Safa Mina Travels & Tours

Safa Mina Travels & Tours Your trusted Hajj & Umrah partner in Bangladesh — ensuring a peaceful, comfortable, and spiritually fulfilling journey.

From visa processing and air tickets to Makkah–Madinah accommodation and guided services, we take care of everything with sincerity. From visa processing and air tickets to Makkah–Madinah accommodation and guided services, we take care of everything with sincerity and professionalism.

✨ Govt. Approved | Reliable Service | Affordable Packages | Trusted by Thousands of Pilgrims

🕋  পবিত্র কাবার গিলাফ ছুঁয়ে দেখার এবং রওজা মোবারকে সালাম জানানোর স্বপ্ন এবার সত্যি হোক সাফা মিনা ট্রাভেলস্ এন্ড ট্রুস-এর...
15/08/2026

🕋 পবিত্র কাবার গিলাফ ছুঁয়ে দেখার এবং রওজা মোবারকে সালাম জানানোর স্বপ্ন এবার সত্যি হোক সাফা মিনা ট্রাভেলস্ এন্ড ট্রুস-এর সাথে।
📞 বিস্তারিত জানতে এবং আপনার ওমরাহ প্যাকেজটি বুকিং করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
ঢাকা: মাওলানা আব্দুল্লাহ ০১৩১৩-৮৪৭৯৯৬
মাগুরা, মহম্মাদপুর- মাও: আমীর হুসাইন (রানা) ০১৯৫২-২৬৫০৯৩
মাগুরা মাও. লুকমান ০১৭১১-৬৫৫৬১৮
হাফেজ কারী জাহিদুল ইসলাম ০১৭৯৩-৬৯৯০৭৪
হাফেজ মাওলানা তাফসিরুল ইসলাম ০১৮৮০-০৯০৭৯২
ফরিদপুর, মধুখালী- হাফেজ ক্বারী মুহাঃ রিয়াজুল ইসলাম ০১৭৩১-৯২২৫৯৯
ফরিদপুর, আলফাডাঙ্গা- ক্বারী মুহাঃ ইয়াছিন ০১৩৩৬-১৬ ৪৮ ৯০
ফরিদপুর, আলফাডাঙ্গা- মোঃ রবিউল ইসলাম (রবি মাস্টার) ০১৭২১-৯৭৫৭৭৯
ফরিদপুর, সালথা- হাফেজ মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান ০১৯৯৬-৭৯ ২০৫৭
ফরিদপুর, বোয়ালমারী- জারিফুল ইসলাম (আরিফ) ০১৭২৫-৪২৬৪২২
ফরিদপুর, সদর- মুফতী মাও: মোঃ নাজমুল হাসান ০১৭৫১-০৩৮৫২৬
ফরিদপুর, সদর- মোঃ রায়হান ০১৩৩৪-৬৭৬৮৭৩
জয়পুরহাট, সদর- হা: মাও: আব্দুল ওয়াদুদ ০১৯২১-১২১৪৭৯
জয়পুরহাট, সদর- মাও: হেলাল ০১৭৬৭- ৫২৭০৯৩
বগুড়া, সদর- হা: মাও: ওমর ফারুক ০১৭২৫- ৬১৭০০৮
বগুড়া, সদর-মো: ইব্রাহিম ০১৭০৩-৫১০৬০০
আসুন, আখেরাতের পাথেয় সংগ্রহে একসাথে পাড়ি জমাই পুণ্যময় সেই ভূমিতে।
#মাল্টিপল_উমরাহ_ভিসা #উমরাহ

তাওয়াফ কী? এটা কিভাবে করতে হয়?তাওয়াফ হল কাবা ঘরের চারপাশে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা। এ তাওয়াফ করার নিয়মাবলী নীচে উল্লেখ করা হল...
12/08/2026

তাওয়াফ কী? এটা কিভাবে করতে হয়?
তাওয়াফ হল কাবা ঘরের চারপাশে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা। এ তাওয়াফ করার নিয়মাবলী নীচে উল্লেখ করা হলঃ
(১) তাওয়াফ শুরু করার পূর্বেই তালবিয়াহ পাঠ বন্ধ করে দেয়া। এরপর মনে মনে তাওয়াফের নিয়ত করা। নিয়ত না করলে তাওয়াফ শুদ্ধ হবে না। নিয়ম হল প্রথমে ‘হাজারে আসওয়াদ (কাল পাথরের) কাছে যাওয়া, ‘‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’’ বলে এ পাথরকে চুমু দিয়ে তাওয়াফ কার্য শুরু করা। কিন্তু রমাযান ও হজ্জের মৌসুমে প্রচন্ড ভীড় থাকে। বয়স্ক, বৃদ্ধ ও মহিলাদের জন্য পাথর চুম্বনের কাজটি প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরনের ভীড় দেখলে ধাক্কাধাক্কি করে নিজেকে ও অন্য হাজীকে কষ্ট না দিয়ে পাথর চুমু দেয়া ছাড়াই ‘‘হাজরে আসওয়াদ’’ থেকে তাওয়াফ শুরু করে দিবেন। কাবাঘরের ‘‘হাজরে আসওয়াদ’’ কোণ থেকে মসজিদে হারামের দেয়াল ঘেষে সবুজ বাতি দেয়া আছে। এ রেখা বরাবর থেকে তাওয়াফ শুরু করে আবার এখানে আসলে তাওয়াফের এক চক্র শেষ হবে। এভাবে ৭ চক্র পূর্ণ করতে হবে। ভীড়ের পরিমাণ যদি আরো বেশী দেখতে পান এবং গ্রাউন্ড ফ্লোরে তাওয়াফ করা কঠিন মনে করেন তাহলে দু’তলা বা ছাদের উপর দিয়েও তাওয়াফ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে সময় একটু বেশী লাগলেও ভীড়ের চাপ থেকে রেহাই পাবেন। ছাদের উপর তাওয়াফ করলে দিনের প্রখর রৌদ্রতাপ ও প্রচন্ড গরমে না গিয়ে রাতের বেলায় করবেন। বেশী ভীড়ের মধ্যে ঢুকে মানুষকে কষ্ট দেবেন না। দিলে ইবাদত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
(২) কাবাঘরকে বামপাশে রেখে তাওয়াফ করতে হয়। তাওয়াফের প্রথম চক্রে ‘‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’’ বলে নীচের দোয়াটি পড়তে পারলে ভাল হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতেন। দোয়াটি হলঃ
اَللَّهُمَّ إِيْمَانًا بِكَ وَتَصْدِيْقًا بِكِتَابِكَ وَوَفَاءً بِعَهْدِكَ وَاتِّبَاعًا لِسُنَّةِ نَبِيِّكَ مَحَمَّدٍ -صلى الله عليه وسلم-
অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার প্রতি ঈমান এনে, তোমার কিতাবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, তোমার সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণের জন্য তোমার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের অনুসরণ করে এ তাওয়াফ কার্যটি করছি।
(৩) প্রথম তিন চক্রে পুরুষগণ ছোট ছোট পদক্ষেপে দৌড়ের ভঙ্গিতে সামান্য একটু দ্রুত গতিতে চলতে চেষ্টা করবেন। আরবীতে এটাকে ‘রম্ল’ বলা হয়। বাকী চার চক্র সাধারণ হাঁটার গতিতে চলবেন। মক্কায় প্রবেশ করে প্রথম যে তাওয়াফটি করতে হয় শুধু এটাতেই প্রথম তিন চক্রের রম্লের এ বিধান। এরপর যতবার তাওয়াফ করবেন সেগুলোতে আর ‘‘রমল’’ করতে হবে না। মহিলাদের রমল করতে হয় না।
(৪) পুরুষেরা ইহরামের গায়ের কাপড়টির একমাথা ডান বগলের নীচ দিয়ে এমনভাবে পেঁচিয়ে দেবেন যাতে ডান কাঁধ, বাহু ও হাত খোলা থাকে। কাপড়ের বাকী অংশ ও উভয় মাথা দিয়ে বাম কাঁধ ও বাহু ঢেকে ফেলবেন। এ নিয়মটাকে আরবীতেও اضطباع (ইয্তিবা) বলা হয়। এটা শুধুমাত্র প্রথম তাওয়াফে করতে হয়। পরবর্তী তাওয়াফগুলোতে এ নিয়ম নেই, অর্থাৎ ডান কাঁধ ও বাহু খোলা রাখতে হয় না।
(৫) কাবাঘরের চারটি কোণের মধ্যে একটি কোণের নাম হল ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’। হাজরে আসওয়াদ-এর কোণটিকে প্রথম কোণ ধরে তাওয়াফ শুরু করে আসলে ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’ হবে চতুর্থ কোণ। এ ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’র পাশে এসে পৌঁছলে ভীড় না হলে এ কোণকে ডান হাত দিয়ে ছুইতে চেষ্টা করবেন। কিন্তু সাবধান, এ রুকনে ইয়ামেনীকে চুমু দেবেন না, এর পাশে এসে হাত উঠিয়ে ইশারাও করবেন না এবং সেখানে ‘আল্লাহু আকবার’ও বলবেন না। ‘আল্লাহু আকবার’ বলবেন হাজরে আসওয়াদে পৌঁছে। তাওয়াফ শুরু করবেন ‘‘হাজরে আওয়াদ’’ থেকে এবং শেষও করবেন সেখানে গিয়েই।
(৬) রুকনে ইয়ামেনী ও হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে নিম্নের এ দোয়াটি পড়া মুস্তাহাবঃ
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ
অর্থঃ হে আমাদের রব! আমাদেরকে তুমি দুনিয়ায় সুখ দাও, আখেরাতেও আমাদেরকে সুখী কর এবং আগুনের আযাব থেকে আমাদেরকে বাঁচাও।[1]
(৭) তাওয়াফের প্রত্যেক চক্রেই হাজরে আসওয়াদ ছুঁয়া ও চুমু দেয়া উত্তম। কিন্তু প্রচন্ড ভীড়ের কারণে এটি খুবই দূরূহ কাজ। সেক্ষেত্রে প্রতি চক্রেই হাজ্রে আসওয়াদের পাশে এসে এর দিকে মুখ করে ডান হাত উঠিয়ে ইশারা করবেন। ইশারাকৃত এ হাত চুম্বন করবেন না। ইশারা করার সময় একবার বলবেন بسم الله الله أكبر ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’।
(৮) তাওয়াফরত অবস্থায় খুব বেশী বেশী যিক্র, দোয়া ও তাওবা করতে থাকবেন। কুরআন তিলাওয়াতও করা যায়। কিছু কিছু বইতে আছে প্রথম চক্রের দোয়া, ২য় চক্রের দোয়া ইত্যাদি। কুরআন হাদীসে এ ধরনের চক্রভিত্তিক দোয়ার কোন ভিত্তি নেই। যত পারেন একের পর এক দোয়া আপনি করতে থাকবেন। এ বইয়ের ২১ ও ২২ নং অধ্যায়ে কিছু দোয়া দেয়া আছে। এ দোয়াগুলো করতে পারেন। তাছাড়া আপনার নিজ ভাষায় আপনার মনের কথাগুলো আল্লাহর কাছে বলতে থাকবেন, মিনতি সহকারে চাইতে থাকবেন। দলবেঁধে সমস্বরে জোরে জোরে দোয়া করে অন্যদের দোয়ার মনোযোগ নষ্ট করবেন না। আরবীতে দোয়া করলে এগুলোর অর্থ জেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন যাতে আল্লাহর সাথে আপনি কি বলছেন তা যেন হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারেন।
(৯) তাওয়াফের ৭ চক্র শেষ হলে দু’কাঁধ এবং বাহু ইহরামের কাপড় দিয়ে আবার ঢেকে ফেলবেন এবং ‘‘মাকামে ইব্রাহীমের’’ কাছে গিয়ে পড়বেনঃ
وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلّىً
অর্থঃ ইব্রাহীম (পয়গাম্বর)-এর দন্ডায়মানস্থলকে সালাত আদায়ের স্থান হিসেবে গ্রহণ করো।[2]
অতঃপর তাওয়াফ শেষে এ মাকামে ইব্রাহীমের পেছনে এসে দু’রাকআত সালাত আদায় করবেন। ভীড়ের কারণে এখানে জায়গা না পেলে মসজিদে হারামের যে কোন অংশে এ সালাত আদায় করা জায়েয আছে। মানুষকে কষ্ট দেবেন না, যে পথে মুসল্লীরা চলাফেরা করে সেখানে সালাতে দাঁড়াবেন না। সুন্নত হলো এ সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর প্রথম রাকআতে সূরা কাফিরূন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইখলাস পড়া।
(১০) এরপর যমযমের পানি পান করতে যাওয়া মুস্তাহাব। পান শেষে যমযমের কিছু পানি মাথার উপর ঢেলে দেয়া সুন্নাত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতেন। (আহমাদ)
(১১) মুস্তাহাব হলো পুনরায় হাজ্রে আসওয়াদের কাছে গিয়ে এটা স্পর্শ করা ও চুম্বন করা। সম্ভব হলে এটা করবেন। আর ভীড় বেশী থাকলে এ কাজটা করতে যাবেন না।
(১২) বেগানা পুরুষের সামনে মহিলারা হাজারে আসওয়াদ চুম্বনের সময় মুখ খোলা রাখবেন না। কাবার গা ঘেঁষে পুরুষদের মধ্যে না ঢুকে মেয়েদের একটু দূর দিয়ে তাওয়াফ করা উত্তম।
(১৩) তাওয়াফ করার সময় যদি জামা‘আতের ইকামত দিয়ে দেয় তখন সঙ্গে সঙ্গে তাওয়াফ বন্ধ করে দিয়ে নামাযের জামা‘আতে শরীক হবেন এবং ডান কাঁধ ও বাহু চাদর দিয়ে ঢেকে ফেলবেন। নামায রত অবস্থায় কাঁধ ও বাহু খোলা রাখা জায়েয না। সালাত শেষে তাওয়াফের বাকী অংশ পূর্ণ করবেন।
[1] (সূরা বাকারা ২০১)
[2](বাকারাঃ ১২৫

🕋 পরম চিরস্থায়ীর পানে এক আত্মিক সফর”কখনো কখনো আল্লাহ আমাদের সবচেয়ে প্রিয়জনদের কেড়ে নেন; আমাদের শাস্তি দিতে নয়, বরং ...
11/08/2026

🕋 পরম চিরস্থায়ীর পানে এক আত্মিক সফর
”কখনো কখনো আল্লাহ আমাদের সবচেয়ে প্রিয়জনদের কেড়ে নেন; আমাদের শাস্তি দিতে নয়, বরং এটা মনে করিয়ে দিতে যে, এই দুনিয়া কখনোই আমাদের চিরস্থায়ী আবাস হওয়ার জন্য তৈরি হয়নি। বিচ্ছেদের বেদনা বাস্তব, কিন্তু তাঁর কাছে প্রতিটি আত্মার প্রত্যাবর্তনের প্রতিশ্রুতিও সত্য।”

মানুষ যখন তার সবচেয়ে ভালোবাসার মানুষটিকে হারায়, তখন হঠাৎ করেই পুরো পৃথিবীটা কেমন শূন্য মনে হয়। যে দুনিয়াকে আমরা কত সাজাতে চাই, কত আপন ভাবতে চাই—এক নিমেষেই তা পর হয়ে যায়। কিন্তু এই যে বুকভাঙ্গা বিচ্ছেদ, তা তো আসলে কোনো শাস্তি নয়; এটা রব্বুল আলামিনের এক করুণাময় ডাক। এক গভীর সত্যের স্মরণ করিয়ে দেওয়া—দুনিয়া আমাদের গন্তব্য নয়, পথিক মাত্র।

প্রিয়জনকে হারিয়ে যখন মনটা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়, তখন সেই ভাঙা হৃদয় নিয়ে আল্লাহর ঘরে যাওয়ার চেয়ে প্রশান্তির আর কিছু হতে পারে না।

হজ ও উমরাহ কেবল একটি সফর নয়; এটি ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ার মায়া কাটিয়ে, প্রিয়জনদের হারানোর কষ্টগুলোকে সাথে নিয়ে এক পরম চিরস্থায়ীর কোলে নিজেকে সমর্পণ করার নাম।

কাবা শরীফের সামনে দাঁড়িয়ে অশ্রু ফেলার মাধ্যমে হৃদয়ের জমাট বাঁধা কষ্টগুলো হালকা করার সফর।

সাফা-মারওয়ার সাঈ-তে হাকিকতি কষ্টের মাঝেও আল্লাহর রহমতের আশা খুঁজে পাওয়ার সফর।

মাফ ও ক্ষমার আকুতি জানিয়ে মৃত প্রিয়জনদের জন্য অঝোর ধারায় দোয়ার সফর।

আমরা সবাই তো একই পথের পথিক। আজকে যারা চলে গেছেন, কাল হয়তো আমরাও যাবো। কিন্তু রবের সবচেয়ে বড় ওয়াদা—পরকালে ঈমানদারদের পুনরায় একত্রিত করার প্রতিশ্রুতি সত্য।

আসুন, ভাঙা মন আর ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার মোহ ছেড়ে আমরা আমাদের রবের দিকে ফিরে আসি। জীবনের প্রতিটি বিচ্ছেদের কষ্টকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একেকটি সিঁড়ি বানিয়ে নিই।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ার সঠিক বাস্তবতা অনুধাবন করার তাওফিক দিন এবং তাঁর পবিত্র ঘর—বাইতুল্লাহর মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমিন। 🤲✨
📞 বিস্তারিত জানতে এবং আপনার ওমরাহ প্যাকেজটি বুকিং করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
ঢাকা: মাওলানা আব্দুল্লাহ ০১৩১৩-৮৪৭৯৯৬
মাগুরা, মহম্মাদপুর- মাও: আমীর হুসাইন (রানা) ০১৯৫২-২৬৫০৯৩
মাগুরা মাও. লুকমান ০১৭১১-৬৫৫৬১৮
হাফেজ কারী জাহিদুল ইসলাম ০১৭৯৩-৬৯৯০৭৪
হাফেজ মাওলানা তাফসিরুল ইসলাম ০১৮৮০-০৯০৭৯২
ফরিদপুর, মধুখালী- হাফেজ ক্বারী মুহাঃ রিয়াজুল ইসলাম ০১৭৩১-৯২২৫৯৯
ফরিদপুর, আলফাডাঙ্গা- ক্বারী মুহাঃ ইয়াছিন ০১৩৩৬-১৬ ৪৮ ৯০
ফরিদপুর, আলফাডাঙ্গা- মোঃ রবিউল ইসলাম (রবি মাস্টার) ০১৭২১-৯৭৫৭৭৯
ফরিদপুর, সালথা- হাফেজ মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান ০১৯৯৬-৭৯ ২০৫৭
ফরিদপুর, বোয়ালমারী- জারিফুল ইসলাম (আরিফ) ০১৭২৫-৪২৬৪২২
ফরিদপুর, সদর- মুফতী মাও: মোঃ নাজমুল হাসান ০১৭৫১-০৩৮৫২৬
ফরিদপুর, সদর- মোঃ রায়হান ০১৩৩৪-৬৭৬৮৭৩
জয়পুরহাট, সদর- হা: মাও: আব্দুল ওয়াদুদ ০১৯২১-১২১৪৭৯
জয়পুরহাট, সদর- মাও: হেলাল ০১৭৬৭- ৫২৭০৯৩
বগুড়া, সদর- হা: মাও: ওমর ফারুক ০১৭২৫- ৬১৭০০৮
বগুড়া, সদর-মো: ইব্রাহিম ০১৭০৩-৫১০৬০০
আসুন, আখেরাতের পাথেয় সংগ্রহে একসাথে পাড়ি জমাই পুণ্যময় সেই ভূমিতে।
#মাল্টিপল_উমরাহ_ভিসা #উমরাহ

ক্ষণস্থায়ী এই জীবনের রঙ রূপ একদিন ম্লান হয়ে যাবে, কিন্তু ঈমান ও সুন্নাহর আলো থেকে যাবে চিরকাল। ক্ষণিকের মোহ ছেড়ে চলুন স...
01/08/2026

ক্ষণস্থায়ী এই জীবনের রঙ রূপ একদিন ম্লান হয়ে যাবে, কিন্তু ঈমান ও সুন্নাহর আলো থেকে যাবে চিরকাল। ক্ষণিকের মোহ ছেড়ে চলুন স্থায়ী সাফল্যের পেছনে ছুটি। আল্লাহ আমাদের সকলকে তাঁর প্রিয় বান্দা হিসেবে কবুল করুন। আমিন। 🤲 অতএব আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষে 🕋 পবিত্র কাবার গিলাফ ছুঁয়ে দেখার এবং রওজা মোবারকে সালাম জানানোর স্বপ্ন এবার সত্যি হোক সাফা মিনা ট্রাভেলস্ এন্ড ট্রুস-এর সাথে।
📞 বিস্তারিত জানতে এবং আপনার ওমরাহ প্যাকেজটি বুকিং করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
ঢাকা: মাওলানা আব্দুল্লাহ ০১৩১৩-৮৪৭৯৯৬
মাগুরা, মহম্মাদপুর- মাও: আমীর হুসাইন (রানা) ০১৯৫২-২৬৫০৯৩
মাগুরা মাও. লুকমান ০১৭১১-৬৫৫৬১৮
হাফেজ কারী জাহিদুল ইসলাম ০১৭৯৩-৬৯৯০৭৪
হাফেজ মাওলানা তাফসিরুল ইসলাম ০১৮৮০-০৯০৭৯২
ফরিদপুর, মধুখালী- হাফেজ ক্বারী মুহাঃ রিয়াজুল ইসলাম ০১৭৩১-৯২২৫৯৯
ফরিদপুর, আলফাডাঙ্গা- ক্বারী মুহাঃ ইয়াছিন ০১৩৩৬-১৬ ৪৮ ৯০
ফরিদপুর, আলফাডাঙ্গা- মোঃ রবিউল ইসলাম (রবি মাস্টার) ০১৭২১-৯৭৫৭৭৯
ফরিদপুর, সালথা- হাফেজ মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান ০১৯৯৬-৭৯ ২০৫৭
ফরিদপুর, বোয়ালমারী- জারিফুল ইসলাম (আরিফ) ০১৭২৫-৪২৬৪২২
ফরিদপুর, সদর- মুফতী মাও: মোঃ নাজমুল হাসান ০১৭৫১-০৩৮৫২৬
ফরিদপুর, সদর- মোঃ রায়হান ০১৩৩৪-৬৭৬৮৭৩
জয়পুরহাট, সদর- হা: মাও: আব্দুল ওয়াদুদ ০১৯২১-১২১৪৭৯
জয়পুরহাট, সদর- মাও: হেলাল ০১৭৬৭- ৫২৭০৯৩
বগুড়া, সদর- হা: মাও: ওমর ফারুক ০১৭২৫- ৬১৭০০৮
বগুড়া, সদর-মো: ইব্রাহিম ০১৭০৩-৫১০৬০০
আসুন, আখেরাতের পাথেয় সংগ্রহে একসাথে পাড়ি জমাই পুণ্যময় সেই ভূমিতে।
#মাল্টিপল_উমরাহ_ভিসা #উমরাহ

Address

House#1, Road#4, Block#B, DHAKA UDDAN, Mohammadpur
Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Safa Mina Travels & Tours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category