25/09/2025
লালবাগ কেল্লা ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ, যার নির্মাণ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে মুঘল সুবেদার মুহাম্মদ আজম শাহ কর্তৃক, যিনি ছিলেন সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র। তাঁর উত্তরসূরি শায়েস্তা খান কাজ সম্পূর্ণ না করায় এটি অসমাপ্ত রয়ে যায়। কেল্লাটিতে পরী বিবির মাজার, দরবার হল এবং একটি মসজিদ রয়েছে, যা মুঘল স্থাপত্যের এক চমৎকার নিদর্শন।
নির্মাণ ও অসমাপ্তি
👉১৬৭৮ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র মুহাম্মদ আজম শাহ তাঁর বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সুবেদার থাকাকালীন কেল্লা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
👉আজম শাহ ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার পর তাঁর উত্তরসূরি শায়েস্তা খান কেল্লার কাজ চালিয়ে যান, কিন্তু তা সম্পূর্ণ না করেই তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।
এর ফলে কেল্লাটি সম্পূর্ণভাবে নির্মিত না হয়ে অসমাপ্ত থেকে যায়।
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা
👉পরী বিবির মাজার: এটি কেল্লার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলির মধ্যে একটি, যা মার্বেল পাথরে তৈরি।
👉দরবার হল (আর্কিওলজিক্যাল মিউজিয়াম): এখানে একটি জাদুঘর রয়েছে, যেখানে মুঘল আমলের বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন যেমন পোশাক, আসবাবপত্র ও অস্ত্রশস্ত্র সংরক্ষিত আছে।
👉মসজিদ: তিনটি গম্বুজবিশিষ্ট এই মসজিদটি মুঘল স্থাপত্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
বর্তমান অবস্থা
লালবাগ কেল্লা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং একটি প্রধান পর্যটন কেন্দ্র।
বর্তমানে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটি রক্ষণাবেক্ষণ করছে।
ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্য