Nasim 'The Border Traveller'

Call Website Contact the business

Nasim 'The Border Traveller' Investment in Travel is Investment in Yourself

30/04/2026

🇧🇩🤝🇮🇳
৬ মে থেকে শুরু হতে পারে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা কার্যক্রম❕

  চোখ বন্ধ করে কিভাবে চেন্নাই ভেলোর CM.C তে ডক্টর দেখাতে যাবেন কোথায় থাকবেন কি করবেন কিভাবে ডক্টর দেখাবেন সমস্ত তথ্যCHRI...
12/11/2025

চোখ বন্ধ করে কিভাবে চেন্নাই ভেলোর CM.C তে ডক্টর দেখাতে যাবেন কোথায় থাকবেন কি করবেন কিভাবে ডক্টর দেখাবেন সমস্ত তথ্য
CHRISTIAN MEDICAL COLLEGE
১) স্টেশনে নেমে ১৫০-২০০ টাকায় অটো ভাড়া দিয়ে আসবেন গান্ধী রোডে। ৩০০ থেকে Lodge ভাড়া শুরু। মোটামুটি ভালো। খুব বেশি বড় না। খাট রাখার পাশে অল্প জায়গা আপনার ব্যাগ রাখার জন্য। খুব কম ঘরে জামাকাপড় রাখার আলমারি পাবেন। সুতরাং হয় আপনাকে বারংবার ব্যাগ থেকে জামাকাপড় বের করতে হবে নয়ত আপনি দড়ি ব্যবহার করতে পারেন। উচ্চবিত্ত পরিবারের জন্য প্রচুর RESIDENCY আছে। যার ভাড়া একটু বেশি। K.V.S. CHETTY STREET এ ভালো RESIDENCY পাবেন। এখানে বেশিরভাগই LODGE।

2) রান্না করার জন্য প্রতিটি FLOOR এই রান্নাঘর আছে।রান্না করার জন্য গ্যাস দেবে। যার ভাড়া ১৩০-১৫০ প্রতি কেজি। বাসন দেবে একটা হাড়ি, একটা গামলা, একটা কড়াই, বঁটি, একটা হাতা, রুটির সরঞ্জাম, একটা খুন্তি ও দুটি থালা। ভাড়া ১২-২০ টাকা পুরো সেট প্রতিদিন। বাসনগুলো প্রথমে একটু ধূয়ে ব্যবহার করলেই ভালো।

৩)প্রতিটি লজেই common বারান্দা আছে। জামাকাপড় ধুয়ে শুকাতে পারবেন। তবে দড়ি ও ক্লিপ আপনাকে নিয়ে যেতে হবে। আসলে এখানে বেশ কিছুদিন সময় হাতে নিয়ে আসতে হবে। অনেক জামাকাপড় নিয়ে আসা সম্ভব নয় তাই বলে রাখা। এছাড়াও এখানে চাদর, বালিশের কভার অনেকেই দেয় না। নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন।

৪) যদি পারেন প্লাস্টিকের যে বাটিগুলোতে RESTAURANT থেকে খাবার আনা হয় সেগুলো অল্পকিছু নিয়ে আসতে। কারণ এখানে খাবার RESTAURANT থেকে LODGE এ নিয়ে আসতে চাইলে EXTRA PACKING CHARGES ৫ টাকা প্রতিটি বাটির জন্য দিতে হবে।

৫) চেষ্টা করবেন গান্ধী রোডে থাকার। Main Road থেকে বামদিকে গেলে LODGE, RESIDENCY, RESTAURANT সব পাবেন এবং একটু সোজা এগিয়ে ডানদিকে পেয়ে যাবেন সবজি আড়ত। যেহেতু এই জায়গাটা আড়ত তাই অন্যান্য জায়গা থেকে একটু কম দামে সবজি পাবেন। এছাড়াও CMC একদম কাছে গান্ধী রোড থেকে। সবাই এখানেই থাকে।

৬) অনেক সময় রান্না করার সময় পাবেন না। সেই সময় CMC এর উল্টো দিকে বা বলা ভালো CMC এর OPD BLOCK এর উল্টো দিকে বাইরে যে খাবারের দোকান গুলো আছে সেখানে খেতে পারেন। ভালো খাবার। তাছাড়া OPD BLOCK এর উল্টো দিকে যে রাস্তা ঢুকেছে সেই রাস্তা দিয়ে ঢুকে একটু এগোলে বামদিকে একটা গলি পাবেন। সেই গলি দিয়ে ঢুকলে ব্যার্নাজী হোটেল ও অন্নপূর্ণা হোটেল এই দুই টি বাঙালি হোটেল পাবেন। খাবার ভালো। আবার বাঁ দিকে না ঢুকে আর একটু সোজা এগোলে ডানদিকে পড়বে SAI RESIDENCY। তারপরে একটা গলি পাবেন (উপরে দেখবেন PUNJABI DHABA লেখা) সেই গলি দিয়ে ঢুকলে NAGHA HOTEL পাবেন। সেটাও বাঙালি হোটেল, খাবার ভালো।

এবার আসি হসপিটাল এর কথায় :

১) এখানে Security Guard সবাই খুব সাহায্য করে। অসুবিধা নেই। কোন GATE দিয়ে ঢুকতে হবে কোথায় যেতে হবে সব বলে দেবে।

২) প্রথমেই এসে ISSCC BUILDING থেকে ১,২,৩ এবং ৪ নং counter থেকে CHRIS CARD করাতে হবে। তার জন্য আপনার ID PROOF দেখাতে হবে। এই কার্ডে আপনাকে টাকাও ভরাতে হবে এখানেই। এখানে সমস্ত কাজের জন্য এই কার্ডটি অত্যাবশ্যক। Doctor Appointment, Any kind of test সব কিছু এই কার্ডের মাধ্যমে করা হয়।

৩) যে কোনো কাজের জন্য অবশ্যই MRO COUNTER এ কথা বলবেন। প্রতিটি FLOOR এই MRO COUNTER থাকে। যে FLOOR এ ডাক্তার দেখেছেন সেই FLOOR এর MRO COUNTER এ কথা বলবেন।

৪) আবার ধরুন আপনি ডাক্তার দেখালেন। উনি কিছু টেস্ট করতে দিলেন এবং পরবর্তী APPOINTMENT দিলেন। আপনার কার্ডে পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা থাকলে ডাক্তার নিজেই সব বুক করে দেবেন। আপনি শুধু MRO COUNTER থেকে APPOINTMENT SLIP টা সংগ্রহ করে নেবেন। ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে এত কাজ করার সময় বেঁচে যাবে।

৫)যদি সকালে ৭-৮ নাগাদ Appointment থাকে চেষ্টা করবেন ভোর ৬-৬:৩০ নাগাদ চলে যাওয়ার। এখানে অত সকালেও অনেক লাইন পড়ে যায়। তার ফলে আপনি তাড়াতাড়ি ডাক্তার দেখাতে পারবেন এবং ডাক্তার যা যা টেস্ট দেবে আপনি সেই দিন করাতে পারবেন। ফলে আপনার ভাগ্য ভালো হলে সেই দিন ই আবার ডাক্তার দেখাতে পারবেন বিনামূল্যে। নয়ত পরে যেদিন ডাক্তার বসবেন সেই দিন বুক করতে হবে টাকা দিয়ে।

৬)কার্ডের অতিরিক্ত টাকা সম্পূর্ণ ফেরত পেয়ে যাবেন। আবার ডাক্তার যদি কয়েক মাস পর CHECK UP এর তারিখ দেয় তাহলে ওই কার্ড নিয়ে বাড়ি চলে আসতে পারেন। পরবর্তী সময়ে কার্ড করার জন্য সময় নষ্ট হবে না।

🇧🇩আগে থেকে ডাক্তার বুক করে যেতে পারেন। সময় নষ্ট কম হবে।

১) যদি হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাহলে অবশ্যম্ভাবী রুগীর সাথে একজন পরিবারের মহিলাকে রাতে থাকতেই হবে। বাকি সারাদিন যে কেউ থাকতে পারে হাসপাতালে। পুরুষ হলে রাত ৮ টা পর্যন্ত অনুমতি পাবেন হাসপাতালে থাকার। আর যদি সেটা সম্ভব না হয় তাহলে যে ওয়ার্ডে ভর্তি হবে সেখানে নার্সের সঙ্গে পরামর্শ করবেন উনি আয়ার ব্যাবস্হা করে দেবেন। প্রতি দিন রাত ৮ টা থেকে সকাল ৮ টা।

২) রুগীর সাথে যিনি থাকবেন তাকে রুগীর বিছানার পাশে মাটিতে শুতে হবে। তাই মাটিতে পাতার জন্য চাদর বা পাতলা কম্বল, গায়ে দেওয়ার জন্য চাদর বা কম্বল ও একটি Air Pillow নিয়ে যাবেন। রুগীর সাথে যে থাকবে তাকে কিছুই দেবেনা হাসপাতাল থেকে। এটা general cabin এ থাকলে তবেই। যদি private single cabin এ থাকে তাহলে পুরুষ মহিলা যে কেউ থাকতে পারে। তবে সেখানে থাকার ব্যবস্থা কি আছে আমার তা জানা নেই।

৩) রুগীর যে CHRIS CARD টা করেছেন সেটা অবশ্যই রুগীর সাথে যিনি থাকবেন তার কাছে রেখে দেবেন। আর তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা ভরে রাখবেন। কারণ যে কোন সময়ে রুগীর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে হবে।

৪) রুগীর খাবারের জন্য প্রতিদিন ২৫০ টাকা করে দিতে হবে তিন বেলার জন্য। তবে এটা optional। আপনি চাইলে আপনার মত বাইরে থেকে খাবার এনে দিতে পারেন। তবে জল খুব সম্ভবত রুগীর পরিবারকেই কিনে দিতে হবে।

৫) যদি অপারেশন করতে হয় তবে অবশ্যই পরিবারের একজন বা দুইজন কে রক্তদান করতে হবে। নয়ত রক্ত কিনতে হবে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে।

৬) সকল কিছু হয়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তার কে বলবেন Medical Report সংগ্রহ করবেন। ডাক্তার আপনাকে বলে দেবে কি করতে হবে। এছাড়া আপনাকে যদি X Ray বা MRI বা ওই ধরনের টেস্ট করতে হয় তাহলে সেই প্লেটগুলো ও আলাদা ভাবে সংগ্রহ করতে হবে টাকার বিনিময়ে। এই সকল কিছুই সংগ্রহ করে নেবেন কারণ পরবর্তীকালে এগুলো আপনার আবার লাগবে ডাক্তার দেখাতে গেলে।

৭) যদি রুগীর ক্যানসার হয় ডাক্তারকে বলবেন যে আপনি travel compensation চান। তাহলে ডাক্তার আপনাকে বলে দেবে কোথা থেকে কি করতে হবে। আপনি যতবার check up করবেন ততবার আপনাকে নিয়ে নিতে হবে। কারণ এই form টা আপনি ২ টো পাবেন। একবার এখান থেকে যাওয়ার সময় ও পরবর্তীকালে এখানে আসার সময়‌ টিকিট কাটার counter এ জমা নিয়ে নেবে। এই form টা জমা দিয়ে টিকিট কাটলে ট্রেনে রুগী এবং রুগীর সাথে একজনের টিকিটে অনেক টাকা ছাড় পেয়ে যাবেন। কতটা ছাড় পাবেন সেটা নির্ভর করছে আপনি ট্রেনে কোন CLASS ( 3 AC, 2 AC, 1 ST AC, SLEEPER) এ টিকিট কাটছেন তার উপর।

এই নিয়ম ফলো করলে খুব সহজেই ম'রদে'হ দেশে আনা সম্ভব। মৃ'ত্যু'র খবর জানার পর,প্রথমে খোঁজ নিবেন লা'শ কোন হাসপাতালে রাখা আছে,...
10/10/2025

এই নিয়ম ফলো করলে খুব সহজেই ম'রদে'হ দেশে আনা সম্ভব।

মৃ'ত্যু'র খবর জানার পর,প্রথমে খোঁজ নিবেন লা'শ কোন হাসপাতালে রাখা আছে,আর অবশ্যই এমন একজন কে লাগবে যিনি এই লা'শ বা ম'রদে'হ নিয়ে সব কিছু জানে,বা তারে কল দিলে তার কাছে থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।

এই দুইটি হয়ে গেছে,আপনারা এই ফরম টি যেকোনো দোকান থেকে এক কপি প্রিন্ট করবেন,এবং এখানে যা যা জানতে চেয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে পূরণ করবেন,তারপর এটির ফটোকপি করবেন।

হয়ে গেলো দুই কপি তাইতো?এবার যিনি মা'রা গেছে তার পাসপোর্ট কপি,ইকামা কপি,ভিসা কপি,ম্যানপাওয়ার কপি এইগুলো ফটোকপি করবেন,সব গুলো না থাকলে যা আছে তাই দিবেন,এইগুলো একটি আবেদন পত্রের সাথে পিন মে'রে দিবেন,অন্য আবেদন পত্রটি সিঙ্গেল থাকবে।

এরপর এই দুইটা নিয়ে আপনাদের নিজ জেলায়,জেলা জনশক্তি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান অফিস আছে,সেখানে গিয়ে দুইটাই তাদের কে দিবেন,তারা যেটায় কাগজপত্র বেশি সেটা রেখে দিবে,অন্যটায় সিল সাক্ষর দিয়ে আপনাকে দিয়ে দিবে।

এর সাথেই শুরু হয়ে গেলো লা'শ দেশে আনার প্রক্রিয়া,এখন লা'শ কি মালিক বা কফিলের খরচে আসবে না বাংলাদেশ সরকারের খরচে আসবে এটা নিয়ে আপনাকে টেনশন করতে হবে না,এটা মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার।

তবে একটা কথা,আবেদন টি জেলা পর্যায়ে জমা দিলে ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে আসতে একটু সময় লেগে যায় যায়,তাই সম্ভব হলে সরাসরি ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এসে লিফটের ৮ এ গিয়ে এই আবেদনটি জমা দিবেন,তাহলে কাজ কয়েকদিন এগিয়ে যাবে।

আবেদন করার পর আপনাকে আরো দুইটি কাজ করতে হবে,এক:আবেদন পত্রে যার নাম্বার দিয়েছেন তাকে বলে দিবেন যে তোমার কাছে ফোন যাবে দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে,তুমি খেয়াল রেখো আর তারা যা জানতে চায় জানাইও।

দুই : যে দিন আবেদন টি করবেন তার পরদিন ই আপনার ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে একটা ওয়ারিশ সার্টিফিকেটে নিয়ে রাখবেন,উনারাদের বললেই হবে,উনারা জানেন এবং এটি রেডি করে থাকে।

তবে ওয়ারিশ নিয়ে কোন দুই নাম্বারি করবেন না,মনে রাখবেন মৃ'ত ব্যক্তি যদি বিবাহিত হয় তাহলে ওয়ারিশ হবে স্ত্রী এবং সন্তানরা।

আর মৃ'ত ব্যক্তি যদি অবিবাহিত হয় তাহলে ওয়ারিশ হবে বাবা এবং মা,ভাই বোন ওয়ারিশ হয় না।

এরপর লা'শ দেশে আসার সবকিছু ঠিক হলে যিনি সৌদি আরবে আছে তিনি তো ফোন করে জানাবেন ই,এছাড়া ও যিনি লা'শ দেশে আনার জন্য আবেদন করেছেন তার মোবাইল নাম্বারে বিমানবন্দর থেকে ফোন করে তারিখ এবং সময় জানিয়ে দিবে।
সেই তারিখ সময় অনুযায়ী বিমানবন্দরের ৮ নাম্বার গেইটে উপস্থিত থাকবেন।

মনে রাখবেন : লা'শ কিন্তু আসবে যিনি আবেদন করবে উনার নামেই,তাই তাকে অবশ্যই এনআইডি কার্ডের ফটোকপি সাথে আনতে হবে,একই সাথে সেই ওয়ারিশ সনদটা সেই দিন সাথে আনতে হবে,যারা ওয়ারিশ তাদের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি ও আনতে হবে।

মনে রাখবেন লা'শ দেশে আনার আবেদন বাবা মা ভাই বোন স্ত্রী সন্তান যে কেউই করতে পারবে,লা'শ আসবে ও তার নামে,তিনি রিসিভ করতে পারবেন,কিন্তু সরকারি ভাবে যেই টাকা দেয়া হয় সেটা পাবে কেবলমাত্র ওয়ারিশ রা,তাই ওয়ারিশ সনদ ও এনআইডি কার্ডের কপি আনতে হয়,ওয়ারিশ রা বিমানবন্দরে না আসলে ও কোন সমস্যা নেই।

এবার আসেন টাকা কত পায়: যে দিন লা'শ আসবে সেদিন লা'শ গ্রহণ করে এম্বুলেন্স রেখে বিমানবন্দরের ৮ নাম্বার গেইটের পাশে থাকা প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কে যাবেন,যাওয়ার সময় ওয়ারিশ সনদ,তাদের এনআইডি কার্ডের কপি আর লাশের সাথে একটি ফাইল পাবেন সেটি নিয়ে ওই অফিসে যাবেন,তারা ওয়ারিশের নামে সেইদিন ৩৫ হাজার টাকার একটি চেক দিবেন,এটি দেয়া হয় মূলত এই ম'রদে'হটি বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে দা'ফ'ন কার্য সম্পাদন করার জন্য,সোনালী ব্যংকের ওই চেকটি নিয়ে ওয়ারিশের বা যার নামে চেক দিয়েছে উনার যেই ব্যাংকে একাউন্ট আছে সেই ব্যাংকে গেলে সাথে সাথে টাকা দিয়ে দিবে।

এরপর লা'শ দাফনের ২-৩ মাসের ভিতরে বাংলাদেশ সরকার তথা ওয়েজ অর্নাস কল্যাণ বোর্ড থেকে আরো ৩ লক্ষ টাকা দেয়া হয়,এটি পাওয়ার জন্য আপনাদের কে ঢাকা আসতে হবে না,লা'শ গ্রহণের ১৫-২০ দিনের মধ্যে ওয়ারিশের কাছে ফোন যাবে এবং বলবে কিছু কাগজপত্র রেডি করে আপনার জেলা শহরে থাকা জেলা জনশক্তি প্রশিক্ষণ অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসতে,আপনারা সেগুলো ওই অফিসে জমা দিবেন,কাজ শেষ, লা'শ দাফনের ৯০ দিনের মধ্যে একাউন্টে ৩ লক্ষ টাকা জমা হয়ে যাবে।

আর মৃ'ত ব্যক্তি যদি ২০২০ সালের পরে সৌদি আরবে গিয়ে থাকেন তাহলে জীবন বীমার পক্ষ থেকে আরো ১০ লক্ষ টাকা একই সময়ে জমা হবে একাউন্টে,মানে আপনি মোট ১৩ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা পাবেন।

আর মৃ'ত ব্যক্তি যদি ২০২০ সালের আগে সৌদি আরবে যায় তাহলে তিনি জীবন বীমার ১০ লক্ষ টাকা পাবে না,বাকি ৩ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা পাবেন।

মনে রাখবেন এই টাকা গুলো বাংলাদেশ সরকার দেয়,এবং যারা কর্মী ভিসায় বিদেশ যায় তাদের কে দেন।

ভিজিট ভিসা,ওমরাহ বা হজ ভিসা,টুরিষ্ট ভিসায় যাওয়া কেউ যদি মা'রা যান তারা কিন্তু এই টাকা পাবেন না।

পোস্টটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করবেন (ধন্যবাদ)

ভারতীয় ভিসা সেন্টার সমূহ বন্ধ থাকে প্রতি শুক্র ও শনিবার।। এছাড়া বাৎসরিক কিছু ছুটির দিন থাকে সেগুলো দেখে নিতে পারেন...
08/10/2025

ভারতীয় ভিসা সেন্টার সমূহ বন্ধ থাকে প্রতি শুক্র ও শনিবার।। এছাড়া বাৎসরিক কিছু ছুটির দিন থাকে সেগুলো দেখে নিতে পারেন...

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে, বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে, প্রাচীন গৌরব আর নির্মল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধ...
02/09/2025

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে, বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে, প্রাচীন গৌরব আর নির্মল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছে বাগেরহাট জেলায়। খুলনা বিভাগের এই ঐশ্বর্যমণ্ডিত জেলা শুধু ভৌগোলিক বৈচিত্র্যই নয়, তার হৃদয়ে ধারণ করে আছে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নিদর্শনসমূহ, সুফী সাধকের আধ্যাত্মিক স্মৃতিচিহ্ন এবং সবুজে ঘেরা ম্যানগ্রোভ বনের রোমাঞ্চ।

'বাগেরহাট' নামটির উৎপত্তি নিয়ে নানা মত প্রচলিত। কেউ বলেন, সুন্দরবনের নৈকট্যে বাঘের উপদ্রব ছিল বলে 'বাঘেরহাট' নাম থেকে বিবর্তিত হয়েছে আজকের বাগেরহাট। অন্য মতে, সুফী সাধক খান জাহান আলী (রহ.) প্রতিষ্ঠিত 'খলিফাত-ই-আবাদ'-এর বিখ্যাত বাগিচা (বাগ) থেকে 'বাগের আবাদ' হয়ে 'বাগেরহাট' নামের সৃষ্টি। সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ধারণা অনুযায়ী, ভৈরব নদের একটি বাঁকের তীরে গড়ে ওঠা 'বাঁকেরহাট' কালক্রমে রূপান্তরিত হয়েছে বাগেরহাটে।

বাগেরহাট জেলার উত্তরে গোপালগঞ্জ ও নড়াইল, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে পিরোজপুর ও বরগুনা এবং পশ্চিমে খুলনা জেলা অবস্থিত। আয়তন ৩,৯৫৯.১১ বর্গকিলোমিটার; যার মধ্যে ১,৮৩৪.৭৪ বর্গকিমি বনাঞ্চল। ১৮৬৩ সালে যশোর জেলার অন্তর্গত মহকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৮২ সালে খুলনা জেলার অংশে পরিণত হয় এবং অবশেষে ১৯৮৪ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ জেলার মর্যাদা লাভ করে। বর্তমানে ৯টি উপজেলা, ৭৫টি ইউনিয়ন ও ৩টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত একটি 'এ' শ্রেণীর জেলা। জেলা সদর ভৈরব নদের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।

এবার জেনে নেওয়া যাক বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে -

১. বিশ্ব ঐতিহ্য ষাট গম্বুজ মসজিদ:
খান জাহান আলী (রহ.)-এর শ্রেষ্ঠ কীর্তি, এই মসজিদটি শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র বিশ্বের ঐতিহ্যের অমূল্য সম্পদ। ইউনেস্কো ১৯৮৫ সালে পুরো বাগেরহাট শহরকে (খলিফাতাবাদ) বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়, যার কেন্দ্রবিন্দু এই ষাট গম্বুজ মসজিদ। যদিও নির্মাণকাল ও প্রতিষ্ঠাতা নিয়ে শিলালিপির অভাবে কিছুটা অনিশ্চয়তা আছে, স্থাপত্য শৈলী থেকে ধারণা করা হয় ১৫শ শতাব্দীতে খান জাহান আলী (রহ.) এটি নির্মাণ করান। রাজমহল থেকে আনা পাথরে নির্মিত এই বিশাল আয়তনের মসজিদ (বাইরে ১৬০x১০৪ ফুট, ভিতরে ১৪৩x৮৮ ফুট) তার ৬০টি সুদৃশ্য পাথরের স্তম্ভ, ৮১টি গম্বুজ (মিনারের গম্বুজসহ), ১১টি পূর্ব দরজা, কারুকার্যখচিত মিহরাব এবং চার কোণের মিনার দিয়ে স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন হয়ে আছে। মসজিদের সামনের দুটি মিনার রওশন কোঠা ও আন্ধার কোঠা নামে পরিচিত।

২. খান জাহান আলীর মাজার:
খাঞ্জেলী দীঘির উত্তর পাড়ে অবস্থিত এই সমাধিসৌধ বর্গাকারে নির্মিত, যার ছাদে একটি গম্বুজ রয়েছে। স্থাপত্যে ষাটগম্বুজ মসজিদের ছোঁয়া লক্ষণীয়। বেদিতে রাখা পাথরে তার মাজার। প্রতি বছর ২৫ অগ্রহায়ণ ওরশ ও চৈত্রের পূর্ণিমায় বিশাল মেলা বসে, যা হাজারো ভক্তকে আকর্ষণ করে। দীঘিতে ছাড়া কুমির কালাপাহাড়ের মমি এখন ষাটগম্বুজ মসজিদের জাদুঘরে সংরক্ষিত।

৩. বিবি বেগনী মসজিদ:
ষাটগম্বুজ থেকে ৮০০ মিটার পশ্চিমে, ঘোড়া দীঘির পাড়ে অবস্থিত। পঞ্চদশ শতকে খান জাহান আলী (রহ.) বা তার কাছের কেউ এটি নির্মাণ করেন। নামকরণ হয় সম্ভবত বিবি বেগনী নামক এক নারীর নামে। বর্গাকার মসজিদটির চার কোণে চারটি মিনার ও উপরিভাগে একটি বৃহৎ গম্বুজ রয়েছে। সিঙ্গাইর মসজিদের সাথে স্থাপত্য সাদৃশ্য আছে।

৪. চুনাখোলা মসজিদ:
জেলা থেকে ৩৫ কিমি দূরে, ষাটগম্বুজ ইউনিয়নে অবস্থিত। ধারণা করা হয় খান জাহান আলী (রহ.)-এর এক অনুগত কর্মচারী পঞ্চদশ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। চুন উৎপাদনের কেন্দ্র থাকায় নাম চুনাখোলা। পোড়ামাটির অলঙ্করণে ভরপুর এই বর্গাকার মসজিদের চার কোণে ৪টি মিনার ও ৫টি প্রবেশদ্বার আছে। ১৯৭৫ সালে প্রত্নতত্ত্ব হিসেবে স্বীকৃত এবং ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ।

৫. রণবিজয়পুর মসজিদ:
ষাটগম্বুজ থেকে প্রায় ১.৫ কিমি পূর্বে। বাংলাদেশের এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদগুলোর মধ্যে বৃহত্তম। স্থানীয় নাম দরিয়া খাঁর মসজিদ। ধারণা করা হয় ১৪৫৯ সালে খান জাহান আলী (রহ.)-এর সহচর দরিয়া খাঁ নির্মাণ করেন। পুরু দেয়াল, চার কোণের মিনার, তিনটি মিহরাব ও পোড়ামাটির অলংকরণ এর বৈশিষ্ট্য। ১৯৬১ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ঘোষিত হয়।

৬. সিঙ্গাইর মসজিদ:
খুলনা-বরিশাল মহাসড়কের সংলগ্ন সুন্দরঘোনা গ্রামে, ষাটগম্বুজ থেকে মাত্র ২৫ মিটার দূরে অবস্থিত। পঞ্চদশ শতকে খান জাহান আলী (রহ.) কর্তৃক নির্মিত এক গম্বুজ বিশিষ্ট বর্গাকার মসজিদ। বক্রাকার কার্নিশ, চার কোণের বুরুজ, পাঁচটি খিলানযুক্ত দরজা ও সুসজ্জিত মিহরাব এর বিশেষত্ব।

৭. নয় গম্বুজ মসজিদ:
ঠাকুর দীঘির পশ্চিম পাড়ে ও খানজাহান আলী (রহ.)-এর সমাধির দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। পঞ্চদশ শতকে নির্মিত বর্গাকার মসজিদ (প্রতিটি দেয়াল ১৫.২৪ মিটার)। ছাদে নয়টি গম্বুজ ও ভিতরে চারটি স্তম্ভ রয়েছে। তিন দিকে প্রবেশপথ ও পশ্চিম দিকে তিনটি সুদৃশ্য মিহরাব পোড়ামাটির ফুল-লতা পাতার নকশায় শোভিত। জিন্দা পীর মসজিদ ও মাজার এর নিকটেই অবস্থিত।

৮. বাগেরহাট জাদুঘর:
ষাট গম্বুজ মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে পুরাতন রূপসা রোডে অবস্থিত। বাগেরহাটের মুসলিম সংস্কৃতি ও খানজাহান আলী (রহ.)-এর স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে ইউনেস্কো ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৫ সালে নির্মাণ শুরু হয় এবং ২০০১ সালে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ইসলামিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত তিনটি গ্যালারিবিশিষ্ট এই জাদুঘরে বাগেরহাটের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, মসজিদ ও স্থাপত্যের ছবি, খানজাহান আলী (রহ.)-এর বিখ্যাত কুমিরের মমি, স্মৃতিচিহ্ন, মুদ্রা, তৈজসপত্র, মানচিত্র ও লিখিত ইতিহাস সংরক্ষিত আছে।

৯. খাঞ্জেলী দীঘি:
বাগেরহাট শহর থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে, হযরত খান জাহান (রহ.)-এর মাজারের দক্ষিণে প্রায় ২০০ বিঘা জায়গা জুড়ে অবস্থিত এই বিশাল দীঘি। নামকরণ নিয়ে মতভেদ আছে (ঠাকুর দীঘি নামেও পরিচিত)। খানজাহান আলী (রহ.)-এর ছেড়ে দেওয়া কুমির কালাপাহাড় ও ধলাপাহাড়ের গল্প বিখ্যাত। গাছগাছালিতে ঘেরা, প্রশস্ত ঘাটবিশিষ্ট এই দীঘির পাড়ে ছায়াসুনিবিড় পরিবেশে বেড়ানোর জন্য লোকজন আসেন। স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী দীঘির পানি পানে রোগমুক্তি ঘটে।

১০. চন্দ্রমহল ইকো পার্ক:
বাগেরহাট সদরের খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশে রঞ্জিতপুর গ্রামে অবস্থিত। সেলিম হুদা ২০০২ সালে প্রায় ৩০ একর জায়গায় তার স্ত্রী নাসিমা হুদা চন্দ্রার নামে তাজমহলের আদলে চন্দ্রমহল ভবনসহ এই ইকো পার্ক ও পিকনিক স্পট নির্মাণ করেন। পানিবেষ্টিত ভবনে প্রবেশ করতে হয় টানেল দিয়ে। ভবনে দেশী-বিদেশী মুদ্রা, ডাকটিকিট, যুদ্ধাস্ত্র, প্রাচীন ঘড়ি, অলংকার, ধর্মীয় পুরাকীর্তি, বিরল পান্ডুলিপি, মৃৎশিল্প নিদর্শন ইত্যাদি প্রদর্শিত হয়। পার্কে আছে ভাস্কর্য, বাঁশের ঘর, পানসী নৌকা, রাজাকারের প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চ, কৃত্রিম রেললাইন, রেস্টুরেন্ট এবং মিনি চিড়িয়াখানা (বানর, হরিণ, ময়ূর, বক, কুমির, নানা পাখি সহ)।

বাগেরহাট কেবল একটি জেলা নয়; এটি ইতিহাসের এক জীবন্ত পাঠশালা, স্থাপত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং প্রকৃতির এক অপরূপ লীলাভূমি। ষাট গম্বুজের পাথরের কারুকাজ থেকে শুরু করে খাঞ্জেলী দীঘির প্রশান্ত জলরাশি, সুফী সাধক খান জাহান আলী (রহ.)-এর আধ্যাত্মিক সান্নিধ্য থেকে সুন্দরবনের কচিখালীর রোমাঞ্চকর সৌন্দর্য – সব মিলিয়ে বাগেরহাট বাংলার হৃদয়ে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে। ইউনেস্কোর স্বীকৃত এই বিশ্ব ঐতিহ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষণাবেক্ষণের দাবি রাখে, যাতে প্রাচীন এই জনপদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও সংস্কৃতির আলোকবর্তিকা চিরকাল ধরে জ্বলতে থাকে। প্রতিটি ইট-পাথর, প্রতিটি দীঘি-মসজিদ যেন নিঃশব্দে কাহিনি বলে যায় এক মহান সাধক ও তার স্বপ্নের শহর ‘খলিফাতাবাদ’-এর।

বাংলার প্রাঙ্গণ “বাংলার তথ্যপট” উদ্যোগ নিয়ে এক নবদিগন্তের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়েছে এরই একটি নতুন শাখা “৬৪ জেলার ভ্রমণকথন”। এই শাখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ স্থানগুলো সবার সামনে নিয়ে আসা। আজ "৬৪ জেলার ভ্রমণকথন" এর ৫৮ তম পর্বে থাকছে - বাগেরহাট জেলা।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, ভ্রমণ গাইড।
#ভ্রমণ #বাগেরহাট #ইতিহাসের_জীবন্ত_পাঠশালা
(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)
েলার_ভ্রমণকথন (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম সীমান্তবর্তী জেলা" চুয়াডাঙ্গা"। ঐতিহ্যবাহী এই জেলার সাথে জড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ...
02/09/2025

বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম সীমান্তবর্তী জেলা" চুয়াডাঙ্গা"। ঐতিহ্যবাহী এই জেলার সাথে জড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরব, লোকসংগীতের সুর আর উর্বর মাটির ঘ্রাণ। সবুজ মাঠ, বিখ্যাত স্থাপনা, আম-লিচুর বাগান আর মানুষের আন্তরিকতা একত্রিত হয়ে চুয়াডাঙ্গাকে একটি সমৃদ্ধ সংস্কৃতির জেলায় পরিণত করেছে। তাই ভ্রমনপ্রেমীদের জন্য চুয়াডাঙ্গা হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য।

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ:

১. কেরু এন্ড কোং লিমিটেড (দর্শনা, দামুরহুদা উপজেলা)

১৮৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি দেশের সবচেয়ে পুরোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। কেরু এন্ড কোং এশিয়ার সর্ববৃহৎ চিনিকল হিসেবে পরিচিত হলেও এখানে স্পিরিট ও অ্যালকোহলজাতীয় দ্রব্যও উৎপাদন করা হয়। এর প্রাচীন স্থাপনা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব ভ্রমণকারীদের আকর্ষণ করে। ব্রিটিশ আমলের লাল ইটের দালানগুলোতে আজও সেই সময়ের স্থাপত্যশৈলীর ছাপ দেখা যায়।

২. দামুরহুদা শাহী মসজিদ (দামুরহুদা উপজেলা)

মোগল আমলে নির্মিত এই মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী সত্যিই মনোমুগ্ধকর। এর গম্বুজ ও কারুকার্যমন্ডিত দেয়ালগুলো যেন ইতিহাসকে জীবন্ত করে তুলেছে ।

৩. ঠাকুর পুকুর জামে মসজিদ (চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা)

প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো এই মসজিদটি জমিদারি আমলের কীর্তি বহন করছে। ছোট হলেও এর স্থাপত্যশৈলী আকর্ষণীয়, বিশেষত গম্বুজ আর খিলানগুলো। গ্রামীণ পরিবেশের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা মসজিদটির সামনে ঠাকুর পুকুরের নীলজল ঝলমল করে, যা স্থানটিকে আরও মনোরম করে তুলেছে। অনেক ভ্রমণকারীর কাছে এটি একটি শান্তিপূর্ণ প্রার্থনার জায়গা।

৪. কাজী নজরুল ইসলামের আটচালা ঘর (দামুড়হুদা উপজেলা)

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম কিছুদিন এই আটচালা ঘরে বসবাস করেছিলেন। তাই সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ছোট্ট অথচ ঐতিহাসিক এই ঘরে গেলে কবির সৃষ্টিশীল দিনগুলোর আবহ টের পাওয়া যায়। ভ্রমণকারীরা প্রায়ই এখানে এসে কবিকে মনে করে আবেগাপ্লুত হন।

৫. ভৈরব নদীর তীর (আলমডাঙ্গা ও সদর উপজেলা)

ভৈরব নদী চুয়াডাঙ্গার প্রকৃতির অন্যতম সুন্দর নিদর্শন। গোধূলির মৃদু আলোয় নৌকায় চড়ে নদীপথে ঘুরে বেড়ানো কিংবা শুধু তীরে বসে স্নিগ্ধ বাতাসের অনুভূতি গ্রহন দুটোই ভ্রমণকারীদের মন ছুঁয়ে যায়। ভৈরবের নিরিবিলি পরিবেশ শহরের কোলাহলকে নিমেষে ভুলিয়ে দেয়।

৬. মাথাভাঙ্গা নদী (চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা)

চুয়াডাঙ্গা জেলার আরেকটি জীবন্ত স্রোতধারা মাথাভাঙ্গা নদী। কৃষি ও জীবিকার সঙ্গে জড়িত এই নদী স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বসন্তকালে নদীপাড়ে ফুল ফোটে, আর শীতে অতিথি পাখির কলতানে মুখর থাকে চারপাশ। প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের মিলনস্থল এই নদী ভ্রমণকারীদের জন্য ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে।

৭.আম ও লিচুবাগান (চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুরহুদা উপজেলা জুড়ে)

চুয়াডাঙ্গাকে বলা হয় লিচুর রাজধানী। গ্রীষ্মকালে এখানে গেলে অজস্র লিচু ও আমে বাগানের দেখা মেলে। টাটকা ফলের গন্ধে ভরে যায় চারপাশ। ভ্রমণকারীরা প্রায়ই সরাসরি বাগান থেকেই ফল খাওয়ার সুযোগ পান। এটি নিঃসন্দেহে চুয়াডাঙ্গা ভ্রমণের অন্যতম আনন্দ।

৮.দর্শনা রেলস্টেশন (দর্শনা, দামুরহুদা উপজেলা)

ঐতিহাসিক দর্শনা রেলস্টেশন বাংলাদেশের প্রথম রেলপথের অংশ হিসেবে পরিচিত। ব্রিটিশ আমলে কলকাতা-ঢাকা রুটের অন্যতম সংযোগস্থল ছিল এটি। পুরোনো স্থাপনা ও রেললাইন এখনও সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। ভ্রমণপিপাসুদের কাছে দর্শনা শুধুই একটি স্টেশন নয়, বরং ইতিহাসের অংশ।

৯.আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি (চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা, আলমডাঙ্গা ইউনিয়ন)
এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান। এখানে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতিতে একটি বধ্যভূমি তৈরি করা হয়েছে।যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে শেখায়।

১০. মেহেরুন শিশু পার্ক (চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা)
পরিবারসহ সময় কাটানোর জন্য এটি উপযুক্ত একটি স্থান। পার্কটির পরিচ্ছন্নতা ও সজিবতা শিশুদের অবসরকে নিরাপদ ও উপভোগ্য করে তোলে।

"চুয়াডাঙ্গার প্রতিটি প্রান্তে মিশে আছে ভ্রমণপিপাসু মানুষের আকর্ষিত হওয়ার মতো বিভিন্ন উপাদান। সুতরাং ভ্রমণের স্থান হিসেবে চুয়াডাঙ্গা নিঃসন্দেহে অন্যতম সেরা পছন্দ।

"বাংলার প্রাঙ্গণ “বাংলার তথ্যপট” উদ্যোগ নিয়ে এক নবদিগন্তের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়েছে এরই একটি নতুন শাখা “৬৪ জেলার ভ্রমণকথন”। এই শাখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ স্থানগুলো সবার সামনে নিয়ে আসা। আজ "৬৪ জেলার ভ্রমণকথন" এর ৬০ তম পর্বে থাকছে - চুয়াডাঙ্গার জেলা।"

তথ্যসূত্র: ভ্রমণ গাইড।
(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)
#ভ্রমণ #চুয়াডাঙ্গা #দর্শনীয়_স্থান

েলার_ভ্রমণকথন (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

Nasim 'The Border Traveller' for reaching 125,000 views.Alhamdulillah for Everything.
20/08/2025

Nasim 'The Border Traveller' for reaching 125,000 views.
Alhamdulillah for Everything.

Address

Hakimpur
Hakimpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nasim 'The Border Traveller' posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nasim 'The Border Traveller':

Shortcuts

Share