Legend Trekkers BD

Legend Trekkers BD পাহাড়-পর্বতকে ভালোবেসে
'ঘুরে বেড়াই পথের-বাঁকে'

06/03/2026

ঈদ স্পেশাল
নাফাখুম-রেমাক্রি (৪রাত ৩দিন)

কিসতং-রুংরাং সামিট (৪রাত ৩দিন) ☎️01834-622642

06/03/2026

ঈদ স্পেশাল
আন্দারমানিক এক্সট্রিম ট্রিপ
(৬রাত ৫দিন)
☎️01834-622642

06/03/2026

ঈদ স্পেশাল আমিয়াখুম
নাফাখুম ট্রিপ
(৫রাত ৪দিন)
☎️01834-622642

06/03/2026

ঈদ স্পেশাল
সাকা হাফং-তাজিংডং আমিয়াখুম-নাফাখুম ট্রিপ
(৬রাত ৫দিন)
☎️01834-622642

06/03/2026

ঈদের ছুটিতে
কোথায় যেতে চাচ্ছেন!
ঈদের ২য়দিন রাত থেকে
আমাদের সকল ইভেন্ট শুরু

06/03/2026

হিডেন চার্জ মুক্ত
ইভেন্টে ঘুরে আসুন
লিজেন্ড পরিবারের সাথে

চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দিরচন্দ্রনাথ পাহাড় হিন্দু ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান আর এডভেঞ্চার প্রিয় ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে অপরূপ ...
04/03/2026

চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির

চন্দ্রনাথ পাহাড় হিন্দু ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান আর এডভেঞ্চার প্রিয় ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি সীতাকুণ্ডকে করেছে অনন্য। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের অবস্থান সীতাকুণ্ড বাজার থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার পূর্বে দিকে। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে পায়ে হেঁটে কিংবা রিক্সায় করে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে নিচের গেটের কাছে যাওয়া যায়। তবে পায়ে হেঁ‌টে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাবার পথে হিন্দুদের বেশ কিছু ধর্মীয় স্থাপনা ও অধিবাসীদের জীবন যাত্রার চিত্র দেখে যেতে পারবেন। এছাড়াও পাহাড়ের একটু গভীরে গেলে চোখে পড়বে জুমক্ষেত এবং বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চাষ করা ফুলের বাগান। চন্দ্রনাথ পাহাড় চূড়াতেই চন্দ্রনাথ মন্দির (Chandranath Temple) অবস্থিত।

চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাবার পথে ছোট একটি ঝর্ণা দেখাঁ যায়। এই ঝর্ণার কাছ থেকে পাহাড়ে উঠার পথ দুই দিকে চলে গেছে। ডান দিকের পথটির পুরোটাতেই পাহাড়ে উঠার জন্য সিঁড়ি তৈরি করা আর বাম পাশের পথটি সম্পূর্নই পাহাড়ি। সাধারণত পাহাড়ি পথ দিয়ে উপরে উঠা তুলনামুলক সহজ আর সিঁড়ির পথে নামাতে সহজ হয়। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উচ্চতা ১১৫২ ফুট। হেঁটে উঠতে একটু পরিশ্রমের কাজ হলেও আপনার হাঁটার উপর নির্ভর করবে কতক্ষণ লাগবে। সাধারণত ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটের মত সময় লাগবে আসতে ধীরে উঠলে। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উপরেই চন্দ্রনাথ মন্দির অবস্থিত। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের মাঝামাঝি দূরত্বে এবং চূড়ায় মন্দিরের কাছে ছোট টং দোকান আছে সেগুলিতে হালকা খাবার এবং পূজা দেয়ার উপকরণ পাওয়া যায়, তবে ভালো হয় উঠার সময় সাথে পর্যাপ্ত পানি ও কিছু শুকনো খাবার সাথে রাখলে। প্রতি বছর মহাশিবরাত্রি উপলক্ষ্যে প্রচুর হিন্দুধর্মালম্বী চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দিরে পুণ্যযাত্রায় আসেন।
ভৌগোলিকভাবে চন্দ্রনাথ পাহাড়কে হিমালয় পর্বতমালার একটি বিচ্ছিন্ন অংশের পূর্বপ্রান্তীয় শৃঙ্গ হিসেবে ধরা হয় এবং এটি সীতাকুণ্ড এলাকার বিস্তৃত প্রাকৃতিক বনভূমির সঙ্গে সংযুক্ত। পাহাড়টি সীতাকুণ্ড ইকো পার্কের আশপাশের অঞ্চলের অংশ হওয়ায় এখানে ঝর্ণা, পাহাড়ি ট্রেইল, ঘন সবুজ বন ও নানান প্রজাতির পাখির দেখা মেলে। চূড়ায় পৌঁছালে একদিকে যেমন সমুদ্রের বিস্তৃত দৃশ্য উপভোগ করা যায়, অন্যদিকে পাহাড়ি প্রাকৃতিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা দেয়। পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় সহস্রধারা ও সৃতাধারা নামে পরিচিত কয়েকটি জলপ্রপাতও রয়েছে, যা বিশেষ করে বর্ষা ও গ্রীষ্ম মৌসুমে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

📍তথ্য ও ছবি সংগৃহীত

খৈয়াছড়া ঝর্ণাঝর্ণার রানী খ্যাত খৈয়াছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণাগুলোর মধ্যে অন্যতম...
04/03/2026

খৈয়াছড়া ঝর্ণা

ঝর্ণার রানী খ্যাত খৈয়াছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। খৈয়াছড়া ঝর্ণার নয়টি ধাপ ও নান্দনিক সৌন্দর্য্য দেখে এডভেঞ্চার প্রিয় ভ্রমণপিয়াসী মানুষেরা প্রতিনিয়তই মুগ্ধ হচ্ছে। গ্রামের সবুজ শ্যামল আঁকাবাঁকা মেঠো পথ আর পাহাড়ের হাতছানিতে অনন্য খৈয়াছড়ার আবেদন উপেক্ষা করা বেশ কঠিন তাইতো প্রকৃতিপ্রেমীরা খৈয়াছড়া ঝর্ণাকে বাংলাদেশের ঝর্ণা রানী হিসাবে আখ্যা দিয়েছেন।
বড়তাকিয়া বাজার থেকে ৪.২ কিলোমিটার দূরত্বে খৈয়াছড়া ঝর্ণাটির অবস্থান। বাঁশের সাকো, আঁকাবাঁকা ক্ষেতের আইল, পাহাড়ী পথ, ছড়া, ঝিরিপথ ও পাহাড় পেরিয়ে খৈয়াছড়া ঝর্ণার মুখোমুখি হলে পথের সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। ঝর্ণার শীতল জলে গা ভেজালে অপার্থিব প্রশান্তিতে মন ভরে উঠে।

📍তথ্য ও ছবি সংগৃহীত

নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা ও ট্রেইলঅ্যাডভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের কাছে নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা বর্তমানে বেশ পরিচিত একটি নাম। নাপিত্তাছড়া...
04/03/2026

নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা ও ট্রেইল

অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের কাছে নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা বর্তমানে বেশ পরিচিত একটি নাম। নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাইয়ের অবস্থিত একটি ঝর্ণা।
ঝর্ণায় যাবার যে ঝিরিপথ আছে তা নাপিত্তাছড়া ট্রেইল নামে পরিচিত। এই ট্রেইলে আছে টিপরা খুম, কুপিটা খুম, বাঘবিয়ানী ঝর্না ও বান্দরখুম নামের আরও বেশ কিছু ঝর্ণা ও খুম। তুলনামূলক সহজ ট্রেইল হওয়ায় একটু কষ্ট করলে একদিনেই পুরো ট্রেইল হেঁটে উপভোগ করতে পারেন এক্সট্রিম ঝর্ণার আনন্দ।

কখন যাবেন!
ঝর্ণায় যাবার সবচেয়ে ভাল সময় বর্ষাকাল। তখন ঝর্ণা গুলোতে বেশ পানি থাকে। তবে অতি বর্ষার সময় ফ্ল্যাশ ফ্লাডের আশঙ্কা থাকে। তাই বর্ষায় ঘুরতে গেলে সেই ব্যাপারেও সাবধান থাকা ভালো। এছাড়া বছরের যে কোন সময়ই যেতে পারবেন।

কিভাবে যাবেন!!
দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে এই ট্রেইলে যেতে প্রথমে আপনাকে চট্টগ্রামের মিরসরাই এর নয়দুয়ারী বাজার আসতে হবে। নয়দুয়ারী বাজার থেকে ৪০-৫০ মিনিট হেঁটে এই ট্রেইল শুরু করতে হবে। পুরো ট্রেইল হেঁটে দেখতে ৪-৫ ঘন্টা লাগবে, তবে তা নির্ভর করবে আপনি পাহাড়ি ও ঝিরিতে হাটতে কতটুকু অভ্যস্ত তাঁর উপর।
চাইলে শুধু নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা বা বান্দরখুম ঝর্না দেখেও ফিরে আসতে পারেন।

📍তথ্য ও ছবি সংগৃহীত

কমলদহ ঝর্ণাসীতাকুন্ডের পরিচিত ঝর্ণা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কমলদহ ট্রেইলের ঝর্ণা গুলো। মোটামুটি সহজ ট্রেইল এবং অল্প সময়ে ...
04/03/2026

কমলদহ ঝর্ণা
সীতাকুন্ডের পরিচিত ঝর্ণা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কমলদহ ট্রেইলের ঝর্ণা গুলো। মোটামুটি সহজ ট্রেইল এবং অল্প সময়ে কমলদহ ট্রেইলের ঝর্ণা গুলো দেখে আসা যায় বলে ভ্রমণপিয়াসু মানুষের কাছে জনপ্রিয় স্থান হয়ে উঠেছে। কমলদহ ট্রেইলে অনেক গুলো ঝর্ণা আছে। এই ট্রেইলের উপরের দিকে ডানে বায়ে ঝিরি পথ ভাগ হয়ে গেছে। ঝিরি পথ দিয়ে আগালেই দেখা মিলবে অসংখ্য ছোট বড় ঝর্ণা আর ক্যাসকেডের।

কমলদহ ট্রেইল
কমলদহ ঝর্ণার উপরে উঠে ছোট একটি ক্যাসকেড পার হয়ে ঝিরি পথে কিছুটা এগিয়ে গেলে সামনে দেখতে পাবেন ঝিরিপথ দুভাগ হয়ে ডান ও বাম দিকে চলে গেছে। প্রথমে হাতের বাম দিকের ঝিরি পথ ধরে এগিয়ে যান। এই ঝিরিপথে গেলে কিছুটা দূর গেলে আবারো হাতের ডানদিকে আরেকটি ঝিরি পথ পাবেন (এইটায় এখোনি যাবেন না)। সোজা ঝিরিপথে একটু এগুলেই ছাগলকান্দা ঝর্ণা দেখতে পাবেন (এটার উপরে উঠতে চাইলে পাশের পাহাড়ে দিয়ে উঠার রাস্তা খুঁজে নিন)। ছাগলকান্দা ঝর্ণা দেখে ফিরার সময় হাতের ডানের ঝিরি কথা বলছিলাম এখন এই ঝিরিপথে এগিয়ে যান। সামনে একটা ক্যাসকেড পাবেন, ক্যাসকেডের পাশ দিয়ে খুব সাবধানে ক্যাসকেডের উপরে উঠে যান। সামনে আবারো দুটি ঝিরিপথ পাবেন আর দু ঝিরিপথের শেষে আছে দুটি সুন্দর ঝর্ণা। ঐখান থেকে ফিরে কমলদহ ঝর্ণার কাছে প্রথম যেখানে ঝিরিপথ দুভাগ হয়ে ছিল সেখানে ফিরে আসুন। এবার ঝিরি পথে এগিয়ে একটি ঝর্ণা পাবেন। এই ঝর্নার পাশের পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে উপরে উঠে ঝিরিপথ পাবেন, আরেকটু এগিয়ে আরেকটি ক্যাসকেড পাবেন। ক্যাসকেডের উপরে উঠে ঝিরিপথে একটু সামনে একটি ছোট ঝর্ণার দেখা পাবেন। এখানে না থেমে ছোট ঝর্ণাটির পাথর বেয়ে উপরে উঠলে মনে হবে আপনি অন্ধকার কোন সুরঙ্গে আছেন। হাল না ছেড়ে ২মিনিট হাটা পরই পাথরভাঙ্গা ঝর্ণার দেখা পাবেন। পাথরভাঙ্গা ঝর্ণার দেখে ব্যাক করে ছোট ঝর্ণার পর ক্যাসকেড পার হওয়ার একটু পরই হাতের বাম দিকে পাহাড়ে উঠার একটি ছোট রাস্তা দেখতে পাবেন। ( মনে রাখবেন যখন পাথরভাঙ্গা ঝর্ণা দেখতে গিয়েছিলেন তখন হাতের ডান দিকে ছিল পাহাড়ি রাস্তাটি) পাহাড়ে উঠে দেখতে পাবেন রাস্তা আবারো দুভাগ হয়ে গেছে। তখন পাহাড়ের উপরেরর দিকে যেই রাস্তা গেছে ঐ রাস্তায় এগিয়ে যান। কিছুটা এগিয়ে গেলেই তুলনামূলক বড় রাস্তায় তিন মোড়ে এসে পড়বেন। তখন হাতের ডান দিকের রাস্তা ধরে এগিয়ে যাবেন। একটু সামনেই ঝরঝরি ঝর্ণা দেখতে পাবেন।

কিভাবে যাবেন!!
দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে প্রথমেই আপনাকে যেতে হবে চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় দারোগাহাট বাজারে। ঢাকা থেকে গেলে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে করে যেতে পারবেন। এই জন্যে আপনাকে বড় দারোগাহাট নেমে যেতে হবে।
বড় দারোগার হাট বাজার থেকে ঢাকার দিকে আগালে একটা ইট খোলার দেখা পাওয়া যাবে। এই ইট খোলা পার হয়ে ডানের মাটির রাস্তা ধরে কিছুদুর গেলে ঝিরি পথের দেখা পাওয়া যাবে। এটাই মূলত কমলদহের ঝিরি শুরু। এই ঝিরি ধরে আগালে কমলদহ ঝর্ণার দেখা পাওয়া যাবে। যদিও এটাকে অনেকেই ক্যাসকেড বলে থাকে। এই ঝর্ণা পার হয়ে ঝিরি ধরে উপরে গেলে এই ট্রেইলের অন্যান্য ঝর্ণার দেখা পাওয়া যাবে। যদি সব গুলো ঝর্ণা দেখতে চান তবে ইট খোলা দিয়ে প্রবেশ করে ফটিকছড়ি-বারৈয়াঢালা রুট হয়ে নারায়ন আশ্রম হয়ে বড় দারোগারহাটে বের হবেন।

📍তথ্য ও ছবি সংগৃহীত

তাজিংডং নয় দেশের সর্বোচ্চ চূড়া সাকা হাফংউচ্চতার দিক থেকে সাকা হাফং প্রথম,কেওক্রাডং পঞ্চম এবং তাজিংডং ২৩তমপূবের পাহাড়। ত্...
04/03/2026

তাজিংডং নয় দেশের সর্বোচ্চ চূড়া সাকা হাফং

উচ্চতার দিক থেকে সাকা হাফং প্রথম,
কেওক্রাডং পঞ্চম এবং তাজিংডং ২৩তম
পূবের পাহাড়। ত্রিপুরা ভাষায় যার অর্থ 'সাকা হাফং’। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়চূড়ার নাম 'সাকা হাফং'
নামে বহুল পরিচিত হলেও এর আরেকটি নাম ‘ত্ল্যাং ময়’। এই শব্দের উৎপত্তি বম ভাষা থেকে। অর্থ “সুন্দর পাহাড়”। পুরানো ইউএস টোপো ও রাশিয়ান টোপো মানচিত্রে এই পাহাড়কে 'মোদক তং' নামে উল্লেখ করা হয়েছে। মারমা ভাষায় 'তং' শব্দের অর্থ ‘পাহাড়'। মোদকের পাহাড়। সাকা হাফং মোদক রেঞ্জের সর্বোচ্চ পাহাড়চূড়া। তাই একে মারমা ভাষায় 'মোদক তং' হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার মায়ানমারের সহিত সীমান্ত এলাকায় এই পাহাড় চূড়ার অবস্থান। বিগত বেশ কয়েক বছরে দেশের ভ্রমনপ্রিয় মানুষের নিকট যথেষ্ট পরিচিতি লাভ করলেও এটি এখন পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ পাহাড়চূড়ার সরকারী স্বীকৃতি পায়নি। দেশের সবচেয়ে কম ঘন বসতিসম্পন্ন ও দুর্গমতম এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় ২০০৬ সাল অবধি সাকা হাফং দেশবাসীদের কাছে সম্পূর্ণ অজানাই রয়ে গিয়েছিল। ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে ব্রিটিশ পর্বতারোহী জিঞ্জ ফুলেন প্রথম সাকা হাফং চূড়া আরোহণ করে একে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়চূড়া হিসেবে চিহ্নিত করলে এটি দেশের এডভেঞ্চার প্রিয় ভ্রমন দলগুলোর নজরে আসে।
সরকারী স্বীকৃতি না পাওয়ায় এখনও সাকা হাফং এর সঠিক উচ্চতা নিয়ে রয়েছে নানান মত। সর্বপ্রথম জিঞ্জ ফুলেন চুড়ায় গিয়ে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) দিয়ে এর উচ্চতা মেপে পান ১,০৬৪ মিটার বা ৩,৪৯০ ফুট। যা সরকার স্বীকৃত তাজিংডং (২,৮৩৮ ফুট) পাহাড় চূড়া থেকে ৬০০ ফুটেরও বেশী এবং কেওক্রাডং পাহাড়চুড়া (৩,১৭২ ফুট) থেকে ৩০০ ফুটেরও বেশী।

সাকা হাফং এর ট্রেইলে ভাগ্য সহায় হলে দেখা যেতে পারে পাহাড়ি মাইশ্যা হরিন, জংলি রাম ছাগল, কাঠবিড়ালি, বন বিড়াল ও ছোট মেছোবাঘ।
দেখা যাবে হরেক রকমের পাখি ও বিভিন্ন জাতের সরীসৃপ। সাকা হাফং এর ঘন জঙ্গলে একসময় বন্য ভালুকের বেশ বিচরন থাকলেও এখন খুব একটা চোখে পড়ে না। পাহাড়ি পথে হঠাৎ হঠাৎ চোখে পড়বে বিভিন্ন পাহাড়ি জনপদের। এই অঞ্চলে আছে বম, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি ও ক্ষিয়ং জাতিগোষ্ঠীদের বসবাস। যেমন কঠোর পরিশ্রমী তেমনি সহজ সরল মনের অধিকারী এখানকার পাহাড়ি মানুষেরা।

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পাহাড়প্রেমীদের জন্য থাকছে
লিজেন্ড পরিবারের রোমাঞ্চকর কিছু স্পেশাল ট্রিপ!!

সাকা হাফং-তাজিংডং-আমিয়াখুম-নাফাখুম (৬রাত-৫ দিন)
ইভেন্ট ফি ১২৫০০/-(ঢাকা থেকে। ১১০০০/- চট্টগ্রাম থেকে

এক্সট্রিম আমিয়াখুম-নাফাখুম (৫রাত/৪দিন)
ইভেন্ট ফি ১০৫০০/-(ঢাকা থেকে। ৯০০০/- চট্টগ্রাম থেকে

এক্সট্রিম আন্দারমানিক (৬রাত/৫দিন)
ইভেন্ট ফি ৯০০০/-(ঢাকা থেকে। ৭৫০০/- চট্টগ্রাম থেকে

এক্সট্রিম নাফাখুম-রেমাক্রি (৪রাত/৩দিন)
ইভেন্ট ফি ৮৫০০/-(ঢাকা থেকে। ৭০০০/- চট্টগ্রাম থেকে

এক্সট্রিম কিসতং-রুংরাং সামিট (৪রাত/৩দিন)
ইভেন্ট ফি ৬৯৯৯/-(ঢাকা থেকে। ৫৫০০/- চট্টগ্রাম থেকে

আমরা আগে বুকিং আগে সিট পদ্ধতি অনুসরণ করি
তাই এক্ষুনি বুকিং দিয়ে আপনার সিট কনফার্ম করে ফেলুন

আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্স অথবা
☎️+8801834622642 (WhatsApp)

ঈদ কাটুক পাহাড়, ঝর্ণা এবং প্রকৃতির কোলে!

পাহাড়-পর্বতকে ভালোবেসে
'ঘুরে বেড়াই পথের-বাঁকে'

Address

Shop-27, Level-2, Road-03, Happy Arcade Shopping Mall, Dhanmondi
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legend Trekkers BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share