The BadhoN Travelogy

The BadhoN Travelogy This page is related to travel, vlog, information.

23/10/2024

"সাজেক ভ্যালি- মেঘ,পাহাড়, আর ভালোবাসার গল্প"
#সাজেক

11/07/2024

দিঘাপাতিয়া রাজবাড়ি বা উত্তরা গণভবন আঠারো শতকে নির্মিত দিঘাপতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান। এটি বাংলাদেশের নাটোর শহরে অবস্থিত। নাটোর শহর থেকে প্রায় ২.৪ কিমি দূরে প্রাসাদটি অবস্থিত।[১] বর্তমানে এটি উত্তরা গণভবন বা উত্তরাঞ্চলের গভর্মেন্ট হাউস নামে পরিচিত। ১৯৭২ সনের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়ীকে উত্তরা গণভবন নামকরণ করেন।
#নাটোরের #নাটোর #নাটোর #রাজবাড়ী #উত্তরা #গন #ভবন #ভবনের #উত্তরাগণভবন

29/05/2024

বাইকার্স ধাবা, পাবনা- Bikers Dhaba, Pabna

03/05/2024

আজকে আপনাদের দেখাবো ঢাকা বিমানবন্দরের খুব কাছে থেকে রানওয়ের বিমান উঠা নামার দৃশ্য দেখা। রাজধানীর উত্তরা দলিপাড়ায় খুব সহজেই বিমান দেখার জন্য অসংখ্য দর্শনার্থী এখানে আসে। দিন দিন রাজধানীবাসীর কাছে দর্শনীয় স্থান হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে উত্তরার দলিপাড়া। এখানে আসলে দেখতে পাবেন বাংলাদেশে এয়ারলাইনেস, এ্যামিরাট এয়ারলাইন্স, ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ,ইউএস বাংলা, নভো এয়ার, এয়ারএস্ট্রাসহ আরো অনেক বিমান কোম্পানির প্লেন । সকাল থেকে বিকেলে এখানে অনেক দর্শনার্থী আসেন বিমান নামার দৃশ্য দেখতে।
#একেবারে কাছ থেকে মাথার উপর দিয়ে বিমান নামার দৃশ্য, near aeroplane landing, baunia, uttora,Dhaka

12/09/2023

🌲🌳 রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট (Ratargul Swamp Forest)। এটি সিলেট জেলা শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। রাতারগুল বনটি প্রায় ৩০,৩২৫ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। এই বিস্তৃর্ণ এলাকার ৫০৪ একর জায়গায় রয়েছে বন আর বাকি জায়গা ছোট বড় জলাশয়ে পূর্ণ। তবে বর্ষায় পুরো এলাকাটিকেই দেখতে একই রকম মনে হয়।

রাতারগুল ‘সিলেটের সুন্দরবন’ নামে খ্যাত। রাতারগুল জলাবন বছরে চার থেকে পাঁচ মাস পানির নিচে তলিয়ে থাকে। তখন জলে ডুবে থাকা বনের গাছগুলো দেখতে সমগ্র বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকরা এসে ভিড় জমায়। অনেক পর্যটক রাতারগুলকে ‘বাংলাদেশের আমাজন’ হিসাবে অভিহিত করেন। বর্ষায় গাছের ডালে দেখা মিলে নানান প্রজাতির পাখি, আবার তখন কিছু বন্যপ্রাণীও আশ্রয় নেয় গাছের ডালে। এছাড়া শীতকালে রাতারগুলের জলাশয়ে বসে হাজারো অতিথি পাখির মেলা। সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর (বর্ষার শেষের দিকে) পর্যন্ত রাতারগুল ভ্রমণের উপযুক্ত সময়।

রাতারগুল একটি প্রাকৃতিক বন, স্থানীয় বন বিভাগ এখানে হিজল, বরুণ, করচ সহ বেশ কিছু গাছ রোপণ করেন। এছাড়াও এখানে চোখে পড়ে কদম, জালিবেত, অর্জুনসহ প্রায় ২৫ প্রজাতির জলসহিষ্ণু গাছপালা। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ বন বিভাগ রাতারগুল বনের ৫০৪ একর জায়গাকে বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করে।

যেভাবে রাতারগুল যাবেন
ঢাকার গাবতলী, ফকিরাপুল এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সিলেটগামী বাসগুলো ছেড়ে যায়৷ গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, এনা প্রভৃতি পরিবহনের এসি বাসের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য বাস ভেদে ১,৪০০ থেকে ১,৫০০ টাকা। আর নন-এসি বাসের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ৭০০ টাকা থেকে ৭৫০টাকা।

ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন আপনার ভ্রমণ সঙ্গী হিসাবে। ঢাকা থেকে সিলেট ট্রেন টিকেট ভাড়া শ্রেণী অনুযায়ী ৩২০ থেকে ৯৫৫ টাকা পর্যন্ত। চট্টগ্রাম থেকেও ট্রেনে সিলেট যেতে পারবেন, পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে।

ঢাকা থেকে সবচেয়ে দ্রুত সময়ে ও সাচ্ছন্দে যেতে আকাশ পথকে বেছে নিতে পারেন। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ, নভো এয়ার এবং ইউএস বাংলা এয়ারের বিমান ঢাকা-সিলেট আকাশপথে চলাচল করে।

সিলেট থেকে রাতারগুল যাওয়ার উপায়
সিলেট শহর থেকে রাতারগুলের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। তাই সিলেট থেকে সকালে রাতারগুল গিয়ে বিকেলের মধ্যেই ফিরে আসা যায়। একসাথে কয়েকজন হলে সারাদিনের জন্য সিএনজি কিংবা লেগুনা ভাড়া করে নিতে পারেন। সারাদিনের জন্যে ভাড়া ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা লাগবে। আপনি চাইলে রাতারগুলের সাথে ভোলাগঞ্জ অথবা বিছনাকান্দি ঘুরে দেখতে পারেন। সিএনজি রিজার্ভ করতে অবশ্যই দামাদামি করে নিন। রাতারগুল ঢুকার জন্যে সরকারি ফি দিতে হয় এবং জঙ্গলে ঢুকার জন্য জেলেদের ছোট ছোট নৌকা পাবেন। একটি ছোট নৌকায় ৪-৫ জন বসা যায়। নৌকার ভাড়া ৭৫০ টাকা।

কোথায় থাকবেন
লালা বাজার এলাকায় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় অনেক মানসম্মত আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিভিন্ন ধরণের রুম পাবেন। এছাড়া হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।

ভালো সার্ভিসের আবাসিক হোটেলের মধ্যে আছে হোটেল হলি গেইট, হলি ইন, লা ভিস্তা হোটেল, পানসি ইন, হোটেল মেট্রো ইন্টারন্যাশনাল, ব্রিটানিয়া হোটেল, ইত্যাদি। এসব হোটেলে থাকতে খরচ হবে ২,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত। লাক্সারী হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে আছে নিরভানা ইন, হোটেল নূরজাহান গ্র্যান্ড, রোজ ভিউ হোটেল, নাজিমগর রিসোর্ট, গ্র্যান্ড প্যালেস সহ আরও কিছু হোটেল। প্রতি রাতের জন্যে খরচ হবে ৮,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত।

রাতারগুল ভ্রমণে সাবধানতা
বর্ষায় বন ডুবে যাওয়ার পর সাপ সাধারণত বিভিন্ন গাছের ডালে আশ্রয় নেয়, এই বিষয়ে সতর্ক থাকুন। এছাড়া এখানে জোঁকের উপদ্রবও আছে। যদি সাঁতার জানা না থাকে তবে লাইফ জ্যাকেট সাথে রাখুন। প্রয়োজনে ছাতা ও রেইনকোট নিয়ে নিন।

সিলেটের আরও দর্শনীয় স্থান
রাতারগুল ভ্রমণ ছাড়াও আশেপাশে জনপ্রিয় পর্যটন স্থান গুলো হলো ভোলাগঞ্জ, বিছনাকান্দি, জাফলং, লালাখাল ও হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার ইত্যাদি।
RATERGUL,ratargul,ratar gul,sylhet,sylhet tour,ratargul sowamp forst,রাতারগুল জলাবন ভ্রমণ,রাতারগুল,রাতারগুল ভ্রমন,সিলেটি গান,সিলেট ভ্রমন

07/09/2023

বাফেট উপভোগ করতে স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্টে আপনাকে স্বাগতম ❤️❤️❤️
আগামী ৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) ও ১৬ই সেপ্টেম্বর (শনিবার) বাফেট লাঞ্চ এর আয়োজন করা হবে 📣📣📣 (বুফের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে)
আর দেরি না করে আজই বুকিং করুন পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার স্বপ্নদীপ রিসোর্টে।💝💝
প্যাকেজ ১ঃ ৮০০/- টাকা জনপ্রতি
👨‍🍳বুফে লাঞ্চ ৪৫+ আইটেম ও স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্টের পার্কে প্রবেশ( ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জ সহ )
প্যাকেজ ২ঃ ১০০০/- টাকা জনপ্রতি (১৬ সেপ্টেম্বর প্রযোজ্য হবে না)
👨‍🍳বুফে লাঞ্চ ৪৫+ আইটেম, স্বপ্নদ্বীপ রিসোর্টের পার্কে প্রবেশ ও সুইমিংপুল ১ ঘণ্টা ( ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জ সহ )
এত অল্প দামে ঘরোয়া স্বাদের খাবারের আইটেম আর পাবেন কোথায়?
আরো মজার মজার আইটেম তো আছেই !!
সাথে থাকছে আনলিমিটেড সফ্ট ড্রিঙ্কস, পানি এবং জুস।
🤷বাচ্চাদের: ৪ থেকে ৭ বছর প্রাইস: ৪৫০/- টাকা (প্যাকেজ ১) ; ৬০০/- টাকা (প্যাকেজ ২)
⏰লাঞ্চের সময়: দুপুর ১ঃ৩০ ঘটিকা থেকে ৩ঃ৩০ ঘটিকা
বুকিং করতে কল করুন:- 01312 427 608, 01322 823 705
আমাদের ঠিকানা - জয়নগর, ঈশ্বরদী, পাবনা (সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন)

01/09/2023

দেয়ালে বিভিন্ন নকশা করা এই ভবনের সামনে রয়েছে একটি বড় প্রবেশপথ। প্রবেশপথের দুপাশে রয়েছে ২টি করে বড় স্তম্ভ ও এর মাঝখানেই রয়েছে প্রবেশপথ। বর্তমানে যদিও এর নকশা অনেকটাই বিলীন হয়ে গিয়েছে। মূল ভবনটির দৈর্ঘ্যে ৩০.৪০ মিটার (১০০ ফুট) এবং প্রস্থ ১৮.২৮ মিটার (৬০ ফুট)।

ব্রিটিশ শাসনামলে তাড়াশ রাজবাড়ীটি নির্মাণ করেন তাড়াশের তৎকালীন জমিদার রায়বাহাদুর বনমালী রায়। স্থাপত্যের দিক দিয়ে এটির সাথে ইউরোপীয় রেনেসাঁ রীতির সঙ্গে মিল পাওয়া যায়। ৮ই জানুয়ারি ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে সংরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটিকে সংরক্ষিত ঘোষণার পূর্বে ভবনটি বিভিন্ন সরকারি দপ্তর হিসেবে ও পাবনা মেডিকেল কলেজের ভবন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে কিছুদিন।

তাড়াশ ভবন বা তাড়াশ রাজবাড়ী পাবনা জেলা সদরে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। ভবনটি তৈরি করা হয়েছিল ১৮শ শতকের কোন এক সময়।

জনশ্রুতি অনুসারে, রায়বাহাদুর জমিদারের বংশধরগণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ সালে এই ভবনটি তাদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করেছিল।

29/08/2023

ঢাকা মেট্রো রেলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। টিকিট সহ সম্পূর্ণ ভ্রমণ গাইড

28/08/2023

Address

Ruppur, Pakshey
Ishurdi
6622

Telephone

+8801772270770

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The BadhoN Travelogy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The BadhoN Travelogy:

Share

Category