ছালাম ট্রাভেল'স এন্ড ট্যুরস

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ছালাম ট্রাভেল'স এন্ড ট্যুরস

ছালাম ট্রাভেল'স এন্ড ট্যুরস হজ্জ এবং ওমরার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

আমাদের কিছু কথা
আসসালামু আলায়কুম। হজ্জ ইসলামের ৫টি ভিত্তির ১টি। হজ্জ এমন একটি ফরজ ইবাদত, যেখানে আর্থিক ও শারীরিক উভয় সক্ষমতার প্রয়োজন হয়। হজ্জ জীবনে ১ বার মাত্র ফরজ।
কোনো মুসলিম যদি ১ বারের বেশী হজ্জ করেন; শুধুমাত্র তাঁর প্রথম বারের হজ্জ ফরজ বলে গন্য হবে। এই সব কারনে হজ্জের সফরে এজেন্সী বাছাইয়ে খুব সতর্ক থাকা উচিৎ। এজেন্সী কথা দিয়ে কথা রাখে কি-না; তাদের চেষ্টা ও আন্তরিকতা কেমন; তারা হজ্জের সময়ের

কষ্টের কথা গুলো নিয়ে ধারনা দেয় না-কি গোপন করে যায়; তাদের মাধ্যমে আগে যারা হজ্জে গিয়েছেন-- তাদের অনুভুতি কেমন-- এই তথ্য গুলো জানা থাকা উচিৎ। যে কোনো এজেন্সীতে বুকিং দেওয়ার আগে আতাদের পরিচয়, হজ্জ পরিচালনার সুনাম- দুর্নাম, তাদের সামর্থ্য ও সীমাবদ্ধতা জেনে সিদ্ধান্ত নিন।

জরুরীঃ
আমাদের সাথে যারা পূর্বে হজ্জ ও উমরাহ্‌ করেছেন, তাদের পরিচয় নিয়ে তাদের সাথে সরাসরি ফোনে কথা বলতে পারেন বা দেখা করে আমাদের সার্ভিস সম্পর্কে উনাদের অভিজ্ঞতা ও অভিমত জানতে পারেন।
অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করার আগে এই "হজ্জের প্রস্তুতি" অংশে "আমাদের সেবা ও সীমাবদ্ধতা" কয়েকবার পড়ে যোগাযোগ করবেন। শর্ত সমূহের ক্ষেত্রে আপোষ করার সুযোগ আমাদের নাই।

24/08/2016

অভ্যন্তরিন এবং আন্তরজাতিক সকল রুটের এয়ার টিকেট
আমরাই দিচ্ছি স্বল্প মূল্যে।
---------------------------------------------------------------
ঢাকা - কাঠমুন্ডু - ঢাকা = ১৪৫০০ টাকা (ইউ এস বাংলা এয়ার)
ঢাকা - চট্টগ্রাম = ৩১০০ টাকা ( ইউ এস বাংলা এয়ার)
ঢাকা - কক্সবাজার = ৪৩০০ টাকা (ইউ এস বাংলা এয়ার)
ঢাকা - সিলেট = ২৫৯৯ টাকা (ইউ এস বাংলা এয়ার)
ঢাকা - যশোর = ২৫৯৯ টাকা (ইউ এস বাংলা এয়ার)
ঢাকা - রাজশাহী= ২৫৯৯ টাকা (ইউ এস বাংলা এয়ার)
ঢাকা - সইয়েদপুর= ২৫৯৯ টাকা (ইউ এস বাংলা এয়ার)
---------------------------------------------------------------
ঢাকা - চট্টগ্রাম = ৩৫০০ টাকা (নভ এয়ার)
ঢাকা - কক্সবাজার = ৫১০০ টাকা (নভ এয়ার)
ঢাকা - সিলেট = ৩১০০ টাকা (নভ এয়ার)
ঢাকা - যশোর = ৩১০০ টাকা (নভ এয়ার)
ঢাকা - রাজশাহী= ২৮০০ টাকা (নভ এয়ার)
ঢাকা - সইয়েদপুর= ২৮০০ টাকা (নভ এয়ার)
----------------------------------------------------------------
ঢাকা - কোলকাতা - ঢাকা = ১১৫০০ (বাংলাদেশ বিমান)
ঢাকা - চট্টগ্রাম = ২৯৫০ (বাংলাদেশ বিমান)
ঢাকা - কক্সবাজার = ৩৯০০ (বাংলাদেশ বিমান)
ঢাকা - সিলেট = ২৪০০ (বাংলাদেশ বিমান)
ঢাকা - সইয়েদপুর = ২২০০ (বাংলাদেশ বিমান)
ঢাকা - যশোর = ২২০০ (বাংলাদেশ বিমান)
ঢাকা - বরিশাল = ২২০০ (বাংলাদেশ বিমান)
--------------------------------------------------------------------
এ ছারাও আন্তরজাতিক সকল রুটের এয়ার টিকেট পাবেন স্বল্প মূল্যে।
***টিকেট নির্ভর করবে আসন থাকার ভিত্তিতে।
--------------------------------------------------------------------
অন্যান্য সেবা সমূহঃ
১. টুরিস্ট ভিসা
২. হোটেল বুকিং
৩. প্যাকেজ ট্যুর
---------------------------------------------------------------------
যোগাযোগ করুন:সালাম ট্রাভেলস এন্ড ট্যুর' স, ৩২ পুরানা পল্টন,ঢাকা-১০০০. মোবাইল:০১৯১০৫০৮৫৯৫

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানি আজ সকাল ১০.২০মিনিটে আমাদের এবছরের প্রথম হজ্ব ফ্লাইটে করে ৩১০ জন আল্লাহ পাকের ...
06/08/2016

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানি আজ সকাল ১০.২০মিনিটে আমাদের এবছরের প্রথম হজ্ব ফ্লাইটে করে ৩১০ জন আল্লাহ পাকের মেহমান হাজ্বীগন পবিএ নগরী সৌদিতে পৌছেছেন,আমাদের পরবর্তী ফ্লাইট আগামী ১০.০৮.২০১৬ তারিখে,যারা এবার হজ্বে গেছেন তাদের আল্লাহ তায়ালা হজ্জে মাবরুর নসীব করুন.... আমিন

20/07/2016

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহের বানী প্রতি বছরের ন্যায়ে আমরা সালাম ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস আল্লাহ পাকের মেহমান হজ্ব যািএ দের সেবা করে থাকি,তবে ভিসা করার আগে সৌদি সরকার কিছু নিয়ম কানুন করে দেয় তা হলো সরকার বিনা মুল্যে টিকা দিয়ে থাকেন যাতে করে কোন হজ্বী সৌদিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে না পরে।।তাই হাজ্বীদের খেদমতে আমরা যে সকল হাসপাতাল এই টিকা গুলি দিয়ে থাকেন তাদের ঠিকানা গুলি দিয়ে দিলাম,টিকা দিতে যাওয়ার আগে আমাদের আফিসে এসে আমাদের কাছ থেকে অনুমতি পএ নিয়ে তার পর ঐ হাসপালাত গুলির মধ্যে যাবেন
আপনাদের হজ্ব গমন আল্লাহ তায়ালা নিরাপদ করুন,... আমিন

শুভ কামনায়
সালাম ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস
৩২,পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

হজ গমনেচ্ছুদের স্বাস্থ্যসনদ (হেলথ সার্টিফিকেট) প্রদানের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম ২১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হবে। আগামি ৩১ জুলাই পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। রাজধানীসহ দেশের সরকারি হাসপাতাল ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি দুই ধরনের (ম্যানেনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা) টিকা প্রদান করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
পরিচালক (হজ) ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, হজ গমনেচ্ছুরা প্রাক-নিবন্ধন ক্রমিক নম্বর সনদ নিয়ে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যাবেন। স্বাস্থ্যসনদ সংগ্রহ শেষে নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করতে হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে হজ অফিস থেকে হজ ক্যাম্পে রিপোর্ট করতে চিঠি পাওয়ার পর স্বাস্থ্যসনদ নিয়ে উপস্থিত হতে হবে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৮ জনের হজে যাওয়ার অনুমোদন হয়েছে। প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক (ই) হজ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠেয় প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনার হজ ভিসা সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হবে।
সূত্র জানায়, ঢাকা জেলা ও মহানগরীর হজযাত্রীরা যে সকল সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা নিতে পারবেন সেগুলো হলো- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, ফুলবাড়ীয়া ও বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিক।
আর অন্য জেলার হজযাত্রীরা বিভাগীয় শহরে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেলা শহরে সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা নেবেন।
উল্লেখিত কেন্দ্রসমূহে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষান্তে ম্যানেনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নিয়ে সংগৃহীত স্বাস্থ্যসনদ বিমানবন্দরে প্রদর্শনের নিমিত্তে নিজ হেফাজতে রাখতে হবে।

04/04/2016

জরুরি ঘোষনা- হজ্বযাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি--
আগামীকাল থেকে প্রাক নিবন্ধন পুনরায় শুরু হচ্ছে।
নিবন্ধনকারীদের মধ্য থেকে যারা ২০১৬ এর জন্য কোটা পাবেন না তারা ২০১৭ সিজনের জন্য অপেক্ষমান তালিকায় থাকবেন।
এছাড়াও নতুন যারা ২০১৭ সিজনে যেতে চান তারাও রেজিস্ট্রেশন করে রাখতে পারবেন। যেহেতু ইতিমধ্যে ৪০ হাজার হজ্বযাত্রী অপেক্ষমান তালিকায় রয়েছে সেহেতু ২০১৭ এর কোটাও দ্রুত ফুরিয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, প্রাক নিবন্ধনের জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন নেই, শুধুমাত্র ন্যাশনাল আইডি কার্ড দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন, অপ্রাপ্তবয়ষ্কদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
আমাদের ট্রাভেলস থেকে নিবন্ধন করতে চাইলে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড নিয়ে আমাদের অফিসে চলে আসুন, অথবা আইডি কার্ড স্ক্যান করে আমাদের কে মেইল করুন, সার্ভারে ডাটা এন্ট্রি করার পর আপনার ফোনে একটি ম্যাসেজের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেয়ার শেষ তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে। রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেয়ার পর আপনি নিবন্ধিত হয়ে যাবেন এবং গভমেন্ট হজ্ব সার্ভারে নিবন্ধিত ব্যাক্তিদের তালিকায় আপনার ছবিসহ নাম দেখতে পারবেন।
আমাদের অফিস এড্রেসঃ
সালাম ট্রাভেল'স এন্ড ট্যুর'স
৩২ পুরানা পল্টন,ঢাকা-১০০০
মোবাইল:০১৯১০৫০৮৫৯৫
০১৮১২৭১৫২১৬

27/02/2016

জমজম কূপ সম্মন্ধে কিছুজানা অজানা তথ্য:
১) আল্লাহ তা'লার অসীম কুদরতে ৪০০০ বছর
পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল।
২) ভারী মোটরেরসাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে
৮০০০ লিটারপানি উত্তোলন করার পরও
পানি ঠিকসৃষ্টির সূচনাকালেরন্যায়।
৩) পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি,জন্মায়নি
কোন ছত্রাক বা শৈবাল।
৪) সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে,মাত্র ১১
মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।
৫) এই কূপের পানি কখনও শুকায়নি,সৃষ্টির
পর থেকে একইরকম আছে এরপানি প্রবাহ,
এমনকি হজ্ব মউসুমে ব্যবহার ক'য়েক গুন
বেড়ে যাওয়া সত্বেও এই পানির স্তর কখনও
নিচে নামে না।
৬) সৃষ্টির পর থেকে এর গুনাগুন, স্বাদ ও
এর মধ্যে বিভিন্ন উপাদান একই পরিমানে
আছে।
৮) এই কূপের পানির মধ্যে ক্যালসিয়ামও
ম্যাগনেসিয়াম সল্ট এর পরিমানঅন্যান্য
পানির
থেকে বেশী, এজন্য এইপানি শুধু পিপাসা
মেটায় তা না, এইপানি ক্ষুধাও নিবারণ করে।
৯) এই পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমানবেশী
থাকার
কারনে এতে কোন জীবানু জন্মায় না ।
১০) এই পানি পান করলে সকল ক্লান্তি দূর
হয়ে যায়।

09/02/2016

জেনে নিন আপনার উপর হজ্ব ফরজ হয়েছে কিনা
------------------------------
--------------------------
হজ্ব ফরজ হওয়ার শর্তাবলী (বিস্তারিত)
আলেমগণ হজ্ব ফরজ হওয়ার শর্তগুলো উল্লেখ করেছেন। কোন ব্যক্তির মধ্যে এ শর্তগুলো পাওয়া গেলে তার উপর হজ্ব ফরজ হবে; আর পাওয়া না গেলে হজ্ব ফরজ হবে না। এমন শর্ত- পাঁচটি। সেগুলো হচ্ছে- ইসলাম, আকল (বুদ্ধিমত্তা), বালেগ হওয়া, স্বাধীন হওয়া, সামর্থ্য থাকা।
১. ইসলাম: এটি যে কোন ইবাদতের ক্ষেত্রে শর্ত। যেহেতু কাফেরের কোন ইবাদত শুদ্ধ নয়। দলিল হচ্ছে আল্লাহ তাআলার বাণী: “তাদের অর্থ ব্যয় কবুল না হওয়ার এছাড়া আর কোন কারণ নেই যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি কাফের (অবিশ্বাসী)।”[সূরা তওবা, আয়াত: ৫৪]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক মুআয (রাঃ) কে ইয়েমেনে পাঠানো সংক্রান্ত হাদিসে এসেছে- “তুমি আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের কাছে যাচ্ছ। তাদেরকে তুমি ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এই কালেমাতে সাক্ষ্য দেয়া এবং আমি যে আল্লাহর রাসূল এই সাক্ষ্য দেয়ার প্রতি আহ্বান জানাবে। যদি তারা তা মেনে নেয় তখন তাদেরকে জানাবে আল্লাহ তাদের উপরে দিবানিশি পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ করেছেন। যদি তারা তা মেনে নেয় তবে তাদেরকে জানাবে আল্লাহ তাদের উপর যাকাত ফরজ করেছেন। তাদের মধ্যে যারা ধনী তাদের থেকে যাকাত আদায় করা হবে এবং গরীবদের মধ্যে তা বিতরণ করা হবে।”[সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম] অতএব, কাফেরকে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করার দাওয়াত দেওয়া হবে। ইসলাম গ্রহণ করার পর আমরা তাকে নামায, যাকাত, রোজা, হজ্ব ও ইসলামের অন্যান্য বিধিবিধান আদায় করার নির্দেশ দিব।
২ ও ৩. আকলবান ও বালেগ হওয়া: দলিল হচ্ছে- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “তিন শ্রেণীর লোকের উপর থেকে (শরয়ি দায়িত্বের) কলম তুলে নেয়া হয়েছে। ঘুমন্ত ব্যক্তি; সজাগ না হওয়া পর্যন্ত। শিশু; তার স্বপ্নদোষ না হওয়া পর্যন্ত। পাগল; তার হুঁশ ফিরে আসা পর্যন্ত।” [সুনানে আবু দাউদ (৪৪০৩), শাইখ আলবানী সহিহ আবু দাউদ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন] অতএব, শিশুর উপরে হজ্ব নেই। তবে শিশুর অভিভাবক যদি তাকে নিয়ে হজ্ব আদায় করে তাহলে তার হজ্ব শুদ্ধ হবে। সে শিশু যেমন সওয়াব পাবে তেমনি তার অভিভাবকও সওয়াব পাবে। হাদিসে এসেছে- এক মহিলা একটি শিশুকে উপরে তুলে ধরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন: এর জন্য কি হজ্ব আছে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: হ্যাঁ। আপনিও প্রতিদান পাবেন।”[সহিহ মুসলিম]
৪. স্বাধীন হওয়া: অতএব, ক্রীতদাসের উপর হজ্ব নেই। যেহেতু ক্রীতদাস তার মনিবের অধিকার আদায়ে ব্যস্ত।
৫. সামর্থ্য থাকা: আল্লাহ তাআলা বলেন: “এ ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থ্য রয়েছে এ পর্যন্ত পৌছার।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯৭] আয়াতে কারীমাতে উল্লেখিত সামর্থ্য শারীরিক সামর্থ্য ও আর্থিক সামর্থ্য উভয়টাকে অন্তর্ভুক্ত করে। শারীরিক সামর্থ্য বলতে বুঝায় শরীর সুস্থ হওয়া এবং বায়তুল্লাহ পর্যন্ত সফরের কষ্ট সইতে সক্ষম হওয়া। আর আর্থিক সামর্থ্য বলতে বুঝায় বায়তুল্লাহতে আসা-যাওয়া করার মত অর্থের মালিক হওয়া।
স্থায়ী কমিটি বলেন (১১/৩০)
হজ্বের সামর্থ্য হলো- ব্যক্তি শারীরিকভাবে সুস্থ হওয়া এবং বায়তুল্লাহতে পৌঁছার মত যানবাহন যেমন- বিমান, গাড়ী, সওয়ারী ইত্যাদির মালিক হওয়া অথবা এগুলোতে চড়ার মত ভাড়ার অধিকারী হওয়া এবং যাদের ভরণপোষণ দেয়া ফরজ তাদের খরচ পুষিয়ে হজ্বে আসা-যাওয়া করার মত সম্পত্তির মালিক হওয়া। নারীর ক্ষেত্রে হজ্ব বা উমরার সফর সঙ্গি হিসেবে স্বামী বা মোহরেম কেউ থাকা। এর সাথে আরো যে শর্তটি যোগ করা যায় সেটা হচ্ছে- বায়তুল্লাহ শরিফে পৌঁছার ব্যয় তার আবশ্যকীয় খরচ, শরয়ি আইনানুগ খরচ, ঋণ ইত্যাদির অতিরিক্ত হওয়া। ঋণ বলতে বুঝাবে আল্লাহ তাআলার প্রাপ্য অধিকার যেমন- কাফফারাসমূহ অথবা মানুষের পাওনা। যে ব্যক্তির ঋণ রয়েছে। যদি তার সম্পত্তি ঋণ পরিশোধ ও হজ্ব আদায় উভয় কাজের জন্য যথেষ্ট না হয় তাহলে সে ব্যক্তি প্রথমে ঋণ আদায় করবে; তার উপর হজ্ব ফরজ হবে না। কিছু লোকের ধারণা হলো- হজ্ব ফরজ না হওয়ার কারণ হচ্ছে ঋণদাতা অনুমতি না দেয়া। ঋণদাতার কাছে অনুমতি চাইলে তিনি যদি হজ্ব করার অনুমতি দেন তাহলে হজ্ব করতে কোন দোষ নেই। এই ধারণা নিতান্ত অমূলক। বরং হজ্ব ফরজ না হওয়ার কারণ হচ্ছে- ব্যক্তির দায়িত্বে এ ঋণ থেকে যাওয়া। এ কথা সুবিদিত যে, ঋণদাতা যদি ঋণগ্রহীতাকে হজ্ব করার অনুমতি দেয় তদুপরি ঋণের দায়িত্ব তো ঋণগ্রহীতার উপর থেকে যাবে। এই অনুমতির মাধ্যমে তো ঋণের দায়িত্ব মুক্ত হবে না। এ কারণে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে বলা হবে- তুমি আগে ঋণ পরিশোধ কর। এরপর তোমার কাছে হজ্ব আদায় করার মত সম্পদ অবশিষ্ট থাকলে হজ্ব করবে; নচেৎ তোমার উপর হজ্ব ফরজ নয়। যে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণ আদায় করতে গিয়ে হজ্ব আদায় করতে পারেনি, সে যদি মারা যায় তদুপরি সে আল্লাহর সাথে পরিপূর্ণ দ্বীনদারি নিয়ে সাক্ষাত করতে পারবে; কসুরকারী বা অবহেলাকারী হিসেবে নয়। কেননা হজ্ব তো তার উপর ফরজ-ই হয়নি। অস্বচ্ছল ব্যক্তির উপর যাকাত যেমন ফরজ নয় তেমনি হজ্বও ফরজ নয়। আর যদি ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণ আদায়ের আগে হজ্ব আদায় করে এবং ঋণ আদায়ের আগে সে ব্যক্তি মারা যায় তাহলে সে ব্যক্তি বিপদ-সঙ্কুল অবস্থার মধ্যে থাকবে। কারণ শহিদের সকল গুনাহ মাফ করা হলেও ঋণ মাফ করা হয় না; অতএব শহিদ ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে ঋণের (শাস্তি) কেমন হতে পারে!!
শরয়ি আইনানুগ খরচ হচ্ছে- ইসলামি শরিয়া কর্তৃক অনুমোদিত খরচাদি। যেমন ইসরাফ (সাধারণ অপচয়) ও তাবযির (হারাম কাজে ব্যয়) ব্যতীত নিজের খরচাদি, নিজ পরিবারের খরচাদি। যদি কোন ব্যক্তি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ হয়, কিন্তু অন্যদের কাছে নিজের ধনাঢ্যতা জাহির করার জন্য ও ধনীদের সাথে পাল্লা দেয়ার জন্য দামী গাড়ী কিনে এবং তার কাছে হজ্ব করার মত সামর্থ্য না থাকে তার উপর দামী গাড়ীটি বিক্রি করে এর মূল্য দিয়ে হজ্ব করা ফরজ হবে এবং সে তার সামর্থ্যের সাথে সামঞ্জস্যশীল মূল্যের অন্য একটি গাড়ী কিনে নিবে। কারণ এই দামী গাড়ী শরয়ি আইনানুগ খরচের মধ্যে পড়বে না। বরঞ্চ এটি ইসরাফ (সাধারণ অপচয়) এর পর্যায়ে পড়বে যা ইসলামী শরিয়তে নিষিদ্ধ। খরচের ক্ষেত্রে ধর্তব্য হলো- হজ্ব থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত তার নিজের ও পরিবার-পরিজনের খরচ পোষানোর মত সামর্থ্য থাকা এবং ফিরে আসার পর তার নিজের ও নিজ পরিবারের খরচ চালানোর মত সামর্থ্য থাকা যেমন- বাসা ভাড়া, বেতন বা ব্যবসা ইত্যাদি ঠিক থাকা। তাই যে ব্যবসার লাভ থেকে ব্যক্তি নিজের ও তার পরিবারের খরচ চালায় সে ব্যবসার মূলধন ভেঙ্গে হজ্ব করা ফরজ নয়; যদি ব্যবসার মূলধন কমে গেলে যে লাভ পাওয়া যাবে সে লাভ তার নিজের খরচ ও পরিবারের খরচের জন্য যথেষ্ট না হয়।
স্থায়ী কমিটিকে (১১/৩৬) এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে- যে ব্যক্তির ইসলামী ব্যাংকে কিছু অর্থ রয়েছে। তার মাসিক বেতন ও সে অর্থের লাভ মিলে তার খরচ কোন মতে চলে যায়। এ ব্যক্তির উপর মূলধন ভেঙ্গে হজ্ব আদায় করা কি ফরজ, উল্লেখ্য এতে করে তার মাসিক আয়ের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং আর্থিকভাবে সে সংকটে থাকবে?
তাঁরা জবাবে বলেন: প্রশ্নে যে অবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে সে প্রেক্ষিতে শরয়ি আইনানুগ সামর্থ্য না থাকায় আপনি হজ্ব আদায়ের জন্য মুকাল্লাফ (শরয়ি দায়িত্বপ্রাপ্ত) নন। আল্লাহ তাআলা বলেন: “এ ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থ্য রয়েছে এ পর্যন্ত পৌছার।” [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯৭] তিনি আরো বলেন: “আল্লাহ দ্বীন পালনে তোমাদের উপর কাঠিন্য আরোপ করেননি।” [সূরা হজ্ব, আয়াত: ৭৮] সমাপ্ত
মৌলিক প্রয়োজন কোনগুলো: মানুষের জীবন ধারণের জন্য যে জিনিশগুলো একান্ত প্রয়োজন। যেগুলো ছাড়া চলতে কষ্ট হয়। যেমন- কোন তালিবে ইলমের কিতাব-পুস্তক। আমরা বলব না যে, তুমি তোমার বই বিক্রি করে হজ্ব আদায় কর। যেহেতু এটি তার প্রধান প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে। অনুরূপভাবে প্রয়োজনীয় গাড়ীর ব্যাপারে আমরা বলব না যে, তুমি গাড়ীটি বিক্রি করে হজ্ব কর। কিন্তু তার কাছে যদি দুটি গাড়ী থাকে অথচ তার প্রয়োজন একটির সে ক্ষেত্রে একটি গাড়ী বিক্রি করে এর মূল্য দিয়ে হজ্ব আদায় করা তার উপর ফরজ হবে। অনুরূপভাবে কোন শিল্পনির্ভর পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিকে বলা হবে না যে, তুমি তোমার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে এর মূল্য দিয়ে হজ্বে চলে যাও। কারণ তার এগুলোর প্রয়োজন রয়েছে। অনুরূপভাবে যে গাড়ীটিকে কেউ ভাড়া গাড়ী হিসেবে ব্যবহার করে এবং এর ভাড়া থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে নিজের ও নিজ পরিবারের খরচ চলে সে গাড়ীটি বিক্রি করে হজ্ব আদায় করা ফরজ নয়।
মৌলিক প্রয়োজনের মধ্যে বিয়েও পড়বে। যদি বিয়ের প্রয়োজন থাকে তাহলে হজ্বের উপর বিয়েকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। অন্যথায় হজ্বকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। দেখুন জবাব নং 27120।
অতএব, হজ্বের আর্থিক সামর্থ্য বলতে বুঝাবে ঋণ পরিশোধ, আইনানুগ খরচ ও মৌলিক প্রয়োজন মিটানোর পর হজ্ব করার মত সম্পদ থাকা। সুতরাং যে ব্যক্তি শারীরিকভাবে ও আর্থিকভাবে হজ্ব করার সামর্থ্য রাখে অনতিবিলম্বে হজ্ব আদায় করা তার উপর ফরজ। আর যে ব্যক্তি শারীরিকভাবে ও আর্থিকভাবে অক্ষম অথবা শারীরিকভাবে সক্ষম কিন্তু নিঃসম্পদ গরীব তার উপর হজ্ব ফরজ নয়।
আর যে ব্যক্তি আর্থিকভাবে সক্ষম; কিন্তু শারীরিকভাবে অক্ষম তার বিষয়টি আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যাসাপেক্ষ: যদি তার অক্ষমতা দূরীভূত হওয়ার মত হয় (যেমন এমন রোগ যে রোগ ভাল হওয়ার সম্ভাবনা আছে) তাহলে সে ব্যক্তি সুস্থতার জন্য অপেক্ষা করবে। সুস্থ হওয়ার পর হজ্ব আদায় করবে। আর যদি তার অক্ষমতা দূরীভূত হওয়ার আশা না থাকে (যেমন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী অথবা বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি; যার হজ্ব করার মত শক্তি নেই) এমন ব্যক্তির উপর প্রতিনিধির মাধ্যমে হজ্ব আদায় করা ফরজ। শারীরিক অক্ষমতা সত্ত্বেও আর্থিক সামর্থ্য থাকায় এ ব্যক্তি হজ্বের দায়িত্ব থেকে রেহাই পাবেন না। দলিল হচ্ছে ইমাম বুখারী কর্তৃক হাদিস বর্ণিত আছে যে, এক নারী বলল: ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমার পিতা অতি বৃদ্ধ, সওয়ারীর উপর বসে থাকতে পারেন না। তাঁর উপর হজ্ব ফরজ হয়েছে। আমি কি তাঁর পক্ষ থেকে হজ্ব আদায় করতে পারব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: হ্যাঁ।” সে নারী যে বলেছেন, “তার পিতার উপর হজ্ব ফরজ হয়েছে” নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে নারীর এ কথাতে সম্মতি দিয়েছেন; অথচ তার পিতা শারীরিকভাবে অক্ষম।
নারীর উপর হজ্ব ফরজ হওয়ার জন্য সঙ্গি হিসেবে কোন মোহরেম পুরুষ থাকা শর্ত। কোন পুরুষ মোহরেম ছাড়া ফরজ হোক নফল হোক হজ্ব আদায় করার জন্য কোন নারীর সফর করা জায়েয নয়। দলিল হচ্ছে- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “কোন নারী মোহরেম পুরুষের সঙ্গ ছাড়া সফর করবে না।” [সহিহ বুখারী (১৮৬২) ও সহিহ মুসলিম (১৩৪১)]
মোহরেম পুরুষ: স্বামী অথবা এমন কোন পুরুষ যার সাথে বিবাহ-বন্ধন চিরতরে হারাম ঔরসজাত কারণে অথবা দুগ্ধপানের কারণে অথবা বৈবাহিক আত্মীয়তার কারণে।
বোনের স্বামী (দুলাভাই), খালার স্বামী (খালু), ফুফুর স্বামী (ফুফা) মোহরেম নয়। কিছু কিছু নারী এ ব্যাপারে শিথিলতা করে বোন ও বোন জামাই এর সাথে সফর করেন অথবা খালা-খালুর সাথে সফর করেন – এটি হারাম। যেহেতু বোন জামাই বা খালু মোহরেম নয়। তাই এদের সাথে সফর করা জায়েয নয় এবং এভাবে হজ্ব করলে হজ্ব মাবরুর না হওয়ার আশংকা অধিক। কারণ মাবরুর হজ্ব হচ্ছে- যে হজ্বের মধ্যে কোন পাপ সংঘটিত হয় না। এই নারী তার গোটা সফরেই গুনাতে লিপ্ত।
মোহরেম এর ক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে- তাকে আকলবান ও সাবালক হতে হবে। কারণ মোহরেম থাকার উদ্দেশ্য হচ্ছে- মোহরেম ব্যক্তি যেন নারীকে হেফাযত করতে পারে। শিশু ও পাগলের পক্ষে তো তা সম্ভব নয়। অতএব, কোন নারী যদি মোহরেম না পান অথবা মোহরেম পাওয়া গেলেও সে মোহরেম যদি তাকে নিয়ে সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে সে নারীর উপর হজ্ব ফরজ হবে না। হজ্ব ফরজ হওয়ার জন্য স্বামীর অনুমতি গ্রহণ শর্ত নয়। বরং স্বামী অনুমতি না দিলেও যদি হজ্ব ফরজ হওয়ার শর্তগুলো পাওয়া যায় তাহলে তার উপর হজ্ব ফরজ হবে।
স্থায়ী কমিটির আলেমগণ বলেন (১১/২০):
সামর্থ্যের শর্তগুলো পূর্ণ হলে হজ্ব ফরজ। এ শর্তগুলোর মধ্যে স্বামীর অনুমতি গ্রহণ নেই। স্ত্রীকে হজ্বে যেতে বাধা দেয়া স্বামীর জন্য জায়েয নয়। বরং স্ত্রীকে এই ফরজ ইবাদত আদায়ে সহযোগিতা করা শরিয়তের বিধান। সমাপ্ত।
অবশ্য এটি ফরজ হজ্বের প্রসঙ্গে। নফল হজ্বের ব্যাপারে ইবনুল মুনযির ‘ইজমা’ বর্ণনা করেছেন যে, স্বামীর অধিকার রয়েছে নফল হজ্ব থেকে স্ত্রীকে বাধা দেয়ার। যেহেতু স্ত্রীর উপর স্বামীর অধিকার পূর্ণ করা ফরজ। সুতরাং অন্য কোন ফরজ আমল ছাড়া এই অধিকার হতে তাকে বঞ্ছিত করা যাবে না। [মুগনী (৫/৩৫)]
দেখুন: আল-শারহুল মুমতি (৭/৫-২৮)

22/01/2016

২০১৬ সালের জন্য হজ্জের বুকিং চলছে । আমাদের আকর্ষনীয় প্যাকেজসমূহ থেকে আপনার পছন্দের প্যাকেজটি বেছে নিন । আসন সংখ্যা সীমিত ।
প্যাকেজ ‘এ’- ৩,৬৫,০০০/-
# মক্কা - পবিত্র হেরেম শরীফ হতে সর্বোচ্চ ৬০০-৮০০ মিটার দূরত্বে লিফটসহ উন্নত মানের এসি হোটেল।
# মক্কা পৌঁছানোর পর হতে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা পর্যন্ত একই হোটেলে থাকবেন।
# মদিনা - ৫০০-৭০০ মিটার দূরত্বে লিফটসহ উন্নত মানের এসি হোটেল।
# প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার পরিবেশন করা হবে।
প্যাকেজ ‘বি’- ৩,০৫,০০০/-
# মক্কা - পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে সর্বোচ্চ ৯০০-১২০০ মিটার দূরত্বে লিফটসহ
( যদি ৩ তলার অধিক হয় ) এসিযুক্ত স্থায়ী বাড়ি ( সাধারণ )।
# মক্কা পৌঁছানোর পর হতে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা পর্যন্ত একই বাড়িতে থাকবেন।
# মদিনা ৫০০-৭০০ মিটার দূরত্বে উন্নতমানের লিফ্টসহ এসি বাড়ী।
# প্রতিদিন ২ বেলা খাবার পরিবেশন করা হবে।
# অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সরকারী হজ্জ নীতিমালা অনুসারে প্রতিপালিত হবে।
** বি: দ্র:- ভিআইপি হজ্জযত্রীদের জন্য মক্কা ও মদীনায় তাদের চাহিদা অনুযায়ী থ্রি-স্টার, ফোর-স্টার, ফাইভ-স্টার হোটেলের ব্যবস্থা আছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

ছালাম ট্রাভেল' স এন্ড ট্যুর' স
০১৯১০৫০৮৫৯৫

16/01/2016

২০১৬ হজ্ব সিজনে যারা পবিত্র হজ্ব পালনের নিয়ত করেছেন তাদের জন্য জরুরি নির্দেশনা-
আপনি যদি কোন ট্রাভেলস এর সাথে চুক্তি করে থাকেন দ্রুত আপনার পাসপোর্ট এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিন। সরকারী ঘোষনা মতে ১৭ই জানুয়ারী থেকে রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়ে যাবে, এবং রেজিস্ট্রেশন শুরু হলেই দ্রুত কোটা শেষ হয়ে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তাই আপনার হজ্ব সফর ঝামেলা এবং পেরেশানি মুক্ত রাখতে যথা সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ট্রাভেলস অফিসে জমা দিন।
আমাদের ট্রাভেলস এর সেবা গ্রহন করতে চাইলে সরাসরি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আল্লাহ পাক সকলকে নিরাপদে হজ্বে মাবরুর করার তৌফিক দিন, আমিন।
যোগাযোগ-
সালাম ট্রাভেল' স এন্ড ট্যুর' স
৩২, পুরানা পল্টন, ১২ তলা,ঢাকা- ১০০০
ফোন- ০১৯১০৫০৮৫৯৫;০১৮১২৭১৫২১৬
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-
M,R,P পাসপোর্ট (মেয়াদ ৩১-৩-১৭ পর্যন্ত থাকতে হবে)।
N,I,D কপি।
দুই কপি ল্যাব প্রিন্ট ছবি।
রেজিস্ট্রেশন ফি ৩০,০০০ টাকা।

01/01/2016

""নাহ্ মাদুহু ওয়ানুসাল্লি ওয়ানুসাল্লিমু আলা হাবিবীহির রাউফুর রাহীম"" """আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লা """

হজ্ব এবং ওমরাহর জন্য প্রচুর ফোন আসছে আপনাদের কাছ থেকে, অনেক সময় ফোন রিসিভ করা সম্ভব হয়না, আপনাদের অনুরোধ করবো ফোন ব্যাস্ত থাকলে বা রিসিভ না হলে একটা এসএমএস দিয়ে রাখবেন, আমরা ফ্রি টাইমে আপনাদের কলব্যাক করবো।
সময়টা খুব ব্যাস্ত যাচ্ছে আমাদের, জানুয়ারীর শুরুতেই হজ্ব এর প্রি রেজিস্ট্রেশন শুরু হবার সম্ভাবনা রয়েছে, আমরা চেষ্টা করছি হাজ্বিদের তথ্য ছবি ইত্যাদি পারফেক্টলি অর্গানাইজড করে রেডি রাখতে যেন সার্ভার ওপেন হওয়ার সাথে সাথেই নাম গুলো এন্ট্রি করে ফেলতে পারি, আমাদের কোন হাজ্বি যেন কোটা স্বল্পতার কারনে বাদ না যায়।
অনেকে ব্যাস্ততার কারনে কাগজ/পাসপোর্ট জমা দিতে আসতে পারছেন না, রিকোয়েস্ট করছেন অফিসে লোক পাঠিয়ে কাগজ কালেক্ট করতে। কাছাকাছি হলে আমরা যতটা সম্ভব চেষ্টা করছি কিন্তু দূরে হলে ঢাকার জ্যাম পেরিয়ে পাসপোর্ট আনতে যাওয়া আসলে কঠিন ব্যাপার।
সেক্ষেত্রে আমরা প্রি রেজিস্ট্রেশন এর জন্য অনলাইনে কাগজপত্র জমা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, রেজিস্ট্রেশন ফি সর্বমোট ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা, তবে প্রি রেজিস্ট্রেশন এর জন্য আমরা ১০,০০০ করে নিচ্ছি এখন, আপনার নাম এন্ট্রি হয়ে গেলে সরকারিভাবে রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেয়ার শেষ তারিখের আগে বাকি ৪০,০০০ টাকা দিতে হবে।
অনলাইন বুকিং এর জন্য আপনাকে ১০,০০০ টাকা ট্রাভেলস এর একাউন্টে জমা দিয়ে জমা স্লিপ সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে আমাদেরকে মেইল করতে হবে। আগ্রহীগন কমেন্ট অথবা ইনবক্স করলে আমরা আপনাকে বিস্তারিত জানিয়ে দিবো। আপনার নাম এন্ট্রি হয়ে গেলে গভমেন্ট ওয়েবসাইটে আপনি ছবিসহ আপনার নাম দেখতে পারবেন। আপনাদের সেবায় সব সময় পাশে থাকবে
"""সালাম ট্রাভেল' স এন্ড ট্যুরস""
মো. আব্দুল আজিজ মানিক
৩২ পুরানা পল্টন, ঢাকা
মোবাইল: 01910508595
01812715216
01676243177

30/12/2015

""নাহ্ মাদুহু ওয়ানুসাল্লি ওয়ানুসাল্লিমু আলা হাবিবীহির রাউফুর রাহীম"" """আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লা """ এই বছর যারা হজ্জে যাওয়ার জন্য নিয়ত করেছেন তাদের জন্য গুরত্ব পুর্ন তত্ব, জানুয়ারির শুরুতেই হজ্বের প্রি রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়ে যাবে, রেজিস্ট্রেশন শুরু হলে দ্রুত কোটা শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনার কোটা নিশ্চিত করতে রেজিস্ট্রেশন শুরু হবার পূর্বেই আপনার পছন্দের ট্রাভেলস এ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিন। আপনার হজ্ব যাত্রা নিশ্চিত করুন।আর যে কাজটা প্রতি বছরের ন্যায়ে সবার আগে করে থাকেন আপনাদের সকলের বিস্বস্ত প্রতিস্ঠান """ সালাম ট্রাভেল' স এন্ড ট্যুর'স"""

আপনাদের সকলের হজ্বে যাওয়ার আসা আল্লাহ তায়ালা কবুল করুনআমিন,,
সালাম ট্রাভেল'স এন্ড ট্যুর'স এর পক্ষে
মো. আব্দুল আজিজ মানিক
০১৯১০৫০৮৫৯৫
০১৮১২৭১৫২১৬

25/12/2015

""নাহ্ মাদুহু ওয়ানুসাল্লি ওয়ানুসাল্লিমু আলা হাবিবীহির রাউফুর রাহীম""

"আল্লাহ ছুবহানাহু ওয়াতাআলার কাছে লক্ষ কোটি শুকরিয়া,যে আমরা এমন এক নবীর উম্মত হতে পেরেছি যাকে সৃষ্টি না করলে দু জাহানের কিছুই সৃষ্টি হতোনা।আজ সেই নবী নূর এ মদীনা হুজুর পুর নূর হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা দ. এর জন্ম এবং দুনিয়া থেকে পর্দা করেছেন।যাহিলিয়াতের যুগ ছিলো অন্ধকার এর যুগ যখন নবীজি দুনিয়ায় তাশরিফ আনলেন তখন সব অন্ধকার নবীজির নূরে আলোকিত হয়ে গেল,তখন সয়ং আল্লাহ তায়ালা নবীজির আগমন উপলক্ষে ফেরেস্তাদেরকে নিয়ে আনন্দ করেছেন"",ঈদ এ মিলাদুননবী পালন করেছেন,""শুধু তাই নয় দু জাহানের মধ্যে যত গাছ পালা,তরু লতা,পশু পাখী ইত্যাদি যা কিছু ছিলো সবাই নবীজির আগমন উপলক্ষে ঈদ এ মিলাদুন্নবী পালন করেছেন।""" এ পৃথিবীতে যত নেয়ামত রয়েছে বা এসেছে এর মধ্যে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হচ্ছে রাসুলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম । আল্লাহর এ নেয়ামত ও অনুগ্রহকে কেন্দ্র করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ও আনন্দ করার নির্দেশ স্বয়ং রাব্বুল আলামীন নিজে দিয়েছেন ।
যেমন এরশাদ হচ্ছেঃ-
ﻗُﻞْ ﺑِﻔَﻀْﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَ ﺑِﺮَﺣْﻤَﺘِﻪِ ﻓَﺒِﺬَﺍﻟِﻚَ ﻓَﻠْﻴَﻔْﺮَﺣُﻮْﺍ ﻫُﻮَﺍ ﺧَﻯْﺮٌ ﻣِﻤَّﺎ ﻯَﺠْﻤَﻌُﻮْﻥَ
আর্থাৎ হে রাসুল আপনি বলুন আল্লাহর দয়া ও রহমতকে কেন্দ্র করে তারা যেন আনন্দ করে এবং এটা হবে তাদের অর্জিত সকল কর্মফলের চেয়েও শ্রেষ্ট। সুরা ঈউনূছ,আয়াত ৫৮
উল্লেখ্য যে, নবীজীর শুভাগমনের চাইতে শ্রেষ্ট নেয়ামত এবং দয়া বিশ্ববাসীর জন্য আর কী হতে পারে ? যেমন অন্য আয়াতে রয়েছে-
ﻭﻣﺎ ﺍﺭﺳﻠﻨﻚ ﺇﻻ ﺭﺣﻤﺔ ﻟﻠﻌﺎﻟﻤﻴﻦ
হে রাসূল, নিশ্চই আমি আপনাকে জগতসমুহের রহমত করেই প্রেরণ করেছি। (সূরা আম্বিয়া, আয়াত ১০৭)
সর্ব কথার মুল কথা হলো ঈদ শব্দের অর্থ আনন্দ আমরা যে বছরে দুইটা ঈদ পালন করি আসলে তাফসিরে এসেছে আমাদের ঈদ অনেক গুলো যেহেতু ঈদ শব্দের অর্থ আনন্দ,""আর যে নবীকে সৃষ্টি না করলে আমরা কোনো ঈদই পেতামনা তাই আমরা বলতে পারি সকল ঈদ এর সেরা ঈদ দয়াল নবীর জন্ম ঈদ অর্থাৎ ঈদ এ মিলাদুন্নবী দ.।আর আমরা সালাম ট্রাভেল'স এন্ড ট্যুর' স এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই """ঈদ মোবারক """""

সালাম ট্রাভেল'স এন্ড ট্যুর' স এর পক্ষে
মো. আব্দুল আজিজ মানিক

Address

Sultan Ahmed Plaza, 32 Purana Paltan, 11th Floor, Room No. 1207
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছালাম ট্রাভেল'স এন্ড ট্যুরস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ছালাম ট্রাভেল'স এন্ড ট্যুরস:

Share

Category