নুসাইবা ইন্ডিয়ান ভিসা প্রসেসিং সেন্টার, গাইবান্ধা

  • Home
  • Bangladesh
  • Rangpur
  • নুসাইবা ইন্ডিয়ান ভিসা প্রসেসিং সেন্টার, গাইবান্ধা

নুসাইবা ইন্ডিয়ান ভিসা প্রসেসিং সেন্টার,  গাইবান্ধা মেডিকেল ভিসা প্রসেসিং
ট্যুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং
এয়ার টিকেটিং

ইন্ডিয়া থেকে মরদেহ আনার পদ্ধতি*****************************আমাদের দেশ থেকে প্রতিদিন চিকিৎসা, ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক কাজে ইন্...
07/08/2026

ইন্ডিয়া থেকে মরদেহ আনার পদ্ধতি
*****************************

আমাদের দেশ থেকে প্রতিদিন চিকিৎসা, ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক কাজে ইন্ডিয়ায় যায় প্রচুর মানুষ। বেশিরভাগ মানুষ চিকিৎসার জন্য গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে ফিরে আসে। আবার ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক কাজ শেষ করে ফিরে আসে অধিকাংশ মানুষ। আবার মাঝেমাঝেই আমাদের কানে খবর আসে চিকিৎসা, ভ্রমণ বা ব্যবসার কাজে গিয়ে মারা গেছে অনেকেই। কিভাবে মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে, কি কি প্রসেসিং সম্পন্ন করতে হবে আর কত টাকা খরচ হবে এসব বিষয়ে আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই জানে না। আজকের পোস্ট এসকল বিষয় নিয়েই লেখা।

ইন্ডিয়ায় গিয়ে কেউ মারা গেলে সেই লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে আপনাকে লম্বা একটি রাস্তা বা বেশ কিছু প্রসেস সম্পন্ন করে দেশে মৃতদেহ ফেরত আনতে হবে। এসময় বেশ কিছু অফিসে কাগজপত্র জমা দিয়ে প্রমাণ করতে হবে মৃতদেহটি আপনার আত্মীয়র, বা রোগীর এটেন্ডেন্স হিসেবে রোগীর সাথে আপনি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। সাথে এটাও প্রমাণ দিতে হবে সেখানে অবস্থানকালে আপনি বা মৃত ব্যক্তি অবৈধ কোন কাজ করেন নি। অবৈধ কাজ বলতে পাসপোর্ট ব্যতীত ইন্ডিয়া গমন, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও অবস্থান, মাদক বা আইনী মামলায় আটক, অবৈধ উপায়ে অঙ্গ প্রতিস্থাপন ইত্যাদি।

আমি একের পর এক ধাপ সম্পর্কে লিখছি যা আপনাদের জন্য এই পরিস্থিতিতে সহায়ক হবে।

ধাপ-১ঃ

ডেথ সার্টিফিকেট ( Death Certificate):
রোগীর মৃত্যুর পরে প্রথমেই আপনাকে হাসপাতাল থেকে ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে। ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা খুবই সহজ। রোগী হাসপাতালে যে ডাক্তারের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনিই রোগীর ডেথ সার্টিফিকেট লিখে দিবেন। হাসপাতালের এডমিনেস্ট্রেশন বিভাগ থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে এটির ১০ টি জেরক্স কপি করে নিবেন।

ধাপ-২ঃ

পুলিশ এন.ও.সি (Police N.O.C):
ডেথ সার্টিফিকেটের অরজিনাল আর জেরক্স কপি এবং রোগীর যে কোনো একজন এটেন্ডেন্সের পাসপোর্ট ( অরজিনাল এবং জেরক্স) নিয়ে যে থানার অধীনে হাসপালে পড়েছে সেই থানায় যেতে হবে। সেখানে কথা বলে নাম, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য প্রদান করে পুলিশের নিকট থেকে N.O.C সংগ্রহ করতে হবে। N.O.C সংগ্রহ করতে কোন টাকা পয়সা লাগে না। কাউকে দিয়ে পাসপোর্ট বা কোন কপি পাঠাবেন না। যিনি রোগীর এটেন্ডেন্স এবং মৃতদেহ নিয়ে দেশে আসবেন তিনি নিজে স্বশরীরে থানায় উপস্থিত হবেন।

ধাপ-৩ঃ

Passport Cancellation and N.O.C:
ডেথ সার্টিফিকেট, N.O.C পেপার এবং মৃত রোগীর পাসপোর্ট এবং এটেন্ডেন্সের পাসপোর্ট ( অরজিনাল এবং জেরক্স) নিয়ে নিকটস্থ হাই কমিশনারের কার্যালয়ে চলে যেতে হবে এটেন্ডেন্সকে। হাই কমিশনারের কার্যালয় ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে। তবে সন্ধ্যা ৬ টার পরে ফোন করলে বা উপস্থিত হলে পরের দিন সকালে যেতে বলে। মৃত ব্যক্তির পাসপোর্ট ক্যান্সেলেশনের জন্য আসছেন এটা বলবেন। তাহলে অনেক সময় ৬ টার পরেও কাজ করে দেয়। ওখানে মৃত ব্যক্তির মূল পাসপোর্টটা ক্যান্সেল করে সীল মেরে হাই কমিশনারের আরেকটি N.O.C সংগ্রহ করে নিবেন। সংগ্রহ করে এই কাগজেরও ১০ টি জেরক্স কপি করে নিবেন।

ধাপ-৪ঃ

FRO:
উপরের সব মূল কাগজ এবং তার জেরক্স নিয়ে FRO তে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করলে মোটামুটি মেডিকেল এবং আইনি কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। মনে রাখবেন FRO সকাল ১০ টার আগে খুলে না। তাই ১০ টার আগে ওখানে গিয়ে কোন কাজ হবে না।

ধাপ-৫ঃ

Embalming Certificate:
ইন্ডিয়ায় অনেক সংস্থা আছে যারা মৃতদেহ প্রিজারভেশন (Preservation) এর কাজ করে থাকে। তাদের মধ্যে Peace Heaven হচ্ছে ভারতের সবচেয়ে পুরাতন সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিগত ৭০ বছর ধরে তারা মৃতদেহ সংরক্ষণের কাজ করে আসছে। আর এরা সংরক্ষণের জন্য অন্যদের তুলনায় কম টাকা নিয়ে থাকে। এছাড়াও Green Ambulance সংস্থাটিও বেশ ভালোভাবে এই কাজ করে।

যে কোন একটি সংস্থায় কথা বলে সকল ফর্মালিটিস সম্পন্ন করতে হবে। ফর্মালিটিস পূরণের জন্য এখানে উপরের ৪টি কাগজ নিয়ে যেতে হবে সেখানে। অত:পর সেখান থেকে Embalming Certificate সংগ্রহ করে নিবেন। বডি প্রিজারভেশন এর জন্য এখানে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা দিতে হয়। এক এক সংস্থায় এক এক রকম চার্জ নির্ধারণ করা থাকে। Peace Heaven সংস্থা ৭২ ঘন্টার জন্য বডি প্রিজারভেশন, কফিন এবং ১ দিনের মর্গ চার্জ হিসেব করে ১৬,২০০ রুপি নিয়ে থাকে। এছাড়া উপরের প্রসেসগুলোতে আর কোন টাকা লাগে না।

★ ইন্ডিয়া থেকে দেশে মৃতদেহ ফিরিয়ে আনতে হলে উপরে উল্লেখিত ৫ টি পেপার অবশ্যই সংগ্রহ করে সাথে রাখতে হবে। এবং সবগুলো পেপারের ৭ টি করে জেরক্স করে আলাদা আলাদা করে ৭ টি সেট তৈরি করে নিতে হবে।

মৃতদেহ যদি বাই রোডে নিয়ে আসতে চান, তাহলে এম্বুলেন্সের ড্রাইভার বা মালিকের সাথে যোগাযোগ করে ভাড়া নির্ধারণ করে নিতে হবে। এবং বিকেল ৫ টার মধ্যে যেন বর্ডারে পৌঁছানো যায় এমন সময়ে রওনা দিতে হবে। কারণ ৬ টার পরে বর্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৫ টায় মধ্যে পৌঁছাতে না পারলে ৬ টার মধ্যে যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে বের হয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে।

আর যদি বাই এয়ারে মৃতদেহ নিয়ে আসতে চান, তাহলে প্লেনের টিকিট কেটে টিকিটের একটি প্রিন্ট কপি এবং যাবতীয় কাগজ (উপরের ৫ টি পেপার) নিয়ে কার্গো বিভাগে গিয়ে কথা বলে বডি ডিস্প্যাচ করার কাগজ সংগ্রহ করে নিতে হবে। বাকি কাজ কখন কিভাবে করতে হবে তার দ্বায়িত্ব তারা নিজেই নিয়ে নিবে।

কার্গোতে মৃতদেহ আনতে কোন টাকা লাগে না। শুধুমাত্র এটেন্ডেন্ট-এর এয়ার টিকিট লাগবে। বাই রোডে কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশনের সময় বডির জন্য কিছু টাকা খরচ করতে হয়। ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের সময় দেশে দেহ আনার সময় ৯০০০ রুপি জমা দিতে হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
আমাদের দেশ থেকে যারা ইন্ডিয়ায় যারা চিকিৎসা করাতে যায়, ইন্ডিয়ায় পৌঁছে তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯ শতাংশ মানুষ কোন হোটেল বা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। ক্যান্সার চূড়ান্ত পর্যায়ে, ব্রেন টিউমার, হার্টের সমস্যা বা বড় বড় রোগে আক্রান্ত রোগীকে হোটেলে বা বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে না রেখে একটু বেশি টাকা খরচ করে হাসপাতালে রাখার চেষ্টা করবেন। আমাদের অনেকেই জানি না চিকিৎসা বা যে কোন কারণে অন্য দেশে গিয়ে কোন ব্যক্তি যদি সেখানের হোটেল বা বাসায় থাকা অবস্থায় মারা যায়, তাহলে পুলিস কেস এবং পোস্টমর্টেম ব্যতীত মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। আর এই প্রসেস সময় সাপেক্ষ এবং বেশ ঝামেলারও।

নিশ্চয়ই আমরা কেউ চাই না আমাদের প্রিয় মানুষটির দেহ ময়নাতদন্ত করা হোক বা তার দেহ সামান্য আঘাত লাগুক ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়।

হাসপাতালে স্বাভাবিক মৃত্যু হলে রোগীর পোস্টমর্টেমের কোন প্রয়োজন নেই। তবে এক্সিডেন্ট বা সুইসাড জনিত কেস হলে যেখানেই থাকুক না কেন পুলিশ কেস এবং পোস্টমর্টেম করা হবে।

🏥🇮🇳 ভারতীয় মেডিকেল ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 📑📌 আবেদনের আগে নিচের কাগজপত্রগুলো প্রস্তুত রাখুন:🛂 ১. মূল পাসপোর্ট✅ সর্...
06/08/2026

🏥🇮🇳 ভারতীয় মেডিকেল ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 📑

📌 আবেদনের আগে নিচের কাগজপত্রগুলো প্রস্তুত রাখুন:

🛂 ১. মূল পাসপোর্ট
✅ সর্বনিম্ন ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে।

🪪 ২. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর ফটোকপি

📸 ৩. পাসপোর্ট সাইজ ছবি
🖼️ ২×২ ইঞ্চি রঙিন ছবি
🤍 সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড

🏠 ৪. বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি
💡 বিদ্যুৎ / 🔥 গ্যাস / 💧 পানির / ☎️ টেলিফোন বিল

🏥 ৫. মেডিকেল সংক্রান্ত কাগজপত্র
📋 বাংলাদেশি চিকিৎসকের মেডিকেল ডকুমেন্টস
📨 ভারতীয় হাসপাতাল/চিকিৎসকের AYUSH Letter (যদি প্রযোজ্য হয়)
📅 হাসপাতালের Appointment Letter

💼 ৬. পেশা প্রমাণের কাগজপত্র
👔 চাকরিজীবী: NOC
🏪 ব্যবসায়ী: আপডেট ট্রেড লাইসেন্স
🌾 কৃষক: জমির পর্চা
🎓 শিক্ষার্থী: স্টুডেন্ট আইডি কার্ড

💳 ৭. আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ
🏦 কমপক্ষে ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
অথবা
💵 ন্যূনতম ১৫০ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ ডলার এন্ডোর্সমেন্ট
অথবা
💳 SBI ট্রাভেল কার্ড

📄 ৮. পূর্বের ভারতীয় ভিসা থাকলে তার কপি

🚨 ৯. পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে
📑 জিডির কপি
⚖️ নোটারি কপি
📄 লস্ট সার্কুলেশন (আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস অথবা যে অফিস থেকে পাসপোর্ট করা হয়েছে সেখান থেকে সংগ্রহ করতে হবে)

📝 ১০. পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন হলে
যেমন—
👤 নিজের নাম
👨 বাবার নাম
👩 মায়ের নাম
🎂 জন্মতারিখ/বয়স

⚖️ এসব ক্ষেত্রে কোর্ট এফিডেভিট (Affidavit) সংযুক্ত করতে হবে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

📌 ভিসা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্র চাইতে পারে।

🚫 Presstv27 কোনো ধরনের ভিসা প্রসেসিং বা ভিসা সংক্রান্ত আর্থিক সেবা প্রদান করে না।

🤝 তথ্যটি শেয়ার করুন, অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন।

🇮🇳❤️🇧🇩

06/08/2026
ভিসা নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের সতর্কবার্তা(আজকের দিনকাল) :বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা ও বিভিন্ন কনস্যুলার সেবার নামে প্রতারণামূ...
06/08/2026

ভিসা নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের সতর্কবার্তা
(আজকের দিনকাল) :বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা ও বিভিন্ন কনস্যুলার সেবার নামে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় হাইকমিশন জানায়, প্রতারক চক্র নিজেদের ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তারা অর্থের বিনিময়ে ভিসা বা অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাইয়ে দেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

হাইকমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের কোনো কর্মকর্তা কখনোই ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ই-মেইলের মাধ্যমে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করে ভিসা দেওয়ার প্রস্তাব দেন না বা অর্থ দাবি করেন না। সব ধরনের ভিসা আবেদন নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসারেই নিষ্পত্তি করা হয়।

এ ধরনের ফোনকল, বার্তা বা প্রস্তাব পেলে কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন না করার পরামর্শ দিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য কারও সঙ্গে শেয়ার না করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

হাইকমিশন জানিয়েছে, কেউ প্রতারণার এমন ঘটনার মুখোমুখি হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনকে জানাতে হবে। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বর, স্ক্রিনশট বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য [email protected] ঠিকানায় পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি অন্যদের মধ্যেও এ বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন।-ডেস্ক

ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য আবেদন ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট (Slot) বুকিং করার সম্পূর্ণ নিয়মঃঅনেকেই জানতে চান—কীভাবে ইন্ডিয়ান ভিসার আ...
05/08/2026

ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য আবেদন ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট (Slot) বুকিং করার সম্পূর্ণ নিয়মঃ
অনেকেই জানতে চান—কীভাবে ইন্ডিয়ান ভিসার আবেদন করবেন এবং কীভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট (Slot) বুক করবেন। নিচে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি তুলে ধরা হলো।

ধাপ–১: অনলাইনে ভিসা আবেদন করুন

অফিসিয়াল Indian Visa Online ওয়েবসাইটে গিয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করুন।

➡️ আবেদন শেষে ফরমটি Submit করে PDF কপি ডাউনলোড করুন।

ধাপ–২: Web File প্রস্তুত করুন

আবেদন ফরমের PDF (Web File) সংরক্ষণ করুন।

⚠️ Web File অবশ্যই আসল PDF হতে হবে এবং ৩০ দিনের বেশি পুরোনো হওয়া যাবে না।

ধাপ–৩: IVAC Appointment System-এ Sign Up করুন

IVAC-এর নতুন Appointment Management System-এ মোবাইল নম্বর, ই-মেইল এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে Sign Up করুন।

OTP যাচাই করে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করুন।

ধাপ–৪: Web File Upload করুন

লগইন করে আপনার Web File (PDF) আপলোড করুন।

ফাইল সফলভাবে আপলোড হলে আপনি Slot বুক করার জন্য প্রস্তুত।

ধাপ–৫: Appointment Slot বুক করুন

নির্ধারিত সময়ে Slot Booking চালু হলে লগইন করুন।

✔️ আপনার IVAC নির্বাচন করুন। ✔️ তারিখ নির্বাচন করুন। ✔️ সময় নির্বাচন করুন। ✔️ Confirm করুন।

ধাপ–৬: ফি পরিশোধ করুন

Appointment নিশ্চিত হওয়ার পর নির্ধারিত ভিসা ফি পরিশোধ করুন এবং রসিদ সংরক্ষণ করুন।

ধাপ–৭: নির্ধারিত দিনে IVAC-এ যান

সঙ্গে নিয়ে যাবেন—

✅ পাসপোর্ট
✅ প্রিন্ট করা আবেদন ফরম
✅ Appointment Slip
✅ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র
✅ ছবি (প্রয়োজন হলে)

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাঃ

⚠️ সকল আবেদন ও লেনদেন নিজ দায়িত্বে সম্পন্ন করুন। নিজে চেষ্টা করে না পারলে তখন আমাদের সহযোগিতা নিতে পারেন।

📢 এই পোস্টটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। সর্বশেষ নিয়ম ও আপডেটের জন্য সবসময় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসরণ করুন।

— Indian Visa Help Centre (IVAC)

✅ কোনো কারণে কলকাতা থেকে ট্রেনের টিকেট না পেলে এবং যাওয়া ইমারজেন্সি হলে বাসের অপশন পেয়ে যাবেন। ➡️ এ বার ভলভো বাসে সড়কপ...
18/07/2026

✅ কোনো কারণে কলকাতা থেকে ট্রেনের টিকেট না পেলে এবং যাওয়া ইমারজেন্সি হলে বাসের অপশন পেয়ে যাবেন।

➡️ এ বার ভলভো বাসে সড়কপথেই পৌঁছে যাওয়া যাবে দিল্লি, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু এবং পুরীর মতো দূরবর্তী গন্তব্যে। এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে বেসরকারি বাস পরিবহন সংস্থা ‘শ্যামলী’। বুধবার সল্টলেকের করুণাময়ী বাস টার্মিনাসে এক অনুষ্ঠানে এই নতুন পরিষেবার উদ্বোধন হয়।

➡️ অত্যাধুনিক ডিজাইনের এই ভলভো কোচগুলিতে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য রয়েছে খোলামেলা ও আরামদায়ক আসন, বায়ো-টয়লেট এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ও জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মতো আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া যাত্রাপথে বিনোদন ও কাজের সুবিধার জন্য বাসের ভিতরে থাকছে ওয়াই-ফাই সংযোগ ও চার্জিং পয়েন্টের ব্যবস্থাও। সপ্তাহে সাত দিনই এই বাসগুলো যাতায়াত করবে।

➡️ কলকাতা থেকে দিল্লি পৌঁছাতে সময় লাগবে ২৫ ঘণ্টা, যার জন্য ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ২০০০ রুপি। এ ছাড়া, কলকাতা থেকে বেঙ্গালুরু পৌঁছাতে সময় লাগবে ৩৫ ঘণ্টা, মাথাপিছু ন্যূনতম ভাড়া ৪৫০০ রুপি। একইভাবে কলকাতা থেকে চেন্নাইয়ের জন্য সময় লাগবে ২৮ ঘণ্টা, ন্যূনতম ভাড়া ৪৭০০ রুপি। মাত্র ৮ ঘণ্টায় কলকাতা থেকে পুরী পৌঁছনোর জন্য বাসের ন্যূনতম ১৫০০ রুপি ভাড়া দিতে হবে যাত্রীদের। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অরুণ কুমার ঘোষ বলেন,‘দূরপাল্লার বাসে যাতে বাড়ির মতো আরাম পাওয়া যায়, সেই চেষ্টাই করা হয়েছে।

‼️ ভাড়া ডাইনামিক ফেয়ার রাখা হয়েছে। মানে উঠানামা করবে। এখানে সর্বনিম্ন ভাড়া বলা হয়েছে।

প্রথমবার CMC Vellore-এ যাচ্ছেন?চিকিৎসার জন্য প্রথমবার CMC Vellore-এ যাওয়ার আগে এই বিষয়গুলো জেনে রাখলে আপনার যাত্রা ও চ...
14/07/2026

প্রথমবার CMC Vellore-এ যাচ্ছেন?

চিকিৎসার জন্য প্রথমবার CMC Vellore-এ যাওয়ার আগে এই বিষয়গুলো জেনে রাখলে আপনার যাত্রা ও চিকিৎসার প্রক্রিয়া অনেক সহজ হবে।

🌼 ১. অ্যাপয়েন্টমেন্ট আগে থেকেই নিয়ে রাখুন।
সম্ভব হলে অনলাইনে আগে থেকেই বুকিং করুন।
🌼 ২. সব চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন।
বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে থাকলে MRI/CT Scan-এর CD, প্লেট বা X-ray Film সঙ্গে রাখুন। (CMC-তে পরীক্ষা করা হয়ে থাকলে সেই ইমেজ হাসপাতালের সিস্টেমে সংরক্ষিত থাকে।)
🌼 ৩.
CMC Vellore-এর একাধিক ক্যাম্পাস রয়েছে। তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লিপে উল্লেখ করা ক্যাম্পাসটি দেখে নিন।
🌼 ৪. Katpadi Junction থেকে CMC Vellore
Auto, Taxi বা Local Bus—সবই পাওয়া যায়।
📍 দূরত্ব: প্রায় ৭–৮ কিমি
🕒 সময়: প্রায় ১৫–২৫ মিনিট
🌼 ৫. থাকার ব্যবস্থা:
CMC-এর আশেপাশে বিভিন্ন বাজেটের হোটেল ও লজ রয়েছে। সাধারণত ₹৪০০–₹১,২০০-এর মধ্যে ভালো রুম পাওয়া যায়। AC ও Non-AC—দুই ধরনের রুমই আছে।
🌼৬. স্লট খালি থাকা সাপেক্ষে হাসপাতালে গিয়েও বিভিন্ন বিভাগের ডাক্তার এর এপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যায়।
🌼 ৭. ভাষা নিয়ে চিন্তার কারণ নেই।
তামিল, ইংরেজি ও হিন্দি বেশি প্রচলিত। এছাড়া হাসপাতালের আশেপাশে অনেকেই বাংলা বুঝতে বা বলতে পারেন।
🌼৮. ধৈর্য ধরে চিকিৎসা করান। ভিড় বেশি থাকলেও চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ নিয়ম মেনেই হয়। তাই কিছুটা সময় লাগতে পারে।
🌼 ৯. কিছু বিষয় মনে রাখবেন
✔️ সময় হাতে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছান।
✔️ দীর্ঘ অপেক্ষার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকুন।
✔️ অপরিচিত কারও পরামর্শে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
✔️ প্রয়োজনে Help Desk বা হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাছ থেকে তথ্য নিন।
✔️ কোনো বিষয় বুঝতে অসুবিধা হলে অবশ্যই প্রশ্ন করুন।
🌼 ১০.
চিকিৎসার খরচ রোগ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ওপর নির্ভর করে। তাই অন্যের খরচের সঙ্গে নিজের চিকিৎসার খরচ তুলনা না করাই ভালো।

🎄 সবশেষে একটি কথা—ধৈর্য রাখুন।
CMC Vellore-এ প্রতিদিন অসংখ্য রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। তাই কিছুটা অপেক্ষা স্বাভাবিক। ধৈর্য ও পরিকল্পনা থাকলে পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।

আপনারও যদি CMC Vellore-এ যাওয়ার কোনো অভিজ্ঞতা বা গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ থাকে, কমেন্টে শেয়ার করুন। আপনার একটি তথ্য হয়তো অন্য একজন রোগী ও তাঁর পরিবারের অনেক উপকারে আসবে। 🎄🙏

ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র- 1. মূল পাসপোর্ট (মিনিমাম ৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।2. NID Card এর ফটোকপি।3....
28/06/2026

ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-

1. মূল পাসপোর্ট (মিনিমাম ৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
2. NID Card এর ফটোকপি।
3. 2/2 ইঞ্চি রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
4. ইউটিলিটি বিল এর ফটোকপি।
5. পেশা প্রমাণের জন্য-
ক. চাকরিজীবী হলে এন.ও.সি।
খ. ব্যবসায়ী হলে আপডেট ট্রেড লাইসেন্স।
গ. যদি কৃষক থাকেন তাহলে জমির পর্চা।
ঘ. স্টুডেন্ট হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড।
6. আর্থিক সচ্ছলতা প্রমানের জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট মিনিমাম ছয় মাস অথবা ডলার androcement MTE মিনিমাম ১৫০ ডলার সমপরিমাণ। অথবা এসবিআই ট্রাভেল কার্ড।
7. পূর্বের ভিসা থাকলে সেই ভিসার কপি।
8. লস্ট পাসপোর্ট থাকলে জিডি কপি, নোটারি এবং লস্ট সার্কুলেশন ( এটা পাবেন আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে অথবা আপনি যেখানে পাসপোর্ট করেছেন সেখানে গেলেও পাবেন।)।
9. পাসপোর্ট এর কোন তথ্য পরিবর্তন করলে যেমন নিজের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম অথবা বয়স যদি পরিবর্তন হয় তবে তার জন্য কোর্ট এফিডেভিট লাগবে। (কোন এডভোকেটের সঙ্গে যোগাযোগ করে এটা পাবেন)।

Address

Tin Mile, Near, Passport Office Gaibandha
Rangpur
5700

Telephone

+8801518608777

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নুসাইবা ইন্ডিয়ান ভিসা প্রসেসিং সেন্টার, গাইবান্ধা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to নুসাইবা ইন্ডিয়ান ভিসা প্রসেসিং সেন্টার, গাইবান্ধা:

Shortcuts

Share

Category