lau he Mahfuz hazz kafela

lau he Mahfuz hazz kafela process hazz & Omar support

24/01/2026

তাওয়াফ, ধোঁকা ও তাকওয়া
|১৭| জানুয়ারি |২০২৬|

|| প্রশ্ন:

সম্মানিত ড. মুহাম্মাদ আকরম নদভী সাহেব, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
আশা করি আপনি ভালো আছেন। আমি উমরা আদায়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছি। কিছুদিন ধরে সৌদি কর্তৃপক্ষ কাবা শরিফের চারপাশের গ্রাউন্ড ফ্লোর কেবল উমরাকারীদের জন্য নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। যারা উমরা করছেন, তারা গ্রাউন্ড ফ্লোরে তাওয়াফ করতে পারেন; আর যারা উমরাকারী নন, তাদের উপরের তলায় গিয়ে তাওয়াফ করতে হয়।

এ বিষয়ে কিছু আলেম এমন ফতোয়া দেন এবং নিজেরাও তা অনুসরণ করেন যে, উমরার নিয়ত না থাকলেও শুধু ইহরামের পোশাক পরে নেওয়া যাবে, যাতে হারামের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে মুহরিম মনে করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে তাওয়াফের অনুমতি দিয়ে দেয়।

আমার প্রশ্ন হলো, এভাবে করা কি শরিয়তসম্মত? আর যদি আমি ওই আলেমদের ফতোয়ার ওপর আমল করি, তাহলে কি শরিয়তের দৃষ্টিতে তার কোনো গ্রহণযোগ্যতা আছে?

|| উত্তর:

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

আপনার প্রশ্নে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সূক্ষ্ম ও বহুস্তরবিশিষ্ট বিষয় আলোচনায় এসেছে, যার সম্পর্ক রয়েছে শরিয়ত, ইবাদতের আদব, নৈতিকতা এবং সামষ্টিক শৃঙ্খলার সঙ্গে। এ কারণে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন, যাতে প্রতিটি দিক স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

প্রথমেই নীতিগতভাবে একটি কথা পরিষ্কার হওয়া দরকার, ইসলাম মুমিনদেরকে ওয়ালিল আমর ও প্রশাসনের আনুগত্য করতে বাধ্য করেছে, যতক্ষণ না তাদের নির্দেশ সরাসরি কোনো গোনাহের আদেশ হয়। কুরআন মাজিদে আল্লাহ তাআলা বলেন,
“হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, রাসূলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের মধ্যকার কর্তৃত্বশীলদের আনুগত্য করো।”
আর রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, মুসলিমের ওপর কর্তব্য হলো শোনা ও মান্য করা, তা তার পসন্দ হোক বা অপছন্দ, যতক্ষণ না তাকে গোনাহের আদেশ দেওয়া হয়।

এ থেকে স্পষ্ট হয় যে, জনস্বার্থে প্রণীত প্রশাসনিক বিধান ও শৃঙ্খলা মেনে চলাও একটি দ্বীনি দায়িত্ব, বিশেষত যখন এর উদ্দেশ্য মানুষের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করা।

সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কাবা শরিফের চারপাশের মাতাফ অর্থাৎ গ্রাউন্ড ফ্লোরকে কেবল উমরাকারীদের জন্য নির্দিষ্ট করা নিছক একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই নয়; বরং এটি ইবাদতকারীদের অধিকার ও সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া এক বাস্তবসম্মত ও কল্যাণভিত্তিক পদক্ষেপ। এর উদ্দেশ্য হলো ভয়াবহ ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা, প্রকৃত উমরাকারীদের জন্য সহজতা সৃষ্টি করা, নারী, বৃদ্ধ ও দুর্বলদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইবাদতের পবিত্রতা রক্ষা করা। এতে কারও প্রতি জুলুম নেই, কাউকে ইবাদত থেকেও বিরত রাখা হয়নি; কারণ তাওয়াফের জন্য উপরের তলাগুলো সর্বাবস্থায় উন্মুক্ত রয়েছে।

অতএব যারা উমরার নিয়তে মুহরিম হয়েছেন, তাদের জন্য গ্রাউন্ড ফ্লোরে তাওয়াফ করা সম্পূর্ণ বৈধ ও শরিয়তসম্মত, এবং সেটাই তাদের অধিকার। আর যারা উমরা আদায় করছেন না, তাদের জন্য উপরের তলায় তাওয়াফ করাই সঠিক ও শোভন।

এমন পরিস্থিতিতে কেবল গ্রাউন্ড ফ্লোরে প্রবেশ ও সেখানে তাওয়াফের অনুমতি পাওয়ার উদ্দেশ্যে, উমরার কোনো নিয়ত ছাড়াই ইহরামের পোশাক পরে নেওয়া শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম এবং নৈতিকতার বিচারে চরমভাবে নিন্দনীয় কাজ। এটি সরাসরি ধোঁকা, প্রতারণা ও ছলচাতুরির অন্তর্ভুক্ত। ইসলামি শরিয়তে ধোঁকার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, “যে ধোঁকা দেয়, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” সাধারণ লেনদেনেই যদি এ কাজ অবৈধ হয়, তবে ইবাদতের মতো পবিত্র ও মহান বিষয়ে এর গর্হিততা বহু গুণ বেড়ে যায়।

এ কথাও গভীরভাবে উপলব্ধি করা প্রয়োজন যে, ইহরাম কেবল একটি পোশাক নয়; বরং এটি একটি বিশেষ ইবাদতি অবস্থা ও নিয়তের নাম। একে নিছক পরিচয়পত্র বা প্রশাসনিক সুবিধা আদায়ের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা ইসলামের নিদর্শনসমূহের অবমাননা এবং তাদের পবিত্রতার লঙ্ঘন। আল্লাহ তাআলা বলেন,
“যে আল্লাহর নিদর্শনসমূহের সম্মান করে, তা অন্তরের তাকওয়ার পরিচায়ক।”

এই ধরনের আচরণের মধ্যে বহু গুরুতর শরিয়তগত ও বাস্তব ক্ষতি নিহিত রয়েছে:

এক. প্রকৃত উমরাকারীদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়। এ ধরনের লোকদের কারণে উমরাকারীদের জন্য নির্ধারিত জায়গা সংকুচিত হয়ে যায়, তাদের হক অন্যায়ভাবে দখল হয়, যার ফলে ভিড়, কষ্ট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

দুই. রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশের বিরোধিতা করা হয়। এটি সরকার ও প্রশাসনের প্রণীত বৈধ নিয়মের প্রকাশ্য লঙ্ঘন, যা শরিয়তসম্মত নয়।

তিন. মিথ্যা পরিচয় প্রকাশ। ব্যক্তি নিজেকে মুহরিম হিসেবে উপস্থাপন করে, অথচ বাস্তবে সে মুহরিম নয়; ফলে নানা শরিয়তগত জটিলতা তৈরি হতে পারে।

চার. ফিকহি জটিলতা ও সংশয়। যদি কেউ এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তবে বাহ্যিক লক্ষণে তাকে মুহরিম মনে করে মুহরিমের বিধান তার ওপর প্রয়োগ করা হতে পারে, অথচ সে প্রকৃতপক্ষে মুহরিম ছিল না। এভাবে সে প্রতারণার অবস্থায় দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়, আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন।

অতএব একজন ঈমানদার মানুষের জন্য সঠিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ পথ একটাই, তিনি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের যথাযথ সম্মান রক্ষা করবেন, মিথ্যা ও প্রতারণা থেকে দূরে থাকবেন এবং প্রশাসনের প্রণীত শৃঙ্খলা ও নিয়মকানুন মেনে চলবেন। যদি গ্রাউন্ড ফ্লোরে তাওয়াফ করা সম্ভব না হয়, তবে উপরের তলাগুলোতে তাওয়াফ করা কেবল জায়েযই নয়, বরং সেটিই উত্তম।

যে ইবাদতের ভেতর ধোঁকা ও অবাধ্যতা মিশে থাকে, তা কখনোই সওয়াবের কারণ হয় না; বরং তা গোনাহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ অবস্থায় তাওয়াফ ছেড়ে দেওয়া অনেক বেশি শ্রেয়, কেননা ইবাদতের আবরণে আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে দীনের সঠিক উপলব্ধি দান করুন, অন্তরে ইখলাস ও সত্যনিষ্ঠা দান করুন, ইসলামের নিদর্শনসমূহের প্রকৃত সম্মান রক্ষা করার তাওফিক দিন এবং ইবাদতে খাঁটি নিয়ত ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমল করার সামর্থ্য দান করুন। তিনি যেন আমাদের সব ইবাদতকে নিজের সন্তুষ্টির আলোকে কবুল করে নেন। আমিন।

--------------

মূল : ড. মোহাম্মদ আকরাম নদভী, অক্সফোর্ড।

21/01/2026
21/01/2026

মীকাত: হজ্জের যাত্রায় নির্ধারিত সীমারেখা

ইসলামে ইবাদতের প্রতিটি ধাপই শৃঙ্খলা ও নিয়মের মধ্যে আবদ্ধ। হজ্জের প্রস্তুতিতেও রয়েছে এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ বিধান—মীকাত। সংক্ষেপে বলা যায়, স্থান বা সময়ের যে নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করার আগে হজ্জ বা উমরার জন্য এহরাম বাঁধা অপরিহার্য, তাকেই মীকাত বলা হয়। অর্থাৎ এহরাম ছাড়া যে সীমানা পার হওয়া বৈধ নয় কিংবা যে সময়ের আগে হজ্জের এহরাম বাঁধা যায় না—সেটিই মীকাতের প্রকৃত অর্থ।

স্থানভিত্তিক মীকাত (মীকাতে মাকানি)

দূরবর্তী অঞ্চল থেকেই এহরাম বেঁধে যাত্রা শুরু করা শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি আল্লাহর ঘরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এক আত্মিক প্রস্তুতি। পথচলার প্রতিটি মুহূর্তে ঈমানি উত্তেজনা ধীরে ধীরে গভীর হয়, মন আল্লাহমুখী হয়ে ওঠে। সম্ভবত এই আধ্যাত্মিক পরিপক্বতার কারণেই হজ্জে মীকাতের বিধান রাখা হয়েছে।

হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য নির্দিষ্ট মীকাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন—মদিনাবাসীদের জন্য যুল হুলায়ফা, শামবাসীদের জন্য জুহফাহ, নাজদবাসীদের জন্য কারনুল মানাযিল এবং ইয়েমেনবাসীদের জন্য য়ালামলাম। এসব মীকাত শুধু ওই অঞ্চলের মানুষের জন্য নয়; বরং যারা সে পথ দিয়ে হজ্জ বা উমরার নিয়তে অতিক্রম করবে, তাদের সবার জন্যই প্রযোজ্য। আর যারা মীকাতের ভেতরে বসবাস করে, তাদের নিজ অবস্থানই তাদের মীকাত। এমনকি মক্কাবাসীদের মীকাত হলো মক্কা নিজেই। অন্য হাদিসে ইরাকবাসীদের জন্য যাতু ইরক নির্ধারিত হয়েছে।



মক্কা থেকে মীকাতগুলোর দূরত্ব

যুল হুলায়ফা
মক্কা থেকে প্রায় ৪২০ কিলোমিটার দূরে। বর্তমানে এটি ‘আবয়ারে আলী’ নামে পরিচিত। মদিনাবাসী ও মদিনার পথ ধরে আগমনকারীদের মীকাত এটি।

জুহফাহ
বর্তমানে পরিত্যক্ত হওয়ায় লোকজন রাবেগ থেকে এহরাম বাঁধে। মক্কা থেকে রাবেগের দূরত্ব প্রায় ১৮৬ কিলোমিটার। উত্তর সৌদি আরব, পশ্চিম ও উত্তর আফ্রিকা, লেবানন, সিরিয়া, জর্ডান ও ফিলিস্তিনের হাজিরা সাধারণত এখান থেকেই এহরাম বাঁধেন।

কারনুল মানাযিল (আস্সাইলুল কাবির)
মক্কা থেকে প্রায় ৭৮ কিলোমিটার দূরে। ইরাক, ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলের হাজিদের মীকাত এটি।

য়ালামলাম
মক্কা থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ইয়েমেনবাসী এবং উপমহাদেশ ও দূরপ্রাচ্য থেকে আগমনকারীদের জন্য এটি মীকাত।

যাতু ইরক
মক্কা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে। বর্তমানে এ পথ ব্যবহার না হওয়ায় এটি কার্যত পরিত্যক্ত। স্থলপথে আগত পূর্বাঞ্চলীয় হাজিরা সাধারণত সাইল অথবা যুল হুলায়ফা থেকে এহরাম বাঁধেন।



মীকাত সংক্রান্ত মৌলিক বিধান

হাদিসের নির্দেশ অনুযায়ী, মীকাতের বাইরে থেকে আগত প্রত্যেক হাজির জন্য মীকাত অতিক্রমের আগে এহরাম বাঁধা ওয়াজিব। তবে যারা মীকাতের ভেতরে বসবাস করে, তাদের জন্য নিজ অবস্থানই মীকাত। অর্থাৎ যেখানে আছে সেখান থেকেই তারা হজ্জের এহরাম বাঁধবে।

তবে মক্কার হারাম এলাকার ভেতরে বসবাসকারী কেউ যদি উমরা করতে চান, তাহলে তাকে হারাম এলাকার বাইরে—যেমন তানয়ীম (মসজিদে আয়শা)—গিয়ে এহরাম বাঁধতে হবে।



মীকাতে মাকানি বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা

কোনো যাত্রাপথে যদি দুটি মীকাত পড়ে, তাহলে প্রথম মীকাত থেকেই এহরাম বাঁধা উত্তম। যদিও দ্বিতীয় মীকাত থেকেও এহরাম বাঁধা বৈধ। বাংলাদেশ থেকে মদিনা হয়ে মক্কায় যাওয়া হাজিরা সাধারণত এই অবস্থার মুখোমুখি হন। তারা জেদ্দার পূর্ববর্তী মীকাত অতিক্রম না করে মদিনা-মক্কা রুটে অবস্থিত যুল হুলায়ফা থেকেই এহরাম বাঁধেন।

যদি কেউ ভুলবশত এহরাম ছাড়া মীকাত অতিক্রম করে ভেতরে ঢুকে পড়ে, তাহলে তার করণীয় হলো—মীকাতে ফিরে গিয়ে এহরাম বাঁধা। এতে কোনো দম ওয়াজিব হবে না। কিন্তু মীকাতে না ফিরে ভেতর থেকেই এহরাম বাঁধলে হজ্জ বা উমরা আদায় হলেও দম ওয়াজিব হবে। মনে রাখা জরুরি—এহরাম ছাড়া মীকাত অতিক্রম করে ভেতরে ঢুকে মসজিদে আয়শা থেকে হজ্জের এহরাম বাঁধা বৈধ নয়; কারণ এটি হারাম এলাকার ভেতরের বাসিন্দাদের জন্য উমরার মীকাত।



সময়ভিত্তিক মীকাত (মীকাতে যামানি)

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
“হজ্জ নির্দিষ্ট কয়েকটি মাসে।”

এই নির্দিষ্ট মাসগুলো হলো—শাওয়াল, যিলকদ এবং জিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত। কারও মতে জিলহজ্জ মাসের পুরোটা সময়ই হজ্জের অন্তর্ভুক্ত।

যেহেতু হজ্জের মাস শাওয়াল থেকে শুরু হয়, তাই শাওয়ালের আগে হজ্জের এহরাম বাঁধা বৈধ নয়। বরং তা সুন্নতের পরিপন্থী এবং মাকরুহে তাহরীমি হিসেবে গণ্য।

20/01/2026

⃣ ওমরার ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত
🔹 ওমরার ফরজ (২টি)
ইহরাম বাঁধা
তাওয়াফ (বায়তুল্লাহর চারপাশে ৭ চক্কর)
👉 ফরজ বাদ গেলে ওমরা আদায় হবে না।
🔹 ওমরার ওয়াজিব (১টি)
সাঈ (সাফা–মারওয়া ৭ বার যাতায়াত)
👉 ওয়াজিব বাদ গেলে দম (কুরবানি) দিতে হবে।
🔹 ওমরার সুন্নত
তালবিয়া পড়া
রামল করা (পুরুষদের জন্য)
ইজতেবা করা (তাওয়াফে)
চুল মুন্ডানো বা ছোট করা
২️⃣ ইহরাম সংক্রান্ত মাসআলা
❗ ইহরাম ছাড়া মীকাত অতিক্রম
ইহরাম ছাড়া মীকাত পার হলে → দম (একটি কুরবানি) ওয়াজিব
❗ ইহরামে নিষিদ্ধ কাজ (পুরুষ)
সেলাই করা কাপড় পরা
মাথা ঢেকে রাখা
সুগন্ধি ব্যবহার
নখ/চুল কাটা
শিকার করা
❗ নারী ইহরাম মাসআলা
সেলাই করা কাপড় পরতে পারবে
নেকাব/হাতমোজা পরবে না
মুখ ঢাকার প্রয়োজন হলে কাপড় ঝুলিয়ে রাখা যাবে (স্পর্শ না করলে)
৩️⃣ তাওয়াফ সংক্রান্ত মাসআলা
✔ তাওয়াফের শর্ত
পবিত্রতা (ওজু থাকা)
সতর ঢাকা
কাবা বাম পাশে রেখে ঘোরা
❌ তাওয়াফে ভুল হলে
এক চক্কর বাদ গেলে → পুরো তাওয়াফ শুদ্ধ নয়
ওজু ভেঙে গেলে → ওজু করে আবার ঐ চক্কর থেকে শুরু করতে হবে
❗ তাওয়াফ চলাকালে ভিড়ের সমস্যা
ধাক্কাধাক্কিতে কাউকে কষ্ট দেওয়া গুনাহ
ইশারায় হাজরে আসওয়াম স্পর্শ করা জায়েজ
৪️⃣ সাঈ সংক্রান্ত মাসআলা
সাফা থেকে শুরু, মারওয়াতে শেষ
ওজু ছাড়া সাঈ করা জায়েজ (তবে ওজু উত্তম)
এক চক্কর বাদ গেলে → দম ওয়াজিব
৫️⃣ চুল কাটার মাসআলা (হালক)
✂ পুরুষ
মাথা মুন্ডানো উত্তম
অথবা সব মাথা থেকে চুল ছোট করা
✂ নারী
এক আঙুল পরিমাণ চুল কাটা
চুল খোলা রাখা জরুরি নয়
👉 চুল না কাটলে ইহরাম শেষ হবে না
৬️⃣ দম ও কাফফারা সংক্রান্ত মাসআলা
🐄 দম ওয়াজিব হয় যদি—
ওয়াজিব বাদ যায়
ইহরামে নিষিদ্ধ কাজ করা হয় (জেনে)
❗ কুরবানি কোথায়?
হারাম শরীফ এলাকায় করতে হবে
সৌদি ব্যাংক/অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে করা যায়
৭️⃣ নারীদের বিশেষ মাসআলা
🔴 হায়েজ/নিফাস হলে
ইহরাম বাঁধা যাবে
তাওয়াফ করা যাবে না
পবিত্র হলে তাওয়াফ ও সাঈ করবে
❗ তাওয়াফ ছাড়া দেশে ফিরতে হলে
বড় সমস্যা → ফকিহ আলেমের সাথে যোগাযোগ জরুরি
৮️⃣ সাধারণ ভুল ও সতর্কতা
❌ ছবি তোলায় ইবাদতে গাফেল হওয়া
❌ উচ্চস্বরে দোয়া পড়ে অন্যকে কষ্ট দেওয়া
❌ সুন্নত না জেনে নিজে নিজে আমল বানানো
✔ সংক্ষিপ্ত দোয়া
✔ ধীরস্থির চলাফেরা
✔ অন্যকে কষ্ট না দেওয়া
৯️⃣ ওমরা ভেঙে গেলে কী হবে?
ইচ্ছাকৃতভাবে ইহরাম ভাঙলে → কুরবানি + কাজা ওমরা
ভুলে হলে → দম দিয়ে পূরণ

রমজান উপলক্ষে আমাদের প্যাকেজ সমূহ। আপনার প্যাকেজটি দ্রুত বুক করুন
19/01/2026

রমজান উপলক্ষে আমাদের প্যাকেজ সমূহ।
আপনার প্যাকেজটি দ্রুত বুক করুন

18/01/2026

৯️⃣ মহিলাদের বিশেষ মাসআলা
প্রশ্ন: হায়েজ অবস্থায় কী করা যাবে?
তাওয়াফ ❌
জিকির, দোয়া ✅
প্রশ্ন: মাহরাম ছাড়া হজ?
অধিকাংশ আলেম: ❌
কিছু মত: নিরাপদ হলে অনুমতি
🔟 ভুল হলে কী করতে হবে:
তাওয়াফে ওযু ভেঙে গেলে নতুন করে ওজু করতে হবে। ইহরামে সুগন্ধি লাগালে দম দিতে হবে।
শয়তান পাথর মারতে ভুল হলে দম দিতে হবে
সাঈ বাদ পড়লে সাঈ আদায় করতে হবে।

18/01/2026

হজের দিনভিত্তিক মাসআলা
🟡 ৮ জিলহজ – মিনায় যাওয়া
ইহরাম বাঁধা
৫ ওয়াক্ত নামাজ
🟡 ৯ জিলহজ – আরাফাত
প্রশ্ন: আরাফাতে অবস্থান ফরজ কেন?
উত্তর: “আরাফা ছাড়া হজ নেই” (হাদিস)
🟡 মুজদালিফা
মাগরিব+এশা একসাথে
কঙ্কর কুড়ানো
🟡 মিনায় শয়তান মারার মাসআলা
১০, ১১, ১২ জিলহজ
ভুল হলে দম (কোরবানি)
৮️⃣ কোরবানি (দম) সংক্রান্ত
প্রশ্ন: কোরবানি কখন ওয়াজিব?
হজে তামাত্তু ও কিরানে
ভুল করলে (দম)

18/01/2026

প্রশ্ন: বদলি হজ জায়েজ?
উত্তর: হ্যাঁ, মৃত বা অক্ষমের জন্য।
প্রশ্ন: এক সফরে একাধিক ওমরাহ?
উত্তর: জায়েজ, তবে সাহাবিদের আমল কম।
প্রশ্ন: হজ কবুলের আলামত কী?
উত্তর:
গুনাহ থেকে দূরে থাকা
চরিত্রে পরিবর্তন

Address

Uttara
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when lau he Mahfuz hazz kafela posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share