নুসুক আল-হারামাইন হজ্ব গ্রুপ দিনাজপুর

  • Home
  • Bangladesh
  • Dinajpur
  • নুসুক আল-হারামাইন হজ্ব গ্রুপ দিনাজপুর

নুসুক আল-হারামাইন হজ্ব গ্রুপ দিনাজপুর হারামাইনের পবিত্র সফরে আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী
হজ্জ ও উমরাহর বিশ্বস্ত প্রতিনিধী
০১৭৭৪৯০৭৭৭৭/০১৫৩৪৩৭২২২২

13/08/2026

🕋 ওমরাহ করবেন? বেষ্ট অফারেই ওমরাহ করুন!
আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত হাজী সাহেব/সাহেবান! ফেব্রুয়ারী (শবেবরাত)/ মার্চ(রমজান) মাসে ডিরেক্ট/ট্রানজিট ফ্লাইটে আমরা আপনাদের জন্য আয়োজন করেছি স্বল্পমূল্যের, প্রিমিয়াম সার্ভিসের ওমরাহ গ্রুপ। এতে ভিসা, টিকেট, হোটেল, খাবার, জিয়ারাহ সবকিছুই থাকছে আপনার পছন্দের অনুকূলে...

আলহামদুলিল্লাহ নুসুক আল হারামাইন হজ গ্রুপ এ পর্যন্ত যেসকল হাজী সাহেবদের ওমরাহ সার্ভিস দিয়েছে, তাদের ১০০% ই সন্তুষ্ট! আমাদের হাজীদের উত্তম সেবা নিশ্চিত করা ও তাদের থেকে বড় ফিডব্যাক পাওয়া আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। আল্লাহ পাক আমাদের এই বরকতময় কাফেলাকে কবুল করুন।

ফ্লাইটের ডিটেইলস
প্রতিমাসের ১৫ তারিখ ট্রানজিট ফ্লাইট এবং ১৭ তারিখ ডিরেক্ট ফ্লাইট

আগামী ১৭/০৯/২৬ দিনাজপুর থেকে ৪০ জনের স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ যাবে ইনশাআল্লাহ কয়েকটি সিট খালি আছে কেহ সহযাত্রী হতে চাইলে দ্রুত যোগাযোগ করুন

📙প্যাকেজে যা যা থাকছে
☑ আসা-যাওয়া বিমান টিকিট (ডিরেক্ট/ট্রানজিট ফ্লাইট)
☑ তিন মাসের ওমরাহ ভিসা।
☑ স্টার মানের হোটেল (প্রতি রুমে ৪/৫ জন) ।
☑ সম্পূর্ণ ট্রান্সপোর্ট সেবা।
☑ অভিজ্ঞ মুয়াল্লিম গাইডের তত্ত্বাবধান।
☑ মক্কা এবং মদিনা জিয়ারাহ্।
☑ ইন্সুরেন্স
☑ রিয়াজুল জান্নাহর পারমিট
✔️তিন বেলা বাংলা খাবার
✔️ মক্কা এবং মদিনার দর্শনীয় স্থান সমূহ পরিদর্শন করা।
☑ ওমরাহর সকল আহকাম নিজস্ব তত্ত্বাবধানে বিশুদ্ধভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

✅ মক্কা জিয়ারার স্পটসমূহ
🚌 নবীজির বাড়ী
🚌 জাবালে সাওর
🚌 হেরা গুহা (ওহী নাজিলের পাহাড়)
🚌 আরাফার ময়দান
🚌 মিনা
🚌 মুজদালিফা
🚌 ইসমাইল আ. এর কুরবানির স্থান
🚌 জামারাহ
🚌 জান্নাতুল মোআল্লা
🚌 জিন মসজিদ

✅ মদিনা মুনাওয়ারা জিয়ারার স্পটগুলো
🚌 রিয়াজুল জান্নাহ
🚌 জান্নাতুল বাকী
🚌 খন্দকের কূপ
🚌 খন্দকের ময়দান
🚌 উহুদ পাহাড়
🚌 মাকবারায়ে শোহাদায়ে উহুদ
🚌 মসজিদে কিবলাতাইন
🚌 মসজিদে কুবা।
🚌 মসজিদে বেলাল রাযি.
🚌 মসজিদে আবু বকর রাযি.
🚌 মসজিদে গমামাহ
🚌 খেজুর বাগান

👋 অতএব পাসপোর্ট ও বুকিং মানি প্রদান করে আপনার সফর নিশ্চিত করুন অথবা সরাসরি বুকিং করতে 01774907777 নম্বরে ফোন/হোয়াটসএ্যাপ করতে পারেন বা আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন। আমাদের প্রতিনিধি আপনাকে ফোন করে বিস্তারিত জানিয়ে দিবেন।

🏠 দিনাজপুর অফিস
চাউলিয়া পট্টি মোড় (শিক্ষা দপ্তর মসজিদ সংলগ্ন)
সদর দিনাজপুর ।
📱 01774907777
📱 01534372222

👉 উল্লেখ্য, 27/28 সালে যারা হজ করতে চান তাদের জন্য আমাদের সুন্দর ব্যবস্থাপনা রয়েছে। দ্রুত নিবন্ধন করুন। ফোন : 01774907777

13/08/2026
তাওয়াফ কী? এটা কিভাবে করতে হয়?তাওয়াফ হল কাবা ঘরের চারপাশে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা। এ তাওয়াফ করার নিয়মাবলী নীচে উল্লেখ করা হল...
12/08/2026

তাওয়াফ কী? এটা কিভাবে করতে হয়?

তাওয়াফ হল কাবা ঘরের চারপাশে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা। এ তাওয়াফ করার নিয়মাবলী নীচে উল্লেখ করা হলঃ

(১) তাওয়াফ শুরু করার পূর্বেই তালবিয়াহ পাঠ বন্ধ করে দেয়া। এরপর মনে মনে তাওয়াফের নিয়ত করা। নিয়ত না করলে তাওয়াফ শুদ্ধ হবে না। নিয়ম হল প্রথমে ‘হাজারে আসওয়াদ (কাল পাথরের) কাছে যাওয়া, ‘‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’’ বলে এ পাথরকে চুমু দিয়ে তাওয়াফ কার্য শুরু করা। কিন্তু রমাযান ও হজ্জের মৌসুমে প্রচন্ড ভীড় থাকে। বয়স্ক, বৃদ্ধ ও মহিলাদের জন্য পাথর চুম্বনের কাজটি প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরনের ভীড় দেখলে ধাক্কাধাক্কি করে নিজেকে ও অন্য হাজীকে কষ্ট না দিয়ে পাথর চুমু দেয়া ছাড়াই ‘‘হাজরে আসওয়াদ’’ থেকে তাওয়াফ শুরু করে দিবেন। কাবাঘরের ‘‘হাজরে আসওয়াদ’’ কোণ থেকে মসজিদে হারামের দেয়াল ঘেষে সবুজ বাতি দেয়া আছে। এ রেখা বরাবর থেকে তাওয়াফ শুরু করে আবার এখানে আসলে তাওয়াফের এক চক্র শেষ হবে। এভাবে ৭ চক্র পূর্ণ করতে হবে। ভীড়ের পরিমাণ যদি আরো বেশী দেখতে পান এবং গ্রাউন্ড ফ্লোরে তাওয়াফ করা কঠিন মনে করেন তাহলে দু’তলা বা ছাদের উপর দিয়েও তাওয়াফ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে সময় একটু বেশী লাগলেও ভীড়ের চাপ থেকে রেহাই পাবেন। ছাদের উপর তাওয়াফ করলে দিনের প্রখর রৌদ্রতাপ ও প্রচন্ড গরমে না গিয়ে রাতের বেলায় করবেন। বেশী ভীড়ের মধ্যে ঢুকে মানুষকে কষ্ট দেবেন না। দিলে ইবাদত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

(২) কাবাঘরকে বামপাশে রেখে তাওয়াফ করতে হয়। তাওয়াফের প্রথম চক্রে ‘‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’’ বলে নীচের দোয়াটি পড়তে পারলে ভাল হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতেন। দোয়াটি হলঃ

اَللَّهُمَّ إِيْمَانًا بِكَ وَتَصْدِيْقًا بِكِتَابِكَ وَوَفَاءً بِعَهْدِكَ وَاتِّبَاعًا لِسُنَّةِ نَبِيِّكَ مَحَمَّدٍ -صلى الله عليه وسلم-

অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার প্রতি ঈমান এনে, তোমার কিতাবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, তোমার সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণের জন্য তোমার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের অনুসরণ করে এ তাওয়াফ কার্যটি করছি।

(৩) প্রথম তিন চক্রে পুরুষগণ ছোট ছোট পদক্ষেপে দৌড়ের ভঙ্গিতে সামান্য একটু দ্রুত গতিতে চলতে চেষ্টা করবেন। আরবীতে এটাকে ‘রম্ল’ বলা হয়। বাকী চার চক্র সাধারণ হাঁটার গতিতে চলবেন। মক্কায় প্রবেশ করে প্রথম যে তাওয়াফটি করতে হয় শুধু এটাতেই প্রথম তিন চক্রের রম্লের এ বিধান। এরপর যতবার তাওয়াফ করবেন সেগুলোতে আর ‘‘রমল’’ করতে হবে না। মহিলাদের রমল করতে হয় না।

(৪) পুরুষেরা ইহরামের গায়ের কাপড়টির একমাথা ডান বগলের নীচ দিয়ে এমনভাবে পেঁচিয়ে দেবেন যাতে ডান কাঁধ, বাহু ও হাত খোলা থাকে। কাপড়ের বাকী অংশ ও উভয় মাথা দিয়ে বাম কাঁধ ও বাহু ঢেকে ফেলবেন। এ নিয়মটাকে আরবীতেও اضطباع (ইয্তিবা) বলা হয়। এটা শুধুমাত্র প্রথম তাওয়াফে করতে হয়। পরবর্তী তাওয়াফগুলোতে এ নিয়ম নেই, অর্থাৎ ডান কাঁধ ও বাহু খোলা রাখতে হয় না।

(৫) কাবাঘরের চারটি কোণের মধ্যে একটি কোণের নাম হল ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’। হাজরে আসওয়াদ-এর কোণটিকে প্রথম কোণ ধরে তাওয়াফ শুরু করে আসলে ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’ হবে চতুর্থ কোণ। এ ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’র পাশে এসে পৌঁছলে ভীড় না হলে এ কোণকে ডান হাত দিয়ে ছুইতে চেষ্টা করবেন। কিন্তু সাবধান, এ রুকনে ইয়ামেনীকে চুমু দেবেন না, এর পাশে এসে হাত উঠিয়ে ইশারাও করবেন না এবং সেখানে ‘আল্লাহু আকবার’ও বলবেন না। ‘আল্লাহু আকবার’ বলবেন হাজরে আসওয়াদে পৌঁছে। তাওয়াফ শুরু করবেন ‘‘হাজরে আওয়াদ’’ থেকে এবং শেষও করবেন সেখানে গিয়েই।

(৬) রুকনে ইয়ামেনী ও হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে নিম্নের এ দোয়াটি পড়া মুস্তাহাবঃ

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

অর্থঃ হে আমাদের রব! আমাদেরকে তুমি দুনিয়ায় সুখ দাও, আখেরাতেও আমাদেরকে সুখী কর এবং আগুনের আযাব থেকে আমাদেরকে বাঁচাও।[1]

(৭) তাওয়াফের প্রত্যেক চক্রেই হাজরে আসওয়াদ ছুঁয়া ও চুমু দেয়া উত্তম। কিন্তু প্রচন্ড ভীড়ের কারণে এটি খুবই দূরূহ কাজ। সেক্ষেত্রে প্রতি চক্রেই হাজ্রে আসওয়াদের পাশে এসে এর দিকে মুখ করে ডান হাত উঠিয়ে ইশারা করবেন। ইশারাকৃত এ হাত চুম্বন করবেন না। ইশারা করার সময় একবার বলবেন بسم الله الله أكبر ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’।

(৮) তাওয়াফরত অবস্থায় খুব বেশী বেশী যিক্র, দোয়া ও তাওবা করতে থাকবেন। কুরআন তিলাওয়াতও করা যায়। কিছু কিছু বইতে আছে প্রথম চক্রের দোয়া, ২য় চক্রের দোয়া ইত্যাদি। কুরআন হাদীসে এ ধরনের চক্রভিত্তিক দোয়ার কোন ভিত্তি নেই। যত পারেন একের পর এক দোয়া আপনি করতে থাকবেন। এ বইয়ের ২১ ও ২২ নং অধ্যায়ে কিছু দোয়া দেয়া আছে। এ দোয়াগুলো করতে পারেন। তাছাড়া আপনার নিজ ভাষায় আপনার মনের কথাগুলো আল্লাহর কাছে বলতে থাকবেন, মিনতি সহকারে চাইতে থাকবেন। দলবেঁধে সমস্বরে জোরে জোরে দোয়া করে অন্যদের দোয়ার মনোযোগ নষ্ট করবেন না। আরবীতে দোয়া করলে এগুলোর অর্থ জেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন যাতে আল্লাহর সাথে আপনি কি বলছেন তা যেন হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারেন।

(৯) তাওয়াফের ৭ চক্র শেষ হলে দু’কাঁধ এবং বাহু ইহরামের কাপড় দিয়ে আবার ঢেকে ফেলবেন এবং ‘‘মাকামে ইব্রাহীমের’’ কাছে গিয়ে পড়বেনঃ

وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلّىً

অর্থঃ ইব্রাহীম (পয়গাম্বর)-এর দন্ডায়মানস্থলকে সালাত আদায়ের স্থান হিসেবে গ্রহণ করো।[2]

অতঃপর তাওয়াফ শেষে এ মাকামে ইব্রাহীমের পেছনে এসে দু’রাকআত সালাত আদায় করবেন। ভীড়ের কারণে এখানে জায়গা না পেলে মসজিদে হারামের যে কোন অংশে এ সালাত আদায় করা জায়েয আছে। মানুষকে কষ্ট দেবেন না, যে পথে মুসল্লীরা চলাফেরা করে সেখানে সালাতে দাঁড়াবেন না। সুন্নত হলো এ সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর প্রথম রাকআতে সূরা কাফিরূন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইখলাস পড়া।

(১০) এরপর যমযমের পানি পান করতে যাওয়া মুস্তাহাব। পান শেষে যমযমের কিছু পানি মাথার উপর ঢেলে দেয়া সুন্নাত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতেন। (আহমাদ)

(১১) মুস্তাহাব হলো পুনরায় হাজ্রে আসওয়াদের কাছে গিয়ে এটা স্পর্শ করা ও চুম্বন করা। সম্ভব হলে এটা করবেন। আর ভীড় বেশী থাকলে এ কাজটা করতে যাবেন না।

(১২) বেগানা পুরুষের সামনে মহিলারা হাজারে আসওয়াদ চুম্বনের সময় মুখ খোলা রাখবেন না। কাবার গা ঘেঁষে পুরুষদের মধ্যে না ঢুকে মেয়েদের একটু দূর দিয়ে তাওয়াফ করা উত্তম।

(১৩) তাওয়াফ করার সময় যদি জামা‘আতের ইকামত দিয়ে দেয় তখন সঙ্গে সঙ্গে তাওয়াফ বন্ধ করে দিয়ে নামাযের জামা‘আতে শরীক হবেন এবং ডান কাঁধ ও বাহু চাদর দিয়ে ঢেকে ফেলবেন। নামায রত অবস্থায় কাঁধ ও বাহু খোলা রাখা জায়েয না। সালাত শেষে তাওয়াফের বাকী অংশ পূর্ণ করবেন।

[1] (সূরা বাকারা ২০১)
[2](বাকারাঃ ১২৫

🕋 ওমরাহ করবেন? বেষ্ট অফারেই ওমরাহ করুন!আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত হাজী সাহেব/সাহেবান!সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর  মাসে ডিরে...
11/08/2026

🕋 ওমরাহ করবেন? বেষ্ট অফারেই ওমরাহ করুন!
আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত হাজী সাহেব/সাহেবান!সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে ডিরেক্ট/ট্রানজিট ফ্লাইটে আমরা আপনাদের জন্য আয়োজন করেছি স্বল্পমূল্যের, প্রিমিয়াম সার্ভিসের ওমরাহ গ্রুপ। এতে ভিসা, টিকেট, হোটেল, খাবার, জিয়ারাহ সবকিছুই থাকছে আপনার পছন্দের অনুকূলে...

নুসুক আল হারামাইন হজ্ব গ্রুপে এ পর্যন্ত যেসকল হাজী সাহেবদের ওমরাহ সার্ভিস দিয়েছে, তাদের ১০০% ই সন্তুষ্ট! আমাদের হাজীদের উত্তম সেবা নিশ্চিত করা ও তাদের থেকে বড় ফিডব্যাক পাওয়া আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। আল্লাহ পাক আমাদের এই বরকতময় কাফেলাকে কবুল করুন।

ফ্লাইটের ডিটেইলস
প্রতিমাসের ১৫ তারিখ ট্রানজিট ফ্লাইট এবং ১৭ তারিখ ডিরেক্ট ফ্লাইট

আগামী ১৭/০৯/২৬ দিনাজপুর থেকে ৪০ জনের স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ যাবে ইনশাআল্লাহ কয়েকটি সিট খালি আছে কেহ সহযাত্রী হতে চাইলে দ্রুত যোগাযোগ করুন

📙প্যাকেজে যা যা থাকছে
☑ আসা-যাওয়া বিমান টিকিট (ডিরেক্ট/ট্রানজিট ফ্লাইট)
☑ তিন মাসের ওমরাহ ভিসা।
☑ স্টার মানের হোটেল (প্রতি রুমে ৪/৫ জন) ।
☑ সম্পূর্ণ ট্রান্সপোর্ট সেবা।
☑ অভিজ্ঞ মুয়াল্লিম গাইডের তত্ত্বাবধান।
☑ মক্কা এবং মদিনা জিয়ারাহ্।
☑ ইন্সুরেন্স
☑ রিয়াজুল জান্নাহর পারমিট
✔️তিন বেলা বাংলা খাবার
✔️ মক্কা এবং মদিনার দর্শনীয় স্থান সমূহ পরিদর্শন করা।
☑ ওমরাহর সকল আহকাম নিজস্ব তত্ত্বাবধানে বিশুদ্ধভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

✅ মক্কা জিয়ারার স্পটসমূহ
🚌 নবীজির বাড়ী
🚌 জাবালে সাওর
🚌 হেরা গুহা (ওহী নাজিলের পাহাড়)
🚌 আরাফার ময়দান
🚌 মিনা
🚌 মুজদালিফা
🚌 ইসমাইল আ. এর কুরবানির স্থান
🚌 জামারাহ
🚌 জান্নাতুল মোআল্লা
🚌 জিন মসজিদ

✅ মদিনা মুনাওয়ারা জিয়ারার স্পটগুলো
🚌 রিয়াজুল জান্নাহ
🚌 জান্নাতুল বাকী
🚌 খন্দকের কূপ
🚌 খন্দকের ময়দান
🚌 উহুদ পাহাড়
🚌 মাকবারায়ে শোহাদায়ে উহুদ
🚌 মসজিদে কিবলাতাইন
🚌 মসজিদে কুবা।
🚌 মসজিদে বেলাল রাযি.
🚌 মসজিদে আবু বকর রাযি.
🚌 মসজিদে গমামাহ
🚌 খেজুর বাগান

👋 অতএব পাসপোর্ট ও বুকিং মানি প্রদান করে আপনার সফর নিশ্চিত করুন অথবা সরাসরি বুকিং করতে 01774907777 নম্বরে ফোন/হোয়াটসএ্যাপ করতে পারেন বা আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন। আমাদের প্রতিনিধি আপনাকে ফোন করে বিস্তারিত জানিয়ে দিবেন।

🏠 দিনাজপুর অফিস
চাউলিয়া পট্টি মোড় (শিক্ষা দপ্তর মসজিদ সংলগ্ন)
সদর দিনাজপুর ।
📱 01774907777
📱 01534372222

👉 উল্লেখ্য, 27/28 সালে যারা হজ করতে চান তাদের জন্য আমাদের সুন্দর ব্যবস্থাপনা রয়েছে। দ্রুত নিবন্ধন করুন। ফোন : 01774907777

11/08/2026

🕋 ওমরাহ করবেন? বেষ্ট অফারেই ওমরাহ করুন!
আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত হাজী সাহেব/সাহেবান! সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ওমরাহ গ্রুপ। এতে ভিসা, টিকেট, হোটেল, খাবার, জিয়ারাহ সবকিছুই থাকছে আপনার পছন্দের অনুকূলে...

নুসুক আল হারামাইন হজ্ব গ্রুপে এ পর্যন্ত যেসকল হাজী সাহেবদের ওমরাহ সার্ভিস দিয়েছে, তাদের ১০০% ই সন্তুষ্ট! আমাদের হাজীদের উত্তম সেবা নিশ্চিত করা ও তাদের থেকে বড় ফিডব্যাক পাওয়া আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। আল্লাহ পাক আমাদের এই বরকতময় কাফেলাকে কবুল করুন।

ফ্লাইটের ডিটেইলস
প্রতিমাসের ১৫ তারিখ ট্রানজিট ফ্লাইট এবং ১৭ তারিখ ডিরেক্ট ফ্লাইট

আগামী ১৭/০৯/২৬ দিনাজপুর থেকে ৪০ জনের স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ যাবে ইনশাআল্লাহ কয়েকটি সিট খালি আছে কেহ সহযাত্রী হতে চাইলে দ্রুত যোগাযোগ করুন

📙প্যাকেজে যা যা থাকছে
☑ আসা-যাওয়া বিমান টিকিট (ডিরেক্ট/ট্রানজিট ফ্লাইট)
☑ তিন মাসের ওমরাহ ভিসা।
☑ স্টার মানের হোটেল (প্রতি রুমে ৪/৫ জন) ।
☑ সম্পূর্ণ ট্রান্সপোর্ট সেবা।
☑ অভিজ্ঞ মুয়াল্লিম গাইডের তত্ত্বাবধান।
☑ মক্কা এবং মদিনা জিয়ারাহ্।
☑ ইন্সুরেন্স
☑ রিয়াজুল জান্নাহর পারমিট
✔️তিন বেলা বাংলা খাবার
✔️ মক্কা এবং মদিনার দর্শনীয় স্থান সমূহ পরিদর্শন করা।
☑ ওমরাহর সকল আহকাম নিজস্ব তত্ত্বাবধানে বিশুদ্ধভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

✅ মক্কা জিয়ারার স্পটসমূহ
🚌 নবীজির বাড়ী
🚌 জাবালে সাওর
🚌 হেরা গুহা (ওহী নাজিলের পাহাড়)
🚌 আরাফার ময়দান
🚌 মিনা
🚌 মুজদালিফা
🚌 ইসমাইল আ. এর কুরবানির স্থান
🚌 জামারাহ
🚌 জান্নাতুল মোআল্লা
🚌 জিন মসজিদ

✅ মদিনা মুনাওয়ারা জিয়ারার স্পটগুলো
🚌 রিয়াজুল জান্নাহ
🚌 জান্নাতুল বাকী
🚌 খন্দকের কূপ
🚌 খন্দকের ময়দান
🚌 উহুদ পাহাড়
🚌 মাকবারায়ে শোহাদায়ে উহুদ
🚌 মসজিদে কিবলাতাইন
🚌 মসজিদে কুবা।
🚌 মসজিদে বেলাল রাযি.
🚌 মসজিদে আবু বকর রাযি.
🚌 মসজিদে গমামাহ
🚌 খেজুর বাগান

👋 অতএব পাসপোর্ট ও বুকিং মানি প্রদান করে আপনার সফর নিশ্চিত করুন অথবা সরাসরি বুকিং করতে 01774907777 নম্বরে ফোন/হোয়াটসএ্যাপ করতে পারেন বা আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন। আমাদের প্রতিনিধি আপনাকে ফোন করে বিস্তারিত জানিয়ে দিবেন।

🏠 দিনাজপুর অফিস
চাউলিয়া পট্টি মোড় (শিক্ষা দপ্তর মসজিদ সংলগ্ন)
সদর দিনাজপুর ।
📱 01774907777
📱 01534372222

👉 উল্লেখ্য, 27/28 সালে যারা হজ করতে চান তাদের জন্য আমাদের সুন্দর ব্যবস্থাপনা রয়েছে। দ্রুত নিবন্ধন করুন। ফোন : 01774907777

🕋 ওমরাহ যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট!সৌদি আরব ওমরাহ ভিসা সংক্রান্ত নতুন একটি নিয়ম চালু করতে যাচ্ছে।✅ বাংলাদেশ, পাক...
07/08/2026

🕋 ওমরাহ যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট!
সৌদি আরব ওমরাহ ভিসা সংক্রান্ত নতুন একটি নিয়ম চালু করতে যাচ্ছে।

✅ বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত ও মিশরের ওমরাহযাত্রীদের জন্য Nusuk Food Voucher বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

🍽️ প্রতিদিনের জন্য আনুমানিক ২০ সৌদি রিয়াল ফুড ভাউচারের মূল্য ওমরাহ ভিসার মোট খরচের সঙ্গে যুক্ত হবে।

📅 কার্যকর: ১ রবিউল আউয়াল থেকে।

আপনার ওমরাহ পরিকল্পনা বা বুকিংয়ের আগে সর্বশেষ নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিন।

এক আশ্চর্য ব্যাপার!ইসলাম বিদ্বেষী কাফের নেতা আবু জাহেলের মত ভয়ংকর নিকৃষ্ট লোকের বাড়ির পাশের বাড়ি ওয়ালী একজন মুসলিমাহ...
19/07/2026

এক আশ্চর্য ব্যাপার!
ইসলাম বিদ্বেষী কাফের নেতা
আবু জাহেলের মত ভয়ংকর নিকৃষ্ট লোকের বাড়ির পাশের বাড়ি ওয়ালী একজন মুসলিমাহ মু'মিনাহ নারী
সে শ্রদ্ধেয়া নারী কোন পর্যায়ের ঈমান নিয়ে,
কি ধরনের সাহস নিয়ে, মহান আল্লাহর মনোনীত ধর্ম প্রতিষ্ঠায় তাঁর প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিজের এবং নিজের বাপ-দাদার সমস্ত
ধন , সম্পদ উৎসর্গ করে
এমনকি নিজের জীবনটাও শপে দিয়ে ইসলামের ইতিহাসে এক অনস্বীকার্য অবদান রেখে গেছেন,
আলহামদুলিল্লাহ -
আবু জাহেলের বাড়ির সীমানার সাথেই সংযুক্ত আমাদের আম্মাজান খাদিজার বাড়ি ছিল।

হ্যাঁ
আমি এখন আমাদের আম্মাজান খাদিজাতুল কুবরা রাদিআল্লাহু তায়ালা আনহার বাড়িটি দেখাচ্ছি আপনাদেরকে,
বর্তমানে হাজী সাহেবগন তাদের পবিত্র উমরাহ এর সাঈ শেষ করে যখন মারওয়া পাহাড় থেকে
বের হন ঠিক সেদিকেই
মসজিদে হারামের 25 নং গেইট সংলগ্ন স্থান এটি।

মক্কা শরীফের ইতিহাস কেন্দ্রের পরিচালক
ড. ফাওয়াজ বিন আলী আল-দাহাস বলেন
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদের বাড়িটি পূর্ব -উত্তর দিকে মারওয়া পাহাড়ের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত।

ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপের প্রথম সহযোগী নারীর বাড়ি এটি কোন ভাবেই
বিষয় টা ফেলে দেয়া বা ভুলে যাওয়ার মত বিষয় না,
আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম ওহী পাওয়ার পর যখন ভীত সন্ত্রস্ত বা শংকিত অবস্থায় এ ঘরে ফিরে আসেন ঠিক তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ প্রথমা স্ত্রী
মহিয়সি নারী খাদিজা তাঁকে মানসিক ভাবে সাপোর্ট করেছেন,
শান্তনা দিয়েছেন ,আশাবাদী করেছেন , নুব্যয়তের পথের কঠিন দায়িত্ব আঁকড়ে ধরতে উৎসাহিত করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ -
খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (দ:)-এর প্রথমা স্ত্রী,
তাঁর সন্তানদের মাতা এবং ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে তিনি প্রথমা নারী ।
তিনি ৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৬১৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত জীবিত ছিলেন এবং মক্কায় এক উচ্চ মর্যাদা ও প্রতিপত্তি সম্পন্ন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি তাঁর প্রজ্ঞা ও উদারতার জন্য "আল-তাহিরা" (পবিত্রা) নামে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি মক্কা নগরীর একজন সুনাম ধন্য ব্যবসায়ী ছিলেন যিনি বড় বড় বাণিজ্য কাফেলা পরিচালনা করতেন।

তিনি আমুল ফিল ( আবরাহার হস্তি বাহিনী ধ্বংসের বছর) এর প্রায়
১৫ বছর আগে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং কুসাই ইবনে কিলাব পর্যন্ত বিস্তৃত এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে বেড়ে ওঠেন।
তাঁর পিতা ছিলেন খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ।

তিনি বিপুল সম্পদের অধিকারী ছিলেন এবং তাঁর ব্যবসায় লোক নিয়োগ করেছিলেন।
তিনি তাঁর বিশ্বস্ততা এবং বুদ্ধিমত্তার পবিত্র মক্কার সমাজে সুপরিচিতা ছিলেন।
যখন তিনি নবী (দঃ) -এর সততা ও বিশ্বস্ততার কথা শুনলেন, তখন তিনি সিরিয়ায় তাঁর ব্যবসা পরিচালনার জন্য তাঁকে নিযুক্ত করলেন।
তাঁর সততা এবং ব্যবসার সাফল্য দেখে তিনি তাঁকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করলেন। যখন তাঁর বয়স ৪০ বছর এবং নবী (দঃ)-এর বয়স ২৫ বছর, তখন তাঁদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।
যখন নবী (দঃ)-এর উপর ওহী অবতীর্ণ হলো, তিনিই প্রথম তাঁর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেন এবং তাঁর বার্তাকে সমর্থন করেন।
তিনি তাঁর বিখ্যাত উক্তি দ্বারা নবী (দঃ)-এর হৃদয়কে শক্তিশালী করেছিলেন: "আল্লাহর কসম, আল্লাহ আপনাকে কখনো পরিত্যাগ করবেন না..."
كلا، أبشر فوالله لا يخزيك الله أبداً، والله إنك لتصل الرحم، وتصدق الحديث، وتحمل الكل، وتكسب المعدوم، وتقري الضيف، وتعين على نوائب الحق
তিনি তাঁর সমস্ত সম্পদ এবং ব্যবসা ইসলামের দাওয়াতকে সমর্থন করার জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি নবী (দঃ)-এর সাথে কুরাইশদের নির্যাতন ও বয়কট সহ্য করেছিলেন এবং সারাজীবন তাঁর পাশে ছিলেন।

তিনি নবী (দঃ)-এর সকল সন্তান তথা
যায়নাব, রুকাইয়াহ, উম্মে কুলসুম এবং ফাতিমা আল-জাহরার রাযিয়াল্লাহু আনহুন্নাদের আপন
মা জননী ছিলেন।
খাদিজা (রাঃ) নবুয়তের দশম বছরে (৬১৯ খ্রিস্টাব্দে), হিজরতের তিন বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁকে মক্কার মা'লা কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নবী (দঃ) তার জন্য গভীরভাবে শোক করতেন এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাকে স্নেহ ও বিশ্বস্ততার সাথে স্মরণ করতেন।

যাক পবিত্র মক্কায় যাদের আসার সুযোগ হবে তারা পবিত্র উমরাহ শেষ করে মসজিদে জ্বীনের পাশে থাকা মাকবারাহ বাকিতে গিয়ে তার জেয়ারত করে আসার চেষ্টা করবেন -

আস্সালামুয়ালাইকি ইয়া উম্মিনা খাদিজা রাযিয়াল্লাহু আনহা...
اَلسَّلامُ عَلَيْكِ يا زَوْجَةَ سَيِّدِ الْمُرْسَلِينَ أمنا خديجة رضي الله تعالى عنها.

*******************************************
তথ্য উপস্থাপনায়:
হাফেজ মুহাম্মদ হাসান মানছুর আল-মাক্কী
অনুবাদক মুর্শিদ (গাইড) - আল হাইয়াতুল হারাম বিইরশাদ মাকানী ওয়াল লুগাত,
মসজিদ আল হারাম, মক্কা আল মুকাররমাহ, সৌদি আরব।
0536130881
00966536130881

এক নজরে পুরো মক্কা শহর 🫶🫶🫶♥️❤️
05/06/2026

এক নজরে পুরো মক্কা শহর 🫶🫶🫶♥️❤️

01/06/2026

Address

Dinajpur
5200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নুসুক আল-হারামাইন হজ্ব গ্রুপ দিনাজপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category