Amin Air Travels Service

Amin Air Travels Service আমাদের সেবা সমূহঃ
হজ্জ্ব ও উমরাহ্‌ প্যাকেজ, ভিসা প্রসেসিং, এয়ার টিকেট, ট্যুর প্যাকেজ ও হোটেল বুকিং।

আমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিস
(আপনার সফরের বিশস্ত সঙ্গী)

আমাদের সেবা সমূহঃ
✅ হজ্জ্ব ও উমরাহ্‌ প্যাকেজ
✅ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রসেসিং
✅ ইন্টারন্যাশনাল ও ডমেষ্টিক এয়ার টিকেট
✅ ট্যুর প্যাকেজ
✅ বিশ্বের যেকোনো শহরের হোটেল বুকিং
✅ যেকোনো এয়ারলাইন্সের টিকেট রি-কনফার্ম ও ডেইট চেইঞ্জ

ট্রাভেল সংক্রান্ত সকল সেবা পেতে চলে আসুন আমাদের অফিসে।

আমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিস
🏢এম,এস ম্যানশন, সবুজবাগ,হবিগঞ্জ।
☎️ +8801860562699
📧 [email protected]

🌙ঈদ মোবারকদেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতিআমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিস এর পক্ষ থেকে জানাইপবিত্র ঈদুল আযহার...
27/05/2026

🌙ঈদ মোবারক
দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি
আমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিস এর পক্ষ থেকে জানাই
পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
আল্লাহ তাআলা আমাদের কোরবানি, ইবাদত ও দোয়া কবুল করুন এবং সবার জীবন সুখ, শান্তি ও বরকতে ভরে দিন।
আমিন।

بسم الله الرحمن الرحيمযিলহজ্ব মাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো তাকবীরে তাশরীক। ফিকহের কিতাবসমূহে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা...
26/05/2026

بسم الله الرحمن الرحيم
যিলহজ্ব মাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো তাকবীরে তাশরীক। ফিকহের কিতাবসমূহে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এসেছে।

এটি কখন পড়তে হয়?
আইয়ামে তাশরীকের সময়ে পড়তে হয়। যিলহজ্ব মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখকে ফিকহী পরিভাষায় ‘আইয়ামে তাশরীক’ বলা হয়। এই দিনগুলোর অন্যতম প্রধান আমল হলো আল্লাহর যিকির ও তাকবীর পাঠ।
৯ই যিলহজ্ব ফজরের নামায থেকে শুরু করে ১৩ই যিলহজ্ব আসরের নামায পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্তের ফরজ নামাযের পর একবার করে এই তাকবীর বলা ওয়াজিব।

কারা পড়বে?
ফরয নামায আদায়কারী প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব; চাই সে জামাতে নামায আদায় করুক (মুক্তাদী বা মাসবুক) কিংবা একাকী, মুকিম হোক বা মুসাফির, নারী হোক বা পুরুষ, গ্রামবাসী হোক কিংবা শহরবাসী।
এমনকি এই দিনগুলোতে কোনো নামায কাজা হয়ে গেলে এবং তা এই সময়ের মধ্যেই (৯ই যিলহজ্ব ফজরের নামায থেকে শুরু করে ১৩ই যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত) আদায় করা হলে, সেই নামাযের পরও তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব।
নোট: পুরুষদের জন্য তাকবীর উচ্চ স্বরে বলা ওয়াজিব। নারীদের জন্য উচ্চ স্বরে বলা ওয়াজিব নয়। তাই তারা নিম্ন স্বরেই বলবে।

তাকবীরে তাশরীক:
اللّٰهُ أَكْبَرُ اللّٰهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ اللّٰهُ أَكْبَرُ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ
"আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হাম্দ।"
নোট: এই তাকবীরের প্রতিটি শব্দে আল্লাহর তাওহীদ, বড়ত্ব ও প্রশংসা নিহিত রয়েছে।

কয়বার পড়বে?
তাকবীরে তাশরীক একবার বলা ওয়াজিব।
সাহাবায়ে কেরামের পক্ষ থেকে কোথাও একাধিকবার তাকবীর বলার কথা উল্লেখ নেই।
মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস: ৫৬৯৮, ৫৬৯৯, আল আওসাত, হাদীস: ২১৯৮, ২২০০

অনেকে তিনবার পড়াকে মুস্তাহাব বলে থাকেন। ও সমাজে কিছু মানুষ এনিয়ে খুব বাড়াবাড়িও করে থাকেন। তিনবার পড়া মুস্তাহাব-একথা বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী সঠিক নয়। অবশ্য এ নিয়ে ফিকহবিদগণের মাঝে মতানৈক্য আছে। তাই এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক নয়।

হাদীস ও সাহাবায়ে কেরামের আমল:
তাবেঈ ইব্রাহীম নাখাঈ রাহ. বলেন: সাহাবায়ে কেরাম আরাফার দিন নামাযের পর তাকবীর বলতেন। (মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস: ৫৬৯৬)

কিন্তু পূর্ণ তাকবীরে তাশরীক তিনবার পড়ার ব্যাপারে কোন সহীহ ও প্রসিদ্ধ বর্ণনা পাওয়া যায় না। অধিকাংশ ফিকহবিদগণও তিনবার বলার প্রতি গুরুত্ব দেন না।
অবশ্য কেউ যদি সুন্নত মনে না করে এমনিতেই তিনবার বলে তবে সেটাকে বিদআত বলাও উচিত নয়।

কিছু সাহাবী থেকে তাকবীরে তাশরীকের সাথে অন্য কিছু যুক্ত করে পড়ার বর্ণনাও পাওয়া যায়। যেমন, হযরত ইবনে উমর রা. তাকবীরে তাশরীকের আগে তিনবার "আল্লাহু আকবার" বলতেন (আল আওসাত, হাদীস: ২২০১)।

আল আওসাত, হাদীস : ২১৯৮, মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ৫৬৯৮, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ১/১৫২, ১/১৫৩
আদ্দুররুল মুখতার: ২/১৭৭, আল বাহরুর রায়েক: ২/১৬৫, রদ্দুল মুহতার: ২/১৭৮, মাজমাউল আনহুর: ১/২৬০, তাহতাবী আলাল মারাকী: পৃষ্ঠা ২৯৪, ইমদাদুল ফাতাওয়া: ১/৪৮৪

তাকবীরে তাশরীক সংক্রান্ত মাসায়েল
১. মাসবুকের জন্য বাকি নামায আদায়ের পর তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। (মাজমাউল আনহুর ১/২৬০)
২. ফরয নামায আদায় করার পর তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। নামাযের পর তাকবীরে তাশরীক না বললে
(ক) মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলে
(খ) অথবা নামায ফাসেদকারী কোনো কথা বা কাজ করলে
(গ) অথবা অযু নষ্ট হয়ে যায় এমন কোনো কাজ করলে তাকবীরে তাশরীক আদায়ের সময় বাকি থাকে না। তাই এক্ষেত্রে ওয়াজিব ছেড়ে দেওয়ার জন্য তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে। আর নামাযের পর উপরোল্লিখিত কোনো কাজ না করলে বিলম্বে হলেও তাকবীরে তাশরীক পড়ে নিতে পারবে এবং এর দ্বারা ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে। (আলমাবসূত, সারাখসী ২/৪৫ ফাতহুল কাদীর ২/৫০)

৩. তাকবীরে তাশরীক নির্ধারিত সময়ের আমল। তাই তাশরীকের দিনগুলোর কাযা নামায এই সময়ের পরে আদায় করলে তাকবীরে তাশরীক পড়তে হবে না। তবে এ সময়ের ছুটে যাওয়া নামায যদি এ দিনগুলোতেই কাযা করা হয় তাহলে সেক্ষেত্রে তাকবীরে তাশরীক পড়তে হবে। আর অন্য কোনো দিনের কাযা নামায তাশরীকের দিনগুলোতে আদায় করলে তাকবীরে তাশরীক পড়তে হবে না। (রদ্দুল মুহতার ২/১৭৯,ফাতহুল কাদীর ২/৫৮)

নোট: উল্লেখ্য, উক্ত ৫দিন কোন নারী যদি এ সময় হায়েয বা নেফাস অবস্থায় থাকে, তাহলে তার ওপর তাকবীরে তাশরীক পড়া ওয়াজিব নয়। যেহেতু সে এ সময় নামায আদায় করা থেকে বিরত থাকে। আর তাকবীরে তাশরীকটা মূলত নামাযের সাথে সম্পৃক্ত।
সুতরাং নামায যেহেতু আবশ্যক থাকে না, তাই নামায পরবর্তী তাকবীরে তাশরীক পড়াও তার ওপর আবশ্যক হবে না। আলবাহরুর রায়েক ২/১৬৫; হাশিয়াতুত তহতাবী আলাল মারাকী ২৯৪

তবে হায়েয বা নেফাস অবস্থায় নিজের প্রতিরক্ষার জন্য দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের সময় এবং ঘুমানোর পূর্বে সুরাতুল ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা ফালাক, সূরা নাস আমল হিসেবে পড়া যায়। তিলাওয়াত হিসেবে নয়। এছাড়া হাদীস শরীফে শেখানো দুআ, যিকির-আযকার করতে কোন অসুবিধা নেই। তাই এ সময়ও নারীরা তাকবীরে তাশরীক পাঠ করতে পারবেন।

৪- ঈদের জামাতের পর তাকবীরে তাশরীক পড়া জায়েয। ওয়াজিব নয়। (ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/১০৪)
৫- দুই ঈদের খুতবার শুরুতে বেশি বেশি তাকবীর পড়ার কথা বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে। যেমন উবায়দুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ রাহ. বলেন-ঈদের দিন মিম্বরে (ইমামের) তাকবীর পাঠ করা সুন্নত। প্রথম খুতবার শুরুতে নয় বার ও দ্বিতীয় খুতবার শুরুতে সাত বার তাকবীর বলবে। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, বর্ণনা ৫৬৭৪, ৫৬৭২, ৫৬৭৩)
৬- খুতবার মধ্যে ইমাম সাহেব তাকবীরে তাশরীক পাঠ করলে বা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম উচ্চারণ করলে মুখে উচ্চারণ করে তাকবীর ও দরূদ শরীফ পড়া যাবে না। তবে মনে মনে পড়তে পারবে। উল্লেখ্য যে, জুমার খুতবার ন্যায় ঈদের খুতবাও চুপ থেকে মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করা ওয়াজিব। (ফাতহুল কাদীর ২/৩৮; মাজমাউল আনহুর ১/২৫৩; রদ্দুল মুহতার ২/১৫৯)
৭- সুন্নত, নফল, বিতর নামাযের পর তাকবীর ওয়াজিব নয়। (বাদায়েউস সানায়ে ১/৪৬২; মাবসূত সারাখসী ২/৪৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৫২)

আল্লাহ তা'আলা সকল হাজীদের হজে মাবরুর নসিব করুন। যারা এখনো যেতে পারেননি, তাদের ভবিষ্যতে যাওয়ার তাওফিক দিন। আমিন।
26/05/2026

আল্লাহ তা'আলা সকল হাজীদের হজে মাবরুর নসিব করুন। যারা এখনো যেতে পারেননি, তাদের ভবিষ্যতে যাওয়ার তাওফিক দিন। আমিন।

সুবর্ণ সুযোগআরাফার দিন বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন।রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন“আরাফার দিনের রোযা বিগত এক বছর ও আগামী এক বছরের গুনা...
25/05/2026

সুবর্ণ সুযোগ
আরাফার দিন বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন।
রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন
“আরাফার দিনের রোযা বিগত এক বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়।”
— সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১১৬২
আর এই দিনেই আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন।
— সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১৩৪৮
আসুন, রোযা, দো‘আ, ইস্তিগফার ও বেশি বেশি তাকবীরের মাধ্যমে এই মহান দিনকে কাজে লাগাই।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন

23/05/2026

اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللّٰهِ ﷺ♥
হে আল্লাহ! আমাদেরকেও সেই পবিত্র মদিনায় হাজির হওয়ার সুযোগ দাও, রওজায়ে পাকের সামনে দাঁড়িয়ে বার বার সালাম পেশ করার তাওফীক দান করো।

19/05/2026

❤️আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বারবার হজ ও উমরাহ করার তৌফিক দান করুন, ঈমান ও আমলের সাথে কবুল করুন। আমীন।

❤️আলহামদুলিল্লাহ 🕋২০২৬ সালের সম্মানিত হজযাত্রীদের নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মোয়াল্লেম ও আমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিস-এর...
14/05/2026

❤️আলহামদুলিল্লাহ 🕋
২০২৬ সালের সম্মানিত হজযাত্রীদের নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মোয়াল্লেম ও আমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিস-এর স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব মুফতি ছালেহ আহমদ ফরিদ সাহেবের নেতৃত্বে পবিত্র মদিনা মুনাওয়ারার জিয়ারত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এই পবিত্র সফরে সম্মানিত হাজীগণকে মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা সহ মদিনা মুনাওয়ারার ঐতিহাসিক, বরকতময় ও স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ জিয়ারত করানো হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা যেন সকল হাজীর হজ ও জিয়ারত কবুল করেন, তাঁদের সকল আমলকে কবুল করে নেন এবং নিরাপদে সুস্থভাবে পরিবার-পরিজনের মাঝে ফিরিয়ে দেন-আমীন 🤲

11/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ!
পবিত্র হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে আজ ১১ মে ২০২৬ ইং তারিখে,অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মোয়াল্লেম ও আমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিস-এর স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব মুফতি ছালেহ আহমদ ফরিদ সাহেব-এর নেতৃত্বে হজ্বযাত্রীরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের BG 537 ফ্লাইটযোগে সৌদি আরবের মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।
ইনশাআল্লাহ, নির্ধারিত ফ্লাইট সময়সূচি অনুযায়ী তাঁরা সৌদি আরবে নিরাপদে পৌঁছাবেন এবং পবিত্র হজ্বের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।
হজ্ব পালন শেষে তাঁদের ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত হয়েছে ১৭ জুন ২০২৬ ইং। তাঁরা জেদ্দা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের BG 532 ফ্লাইটযোগে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন এবং ইনশাআল্লাহ নিরাপদে দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন।
আমরা মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে সকল হজ্বযাত্রীর হজ্ব কবুল ও মাকবুল হওয়া, সুস্থতা, নিরাপদ সফর এবং হজ্বের সকল আমল সহজ হওয়ার জন্য আন্তরিক দোয়া করি।
আমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিস
ঠিকানা: এম.এস. ম্যানশন, সবুজবাগ, হবিগঞ্জ
ফোন: +8801794-948021 / +8801716-207102
ইমেইল: [email protected]
বিঃদ্রঃ হজ্বের পরবর্তী উমরাহ বুকিং চলমান রয়েছে। এখনই যোগাযোগ করুন।

26/03/2026

🇧🇩 ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস 🇧🇩
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ-এর সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের।
তাঁদের ত্যাগেই পেয়েছি স্বাধীনতার লাল-সবুজ পতাকা।
আল্লাহ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় রাখুন।

♥আলহামদুলিল্লাহ♥আমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মাওলানা নুরুল আমিন আদনান আজ ফ্লাইএডিল এয়ারলাইন্স এর মাধ্যমে...
24/03/2026

♥আলহামদুলিল্লাহ♥
আমিন এয়ার ট্রাভেলস সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মাওলানা নুরুল আমিন আদনান আজ ফ্লাইএডিল এয়ারলাইন্স এর মাধ্যমে হাজী সাহেবদের নিয়ে পবিত্র উমরাহ সম্পন্ন করে নিরাপদে বাংলাদেশে ফিরেছেন।
আল্লাহ তায়ালা তাদের এবারের সফর কবুল করুন এবং সকলকে হজ্ব ও উমরাহতে বারবার ভ্রমণের তাওফীক দিন।

Address

M. S. Mansion Sobujbag
Habiganj
3300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amin Air Travels Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Amin Air Travels Service:

Share

Category