where the silent waves meet the midnight sky,and the ocean glows with a calm, magical beauty that words can hardly descr...
16/03/2026

Where the silent waves meet the midnight sky,
and the ocean glows with a calm, magical beauty that words can hardly describe. 🌊✨

ধাপে ধাপে এগিয়ে চলা এক টেকওভারের পরিকল্পনা—এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।সেন্টমার্টিন নিয়ে প্রথম যখন লেখা হলো, তখন অনেকেই তা হালকা...
08/01/2026

ধাপে ধাপে এগিয়ে চলা এক টেকওভারের পরিকল্পনা—এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।

সেন্টমার্টিন নিয়ে প্রথম যখন লেখা হলো, তখন অনেকেই তা হালকাভাবে নিয়েছিল। কেউ ব্যঙ্গ করেছিল, কেউ “হাহা” রিঅ্যাকশনে উড়িয়ে দিয়েছিল। সময়ের ব্যবধানে আজ তারাই ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে গেছে—একপ্রকার বিলুপ্ত প্রজাতি হয়ে।

যে দ্বীপটি ছিল সাজানো-গোছানো, পরিকল্পিত ও স্বপ্নের মতো সুন্দর—
অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি হয়ে উঠল অগোছালো, অবহেলিত ও অনাকর্ষণীয়।
এই পরিবর্তন কি হঠাৎ? নাকি নিছক দুর্ঘটনা?
না—এটি ছিল সুপরিকল্পিত এক চিত্রনাট্যের অংশ।

আজ বাস্তবতা হলো—
মানুষ আর আগ্রহ নিয়ে টাকা খরচ করে সেখানে যেতে চায় না।
পর্যটনের নামেই যে প্রাণচাঞ্চল্য ছিল, তা ধীরে ধীরে নিস্তব্ধতায় পরিণত হয়েছে।
এই নীরব পতনই প্রমাণ করে—সবকিছু চোখের সামনে ঘটে গেলেও সবাই তা বুঝতে পারে না।

যারা শুরুতেই বিষয়টি বুঝেছিল, তাদের কথা তখন কেউ শোনেনি।
আর যারা তখন হেসেছিল, আজ তারা চুপ।
কারণ সত্য কখনো হাহায় হার মানে না—সময়ই তার সবচেয়ে বড় সাক্ষী।

নিউজিল্যান্ডের এই অদ্ভুত দৃশ্যটি কি আপনি আগে কখনো দেখেছেন? নিউজিল্যান্ডের ওটাগো অঞ্চলের কার্ড্রোনা ভ্যালি রোড দিয়ে যাওয়া...
07/01/2026

নিউজিল্যান্ডের এই অদ্ভুত দৃশ্যটি কি আপনি আগে কখনো দেখেছেন?
নিউজিল্যান্ডের ওটাগো অঞ্চলের কার্ড্রোনা ভ্যালি রোড দিয়ে যাওয়ার সময় হুট করে চোখে পড়বে এক অদ্ভুত দৃশ্য—মাইলের পর মাইল তারের বেষ্টনীতে ঝুলে আছে হাজার হাজার রঙিন অন্তর্বাস (ব্রা)। এটিই বিশ্বের অন্যতম বিচিত্র পর্যটন কেন্দ্র 'কার্ড্রোনা ব্রা ফেন্স'। তবে এই মজার দৃশ্যটির পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ ইতিহাস এবং একটি মহৎ উদ্দেশ্য।
(১৯৯৮-১৯৯৯) এই অদ্ভুত প্রথাটির শুরু হয় ১৯৯৮ সালের বড়দিন এবং ১৯৯৯ সালের নতুন বছরের মাঝামাঝি সময়ে। একদিন সকালে স্থানীয়রা হঠাৎ দেখেন রাস্তার পাশের একটি তারের বেষ্টনীতে চারটি ব্রা ঝুলে আছে। কারা এটি করেছিল তা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে লোকমুখে প্রচলিত আছে একদল নারী নতুন বছরের পার্টি শেষে ফেরার পথে মজার ছলে এগুলো সেখানে ঝুলিয়ে রেখে গিয়েছিলেন।শুরুটা নিছকমজা দিয়ে হলেও দ্রুতই তা পর্যটকদের নজরে আসে।১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ব্রা-এর সংখ্যা ৬০ ছাড়িয়ে যায়। পর্যটকরা নিউজিল্যান্ডের এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের অন্তর্বাস সেখানে রেখে যাওয়াকে একটি রীতিতে পরিণত করেন।
সবাই অবশ্য বিষয়টিকে সহজভাবে নেননি। অনেকে একে "চোখের বিষ" মনে করতেন এবং রাতের আঁধারে বেশ কয়েকবার সব ব্রা কেটে ফেলা হয়েছিল কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো যতবারই পরিষ্কার করা হয়েছে ব্রা গুলি ততোবারই তার কয়েকদিনের মধ্যেই দ্বিগুণ উৎসাহে সাধারণ মানুষ সেখানে আরও বেশি ব্রা ঝুলিয়ে দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।২০১৫ সাল থেকে এই স্থানটি একটি বিশেষ মোড় নেয়। বর্তমানে একে দাপ্তরিক ভাবে ‘ব্রাড্রোনা’ (Bradrona) নামে ডাকা হয়। এটি এখন আর কেবল স্রেফ বিনোদনের জায়গা নয় বরং স্তন ক্যান্সার সচেতনতা (Breast Cancer Awareness) তৈরির একটি বড় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। আমাদের দেশে কি এমন কোনো সচেতনতামূলক উদ্যোগের প্রয়োজন আছে বলে আপনি মনে করেন?

বেড়াটির পাশেই রয়েছে একটি দানবাক্স যেখানে পর্যটকরা তাদের ইচ্ছামতো অর্থ সহায়তা করতে পারেন। সংগৃহীত এই টাকা প্রতি বছর নিউজিল্যান্ডের স্তন ক্যান্সার ফাউন্ডেশনে দান করা হয়।
আপনি যদি কুইন্সটাউন থেকে ওয়ানাকা যাওয়ার পরিকল্পনা করেন তবে পথে একবার কার্ড্রোনা ভ্যালিতে বিরতি নিতে ভুলবেন না। পাহাড়ের কোলে এই রঙিন আর বিচিত্র দৃশ্যটি আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে।
কত কিছু দেখার বাকি,জানার বাকি,শেখার বাকি।

- Zia Raihan

কনে দেখতে এসে ঘরভর্তি আত্মীয়স্বজনের সামনে পাত্রের বাবা হাসিমুখে বললেন,—“আপনাদের কিছু জানার থাকলে বলতে পারেন।”ঠিক তখনই ইশ...
05/01/2026

কনে দেখতে এসে ঘরভর্তি আত্মীয়স্বজনের সামনে পাত্রের বাবা হাসিমুখে বললেন,
—“আপনাদের কিছু জানার থাকলে বলতে পারেন।”

ঠিক তখনই ইশা হঠাৎ করেই পাত্রের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
—“আপনি কি ঘুরতে পছন্দ করেন?”

ঘরের ভেতর মুহূর্তে অদ্ভুত এক নীরবতা নেমে এলো।
ইশার বোন ফিসফিস করে বললো,
—“আরে এসব কেন…”
বলেই বোনের হাত চেপে ধরলো।

আত্মীয়স্বজনরা একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইলো। কেউ কিছু বলছে না।

ইশা আবার জিজ্ঞেস করলো,
—“করেন?”

পাত্র হেসে বললো,
—“ঘুরতে তো সবাই পছন্দ করে।”

—“সবার মতো না,” ইশার কণ্ঠ দৃঢ়,
“আপনি বিশেষভাবে পছন্দ করেন কিনা?”

ইশার বাবা তাড়াতাড়ি বলে উঠলেন,
—“এসব কি বাচ্চাদের মতো প্রশ্ন! পাগলী মেয়ে আমার। তা ফারহান, আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ করেছেন?”

ইশার মুখটা মুহূর্তেই গোমড়া হয়ে গেল।
মাথা নিচু করে সে নিজের নখ খুঁটতে লাগলো।
তার প্রশ্নটা কেউ গুরুত্বই দিল না—এই কথাটাই বেশি করে চোখে লাগলো।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে—এটাই কি সবচেয়ে জরুরি?

পাত্রপক্ষ চলে গেল।
যাওয়ার আগে জানিয়ে গেল, ইশাকে তাদের বেশ পছন্দ হয়েছে।
এখন দুই পরিবার পরস্পরের বাড়িঘর দেখে নেবে, তারপর দিনক্ষণ পাকা।

ইশা নিজের ঘরে বসে রইলো, মনটা ভারী।
মা ঢুকতেই সে বলে উঠলো,
—“মা, এত সহজে বিয়ে হয়? আর কথা বলার দরকার নেই?”

মা শান্ত গলায় বললেন,
—“যথেষ্ট খোঁজ নেওয়া হয়েছে। ভালো কোম্পানিতে চাকরি করে, ভালো ফ্যামিলির ছেলে।”

—“কিন্তু মা,” ইশার গলা কেঁপে ওঠে,
“আমার কি কিছু জানার থাকতে পারে না? আমার সঙ্গে মনের মিল হবে কিনা—এগুলো?”

—“বিয়ে ঠিক হলে ফোনে কথা বলবি। কথা বললেই মনের মিল হয়।”

—“এভাবে মনের মিল হয়?”

মা হালকা হেসে বললেন,
—“আমার বিয়ের দিনই রেজিস্ট্রি হয়েছিল। আমাদের কি মিল হয়নি?”

—“ঘণ্টা মিল,” ইশা বিরক্ত হয়ে বললো,
“ছেলের নাম্বার দাও।”

—“লজ্জা শরম নেই?”
মা উঠে গেলেন।

ইশা গালে হাত দিয়ে বসে পড়লো।
এত সহজে সে কারো হয়ে যাবে?
এত অল্প কথায়?

আরও কত কিছু জানার ছিল…

কিন্তু জানার সুযোগ এলো না।
তার আগেই বিয়ের দিনক্ষণ পাকা।

একদিন সন্ধ্যায় ফেসবুকে নক এলো।
ফারহান।

ইশা সালামের জবাব দিয়ে সরাসরি বললো,
—“আমার প্রশ্নের উত্তর এখনও পাইনি।”

—“হা হা, আপনি বোধহয় রেগে আছেন?”

—“একটু,”
তারপর আবার,
“আমার সম্পর্কে কিছু না জেনেই আপনি রাজি হলেন কেন?”

—“সবই তো জানা।”

—“কচু জানা,” ইশা বললো।
“আপনি ঘুরতে ভালোবাসেন?”

—“আবার সেই প্রশ্ন!”

কল এলো।

—“সবাই বলছে আপনি নাকি খুব ঘুরুন্টি,”
ফারহান হেসে বললো।

—“তা হলে শুনে রাখুন,”
ইশা দৃঢ় কণ্ঠে বললো,
“আমি প্রচুর ঘুরতে চাই। আপনি রাজি না হলে বিয়ে ক্যানসেল।”

তারপর স্বপ্নের কথা বললো—
পাহাড়, সমুদ্র, অরণ্য, পুরো বাংলাদেশ, তারপর পৃথিবী।

ফারহান চুপচাপ শুনলো।

সে নিজে ভ্রমণভীতু।
কক্সবাজারে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।
কিন্তু ইশার কথা শুনে তার মনে হলো—
হয়তো ভালোবাসার মানুষ পাশে থাকলে ভয়টা কমে যাবে।

সেদিন রাতে সে বিয়ের জন্য জমানো টাকা থেকে কিছু আলাদা করে রাখে।
মা জানতে চাইলে বলে,
—“এটা আমার লাগবে।”

এই টাকাগুলো একদিন ইশার হাতে দিয়ে বলবে—
“আমাদের প্রথম হানিমুনের বাজেট।”

ইশার উচ্ছ্বসিত মুখটা কল্পনা করতেই
ফারহানের ঠোঁটে হাসি ফুটে ওঠে।

✦✦✦

সমাপ্ত
লেখা: মিশু মনি

New year, new roads, endless stories 🌍✈️Welcoming 2026 with passion for travel and freedom.Happy New Year from Team the ...
31/12/2025

New year, new roads, endless stories 🌍✈️
Welcoming 2026 with passion for travel and freedom.
Happy New Year from Team the Vagabond.

22/12/2025

প্রিয় শহীদ উসমান হাদী—
তুমি চেয়েছিলে শুধু ৫০০ ভোট আর ইনসাফের বাংলাদেশ,
কিন্তু মহান আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা
তোমাকে বিনিময়ে দিলেন পূর্ণ জান্নাতের প্রতিশ্রুতি।
রক্তের দামে তুমি জিতে গেলে চিরন্তন বিজয়। 💔🇧🇩✨

Address

Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Team the Vagabond posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Team the Vagabond:

Share

Category