Kishoreganj Online - কিশোরগঞ্জ অনলাইন

Kishoreganj Online - কিশোরগঞ্জ অনলাইন কিশোরগঞ্জের কণ্ঠস্বর Pakundia is our hart. We always time pray to ALLAH that ALLAH save pakundia for us

প্রেমের টানে নিজ জন্মভূমি ছেড়ে মালয়েশিয়ান তরুণী এখন কিশোরগঞ্জে।
08/10/2023

প্রেমের টানে নিজ জন্মভূমি ছেড়ে মালয়েশিয়ান তরুণী এখন কিশোরগঞ্জে।

প্রেমের টানে নিজ জন্মভূমি ছেড়ে মালয়েশিয়ান তরুণী এখন জেলা কিশোরগঞ্জে। প্রেমিক আদনান রকিকে বিয়ে করতে কিশোরগঞ্জের...

16/09/2023

আলুর চিপস তৈরির মেশিন...

08/08/2023

কে কোথায় আটকায়, তার থেকেও বড় বিষয় 'সুপার গ্লু' কেন নিজের বোতলে আটকায় না?

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বীর বিক্রমের ৫২ তম শাহাদৎ বার্ষিকী আজ।অসম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা শহীদ সিরাজুল ইসলামের আজ ৫২ ...
08/08/2023

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বীর বিক্রমের ৫২ তম শাহাদৎ বার্ষিকী আজ।

অসম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা শহীদ সিরাজুল ইসলামের আজ ৫২ তম শাহাদৎ বার্ষিকী। ১৯৭১ সনের ৮ আগষ্ট তিনি সুনামগঞ্জ জেলার গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর সাচনা পাক হানাদারদের হাত থেকে দখল মুক্ত করার লক্ষ্যে পরিচালিত রক্তক্ষয়ী সম্মুখ যুদ্ধে শাহাদৎ বরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অন্যতম এ যুদ্ধে তিনি কমান্ডার হিসাবে নেতৃত্ব দেন। ভয়াবহ এই যুদ্ধে মুক্তিসেনাদের প্রবল আক্রমণে ৩৬ জন পাকসেনা নিহত হয় এবং এর ফলে পাকসেনারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লে সাচনা বন্দর শত্রুমুক্ত হয়। কিন্তু যুদ্ধ শেষে পলায়নরত পাকসেনাদের কাভারিং ফায়ারের একটি বুলেট শহীদ সিরাজের কপালে বিদ্ধ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। সঙ্গে সঙ্গে মিত্র বাহিনীর হেলিকপ্টার যোগে ভারত নেওয়ার সময় পথিমধ্যে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর লাশ নিয়ে হেলিকপ্টার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিকট টেকেরঘাটে অবতরণ করে। সেখানে খাসিয়া পাহাড়ের পাদদেশে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
মৃত্যুর মাত্র ৭ দিন পূর্বে তিনি যুদ্ধক্ষেত্র থেকে তাঁর পিতাকে একটি পত্র লেখেন। সেই চিঠির প্রতিটি লাইনে ফুটে উঠেছে শহীদ সিরাজের দেশপ্রেমের অপূর্ব নির্দশন। চিঠির ভাষা নিম্নরূপ :

প্রিয় আব্বাজান, টেকেরঘাট
তাং- ৩০-০৭-৭১ ইং

আমার সালাম নিবেন, আশা করি খোদার কৃপায় ভালই আছেন। বাড়ীর সকলকেই আমার শ্রেণীমত সালাম ও স্নেহ রহিল। আলী রাজ, রওশন, মাতাব, রনু, ইব্রাহীম, ফুল মিয়া, সকলেই একত্রে আছি। দেশের জন্য আমরা সকলেই জান কোরবান করিয়াছি। আমার জন্য ও দেশ স্বাধীন স্বহওয়ার জন্য দোয়া করবেন। আমি জীবনকে তুচ্ছ মনে করি। কারণ দেশ স্বাধীন না হইলে জীবনের কোন মূল্য থাকিবে না। তাই যুদ্ধই জীবনের পাথেয় হিসাবে নিলাম। আমার অনুপস্থিতিতে মাকে কষ্ট দিলে আমি আপনাদেরকে ক্ষমা করিব না। পাগলের সব জ্বালা সহ্য করিতে হইবে। চাচা, মামাদের ও বড় ভাইয়ের নিকট আমার সালাম। বড় ভাইকে চাকুরীতে যোগদান করিতে নিষেধ করিবেন। জীবনের চেয়ে চাকুরী বড় নয়। দাদুকে দোয়া করিতে বলিলেন। মৃত্যুর মুখে আছি। যে কোন সময় মৃত্যু হইতে পারে এবং মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত। দোয়া করবেন মৃত্যু হইলেও যেন দেশ স্বাধীন হয়। তখন দেখিবেন লাখ লাখ ছেলে বাংলার বুকে পুত্র হারাকে বাবা বলে ডাকবে। এই ডাকের অপেক্ষায় থাকুন। আর আমার জন্য চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনার দুই মেয়েকে পুরুষের মত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলবেন। তবেই আপনার সাধ মিটে যাবে।

দেশবাসী স্বাধীন বাংলা কায়েমের জন্য দোয়া কর। মীরজাফরী করিও না। কারণ মুক্তি ফৌজ তোমাদের ক্ষমা করিবে না এবং বাংলায় তোমাদের জায়গা দিব না। সালাম, দেশবাসী সালাম।
ইতি,
মোঃ সিরাজুল ইসলাম

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার তাকে মরণোত্তর বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে এবং সাচনা নদী বন্দরের নাম করণ করা হয় সিরাজনগর। উল্লেখ্য শহীদ সিরাজুল ইসলাম ১৯৭১ সনে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। যুদ্ধের শুরুতেই তিনি মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন এবং ভারতের আসামে ইকোয়ান ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে তিনি ৫ নং সেক্টরের অধীনে সাবসেক্টর কমান্ডার হিসেবে সাচনা যুদ্ধ ছাড়াও আরও অনেক যুদ্ধে বীরত্বের সাথে অংশগ্রহন করেন। মরহুম মকতুল হোসেন ও গফুরুন্নেছার পুত্র শহীদ সিরাজ ছিলেন দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়।

৫২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি হে প্রিয় বীর...

বাসে একজন নারী দাঁড়িয়ে থাকলে— বেশিরভাগ পুরুষই উঠে সেই নারীকে জায়গা করে দেন। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একজন পুরুষই বল...
01/08/2023

বাসে একজন নারী দাঁড়িয়ে থাকলে— বেশিরভাগ পুরুষই উঠে সেই নারীকে জায়গা করে দেন।

লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একজন পুরুষই বলে ওঠেন— তার পেছনের নারীটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হোক।

দোকানের বেশিরভাগ পুরুষ সেলসম্যান আরেকজন পুরুষকে শান্তস্বরে বলেন, 'ভাই, এই মহিলাটিকে আগে বিদায় করে দিই। আপনি একটু বসুন।'

স্কুলের যেসব শিক্ষক ছেলেদের গরু-ছাগলের মতো পেটান, সেসব শিক্ষকও মেয়েদের বেলায় সহানুভূতিশীল হন।

কোনো পুরুষকে তার জীবনের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসার মানুষের কথা বলতে বললে— সেই পুরুষটি একজন নারীরই নাম বলবেন।

কিন্তু কট্টর নারীবাদ পুরুষের এই ব্যাপারগুলোকে শ্রদ্ধা করে না, বরং অস্বীকার করে। তারা ভাবে— পুরুষ মানেই ধর্ষক, নির্যাতনকারী, দেহপ্রেমী ইত্যাদি। তারা মনে করে, পুরুষ রাস্তাঘাটে বেরই হয় নারীদের ধর্ষণ করতে। এরকম একচোখা চিন্তাকে আমি মনেপ্রাণে ঘৃণা করি।

এটা ভুলে গেলে চলবে না— সব পুরুষের মধ্যেই একজন 'বাবা' বাস করেন।❤️।❤️

মানবিক পোস্টঃআপনি কি জানেন আমাদের রান্না ঘরে রাখা ডাস্টবিনে যে উচ্ছিষ্ট খাবারগুলো ফেলি সেগুলো অন্য প্রাণীর খাদ্য? হ্যাঁ,...
18/07/2023

মানবিক পোস্টঃ

আপনি কি জানেন আমাদের রান্না ঘরে রাখা ডাস্টবিনে যে উচ্ছিষ্ট খাবারগুলো ফেলি সেগুলো অন্য প্রাণীর খাদ্য?
হ্যাঁ, ওগুলো যখন ময়লাওয়ালা সব বাসা থেকে সংগ্রহ করে বড় ডাস্টবিনে ফেলে তখন কুকুর, বিড়াল, পাখি ইত্যাদি প্রাণীরা সেগুলো খেয়ে থাকে!
তাই রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট খাবারের বালতি বা ঝুড়িতে কখনো ক্ষতিকর রাসায়নিক, ব্লিচিং, হারপিক, ব্লেড, সুঁই, কাঁচভাংগা ইত্যাদি ফেলবেন না। হতে পারে আপনার অজান্তে ফেলা ঐ সব ক্ষতিকর জিনিস দ্বারা অবলা প্রাণীগুলো ক্ষতবিক্ষত হবে, রক্তান্ত হবে তাদের নিস্পাপ চেহারা; আর আপনাকে আসামি হিসেবে জাবাবদিহির জন্য দাঁড়াতে হবে সর্বশক্তিমান স্রস্টার আদালতে !!

*উচ্ছিষ্ট খাবার ফেলার সময়ও আপনার নিয়ত থাকবে:
"ওগুলো অন্য প্রাণীকে খাওয়াবো"।
সেজন্য "ফি সাবিলিল্লাহ" বলে ঝুড়িতে ফেলতে হবে। এতে আপনি অন্যকে খাবার খাওয়ানোর সওয়াব পেয়ে যাবেন ইনশা আল্লাহ।

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে এব্যাপারে খুব বেশী সতর্ক হবার তৌফিক দান করুন। আমিন।

শিল্পপতি জহুরুল ইসলামকিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার ভাগলপুর একটি ঐতিহ্যবাহী বর্ধিষ্ণু গ্রাম,এই গ্রামেরই একসম্ভ্রান্ত মুস...
30/05/2023

শিল্পপতি জহুরুল ইসলাম

কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার ভাগলপুর একটি ঐতিহ্যবাহী বর্ধিষ্ণু গ্রাম,এই গ্রামেরই এক
সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯২৮ সালের ১লা আগষ্ট রোজ বুধবার জহরুল ইসলাম জন্ম গ্রহন করেন ।

তাঁর পিতা আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন আহম্মদ
এবং মাতা রহিমা আক্তার খাতুন । তার পিতা ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার একজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব তিনি ১৯৫৮ -১৯৬৮ পর্যন্ত বাজিতপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন । অত্র এলাকার জনহিতকর কর্মকান্ডে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য ।

জহরুল ইসলাম এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারের ধারক
ও বাহক । মুঘল আমলের মধ্য ভাগে জহরুল ইসলামের পুর্বপুরুষ তিন ভাই বাজেত খাঁ, ভাগল খাঁ,
ও দেলোয়ার খাঁ মুঘলশাহের দরবারী আমলা হয়ে
এই এলাকায় আসেন ।

যার পরবর্তীতে বাজেত খাঁর নামানুসারে বাজিতপুর, ভাগলখাঁর নামানুসারে ভাগলপুর ও দেলোয়ার খাঁর নামানুসারে বর্তমান দিলালপুর নামকরন হয় । জহরুল ইসলাম ভাগলখাঁর পরিবারের ত্রয়োদশ বংশধর ।

শৈশবে জহরুল ইসলাম কে সবাই “সোনা"বলে ডাকতো ও যৌবনে পরিচিতরা “জহুর ভাই” বলে সম্ভোধন করতো আর তিনি তার ব্যবসা ক্ষেত্রে “চেয়ারম্যান সাহেব” হিসাবে কর্মকর্তা – কর্মচারীগন সম্ভোধন করতেন ।

ক্রীড়া অনুরাগী জহরুল ইসলাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্য ছিলেন এবং নাভানা ক্রিকেট টুনামেন্টের তিনি পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

জহরুল ইসলাম স্থানীয় প্রাইমারী স্কুল থেকে ৫ম শ্রেণী শেষ করে কিছুদিন সরারচর শিবনাথ হাইস্কুল অধ্যয়ন করেন তারপর বাজিতপুর হাই স্কুলে উচ্চতর শ্রেনীতে লেখাপড়া চলা কালীন চাচা মহকুমা প্রকৌশলী মুর্শিদ উদ্দিনের সাথে কলকাতায় চলে যান ।

সেখানে ইংরেজী মাধ্যমে কলকাতা রিপন হাই স্কুল থেকে মেট্টিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বর্ধমান জেলার এক কলেজে আই, এ কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে ও পরিস্থিতির চাপে চলে এসে কিছুদিন মুন্সিগঞ্জের হরগঙ্গা কলেজে অধ্যয়ন করেন ।

প্রতিকুল পরিবেশ ও পরিবারিক দায়দায়িত্বের চাপে তিনি আর লেখাপড়ায় এগুতে পারেননি । সেই জন্যই হয়তো শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি ছিলে আজীবন মুক্ত হস্ত ।

১৯৪৮ সালে মাত্র ৮০ টাকা মাসিক বেতনে সি এন্ড বি এর ওয়ার্ক এসিস্টেন্ট এর চাকুরীতে নিযুক্ত হন । তিন বছর পর ১৯৫১ সালে চাকুরীতে ইস্তেফা দেন । এবার তিনি ঠিকাদারী কাজে নিজেকে যুক্ত করেন প্রথম ঠিকাদার হিসাবে তিনি এক সরকারী অফিসে ১২ শত টাকার ষ্টেশনারী সরবরাহ করেন ।

তারপর তিনি কিশোরগঞ্জে পোষ্ট অফিস নির্মান এবং তার পরবর্তীতে গুলিস্থান থেকে টিকাটুলী সড়কের ঠিকাদারী পান । এর পর থেকে তাকে আর পিছু ফিরতে হয়নি । মাত্র ২ বছরের মাথায় নিজেকে তিনি একজন ১ম শ্রেণীর ঠিকাদার হিসাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হন ।

আর্থিক অবস্থা পরিবর্তন হবার সাথে সাথে তিনি পিতার ১৩ সদস্যের পরিবার কে ঢাকায় নিয়ে আসেন এবং ১৩ সদস্যের একান্নবর্তী পরিবার একসময় বিশাল এক পরিবারে রুপ নেয় যা তিনি ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ধরে রেখেছিলেন ।

সিলেটের জামাতা জহুরুল ইসলাম।

১৯৫৬ সালে সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার থানার স্বনামধন্য পরিবারে অধ্যাপক মোশাহেদ আলী চৌধুরী সাহেবের কন্যা সুরাইয়া বেগমের সাথে তিনি বৈবাহিক বাধনে আবদ্ধ হোন । সুরাইয়া বেগম ছিলেন তার অনুপ্রেরণা।

দেশের প্রথম এই ধনকুব ১১ ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।

সাংসারিক জীবনে জহুরুল ইসলামের এক ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম (বাবলু) আর চার মেয়ে সাইদা
ইসলাম (বেবী), মাফিদা ইসলাম (শিমি), নাইমা
ইসলাম (ইমা), কানিতা ইসলাম (কানিতার)জনক ছিলেন তিনি।

জহুরুল ইসলাম সিএন্ডবিতে অনেক বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেন এবং সে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি ক্ষুদ্র ঠিকাদারি ব্যবসা শুরু করেন।

১৯৬৫-এ তিনি ইষ্টার্ন হাউজিং লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন। জহুরুল ইসলাম ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে কিশোরগঞ্জে খুলেছিলেন দুই শত লঙ্গরখানা। এসব লঙ্গর খানায় সকল দরিদ্র অভুক্ত মানুষের জন্য ৫ মাস ব্যাপী খাদ্য নিশ্চিত করেছিলেন তিনি।

১৯৭৫ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বেঙ্গল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (বিডিসি)। এ কর্পোরেশন বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান যা মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে
নির্মাণ ব্যবসা শুরু করে। তার কোম্পানী বাংলাদেশ সংসদ ভবনের আঙ্গিনা, বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন, বাংলাদেশ হাইকোর্ট ভবন, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বিল্ডিং, এমপি হোস্টেল, এবং বাংলাদেশের প্রধান প্রধান মহাসড়ক সমূহ নির্মাণ করে।

তিনি পাট ও আসবাবপত্র কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। মধ্যপ্রাচ্যে এই প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য ব্যবসার মধ্যে রয়েছে নতুন প্রযুক্তিতে আবুধাবিতে ৫০০০ বাড়ি নির্মাণ, ইরাক ও ইয়েমেনে উপশহর নির্মাণ ইত্যাদি।

এই সকল কাজের মাধ্যমে তিনি দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন পথিকৃৎ।বাংলাদেশের অন্যতম সফল উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি কিংবদন্তি।

১৯৮৯ সালে তিনি নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ,গ্রামীন পরিবেশে নির্মিত মেডিক্যাল কলেজ বর্তমানে ও বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান যা সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখে
চলেছে।

একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার বিশেষ অবদান প্রসঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বিচারপতি মরহুম আবু সাঈদ চৌধুরীর লেখা, ‘প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলি’ নামক গ্রন্থ থেকে জানা যায়, জহুরুল ইসলাম ১৯৭১ সালের ১০ জুন ঢাকা ত্যাগ করে লন্ডন চলে যান। সেখানে তিনি ‘সুবেদ আলী’ ছদ্ম নাম ধারণ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মরহুম আবু সাঈদ চৌধুরীর কাছে মোটা অংকের নগদ আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আতাউর রহমান খানের লেখা ‘স্বৈরাচারের দশ বছর’ গ্রন্থে উল্লেখ আছে, জহুরুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তান সরকারের জেলে আটক নেতাকর্মীদের মোকদ্দমাদির খরচ, আহতদের চিকিৎসার খরচ এবং ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার খরচ ব্যক্তিগত ভাবে বহন করেন।

এভাবে তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন মুক্তি আন্দোলনে
ও স্বাধীনতা যুদ্ধে নিজেকে সম্পৃক্ত করে নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিকের ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই
হিসেবে তিনি ছিলেন মহান মুক্তিযোদ্ধা। জহুরুল ইসলাম ছিলেন এদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি এক অসাধারণ বাঙালি কৃতী সন্তান, যার তুলনা শুধু তিনি নিজেই। তার মহত্ত্ব, কৃতিত্ব ও আদর্শ তথা দেশপ্রেম বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য পাথেয় এবং অমর হয়ে থাকবে।

শিল্পপতি জহুরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সমূহঃ

১। ইষ্টার্ন হাউজিং লিঃ
২। বেঙ্গল ডেভলপমেণ্ট কর্পোরেশন লিঃ
৩। দি মিলনার্স টিউবয়েলস লিঃ
৪। এসেনশিয়াল প্রডাক্টস লিঃ
৫। নাভানা ইন্ডাষ্টিজ লিঃ
৬। ক্রিসেন্ট ইন্টারনেশনাল লিঃ
৭। ঢাকা ফাইবার্স লিঃ
৮। নাভানা ফার্মাসিঊটিক্যালস লিঃ
৯। নাভানা লিঃ
১০। দি রিভার ভিঊ লিঃ
১১। আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিঃ
১২। দি মিলনার্স ইঞ্জিনিয়ারিং কো লিঃ
১৩। দি মিলনার্স লিঃ
১৪। ইষ্টার্ন এষ্টেট লিঃ
১৫। আলস লিঃ ( অধুনা স্থগিত)
১৬। ভাগলপুর ফার্মস লিঃ
১৭। ভাগলপুর এষ্টেট লিঃ ( অধুনা স্থগিত)
১৮। নাভানা স্পোর্টস লিঃ ( অধুনা স্থগিত)
১৯। ইসলাম ব্রাদার্স প্রপার্টিজ লিঃ
২০। আল-হামরা গ্লাস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ
২১। দি মিলনার্স ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ
২২। দি মিলনার্স পাম্পস লিঃ
২৩। জহিরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতাল ( দাতব্যচিকিৎসালয়)

বাঙালীর গর্ব,দেশ বরেন্য সমাজসেবক শিল্পপতি জহুরুল ইসলাম ১৯৯৫ সনের ২৬শে সেপ্টেম্বর
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় সিংগাপুর গেলে সেখানে
১৮ই অক্টোবর দিবাগত রাত ২-৩০ মিনিটে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান ।

স্বদিচ্ছা থাকলে অনেক কিছুই সম্ভব। গহের আলীর মত অল্প কিছু মানুষ দরকার।১০৯ বছর বয়সী গহের আলী শুধু পথিকদের ক্লান্তিতে বিশ্র...
25/05/2023

স্বদিচ্ছা থাকলে অনেক কিছুই সম্ভব। গহের আলীর মত অল্প কিছু মানুষ দরকার।

১০৯ বছর বয়সী গহের আলী শুধু পথিকদের ক্লান্তিতে বিশ্রাম নেবার কথা চিন্তা করে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগিয়ে আসছেন। শুরুতে দিনমুজুরী করলেও একসময় বয়সের ভারে ভিক্ষা করা শুরু করেন গহের আলী, কিন্তু গাছ লাগানো থামান নাই। ভিক্ষা চাওয়ার সময় মানুষের বাড়ি থেকে তালের আঁটি চেয়ে নিতেন তিনি।

এখন সেইসব বাড়ির কিশোররাই গহের আলীর লাগানো গাছ থেকে তাল পেড়ে খায়। এর চেয়ে সুন্দর কি হতে পারে? 💚

সামর্থ্য নয়; ইচ্ছা শক্তিই লক্ষ্যে পৌঁছাবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষনীয় গল্প..!এক গ্রামে একজন কৃষক ছিলেন।তিনি দুধ থেকে দই ও মাখন তৈরি করে বিক্রি করতেন।  একদিন কৃষকের স্ত্রী মাখন তৈরি ...
20/05/2023

শিক্ষনীয় গল্প..!
এক গ্রামে একজন কৃষক ছিলেন।তিনি দুধ থেকে দই ও মাখন তৈরি করে বিক্রি করতেন।
একদিন কৃষকের স্ত্রী মাখন তৈরি করে কৃষককে দিলেন বিক্রি করতে। কৃষক তা বিক্রি করার জন্য গ্রাম থেকে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।
মাখনগুলো গোল-গোল রোল আকৃতিতে রাখা ছিল।
যার প্রত্যেকটির ওজন ছিল ১ কেজি করে।
শহরে পৌঁছে কৃষক প্রতিবারের ন্যায় পূর্ব নির্ধারিত দোকানে মাখনগুলো দিয়ে, পরিবর্তে চা চিনি তেল ও তার সংসারের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি নিয়ে আসতেন।

আজ কৃষক চলে যাওয়ার পরে দোকানদার মাখনের রোলগুলো একটা একটা করে ফ্রিজে রাখার সময়
ভাবলেন মাখনের ওজন সঠিক আছে কিনা আজ একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক।
মাখনের রোলগুলো ওজন করতেই উনি দেখলেন মাখনের ওজন আসলে ১ কেজি নয় তা প্রতিটা আছে ৯০০ গ্রাম করে।

পরের সপ্তাহে আবার কৃষক উক্ত দোকানে মাখন বিক্রি করতে গেলেন। দোকানের সামনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার কৃষকের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বললেনঃ বেরিয়ে যাও আমার দোকান থেকে।

এবার থেকে অন্যকোনো বেঈমান চিটিংবাজের সাথে ব্যবসা করো, আমার দোকানে আর কোনদিন পা রাখবে না।
৯০০ গ্রাম মাখন ১ কেজি বলে বিক্রি করা লোকটার মুখ আমি দেখতে চাইনা।”

কৃষক বিনম্রভাবে কম্পিত স্বরে দোকানদারকে বললেনঃ ”দাদা! দয়া করে রাগ করবেন না।
আসলে আমি খুবই গরিব মানুষ, দাড়িপাল্লার বাটখারা কেনার মতো পয়সা আমার নেই।
তাই আপনার থেকে প্রতিবার যে এক কেজি করে চিনি নিয়ে যেতাম, সেটা দাড়িপাল্লার একপাশে রেখে অন্য পাশে মাখনের রোল মেপে নিয়ে আসতাম!!

✅শিক্ষণীয় বিষয়ঃ
আপনি অপরকে যেটা দেবেন, সেটা কোন না কোনভাবে আপনার কাছে ফিরে আসবেই!!
সেটা সম্মান হোক, কিংবা ঘৃণা।

Address

Dhaka
2326

Telephone

01922934328

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kishoreganj Online - কিশোরগঞ্জ অনলাইন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kishoreganj Online - কিশোরগঞ্জ অনলাইন:

Share

Category