21/05/2026
মিনা নামটি যেভাবে এলো! 🕋
পবিত্র মক্কা নগরীর পূর্ব পাশে পাহাড়বেষ্টিত এক ঐতিহাসিক ও বরকতময় স্থান হলো "মিনা"। মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্থানটি হজের গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার কেন্দ্রবিন্দু। মক্কা থেকে মুজদালিফার পথে অবস্থিত মিনার উত্তর-পূর্বে রয়েছে ‘জামরায়ে আকবা’ এবং দক্ষিণ-পূর্বে ‘ওয়াদিয়ে মাহসার’।
হজ্জ মৌসুমে লাখো হাজির অবস্থানের জন্য এখানে সারি সারি সাদা তাঁবু স্থাপন করা হয়। চারদিকে শুভ্র তাঁবুর সমারোহে মিনাকে অনেকেই ভালোবেসে বলেন,“সাদা তাঁবুর নগরী”। 🤍
ইসলামের ইতিহাসেও মিনার গুরুত্ব অপরিসীম। এখানেই রাসুলুল্লাহ ﷺ ও আনসার সাহাবিদের মাঝে প্রথম ও দ্বিতীয় আকাবার বাইআত অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এখান থেকেই শুরু হয় মহান হিজরতের প্রস্তুতি।
হজের কার্যক্রম মূলত মিনাকে কেন্দ্র করেই সম্পন্ন হয়। হাজিরা ইহরাম পরে মিনায় অবস্থান করেন, রাত যাপন করেন এবং ঈদুল আজহার দিনে জামরায়ে আকবায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করেন। এরপর কোরবানি, চুল কাটা এবং তাওয়াফে ইফাজার মাধ্যমে হজের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো সম্পন্ন করেন।
মিনা আবার হযরত ইবরাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.)-এর ত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত স্থান। এখানেই আল্লাহর আদেশ পালনে ইবরাহিম (আ.) তাঁর প্রিয় পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। এই ঘটনা আজও মুসলিম উম্মাহর জন্য ত্যাগ, আনুগত্য ও ঈমানের এক মহান শিক্ষা।
'মিনা' নামটি কেন?
অনেক আলেমের মতে, এখানে বিপুল পরিমাণ কোরবানি করা হয় বলেই এ স্থানের নাম হয়েছে “মিনা”। আবার কারো মতে, আরবিতে যে স্থানে মানুষের ব্যাপক সমাগম ঘটে, সেটিকেও “মিনা” বলা হয়।
অর্থাৎ, লাখো হাজির সমাগম ও অসংখ্য কোরবানির স্মৃতিকে ধারণ করেই এই পবিত্র স্থানের নাম হয়েছে, 'মিনা'। ✨
📌 ২০২৭ সনের হজ্জের প্রাক-নিবন্ধন চলছে।
আপনার পবিত্র সফরের বিশ্বস্ত সঙ্গী হতে পাশে আছে "হক ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস"।
#মিনা #হজ্জ #উমরাহ #পবিত্র_সফর ্যুরস_এন্ড_ট্রাভেলস